29/05/2026
মা সবসময় বলতেন , 'সৎ থাকলে হারানোর কিছু নেই'।
শাহরুখ খান ও পর্ন তারকা কেন্ড্রা লাস্ট দু'জনেই মুসলিম। শাহরুখ খানের 'ডন থ্রী ' মুভিতে অভিনয় করবেন পর্ন তারকা। দীর্ঘদিন তিনি নার্স পেশায় জড়িত থেকে মানুষকে সেবা দিয়ে গেছেন। একজন মুসলিম হয়ে শাহরুখ খান একেবারে জন্যও বলেননি , তিনি এই পর্ন তারকার সাথে অভিনয় করবেন না।" কিন্তু আমাদের দেশের শাকিব খান হলে ঠিক লজ্জা অনুভব করতেন। ছোটবেলা থেকেই পতিতাদের ঘৃণা করার শিক্ষা আমাদের সমাজে নতুন কিছু নয়।
জাপানের পর্ন তারকা রে লিল ব্ল্যাক তিনিও একজন মুসলিম।শত বছর ধরে হাজার হাজার মুসলিম নারী এই পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে পা রেখেছেন। মালয়েশিয়ার এক মুসলিমকে বিয়ে করে পর্ন তারকা রে লিল ব্ল্যাক এখন নিয়মিত হিজাব পড়ছেন। কিন্তু এই হিজাব কতদিন তার মাথায় থাকবে তা অবশ্যই প্রশ্নবিদ্ধ।
আমাদের সমাজের পুরুষরা পতিতাদের ঘৃণা করে, কিন্তু ধর্মব্যাবসায়ী ভণ্ডদের ঘৃণা করে না। লেয়া তানিত নামে একজন নারী দীর্ঘদিন ধরে পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে যুক্ত ।২০১৮ সাল থেকে তিনি বিশ্বব্যাপী " পাইন্যাপল সাপোর্ট " এর নামে হাজার হাজার এডাল্টকে বিনামূল্যে মানসিক থেরাপি ও চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।মার্সেডিস কারেরা নামের পর্ন তারকা তার অর্জিত অর্থ দিয়ে স্টেম ( বিজ্ঞান, প্রযুক্তি , গণিত ও প্রকৌশল) নারীদের উচ্চ শিক্ষার জন্য শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করছেন।জোসফিন জ্যাকসন নামের পর্ন তারকা " টাইটানোভি রিহ্যাব " এর মাধ্যমে ইউক্রেনের হাত ও পা হারানো সৈন্যদের জন্য তহবিলের যোগান দিচ্ছেন।আজ পর্যন্ত যারা ওয়াজের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা কামাই করে আয়েশী জীবন যাপন করছেন , তাদের কখনো মানবিক সেবায় অর্থ দান করতে দেখেছেন ⁉️
পর্ন একটি পেশা। পাকিস্তানের মুসলিম পর্ন তারকা ডেইলি পাকিস্তানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নাদিয়া আলী তার পর্ন পেশা সম্পর্কে বলেন ,
" জেনা করা পাপ, তবে পর্ন সিনেমায় অভিনয় করাকৈ আমি পেশা হিসেবে দেখি।"
হিজাব পরে পর্ন মুভিতে অভিনয় করেন নাদিয়া আলী।নিজেকে একজন ধর্মপ্রাণ মুসলিম দাবি করে তিনি বলেন , " পর্ন সিনেমায় অভিনয় করাটা তার প্রতিদিনের জীবনের অংশ । আনন্দ পাওয়া নয় , বরং পেশাদার জীবনের অংশ হিসেবে অভিনয় করেন তিনি।"
হিজাব পরে পর্ন মুভিতে অভিনয় করার কারণ হিসেবে পাকিস্তানের জনপ্রিয় পর্ন তারকা নাদিয়া আলী বলেন ,
" হিজাব পরে পর্ন মুভি করার কারণে তার দর্শক অনেক বেড়েছে।"
পর্ন তারকা অ্যাঞ্জেলা গ্যাব্রিয়েল হোয়াইট ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ার সেরা অভিনেত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি একজন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও পরিচালক। মার্কিন অভিনেত্রী অরোরা স্নো একজন জনপ্রিয় পর্ন তারকা ও লেখিকা। তিনি একজন চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেত্রী। তার লেখা ' আ পর্ন স্টার'স লেটার টু হার আনবর্ন সান " লেখা নিবন্ধটি লক্ষ লক্ষ মানুষের চোখে জল এনে দিয়েছিল।
ধর্ম ব্যবসার মতো পতিতাবৃত্তিও একটা পেশা। বাংলাদেশের মধ্যে ২ লাখের উপর পতিতা আছেন। এদের ৯৮ শতাংশ মুসলিম পতিতা। বাংলাদেশের কয়েক হাজার মুসলিম হোটেলে এসব পতিতাবৃত্তির কাজ হয়। হোটেলের নাম " বিসমিল্লাহ " দেখে ভাবার কারণ নেই যে, ওখানে অসামাজিক কার্যকলাপ হয় না।
আপনাদের চারপাশে এমন অসংখ্য উদাহরণ আছে। হোটেলের নাম " আল নূর " দেখে এটা নূরের হোটেল ভাবার কোন কারণ নেই।এসব হোটেলের অধিকাংশ মালিক মুসলমান। কিন্তু আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের হুজুরদেরকে শাপলা চত্বরে সমাবেশ করে নারীদের পঞ্চম শ্রেণীর বেশি পড়ার দরকার নাই বলে হুমকি দিতে দেখলেও এসব আবাসিক হোটেলের বিরুদ্ধে একটা কথাও শুনতে পাবেন না।এমনকি অপরের স্ত্রী ঝর্ণাকে নিয়ে এসব রিসোটে গিয়ে আকাম কুকাম করাও হেফাজতের মামুনুল হকদের জন্য যায়েয! শুধু পতিতাদের চরিত্রকে দোষারোপ করা হয়, মামুনুল হক দের নয়!
যে সব লক্ষ লক্ষ মুসলিম এসব পতিতালয়ে যায় এদের অধিকাংশের ঘরে বউ ও সন্তান রয়েছে । এসব আমার নিজের চোখে দেখা। বিদেশেও মুসলিম পুরুষদের বারে গিয়ে মদ খেয়ে মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়তে দেখেছি। বাংলাদেশের দুই লাখ পতিতার কাছে কম করে হলেও কয়েক কোটি মুসলিম পুরুষ গিয়েছেন। কিন্তু বিয়ের সময় উনাদের সবার 'ইনটেক স্ত্রী ' চাই। ওয়াজের মাইক হাতে উনারা নারীদের " সতীচ্ছেদ পর্দা" নিয়ে গবেষণা করেন। নারীদের দেখলে উনাদের নুনুভুতি খাঁড়া হয়ে যায়। মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসার হুজুররা পর্যন্ত ছোট ছোট শিশুদের বলোতকার ও নারীদের ধর্ষণ করছেন। কিন্তু চেহারায় এরা এমন একটা সুফী সাবের ভাব ধরে!
ছোটবেলা থেকেই এদের এই ভণ্ডামিতে আমার আপত্তি।
তাই এদেরকে আমি ভণ্ড বলি। পতিতালয়ে মুখ লুকিয়ে যেতে যেতে এদের মগজ পর্যন্ত দুষিত হয়ে গেছে। রাস্তায় মা ও বোন দেখলেই অধিকাংশ পুরুষের তাদের পতিতা মনে হয়। পতিতাদের দোষারোপ করবে , কিন্তু নিজেদের চরিত্রের দোষ খুঁজে না এই ভণ্ডরা। এসব ভণ্ডদের থেকে পতিতারা হাজার গুণ ভালো।
আমার ছোটবেলায় জাহাঙ্গীর সাত্তার নামে আমাদের এক প্রতিবেশী মুসলিম পরিবার ছিলেন। তার তিনটি কন্যা ছিল ভীষণ মেধাবী। একদিন গ্রামের লোকজন জাহাঙ্গীর সত্তারকে স্থানীয় পতিতা আয়েশা সহ ধরে ফেলে তার কাছে তিন লাখ টাকা চায়। টাকা দিতে রাজী না হলে তাকে সামাজিকভাবে ভীষণ অপদস্থ করা হয়। একপর্যায়ে সেই পতিতাকে ইচ্ছেমত লাথি, কিল , ঘুষি দেওয়া হয়। সেদিনের পর জাহাঙ্গীর সত্তার সমাজে মুখ দেখাতে না পেরে আত্মহত্যা করেন।ছোটবেলার এই ঘটনা এখনও আমার হৃদয়ে দাগ কাটে। এখনও আমি নিজেকে প্রশ্ন করি -
" পতিতাবৃত্তি মুসলিম সমাজে পাপ হলে হোটেলের নাম " বিসমিল্লাহ " রেখে গোপনে পতিতার ব্যবসা কেন ⁉️"
মুসলিমদের একটা বড় অংশ গোপনে সব পাপকে হালাল করে। মাথায় বড় টুপি দিয়ে খাদ্যে ভেজাল মিশিয়ে সে মুসলিম হয়ে আরেক মুসলিম ক্রেতাকে ধোঁকা দেয়। অনেকেই সুদ ও ঘুষ খায়।এসব অপরাধ হয় না। কিন্তু যেই আপনি একটা মেয়েকে ভালোবেসে ঠোঁটে চুমু দিতে যাবেন , তার সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়াবেন , তখনি আপনাকে ব্লাকমেইল করা শুরু করবে। এরা রাতের আঁধারে পতিতালয়ে গেলে পাপ হয় না, কিন্তু প্রেমিক ও প্রেমিকা একে অপরকে ভালোবেসে শারীরিক সম্পর্ক করলে ভয়াবহ পাপ ‼️ মূলত ভণ্ডদের দেশে মানুষ নামক জীবটা বড় অসহায়।
সেক্স মানুষের জীবনের একটি জৈবিক প্রক্রিয়ার অংশ। আপনার যেমন খাবার খেতে হয় , তেমনি সেক্সও লাগে।
দুটো প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের পারস্পরিক সম্মতিতে কনস্টেন্টের মধ্যে আমি কোন অপরাধ দেখি না। প্রতিটি মানুষের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার রয়েছে।এটি মানুষের ব্যক্তিগত প্রাইভেসি। কিন্তু সেখানেও তৌহিদি যৌনতা চলে আসে। এদের নূনুভুতির ভাইরাস থেকে কারো রক্ষা নেই। বাংলাদেশের আইনে প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের শারীরিক সম্পর্ক কোন দোষের কিছু নয়। কেবল বিয়ে না করার কারণে আপনি সেটিকে পাপ বলতে পারেন না। যদি তা পাপ হয় তবে বাংলাদেশের যেসব বিবাহিত লক্ষ কোটি মুসলিম পুরুষ পতিতালয়ে যাচ্ছে সেটাও পাপ। এদের পাপ ও পূন্যর সংজ্ঞাই আজ পর্যন্ত বুঝতে পারলাম না। মানুষের ব্যক্তিগত প্রাইভেসিতে নাক গলানোর এরা কে ⁉️
এজন্য পাকিস্তানের মেয়েদের জন্য একক লেসিবিয়ান পর্ন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন মুসলিম পর্ন অভিনেত্রী নাদিয়া আলী।
নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করুন -
ওয়াজের নামে , মসজিদ ও মাদ্রাসার নামে একটি প্রতারক চক্র মুসলমানদের বানিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে নিয়ে যাচ্ছে।এটা অপরাধ নয় ⁉️
ধর্মের নামে রাজনীতিকে হাতিয়ার বানিয়ে জামায়াত ও হেফাজত রাষ্ট্রের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটে জড়িত। ক্ষমতার জন্য এরা আমেরিকার সাথে ২১ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য চুক্তি করছে।দাতব্য সংস্থার নামে ইউরোপ ও আমেরিকায় হাজার কোটি টাকা পাচার করে দিচ্ছে জামায়াত নেতারা।ইউরোপ ও আমেরিকায় জামায়াত নেতাদের বিলাসী জীবন দেখলে আপনাদের চোখ কপালে উঠবে।অথচ এসব ভণ্ড নেতারা মানুষকে ইসলামের সবক দেয়। পতিতারা খারাপ , আর সে ভালো 😁 যতসব নষ্টামি ও ভণ্ডামি ।
পৃথিবীর ইতিহাসে একটা পতিতা দেখাতে পারবেন না যারা তাদের রাষ্ট্রকে অন্য রাষ্ট্রের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। কিন্তু ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে জামায়াত ও হেফাজতের মত ভণ্ডরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে গোলামী চুক্তি করে বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষকে শত বছরের আমেরিকার গোলাম বানিয়ে রাখার প্রাথমিক ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করে ফেলেছে।
👉 বাংলাদেশের ২ লক্ষাধিক পতিতা ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট রাষ্ট্রের ৮৪ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি ধ্বংস করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেনি , ওরা গণভবন লুট করেনি , ওরা ধানমন্ডি বত্রিশ নাম্বারে আগুন দিতে যায়নি। কিন্তু এসব অপকর্ম করেছে ক্ষমতালোভী ধর্মব্যাবসায়ী বিএনপি জামায়াত ও হেফাজত। পতিতাদের ঘৃণা না করে মুক্তিযুদ্ধের যাদুঘরে আগুন দেওয়া বিএনপি জামায়াত ও হেফাজতকে ঘৃণা করুন।
পতিতারা ধর্মের জন্য জ্যান্ত মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করে না , রাজনীতির নামে ৫ আগষ্ট হাজার হাজার ঘরবাড়ি লুট পতিতারা করেনি , পতিতারা মাজার থেকে লাশ উঠিয়ে সেই লাশ পুড়ায়নি।
👉 তাই পতিতাদের ঘৃণা না করে ধর্মব্যাবসায়ী জামায়াত ও হেফাজতকে ঘৃণা করুন।
👉 পতিতা শরীর বিক্রি করে খায় , জামায়াত ও হেফাজত ধর্ম বেছে খায়।
👉পতিতারা ধর্মের নামে খয়রাত ভিক্ষা করে খায় না, এসব ধর্মব্যাবসায়ীরা করে।পতিতারা কর্ম করে খায় , আর ধর্মব্যাবসায়ী বসে বসে খায়।মানুষকে ধর্মের নামে বোকা বানিয়ে মানুষের দেয়া খয়রাতের টাকা দিয়ে ওরা বিলাসী জীবন যাপন করে। দোষ পতিতাদের নয় , দোষ ধর্মব্যাবসায়ীদের।
এজন্য সত্য একটু বেশি তিতাই হয় 😁
সত্য সবসময় সুন্দর 🌿