L O Y a L T Y

L O Y a L T Y IT IS A DIFFERENT PAGE WITH BUSINESS PURPOSES ( goods / services ) & ENTERTAINMENTS ( music videos , songs, posts , motivational speech )

N: B :.

if anyone wants to post for marketing / entertainment , please inbox in our page .

হার - জিত পরে বলি। মিশরের ২ নম্বর বাতিল গোলটা সম্পূর্ণ রিগড। এই যাবৎ ফিফার নির্দিষ্ট কয়কটা বাজে সিদ্ধান্ত বলি। ১. আজকের ...
08/07/2026

হার - জিত পরে বলি। মিশরের ২ নম্বর বাতিল গোলটা সম্পূর্ণ রিগড।
এই যাবৎ ফিফার নির্দিষ্ট কয়কটা বাজে সিদ্ধান্ত বলি।

১. আজকের লিচাকে করা ফাউলটা শুরুতেই বাঁশি বাজানো উচিত ছিলো। ম্যাচের প্রথমার্ধ সবকিছু ঠিকঠাক ছিলো। বিতর্কটা শুরু এই গোল বাতিলের পরপরই। তাহলে এত বিতর্ক হতো না। রেফারি এইটা একদম ই ম্যানেজ করতে পারে নাই। এইটার জন্য সম্পূর্ণ রুপে ফিফা ও রেফারি দ্বায়ী! আর হ্যা অবশ্যই এইটা গোল। যেহেতু ওই সময় রেফারি চুরি করতে পারে নাই। পরে করছে। অথএব, চোর ধরাই পরছে!

২. আমেরিকার ১ টা প্লেয়ারের লাল কার্ডের সাসপেনশন উঠায় দিছিলো। ট্রাম্পের ফোন করে বলায়।

৩. পর্তুগাল - ক্রোয়েশিয়ার ম্যাচের দিন পর্তুগালেে প্রথম পেনাল্টিটা একেবার আজকের মত রিগড। খেলার নির্দিষ্ট সময়ে গিয়ে ভারটা চেক করে নাই এবং ক্রোয়েশিয়ার শেষ গোলটা মোটেও অফসাইড না তবে, এইটারে ফিফার নতুন রুল বলে চালায় দিছে আগে এই রুল কখনোই ছিলো না।

৪. জার্মানি - প্যারাগুয়ের ম্যাচে জোনাথান তাহের গোলটা বাতিল করেছে যেটা ফিফার কোন রুলের মধ্যেই পড়ে না এমনকি ডি বক্সে কর্নারের টাইমে জার্মানির প্লেয়ারকে ধরে রেখেছিলো। এছাড়া ইকুয়েডরের ম্যাচে অনেক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত জার্মানির বিরুদ্ধে গেছে।

ক্রিটিসিজম ব্রাজিলের সাপোর্টাররা করার যোগ্য দাবিদার।
কিন্তু রোনালদো ফ্যানরা লাফাইয়েননা কারন, ওইদিন ক্রোয়েশিয়াও পর্তুগালের দ্বারা রিগড হইছে।
আর্জেন্টিনা যদি চুরি আগে করে থাকে তাহলে, রোনালদোর পর্তুগাল চুরিটা করেছে আগে। কোন কিছুই অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

দিনশেষে ফিফার চেয়ে এসব প্রেসারের ম্যাচে রেফারি দায়ী ডিসিশন মেকিং এ। এটাই বাস্তবতা এবং এগুলোই খেলার অংশ!!!

❝ ইউ হ্যভ টু একসেপ্ট ইট ❞

07/07/2026

এবার আসি আসল কথায়।

ফিফাকে চোর বলা, মেসিকে চোর বলা, রিগিং বলা মোস্ট অফ হলো থার্ড ওয়ার্ল্ড কান্ট্রির মানুষেরা। বছরের পর বছর ইন্ডিয়া, পাকিস্তান, বাংলাদেশ সহ এসব দেশের মানুষরা প্রতারিত হয়েছে দেশের সরকারের কাছে।
নেতা মন্ত্রীদের দেখেছে চুরি চামারি করতে।
তাই এদের বদ্ধমূল ধারণা জন্মেছে যারা জিতে যায় তারা আসলে চুরি করে জেতে।
বছরের পর বছর এদের সরকার এদের মুখে মুতে দেয় আর এরা প্রতিবাদ না করে দোষ দেয় লিওনেল মেসির ওপর।

শুভরাত্রি 💙

কার্টেসী: দ্যা লিজেন্ড

07/07/2026

১৯৭০-এর পরে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জিততে লাগছিল ২৪ বছর। ২০০২-এর পরে এখন আবার ২৪ বছর পার। এইটার মানে এই না যে আগামীবারই ব্রাজিলের টার্ন। তখনের ব্রাজিল আর এখনের ব্রাজিল—ওরফে শেখ রাসেল অনূর্ধ্ব-১৭ একাদশ—এক জিনিস না।

১৯৯৪ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত ব্রাজিলের টিমে তারকায় ঠাসাঠাসি ছিল। অন্য দলে যেখানে ১-২টা তারকা ফুটবলার থাকত, ব্রাজিলে যেইটা সাইড বেঞ্চে বইসা থাকত, ওইটাও তারকা। রোমারিও, রোনালদো, রিভালদো, রোনালদিনহো, রবিনহো, রোবার্তো কার্লোস, কাকা, দুঙ্গা, দিদা, কাফু, ব্যাবেতো, লুসিও—কয়ডার নাম কমু! এক বিশ্বকাপে দুইজন অবসরে গেলে পরের বিশ্বকাপে আবার চারজন নতুন তারকা আইসা হাজির। রোনালদিনহোর কিছু রিলস হয়তো অনেকেই দেখছেন। কিন্তু পুরো খেলা যারা দেখছে, তারা জানে জিনিসটা কী ছিল। আর রোবার্তো কার্লোসের ফ্রি-কিক আর মিসাইলের মধ্যে পার্থক্য ছিল না। খেলা ছিল চোখের শান্তি। বাইড়া-বাইড়া পিডাপিডি করলেও ব্রাজিলের পা থেকে বল নেওয়া যাইত না।

এই যে আমাদের দেশে এত ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সাপোর্টার, এদের বেশিরভাগই আসলে পৈতৃক সূত্রে। আমার বাপ ব্রাজিল করত, আমিও ব্রাজিল। আমার যত আর্জেন্টিনা ফ্যান ফ্রেন্ড আছে, ওদের বাপও আর্জেন্টিনা করত, তাই ওরাও আর্জেন্টিনা।

তবে পৈতৃক সূত্রে ব্রাজিল করলেও মজা করার বয়সে ভালোই মজা করতে পারছি। জন্মের পর থেকেই দেখছি ব্রাজিল মানেই উইনার। অঘটন না ঘটলে হারেই না। ১৯৯৪ চ্যাম্পিয়ন, ১৯৯৮ রানার্স-আপ, এরপর ২০০২-এ আবার চ্যাম্পিয়ন। ইতিহাসের অন্যতম সেরা দল নিয়া নামছিল। ওই বছর আর্জেন্টিনা গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায়। ঐ বয়সে এইটা ডাবল ওয়ার্ল্ডকাপের মত।

আর ২০০৬-এ তো মনে হইছিল, ব্রাজিল হাসতে হাসতেই হারছে। এত জিততে জিততে বোর হইয়া গেছে, তাই ভাবছে—"চল, এবার একটু আগে বাড়ি যাইগা।" ওই বিশ্বকাপেই প্রথমবার মেসির ঝলক দেখলাম। অল্প সময় খেলেও যেটা দেখাইল, তখনই মনে হইছিল—এই পোলারে থামানো কঠিন হবে। সামনে যত বিশ্বকাপ খেলবে, সবই মনে হয় আর্জেন্টিনা জিতবে! যদিও বাস্তবে আর্জেন্টিনা সেই হিসেবে অনেক কমই পাইছে।

যাই হোক, এগুলা সবই ইতিহাস। এবার আসি মূল কথায়।
কর্মা কাউরে ছাড়ে না। শুধু খেলাধুলায় না, জীবনের সব ক্ষেত্রেই।
আপনি যেই আকামই করেন, যেই পাপই করেন, যেই অন্যায়ই করেন—সেটা ঘুইরা আপনার কাছেই আসবে। হোক ২৪ ঘণ্টা পরে, ২৪ বছর পরে, বা ৪৪ বছর পরে। আমি এই জিনিসটা বারবার দেখছি। কেউ স্বীকার করুক বা না করুক, সময় আসলে মানুষ ঠিকই মনে করে—"এত বছর আগে অন্যের সাথে যা করছিলাম, সেটা আজ আমার উপরেই ফিরে আসল!"

আমার আর্জেন্টিনা ফ্যান ফ্রেন্ডগুলারে ৩০-৩২ বছর যেই পচানি পচাইছি, তার হিসাব নাই। ওদের আসলে কিছু বলারও ছিল না। এত বছর কাপ নাই। একটা পুরো জেনারেশন জন্ম থেইকা আর্জেন্টিনারে শুধু হারতেই দেখছে। তাঁর উপর ব্রাজিলের ধারে কাছেও নাই, কই ৫টা আর কই ২টা। আর প্রায় সময় ব্রাজিল থাকত র‍্যাংকিং এ ১ নাম্বার দল।

এখন দিন ঘুইরা গেছে। হেক্সা করতে করতে ব্রাজিলেরও যে ২৪ বছর পার হইয়া গেছে, টেরই পাই নাই। সামনের বিশ্বকাপে ২৮ বছর হবে। একটা পুরো জেনারেশন ব্রাজিলরে বিশ্বকাপ জিততে দেখে নাই। থাকার মধ্যে ছিল এক বেচারা আনলাকি নেইমার, আগামীবার সেও নাই।

আর্জেন্টিনা অন্তত জান-প্রাণ দিয়া মেসির হাতে ২০২২ সালে বিশ্বকাপটা তুলে দিতে পারছে। আর নেইমার বেচারার জন্য এই আরামবাগ ক্রীড়াচক্রের মতো ব্রাজিল দলে তেমন কোনো ছ্যাদভ্যাদই দেখি না। খেলা দেখলে মনে হয়, বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের মতো নতুন কোনো দেশ ঘুরতে আইছে। কেনাকাটা শেষ হইলে তাড়াতাড়ি হাইরা বাড়ি যাইতে পারলেই বাঁচে।

এদিকে গত কয় ওয়ার্ল্ডকাপে আর্জেন্টিনা ধীরে ধীরে ঠিকই আগাইছে—সেমিফাইনাল, রানার্স-আপ, তারপর চ্যাম্পিয়ন। হয়তো এবারও ভালো করবে। দুই স্টার হইয়া যাবে চার—একদম ব্রাজিলের দম্ভের দরজায়।

ফাইজলামি কইরা যতই বলি—কমিটি টিম, মেসি মাফিয়া টাকা দিয়া ফিফা কিনছে, বা ম্যারাডোনা হাত দিয়া গোল কইরা কাপ নিছিল—দিন শেষে সার্টিফিকেটে কী লেখা আছে, সেটাই বিবেচ্য বিষয়।

২০০২ সালের SSC পরীক্ষা সবচেয়ে কঠিন হইছিল, আবার ২০২০-২১ সালে করোনার কারণে অটোপাশ হইছিল। ২০ বছর পরে চাকরির ইন্টারভিউতে কেউ জিজ্ঞেস করবে না কে কেমনে পাশ করছিল। সার্টিফিকেটে কি লেখা আছে ওইটাই দেখবে।

আমাদের জেনারেশনের আর্জেন্টিনা ফ্যানদের যেমন খারাপ সময় গেছে, এখন এই জেনারেশনের ব্রাজিল ফ্যানদের খারাপ সময় যাইতেছে। একসময় হয়তো দিন ঘুরবে। কিন্তু বয়সের কারনে বা কাজের চাপে সেই আগের এক্সাইটমেন্টটা আর থাকব না।

আগে ক্লাসের রুটিন মনে না থাকলেও কার কবে খেলা, কে কত গোল দিছে—সব মুখস্থ ছিল। আর এই বিশ্বকাপে আমি পুরো খেলা দেখছি মাত্র তিনটা। আগে কেউ ব্রাজিলরে কিছু বললে দাঁতের তলায় রাখতাম। এখন ব্রাজিলরে আমি নিজেই এত পঁচাই, অনেকেই ভাবে আমি মনে হয় আর্জেন্টিনার সাপোর্টার। এখন কে হারল কে জিতল এইসব নিয়া আগেরমত অত মাথা ব্যাথা নাই। খেলারে এখন একটা এন্টারটেইনমেন্ট হিসেবেই দেখি যেটা বাচ্চা বয়সে ছিল না।

গতবার আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর আমিও বাইক নিয়া রাস্তায় বের হইছিলাম। কারণ ২০০২-এর পরে এমন উদযাপন আর হয় নাই। সামনে ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনা কেউ না জিতলে এমন আর হবেও না, তাই মিস করতে চাই নাই। ২০০২ বা ২০০৬ এ এটা ঘটলে হয়ত ১ মাস মন খারাপ কইরা বইসা থাকতাম।

বহুত কথা কইলাম। কিন্তু আসল কথাটা ফুটবল না।
জীবনে কখনো গরম টাইম আসবে, আবার কখনো চিপায় পইড়া ঠান্ডা টাইমও আসবে। গরম সময়ে বাষ্প হইয়া আকাশে উইড়া বেড়ানোর কিছু নাই। পাও মাটিতেই রাখা উচিত। আজকে আপনি জিততেছেন, কালকে অন্য কেউ জিতব। আজকে আপনি হাসতেছেন, কালকে আপনারেও কেউ নিয়া হাসব। এইটাই দুনিয়ার নিয়ম।

দুনিয়ায় যেই হালায় যত দম্ভ দেখাইছে, শেষ পর্যন্ত তার পতন হইছেই। খেলাধুলা, রাজনীতি, অর্থনীতি, ব্যবসা, চাকরি, পড়ালেখা, পরিবার—কোনো জায়গাই এর বাইরে না।

সময় সবারই বদলায়। তাই ভালো সময়ে বিনয়ী থাকেন, আর খারাপ সময়ে ধৈর্য ধরেন। এই দুইটাই শেষ পর্যন্ত মানুষকে টিকায় রাখে।
©

হারাধনের ৪ ছেলে,বাকি রইল ১ জন!!!! 💙
06/07/2026

হারাধনের ৪ ছেলে,বাকি রইল ১ জন!!!! 💙

ট্রল করে উড়িয়ে দেওয়ার ইচ্ছা ছিল। নেইমারের কান্না দেখে কিছুই ভালো লাগছে না। নেইমার বাচ্চাদের মত কানতেসে। ফুটবলের দু:খী এই...
05/07/2026

ট্রল করে উড়িয়ে দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

নেইমারের কান্না দেখে কিছুই ভালো লাগছে না।

নেইমার বাচ্চাদের মত কানতেসে।

ফুটবলের দু:খী এই রাজপুত্রটার আর রাজা হওয়া হইলোই না।

বিধাতা দুই হাত ভরে প্রতিভা দিল।

অথচ ভাগ্য আর ডিসিপ্লিনটা আর দিল না।

অনেক কিছু করতে চেয়েও কিছুই করতে না পারার কষ্টে নেইমার যখন বাচ্চাদের মতন কাঁদেন,

সেই কান্নায় তো আমরাও থাকি।

মেসির ভক্ত হইলেও মেসির মত রূপকথার জীবন আর কয়টা মানুষ পায়?

দিনশেষে আমরাও তো ঐ নেইমাররের মতই,

এক পৃথিবী লিখব বলে, একটা খাতাও শেষ করা হয় না,

আমাদের সময় শেষ হইয়া যায়,

সবাই জানে, ছেলেটার কতটা প্রতিভা ছিল,

কেউ জানে না, ঠিক কতটা দুর্ভাগ্য লাগে প্রতিভাকে কবর দিতে,

নেইমার হাউমাউ করে কাঁদছেন,

অনেক কিছু করতে চেয়েও কিছুই করতে না পারা পুরুষ মানুষের কান্না যে কি ভয়ংকর!!

সারা জীবন আনন্দ দেয়া মানুষগুলোকে শেষ দৃশ্যে কেন যে এভাবে কাঁদতে হয়!!

আহারে জীবন,

আহারে জীবন!!

জলে ভাসা পদ্ম যেমন!!

বিয়ে যারা এই যুগে করবেন একটা মেন্টাল প্রিপারেসন নিয়ে করবেন। সেই মেন্টাল প্রিপারেসন হলো বিয়েটা আজীবন না ও টিকতে পারে। এখন...
01/07/2026

বিয়ে যারা এই যুগে করবেন একটা মেন্টাল প্রিপারেসন নিয়ে করবেন। সেই মেন্টাল প্রিপারেসন হলো বিয়েটা আজীবন না ও টিকতে পারে। এখন বিয়ে টেকার যুগ শেষ। এইটা নগরায়ন যত হবে ততো ঘটবে। আজীবন একসাথে থাকার নিয়তে আপনি অ্যারেঞ্জ ম্যারিজ ই করেন আর লাভ ম্যারিজ ই করেন, টেকার চান্স দিন দিন কমবে।

আপনি নিজে চিট করতে পারেন বা আপনি নিজে চিটের শিকার হতে পারেন। এখন মানুষের ধৈর্য কম। ৩০ সেকেন্ডের অ্যাডও মানুষ সহ্য করতে পারে না। সেখানে একটু তিক্ততা ভয়াবহ রুপ নেয়। আগে মানুষ বলতো বিয়ে জিনিসটা আলাদা। ব্রাদার এন্ড সিস্টার এখন বিয়ে আর প্রেমের মধ্যে পার্থক্য নেই। বিয়েটায় প্রেম হয়ে গিয়েছে। নেগেটিভ চিন্তা করবেন না কিন্তু মেন্টাল প্রিপারেসন রাখবেন তাহলে ধাক্কা কম খাবেন।

মা সবসময় বলতেন , 'সৎ থাকলে হারানোর কিছু নেই'।শাহরুখ খান ও পর্ন তারকা কেন্ড্রা লাস্ট দু'জনেই মুসলিম। শাহরুখ খানের 'ডন থ্...
29/05/2026

মা সবসময় বলতেন , 'সৎ থাকলে হারানোর কিছু নেই'।
শাহরুখ খান ও পর্ন তারকা কেন্ড্রা লাস্ট দু'জনেই মুসলিম। শাহরুখ খানের 'ডন থ্রী ' মুভিতে অভিনয় করবেন পর্ন তারকা। দীর্ঘদিন তিনি নার্স পেশায় জড়িত থেকে মানুষকে সেবা দিয়ে গেছেন। একজন মুসলিম হয়ে শাহরুখ খান একেবারে জন্যও বলেননি , তিনি এই পর্ন তারকার সাথে অভিনয় করবেন না।" কিন্তু আমাদের দেশের শাকিব খান হলে ঠিক লজ্জা অনুভব করতেন। ছোটবেলা থেকেই পতিতাদের ঘৃণা করার শিক্ষা আমাদের সমাজে নতুন কিছু নয়।

জাপানের পর্ন তারকা রে লিল ব্ল্যাক তিনিও একজন মুসলিম।শত বছর ধরে হাজার হাজার মুসলিম নারী এই পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে পা রেখেছেন। মালয়েশিয়ার এক মুসলিমকে বিয়ে করে পর্ন তারকা রে লিল ব্ল্যাক এখন নিয়মিত হিজাব পড়ছেন। কিন্তু এই হিজাব কতদিন তার মাথায় থাকবে তা অবশ্যই প্রশ্নবিদ্ধ।

আমাদের সমাজের পুরুষরা পতিতাদের ঘৃণা করে, কিন্তু ধর্মব্যাবসায়ী ভণ্ডদের ঘৃণা করে না। লেয়া তানিত নামে একজন নারী দীর্ঘদিন ধরে পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে যুক্ত ।২০১৮ সাল থেকে তিনি বিশ্বব্যাপী " পাইন্যাপল সাপোর্ট " এর নামে হাজার হাজার এডাল্টকে বিনামূল্যে মানসিক থেরাপি ও চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।মার্সেডিস কারেরা নামের পর্ন তারকা তার অর্জিত অর্থ দিয়ে স্টেম ( বিজ্ঞান, প্রযুক্তি , গণিত ও প্রকৌশল) নারীদের উচ্চ শিক্ষার জন্য শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করছেন।জোসফিন জ্যাকসন নামের পর্ন তারকা " টাইটানোভি রিহ্যাব " এর মাধ্যমে ইউক্রেনের হাত ও পা হারানো সৈন্যদের জন্য তহবিলের যোগান দিচ্ছেন।আজ পর্যন্ত যারা ওয়াজের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা কামাই করে আয়েশী জীবন যাপন করছেন , তাদের কখনো মানবিক সেবায় অর্থ দান করতে দেখেছেন ⁉️

পর্ন একটি পেশা। পাকিস্তানের মুসলিম পর্ন তারকা ডেইলি পাকিস্তানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নাদিয়া আলী তার পর্ন পেশা সম্পর্কে বলেন ,
" জেনা করা পাপ, তবে পর্ন সিনেমায় অভিনয় করাকৈ আমি পেশা হিসেবে দেখি।"

হিজাব পরে পর্ন মুভিতে অভিনয় করেন নাদিয়া আলী।নিজেকে একজন ধর্মপ্রাণ মুসলিম দাবি করে তিনি বলেন , " পর্ন সিনেমায় অভিনয় করাটা তার প্রতিদিনের জীবনের অংশ । আনন্দ পাওয়া নয় , বরং পেশাদার জীবনের অংশ হিসেবে অভিনয় করেন তিনি।"

হিজাব পরে পর্ন মুভিতে অভিনয় করার কারণ হিসেবে পাকিস্তানের জনপ্রিয় পর্ন তারকা নাদিয়া আলী বলেন ,
" হিজাব পরে পর্ন মুভি করার কারণে তার দর্শক অনেক বেড়েছে।"

পর্ন তারকা অ্যাঞ্জেলা গ্যাব্রিয়েল হোয়াইট ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ার সেরা অভিনেত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি একজন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও পরিচালক। মার্কিন অভিনেত্রী অরোরা স্নো একজন জনপ্রিয় পর্ন তারকা ও লেখিকা। তিনি একজন চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেত্রী। তার লেখা ' আ পর্ন স্টার'স লেটার টু হার আনবর্ন সান " লেখা নিবন্ধটি লক্ষ লক্ষ মানুষের চোখে জল এনে দিয়েছিল।

ধর্ম ব্যবসার মতো পতিতাবৃত্তিও একটা পেশা। বাংলাদেশের মধ্যে ২ লাখের উপর পতিতা আছেন। এদের ৯৮ শতাংশ মুসলিম পতিতা। বাংলাদেশের কয়েক হাজার মুসলিম হোটেলে এসব পতিতাবৃত্তির কাজ হয়। হোটেলের নাম " বিসমিল্লাহ " দেখে ভাবার কারণ নেই যে, ওখানে অসামাজিক কার্যকলাপ হয় না।
আপনাদের চারপাশে এমন অসংখ্য উদাহরণ আছে। হোটেলের নাম " আল নূর " দেখে এটা নূরের হোটেল ভাবার কোন কারণ নেই।এসব হোটেলের অধিকাংশ মালিক মুসলমান। কিন্তু আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের হুজুরদেরকে শাপলা চত্বরে সমাবেশ করে নারীদের পঞ্চম শ্রেণীর বেশি পড়ার দরকার নাই বলে হুমকি দিতে দেখলেও এসব আবাসিক হোটেলের বিরুদ্ধে একটা কথাও শুনতে পাবেন না।এমনকি অপরের স্ত্রী ঝর্ণাকে নিয়ে এসব রিসোটে গিয়ে আকাম কুকাম করাও হেফাজতের মামুনুল হকদের জন্য যায়েয! শুধু পতিতাদের চরিত্রকে দোষারোপ করা হয়, মামুনুল হক দের নয়!

যে সব লক্ষ লক্ষ মুসলিম এসব পতিতালয়ে যায় এদের অধিকাংশের ঘরে বউ ও সন্তান রয়েছে । এসব আমার নিজের চোখে দেখা। বিদেশেও মুসলিম পুরুষদের বারে গিয়ে মদ খেয়ে মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়তে দেখেছি। বাংলাদেশের দুই লাখ পতিতার কাছে কম করে হলেও কয়েক কোটি মুসলিম পুরুষ গিয়েছেন। কিন্তু বিয়ের সময় উনাদের সবার 'ইনটেক স্ত্রী ' চাই। ওয়াজের মাইক হাতে উনারা নারীদের " সতীচ্ছেদ পর্দা" নিয়ে গবেষণা করেন। নারীদের দেখলে উনাদের নুনুভুতি খাঁড়া হয়ে যায়। মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসার হুজুররা পর্যন্ত ছোট ছোট শিশুদের বলোতকার ও নারীদের ধর্ষণ করছেন। কিন্তু চেহারায় এরা এমন একটা সুফী সাবের ভাব ধরে!
ছোটবেলা থেকেই এদের এই ভণ্ডামিতে আমার আপত্তি।
তাই এদেরকে আমি ভণ্ড বলি। পতিতালয়ে মুখ লুকিয়ে যেতে যেতে এদের মগজ পর্যন্ত দুষিত হয়ে গেছে। রাস্তায় মা ও বোন দেখলেই অধিকাংশ পুরুষের তাদের পতিতা মনে হয়। পতিতাদের দোষারোপ করবে , কিন্তু নিজেদের চরিত্রের দোষ খুঁজে না এই ভণ্ডরা। এসব ভণ্ডদের থেকে পতিতারা হাজার গুণ ভালো।

আমার ছোটবেলায় জাহাঙ্গীর সাত্তার নামে আমাদের এক প্রতিবেশী মুসলিম পরিবার ছিলেন। তার তিনটি কন্যা ছিল ভীষণ মেধাবী। একদিন গ্রামের লোকজন জাহাঙ্গীর সত্তারকে স্থানীয় পতিতা আয়েশা সহ ধরে ফেলে তার কাছে তিন লাখ টাকা চায়। টাকা দিতে রাজী না হলে তাকে সামাজিকভাবে ভীষণ অপদস্থ করা হয়। একপর্যায়ে সেই পতিতাকে ইচ্ছেমত লাথি, কিল , ঘুষি দেওয়া হয়। সেদিনের পর জাহাঙ্গীর সত্তার সমাজে মুখ দেখাতে না পেরে আত্মহত্যা করেন।ছোটবেলার এই ঘটনা এখনও আমার হৃদয়ে দাগ কাটে। এখনও আমি নিজেকে প্রশ্ন করি -

" পতিতাবৃত্তি মুসলিম সমাজে পাপ হলে হোটেলের নাম " বিসমিল্লাহ " রেখে গোপনে পতিতার ব্যবসা কেন ⁉️"

মুসলিমদের একটা বড় অংশ গোপনে সব পাপকে হালাল করে। মাথায় বড় টুপি দিয়ে খাদ্যে ভেজাল মিশিয়ে সে মুসলিম হয়ে আরেক মুসলিম ক্রেতাকে ধোঁকা দেয়। অনেকেই সুদ ও ঘুষ খায়।এসব অপরাধ হয় না। কিন্তু যেই আপনি একটা মেয়েকে ভালোবেসে ঠোঁটে চুমু দিতে যাবেন , তার সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়াবেন , তখনি আপনাকে ব্লাকমেইল করা শুরু করবে। এরা রাতের আঁধারে পতিতালয়ে গেলে পাপ হয় না, কিন্তু প্রেমিক ও প্রেমিকা একে অপরকে ভালোবেসে শারীরিক সম্পর্ক করলে ভয়াবহ পাপ ‼️ মূলত ভণ্ডদের দেশে মানুষ নামক জীবটা বড় অসহায়।

সেক্স মানুষের জীবনের একটি জৈবিক প্রক্রিয়ার অংশ। আপনার যেমন খাবার খেতে হয় , তেমনি সেক্সও লাগে।
দুটো প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের পারস্পরিক সম্মতিতে কনস্টেন্টের মধ্যে আমি কোন অপরাধ দেখি না। প্রতিটি মানুষের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার রয়েছে।এটি মানুষের ব্যক্তিগত প্রাইভেসি। কিন্তু সেখানেও তৌহিদি যৌনতা চলে আসে। এদের নূনুভুতির ভাইরাস থেকে কারো রক্ষা নেই। বাংলাদেশের আইনে প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের শারীরিক সম্পর্ক কোন দোষের কিছু নয়। কেবল বিয়ে না করার কারণে আপনি সেটিকে পাপ বলতে পারেন না। যদি তা পাপ হয় তবে বাংলাদেশের যেসব বিবাহিত লক্ষ কোটি মুসলিম পুরুষ পতিতালয়ে যাচ্ছে সেটাও পাপ। এদের পাপ ও পূন্যর সংজ্ঞাই আজ পর্যন্ত বুঝতে পারলাম না। মানুষের ব্যক্তিগত প্রাইভেসিতে নাক গলানোর এরা কে ⁉️

এজন্য পাকিস্তানের মেয়েদের জন্য একক লেসিবিয়ান পর্ন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন মুসলিম পর্ন অভিনেত্রী নাদিয়া আলী।

নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করুন -

ওয়াজের নামে , মসজিদ ও মাদ্রাসার নামে একটি প্রতারক চক্র মুসলমানদের বানিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে নিয়ে যাচ্ছে।এটা অপরাধ নয় ⁉️

ধর্মের নামে রাজনীতিকে হাতিয়ার বানিয়ে জামায়াত ও হেফাজত রাষ্ট্রের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটে জড়িত। ক্ষমতার জন্য এরা আমেরিকার সাথে ২১ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য চুক্তি করছে।দাতব্য সংস্থার নামে ইউরোপ ও আমেরিকায় হাজার কোটি টাকা পাচার করে দিচ্ছে জামায়াত নেতারা।ইউরোপ ও আমেরিকায় জামায়াত নেতাদের বিলাসী জীবন দেখলে আপনাদের চোখ কপালে উঠবে।অথচ এসব ভণ্ড নেতারা মানুষকে ইসলামের সবক দেয়। পতিতারা খারাপ , আর সে ভালো 😁 যতসব নষ্টামি ও ভণ্ডামি ।

পৃথিবীর ইতিহাসে একটা পতিতা দেখাতে পারবেন না যারা তাদের রাষ্ট্রকে অন্য রাষ্ট্রের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। কিন্তু ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে জামায়াত ও হেফাজতের মত ভণ্ডরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে গোলামী চুক্তি করে বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষকে শত বছরের আমেরিকার গোলাম বানিয়ে রাখার প্রাথমিক ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করে ফেলেছে।

👉 বাংলাদেশের ২ লক্ষাধিক পতিতা ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট রাষ্ট্রের ৮৪ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি ধ্বংস করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেনি , ওরা গণভবন লুট করেনি , ওরা ধানমন্ডি বত্রিশ নাম্বারে আগুন দিতে যায়নি। কিন্তু এসব অপকর্ম করেছে ক্ষমতালোভী ধর্মব্যাবসায়ী বিএনপি জামায়াত ও হেফাজত। পতিতাদের ঘৃণা না করে মুক্তিযুদ্ধের যাদুঘরে আগুন দেওয়া বিএনপি জামায়াত ও হেফাজতকে ঘৃণা করুন।
পতিতারা ধর্মের জন্য জ্যান্ত মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করে না , রাজনীতির নামে ৫ আগষ্ট হাজার হাজার ঘরবাড়ি লুট পতিতারা করেনি , পতিতারা মাজার থেকে লাশ উঠিয়ে সেই লাশ পুড়ায়নি।
👉 তাই পতিতাদের ঘৃণা না করে ধর্মব্যাবসায়ী জামায়াত ও হেফাজতকে ঘৃণা করুন।
👉 পতিতা শরীর বিক্রি করে খায় , জামায়াত ও হেফাজত ধর্ম বেছে খায়।

👉পতিতারা ধর্মের নামে খয়রাত ভিক্ষা করে খায় না, এসব ধর্মব্যাবসায়ীরা করে।পতিতারা কর্ম করে খায় , আর ধর্মব্যাবসায়ী বসে বসে খায়।মানুষকে ধর্মের নামে বোকা বানিয়ে মানুষের দেয়া খয়রাতের টাকা দিয়ে ওরা বিলাসী জীবন যাপন করে। দোষ পতিতাদের নয় , দোষ ধর্মব্যাবসায়ীদের।

এজন্য সত্য একটু বেশি তিতাই হয় 😁

সত্য সবসময় সুন্দর 🌿

10/03/2026

ভারত থেকে তেল আনা কেন হচ্ছে? তাও যে পাইপলাইন ভারতের টাকায় (৮০ ভাগ) করা হয়েছে শেখ হাসিনার আমলে তার মাধ‍্যমে। এটা করা হয়েছিল ভারত থেকে কম মূল‍্যে পরিশোধিত তেল আনার জন‍্য।

কিন্তু বর্তমানে যারা সরাসরি ক্ষমতায় সেই বিএনপি এবং পাতানো বিরোধী দল জামাত বলেছিল ভারতে সব গ‍্যাস পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে এই পাইপলাইন দিয়ে। ভারত রাশিয়া থেকে কম দামে তেল কিনবে সেই কম দামের তেল কেন বাংলাদেশে আসবে। যারা ভারত ভেঙে ফেলার হ‍্যাডম রাখে তাদের কেন এখন ভারতের হ‍্যাডমের দিকে তাকায়ে থাকতে হয়?

ভারত বিরোধী প্রোপাগান্ডা যারা গত ১৫ বছর ছড়িয়েছে তাদের প্রিয় পাকিস্তান কিংবা তুরস্ক থেকে তেল আনা হচ্ছে না কেন?

আর ভারতও একটা দেশ। ভালোমানুষী দেখানোটার রোগটা এরা ছাড়তেই পারে নাই। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করতে গিয়ে ভারতের প্রায় ৩৯০০ জন সৈনিক শহীদ হয়েছিল। চিরতরে পংগু হয়েছিল প্রায় ১০ হাজারের উপরে সৈনিক। তার প্রতিদান দিয়েছিল স্বাধীন হবার ছয় মাসের মাথায় ভারত বাংলাদেশ থেকে সব নিয়ে গেছে সে গুজব-প্রোপাগান্ডা গিলে।

এই জাতি এতটাই অকৃতজ্ঞ যে শহীদ ভারতীয় সেনাদের স্মরনে একটা ভাস্কর্য বা স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত বানায় নাই। ভারতীয় তেলের বিদ‍্যুতে এদের মোবাইল চার্জ হবে। গাড়ির চাকা চলবে। সেই গাড়িতে বসে এরা ভারতের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা তৈরি করবে, প্রোপাগান্ডা ছড়াবে। কেউ গাঁজাওয়াতুল হিন্দের স্বপ্ন দেখবে। কেউ দেখবে সেভেন সিস্টার্স দখলের স্বপ্ন।

ছ‍্যাচড়াদের প্রতিবেশী হওয়া উচিত ছ‍্যাচড়া শ্রেষ্ঠ। ছোটলোকগুলার লজ্জা শরমটা পর্যন্ত নাই। বিএনপির রিজভীতো তার বৌয়ের ভারতীয় শাড়ি পোড়ানোর ডাক পর্যন্ত দিয়েছিল। এখন ভারত থেকে তেল কেনার জন‍্য পা ধরে বসে আছে।
©️

মধ্যপ্রাচ্যে চীন স্যাটেলাইট ইমেজ পাবলিক করে যেই গ্যাঞ্জাম বাধিয়েছে তার সিগনিফিক্যান্স কি সেটা পরিস্কারের আগে বিগত ১২ দিন...
28/02/2026

মধ্যপ্রাচ্যে চীন স্যাটেলাইট ইমেজ পাবলিক করে যেই গ্যাঞ্জাম বাধিয়েছে তার সিগনিফিক্যান্স কি সেটা পরিস্কারের আগে বিগত ১২ দিনের যুদ্ধে আপনারা যারা আমার লেখা ফলো করেছিলেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানায়। সে সময়ে আমি ইরানের উপর হতাশ হয়েছিলাম টার্গেটিং ইস্যু নিয়ে। ইরান কার্যত সঠিক লক্ষ্যে আঘাত হানতে ব্যর্থ হচ্ছিল যুদ্ধের শুরুর কয়েক দিন। তখন এটাও বলেছিলাম যুদ্ধ ২ সপ্তাহের বেশি চলার কথা না।

এই যে টার্গেটিং রিলেটেড যে সমস্যা ইরান ফেইস করেছিল এর প্রধান কারন ছিল দুইটি। ইউএস EW অপারেশন এবং ইরানের হাতে রিয়েল টাইম স্যাটেলাইট ডাটার ঘাটতি। ১২ দিনের যুদ্ধের শেষের দিকে অনেকটা স্পষ্ট হতে থাকে চীনারা স্যাটেলাইট ইন্টেলিজেন্স দিয়ে সহায়তা করছে। ফলে শেষের দিনগুলিতে ইরানের মিসাইলের আঘাত ছিলা এক কথায় "লিথ্যাল" যা দ্রুত যুদ্ধ বিরতিকে ত্বরান্বিত করে।

এর বিপরীতে ইরানের অবস্থা ছিল বেশ নাজুক। ইরান প্রচুর পরিমানে TEL হারাতে থাকে যার ফলে মিসাইল লঞ্চিং সক্ষমতাই কমে আসে। ইউএস মিসাইল আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেমেড় পাশাপাশি ইরানে প্রিসিশন এটাকে ইজ-রায়েলকে সবথেকে বেশি সহায়তা করেছিল আমেরিকার স্যাটেলাইট ইমেজিং সার্ভিস "Maxar Intelligence". আমেরিকার এই ফার্ম উচ্চ রেজুলেশনের স্যাটেলাইট ইমেজারি প্রায় রিয়েল টাইম সরবরাহ করত ইজ-রায়েলকে। ফলে ইরান যেসব লোকেশন থেকে মিসাইল লঞ্চ করছিল সেগুলাকে ইজ-রায়েল দ্রুত চিহ্নিত করে এবং পরবর্তী সোর্টিগুলিতে সেগুলা গুড়িয়ে দিতে থাকে। পুরো ইরান ছিল ইউএস স্যাটেলাইটের ফুল সারভেইলেন্সের ভেতর। প্রতিটি মুভমেন্ট তারা লক্ষ লক্ষ ছবির মাধ্যমে নজর রাখছিল। শেষের দিকে রানওয়েতে পার্কিং করে রাখা বিমানেও তারা হামলা করে।

আর এখানেই গ্যাঞ্জাম বাধিয়েছে চীন। স্পেসিফিক্যালি চীনের বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট ইন্টেলিজেন্স ফার্ম Mizarvision.

এই কোম্পানি বিগত দুই বছর ধরে ইউএস এর বিভিন্ন সামরিক এসেটের মুভমেন্ট এর ছবি আপলোড করে আসছে। তবে সম্প্রতি যেভাবে যেই ইন্টেনজিটিতে করছে সেটার জন্য আমেরিকা প্রস্তুত ছিলনা। কোম্পানিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ হল, কোম্পানির সাথে PLA এর কানেকশন রয়েছে। এমন অভিযোগের কারন অমূলক নয়। কারন Mizarvision মিলিটারি গ্রেডের স্যাটেলাইট ইমেজ প্রায় রিয়েল টাইমে ট্রাকিং ও প্রচার করে যাচ্ছে। আর সেটা নিখুঁত ভাবে মধ্যপ্রাচ্যে এমন সময়ে যখন ইরান ইস্যু নিয়ে পুরো অঞ্চল উত্তপ্ত। খুব সহজ ভাবে বললে আমেরিকার Maxar Intelligence যেই কাজ করেছে গোপনে ইজ-রায়েলের কাছে ইমেজ সরবরাহ করে, চীনের Mizarvision সেই কাজটি করছে গোপনীয়তা না রেখেই সরাসরি পাবলিকলি সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়ে।

ইস্যুটা ব্যাক চ্যানেলে চীনের কাছে আমেরিকার কৈফিয়ত চাওয়ার কথা। চেয়েছে কিনা জানা নেই। তবে চাইলেও চীন এটার উত্তম জবাব দিতে পারবে। কারন Mizarvision বানিজ্যিক ইন্টেলিজেন্স ফার্ম। এর সাথে চীনের সামরিক বাহিনীর সম্পর্ক নেই। অন্তত চীন সেটা ডিনাই করতে পারে। ফলে অফিসিয়ালি চীন ইরানকে কোন ডাটা দিচ্ছেনা। ডাটা দিচ্ছে বানিজ্যিক ফার্ম। তবে ডাটা ইরানকে দিচ্ছে বললেও ধোপে টেকানো যায়না। কারন ডাটা তারা উন্মুক্ত করে দিচ্ছে। ইরান সেটা ব্যবহার করবে কি করবেনা সেই দায় Mizarvision কেন নিবে? তারাতো ইরানকে উদ্দেশ্য করে ডাটা দিচ্ছেনা তাইনা? 😐

এর আসলে সুবিধা কি?

১. ইউএস তাদের মিলিটারি ডেপ্লয়মেন্টের ক্ষেত্রে কোন ধরনের গোপনীয়তা করার সুযোগ পাচ্ছেনা। অর্থাৎ আল উদাইদ বেইজে কতটি কোন ধরনের বিমান, ট্যাংকার, এডি সিস্টেম কোন লোকেশনে আছে সব উন্মুক্ত। একই ভাবে দিয়াগো গার্সিয়ার বেইজের টাও তারা প্রকাশ করেছে। বাহরাইন ও সৌদি বেইজ থেকে ইউএস এসেট গুলি সরিয়ে নেয়ার চিত্রও তারা আপডেট করছে প্রতিনিয়ত। এইসব বিমান মধ্য প্রাচ্যের বেইজ থেকে সরিয়ে ইউএস কোন বেইজে জড়ো করতেছে সেটাও প্রকাশ করতেছে তারা। সম্প্রতি তাদের ইমেজের মাধ্যমেই প্রকাশিত হয়েছে ইউএস ১১ টি এফ-২২ র‍্যপ্টর ইজ-রায়েলের Ovda এয়ার বেইজে জড়ো করেছে।

নিচের ছবিতে তারা প্রকাশ করেছে গ্রিসের ক্রেটে বেইজ থেকে ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড পুনরায় যাত্রা শুরু করেছে। ফলে ইউএস এর মিলিটারি ডেপ্লয়মেন্ট আর গোপন নেই। ফলে যেকারো জন্য ইউএস এর মিলিটারি অপারেশন প্রেডিকশন করা তুলনামূলক সহজ হবে। যেমন ইরানের জন্য বুঝতে অসুবিধা হবার কারন নেই যে বাহরাইন থেকে পারস্য উপসাগরে ইরানের জন্য হুমকি হিসাবে কোন বিমান আসার সম্ভাবনা নেই। কারন বেইজ খালি। ইরান এটাও প্রেডিকশন করতে পারবে যে ইউএস ক্যারিয়ার গুলি ভূমধ্যসাগর ব্যবহার করবে নাকি আরব সাগর। অন্তত সম্ভাবনার ব্যপ্তি অনেক কমে আসবে।

২. টার্গেটিং। যেই ইস্যুটা নিয়ে ইরান ১২ দিনের যুদ্ধের শুরুর প্রায় ৭-৮ দিন ভুগেছে সেটি হল টার্গেটিং। Mizarvision বলছেনা যে তাদের ইমেজ দেখে ইরান টার্গেট করুক কিন্তু প্রায় রিয়েল টাইম এসেটগুলির অবস্থানের স্যাটেলাইট ইমেজ প্রকাশ করায় ইরানের জন্য সহজ যে কোন কোন ঘাটিতে ইউএস বিমান রেখেছে। কোন ঘাটিতে কয়টি করে থাড আছে বা প্যাক ৩ আছে। ফলে না চাইতেই টার্গেটিং বেশ সহজ করে দিবে Mizarvision আর ইরান নিজেও থ্রেট এনালাইসিস করতে পারবে যে অমুক বেইজে অমুক অমুক সিস্টেম আছে তার বিপরীতে ইরানকে কি করতে হবে। বলা যেতে পারে এটা গরীবের ফ্রি রাডার বা আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেমের ফ্রি ভার্সন হিসাবে সহায়তা করতে পারে ইরানকে।

শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ নয়। অপারেশন শেষে ইউএস বিমানগুলি কোন ঘাটিতে ফিরতেছে সেটির তথ্যও ইরানের জন্য উন্মুক্ত।

৩. আন্ডারগ্রাউন্ড মিলিটারি বেইজ গুলি বিশেষ করে ইজ-রায়েলের সেগুলাও ইরানের জন্য রিড করা ইজি হবে।

৪. Mizarvision অপারেশনের পর রেজাল্ট এনালাইসিস এ দারুন ভূমিকা রাখতে পারে। আসলেও টার্গেটে আঘাত হানতে পেরেছে কিনা, টার্গেট ধ্বংস হয়েছে কিনা বা অক্ষত আছে কিনা এসব তথ্যের জন্য ভিডিও কনফার্মেশন লাগবেনা। বরং হাই রেজুলেশন ছবির মাধ্যমে ইজ-রায়েল যে সার্ভিস পেত সেটি এখন উন্মুক্ত ফলে স্টাটেজি সাজানো আরো সহজ।

এই বিষয়গুলি বেশ হুমকি স্বরুপ। বিশেষ করে মিলিটারি গ্রেডের তথ্য উন্মুক্ত করে সিচুয়েশনাল এওয়ারনেস সৃষ্টির সুযোগ দেয়া ইউএস এর জন্য অপারেশনাল ও সিকিউরিটি রিস্ক। তাদের পরিকল্পনা ভেস্তে যাচ্ছে। অথবা নতুন ছক কষতে হচ্ছে যা অপারেশন মিডনাইট হ্যামারের মত আন কন্টেস্টেড নয়।


ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬

29/01/2026

সংবাদ এজেন্সি আল জাজিরা জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। যেখানে প্রথম ১১ মিনিট তিনি জামাত ক্ষমতায় আসলে দেশে ইসলামি আইন জারি হবে কিনা, তাদের দলে নারীদের কি অবস্থান- এসব নিয়ে কথা বলেছেন। আমি সেসব কথার বাংলায় অনুবাদ করেছি। চলুন ওনার উত্তর দেখা যাক।

আপনারা জিতলে কি বাংলাদেশে ইসলামিক আইন জারি হবে?
- ভবিষ্যতে মানুষ যা ভাল মনে করে তাই করবে। ওটা মানুষের ব্যাপার।

কিন্তু অন্যরাতো, মানে আপনার দলের নেতারাতো বিভিন্ন জায়গায় এসব বলছে?
-আপনি শুধু পার্টির প্রধানের কথা শুনুন। অন্যরা কি বলছে সেটা ব্যাপার না। পার্টির প্রধান কি বলে ওটাই আসল। ওতে যদি দেশের উপকারে আসে, তাহলে সংসদ সেটা ঠিক করবে।

আপনি বলেছেন যে, আপনি নারীদেরকে সম্মান করেন। তাহলে একটু বলুন যে, আপনারা এবারের ইলেকশনে কয়জন নারীকে নমিনেশন দিয়েছেন?
-একজনও না। কিন্তু আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরা ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়েছি এবং তারা জিতেছেও।

মানে এই নির্বাচনে আপনারা একজন নারীকেও নমিনেশন দেননি?
-না একজনও না। অন্য দলও যে খুব বেশি দিয়েছে সেটা আপনি দেখাতে পারবেন না। কারণ এটা বাংলাদেশের কালচার। আমরা এরজন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।

কিন্তু তারাতো অল্প কিছু হলেও দিয়েছে। আপনাাদের মত শূণ্য না। আপনারা একজনকেও দিলেন না কেনো?
- আমি অলরেডি উত্তর দিয়েছি। আমরা ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি! এটাতো একদিনে হয়ে যাবে না! আমরা এ বিষয়ে নারীকে অসম্মান করিনা।

যদি কখনো কোনো নারী চায় যে সে জামাতের প্রধান হবে, আপনার পদে বসবে, সেটা কি সম্ভব?
-না। এটা সম্ভব না। কারণ আল্লাহ প্রত্যেককে আলাদাভাবে বানিয়েছে। আমরা পুরুষরা কখনোই বাচ্চা পালতে পারবেনা। আমরা বাচ্চাদেরকে বুকের দুধ খাওয়াতে পারবোনা। এটা আল্লাহর দান। যেটা আল্লাহ বানাইছে ওটা আমরা পাল্টাতে পারবোনা।

আমি আপনার কথা বুঝতে পারছিনা। নারী যদি পরিবার চালাতে পারে, সে যদি বাচ্চা পালতে পারে, তাহলে জামাতের প্রধান হতে পারবেনা কেনো?
-এমন কিছু জিনিস আছে যেখানে তারা দায়িত্ব পালন করতে পারবেনা। তাদের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। আপনি জানেন সেটা।

না আমি আসলে জানিনা...
-কেনো জানেন না সেটা আপনি? মা বাচ্চা পয়দা করার পর যে দায়িত্ব পালন করে সেটা কি আপনি পারবেন? নেভার। আল্লাহ সব ভাল জানেন।

কিন্তু গত তিন দশকতো দেশে নারী প্রধানমন্ত্রী ছিল। তারা কি দেশ চালায়নি?
-আমরা তাদেরকে অসম্মান করছিনা। আমাদের তাতে অসুবিধা নাই।

মেয়েরা প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছে না? তারা কত প্রতিষ্ঠানের প্রধান না? তাহলে দেশ চালাতে পারবেনা কেনো?
-পৃথিবীর অধিকাংশ দেশ নারীদেরকে এ পদে যোগ্য মনে করেনা।শারীরিকভাবেই এটা সম্ভব না। এটাই সত্য।

নানা দেশের প্রধানইতো নারী!!
-অল্প কয়েকটা দেশে।

মজারতো! আপনি বিএনপির পার্ট ছিলেন আগে, যেখানে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী ছিল। আপনি কি মনে করেন না যে উনি ভাল কাজ করেছে?
-ইয়েস। এটা আমাদের সিদ্ধান্ত না। ওটা ওদের পার্টির সিদ্ধান্ত।

প্রিয় পাঠক, বিশেষ করে নারী পাঠকগণ, যে দেশে জনসংখ্যার ৫১% নারী, যে দেশের স্কুলে এখন ৫০% এর বেশি মেয়েরা ভর্তি হয়, যে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন সমান সংখ্যক শিক্ষার্থী নারী, যে দেশের প্রধান রপ্তানি খাত গার্মেন্টস থেকে দেশের ৮০ ভাগ রপ্তানি আয় আসে, টাকার অংকে যেটি বছরে ৫০ বিলিয়ন ডলার এবং ৬০ ভাগ স্টাফ নারী , যে দেশের কৃষিখাতের আত্মা নারী, সেই দেশের একটা রাজনৈতিক দলের প্রধানের এই হলো নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি। আমি অবশ্য অবাক হইনি। আমি জানি যে, নারী বিষয়ে জামায়াতের পরিকল্পনা এরচেয়ে অনেক বেশি ভয়ানক।

আপনি একজন আফগান মন্ত্রীর সাক্ষাৎকার পড়ুন, এরপর জামাত প্রধানের বক্তব্য শুনুন, প্রতিটি অক্ষরে মিল খুঁজে পাবেন।

আপনার যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন, যারা জামাত-শিবিরকে ভোট দেন, কিংবা আগামী ইলেকশনে ভোট দেওয়ার কথা ভাবছেন, আমি পুরুষদের কথা বাদই দিলাম, শুধু নারীদেরকে জিজ্ঞেস করি, জামাত যেই বাংলাদেশটা চায়, ওই দেশ কি আপনাদেরও স্বপ্ন? ঘরে আবদ্ধ হয়ে, কাজকর্মহীন, শিক্ষাহীন, পুরুষের অধীনে একটা নির্জীব জেনারেশন হয়ে বেঁচে থাকা?

নিজেকে জিজ্ঞেস করুন। নিজের আত্মাকে, নিজের বিবেককে একবার জিজ্ঞেস করুন।

শুধু শারীরিকভাবে, নারী হয়ে জন্ম নেওয়ার কারণে এই অসম্মান যদি আপনার প্রাপ্য হয়, সেটা যদি ঠিক মনে করেন, তাহলে আমার কিছু বলার নেই। আপনাদের জন্য শুভ কামনা।

Address

Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when L O Y a L T Y posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share