L O Y a L T Y

L O Y a L T Y IT IS A DIFFERENT PAGE WITH BUSINESS PURPOSES ( goods / services ) & ENTERTAINMENTS ( music videos , songs, posts , motivational speech )

N: B :.

if anyone wants to post for marketing / entertainment , please inbox in our page .

মা সবসময় বলতেন , 'সৎ থাকলে হারানোর কিছু নেই'।শাহরুখ খান ও পর্ন তারকা কেন্ড্রা লাস্ট দু'জনেই মুসলিম। শাহরুখ খানের 'ডন থ্...
29/05/2026

মা সবসময় বলতেন , 'সৎ থাকলে হারানোর কিছু নেই'।
শাহরুখ খান ও পর্ন তারকা কেন্ড্রা লাস্ট দু'জনেই মুসলিম। শাহরুখ খানের 'ডন থ্রী ' মুভিতে অভিনয় করবেন পর্ন তারকা। দীর্ঘদিন তিনি নার্স পেশায় জড়িত থেকে মানুষকে সেবা দিয়ে গেছেন। একজন মুসলিম হয়ে শাহরুখ খান একেবারে জন্যও বলেননি , তিনি এই পর্ন তারকার সাথে অভিনয় করবেন না।" কিন্তু আমাদের দেশের শাকিব খান হলে ঠিক লজ্জা অনুভব করতেন। ছোটবেলা থেকেই পতিতাদের ঘৃণা করার শিক্ষা আমাদের সমাজে নতুন কিছু নয়।

জাপানের পর্ন তারকা রে লিল ব্ল্যাক তিনিও একজন মুসলিম।শত বছর ধরে হাজার হাজার মুসলিম নারী এই পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে পা রেখেছেন। মালয়েশিয়ার এক মুসলিমকে বিয়ে করে পর্ন তারকা রে লিল ব্ল্যাক এখন নিয়মিত হিজাব পড়ছেন। কিন্তু এই হিজাব কতদিন তার মাথায় থাকবে তা অবশ্যই প্রশ্নবিদ্ধ।

আমাদের সমাজের পুরুষরা পতিতাদের ঘৃণা করে, কিন্তু ধর্মব্যাবসায়ী ভণ্ডদের ঘৃণা করে না। লেয়া তানিত নামে একজন নারী দীর্ঘদিন ধরে পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে যুক্ত ।২০১৮ সাল থেকে তিনি বিশ্বব্যাপী " পাইন্যাপল সাপোর্ট " এর নামে হাজার হাজার এডাল্টকে বিনামূল্যে মানসিক থেরাপি ও চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।মার্সেডিস কারেরা নামের পর্ন তারকা তার অর্জিত অর্থ দিয়ে স্টেম ( বিজ্ঞান, প্রযুক্তি , গণিত ও প্রকৌশল) নারীদের উচ্চ শিক্ষার জন্য শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করছেন।জোসফিন জ্যাকসন নামের পর্ন তারকা " টাইটানোভি রিহ্যাব " এর মাধ্যমে ইউক্রেনের হাত ও পা হারানো সৈন্যদের জন্য তহবিলের যোগান দিচ্ছেন।আজ পর্যন্ত যারা ওয়াজের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা কামাই করে আয়েশী জীবন যাপন করছেন , তাদের কখনো মানবিক সেবায় অর্থ দান করতে দেখেছেন ⁉️

পর্ন একটি পেশা। পাকিস্তানের মুসলিম পর্ন তারকা ডেইলি পাকিস্তানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নাদিয়া আলী তার পর্ন পেশা সম্পর্কে বলেন ,
" জেনা করা পাপ, তবে পর্ন সিনেমায় অভিনয় করাকৈ আমি পেশা হিসেবে দেখি।"

হিজাব পরে পর্ন মুভিতে অভিনয় করেন নাদিয়া আলী।নিজেকে একজন ধর্মপ্রাণ মুসলিম দাবি করে তিনি বলেন , " পর্ন সিনেমায় অভিনয় করাটা তার প্রতিদিনের জীবনের অংশ । আনন্দ পাওয়া নয় , বরং পেশাদার জীবনের অংশ হিসেবে অভিনয় করেন তিনি।"

হিজাব পরে পর্ন মুভিতে অভিনয় করার কারণ হিসেবে পাকিস্তানের জনপ্রিয় পর্ন তারকা নাদিয়া আলী বলেন ,
" হিজাব পরে পর্ন মুভি করার কারণে তার দর্শক অনেক বেড়েছে।"

পর্ন তারকা অ্যাঞ্জেলা গ্যাব্রিয়েল হোয়াইট ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ার সেরা অভিনেত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি একজন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও পরিচালক। মার্কিন অভিনেত্রী অরোরা স্নো একজন জনপ্রিয় পর্ন তারকা ও লেখিকা। তিনি একজন চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেত্রী। তার লেখা ' আ পর্ন স্টার'স লেটার টু হার আনবর্ন সান " লেখা নিবন্ধটি লক্ষ লক্ষ মানুষের চোখে জল এনে দিয়েছিল।

ধর্ম ব্যবসার মতো পতিতাবৃত্তিও একটা পেশা। বাংলাদেশের মধ্যে ২ লাখের উপর পতিতা আছেন। এদের ৯৮ শতাংশ মুসলিম পতিতা। বাংলাদেশের কয়েক হাজার মুসলিম হোটেলে এসব পতিতাবৃত্তির কাজ হয়। হোটেলের নাম " বিসমিল্লাহ " দেখে ভাবার কারণ নেই যে, ওখানে অসামাজিক কার্যকলাপ হয় না।
আপনাদের চারপাশে এমন অসংখ্য উদাহরণ আছে। হোটেলের নাম " আল নূর " দেখে এটা নূরের হোটেল ভাবার কোন কারণ নেই।এসব হোটেলের অধিকাংশ মালিক মুসলমান। কিন্তু আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের হুজুরদেরকে শাপলা চত্বরে সমাবেশ করে নারীদের পঞ্চম শ্রেণীর বেশি পড়ার দরকার নাই বলে হুমকি দিতে দেখলেও এসব আবাসিক হোটেলের বিরুদ্ধে একটা কথাও শুনতে পাবেন না।এমনকি অপরের স্ত্রী ঝর্ণাকে নিয়ে এসব রিসোটে গিয়ে আকাম কুকাম করাও হেফাজতের মামুনুল হকদের জন্য যায়েয! শুধু পতিতাদের চরিত্রকে দোষারোপ করা হয়, মামুনুল হক দের নয়!

যে সব লক্ষ লক্ষ মুসলিম এসব পতিতালয়ে যায় এদের অধিকাংশের ঘরে বউ ও সন্তান রয়েছে । এসব আমার নিজের চোখে দেখা। বিদেশেও মুসলিম পুরুষদের বারে গিয়ে মদ খেয়ে মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়তে দেখেছি। বাংলাদেশের দুই লাখ পতিতার কাছে কম করে হলেও কয়েক কোটি মুসলিম পুরুষ গিয়েছেন। কিন্তু বিয়ের সময় উনাদের সবার 'ইনটেক স্ত্রী ' চাই। ওয়াজের মাইক হাতে উনারা নারীদের " সতীচ্ছেদ পর্দা" নিয়ে গবেষণা করেন। নারীদের দেখলে উনাদের নুনুভুতি খাঁড়া হয়ে যায়। মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসার হুজুররা পর্যন্ত ছোট ছোট শিশুদের বলোতকার ও নারীদের ধর্ষণ করছেন। কিন্তু চেহারায় এরা এমন একটা সুফী সাবের ভাব ধরে!
ছোটবেলা থেকেই এদের এই ভণ্ডামিতে আমার আপত্তি।
তাই এদেরকে আমি ভণ্ড বলি। পতিতালয়ে মুখ লুকিয়ে যেতে যেতে এদের মগজ পর্যন্ত দুষিত হয়ে গেছে। রাস্তায় মা ও বোন দেখলেই অধিকাংশ পুরুষের তাদের পতিতা মনে হয়। পতিতাদের দোষারোপ করবে , কিন্তু নিজেদের চরিত্রের দোষ খুঁজে না এই ভণ্ডরা। এসব ভণ্ডদের থেকে পতিতারা হাজার গুণ ভালো।

আমার ছোটবেলায় জাহাঙ্গীর সাত্তার নামে আমাদের এক প্রতিবেশী মুসলিম পরিবার ছিলেন। তার তিনটি কন্যা ছিল ভীষণ মেধাবী। একদিন গ্রামের লোকজন জাহাঙ্গীর সত্তারকে স্থানীয় পতিতা আয়েশা সহ ধরে ফেলে তার কাছে তিন লাখ টাকা চায়। টাকা দিতে রাজী না হলে তাকে সামাজিকভাবে ভীষণ অপদস্থ করা হয়। একপর্যায়ে সেই পতিতাকে ইচ্ছেমত লাথি, কিল , ঘুষি দেওয়া হয়। সেদিনের পর জাহাঙ্গীর সত্তার সমাজে মুখ দেখাতে না পেরে আত্মহত্যা করেন।ছোটবেলার এই ঘটনা এখনও আমার হৃদয়ে দাগ কাটে। এখনও আমি নিজেকে প্রশ্ন করি -

" পতিতাবৃত্তি মুসলিম সমাজে পাপ হলে হোটেলের নাম " বিসমিল্লাহ " রেখে গোপনে পতিতার ব্যবসা কেন ⁉️"

মুসলিমদের একটা বড় অংশ গোপনে সব পাপকে হালাল করে। মাথায় বড় টুপি দিয়ে খাদ্যে ভেজাল মিশিয়ে সে মুসলিম হয়ে আরেক মুসলিম ক্রেতাকে ধোঁকা দেয়। অনেকেই সুদ ও ঘুষ খায়।এসব অপরাধ হয় না। কিন্তু যেই আপনি একটা মেয়েকে ভালোবেসে ঠোঁটে চুমু দিতে যাবেন , তার সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়াবেন , তখনি আপনাকে ব্লাকমেইল করা শুরু করবে। এরা রাতের আঁধারে পতিতালয়ে গেলে পাপ হয় না, কিন্তু প্রেমিক ও প্রেমিকা একে অপরকে ভালোবেসে শারীরিক সম্পর্ক করলে ভয়াবহ পাপ ‼️ মূলত ভণ্ডদের দেশে মানুষ নামক জীবটা বড় অসহায়।

সেক্স মানুষের জীবনের একটি জৈবিক প্রক্রিয়ার অংশ। আপনার যেমন খাবার খেতে হয় , তেমনি সেক্সও লাগে।
দুটো প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের পারস্পরিক সম্মতিতে কনস্টেন্টের মধ্যে আমি কোন অপরাধ দেখি না। প্রতিটি মানুষের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার রয়েছে।এটি মানুষের ব্যক্তিগত প্রাইভেসি। কিন্তু সেখানেও তৌহিদি যৌনতা চলে আসে। এদের নূনুভুতির ভাইরাস থেকে কারো রক্ষা নেই। বাংলাদেশের আইনে প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের শারীরিক সম্পর্ক কোন দোষের কিছু নয়। কেবল বিয়ে না করার কারণে আপনি সেটিকে পাপ বলতে পারেন না। যদি তা পাপ হয় তবে বাংলাদেশের যেসব বিবাহিত লক্ষ কোটি মুসলিম পুরুষ পতিতালয়ে যাচ্ছে সেটাও পাপ। এদের পাপ ও পূন্যর সংজ্ঞাই আজ পর্যন্ত বুঝতে পারলাম না। মানুষের ব্যক্তিগত প্রাইভেসিতে নাক গলানোর এরা কে ⁉️

এজন্য পাকিস্তানের মেয়েদের জন্য একক লেসিবিয়ান পর্ন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন মুসলিম পর্ন অভিনেত্রী নাদিয়া আলী।

নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করুন -

ওয়াজের নামে , মসজিদ ও মাদ্রাসার নামে একটি প্রতারক চক্র মুসলমানদের বানিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে নিয়ে যাচ্ছে।এটা অপরাধ নয় ⁉️

ধর্মের নামে রাজনীতিকে হাতিয়ার বানিয়ে জামায়াত ও হেফাজত রাষ্ট্রের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটে জড়িত। ক্ষমতার জন্য এরা আমেরিকার সাথে ২১ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য চুক্তি করছে।দাতব্য সংস্থার নামে ইউরোপ ও আমেরিকায় হাজার কোটি টাকা পাচার করে দিচ্ছে জামায়াত নেতারা।ইউরোপ ও আমেরিকায় জামায়াত নেতাদের বিলাসী জীবন দেখলে আপনাদের চোখ কপালে উঠবে।অথচ এসব ভণ্ড নেতারা মানুষকে ইসলামের সবক দেয়। পতিতারা খারাপ , আর সে ভালো 😁 যতসব নষ্টামি ও ভণ্ডামি ।

পৃথিবীর ইতিহাসে একটা পতিতা দেখাতে পারবেন না যারা তাদের রাষ্ট্রকে অন্য রাষ্ট্রের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। কিন্তু ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে জামায়াত ও হেফাজতের মত ভণ্ডরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে গোলামী চুক্তি করে বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষকে শত বছরের আমেরিকার গোলাম বানিয়ে রাখার প্রাথমিক ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করে ফেলেছে।

👉 বাংলাদেশের ২ লক্ষাধিক পতিতা ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট রাষ্ট্রের ৮৪ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি ধ্বংস করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেনি , ওরা গণভবন লুট করেনি , ওরা ধানমন্ডি বত্রিশ নাম্বারে আগুন দিতে যায়নি। কিন্তু এসব অপকর্ম করেছে ক্ষমতালোভী ধর্মব্যাবসায়ী বিএনপি জামায়াত ও হেফাজত। পতিতাদের ঘৃণা না করে মুক্তিযুদ্ধের যাদুঘরে আগুন দেওয়া বিএনপি জামায়াত ও হেফাজতকে ঘৃণা করুন।
পতিতারা ধর্মের জন্য জ্যান্ত মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করে না , রাজনীতির নামে ৫ আগষ্ট হাজার হাজার ঘরবাড়ি লুট পতিতারা করেনি , পতিতারা মাজার থেকে লাশ উঠিয়ে সেই লাশ পুড়ায়নি।
👉 তাই পতিতাদের ঘৃণা না করে ধর্মব্যাবসায়ী জামায়াত ও হেফাজতকে ঘৃণা করুন।
👉 পতিতা শরীর বিক্রি করে খায় , জামায়াত ও হেফাজত ধর্ম বেছে খায়।

👉পতিতারা ধর্মের নামে খয়রাত ভিক্ষা করে খায় না, এসব ধর্মব্যাবসায়ীরা করে।পতিতারা কর্ম করে খায় , আর ধর্মব্যাবসায়ী বসে বসে খায়।মানুষকে ধর্মের নামে বোকা বানিয়ে মানুষের দেয়া খয়রাতের টাকা দিয়ে ওরা বিলাসী জীবন যাপন করে। দোষ পতিতাদের নয় , দোষ ধর্মব্যাবসায়ীদের।

এজন্য সত্য একটু বেশি তিতাই হয় 😁

সত্য সবসময় সুন্দর 🌿

10/03/2026

ভারত থেকে তেল আনা কেন হচ্ছে? তাও যে পাইপলাইন ভারতের টাকায় (৮০ ভাগ) করা হয়েছে শেখ হাসিনার আমলে তার মাধ‍্যমে। এটা করা হয়েছিল ভারত থেকে কম মূল‍্যে পরিশোধিত তেল আনার জন‍্য।

কিন্তু বর্তমানে যারা সরাসরি ক্ষমতায় সেই বিএনপি এবং পাতানো বিরোধী দল জামাত বলেছিল ভারতে সব গ‍্যাস পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে এই পাইপলাইন দিয়ে। ভারত রাশিয়া থেকে কম দামে তেল কিনবে সেই কম দামের তেল কেন বাংলাদেশে আসবে। যারা ভারত ভেঙে ফেলার হ‍্যাডম রাখে তাদের কেন এখন ভারতের হ‍্যাডমের দিকে তাকায়ে থাকতে হয়?

ভারত বিরোধী প্রোপাগান্ডা যারা গত ১৫ বছর ছড়িয়েছে তাদের প্রিয় পাকিস্তান কিংবা তুরস্ক থেকে তেল আনা হচ্ছে না কেন?

আর ভারতও একটা দেশ। ভালোমানুষী দেখানোটার রোগটা এরা ছাড়তেই পারে নাই। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করতে গিয়ে ভারতের প্রায় ৩৯০০ জন সৈনিক শহীদ হয়েছিল। চিরতরে পংগু হয়েছিল প্রায় ১০ হাজারের উপরে সৈনিক। তার প্রতিদান দিয়েছিল স্বাধীন হবার ছয় মাসের মাথায় ভারত বাংলাদেশ থেকে সব নিয়ে গেছে সে গুজব-প্রোপাগান্ডা গিলে।

এই জাতি এতটাই অকৃতজ্ঞ যে শহীদ ভারতীয় সেনাদের স্মরনে একটা ভাস্কর্য বা স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত বানায় নাই। ভারতীয় তেলের বিদ‍্যুতে এদের মোবাইল চার্জ হবে। গাড়ির চাকা চলবে। সেই গাড়িতে বসে এরা ভারতের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা তৈরি করবে, প্রোপাগান্ডা ছড়াবে। কেউ গাঁজাওয়াতুল হিন্দের স্বপ্ন দেখবে। কেউ দেখবে সেভেন সিস্টার্স দখলের স্বপ্ন।

ছ‍্যাচড়াদের প্রতিবেশী হওয়া উচিত ছ‍্যাচড়া শ্রেষ্ঠ। ছোটলোকগুলার লজ্জা শরমটা পর্যন্ত নাই। বিএনপির রিজভীতো তার বৌয়ের ভারতীয় শাড়ি পোড়ানোর ডাক পর্যন্ত দিয়েছিল। এখন ভারত থেকে তেল কেনার জন‍্য পা ধরে বসে আছে।
©️

মধ্যপ্রাচ্যে চীন স্যাটেলাইট ইমেজ পাবলিক করে যেই গ্যাঞ্জাম বাধিয়েছে তার সিগনিফিক্যান্স কি সেটা পরিস্কারের আগে বিগত ১২ দিন...
28/02/2026

মধ্যপ্রাচ্যে চীন স্যাটেলাইট ইমেজ পাবলিক করে যেই গ্যাঞ্জাম বাধিয়েছে তার সিগনিফিক্যান্স কি সেটা পরিস্কারের আগে বিগত ১২ দিনের যুদ্ধে আপনারা যারা আমার লেখা ফলো করেছিলেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানায়। সে সময়ে আমি ইরানের উপর হতাশ হয়েছিলাম টার্গেটিং ইস্যু নিয়ে। ইরান কার্যত সঠিক লক্ষ্যে আঘাত হানতে ব্যর্থ হচ্ছিল যুদ্ধের শুরুর কয়েক দিন। তখন এটাও বলেছিলাম যুদ্ধ ২ সপ্তাহের বেশি চলার কথা না।

এই যে টার্গেটিং রিলেটেড যে সমস্যা ইরান ফেইস করেছিল এর প্রধান কারন ছিল দুইটি। ইউএস EW অপারেশন এবং ইরানের হাতে রিয়েল টাইম স্যাটেলাইট ডাটার ঘাটতি। ১২ দিনের যুদ্ধের শেষের দিকে অনেকটা স্পষ্ট হতে থাকে চীনারা স্যাটেলাইট ইন্টেলিজেন্স দিয়ে সহায়তা করছে। ফলে শেষের দিনগুলিতে ইরানের মিসাইলের আঘাত ছিলা এক কথায় "লিথ্যাল" যা দ্রুত যুদ্ধ বিরতিকে ত্বরান্বিত করে।

এর বিপরীতে ইরানের অবস্থা ছিল বেশ নাজুক। ইরান প্রচুর পরিমানে TEL হারাতে থাকে যার ফলে মিসাইল লঞ্চিং সক্ষমতাই কমে আসে। ইউএস মিসাইল আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেমেড় পাশাপাশি ইরানে প্রিসিশন এটাকে ইজ-রায়েলকে সবথেকে বেশি সহায়তা করেছিল আমেরিকার স্যাটেলাইট ইমেজিং সার্ভিস "Maxar Intelligence". আমেরিকার এই ফার্ম উচ্চ রেজুলেশনের স্যাটেলাইট ইমেজারি প্রায় রিয়েল টাইম সরবরাহ করত ইজ-রায়েলকে। ফলে ইরান যেসব লোকেশন থেকে মিসাইল লঞ্চ করছিল সেগুলাকে ইজ-রায়েল দ্রুত চিহ্নিত করে এবং পরবর্তী সোর্টিগুলিতে সেগুলা গুড়িয়ে দিতে থাকে। পুরো ইরান ছিল ইউএস স্যাটেলাইটের ফুল সারভেইলেন্সের ভেতর। প্রতিটি মুভমেন্ট তারা লক্ষ লক্ষ ছবির মাধ্যমে নজর রাখছিল। শেষের দিকে রানওয়েতে পার্কিং করে রাখা বিমানেও তারা হামলা করে।

আর এখানেই গ্যাঞ্জাম বাধিয়েছে চীন। স্পেসিফিক্যালি চীনের বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট ইন্টেলিজেন্স ফার্ম Mizarvision.

এই কোম্পানি বিগত দুই বছর ধরে ইউএস এর বিভিন্ন সামরিক এসেটের মুভমেন্ট এর ছবি আপলোড করে আসছে। তবে সম্প্রতি যেভাবে যেই ইন্টেনজিটিতে করছে সেটার জন্য আমেরিকা প্রস্তুত ছিলনা। কোম্পানিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ হল, কোম্পানির সাথে PLA এর কানেকশন রয়েছে। এমন অভিযোগের কারন অমূলক নয়। কারন Mizarvision মিলিটারি গ্রেডের স্যাটেলাইট ইমেজ প্রায় রিয়েল টাইমে ট্রাকিং ও প্রচার করে যাচ্ছে। আর সেটা নিখুঁত ভাবে মধ্যপ্রাচ্যে এমন সময়ে যখন ইরান ইস্যু নিয়ে পুরো অঞ্চল উত্তপ্ত। খুব সহজ ভাবে বললে আমেরিকার Maxar Intelligence যেই কাজ করেছে গোপনে ইজ-রায়েলের কাছে ইমেজ সরবরাহ করে, চীনের Mizarvision সেই কাজটি করছে গোপনীয়তা না রেখেই সরাসরি পাবলিকলি সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়ে।

ইস্যুটা ব্যাক চ্যানেলে চীনের কাছে আমেরিকার কৈফিয়ত চাওয়ার কথা। চেয়েছে কিনা জানা নেই। তবে চাইলেও চীন এটার উত্তম জবাব দিতে পারবে। কারন Mizarvision বানিজ্যিক ইন্টেলিজেন্স ফার্ম। এর সাথে চীনের সামরিক বাহিনীর সম্পর্ক নেই। অন্তত চীন সেটা ডিনাই করতে পারে। ফলে অফিসিয়ালি চীন ইরানকে কোন ডাটা দিচ্ছেনা। ডাটা দিচ্ছে বানিজ্যিক ফার্ম। তবে ডাটা ইরানকে দিচ্ছে বললেও ধোপে টেকানো যায়না। কারন ডাটা তারা উন্মুক্ত করে দিচ্ছে। ইরান সেটা ব্যবহার করবে কি করবেনা সেই দায় Mizarvision কেন নিবে? তারাতো ইরানকে উদ্দেশ্য করে ডাটা দিচ্ছেনা তাইনা? 😐

এর আসলে সুবিধা কি?

১. ইউএস তাদের মিলিটারি ডেপ্লয়মেন্টের ক্ষেত্রে কোন ধরনের গোপনীয়তা করার সুযোগ পাচ্ছেনা। অর্থাৎ আল উদাইদ বেইজে কতটি কোন ধরনের বিমান, ট্যাংকার, এডি সিস্টেম কোন লোকেশনে আছে সব উন্মুক্ত। একই ভাবে দিয়াগো গার্সিয়ার বেইজের টাও তারা প্রকাশ করেছে। বাহরাইন ও সৌদি বেইজ থেকে ইউএস এসেট গুলি সরিয়ে নেয়ার চিত্রও তারা আপডেট করছে প্রতিনিয়ত। এইসব বিমান মধ্য প্রাচ্যের বেইজ থেকে সরিয়ে ইউএস কোন বেইজে জড়ো করতেছে সেটাও প্রকাশ করতেছে তারা। সম্প্রতি তাদের ইমেজের মাধ্যমেই প্রকাশিত হয়েছে ইউএস ১১ টি এফ-২২ র‍্যপ্টর ইজ-রায়েলের Ovda এয়ার বেইজে জড়ো করেছে।

নিচের ছবিতে তারা প্রকাশ করেছে গ্রিসের ক্রেটে বেইজ থেকে ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড পুনরায় যাত্রা শুরু করেছে। ফলে ইউএস এর মিলিটারি ডেপ্লয়মেন্ট আর গোপন নেই। ফলে যেকারো জন্য ইউএস এর মিলিটারি অপারেশন প্রেডিকশন করা তুলনামূলক সহজ হবে। যেমন ইরানের জন্য বুঝতে অসুবিধা হবার কারন নেই যে বাহরাইন থেকে পারস্য উপসাগরে ইরানের জন্য হুমকি হিসাবে কোন বিমান আসার সম্ভাবনা নেই। কারন বেইজ খালি। ইরান এটাও প্রেডিকশন করতে পারবে যে ইউএস ক্যারিয়ার গুলি ভূমধ্যসাগর ব্যবহার করবে নাকি আরব সাগর। অন্তত সম্ভাবনার ব্যপ্তি অনেক কমে আসবে।

২. টার্গেটিং। যেই ইস্যুটা নিয়ে ইরান ১২ দিনের যুদ্ধের শুরুর প্রায় ৭-৮ দিন ভুগেছে সেটি হল টার্গেটিং। Mizarvision বলছেনা যে তাদের ইমেজ দেখে ইরান টার্গেট করুক কিন্তু প্রায় রিয়েল টাইম এসেটগুলির অবস্থানের স্যাটেলাইট ইমেজ প্রকাশ করায় ইরানের জন্য সহজ যে কোন কোন ঘাটিতে ইউএস বিমান রেখেছে। কোন ঘাটিতে কয়টি করে থাড আছে বা প্যাক ৩ আছে। ফলে না চাইতেই টার্গেটিং বেশ সহজ করে দিবে Mizarvision আর ইরান নিজেও থ্রেট এনালাইসিস করতে পারবে যে অমুক বেইজে অমুক অমুক সিস্টেম আছে তার বিপরীতে ইরানকে কি করতে হবে। বলা যেতে পারে এটা গরীবের ফ্রি রাডার বা আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেমের ফ্রি ভার্সন হিসাবে সহায়তা করতে পারে ইরানকে।

শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ নয়। অপারেশন শেষে ইউএস বিমানগুলি কোন ঘাটিতে ফিরতেছে সেটির তথ্যও ইরানের জন্য উন্মুক্ত।

৩. আন্ডারগ্রাউন্ড মিলিটারি বেইজ গুলি বিশেষ করে ইজ-রায়েলের সেগুলাও ইরানের জন্য রিড করা ইজি হবে।

৪. Mizarvision অপারেশনের পর রেজাল্ট এনালাইসিস এ দারুন ভূমিকা রাখতে পারে। আসলেও টার্গেটে আঘাত হানতে পেরেছে কিনা, টার্গেট ধ্বংস হয়েছে কিনা বা অক্ষত আছে কিনা এসব তথ্যের জন্য ভিডিও কনফার্মেশন লাগবেনা। বরং হাই রেজুলেশন ছবির মাধ্যমে ইজ-রায়েল যে সার্ভিস পেত সেটি এখন উন্মুক্ত ফলে স্টাটেজি সাজানো আরো সহজ।

এই বিষয়গুলি বেশ হুমকি স্বরুপ। বিশেষ করে মিলিটারি গ্রেডের তথ্য উন্মুক্ত করে সিচুয়েশনাল এওয়ারনেস সৃষ্টির সুযোগ দেয়া ইউএস এর জন্য অপারেশনাল ও সিকিউরিটি রিস্ক। তাদের পরিকল্পনা ভেস্তে যাচ্ছে। অথবা নতুন ছক কষতে হচ্ছে যা অপারেশন মিডনাইট হ্যামারের মত আন কন্টেস্টেড নয়।


ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬

29/01/2026

সংবাদ এজেন্সি আল জাজিরা জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। যেখানে প্রথম ১১ মিনিট তিনি জামাত ক্ষমতায় আসলে দেশে ইসলামি আইন জারি হবে কিনা, তাদের দলে নারীদের কি অবস্থান- এসব নিয়ে কথা বলেছেন। আমি সেসব কথার বাংলায় অনুবাদ করেছি। চলুন ওনার উত্তর দেখা যাক।

আপনারা জিতলে কি বাংলাদেশে ইসলামিক আইন জারি হবে?
- ভবিষ্যতে মানুষ যা ভাল মনে করে তাই করবে। ওটা মানুষের ব্যাপার।

কিন্তু অন্যরাতো, মানে আপনার দলের নেতারাতো বিভিন্ন জায়গায় এসব বলছে?
-আপনি শুধু পার্টির প্রধানের কথা শুনুন। অন্যরা কি বলছে সেটা ব্যাপার না। পার্টির প্রধান কি বলে ওটাই আসল। ওতে যদি দেশের উপকারে আসে, তাহলে সংসদ সেটা ঠিক করবে।

আপনি বলেছেন যে, আপনি নারীদেরকে সম্মান করেন। তাহলে একটু বলুন যে, আপনারা এবারের ইলেকশনে কয়জন নারীকে নমিনেশন দিয়েছেন?
-একজনও না। কিন্তু আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরা ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়েছি এবং তারা জিতেছেও।

মানে এই নির্বাচনে আপনারা একজন নারীকেও নমিনেশন দেননি?
-না একজনও না। অন্য দলও যে খুব বেশি দিয়েছে সেটা আপনি দেখাতে পারবেন না। কারণ এটা বাংলাদেশের কালচার। আমরা এরজন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।

কিন্তু তারাতো অল্প কিছু হলেও দিয়েছে। আপনাাদের মত শূণ্য না। আপনারা একজনকেও দিলেন না কেনো?
- আমি অলরেডি উত্তর দিয়েছি। আমরা ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি! এটাতো একদিনে হয়ে যাবে না! আমরা এ বিষয়ে নারীকে অসম্মান করিনা।

যদি কখনো কোনো নারী চায় যে সে জামাতের প্রধান হবে, আপনার পদে বসবে, সেটা কি সম্ভব?
-না। এটা সম্ভব না। কারণ আল্লাহ প্রত্যেককে আলাদাভাবে বানিয়েছে। আমরা পুরুষরা কখনোই বাচ্চা পালতে পারবেনা। আমরা বাচ্চাদেরকে বুকের দুধ খাওয়াতে পারবোনা। এটা আল্লাহর দান। যেটা আল্লাহ বানাইছে ওটা আমরা পাল্টাতে পারবোনা।

আমি আপনার কথা বুঝতে পারছিনা। নারী যদি পরিবার চালাতে পারে, সে যদি বাচ্চা পালতে পারে, তাহলে জামাতের প্রধান হতে পারবেনা কেনো?
-এমন কিছু জিনিস আছে যেখানে তারা দায়িত্ব পালন করতে পারবেনা। তাদের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। আপনি জানেন সেটা।

না আমি আসলে জানিনা...
-কেনো জানেন না সেটা আপনি? মা বাচ্চা পয়দা করার পর যে দায়িত্ব পালন করে সেটা কি আপনি পারবেন? নেভার। আল্লাহ সব ভাল জানেন।

কিন্তু গত তিন দশকতো দেশে নারী প্রধানমন্ত্রী ছিল। তারা কি দেশ চালায়নি?
-আমরা তাদেরকে অসম্মান করছিনা। আমাদের তাতে অসুবিধা নাই।

মেয়েরা প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছে না? তারা কত প্রতিষ্ঠানের প্রধান না? তাহলে দেশ চালাতে পারবেনা কেনো?
-পৃথিবীর অধিকাংশ দেশ নারীদেরকে এ পদে যোগ্য মনে করেনা।শারীরিকভাবেই এটা সম্ভব না। এটাই সত্য।

নানা দেশের প্রধানইতো নারী!!
-অল্প কয়েকটা দেশে।

মজারতো! আপনি বিএনপির পার্ট ছিলেন আগে, যেখানে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী ছিল। আপনি কি মনে করেন না যে উনি ভাল কাজ করেছে?
-ইয়েস। এটা আমাদের সিদ্ধান্ত না। ওটা ওদের পার্টির সিদ্ধান্ত।

প্রিয় পাঠক, বিশেষ করে নারী পাঠকগণ, যে দেশে জনসংখ্যার ৫১% নারী, যে দেশের স্কুলে এখন ৫০% এর বেশি মেয়েরা ভর্তি হয়, যে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন সমান সংখ্যক শিক্ষার্থী নারী, যে দেশের প্রধান রপ্তানি খাত গার্মেন্টস থেকে দেশের ৮০ ভাগ রপ্তানি আয় আসে, টাকার অংকে যেটি বছরে ৫০ বিলিয়ন ডলার এবং ৬০ ভাগ স্টাফ নারী , যে দেশের কৃষিখাতের আত্মা নারী, সেই দেশের একটা রাজনৈতিক দলের প্রধানের এই হলো নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি। আমি অবশ্য অবাক হইনি। আমি জানি যে, নারী বিষয়ে জামায়াতের পরিকল্পনা এরচেয়ে অনেক বেশি ভয়ানক।

আপনি একজন আফগান মন্ত্রীর সাক্ষাৎকার পড়ুন, এরপর জামাত প্রধানের বক্তব্য শুনুন, প্রতিটি অক্ষরে মিল খুঁজে পাবেন।

আপনার যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন, যারা জামাত-শিবিরকে ভোট দেন, কিংবা আগামী ইলেকশনে ভোট দেওয়ার কথা ভাবছেন, আমি পুরুষদের কথা বাদই দিলাম, শুধু নারীদেরকে জিজ্ঞেস করি, জামাত যেই বাংলাদেশটা চায়, ওই দেশ কি আপনাদেরও স্বপ্ন? ঘরে আবদ্ধ হয়ে, কাজকর্মহীন, শিক্ষাহীন, পুরুষের অধীনে একটা নির্জীব জেনারেশন হয়ে বেঁচে থাকা?

নিজেকে জিজ্ঞেস করুন। নিজের আত্মাকে, নিজের বিবেককে একবার জিজ্ঞেস করুন।

শুধু শারীরিকভাবে, নারী হয়ে জন্ম নেওয়ার কারণে এই অসম্মান যদি আপনার প্রাপ্য হয়, সেটা যদি ঠিক মনে করেন, তাহলে আমার কিছু বলার নেই। আপনাদের জন্য শুভ কামনা।

13/11/2024
05/10/2024

আমি যেদিন থেকে বুঝলাম মানুষ মানুষকে প্রচন্ড নির্মমভাবে যন্ত্রণা দিয়ে অপরাধবোধে ভুগে না ; আমি মূলত সেদিন থেকেই মানুষ ভয় পাই।

পরকীয়া করার সঙ্গে জীবনসঙ্গী সুন্দর কিংবা অসুন্দর হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই! I said,পরকীয়ার সঙ্গে জীবনসঙ্গী সুন্দর কিংবা অসু...
17/08/2024

পরকীয়া করার সঙ্গে জীবনসঙ্গী সুন্দর কিংবা অসুন্দর হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই! I said,পরকীয়ার সঙ্গে জীবনসঙ্গী সুন্দর কিংবা অসুন্দর হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই!

আপনি সুন্দর তাই বলে আপনার সঙ্গী আপনার সাথে CHEAT করবে না এটা নিতান্তই আপনার ভুল ধারণা। যার চরিত্র খারাপ তার নজর এমনিতেই বাইরে যাবে।তাতে তার ঘর ওয়ালী বিশ্ব সুন্দরীই হোক না কেন! ওই যে কথায় আছে না ' Once a cheater always a cheater '- সৌন্দর্য দিয়ে যদি শখের পুরুষের মন পাওয়া যেতো তাহলে বোধহয় প্রিন্সেস ডায়না প্রতারিত হতেন না!

যে সত্যিকারের ভালোবাসতে জানে সে কখনোই আপনাকে সৌন্দর্য কিংবা ঐশ্বর্য দিয়ে বিচার করবে না। ওই যে একটা সেনসেটিভ লাইন আছে না ' লাইট অফ করলে তো সব কিছুই কালো ' - তবুও রাস্তার জিনিসের প্রতি তাদের এত আকর্ষণ কেন কে জানে! স্রষ্টা প্রত্যেকটা নারী কে যেমন একই ধাঁচে সৃষ্টি করেছেন, তেমনি প্রত্যেকটা পুরুষকেও। পার্থক্য শুধু গায়ের রঙে। তবুও মানুষ গাছের টা ছেড়ে তলার টা কুড়োতে চায়।

সত্যিকারের ভালোবাসা কখনো গায়ের রঙ দেখে আসেনা। আমি এমন একজন কে চিনি যে তার এক্স-পার্টনার কে এখনো ভালোবাসে। ঠিক প্রথম দিনের মতোই। তার ক্যারেক্টার উন্মোচন হওয়ার পরেও ভালোবাসতো এই ভেবে যে ভালোবাসার ক্ষমতা অনেক।তার এই অফুরান ভালোবাসার জোরে তার পার্টনার নিশ্চয়ই অতীত কে পেছনে ফেলে তার হবে। প্রকৃত পক্ষে এই কলি যুগে ভালোবাসার ক্ষমতা জিরো পার্সেন্টে এসে দাঁড়িয়েছে। তার সব জল্পনা কল্পনাকে মূল্যহীন প্রমাণ করেছে। ভালোবাসা পাওয়া তো দূরের কথা তাদের আর একসাথে থাকাই হলো না। সত্যিকারের ভালোবাসাবাসা মানুষকে বেহায়া বানিয়ে ফেলে। তাইতো আজও তার মস্তিষ্ক জুড়ে সেই ' চিটার' এর বসবাস। সে বিশ্বাস করে তার পার্টনার একদিন ভুল বুঝবেই। (এটাকে বলে ' আশায় বাঁচে চাষা)

যে একবার বাইরে নজর দেওয়া শিখে গেছে সে আর কোনোকিছুর বিনিময়ে ঘরে ফিরবে না।মিলিয়ে নিতে পারেন। যদিওবা ফিরে তবে তা হবে মিরাক্কেল। এমন মিরাক্কেল লাখে একজনের সাথে ঘটে। তার সাথেই ঘটে যাকে স্রষ্টা পছন্দ করেন। একটা ভয়ংকর আয়াত আছে ' তুমি চাইলেই তোমার পছন্দের মানুষকে হেদায়েত দিতে পারো না। বস্তুত স্রষ্টা যাকে ইচ্ছা তাকেই সৎ পথে পরিচালিত করেন।' তাই পার্টনারের প্রতি অন্ধবিশ্বাস না করে ত্রিনেত্র সজাগ রাখুন। তখন দিনশেষে ঠকলেও নিজেকে সামলাতে পারবেন।

©Leo 🖤

🐉
17/07/2024

🐉

প্রায়োরিটি ম্যাটার করে ব্রো!' তুমি যার জন্য নিজের অনেক কিছু বাদ দিয়ে ফেলবা,সে দেখবা তোমাকে বাদ দিয়েই অনেক কিছু করে ফেলতে...
11/07/2024

প্রায়োরিটি ম্যাটার করে ব্রো!' তুমি যার জন্য নিজের অনেক কিছু বাদ দিয়ে ফেলবা,সে দেখবা তোমাকে বাদ দিয়েই অনেক কিছু করে ফেলতেছে।!'
তুমি কিছুই বলতে পারবা না,কারন তোমার কোন 'দাম' নাই তাঁর কাছে!!

এই ফিলিংস টা বাজে,ভীষন ই বাজে!

জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে অনেক বেশি সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। বিয়ে প্রতি রাতের ৩০ মিনিটের জন্য না। বাকি ২৩ ঘন্টা ৩০ ...
10/07/2024

জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে অনেক বেশি সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। বিয়ে প্রতি রাতের ৩০ মিনিটের জন্য না। বাকি ২৩ ঘন্টা ৩০ মিনিটের কথাটাও মাথায় রাখা উচিত। নয়তো জীবনটা তছনছ হয়ে যাবে।

বিয়ে কেন করে সেটা না জেনেই অনেকে বিয়ে করছে। কেউ বিয়ে করছে নিজের বিলাসী শখ পূরণ করতে। কেউ বিয়ে করছে সামাজিক স্ট্যাটাস তৈরি করতে। কেউ বিয়ে করছে আবেগে। কেউ বিয়ে করছে খুশিতে। কেউ বিয়ে করছে ঠ্যালায় পড়ে। কেউ বিয়ে করছে ট্রেন্ডি হতে।

নিজেকে মূল্যায়ন না করে যার-তার সাথে ঘর বাঁধার মাশুল চড়া মূল্যে দিতে হয় এক সময়।

বিয়ে একটা প্রয়োজনীয়তা। প্রথম প্রয়োজন বৈধ উপায়ে যৌ*ন চাহিদা পূরণ করা। এরপর একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু পাওয়া। একজন সোল মেট পাওয়া।

মানসিকতা না মিললে, চিন্তা-চেতনার মধ্যে বিস্তর ফারাক থাকলে, জীবনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এক না হলে গলার কাঁটা নিয়ে সারাটা জীবন পার করতে হয়। যারা ধৈর্য্য হারিয়ে ফেলেন, তারা একসময় বিচ্ছেদের মতো জীবন অচল করে দেওয়া সিদ্ধান্তের পথে পা বাড়ান।

কেউ কারো মতো হুবুহু হতে পারবে না। এ কথা যেমন সত্য। আবার একে অপরের হৃদয়টা বুঝতে না পারলে দুজনের মধ্যে দূরত্ব যে সৃষ্টি হবে, সেটাও কিন্তু সত্য। তাই মাথার ওপরের পাখাটা ধীরে চলবে নাকি দ্রুত গতিতে, রাতের খাবার কি দেরি করে খাবে নাকি আগেভাগে, খাবারের ঝাল কিংবা লবন কমবেশি করার ব্যাপারে একে অপরকে স্যাক্রিফাইস করতেই পারে। তবে তার মানে এই নয় যে দুজন মানুষ আলাদা দুই জগতের বাসিন্দা। দুজনের মৌলিক চাওয়া-পাওয়া একেবারেই ভিন্ন হবে।

চোখের ভালো লাগার একটা বিষয়ও কিন্তু আছে। এটা মৌলিক চাহিদা। সঙ্গীকে যদি ভালো নাই লাগে, তখন বিয়েটা অর্থহীন হয়ে যায়। কাঁধের ওপর স্রেফ 'বিবাহিত' তকমাটাই থাকে; সঙ্গীর হাতটা পাওয়া যায় না।

অথচ কান্না করার জন্য সঙ্গীর কাঁধে মাথা রাখাটা প্রাপ্য অধিকার। বুকের মধ্যে জড়িয়ে নিয়ে সকল দুঃখগুলো এক নিমিষেই পানি করে ফেলার জন্য কোনো অনুমতি বা পরিবেশের জন্য অপেক্ষা করতে যেন না হয়, সেটার নিশ্চয়তা থাকতে হয়। একে অপরকে ঠিক সেভাবেই বুঝবে, যেমনটা তারা নিজেকে বুঝে।

বিয়ের আগে কারো মনের ভেতরে গিয়ে তো আর এসব যাচাই করা যায় না। তাহলে উপায় কি? সংসার জীবন তো তাহলে আর হবে না।

না, ব্যাপারটা সেরকম না।

ভালোবাসা মানে শুধু পাওয়া না। ভালোবাসলে ত্যাগও করতে হয়। নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসার উদাহরণ হলো, জীবনসঙ্গী/জীবনসঙ্গিনীর সন্তুষ্টির জন্য নিজের পছন্দকে বিসর্জন দেওয়া। তবে তার মানে এই নয় যে, অন্যায়, ভুল ও অযৌক্তিক আবদারগুলোকেও প্রশ্রয় দিতে হবে।

দু'জনের চাওয়া-পাওয়ার মাঝে ভারসাম্যপূর্ণ সমন্বয় করে নিতে হবে। আলোচনায় বসে এসব নিয়ে চুক্তি করবে? উঁহু। তা না। যা হবে নিঃশব্দে। দুজনের ভেতরে আরো দুটো সত্তা আছে। কথা হবে ওই দুটো সত্তার মাঝে। এর নাম নীরব ভালোবাসা। তারা সংসার করছে। দৈনন্দিন জীবনে আট/দশটা দম্পতি যা করে তারাও তাই করছে। তবে দুজনের ভেতরেই নীরব প্রচেষ্টা চলছে–কীভাবে সঙ্গী/সঙ্গিনীকে সুখি, সন্তুষ্ট রাখা যায়। সে কি ভালোবাসে, তার পছন্দ-অপছন্দ, সঙ্গী/সঙ্গীনির কাছে তার চাওয়াটা কি ইত্যাদি।

ভালোবাসা দেওয়ার অনেকগুলো ধরণ। কিছু ধরণের ভালোবাসা চেয়ে নিতেই মজা। 'সে শুধুই আমার'-এর অধিকার খাটানোর একটা তৃপ্তি কাজ করে। আবার কিছু ধরণের ভালোবাসা চেয়ে নেওয়ার মধ্যে তৃপ্তি নেই। মনে চায় সে নিজে থেকে আমার চাওয়াটা বুঝে নিক।

দু'জনের বোঝাপড়াটা এমন হবে যে–কোনটা রাগ আর কোনটা অভিমান, কোনটা মন খারাপ আর কোনটা মনের কষ্ট; মুখে না বললেও অপরজন বুঝে নেবে।

এটা দীর্ঘ সময় নিয়ে ধীরে ধীরে আয়ত্ত করতে হয়। ভালোবাসার সংসার চর্চা করার বিষয়। এটা কোনো প্রতিযোগিতা না। স্বামী-স্ত্রী একে অপরের প্রতিযোগী না; বরং দুই দেহ এক হৃদয় 🖤

Address

Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when L O Y a L T Y posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share