Thoughts Of Nafiz

Thoughts Of Nafiz Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Thoughts Of Nafiz, mirer Bag, Keraniganj, Dhaka.

My Mission Statement :
As a Lifelong Learner, As a Political Party Worker and As an Entrepreneur, I am desperately working to change the society, in order to write a New Social Narrative and thus to REACH A NEW SOCIAL NORM.

11/08/2026

আজকে দেখে ফেললাম "ইউনিভার্সিটি অফ চাঙ্খারপুল" মুভিটা। 🎬

দারুণ মুভি। আশা করি দারুণ হিট করবে মুভিটা।
৫০০ মানুষ ২ ঘণ্টা একসাথে দেখছে, ১ মিনিটের জন্যও কেউ বিরক্ত হয় নাই।
পুরো জিয়া হলের আমার সময়টা চোখের সামনে ভাসতেছে। যদিও মুভিটা জহুরুল হক হলে শুট করা। পরিচালক আকাশ হক যেহেতু বলল, এটা তার সময়ের কাহিনী, সেহেতু জহুরুল হক হলেরও অনেক গল্প হয়তো আছে।
নামটা বুঝলাম। প্লেসটাও বুঝলাম। ঢাবিকে চাঙ্খারপুল বানাইছে। মধুর ক্যান্টিনকে 'সাধুর ক্যান্টিন' বানাইছে।
শুধু আমার কাছে চাঙ্খারপুল ইউনিভার্সিটির লগোটা মোটেও ভালো লাগে নাই। এটা অনেকটা ঢাবির মূল লগোর মতোই হয়ে গেছে, ঠিক প্যারোডি হয়ে ওঠে নাই।
তাই একটা ভয় আছে—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের সঙ্গে হয়তো "চাঙ্খারপুল ইউনিভার্সিটি" নামের ট্যাগও লেগে যেতে পারে! :)
দ্বিতীয় অধ্যায়ে জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে এই "ভাই" কালচারের পতন দেখালে সবচেয়ে সুন্দর হবে। আশা করি "ইউনিভার্সিটি অফ চাঙ্খারপুল-২" তে পরিচালক আকাশ হক সেটা করবেন।

আমাদের ফেনীর, ছাগলনাইয়ার ও নাট্যকলার মাহিরের জন্য ব্যাপক শুভকামনা। ❤️
'আবরার ফাহাদের' মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে মাহির যেভাবে অভিনয় করেছে,সেটা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। আশা করি সে একসময় বড় অভিনেতা হবে। তার জন্য দোয়া ও শুভকামনা।

সবাই দেখবেন আশা করি। 🎥
ধন্যবাদ।

ট্রাম্প-ইরান-ইউএস যুদ্ধ নিয়ে পোস্ট করতে যাইয়া এই পার্কিং,Parking (২০২৩) সিনেমাটার কথা তুলছিলাম। এখন ছবিটা আবার নতুন করে ...
28/07/2026

ট্রাম্প-ইরান-ইউএস যুদ্ধ নিয়ে পোস্ট করতে যাইয়া এই পার্কিং,Parking (২০২৩) সিনেমাটার কথা তুলছিলাম। এখন ছবিটা আবার নতুন করে দেখে একটু বলছি, এই জন্যে যে সবাই যেন এই ছবিটা দেখে ও এই ছবি থেকে অনুপ্রেরণা নেয়। বর্তমান বিশ্বের সর্বত্র পারস্পরিক লড়াই ও আন্তঃদেশীয় যুদ্ধগুলা বুঝার জন্যে খুবই জরুরি একটা মুভি।

- ছবিটার স্ক্রিপ্টও পরিচালক রামকুমার বালাকৃষ্ণনের। তা থেকে কিছুটা বুঝা যায়, এটা সম্ভবত উনার বাস্তব অভিজ্ঞতার কোনো কাহিনী, যেটা ফিল্মে আনা হইছে।
ছবিটা দেখার আগে আমি ভাবতাম, ইগোর জায়গায় সম্ভবত মেয়েরাই আগাইয়া—আমাদের সংসার অভিজ্ঞতা ও বাংলাদেশের রাজনীতির হালচাল দেখে। ছবিটা দেখে মনে হলো, এই জায়গায় পুরুষরাই সম্ভবত অনেক আগানো!

সংক্ষেপে বললে, ছবিতে চেন্নাইয়ের একটা ডুপ্লেক্স বাড়ি, যেখানে ছোট একটা পার্কিং আছে। সেখানে একজন সৎ সরকারি চাকুরে, প্রবীণ (৬০ বছর) ইলমপরুতি (এম. এস. ভাস্কর) নিচের তলায় দীর্ঘদিন ধরে ভাড়ায় থাকেন এবং তার একটা ছোট বাইক আছে। উপরের তলায় ঈশ্বর (হরিশ কল্যাণ) নামে কর্পোরেট চাকরির একটা ইয়াং ছেলে (২৮ বছর) ও তার প্রেগন্যান্ট স্ত্রী আথিকা (ইন্দুজা রবিচন্দ্রন) উঠে।
এরপর ছবির শুরুতেই তাদের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক থাকলেও, যখন ঈশ্বর তার স্ত্রীকে চেকআপে নেওয়ার সুবিধার জন্য নতুন গাড়ি কিনে, তখন আর সম্পর্কটা সুন্দর থাকে না; ধীরে ধীরে বীভৎস হয়ে উঠে।
মূলত পার্কিং-এর জায়গাটা ছোট। সেখানে একটা গাড়ি থাকার পর বাইক রাখা সম্মানজনকভাবে সম্ভব হচ্ছিল না। পরে সরকারি চাকুরে-প্রাইভেট জব, ইয়াং-বৃদ্ধ ও গরিব-পয়সাওয়ালা দ্বন্দ্ব এবং ইগোর জায়গা থেকে সৎ সরকারি চাকুরে ইলমপরুতিও একটা গাড়ি কিনে, বা কিনতে বাধ্য হয়। এরপর দুইজন পার্কিংয়ের জায়গা নিয়ে মারাত্মক ইগোতে জড়িয়ে পড়ে, যা শেষ পর্যন্ত তাদের পারস্পরিক ক্ষতি ও খুনাখুনির চেষ্টায়ও রূপ নেয়।

আরেকটু বিস্তারিত বললে, ইলমপরুতি দাদুর বাইক যখন ঈশ্বরের গাড়িতে আচড় দেয়, তখন ঈশ্বর বৃদ্ধকে খারাপ কিছু বললে তিনি রাগের মাথায় গাড়িতে আঘাত করে কাঁচ ভেঙে দেন। পরে ঈশ্বরও এক ঝগড়ায় বৃদ্ধ ইলমপরুতিকে সবার সামনে অপমান করে, যা তিনি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেন না। সেও অপমানের বদলা নিতে তার মেয়েকে দিয়ে ঈশ্বরের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণচেষ্টার মামলা সাজায়, যদিও পরে ইলমপরুতির মেয়ে ও ঈশ্বরের স্ত্রী আথিকার সহযোগিতায় সেটা ভেঙে পড়ে।
কাহিনী আরেকটু এগোলে, বৃদ্ধ সরকারি চাকুরে ইলমপরুতিও তার জমানো টাকা ভেঙে গাড়ি কিনে। এরপর পার্কিং নিয়ে ঝগড়ার এক পর্যায়ে ঈশ্বরও মিথ্যা ঘুষের অভিযোগ সাজিয়ে অপমানের বদলা হিসেবে বৃদ্ধ ইলমপরুতির চাকরি খাইয়ে দেয় বা বহিষ্কার করায়।
এরপর দুইজন পারস্পরিক খুনাখুনির চেষ্টায় ছবির শেষ পর্যায়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং নিজেদের ইগোর ভুল বুঝতে পারে।

- আমি ছবিটা দেখে ভাবতেছিলাম, এই ইগোর দ্বন্দ্বটা কতটুকু নিরেট ছিল—যেহেতু দুইজনের যুক্তিই সুন্দর ও যথার্থ—এবং কিভাবে এই দ্বন্দ্বটা ঠেকানো যাইত।
আমি সিদ্ধান্তে আসলাম, পার্কিংয়ে আসলে গাড়ি থাকার পর সম্মানের সাথে বাইক রাখা যাচ্ছিল না এবং বৃদ্ধ ইলমপরুতির সাথে ঘটা অপমানগুলাও সত্য। তাহলে শুরুতেই, যেহেতু ঈশ্বর গাড়ি ছাড়াই এই ডুপ্লেক্স বাড়িটাতে উঠছিল, তার অভিজ্ঞ, সৎ সরকারি চাকুরে ও পুরাতন ভাড়াটিয়াকে সম্মান দেখিয়ে, তার সুন্দর বউয়ের কথা শুনে ওই বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু সে তা করে নাই। আদারওয়াইজ, এই পারস্পরিক ঝগড়াটা আমার দৃষ্টিতে যথেষ্ট লিগাল ও যৌক্তিক।
যদিও ছবির শেষে বৃদ্ধ ইলমপরুতি স্বীকার করেন যে, তারই একজন ইয়াং, উচ্চ-বেতনের কর্পোরেট চাকরিজীবীর সাথে তার বাইকের জীবনটা অ্যাডজাস্ট করা উচিত ছিল। আমার কাছে এটা প্রবীণ হিসেবে একটা উদার ডায়ালগ, কিন্তু বাস্তবতার সাথে যথেষ্ট মানানসই না।

- আমরা যদি এই ইগোর সমস্যাটা এই ছবির মতো বুঝতাম এবং সময়মতো অ্যাডজাস্ট করতে পারতাম, তাহলে জুলাইয়ে দেশে এত খুনাখুনি কিংবা ইরান-ইউএসের মতো বৈশ্বিক সমস্যাগুলোও হয়তো অনেকটাই এড়ানো যেত। সবাই নিজের নিজের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে যায়, কিন্তু ততক্ষণে যার যার নিজের ক্ষয়ক্ষতি করে ফেলি।

- আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বেশিরভাগ সমস্যার একটা সুন্দর সমাধানের চিত্র এই ছবিতে আছে।
🎬 ছবিটা এই ইউটিউব চ্যানেলে হিন্দি ডাবিংয়ে সহজেই দেখতে পারবেন:
https://youtu.be/6uz9eMBXQ0Y?si=UuutaqIT8qD9LOzj

- হ্যাপি ওয়াচিং (Happy Watching)। 🍿

Address

Mirer Bag, Keraniganj
Dhaka

Opening Hours

Monday 17:00 - 20:00

Telephone

+8801859043354

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Thoughts Of Nafiz posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Thoughts Of Nafiz:

Shortcuts

Share