Export Club Bangladesh

Export Club Bangladesh Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Export Club Bangladesh, Business Center, House 37/2, Purana Paltan, Dhaka.

বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস এবং হাইকমিশন গুলো কিভাবে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে প...
02/09/2024

বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস এবং হাইকমিশন গুলো কিভাবে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে?

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের বিশ্বজুড়ে ৫৯ টি দূতাবাস বা হাই কমিশন, ২০ টি কনস্যুলার মিশন এবং নিউইয়র্ক সিটি এবং জেনেভাতে জাতিসংঘে দুটি স্থায়ী মিশন রয়েছে ।

কিছু সুপারিশ:

#বাজার #গবেষণা: বিদেশের বাজার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জানাতে পারে।

#ব্যবসায়িক #যোগাযোগ: বিদেশি ব্যবসায়ীদের সাথে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের যোগাযোগ স্থাপন করে দিতে পারে।

#ব্র্যান্ড #প্রচার: বিদেশে বাংলাদেশি পণ্যের ব্র্যান্ডিং করে।
বাণিজ্যিক চুক্তি: বাংলাদেশের পক্ষে ভালো চুক্তি করতে সাহায্য করতে পারে।

#শুল্ক ও নিয়মকানুন সম্পর্কে তথ্য দিতে পারে: বিদেশে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের যেসব সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়, সেগুলো সমাধানে সহায়তা করতে পারে।

#প্রদর্শনী ও #মেলায় অংশগ্রহণ: বিদেশে বাংলাদেশি পণ্য প্রদর্শনের জন্য মেলা ও প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করতে পারে।

#ডিজিটাল #মার্কেটিং: সোশ্যাল মিডিয়া ও অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশি পণ্যের প্রচারণা চালাতে পারে।

আপনাদের কোন ধরণের পরামর্শ থাকলে মন্তব্যের মাধ্যমে তুলে ধরবেন আশা করছি।

Indian Government has been playing this cruel game for years, but this time they have made it like coordinated attack. I...
22/08/2024

Indian Government has been playing this cruel game for years, but this time they have made it like coordinated attack. If they have to open the dams, they should better be coordinating with Bangladesh Government, but they opened the dams in the middle of night and creating flash flood, limiting our rescue and relocation capacity.

Millions of people including Hindus and Minorities are being affected and they know it but don't care.

Bangladesh Army, Navy and other volunteers are working relentlessly to rescue peoples from these areas.

This type of cruel action needs to stop and Indian citizens should raise voice against inhumane action. I am sure they don't support this type of activities of their government.

Addressing Bangladesh's trade imbalance with ASEAN countries should be a top priority for the interim government. Accord...
21/08/2024

Addressing Bangladesh's trade imbalance with ASEAN countries should be a top priority for the interim government. According to data from The Observatory of Economic Complexity (OEC), Bangladesh’s exports to these key regional peers amounted to just over US$900 million in 2022, compared to imports of US$15.3 billion.

Some thoughts:

1) Bangladeshi foreign policy in the region has historically lacked strong economic negotiation capabilities. Ambassadors have often not been given a clear mandate to strengthen economic relations, lacked the professional capacity or have not been empowered with an arsenal to do so. Future diplomats must be highly qualified and clearly understand the economic objectives of their roles.

2) Bangladesh has underestimated the strategic importance of becoming more integrated with ASEAN. Closer ties with this bloc would position Bangladesh for inclusion in key indices like the MSCI Emerging Markets Index—which is essential for attracting investment longer-term.

3) Given the strong export relationships ASEAN countries already have with Bangladesh, there’s an untapped opportunity for bolstering financial investments and joint ventures that could significantly accelerate job creation within the country.

4) Global negotiating power for Bangladesh would increase significantly in key industries such as garments if there's more cooperation with countries like Vietnam, or in business process outsourcing (BPOs) with countries like the Philippines. They can be incentivized to diversify, which in turn would benefit the creation of industries and jobs in Bangladesh.

Ultimately, much of Bangladesh's socioeconomic progress hinges on creating jobs that people genuinely feel they deserve. Strengthening regional cooperation, especially by rethinking the country's interactions with its ASEAN peers, can significantly accelerate these opportunities.

(Note: It should be "Millions of USD" in the graph.)

www.exportshebabd.com
Export Sheba এক্সপোর্ট সেবা

টানা বৃস্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ফেনী,নোয়াখালী, লক্ষীপুর, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যা পরিস্থিতির ...
21/08/2024

টানা বৃস্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ফেনী,নোয়াখালী, লক্ষীপুর, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যা পরিস্থিতির ব্যপক অবনতি ঘটেছে।

এমন পরিস্থিতিতে আমরা সকলে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি যেন আল্লাহ সকল ক্ষতি থেকে হেফাজত করেন। পাশাপাশি বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় আতংঙ্কিত না হয়ে প্রয়োজন সচেতনতা বৃদ্ধি করি এবং নিজেদের অবস্থান থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেই।

বন্যাকালীন করণীয়ঃ
👉বন্যার সময় ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা ভাবনা করে প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।
👉 বাড়িঘর ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলে নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় গ্রহণ করুন।
👉 বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান না করে সকলে এক সাথে অবস্থান করুন।
👉সাথে শুকনা খাবার যেমন চিড়া, মুড়ি, গুড় ইত্যাদি মজুদ রাখুন।
👉 বন্যার সময় পানি ব্যবহারোপযোগী করার জন্য ফিটকিরি/পানি বিশুদ্ধকরণ বড়ি সংগ্রহ করুন।
👉 বন্যার সময় বিভিন্ন রোগ দেখা দিতে পারে। তাই প্রয়োজনীয় ঔষধ হাতের কাছে রাখুন।
👉 বয়স্ক কিংবা ছোট বাচ্চাদের (যারা সাঁতার জানে না) প্রতি সবসময় খেয়াল রাখুন।
👉একে অন্যের বিপদে সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।

27/09/2023

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুসারে, চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্টে তুলাবর্জ্য রপ্তানি ৭৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেড়েছে। এ থেকে আয় হয়েছে ৮ কোটি ৪৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

যদি এই তুলাবর্জ্য দেশে পুনর্ব্যবহার করা হতো তবে তুলা আমদানি কমে যেত প্রায় ১৫ শতাংশ। সাশ্রয় হতো ৫০০ মিলিয়ন ডলার। ছবি: পলাশ খান/স্টার ফাইল ফটো

তুলাবর্জ্য থেকে অর্থ আয়ের নতুন পথ খুলেছে। এটি এখন ক্রমবর্ধমান হারে বিদেশে বিক্রি হচ্ছে। যদিও দেশের পোশাক প্রস্তুতকারকরা এটি বিদেশে বিক্রি না করে দেশে পুনর্ব্যবহারের পক্ষে মত দিয়েছেন।

তুলাবর্জ্য আসে সুতা, বয়ন ও বস্ত্রশিল্পে উত্পাদিত কাপড়ের বর্জ্য থেকে। ফেলে দেওয়া তন্তু, সুতা ও কাপড়ের টুকরোগুলো বর্জ্য হলেও তা অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুসারে, চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্টে তুলাবর্জ্য রপ্তানি ৭৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেড়েছে। এ থেকে আয় হয়েছে ৮ কোটি ৪৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

গত অর্থবছরে বাংলাদেশ ৪১১ দশমিক ১২ মিলিয়ন ডলারের তুলাবর্জ্য রপ্তানি করেছে। কয়েক বছর আগেও এ থেকে রপ্তানি আয় ছিল ১০০ মিলিয়ন ডলারেরও কম।

তুলাবর্জ্য পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে পোশাকের টেকসই ব্যবহারের বিষয়ে ক্রেতাদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ার পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী তুলাবর্জ্যের চাহিদা বাড়ছে।

পশ্চিমের ক্রেতারা ফাস্ট ফ্যাশনে অভ্যস্ত হওয়ায় বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিকারকরাও তুলাবর্জ্যের মতো অন্যান্য টেকসই কাঁচামাল ব্যবহারের দিকে ঝুঁকেন।

বাংলাদেশে বছরে প্রায় চার লাখ টন তুলাবর্জ্য হয়। সেগুলো পুনর্ব্যবহার করা গেলে তা থেকে ৬ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানিযোগ্য পোশাক তৈরি করা সম্ভব। চাহিদা থাকায় এখন বেশিরভাগ তুলাবর্জ্য বেশি দামে রপ্তানি হচ্ছে।

সম্প্রতি, সুইডেনের শীর্ষ পোশাক বিক্রেতা এইচঅ্যান্ডএম পোশাক রপ্তানিকারকদের উৎপাদন প্রক্রিয়ায় কাঁচা তুলার চেয়ে বেশি পরিমাণ তুলাবর্জ্য ব্যবহার করতে বলেছে। পোশাক বিক্রেতা ও ব্র্যান্ডগুলো পরিবেশগত ক্ষতি এড়াতে পোশাকের পুনর্ব্যবহার পছন্দ করে।

এ ছাড়াও, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নতুন প্রস্তাবিত আইনের কারণে এই জোটে তুলাবর্জ্য থেকে তৈরি পোশাকের ব্যবহার বাড়বে।

যেসব কারখানা ২০৩০ সাল থেকে তুলাবর্জ্য ব্যবহার করবে না, তাদের কাছ থেকে পোশাক কিনবে না ইইউ।

এই উদ্যোগটি সম্প্রতি জনপ্রিয় হয়ে উঠা সার্কুলার ফ্যাশনের দিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

সার্কুলার ফ্যাশন হলো একটি ক্লোজড-লুপ সিস্টেম। অর্থাৎ পুরনো উপকরণ ব্যবহার করে নতুন পণ্য তৈরি করা। এটি পোশাক তৈরিতে বর্তমানে ব্যবহার করা প্রাকৃতিক সম্পদের পরিমাণ কমানোর পাশাপাশি বর্জ্যগুলো ভাগাড়ে না ফেলে সেগুলোকে পুনর্ব্যবহারেরও উদ্যোগ।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সহ-সভাপতি শহীদুল্লাহ আজিম দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'বাংলাদেশ থেকে বছরে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের তুলাবর্জ্য রপ্তানি হয়।'

বিজিএমইএ ইতোমধ্যে তুলাবর্জ্য রপ্তানি নিষিদ্ধ করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। যাতে পোশাক প্রস্তুতকারকদের জন্য এ ধরনের কাঁচামাল দেশের বাজারে সহজলভ্য হয়।

তিনি আরও বলেন, 'এর কারণ হচ্ছে তুলাবর্জ্যের বেশি ব্যবহার মানে আরও এতে মূল্য সংযোজন ও আরও কর্মসংস্থান হওয়া। কেননা, বিশ্বব্যাপী তুলাবর্জ্য থেকে তৈরি হওয়া পোশাকের চাহিদা ব্যাপকহারে বাড়ছে।'

দেশে তুলাবর্জ্য বিক্রির ওপর ভ্যাট মওকুফ করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, 'মূল্যবান উপকরণের অপচয় যাতে না হয় সেজন্য তুলাবর্জ্য সংগ্রহ কেন্দ্র গড়ে তুলতে হবে।'

ভালুকাভিত্তিক সিমকো স্পিনিং অ্যান্ড টেক্সটাইলস লিমিটেড বর্তমানে প্রতিদিন ২০ টন পুনর্ব্যবহারযোগ্য সুতা উৎপাদন করছে বলে ডেইলি স্টারকে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক মো. আবদুর রউফ।

তিনি আরও জানান, ভালো দাম পেতে ব্যবসায়ীদের একটি অংশ তুলাবর্জ্য রপ্তানি করায় তার কারখানায় কাঁচামালের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

চাহিদা মেটাতে কারখানাগুলো তাদের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ালে ঘাটতি আরও বাড়বে উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'স্থানীয় বাজারে তুলাবর্জ্যের দাম ও চাহিদা বেশি।'

বিজিএমইএর সার্কুলার ফ্যাশন পার্টনারশিপ প্রকল্পের স্থায়ী কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক বিদিয়া অমৃত খান ডেইলি স্টারকে জানান, স্থানীয় অনেক কারখানা ইতোমধ্যে তুলাবর্জ্য থেকে পোশাক উৎপাদন শুরু করেছে।

তিনি বলেন, 'গত এক দশকে দেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারীরা মূলত কারখানা সংক্রান্ত নিয়মকানুন মেনে চলায় ব্যস্ত ছিলেন। এখন তারা সার্কুলার ফ্যাশন ও নতুন প্রযুক্তি স্থাপনের দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন। আশা করা যায়, আরও অনেক কারখানা তুলাবর্জ্য ব্যবহার করবে এবং বিশ্ব বাজারের একটি বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ নেবে।'

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন ডেইলি স্টারকে বলেন, 'গত কয়েক বছর ধরে তুলাবর্জ্য উৎপাদন কম হওয়ায় সুতা উৎপাদকরা পর্যাপ্ত পরিমাণ তুলাবর্জ্য পাচ্ছেন না।'

তবে বিশ্বব্যাপী পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপাদানের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় তুলাবর্জ্য থেকে সুতার উত্পাদন ধীরে ধীরে বাড়ছে বলে জানান তিনি।

স্থানীয় অনেক কারখানায় তুলাবর্জ্যের সঙ্গে নতুন তুলা মিশিয়ে সুতা উৎপাদন করা হচ্ছে। কিন্তু তুলাবর্জ্য থেকে সুতার উৎপাদন কম হওয়ার মানে দাঁড়ায় বিশ্বব্যাপী এই পণ্যের আকাশছোঁয়া চাহিদা থাকলেও এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণ দিয়ে পোশাক তৈরির সুযোগ হারাচ্ছে বাংলাদেশ।

তুলাবর্জ্য নিয়ে কাজ করা ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠান রিভার্স রিসোর্সেস ও বিজিএমইএর যৌথ উদ্যোগে গ্লোবাল ফ্যাশন এজেন্ডা পরিচালিত সার্কুলার ফ্যাশন পার্টনারশিপ প্রকল্পের তথ্যে জানা গেছে, ২০১৯ সালে বাংলাদেশের পোশাক ও বস্ত্র কারখানাগুলো প্রায় ৫ লাখ ৭৭ হাজার টন তুলাবর্জ্য উৎপাদন করেছে। এর প্রায় অর্ধেক ছিল ১০০ শতাংশ খাঁটি তুলা।

যদি এই তুলাবর্জ্য দেশে পুনর্ব্যবহার করা হতো তবে তুলা আমদানি কমে যেত প্রায় ১৫ শতাংশ। সাশ্রয় হতো ৫০০ মিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ সুতা আমদানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। ২০১৯ সালে প্রায় এক দশমিক ৬৩ মিলিয়ন টন তুলা আমদানি করা হয়। এর আনুমানিক দাম সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলার।

সুত্র: ডেইলি স্টার

ডাস্ট বেচে আয় ২০০ কোটি!ইস্পাত শিল্পের রপ্তানিপণ্যের তালিকায় রয়েছে স্টিল ডাস্ট (ছাই)। এই ছাই অনেকটা কাঠখড় পোড়ানো ছাইয়ের...
16/03/2023

ডাস্ট বেচে আয় ২০০ কোটি!
ইস্পাত শিল্পের রপ্তানিপণ্যের তালিকায় রয়েছে স্টিল ডাস্ট (ছাই)। এই ছাই অনেকটা কাঠখড় পোড়ানো ছাইয়ের মতোই। এক সময় এসব ছাই বাতাসের সঙ্গে মিশে পরিবেশ দূষণ করতো। এখন কারখানার নির্গত ধোঁয়া পরিশোধন করে সেই ছাই আলাদা করা হয়, যা যাচ্ছে বিদেশে। এতে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি দেশে আসছে কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা। বর্তমানে ইস্পাত কারখানাগুলোর এই ছাই রপ্তানি হচ্ছে বিশ্বের সাতটি দেশে। বছরে যা থেকে আসছে দুইশ কোটি টাকা।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দেশের শীর্ষ ইস্পাত উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিএসআরএম, আবুল খায়ের স্টিল, কেএসআরএম, জিপিএইচসহ বড় বড় কারখানা ছাই রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত। বিশেষত বিএসআরএম দীর্ঘদিন ধরে সরাসরি রপ্তানি করে এলেও গত দুই বছরে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরেক জায়ান্ট জিপিএইচ স্টিলও। এসব ছাই কারখানা থেকে সংগ্রহ করে রপ্তানিতে যুক্ত তৃতীয়পক্ষের অনেক ব্যবসায়ীও।
জানা যায়, বর্তমানে দেশে প্রায় ৬০ লাখ টন এমএস রড উৎপাদন হয়। রড উৎপাদন করে- বিএসআরএম, কেএসআরএম, একেএস, জিপিএইচ, এইচএম, বন্দর, আনোয়ার ইস্পাতের মতো বড় জায়ান্টরা। এরই মধ্যে অনেকে কারখানা সম্প্রসারণ করে সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ শুরু করেছে। ২০২৩ সালে রড উৎপাদনের সক্ষমতা এক কোটি টনে উন্নীত হবে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। এ শিল্পে যুক্ত হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিও। আগে বায়ুদূষণের জন্য ইস্পাত কারখানাগুলোকে দায়ী করা হলেও নতুন নতুন প্রযুক্তি আসায় তা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে।
অন্যদিকে, ইস্পাত প্ল্যান্টগুলোতে পুরোনো লোহা গলানোর সময় চুল্লি থেকে কালো ধোঁয়ার মাধ্যমে ছাই বেরিয়ে আসে। এসব কালো ধোঁয়া এয়ার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের (এটিপি) মাধ্যমে পরিশোধন করা হলে বাতাস এবং ছাই আলাদা হয়ে যায়। পরিশোধনের পর স্বচ্ছ বাতাস খোলা আকাশে ছেড়ে দেওয়া হলেও ছাইগুলো জমা পড়ে নির্ধারিত বাস্কেটে। এরপর পরের প্রক্রিয়াগুলো শেষে এসব ছাই চলে যায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, চায়না, থাইল্যান্ড, কোরিয়া, স্পেন, তুরস্ক ও ভারতে এই ছাই রপ্তানি হয়। মূলত ছাই প্রক্রিয়াজাত করার মাধ্যমে কালি ও প্রিন্টারের কার্টিজ তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
বাংলাদেশে প্রায় ৭০ বছর ধরে ইস্পাত শিল্পের সঙ্গে জড়িত বিএসআরএম। মূলত বিএসআরএমের হাত ধরে দেশে সমৃদ্ধ হয় ইস্পাত শিল্প। সময়ের ব্যবধানে নতুন নতুন উদ্যোক্তা আসে এ শিল্পে। দেশের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড বিএসআরএম’র পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন ঘটছে অন্যদের প্ল্যান্টগুলোতেও। বর্তমানে জিপিএইচের কারখানা সবচেয়ে আধুনিক কোয়ান্টাম ইলেকট্রিক আর্ক ফার্নেস প্রযুক্তির সংযোজন করেছে। একেএসের কারখানায়ও সংযোজন করা হয়েছে এই প্রযুক্তি। প্রযুক্তির উৎকর্ষতার কারণে পরিবেশ দূষণ অনেকটাই কমে গেছে এ শিল্পে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, কারখানাভেদে রপ্তানিযোগ্য ছাইয়ে জিঙ্ক অক্সাইডের মাত্রা কম-বেশি হয়। বিশেষত কোয়ান্টাম ইলেকট্রিক আর্ক ফার্নেস ও ইলেকট্রিক আর্ক ফার্নেস প্রযুক্তির কারখানাগুলোতে আনুপাতিক হারে ছাই বেশি উৎপাদন হয়। কিন্তু এসব ছাইয়ে জিঙ্ক অক্সাইডের পরিমাণ কম থাকে। অন্য প্রযুক্তির কারখানাগুলোর ছাইয়ে অপেক্ষাকৃত জিঙ্ক অক্সাইড বেশি থাকে। যে কারণে বিদেশের প্রক্রিয়াজাত কারখানাগুলোতে অপেক্ষাকৃত বেশি জিঙ্ক অক্সাইডের ছাইয়ের চাহিদা বেশি থাকে। এসব ছাইয়ের দামও থাকে বেশি।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে জানা যায়, প্রতি টন জিঙ্ক অ্যাশ কিংবা স্টিল ডাস্ট ৯৮ ডলার থেকে আটশ ডলারে রপ্তানি হয়। তবে ঢেউটিন, সিআই শিট কারখানার সলিড জিঙ্ক অক্সাইড রপ্তানি হয় প্রতি টন দুই হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার ডলারে। বছরে ইস্পাত কারখানার ছাই রপ্তানি থেকে বাংলাদেশ আয় করছে প্রায় দুইশ কোটি টাকা।
তথ্যমতে, বিএসআরএম ও জিপিএইচ ইস্পাত বাদেও থ্রি আর রিসোর্স লিমিটেড, ভুলারপাড়া অ্যাগ্রো ফার্মস লিমিটেড, ব্রাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, জেএস আয়রন মার্ট, মেসার্স বোন ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, মেসার্স ইপিএস ইন্টারন্যাশনাল, রয়েল মেটাল অ্যান্ড মিনারেলস ট্রেড এবং টিনু ভুইয়া ট্রেডিং নামে প্রতিষ্ঠানগুলো স্টিল ডাস্ট (ছাই) রপ্তানি করছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসআরএম গ্রুপের বাণিজ্য বিভাগের প্রধান কাজী কামরুল ইসলাম বলেন, এক সময় ইস্পাত শিল্পের কারখানাগুলোর স্টিল ডাস্ট ফেলে দেওয়া হতো। এতে দূষিত হতো পরিবেশ। কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে এসব স্টিল ডাস্টের (ছাই) চাহিদা রয়েছে।তিনি বলেন, আমাদের স্টিল ডাস্টে প্রায় ৫০ শতাংশের বেশি জিঙ্ক অক্সাইড রয়েছে। অন্যদের কারখানায় খুব অল্প পরিমাণে জিঙ্ক অক্সাইড থাকে। যে কারণে বিশ্ববাজারে আমাদের ছাইয়ের চাহিদা বেশি।
প্রতিযোগিতামূলকভাবে আমরা মূল্যও বেশি পাই। এখন আমরা প্রতি বছরই এসব ছাই রপ্তানি করি। দেশের মোট রপ্তানির ৬০ শতাংশ করি আমরাই। এছাড়া শুধু আমরাই সরাসরি রপ্তানি করি। সম্প্রতি জিপিএইচ সরাসরি রপ্তানি করছে। অন্যরা তৃতীয়পক্ষের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে। বর্তমানে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান কারখানাগুলো থেকে স্টিল ডাস্ট সংগ্রহ করে রপ্তানি করছে।
এ কর্মকর্তা আরও বলেন, বিএসআরএম বছরে প্রায় ১২ হাজার টন ছাই রপ্তানি করে। ২০২০-২১ অর্থবছরে ছাই রপ্তানি করে প্রায় ৬২ লাখ ডলার আয় করেছে। বাংলাদেশি টাকায় যা ৫০ কোটি টাকার বেশি। প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় দুইশ কোটি টাকার ছাই রপ্তানি করেছে বলেও জানান তিনি।
জিপিএইচ ইস্পাতের নির্বাহী পরিচালক (অর্থ ও ব্যবসা উন্নয়ন) কামরুল ইসলাম এফসিএ বলেন, আমাদের প্ল্যান্ট দেশের মধ্যে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির। আমরা বর্তমানে কোয়ান্টাম ইলেকট্রিক আর্ক ফার্নেস প্রযুক্তির সংযোজন করেছি। আমাদের কারখানায় প্রতি টন লোহা পরিশোধন করার ক্ষেত্রে শুধু এয়ার পলিউশন কন্ট্রোল ব্যবহারের জন্য আড়াইশ থেকে তিনশ টাকার মতো খরচ হয়। এটি বাধ্যতামূলকভাবে চালাতে হয়। এ প্ল্যান্ট থেকে আমরা স্টিল ডাস্ট রপ্তানি করছি।
তিনি বলেন, জিপিএইচ ছাড়াও একেএসের প্ল্যান্টে ডাস্ট কালেকশন প্রযুক্তি অনেক উন্নত। তাই এ প্ল্যান্ট দুটি থেকে সবচেয়ে বেশি ডাস্ট সংগ্রহ হয়। অন্য কারও এত বেশি পরিমাণে ডাস্ট আসে না। আনুপাতিক হারে জিপিএইচের সবচেয়ে বেশি ডাস্ট সংগৃহীত হয়। এর মাধ্যমে পরিবেশের সর্বোত্তম সুরক্ষা হচ্ছে। শুধু আমাদের কারখানা থেকেই প্রতিদিন ৩০ টন জিঙ্ক ডাস্ট আসে। যেখানে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত জিঙ্ক অক্সাইড থাকে।
এরই মধ্যে থাইল্যান্ড, চায়না, কোরিয়ায় রপ্তানি হচ্ছে। বর্তমানে প্রতি মাসে ৭শ থেকে এক হাজার টন চাই রপ্তানি করছি। এ খাত থেকে ২০২১ সালে আমাদের প্রায় ১১ লাখ ডলার আয় এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১০ কোটি টাকার মতো।’

শাকসবজি রপ্তানিতে কেন পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশরপ্তানি কমে যাওয়ার বড় কারণ প্রতিযোগী দেশ ভারত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড ও নেপালে...
24/02/2023

শাকসবজি রপ্তানিতে কেন পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ
রপ্তানি কমে যাওয়ার বড় কারণ প্রতিযোগী দেশ ভারত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড ও নেপালের চেয়ে ঢাকা থেকে আকাশপথে পণ্য পরিবহনের খরচ বেশি।
বাংলাদেশ এখন প্রতিদিনই কাঁচা মরিচ থেকে শুরু করে লাউ, কুমড়া, বেগুন, ঢ্যাঁড়স, পেঁপে, চিচিঙ্গা, কাঁকরোল, বরবটি, শিম, টমেটোসহ বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি বিশ্বের অনেকগুলো দেশে রপ্তানি করছে। তবে রপ্তানির পরিমাণ দিন দিন কমছে। তিন বছর আগেও বছরে ১৬ কোটি ডলারের সবজি রপ্তানি হতো। এর পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে রপ্তানি কমতে থাকে।
চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে শাকসবজি তথা কৃষিপণ্য রপ্তানি ভয়াবহভাবে কমে গেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম সাত মাস জুলাই-জানুয়ারিতে ৩ কোটি ৪৮ লাখ ডলারের শাকসবজি রপ্তানি হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ৫ কোটি ৯৫ লাখ ডলারের পণ্য। তার মানে চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে রপ্তানি কমেছে ৪১ দশমিক ৪৫ শতাংশ।
করোনার সময়ে, অর্থাৎ ২০২০-২১ অর্থবছরে ১১ কোটি ৮৭ লাখ ডলারের শাকসবজি রপ্তানি হয়। মহামারির শুরুতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বেশ কিছুদিন আকাশপথে যোগাযোগ বন্ধ থাকায় ওই বছর সবজি রপ্তানি কমে যায়। পরের বছর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও রপ্তানি বাড়েনি। উল্টো ১৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ কমেছে। রপ্তানি হয় ৯ কোটি ৯৯ লাখ ডলারের শাকসবজি।
এ খাতের রপ্তানিকারকেরা বলছেন, শাকসবজি রপ্তানি নানামুখী সমস্যায় জর্জরিত। সাম্প্রতিক সময়ে রপ্তানি কমে যাওয়ার বড় কারণ হলো প্রতিযোগী দেশ ভারত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড ও নেপালের চেয়ে ঢাকা থেকে আকাশপথে পণ্য পরিবহনের খরচ বেশি। সে জন্য শাকসবজির রপ্তানি বাজার হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। তা ছাড়া দেশে শাকসবজির দামও বাড়তি।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ ফ্রুটস, ভেজিটেবল অ্যান্ড অ্যালায়েড প্রোডাক্টস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফভিএপিইএ) সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, বেশ কিছু কারণে শাকসবজি রপ্তানি কমেছে। বিমানবন্দরে স্ক্যানার নষ্ট ছিল কিছুদিন। অন্যদিকে কার্গোভাড়াও বেশি। তবে বর্তমানে রপ্তানি কিছুটা উন্নতির দিকে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, বাহরাইন, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, সাইপ্রাস, জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, গ্রিস, হংকং, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, জাপান, কোরিয়া, কুয়েত, লেবানন, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, নেদারল্যান্ডস, নেপাল, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সুইডেন, সিঙ্গাপুর ও যুক্তরাষ্ট্রে শাকসবজি রপ্তানি হয়। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে শীর্ষ ছয় বাজারের মধ্যে চারটিতেই শাকসবজি রপ্তানি কমেছে। এর মধ্যে যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হয়েছে ৬৭ লাখ ডলারের শাকসবজি। ২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ১ কোটি ১৬ লাখ ডলারের শাকসবজি। যুক্তরাজ্যের পাশাপাশি কুয়েত ও ইতালিতে রপ্তানি কমেছে। তবে সংযুক্ত আবার আমিরাত (ইউএই), কাতার ও সৌদি আরবে রপ্তানি বেড়েছে।
আলাপকালে কয়েকজন রপ্তানিকারক জানান, শাকসবজি রপ্তানিতে বাংলাদেশের বড় প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমানে ভারত। দেশটি থেকে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের যেকোনো গন্তব্যে আকাশপথে পণ্য পরিবহনে বাংলাদেশের চেয়ে ৩০-৪০ শতাংশ খরচ কম হয়। বিমান বাংলাদেশ হুটহাট ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে বিদেশি আমদানিকারকেরা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। আবার দেশে প্রতি ডলারের বিপরীতে রপ্তানিকারকেরা পাচ্ছেন ১০৩ টাকা। কিন্তু কার্গোভাড়া বাবদ তাঁদের ডলারপ্রতি ১০৪ টাকা ১৫ পয়সা করে দিতে হচ্ছে। মূলত কার্গোভাড়া বেশি হওয়ার কারণেই বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় হেরে যাচ্ছে।
ভারত যে শাকসবজি রপ্তানিতে এগিয়ে যাচ্ছে, তা দেশটির বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যানও প্রমাণ দিচ্ছে। দেশটি ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩১ লাখ ৪৮ হাজার টন শাকসবজি ও ফলমূল রপ্তানি করে, যা পরের বছরে বেড়ে দাঁড়ায় ৩৩ লাখ ৭৬ হাজার টনে।
জানতে চাইলে বিএফভিএপিইএর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মনসুর বলেন, ‘আমাদের শাকসবজির বাজার হাতছাড়া হয়ে গেছে। ভারতে কার্গোভাড়া বেড়ে গেলে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর দ্রুত উদ্যোগ নেয়। কিন্তু আমাদের দেশে তেমনটা চোখে পড়ে না। শাকসবজি রপ্তানির জন্য স্থিতিশীল কার্গোভাড়ার ব্যবস্থা করতে হবে। কিন্তু কোনো রকম আগাম নোটিশ ছাড়াই বিমান বাংলাদেশ কার্গোভাড়া বাড়িয়ে দেয়। তাতে আমদানিকারকেরা বিরক্ত হন, বাজারও হাতছাড়া হয়।’
আলাপকালে মোহাম্মদ মনসুর পুরান ঢাকার শ্যামপুর বিসিক শিল্পনগরীতে বেহাল সেন্ট্রাল প্যাকিং হাউসের কথা তুলে ধরেন। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন জায়গা থেকে সেন্ট্রাল প্যাকিং হাউসে আসা শাকসবজি ঠান্ডা করার কোনো যন্ত্র নেই। গত পাঁচ বছরে প্যাকিং হাউসটির সংস্কার না করায় আগের চেয়ে সুযোগ-সুবিধা কমেছে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল ভাষা শহীদদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা
21/02/2023

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল ভাষা শহীদদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা

13/02/2023
11/02/2023

Export Payment Session Ongoing Terms LC/TT
Date: 11 Feb 23, 9pm
Trainer: Mizanur Rahaman

09/02/2023

Export Payment Terms LC/TT
Date: 11 Feb 23, 9pm
Trainer: Mizanur Rahaman

Thank you all of you to joining tonight's Export Shipment Session. Keep in touch and join Export_Club_Bangladesh Many mo...
03/02/2023

Thank you all of you to joining tonight's Export Shipment Session. Keep in touch and join Export_Club_Bangladesh

Many more export related session along with different industry experts are on board.

Address

House 37/2, Purana Paltan
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Export Club Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Export Club Bangladesh:

Share