01/12/2019
#হোমমেইড #খেজুর #চিনি😍
বাচ্চার ১ বৎসর বয়স পূর্ণ হবার আগে তার খাবারে চিনি কিংবা গুড় ব্যাবহার করতে #নিষেধ করা হয়ে থাকে। তাই বলে কি ছোট্ট_সোনা মিস্টি জাতীয় খাবার খাবে না ?
#ভেজালযুক্ত চিনি কিংবা গুড় না দিয়ে বাচ্চাদের খাবারে ব্যাবহার করতে পারেন খেজুর। বাচ্চাদের ৬ মাস বয়সের পর থেকেই খেজুর খাওয়াতে পারেন।প্রকৃতিতে যত ধরনের খাবার আছে তার মধ্যে খেজুর সবচেয়ে বেশী পুষ্টিগুন সমৃদ্ধ।
খেজুর খাওয়া যেমন স্বাস্থ্যের জন্য ভালো আবার তেমনই চুল ও ত্বকের সৌন্দর্য বজায় রাখতেও খেজুরের অনেক গুণ রয়েছে। কারণ খেজুরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ছাড়াও রয়েছে ভিটামিন এ, বি ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, সালফার, প্রোটিন, ফাইবার এবং আয়রন।
মস্তিষ্ক সচল রাখে : খেজুরের সব থেকে বড় গুণ হল খেজুর মস্তিষ্ককে প্রাণবন্ত রাখে। আমাদের ক্লান্ত শরীরে যথেষ্ট পরিমাণ শক্তির জোগান দিতে সক্ষম এই খেজুর।
গ্লুকোজের অভাব দূর করে : শরীরে গ্লুকোজের অভাব খেজুর দ্রুত পূরণ করতে সাহায্য করে।
ক্যান্সার প্রতিরোধ করে : ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে খেজুর। এছাড়াও মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধেও এই ফল বেশ কার্যকরী।
চুলের গোড়া মজবুত করে : খেজুরের মধ্যে যে তেল থাকে তা পুষ্টিতে পরিপূর্ণ। অনেক সময়ে চুলের উজ্জ্বলতা হারিয়ে যায়। চুলের মধ্যে একটা রুক্ষ ও শুষ্ক ভাব দেখা যায়। এছাড়া চুল পড়ার সমস্যার সমাধান করে খেজুর।
ত্বককে টানটান করে : অনেক সময়ে বয়স বাড়ার ফলে মুখের চামড়া কুঁচকে যায়। খেজুরে ভিটামিন বি রয়েছে। যা ত্বকের পক্ষে অত্যন্ত উপকারি। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ৪-৫ চামচ খেজুর নিয়ম করে খান। দেখবেন আস্তে আস্তে দাগ মিলিয়ে যাবে।
#খেজুর চিনিটি ছোটবড় সকলের জন্য। এটি দিয়ে কাস্টার্ড, পুডিং, সুজি, পায়েস, সেরেলাক, চা, কফি, মিল্কশেক সহ সকল মিষ্টি খাবার খেতে পারবেন।
খেজুর চিনি অর্ডার করতে এখন ই ইনবক্সে আপনার নাম ঠিকানা এবং ফোন নাম্বার দিয়ে কনফার্ম করুন।