25/03/2022
“বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম”
ATOMY বা এটোমি শব্দটি এসেছে মূলত এটম বা পরমাণু থেকে। আমাদের মূল ওয়েবসাইট হচ্ছে www.atomy.com . কোম্পানীটি ১০০% একটি প্রোডাক্ট বেইজ কোম্পানী। উল্লেখ্য যে, কোম্পনী একটি দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি কোম্পানী। কোম্পানীটি দক্ষিণ কোরিয়ার দুইটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তিবদ্ধ। একটি হচ্ছে কোরিয়া আণবিক শক্তি কমিশন (Korea Atomic Energy Research Institute) এবং অন্যটি হচ্ছে কোলমার কোরিয়া (Kolmar Korea). কোরিয়া আণবিক শক্তি কমিশন বা কেইরি (KAERI) প্রতিষ্ঠানটি আমাদের প্রত্যেকটি পণ্য চার হাজারেরও অধিক বিজ্ঞানী এবং পনেরোশ এর অধিক পিএইচডি হোল্ডার দ্বারা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে গবেষণার মাধ্যমে উন্নতীকরণের ক্ষেত্রে আর এন্ড ডি( রিসার্চ এবং ডেভলাপমেন্ট) কাজ করে যাচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানটির জন্ম ১৯৫৯ সালে। মানে তার কার্যবিধী এর পদযাত্রা আজকে বরাবর ৬১ বছর। কেইরী এর একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে নাসা। যেই নাসা সংস্থা আজকে সারা বিশ্বে যে ফোর জি (৪জি) নেটওয়ার্ক চলছে তার একমাত্র উদ্ভাবনকারী প্রতিষ্ঠান। ঠিক একইভাবে আজকে সারা বিশ্বে যে ফাইভ জি (৫জি) নেটওয়ার্ক চলছে তার উদ্ভাবনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কেইরী নাসা প্রতিষ্ঠানের সমতুল্য বা তার উচ্চতার প্রমাণ দিয়েছে। কেইরি থকে প্রত্যেকটি পণ্য গবেষণার রিপোর্ট নিয়ে প্রস্তুতকারণের জন্য আসে কলমার বিএনএইচ এর কাছে। কলমার বিএনএইচ হচ্ছে এমন একটি পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান যে আজকে সারা বিশ্বে ১০০% মান নিশ্চিত সহ সর্বোচ্চ ব্রান্ডের পণ্যসমূহ প্রস্তুত করে থাকে। কোলমার কোরিয়া, কেইরি এবং এটমী এই ৩টি প্রতিষ্ঠান আগামী ১০০ বছরের জন্য চুক্তিবদ্ধ একে অন্যের সাথে এবং এই চুক্তিপত্র দক্ষিণ কোরিয়া সরকার কর্তৃক গৃহীত। এই প্রতিষ্ঠানের জন্ম ১৯২১ সালে। অর্থাৎ আগামী বছর বা ২০২১ সালে এর শতবর্ষ পূর্ণ হতে যাচ্ছে ইনশা আল্লাহ। এটমীর প্রত্যেকটি পণ্য ১০০% সঠিক মান নিশ্চিত করতে বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানটি সবচেয়ে আপডেট দুটি টেকনোলজী ব্যবহার করছে-
১- ওডিএম এবং ওইএম টেকনোলজী এবং
২- ফারমেনশন টেকনোলজী।
এখানে উল্লেখযোগ্য যে, ফারমেনশন টেকনোলজী এর একমাত্র উদ্ভাবক প্রতিষ্ঠান হচ্ছে কেইরি। উল্লেখ্য শুধু এই টেকনোলজী ব্যবহার করে কোলমার কোরিয়া আমাদেরকে দুইশ এরও অধিক শুধু কসমেটিক্স এবং বিউটি পণ্য প্রস্তুত করে উপহার দিচ্ছে। এখানে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে এটমীর প্রত্যেকটি পণ্য মার্কেটিং এবং বিক্রয় তদারকি এর দায়িত্ব আগামী ১০০ বছরের জন্য দক্ষিণ কোরিয়া সরকার কর্তৃক গৃহীত এবং প্রণীত।
সিইও বা চেয়ারম্যানঃ
এটমী কোম্পানির সিইও বা চেয়াম্যান হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন মিঃ হ্যান গিল পার্ক। যার নেটওয়ার্ক মার্কেটিং সম্পর্কে পূর্ববর্তী ও পরীক্ষিত অভিজ্ঞতা হচ্ছে ২৮ বছর। তিনি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসা শুরু করেন ১৯৯২ সালে। উল্লেখ্য যে ব্যবসা শুরুর তিন বছরের মধ্যেই ১৯৯৫ সালে তিনি এই ব্যবসায় সর্বোচ্চ অবস্থান নিশ্চিত করেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে তিনি ১৯৯৯ সালে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এ অবদানের জন্য এওয়ার্ড নেন। তিনি ২০০০ সালে আইএমকোরিয়া নামক একটি অনলাইন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করেন। সর্বশেষে তিনি ২০০৬ সালে এটমীতে সিইও বা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। পরিশেষে ২০১৯ সালে এসে তিনি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর উপর পিএইচডি গ্রহণ করেন। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে তার উদ্যোগেই দক্ষিণ কোরিয়া সরকার তার দেশের শিশুদের পাঠ্যপুস্তকে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গৃহীত ও প্রণয়ন করেন।
ATOMY Global কোম্পানী তার অগ্রযাত্রা শুরু করে ২০০৬ সালে ঐতিহ্যগত ভাবে । ২০০৬ থেকে ২০০৯ এই তিন বছর মূলত কোম্পানীটি দক্ষিণ কোরিয়া এবং আমেরিকা এই দুইটি দেশে তার ব্র্যান্ড এর প্রচার এবং প্রসার করে এটমী হিসেবে। ২০০৯ সালে মূলত কোম্পনীটি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এ পদযাত্রা শুরু করেন। ২০০৯-২০১৯ এই ১০ বছরে প্রথম স্বপ্ন পূরণের মাধ্যমে কোম্পানী তার কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে অবিস্মরণীয় সাফল্য অর্জন করে। ২০১৯ সালে তার প্রথম সাফল্য হচ্ছে যে ১৪টি দেশে সরকারীভাবে নিজস্ব ভবনে নিজস্ব হেড অফিস ও নিজস্ব ভবনে প্রশিক্ষণ ভবন বা তার কর্মসহযোগীদের এবং ৯টি দেশে নিজস্ব ভবনে নিজস্ব শিল্প কারখানা নির্মাণ করে সরকারীভাবে আইনগত দলিল প্রস্তুত করে (তার নিজস্ব আইনজীবীর মাধ্যমে) তার ব্র্যান্ড খুলতে সক্ষম হয়। তার দ্বিতীয় সাফল্য হচ্ছে ২৪/০৪/২০১৯ তারিখ কোম্পানীটি ডব্লিউ ডি এস এ (W.D.S.A.) অর্থাৎ ওয়ার্ল্ড ডিরেক্ট সেলিং এসোসিয়েশন এ অন্তর্ভুক্ত হয় এবং উল্লেখ্য যে প্রাথমিকভাবে কোম্পানীটি ১.১৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য বিক্রয় নিশ্চিত করে। এই ভিত্তিতে কোম্পানীটি বিশ্বের ১০০তালিকার ২০ তম অবস্থান নিশ্চিত করে। কোম্পানীটির তৃতীয় সাফল্য এই যে, বর্তমানে সারা বিশ্বে কোম্পানীর লিখিত সদস্যের সংখ্যা ৬ মিলিয়ন বা ষাট লক্ষেরও অধিক। যেখানে প্রতিনিয়ত পণ্য বিক্রয় এর পরিধি বা মান বাড়ার সাথে সাথে সদস্য সংখ্যাও বাড়ছে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং সিস্টেমে। ২০১৯ সালে কোম্পানীর চতুর্থ উল্লেখযোগ্য সাফল্য হচ্ছে কোম্পানী নিজস্ব কন্টেইনার দিয়ে পণ্য শিপিং এর মাধ্যমে একশ মিলিয়ন ডলার এক্সপোর্ট টাওয়ার এওয়ার্ড নিশ্চিত করে। ২০০৯-২০১৯ হচ্ছে কোম্পানীর প্রথম ১০ বছর এবং ২০২০-২০৩০ হচ্ছে কোম্পানীর দ্বিতীয় ১০ বছর। মাঝখানে সংযুক্ত বছর হচ্ছে ২০২০ সাল। ২০২০ সালে এবং দ্বিতীয় দশ বছরের বৃহৎ পরিকল্পনা নিয়ে কোম্পানীটি আগাচ্ছে। ২০২০ সালের মধ্যে কোম্পানী নতুন করে ৬৬টি দেশে তার ব্র্যান্ড খুলতে যাচ্ছে যেখানে ইতিমধ্যে কোম্পানী ৩০টি দেশে গত দুই মাসে (চীন সহ) তার শাখা খুলেছে। মজার বিষয় হচ্ছে বাকি ৩৬টি দেশের মধ্যে একটি উত্তেজনাপূর্ণ দেশ হচ্ছে বাংলাদেশ। এর একমাত্র কারণ হচ্ছে গত ৮ মাসে আমরা গতানুগতিক এবং নেটওয়ার্ক সেক্টর থেকে আমরা আলহামদুলিল্লাহ ৮ কোটি টাকারও অধিক পণ্য বিক্রয় করতে সক্ষম হয়েছি। যার কারণে খুব দ্রুত কোম্পানী বাংলাদেশে তার শাখা খুলতে সরকারীভাবে সমস্ত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।
উল্লেখ্য যে, এইমূহূর্তে ডব্লিউ ডি এস এ কর্তৃক সেলস এর দিকে থেকে সারা বিশ্বে ১ নাম্বার কোম্পানী হচ্ছে এমওয়ে কর্পোরেশন। যেখানে এই কোম্পানীর বয়স হচ্ছে মাত্র ৮০ বছর। বর্তমানে কোম্পানীটির প্রতি বছর বর্তমান রাজস্ব আয় হচ্ছে ৮ বিলিয়ন ডলার। এইজন্য আগামী এক বছর বা ২০২০ সালের মধ্যে এটমীর লক্ষ্য হচ্ছে ৬৬ দেশে তার শাখা নতুন করে খুলে ৮ বিলিয়ন ডলার বিক্রয় ছাড়িয়ে সারা বিশ্বের মধ্যে ১ নাম্বারে অবস্থান নিশ্চিত করা। আর এই লক্ষ্যে কোম্পানী পণ্যের সমাহার করেছে। সৌন্দর্য বৃদ্ধির পণ্য, ব্যক্তিগত যত্নের পণ্য, রান্নাঘরের সরঞ্জাম, বৈদ্যুতিক যন্ত্র, টয়লেটে ব্যবহারের পণ্য সহ ১০ ধরনের ৪০০ এর অধিক পণ্য কোম্পানী তৈরি করেছে। এই বছরের মধ্যে আরও ৬০০ এরও অধিক পণ্য সমাহার করতে যাচ্ছে কোম্পানী। এটমী আগামী ২০২০ সালের মধ্যে ঘোষণাকৃত ১ লক্ষেরও অধিক পণ্য সমাহার করতে যাচ্ছে ইনশা আল্লাহ।
এটমির মার্কেটিং নিয়ম-কানুনঃ এটমী তার আগামী দিনের লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে আমাদেরকে চমৎকার একটি মার্কেট পরিকল্পনা বা মার্কেটিং নিয়ম-কানুন উপহার দিচ্ছে যা দক্ষিণ কোরিয়া সরকার কর্তৃক আগামী ১০ বছরের জন্য স্বীকৃতি দেওয়া এবং সারা বিশ্বের সমস্ত সদস্যদের জন্য একটি পরিকল্পনা বা নিয়ম-কানুন। উল্লেখ্য, কোম্পানীর পরিকল্পনাটি বাইনারী পদ্ধতিতে আবদ্ধ এবং বেতন বা বিল বা মুনাফা পরিশোধ করা হয় অনলাইন এর মাধ্যমে।
বৈশিষ্ট্যঃ
কোম্পানীর উল্লেখযোগ্য কিছু বৈশিষ্ট্যকে কেন্দ্র করে সারা বিশ্বে এটি একটি প্রাণকেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছে। এটমী কোম্পানীর বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপঃ
১/ কোন রেজিস্ট্রেশন ফি নেই।
২/ কোন মাসিক নিয়মনীতি নেই।
৩/ বিল, বেতন বা মুনাফা দেওয়ার পূর্বে কোন লুকোচুরি বা লুকায়িত কর্তন নেই।
৪/ সারা বিশ্বের ব্যবসার জন্য একটি একাউন্ট ব্যবহার করতে হবে।
৫/ সারা বিশ্বে একটি মাত্র সার্ভার বা একটি মাত্র নিয়ম।
আয়ের সমবন্টনঃ
এটমী তার গ্রাহকদেরকে চারস্তরে বা চারভাবে ১০০% ভাগ করে দেয়। কোম্পানী ১০০% এর মধ্যে ৪৪% বণ্টন করে দেয় বাইনারী ম্যাচিং এর ক্ষেত্রে, ২০% বণ্টন করে মাস্টারশীপ বোনাস বা আন্তর্জাতিক সেলস শেয়ার এর ক্ষেত্রে, ৬% বণ্টন করে শিক্ষা খাতে যা এজেন্টদেরকে যারা কোম্পানীর নির্দিষ্ট তালিকাভুক্ত এবং যাদের মাধ্যমে মূলত কোম্পানী পণ্য জমা রাখে ও পণ্য সরবরাহ করে তাদের কাজ শিখানোর জন্য। বাকি ৩০% কে কোম্পানী ১০০ ভাগ করে তার ২১ ভাগ দিচ্ছে কোরিয়া সরকারকে যার কারণে গর্বে বলতে পারি এটি দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের কোম্পানী এবং বাকি ৭৯ ভাগ যাচ্ছে কোম্পানীর ম্যানেজমেন্ট এর কাছে যা সারা বিশ্বে কোম্পানীর কর্মচারী খরচ এবং অন্যান্য কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য।
আয়ের সুযোগ সুবিধাঃ
এটমীতে আয়ের সুযোগ চারটি এবং প্রত্যেকটি আয়ের মাত্রা অনেক উচ্চমাত্রার। আয়ের চারটি সুযোগ হচ্ছেঃ
১/ স্পট কমিশন
২/ বাইনারী ম্যাচিং
৩/ মাস্টারশীপ বোনাস
৪/ পদবী বোনাস বা রেঙ্ক বোনাস
১- স্পট কমিশনঃ-
এটমীতে স্পট কমিশন হচ্ছে ১৫-২৫%। কিন্তু ভিন্নভাবে কোম্পানী তার গ্রাহকদের এই সুবিধাটি দিচ্ছে। তবে মজার বিষয় হচ্ছে কোম্পানী তার গ্রাহকদের পণ্য ব্যবহার এর ক্ষেত্রে আত্মতৃপ্তির কথা বিবেচনা করে যারা পণ্য ক্রয় করে তাদেরকে সারাজীবন এই সুযোগটি প্রদান করছে। অর্থাৎ যারা কোম্পানিতে লিখিত সদস্য তারা সারাজীবন যত পণ্য ক্রয় করবে তাদের একাউন্ট বা আইডি থেকে মূল দাম থেকে তারা ১৫-২৫% (বিভিন্ন পণ্যের উপর ভিত্তি করে) কম মূল্যে ক্রয় করে করবে।
২- বাইনারী ম্যাচিংঃ-
এটমী তার গ্রাহকদের জন্য বাইনারী সিস্টেমে ৭টি স্লট বা ধাপে বাইনারী ম্যাচিং ইনকাম দৈনিক ৪৪% হারে বণ্টন করে দিচ্ছে। এই ম্যাচিং ধাপে ৭০ ডলার থেকে শুরু করে ১৪০০ ডলার দিচ্ছে এটমী।
৩- মাস্টারশীপ বোনাসঃ-
এটমী তার গ্রাহকদের জন্য ২০% বণ্টন করে দিচ্ছে আন্তর্জাতিক বিক্রয়ের শেয়ার এর ক্ষেত্রে। যেখানে ৬০লক্ষেরও অধিক লিখিত বা নিবন্ধিত সদস্য প্রতি ১৫ দিনে যা বিক্রয় দিচ্ছে তার অংশীদার হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে কোম্পানী। এই ২০% টুকু কোম্পানীতে যে ৭টি পদবী আছে এই পদবীগুলোতে যারা অবস্থান করছে তাদেরকে ভাগ করে দিচ্ছে কোম্পানী।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ
শুধুমাত্র দুই এবং তিন এই দুইটি ইনকাম কোম্পানী ১০০% আমাদেরকে অনলাইন ব্যাংকের মাধ্যমে প্রতি সোমবার রাত ১২টায় দক্ষিণ কোরিয়ার সিওল থেকে একটি ক্লিক করে এবং সারা বিশ্বেব্যাপী একটি সফটওয়্যার এর মাধ্যমে ৬০ লক্ষেরও অধিক গ্রাহকের ব্যাংক একাউন্টে পৌছে যায় তাদের ইনকাম আর প্রতি মঙ্গলবার তারা তাদের ব্যাংক একাউন্ট থেকে ইনকাম উপভোগ করে থাকে।
৪- পদবী বোনাস বা রেঙ্ক বোনাসঃ
এটমীতে ৭টি পদবী আছে এবং ৭টি পদবীতে কোম্পানী মোট ১২কোটি ৪২ লক্ষ টাকা স্টেজে নগদ প্রদান করছে।
বাইনারী ম্যাচিং এর নিয়মঃ
এটমীর প্রত্যেকটি পণ্যতে বিভিন্ন পণ্যের উপর ভিত্তি করে প্রতি ১টাকা = ৪ থেকে ৯ পি ভি (পয়েন্ট ভ্যালু)। এর উল্লেখযোগ্য কারণ হচ্ছে আমাদের এক টাকা মূল্য কোরিয়াতে ১৩ ওন বা ১৩ টাকা। এটমীতে বাইনারী সিস্টেমে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে স্পন্সর হওয়ার সুযোগ আছে শুধুমাত্র দুইজনের। অর্থাৎ দুই দল ই সারাজীবনের জন্য শুধুমাত্র দুইজনকে একটি ব্যক্তি রেফার বা স্পন্সর করতে পারবে। এটমী কোপমানীটি সারা বিশ্বে দ্রুত তার ব্যবসা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এটি একটি উল্লেখযোগ্য কারণ হিসেবে অভিহিত করে হয়। উল্লেখ্য যে, এখানে কোন স্পিল ওভার ও রিপ্লেসমেন্ট সিস্টেমে স্পন্সর দেওয়ারও কোন সুযোগ নেই এবং এখানে দুটি পাশ ছাড়া অন্য কোন বাড়তি পাশে স্পন্সর দেওয়ার সুযোগ নেই।
বাইনারী ম্যাচিং ৪৪%-
এটমী দল এ এবং দল বি এর সাথে বিক্রয়ের মিল রেখে ৪৪% ম্যাচিং বোনাস দিচ্ছে ৭টি ধাপে ভাগ করে যেখানে অনির্ধারিত বা অসীম ইনকাম গণনা করা হয়। এখানে উল্লেখ্য যে, কোম্পানী সারা বিশ্বে একটি সফটওয়্যার এর মাধ্যমে দৈনিক বিক্রয় গণনআ করে এবং লভ্যাংশ দেয় প্রতি সপ্তাহে। এটমী বাইনারী ম্যাচিং এর ৭টি ধাপের ইনকাম সমূহ নিম্নরূপঃ
দলের বিক্রয় ১ডলার=৮৬ টাকা
১/ ৫০,০০০ +/- ৩লক্ষ পয়েন্টঃ (৭০ ডলার) – ৩লক্ষ পয়েন্ট – ৬,০০০ টাকা।
২/ ১,২০,০০০ +/- ৭লক্ষ পয়েন্টঃ (১৪০ ডলার) -৭লক্ষ পয়েন্ট – ১২,০০০ টাকা।
৩/ ২,৫০,০০০ +/- ১৫লক্ষ পয়েন্টঃ (২৮০ ডলার) – ১৫লক্ষ পয়েন্ট – ২৪,০০০ টাকা।
৪/ ৪,০০,০০০ +/- ২৪লক্ষ পয়েন্টঃ (৪২০ ডলার) – ২৪লক্ষ পয়েন্ট – ৩৬,০০০ টাকা।
৫/ ১০,০০,০০০ +/- ৬০লক্ষ পয়েন্টঃ (৭০০ ডলার) – ৬০লক্ষ পয়েন্ট – ৬০,০০০ টাকা।
৬/ ৩৫,০০,০০০ +/- ২কোটি পয়েন্টঃ (১১৬০ ডলার) – ২কোটি পয়েন্ট – ১,০০,০০০ টাকা।
৭/ ৭৫,০০,০০০ +/- ৫কোটি পয়েন্টঃ (১৪০০ ডলার) – ৫কোটি পয়েন্ট – ১,২০,০০০ টাকা।
মাস্টারশীপ বোনাস বা আন্তর্জাতিক বিক্রয় বোনাসঃ
এটমী প্রতি ১৫ দিন অন্তর অর্থাৎ ১-১৫ বা ১৬ মাসের শেষ দিন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বিক্রয় বোনাস গণনা করা হয় এবং তা ৭টি পদবঈতে যারা অবস্থান করে তাদেরকে ২০ % হারে বণ্টন করা হয়। আন্তর্জাতিক বিক্রয় বোনাস এর ক্ষেত্রে যখন দল এ তে মোট ২৫লক্ষ পয়েন্ট এবং দল বি তে ২৫লক্ষ পয়েন্ট হবে তখনই কোম্পানী প্রথম পদবী হিসেবে ঐ ব্যক্তিকে গণনা করে উপস্থাপন করে থাকে সেলস মাস্টার হিসেবে। উল্লেখ্য যে, সমগ্র পৃথিবীতে সেলস মাস্টার পদবীতে যারা আছে তাদেরকে কোম্পানী ২০% থেকে ১০% ইনকাম বণ্টন করে দেয় এবং প্রত্যেকটি সেলস মাস্টার এর ইনকামটি প্রতিমাসে দুইবার নেওয়ার সুযোগ আছে। মজার বিষয় হচ্ছে, বর্তমানে প্রতি ১৫ দিনে যারা সেলস মাস্টার তারা উপভোগ করছে ৬৫০ ডলার। অর্থাৎ প্রতি মাসে ৬৫০ডলার*২=১৩০০ ডলার +/- বা এক লক্ষ দশ হাজার টাকারও অধিক।
রেঙ্ক বোনাস বা পদবী বোনাসঃ মোট=২০%
এটমী কোম্পানি মোট ৭টি পদবীতে ১২কোটি ৪২ লক্ষ টাকা এবং প্রত্যেকটি পদবীতে আন্তর্জাতিক বিক্রয় এর লভ্যাংশ কিভাবে কোম্পানী বণ্টন করে তা নিম্নরূপঃ
পদবী নাম্বার পদবী বজায় রাখা সারাজীবনের পদবী আন্তর্জাতিক বিক্রয় লভ্যাংশ পদবী বোনাস/ পদবী পুরস্কার (একবার)
০১। ২৫লক্ষ পয়েন্ট – ২৫লক্ষ পয়েন্ট সেলস মাস্টার ১০%
(১লক্ষ +/-) স্টেজে ২৪,০০০ টাকা সম পরিমাণ পণ্যের উপহার
০২। ২টি সেলস মাস্টার – ২টি সেলস মাস্টার ডায়মন্ড মাস্টার ৫%
(৫লক্ষ +/-) ২৪,০০০ টাকার পণ্য এবং ৬৫ ডলার এর একটি ল্যাপটপ
০৩। ২জন ডায়মন্ড মাস্টার – ২জন ডায়মন্ড মাস্টার শেরন রোজ মাস্টার ২%
(১০লক্ষ +/-) ক্যাশ- ১,৬০,০০০ টাকা এবং ২টি ভ্রমণ টিকেট। প্রতি টিকেট ৮০,০০০ টাকা (এশিয়ার যে কোন দেশে)
০৪। ২জন শেরন রোজ মাস্টার – ২জন শেরন রোজ মাস্টার স্টার মাস্টার ১.২%
(২০লক্ষ +/-) ক্যাশ- ৮লক্ষ টাকা এবং ৪টি ভ্রমণ টিকেট। প্রতি টিকেট ৮০,০০০ টাকা (ইউরোপের যে কোন দেশে)
০৫। ২জন স্টার মাস্টার – ২জন স্টার মাস্টার রয়েল মাস্টার ১%
(৩০লক্ষ +/-) ক্যাশ- ৪০লক্ষ টাকা+৪টি ভ্রমণ টিকেট। প্রতি টিকেট ৩,২০,০০০ টাকা (ইউরোপের যে কোন দেশে)
*ক্রেডিট- ১,৬০,০০০ টাকা (প্রতি মাসে)
*গাড়ি বহন খরচ- ৮০,০০০ টাকা (প্রতি মাসে)
০৬। ২জন রয়েল মাস্টার – ২জন রয়েল মাস্টার ক্রাউন মাস্টার ০.৫%
(৫০লক্ষ +/-) ক্যাশ- ২কোটি ৪০লক্ষ টাকা+৪টি ভ্রমণ টিকেট। প্রতি টিকেট ৩,২০,০০০ টাকা (ইউরোপের যে কোন দেশে)।
*ক্রেডিট- ৪লক্ষ টাকা (প্রতি মাসে)
*একটি বিলাসবহুল গাড়ী- ৫০লক্ষ টাকা।
০৭। ২জন ক্রাউন মাস্টার – ২জন ক্রাউন মাস্টার ইম্পেরিয়াল মাস্টার ( সর্বোচ্চ পদবী) ০.৩%
(১কোটি +/-) *৮কোটি টাকা ক্যাশ একত্রে (স্টেজে)
*৪টি ভ্রমণ টিকেট (প্রতি টিকেট ৩,২০,০০০ টাকা)
*ইউরোপের যে কোন দেশে ভ্রমণ।
*ক্রেডিট ৮লক্ষ্য টাকা প্রতি মাসে।
*৬০লক্ষ টাকার একটি বিলাসবহুল গাড়ী।
*১৭০০ স্কয়ার ফিট এর একটি নিজস্ব অফিস।
এবং কোম্পানী এটির প্রতি মাসে খরচ প্রদান করবে ২লক্ষ টাকা।
*একজন ড্রাইভার সুবিধা=১,২০,০০০ টাকা।
* সহকারী সুবিধা= ১,২০,০০০ টাকা প্রতিমাসে।
একটা বিজনেস প্রস্তাবনাঃ
Glovalization এর আই সময় সারা পৃথিবীটাই এখন আপনার আমার হাতের মুঠোই। সারা পৃথিবি আপনার বাজার। বাংলাদেশে বসে কাজ করে দেশের বাইর থেকে ডলার দেশে নিয়ে আসা এটা এখন আর আজগুবি গল্প নয়। শুধুমাত্র যথাযত সুযোগ প্রয়োজন। একটি মাত্র সুযোগ পরিবর্তন করে দিতে পারে আপনার জীবন ,পূরণ করে দিতে পারে আপনার সমস্ত স্বপ্ন। জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনলাইন মার্কেটিং অথবা অফলাইন মার্কেটিং এর মাধ্যমে জীবনের সমস্ত চাওয়া পাওয়া পূরণের একটা সেরা প্লাটফর্ম হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ান কোম্পানি ATOMY GLOBAL. আপনি যদি একজন সফল উদ্যোক্তা হতে ইচ্ছুক হন তবে আর বসে না থেকে আপনার
জাতীয় পরিচয় পত্রের দুই পাশের ছবি
মোবাইল নম্বর এবং
ইমেইল পাঠিয়ে দিন ইনবক্স এবং গঠন করুন একটি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার।
আপনার সফলতাকে সহজতর করার জন্য আমরা আছি আপনার পাশে ইনশাআল্লাহ্। বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন বা কল করুন +8801778773306 (Imo, Whatsapp)
Website: www.atomy.com
Welcome to Global Atomy