03/09/2023
আইকন গ্রুপের ২৫ কোটির অধিক টাকা আত্বসাৎকারী চো র ও #প্রতারক_কামরুল এর কাহীনি
(ঘটনা -১ )
২০১৭ সালের জানুয়ারী মাসে আইকন আপন নীড় প্রকল্পের আওতায় কোম্পানির পক্ষ থেকে একটি বড় জমি (৪২.৫ শতাংশ) জমি ক্রয় করার সিদ্বান্ত হয়। কিন্তু ঐ সময় কোম্পানির কাছে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় কোম্পানির বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয় গ্রাহকদের মাধ্যমে জমিটি কেনা হবে এবং গ্রাহকদের সরাসরি জমি রেজিষ্ট্রি করে দেওয়া হবে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোম্পানির কতিপয় ডাইরেক্টর তাদের নিজেদের নাম ও তাদের মাধ্যমে আসা গ্রাহকদের নামে জমি রেজিস্ট্রী করে দেওয়া হয়। জমি রেজিস্ট্রীর দিন ফাইনান্স ডাইরেক্টর হিসাবে কামরুল হাসান ও ডাইরেক্টর ডেভেলপমেন্ট হিসেবে মোঃ তানভীর আনোয়ার কে সাব-রেজিস্ট্রি ওফিসে কোম্পানির পক্ষ থেকে পাঠানো হয়। কিন্তু প্রতারক কামরুল তার মাধ্যমে আসা গ্রাহকদের নামে জমি রেজিস্ট্রি না দিয়ে তার নিজের নামে, তার স্ত্রীর নামে, তার শশুরের নামে ও তার নিজের ভাইয়ের নামে সর্বোমোট ৭.৫ শতাংশ জমি রেজিষ্ট্রেশন করে নেয়।
পরবর্তীতে গ্রাহকদের নামে জমি রেজিস্ট্রি না দেওয়ায় কারনে গ্রাহক ওফিসে যোগাযোগ করলে আমরা জানতে পারি কামরুল তার গ্রাহকদের জমি রেজিষ্ট্রেশন না দিয়ে প্রতারনার মাধ্যমে নিজের ও নিজেদের আত্বিয় স্বজনের নামে রেজিষ্ট্রেশন নিয়েছে।
জমি রেজিষ্ট্রেশনের আগে গ্রাহকদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য কোম্পানির কাছে ছিলো না। যেহেতু জমিটি খুব সল্প সময়ে তাড়া হুড়ো করে নেয়া হয় সেহেতু ডাইরেক্টরদের মাধ্যমে আসা গ্রাহকদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি, ক্লান্টদের সকল তথ্য ডাইরেক্টরদের কাছেই ছিলো।
পরবর্তীতে সকল ডাইরেক্টর তাদের মাধ্যমে আসা গ্রাহকদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য দিলেও প্রতারক কামরুল যেহেতু গ্রাহকদের নামে জমি রেজিষ্ট্রেশন না দিয়ে তার নিজের ও আত্বিয় স্বজনদের নামে নিয়েছে তাই গ্রাহকদের তথ্য কোম্পানির কাছে দিতে তাল-বাহানা শুরু করে ও দিবো দিচ্ছি করে সময়ক্ষেপন করতে শুরু করে। এ ব্যাপারে বিভিন্ন সময়ে কোম্পানির ৩ (তিন জন) কর্মকর্তাকে (১। সাকিব খান, এসিন্টেন্ট ম্যানেজার, সেলস এন্ড মার্কেটিং ২। সজিব আহম্মেদ সায়ান, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ, সেলস এন্ড মার্কেটিং ৩। আবু সায়িদ মোঃ বিপ্লব, এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার, সি আর ডি ) কে দায়িত্ব দেওয়া হলেও প্রত্যেককেই প্রতারক কামরুল তাদের তথ্য না দিয়ে তাল বাহানা করতে থাকে। পরবর্তীতে কোম্পানির ২ (দুই জন) ডাইরেক্টর ১। মোঃ তানভির আনোয়ার, ২। মোঃ মেহেদী হাসান কে ও দায়িত্ব দেয়া হলেও কিন্তু সে তাদেরকেও দিবো দিচ্ছি বলে প্রতারনার আস্রয় নেয়।
পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি প্রতারক কামরুল কোম্পানির নাম করে অনেক গ্রাহকের কাছ থেকে পুর্বাচলের জমি ও ফ্ল্যাট বিক্রির কথা বলে প্রায় শতাধিক ক্লাইন্টের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেয় আমাদের জানামতে যার পরিমান প্রায় ২৫ কোটি টাকা। পরবর্তীতে ওনেক ক্লাইন্ট ওফিসে এসে কামরুলের কাছে টাকা দিয়েছে অথছ জমি রেজিষ্ট্রেশন পায়নি বলে আমাদেরকে অবহিত করলে প্রতারক কামরুলকে কোম্পানির পক্ষ থেকে কয়েক দফায় গ্রাহকদের পুর্নাঙ্গ তথ্য এবং হিসাব দেয়ার ব্যাপারে রেজিস্ট্রি ডাক যোগে চিঠি ও উকিল নোটিস প্রদান করলেও অদ্যবধি তা কোম্পানিকে সরবরাহ করেনি। (চিঠি ও উকিল নোটিস এর কপি সংজুক্ত করা হলো)
উক্ত চিঠি ও উকিল নোটিস প্রদান করার পরই প্রতারক কামরুল নিজেকে বাচানোর জন্য,
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোম্পানির এমডি প্রকৌশলী মোঃ নুরুল হুদা ও কোম্পানির বিরুদ্ধে মিথ্যা, হয়রানিমূলক ও উদ্যেশ্য প্রনদিত পোস্ট প্রদান করছে
উক্ত মিথ্যা ও হয়রানিমূলক পোস্টে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।
কামরুলের আরো সিরিজ বাটপারির ঘটনা আসছে...
#বাটপার_কামরুল