ORNI Grocery SHOAP

ORNI Grocery SHOAP সব ধরনের খুচরা ও পাইকারি তেলের ওর্ডার নিয়ে থাকি এবং সাথে হোম ডেলিভারীর ব্যবস্থাও আছে।
যোগাযোগ : ০১৭২৩৩৫৭৩২৯

অজানা ১৪ টি সরিষার তেলের উপকারিতা :সরিষার দানা কাচ্চি ঘানি (Cold pressed) প্রক্রিয়ায় সরাসরি পিষে তেল বের করা হয়। যা খ...
25/01/2025

অজানা ১৪ টি সরিষার তেলের উপকারিতা :

সরিষার দানা কাচ্চি ঘানি (Cold pressed) প্রক্রিয়ায় সরাসরি পিষে তেল বের করা হয়। যা খুব ঘন এবং ঝাঁঝযুক্ত হয়ে থাকে। সবচেয়ে বেশী স্বাস্থ্য উপকারী হিসাবে পরিচিত এই তেল। হজম শক্তি বৃদ্ধি, হৃদপিন্ড ভাল রাখতে, চুলের যত্নে এবং শরীরের মাংশ শক্ত হয়ে যাওয়া (muscle stiffness) ইত্যাদি থেকে রোধ করে থাকে সরিষার তেল। নানা গুণে ভরপুর সরিষার তেল। এর মধ্যে সরিষার তেলের জানা-অজানা উপকারিতা গুলোর মধ্যে আজকে আমরা অজানা ১৪ টি সরিষার তেলের উপকারিতা সম্পর্কে জানব।

হজম প্রক্রিয়া:

সরিষার তেল হজম প্রক্রিয়াকে সাহায্য করে ও মেটাবলিক রেট বৃদ্ধি করে। যে কারনে হজম জনিত সমস্যা থেকে শুরু করে পেটের পীড়া ও গ্যাস্টিক সমস্যা কমাতে সহায়ক।
সরিষার তেল ব্যথা কমায়

জয়েন্টের ব্যথা, হাঁটুর ব্যথা, আর্থ্রাইটিস (বাত) সহ রিউম্যাটিকের ব্যথাও দূর করে সরিষার তেল। প্রদাহ বিরোধী (Anti-inflammatory) উপাদান সরিষার তেলে থাকায় এই ধরনের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

ক্যান্সার রোধ:

গ্লুকোসিনোলেট (Glucosinolate) নামক উপাদান এই তেলে রিয়েছে তাই মলাশয় ক্যান্সার এবং অন্ত্রের ক্যান্সার রোধ করতে সাহায্য করে। এই তেলে লুকোসুনোলেট ও মিরোশিস নামক উপাদান থাকে বলে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রনে কাজ করে। এই উপাদানগুলো ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট কলোরেক্টাল ও গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনালের মতো ক্যানসারের ঝুঁকিও কমায়।
ফুসফুস পরিষ্কার রাখে

সরিষার তেল এক ধরণের ডিকঞ্জেস্টেন্ট বা শ্বাসতন্ত্র পরিষ্কারক। কফ জনিত সমস্যায় সরিষার তেলের সাথে রসুন মিশিয়ে বুকে ও পিঠে লাগালে সমাধান হয়।

হৃদিপিন্ড সুস্থ রাখতে

সরিষার তেলে থাকা মনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক রাখে ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি প্রায় ৭০% কমায়।
এজমা রোগে

এজমা এটাক (Asthma attack) সমস্যা হলে সরিষার তেল বুকে ঘষলে শ্বাস নেয়ার ক্ষমতা বেড়ে যায়। এছাড়াও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

চুল ও ত্বকের যত্নে

সরিষার তেলের ব্যাক্টেরিয়া এবং ফাঙ্গাস বিরোধী গুণাগুণ ত্বক ও চুলকে উজ্জ্বল করে। শীতের সময় ত্বকে ব্যবহার করলে ত্বকের শুষ্কতা দূর হয় এবং শরীর গরম থাকে। বিশেষ করে উচ্চমাত্রার বিটা ক্যারোটিন থাকে এতে। বিটা ক্যারোটিন ভিটামিনে রূপান্তরিত হয়ে চুল বৃদ্ধি করে।
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নাভিতে কয়েক ফোঁটা সরিষার তেল দিলে সুফল পাওয়া যায়। অনেক সময় পেটে ব্যাথা অনুভব হলেও সরিষার তেল মালিশ করলে আরাম বোধ হয়।

স্মরণশক্তি বৃদ্ধি ও চেতনার উন্নয়ন

সরিষার তেল নিয়মিত রান্নায় ব্যবহারে করলে এর পুষ্টিগুন স্মরণশক্তি বাড়াতে ও চেতনার উন্নয়ন করতে সাহায্য করে।
পোকামাকড় এবং মশা তাড়াতে

পোকামাকড় এবং মশা তাড়ানোর জন্য অনেক ধরনের ঔষধ হিসাবে সরিষার তেল ব্যবহার হয়ে থাকে। এর গন্ধে পোকামাকড় কাছে ঘেঁষে না।
ওজন কমাতে

এই তেলে রিবোফ্ল্যাভিন (Riboflavin) ও নায়াসিন (Niacin) থাকে। যা শরীরে মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়। ফলে ওজন কমাতে সাহায্য করে।
দাঁতের স্বাস্থ্য রক্ষায়

সুস্থ দাঁত ও জিঞ্জাভাইটিস ও পেরিওডন্টাইটিস রোগ প্রতিরোধে সরিষার তেল সহায়ক। যেহেতু সরিষার তেলে ক্যালশিয়াম থাকে তাই দাঁত মজবুত সুস্থ রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। হাফ চা চামচ সরিষার তেলের সাথে ১ চা চামচ হলুদের গুঁড়া ও হাফ চা চামচ লবন এক সাথে মিশিয়ে দাঁত ও মাড়িতে হালকা করে দুইবেলা মাজলে উপকার পাওয়া যায়।
পেটের ব্যথা

গ্যাস বা বদহজম জনিত পেটের ব্যথা সহ মেয়েদের মাসিকের ব্যথা হলে সরিষার তেল পেটে মালিশ করলে সুফল পাওয়া যায়।
মাইগ্রেনের কষ্ট কমায়

মাইগ্রেনের কষ্ট কমাতে ম্যাগনেশিয়াম দারুন কাজ করে। আর সরিষার তেলে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম থাকায় এটি মাইগ্রেন এর কষ্ট কমাতে সাহায্য করে।

এই ছিল কারো কাছে জানা ও কারো কাছে অজানা ১৪ টি সরিষার তেলের উপকারিতা। এছাড়াও সরিষার তেলের ব্যপক পুষ্টিগুন ও সবাস্থ্যকর উপাদান রয়েছে। যার ফলে প্রতিদিনের রান্নায় খাটি সরিষার তেল ব্যবহারে যেমন অনেক উপকারিতা পাওয়া যায় তেমন শরীরের জন্য স্বাস্থ্যসম্মতও। তাই প্রতিটি রান্না ঘরে শুরু রাখার জন্য বা নাম মাত্র সরিষার তেলের পরিবর্তে রান্নায় ব্যবহার হোক খাটি সরিষার তেল। খাটি সরিষার তেল খান, সুস্বাস্থ্য বিদ্যমান।

সরিষার তেল খাওয়ার নিয়ম – শীতের সুস্থতায়আপনি অনেক ভাবেই সরিষার তেল খাওয়ার নিয়ম করে খেতে পারেন। সর্বজনীনভাবে সরিষার তেলের...
24/01/2025

সরিষার তেল খাওয়ার নিয়ম – শীতের সুস্থতায়

আপনি অনেক ভাবেই সরিষার তেল খাওয়ার নিয়ম করে খেতে পারেন। সর্বজনীনভাবে সরিষার তেলের ব্যবহার কম হলেও এই তেলের গুণাগুণ ও সরিষার তেল খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে যাঁরা জানেন তাঁরা নিয়মিতই তাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করে থাকেন। প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক, সরিষা তেল আমরা কিভাবে পেয়ে থাকি। আমরা অনেকেই জানি যে, সরিষাবীজ থেকে তৈরি হয় সরিষার তেল। যা দেখতে গাঢ় হলুদ বর্ণের এবং বাদামের মতো সামান্য কটু স্বাদ ও শক্তিশালী সুবাসযুক্ত তেল। এই তেল কে স্বাস্থ্যকরি তেলও বলা হয়। কারন এতে ওমেগা আলফা ৩ ও ওমেগা আলফা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ই ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ ও আরো অন্যান্য গুনাগুনের উৎস থাকে। বিভিন্ন ভোজ্য তেলের ওপর করা তুলনামূলক সমীক্ষায় করে দেখা গেছে, ৭০ ভাগ হৃৎপিণ্ড–সংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি কমায় এই তেল। সরিষার তেল ব্যবহারে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়, যা হৃদ্​রোগের আশঙ্কা কমিয়ে দেয়। এছাড়াও শীতের সুস্থতায় প্রতিদিন নিয়ম করে নাভিতে এক ফোটা করে তেল ও গোসলের আগে বুকে ও শরিরে মেখে গোসল দিতে পারেন। এতে ঠান্ডা সর্দি জনিত সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এছাড়াও শরীরকে সরিষার তেল গরম করে বিধায় শীতের দিনে গোসল দিতে সমস্যা হয় না তেমন। ফলে শীতের সুস্থতায় অনেক ভালো কাজ করে এই তেল।

অনেক পুষ্টিবিদই এখন বাজারের ভেজিটেবিল তেলের বদলে সরিষার তেলে রান্না করাতেই জোর দেন বেশি। কারণ সরিষার তেলে রান্না করার অন...
10/01/2025

অনেক পুষ্টিবিদই এখন বাজারের ভেজিটেবিল তেলের বদলে সরিষার তেলে রান্না করাতেই জোর দেন বেশি। কারণ সরিষার তেলে রান্না করার অনেকগুলো উপকারিতা রয়েছে। সেগুলো হলো-


১। গায়ে-হাত-পায়ে ব্যথা কমে
২। সর্দি-কাশির প্রবণতা কমে
৩। হৃদ্‌যন্ত্র সুস্থ রাখে
৪। শরীরে সব রকম প্রদাহ কমায়
৫। ত্বক ও চুলের যত্ন নেয়

আপনি কীভাবে রান্না করছেন, তার ওপর নির্ভর করে আপনি কতটা তেলের উপকারিতা পাবেন। আমরা বেশির ভাগ রান্না করার সময় কড়াইয়ে তেল দিয়ে তা গরম হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করি। রং হালকা হয়ে ধোঁয়া উঠলে আমরা আঁচ কমিয়ে তেল খানিক ঠান্ডা হতে দেই। তারপর রান্না শুরু করি। কিন্তু আপনি জানেন কি, এতে তেলের অনেক গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যায়।

আরও পড়ুন: শীতকালে ত্বকের সমস্যা এড়াতে যে কাজগুলো করতে হবে

সরিষার তেল অনেকটা বেশি তাপমাত্রা পেলে সব পুষ্টিগুণ হারিয়ে ফেলে। দেখা যায় অনেকেই তেল পুড়িয়ে ফেলেন। সরিষার তেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এরুসিক অ্যাসিড, যা হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

সেই সঙ্গে রয়েছে মোনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিডও। তাই হৃদরোগে আক্রান্তদের জন্য সরিষার তেলে রান্না করাই ভালো। কিন্তু তেল পুড়িয়ে ফেললে তাতে থাকা যাবতীয় জরুরি ফ্যাটি অ্যাসিড নষ্ট হয়ে যায়, ফ্যাট অক্সিডাইজড হয়ে শরীরের ক্ষতি করে।

তবে একদল পুষ্টিবিদ মনে করেন, একমাত্র সরিষার তেলই পুড়়ে গেলে তার সব পুষ্টিগুণ নষ্ট হয় না। অন্য তেলের ক্ষেত্রে যা সহজেই হয়ে যায়। তবে তেলের তেঁতো স্বাদ দূর করতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তা ভালো করে গরম করে ধোঁয়া ওঠার পরই রান্না শুরু করা হয়। এতে শরীরের কিছুটা ক্ষতি হলেও স্বাদের কোনো দ্বিমত থাকে না।

সব ধরনের খুচরা ও পাইকারি তেলের ওর্ডার নিয়ে থাকি এবং সাথে হোম ডেলিভারীর ব্যবস্থাও আছে।
যোগাযোগ : ০১৭২৩৩৫৭৩২৯

YouTube Channel of 'CHANNEL 24'"CHANNEL 24" is News Based TV Channel of Bangladesh.Official Social Info...

রান্নার সময় যে ভুলে নষ্ট হয় তেলের গুণাগুণরান্নায় সরিষার তেলের ব্যবহার খাবারের বাড়তি স্বাদ এনে দেয়। তবে এক্ষেত্রে খাঁটি স...
10/01/2025

রান্নার সময় যে ভুলে নষ্ট হয় তেলের গুণাগুণ
রান্নায় সরিষার তেলের ব্যবহার খাবারের বাড়তি স্বাদ এনে দেয়। তবে এক্ষেত্রে খাঁটি সরিষার তেল অনেকটা গুরুত্বপূর্ণ। স্বাদ, ঝাঁঝ এবং গাঢ় রং দেখেই বোঝা যায় কোনটা আসল সরিষার তেল। বাঙালি ছাড়াও এখন অনেক ভারতীয়রা রান্নায় সরিষার তেল ব্যবহার করেন।

অনেক পুষ্টিবিদই এখন বাজারের ভেজিটেবিল তেলের বদলে সরিষার তেলে রান্না করাতেই জোর দেন বেশি। কারণ সরিষার তেলে রান্না করার অনেকগুলো উপকারিতা রয়েছে। সেগুলো হলো-


১। গায়ে-হাত-পায়ে ব্যথা কমে
২। সর্দি-কাশির প্রবণতা কমে
৩। হৃদ্‌যন্ত্র সুস্থ রাখে
৪। শরীরে সব রকম প্রদাহ কমায়
৫। ত্বক ও চুলের যত্ন নেয়

আপনি কীভাবে রান্না করছেন, তার ওপর নির্ভর করে আপনি কতটা তেলের উপকারিতা পাবেন। আমরা বেশির ভাগ রান্না করার সময় কড়াইয়ে তেল দিয়ে তা গরম হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করি। রং হালকা হয়ে ধোঁয়া উঠলে আমরা আঁচ কমিয়ে তেল খানিক ঠান্ডা হতে দেই। তারপর রান্না শুরু করি। কিন্তু আপনি জানেন কি, এতে তেলের অনেক গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যায়।

আরও পড়ুন: শীতকালে ত্বকের সমস্যা এড়াতে যে কাজগুলো করতে হবে

সরিষার তেল অনেকটা বেশি তাপমাত্রা পেলে সব পুষ্টিগুণ হারিয়ে ফেলে। দেখা যায় অনেকেই তেল পুড়িয়ে ফেলেন। সরিষার তেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এরুসিক অ্যাসিড, যা হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

সেই সঙ্গে রয়েছে মোনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিডও। তাই হৃদরোগে আক্রান্তদের জন্য সরিষার তেলে রান্না করাই ভালো। কিন্তু তেল পুড়িয়ে ফেললে তাতে থাকা যাবতীয় জরুরি ফ্যাটি অ্যাসিড নষ্ট হয়ে যায়, ফ্যাট অক্সিডাইজড হয়ে শরীরের ক্ষতি করে।

তবে একদল পুষ্টিবিদ মনে করেন, একমাত্র সরিষার তেলই পুড়়ে গেলে তার সব পুষ্টিগুণ নষ্ট হয় না। অন্য তেলের ক্ষেত্রে যা সহজেই হয়ে যায়। তবে তেলের তেঁতো স্বাদ দূর করতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তা ভালো করে গরম করে ধোঁয়া ওঠার পরই রান্না শুরু করা হয়। এতে শরীরের কিছুটা ক্ষতি হলেও স্বাদের কোনো দ্বিমত থাকে না।

31/12/2024

সব ধরনের খুচরা ও পাইকারি তেলের ওর্ডার নিয়ে থাকি এবং সাথে হোম ডেলিভারীর ব্যবস্থাও আছে।
যোগাযোগ : ০১৭২৩৩৫৭৩২৯

সরিষার তেলের উপকারিতা:সেই প্রাচীনকাল থেকেই ঔষধি গুণের জন্য সরিষার তেল আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সবার পছন্দের স...
31/12/2024

সরিষার তেলের উপকারিতা:
সেই প্রাচীনকাল থেকেই ঔষধি গুণের জন্য সরিষার তেল আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সবার পছন্দের সরিষার তেল যেমন প্রয়োজনীয় তেমন উপকারীও।

সরিষার তেল মনোস্যাচুরেটেড ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ। এই তেল কোলেস্টেরলের ভারসাম্য রক্ষা করে। কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমায়। রক্ত সংবহন ও রেচনতন্ত্রের শক্তিশালী করে।

ইন্ডিয়া টুডের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সরিষার তেল মনোস্যাচুরেটেড এবং পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ হওয়ায় হার্টের জন্য স্বাস্থ্যকর। এই তেল খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে পারে। সরিষার তেলে ওমেগা -থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড এবং সেলেনিয়ামের মতো যৌগ রয়েছে। যা শরীরের প্রদাহ কমাতে পারে। তেলটিতে ভিটামিন ই রয়েছে। যা এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে ত্বকের জৌলুস ঠিক রাখে। শরীরের কোষ সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

চিকিৎসা বিজ্ঞান বলে, সরিষার তেল মস্তিষ্কের জন্য ভীষণ উপকারী। বিশেষ করে অবসাদ কাটাতে, স্মৃতিশক্তি আর মনঃসংযোগ বাড়াতে এ তেল যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরিষা তেল ক্যানসার প্রতিরোধ করতেও সাহায্য করে।

জি,আই, পণ্য সুগন্ধি আতপচাল এবং তুলশিমালা চাউল।  #সুগন্ধি_চিনিগুড়া_আতপচাল,তুলশিমালা  চাল_পাইকারি এবং সুগন্ধি ছাড়া পুরাতন...
07/03/2024

জি,আই, পণ্য সুগন্ধি আতপচাল এবং তুলশিমালা চাউল।

#সুগন্ধি_চিনিগুড়া_আতপচাল,
তুলশিমালা চাল_পাইকারি এবং
সুগন্ধি ছাড়া পুরাতন তুলশিমালা চাল।
#সুগন্ধি_চিনিগুড়া_চাল_২৫_কেজি_৫০ কেজি বস্তা
# ব্রিডি ৩৪_সুগন্ধি_চিনিগুড়া_চাল_৫০_কেজি
# যে ভাবে প্যাকেট জাত করে নিতে পারবেন।

👉পাইকারি রেটে সুগন্ধি চিনিগুড়া চাউল গুলো নিয়ে দোকান, সুপার শপ, বা মার্কেটিং করে আপনার পণ্যের পাশাপাশি এটাও বিক্রি করতে পারেন,

✅আমরা নিয়ে এসেছি চিনিগুড়া চালের ২৫ কেজি ও ৫০ কেজি বস্তা।
👉২৫ কেজি এবং ৫০ কেজি,
নাম্বার ওয়ান সুগন্ধি চিনিগুড়া চাল, আতপচাল,তুলশিমালা

👉সারা বাংলাদেশে কুরিয়ারের মাধ্যমে ডেলিভারি দেওয়া হয়, বেশি পরিমাণের হলে পরিবহনের মাধ্যমে ডেলিভারি দেওয়া হয়।
👉অর্ডার করতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন📥
whatsapp ০১৭২৩৩৫৭৩২৯

জাত এর নামঃব্রি ধান৩৪আঞ্চলিক নামঃঅবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠানঃবাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটজীবনকালঃ১৩৫ দিনসিরিজ সংখ্যাঃ৩৪উৎপা...
06/03/2024

জাত এর নামঃ
ব্রি ধান৩৪

আঞ্চলিক নামঃ
অবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠানঃ
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট

জীবনকালঃ
১৩৫ দিন

সিরিজ সংখ্যাঃ
৩৪

উৎপাদন ( সেচ সহ ) / প্রতি হেক্টরঃ
৩.৫ কেজি

উৎপাদন ( সেচ ছাড়া ) / প্রতি হেক্টরঃ
০ কেজি

জাত এর বৈশিষ্টঃ
১। উচ্চতা ১১৭ সেন্টিমিটার।
২। এ ধানের আলোক সংবেদনশীলতা আছে।
৩। এটি সুগন্ধি এবং কালিজিরা ধানের মতই ছোট এবং পোলাও তৈরির জন্য খুবই উপযোগী।
চাষাবাদ পদ্ধতিঃ
১ । বীজতলায় বীজ বপন : ১০-১৫ শ্রাবণ (২৫-৩০ জুলাই)।
২ । চারার বয়স : ২৫-৩০ দিন।
৩ । রোপণ দূরত্ব : ২০ X ১৫ সেন্টিমিটার।
৪ । ইউরিয়া সার (কেজি/বিঘা) : ২০
৫ । টিএসপি সার (কেজি/বিঘা) : ১৩
৬ । এমওপি সার (কেজি/বিঘা) : ৯
৭ । জিপসাম সার (কেজি/বিঘা) : ৮
৮ । জিংক সার (কেজি/বিঘা) : ১.৫
৯ । সার প্রয়োগ পদ্ধতি : ইউরিয়া সার সমান ৩ কিস্তিতে জমি তৈরির শেষ পর্যায়ে, রোপণের ২০-২৫ এবং ৪৫ দিন পর প্রয়োগ করতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে যে, সুগন্ধি ধানে ইউরিয়ার পরিমাণ সাধারণত কম লাগে। তবে এলসিসি ভিত্তিক ইউরিয়া সার প্রয়োগ করা উত্তম।
১০ । আগাছা দমন : রোপণের পর অন্তত ৩০-৪০ দিন জমি আগাছামুক্ত রাখা আবশ্যক।
১১ । সেচ ব্যবস্থাপনা : চাল শক্ত হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজনে সম্পূরক সেচ দিতে হবে।
১২ । রোগবালাই দমন : ব্রি ধান৩৪-এ টুংরো রোগের আক্রমণের আশংকা বেশী। বালাই দমনে অনুমোদিত ব্যবস্থাপনা অনুসরণ করতে হবে।
১৩ । ফসল কাটা : ১০-১৫ অগ্রহায়ণ (২৫-৩০ নভেম্বর)।

🌾তুলশীমালা চালের পরিচিতিঃ🌾তুলশীমালা হচ্ছে আলোক সংবেদনশীল আমন প্রজাতির একটি ধান। জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে আগস্ট মাসের ...
06/03/2024

🌾তুলশীমালা চালের পরিচিতিঃ🌾

তুলশীমালা হচ্ছে আলোক সংবেদনশীল আমন প্রজাতির একটি ধান। জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে আগস্ট মাসের ১ম সপ্তাহ পর্যন্ত এই ধান লাগানো হয়। অক্টোবর মাসের শেষ থেকে নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি ফুল আসে। ডিসেম্বরের ১ম সপ্তাহ থেকে শেষ সপ্তাহ (অগ্রহায়ণ মাসের মাঝামাঝি থেকে পৌষ মাসের শুরু) পর্যন্ত ধান কাটা হয়।[১] প্রতি হেক্টরে ফলন বলন ছাড়া ২.৫০ থেকে ২.৭৫ মে. টন আর বলনে (প্রতি হেক্টর) উৎপাদন হয় ৩.০০-৩.২৫ মে. টন। বয়সকাল থাকে ১২৫-১৪০ দিন (বলান ও ফলনের ওপর নির্ভর করে)। ধানের রং কালচে ধূসর। ১০০০ ধানের গড় ওজন: গড়ে ১১ গ্রাম (শুকনা ধান)।[২] শেরপুরের তুলশীমালা ধানের জিআই নিবন্ধন পেতে ২০১৮ সালের ১১ এপ্রিল পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি)-এর কাছে জিআই পণ্যের আবেদন করেছে শেরপুর জেলা প্রশাসক। সকল প্রক্রিয়া শেষ করে ২০২৩ সালের ১২ জুন দেশের ১৪শ ভৌগোলিক নির্দেশকের পণ্যের নিবন্ধন সদন লাভ করেছে শেরপুরের তুলশীমালা ধান।[

Address

124/1/B Bosila Road, Mohammadpur
Dhaka

Telephone

+8801723357329

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ORNI Grocery SHOAP posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ORNI Grocery SHOAP:

Share