JNH Hajj & Umrah Agency

JNH Hajj & Umrah Agency Your Trusted Partner for Hajj & Umrah ❤️🕋❤️

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।❓আপনি কি আপনার বৃদ্ধ বাবা-মাকে নিয়ে উমরায় যেতে চাচ্ছেন?❓অথবা আপনার বাচ্চাদের নিয়ে উমরায়...
24/05/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।

❓আপনি কি আপনার বৃদ্ধ বাবা-মাকে নিয়ে উমরায় যেতে চাচ্ছেন?
❓অথবা আপনার বাচ্চাদের নিয়ে উমরায় যেতে চান?
❓ভাবছেন কিভাবে পরিবার নিয়ে স্বাচ্ছন্দে ও আরামদায়ক ভাবে উমরাহ করা যায়?
✅তাহলে আমাদের সার্ভিস নিন।
✅✅ইন-শা-আল্লাহ, আপনি শতভাগ সন্তুষ্ট হবেন❤️❤️

❓❓আমাদের সাথে কেন যাবেন?

🔰ডিরেক্ট ফ্লাইটে ট্রানজিটের ঝামেলা নেই
🔰আরামদায়ক লাক্সারিয়াস বাসে সকল ট্রান্সপোর্ট
🔰মক্কা ও মদীনায় হারাম শরিফের নিকটবর্তী হোটেল
🔰৩ বেলা মানসম্মত দেশীয় খাবার নিজস্ব বাবুর্চি দিয়ে প্রস্তুতকৃত
🔰সার্বক্ষনিক অভিজ্ঞ মোয়াল্লেম গাইড

❇️❇️এক কথায়, আপনাদের পরিবারের সবাইকে নিয়ে উমরাহ সফরের নির্ভরযোগ্য সংগি JNH Hajj & Umrah Agency

JNH Hajj & Umrah Agency
☎️ 01675-938313







24/05/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
ইন্নাল হামদা লিল্লাহ 💞💞
আস-স্বলাতু ওয়াস সালামু আলাইকা ইয়া রসুলুল্লাহ 💚💚

✅ ✅হজ্জ পরবর্তী ১৪ দিনের ওমরাহ প্যাকেজ

ইন-শা-আল্লাহ পবিত্র হজ্জ শেষ হওয়ার পর আমাদের গ্রুপের ওমরা কাফেলা নিয়ে মক্কা-মদিনার উদ্দেশ্যে রওনা হব।

📆 সফরের তারিখ :২ জুলাই - ১৫ জুলাই, ২০২৬
✈️ সৌদিয়া ডিরেক্ট ফ্লাইট : ঢাকা-মদিনা, জেদ্দা-ঢাকা
🏨মদিনা হোটেল : মারকাজিয়া (২০০ মিটার )
🏢মক্কা হোটেল : জাবালে কাবা রোড (১৫০ মিটার )
🚌 সকল ট্রান্সপোর্ট অন্তর্ভুক্ত
🚍 মক্কা ও মদিনার দর্শনীয় স্থান জিয়ারাহ
🍛 সকালের নাস্তা সহ তিন বেলা মানসম্মত খাবার
🚫 কোন হিডেন খরচ নেই।

** জেদ্দা, তায়েফ, বদর, ওয়াদিয়ে জ্বীনে যারা ভ্রমন করতে ইচ্ছুক, খরচ প্রদান সাপেক্ষে এজেন্সির মাধ্যমে ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।

আপনারা যারা হজের পরে ওমরা করতে ইচ্ছুক ইনশাআল্লাহ অতিসত্বর আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ।

JNH Hajj & Umrah Agency
☎️ 01675-938313






আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু ।ইনশাআল্লাহ পবিত্র হজ্জ শেষ হওয়ার পর আমাদের গ্রুপের ওমরা কাফেলা নিয...
23/05/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু ।
ইনশাআল্লাহ পবিত্র হজ্জ শেষ হওয়ার পর আমাদের গ্রুপের ওমরা কাফেলা নিয়ে মক্কা-মদিনার উদ্দেশ্যে রওনা হব।

🔰🔰সফরের সম্ভাব্য তারিখ :২ জুলাই,২০২৬
✈️ সৌদিয়া ডিরেক্ট ফ্লাইট : ঢাকা-মদিনা, জেদ্দা-ঢাকা
🏨মদিনা হোটেল : মারকাজিয়া (২০০ মিটার )
🏢মক্কা হোটেল : জাবালে কাবা রোড (১৫০ মিটার )
🚌 সকল ট্রান্সপোর্ট অন্তর্ভুক্ত
🚍 মক্কা ও মদিনার দর্শনীয় স্থান জিয়ারাহ
🍛 সকালের নাস্তা সহ তিন বেলা মানসম্মত খাবার

আপনারা যারা হজের পরে ওমরা করতে ইচ্ছুক ইনশাআল্লাহ অতিসত্বর আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ।
JNH Hajj & Umrah Agency
☎️ 01675-938313






আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু ।ইনশাআল্লাহ পবিত্র হজ্জ শেষ হওয়ার পর আমাদের গ্রুপের ওমরা কাফেলা নিয...
22/05/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু ।
ইনশাআল্লাহ পবিত্র হজ্জ শেষ হওয়ার পর আমাদের গ্রুপের ওমরা কাফেলা নিয়ে মক্কা-মদিনার উদ্দেশ্যে রওনা হব।

🔰🔰সফরের সম্ভাব্য তারিখ :১ জুলাই,২০২৬
✈️ ডিরেক্ট ফ্লাইট : ঢাকা-মদিনা, জেদ্দা-ঢাকা
🏨মদিনা হোটেল : মারকাজিয়া (২০০ মিটার )
🏢মক্কা হোটেল : জাবালে কাবা রোড (১৫০ মিটার )
🚌 সকল ট্রান্সপোর্ট অন্তর্ভুক্ত
🚍 মক্কা ও মদিনার দর্শনীয় স্থান জিয়ারাহ
🍛 সকালের নাস্তা সহ তিন বেলা মানসম্মত খাবার

আপনারা যারা হজের পরে ওমরা করতে ইচ্ছুক ইনশাআল্লাহ অতিসত্বর আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ।
JNH Hajj & Umrah Agency
☎️ 01675-938313






হযরত উম্মে সালাম (র.) থেকে বর্ণিত রয়েছে, নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের মধ্যে যারা কোরবানি করবে, ...
18/05/2026

হযরত উম্মে সালাম (র.) থেকে বর্ণিত রয়েছে,
নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
তোমাদের মধ্যে যারা কোরবানি করবে, জিলহজের চাঁদ দেখার পর থেকে তারা যেন চুল নখ না কাটে।
- (সহিহ মুসলিম: ১৯৭৭)

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (র.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিস।
তিনি বর্ণনা করেছেন, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একবার তার এক সাহাবিকে বললেন, আমাকে কোরবানির দিন ঈদ পালনের আদেশ করা হয়েছে যা আল্লাহ এ উম্মতের জন্য নির্ধারণ করেছেন। ওই সাহাবি বললেন, যদি আমার কাছে শুধু একটি মানিহা অর্থাৎ অন্যের থেকে নেওয়া দুগ্ধ দানকারী উষ্ট্রী থাকে, আমি কি তা কোরবানি করে ফেলবো? নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, না, তবে তুমি চুল, নখ ও গোঁফ কাটবে এবং নাভীর নিচের লোম পরিষ্কার করবে। এটাই আল্লাহর দরবারে তোমার পূর্ণ কোরবানি বলে গণ্য হবে।
- (সুনানে আবু দাউদ: ২৭৮৯)



05/05/2026

#মাযহাব_ও_সালাতের_রকমফের

👉সালাত প্রসঙ্গে একটা জরুরী কথা বলা দরকার।

এশিয়া উপমহাদেশে হানাফী মতাদর্শের লোক বেশি। আর আরবের এদিকে হানাফি খুব কম, শাফেয়ী, হাম্বলী বেশি। আমাদের জানা দরকার হল মাজহাব গুলা যাদের নামে, তাদের প্রত্যকেই অনেক বড় আল্লাহর ওলী ছিলেন এবং আলেম ছিলেন। কিছু কিছু হাদীসের ব্যাখ্যা একেকজন হয়ত একেকভাবে করেছেন, বা এমন কোন সমস্যা যা নবীজি সল্লল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সময় ছিল না তেমন ক্ষেত্রে একেক জন হয়ত একেক ভাবে সমাধান দিয়েছেন। তাদের দেয়া কিছু ফতোয়া যদিও পরবর্তীতে উলামাগণ পরিবর্তন করেছেন, তারপরও তাদের নামে মাজহাবের নামটা রয়ে গেছে।

আমরা যারা আলেম নই, তারা আমরা ইলম অর্জন করব, আর আলেম উলামাদের কাছ থেকে মাসআলা জেনে নিব। কোন গ্রুপ এর আলেমকে আমি ফলো করব সেটা নিয়ে মারামারি করার কিছু নাই। যে কোন একটা গ্রুপ কে মানলেই হবে ইন-শা-আল্লাহ । তবে ইচ্ছামত যখন যেটা সুবিধা তখন সেইটা মানব এইটা অপছন্দনীয় একট কাজ।

যেমন হানাফি মাজহাবে রক্ত গড়িয়ে পড়লে ওজু ভাঙে, আরেক মাজহাবে হয়ত ভাঙে না। আপনার রক্ত পড়ল আপনি বললেন, নাহ আমার ওজু ভাঙেনি অন্য মাজহাবের নিয়মে। দেখা গেল সেই মাজহাবে ওজু করে স্ত্রী বা স্বামীকে শুধু স্পর্শ করলেই ওজু ভাঙে, হানাফিতে ভাঙে না। আপনি বললেন, স্পর্শ করেছি তো কি হয়েছে, হানাফি মতে আমার ওজু ভাঙেনি।
এথেকে বোঝা গেল আপনি আসলে "মাজহাব" মানছেন না, মানছেন "আপনার খেয়াল-খুশি"। অর্থাৎ যখন যেটা সুবিধা হয় সেটার দিকে ঝুঁকে যাচ্ছেন।

ইসলামে নিজের খেয়াল-খুশি মানার নাম ইবাদাত নয়।

একটা কথা আজকাল কেউ কেউ বলে, যে নিজে নিজে হাদীসের বই পড়ে যেটা ভাল লাগে সেটা মানি। আমরা যারা সাধারণ মানুষ আমরা হাজার হাজার হাদীস কি পড়ে ফেলতে পারব? আমরা কোন হাদীস জাল, কোনটা দুর্বল, কোনটার রাবীর কি দুর্বলতা বা বৈশিষ্ট্য ছিল- এসব কি বুঝতে পারব? পারব না।

কোন হাদীসের গায়ে যদি লেখা থাকে সহীহ, সেটা আসলেই সহীহ কিনা সেটা বের করার মত হাদীসের জ্ঞান আমার আছে কি? নাই।

একা একা পড়ে, নিজের মাসআলা নিজে বানাতে গেলে গোমরাহ হওয়ার সুযোগ থাকবে। কাজেই, আমরা "কম জানি" বলেই, কোন আলেমকে জিজ্ঞেস করব, কারণ তারা অবশ্যই আমাদের চেয়ে বেশি জানেন।

আমরা সাধারণ মানুষ যাদের ইসলামের জ্ঞান খুবই সীমিত তাদের জন্য নিজে চলা নীতি প্রযোজ্য নয়

এত কথা বলার কারণ হল। হজ্জে গেলেন, গিয়ে পুরুষরা দেখলেন ইমাম জোরে আমিন বলেন, বা অনেকেই রুকুর সময় তাকবীরের মত হাত উঠান, বা হাত বুকে বাধেন, বা জানাজার সালাতে প্রতি আল্লাহু আকবারে মুক্তাদীরা হাত উঠায়, মেয়েরা দেখলেন অন্য মেয়েরা ছেলেদের মত সিজদা দেয়। আপনারাও দেখাদেখি শুরু করে দিলেন নিজে করা & দেশে এসে অন্যদেরকে শেখানো। এবং অন্যদেরকে বলা শুরু করলেন আপনি ভুল করতেছেন, অথচ আপনি এ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পড়েননি, অভিজ্ঞ কারোর কাছে গিয়ে এ ব্যাপারে কি কি মত আছে, কোনটার পিছনে কি দলীল আছে শোনেননি, এবং শুরু হয়ে গেল আরেকজনের সাথে আপনারটা ভুল- না আপনারটা ভুল এই ঝগড়া।

🌹🌹আসেন আমরা বিভেদ তৈরি না করি। আমরা এক উম্মাহ হতে চাই। আমরা হাশরের মাঠে সবাই নিরাপদে পুলসিরাত পার হতে চাই। কেউ তো তার আমল দিয়ে পুলসিরাত পার হবেনা, হবে আল্লাহর রহমতে। আমরা আমাদের সাধ্যমত, চেষ্টা করি যে যার মত, আল্লাহ যেন ভুলে ভরা সবার আমলকে কবুল করে বিনা হিসাবে জান্নাত দিয়ে দেন। আমরা যেন আরেক মুসলিম ভাই/বোনের সাথে ক্ষুদ্র ব্যাপার নিয়ে সম্পর্ক খারাপ না করি।

আপনি আপনার মত করেই পড়বেন। আরেকজন তার মত করেই পড়বে। দুই দিকেই দলীল আছে।

এছাড়া ওখানে অনেকেই আপনার সালাত দেখে আপনাকে নসীহত দিবে "আপনার সালাত হচ্ছে না, এভাবে পড়েন"। কোন তর্কে যাবেন না, হোটেলে এসে নিজের দলের আলেমের কাছ থেকে জেনে নেন আসলেই আপনার সালাতে কোন ভুল হচ্ছে কিনা।

উল্টোটাও প্রযোজ্য। আপনি হয়ত মেয়ে ছেলে একই রকমের সিজদা দেন, একজন মেয়ে আরেকভাবে দেয় বলে তার সাথে ঝগড়া শুরু করে দিবেন না।

হজ্জ সফরে (ব্যক্তিগত জীবনেও) সব রকমের তর্ক, ঝগড়া পরিহার করে চলবেন। কোন ব্যাপারে জানার দরকার হলে, সন্দেহ হলে নিজের পরিচিত আস্থাভাজন আলেমকে জিজ্ঞেস করে নিবেন।

এ প্রসঙ্গে একটা রিয়েল লাইফ জোক বলার লোভ সামলাইতে পারতেছিনা। এক লেকচারে শায়েখ হাসান আলী বলেছিলেন।

তার পরিচিত এক দম্পতি। স্বামী সম্ভবত শাফেয়ী বা মালিকি (ভুলে গেছি কোনটা), স্ত্রী হানাফী।

স্বামীর মাজহাবে মাসআলা হল, স্ত্রী বা স্বামীকে স্পর্শ করলে ওজু ভেঙে যায়, স্ত্রীর মাজহাবের মাসআলা হল ওজু ভাঙে না।

তো, স্ত্রীর যখনই স্বামীর উপর মেজাজ গরম থাকে, তখন স্বামী যতবার ওজু করে সে গিয়ে গিয়ে একটা ছোয়া দিয়ে ওজু ভেঙে দিয়ে আসে (the perfect example of শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান 😂)

🌹🌹চলেন আমরা সবাই নিজেদের ভিন্নতাকে সহ একজন আরেকজনকে ভালবাসতে শিখি। আমরা সবাই যেন এক নবীর উম্মাহ হয়ে যাই।

(কৃতজ্ঞতাঃ হজ্জের টুকিটাকি)


#হজ্জ_প্রস্তুতি






JNH Hajj & Umrah Agency
☎️ 01675-938313

03/05/2026

#মসজিদের_আদব_জানা_এবং_মানা
আলহামদুলিল্লাহ, ইতোমধ্যে অনেক হাজীগন মক্কা-মদীনায় পৌছে গেছেন, বাকিরাও কিছুদিনের মধ্যেই চলে যাবেন ইন-শা-আল্লাহ। হজ্জ বা উমরায় যাবেন যারা তাদের মসজিদের আদব সম্পর্কে ভালমত জেনে নেয়া প্রয়োজন।বিশেষ করে মহিলাদের। কারন, দেশে মহিলাদের মসজিদে যাতায়াত খুবই কম বলে মহিলাদের এসব জিনিস আগে থেকে জানা থাকেনা। ফলে মসজিদে গিয়ে এমন এমন কাজ করেন যাতে আল্লাহ তায়ালার ঘরের প্রতি অসম্মান হয়। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে তাঁর ঘরের আদব রক্ষা করার তাওফীক দান করুন।

প্রথম কথা মাথায় রাখবেন, মসজিদ আল্লাহর ঘর। কাবা হোক, মসজিদে নববী হোক, আপনার বাসার পাশের মসজিদ হোক। মসজিদ আল্লাহর ঘর। এটা আপনার ঘর না। কাজেই আল্লাহকে ভয় করুন, মসজিদের আদবের খেলাফ হয় এমন কাজ করবেন না

☘️১)জোরে কথা বলবেন না, অন্যদের নামাজে, জিকিরে, তিলাওয়াতে সমস্যা হয়। কথা বলার দরকার পড়লে আস্তে বলবেন।

☘️২)দুনিয়াবী কথা এবং কাজ প্রয়োজন ছাড়া করবেন না।
কারন, এইসব কথার জায়গা মসজিদ না। মসজিদে করবেন জিকির, তিলাওয়াত, নামাজ, কাবা দেখা, তাওয়াফ।

☘️৩)মসজিদ ময়লা করবেন না। খেজুরের বিচি, বাদামের খোসা, পানির ব্যবহার করা প্লাস্টিকের কাপ, চকলেটের খোসা, বিস্কিটের খোসা - কিছুই মসজিদের ফ্লোরে ফেলবেন না। মক্কা-মদীনায় প্রচুর ডাস্টবিন আছে, ওখানে ফেলবেন, নাহলে ব্যাগে ছোট একটা পলিথিনে ভরে রাখবেন, পরে ফেলবেন। দেশের মসজিদে ডাস্টবিন কম থাকে, কিন্তু দেশের মসজিদেও ময়লা ফেলবেন না। সব সময় নিজেকে মনে করায়ে দিবেন, এটা আল্লাহর ঘর

☘️৪)মসজিদে ঢোকার আগেই মোবাইল সাইলেন্ট করেন, অথবা ভাইব্রেশনে দেন। নামাজের মধ্যে ট্যা ট্যা করে মোবাইলের মিউজিক বাজতে থাকলে অন্যদের মনোযোগে সমস্যা হয়।

আর মিউজিকই তো হারাম, তাহলে মসজিদে সেটা কোনভাবেই বাজতে দেয়া যাবে না

তবে, মোবাইল সাইলেন্ট করতে ভুলে গেলে, আর নামাজের মধ্যে মোবাইল বেজে উঠলে, নামাজের মধ্যেই এক হাত দিয়ে ফোনটা কেটে দেন, এতে নামাজ ভাঙবে না। এক হাতে কাটা সম্ভব না হলে, নামাজ ছেড়ে দিয়ে ফোন বন্ধ করে আবার আল্লাহু আকবার বলে হাত উঠিয়ে হাত বেধে আল্লাহু আকবার বলে ইমাম যেখানে আছে সেখানে চলে যান, ইমামের সালাম ফিরানো শুরু হলে উঠে পুর্বের ছেড়ে দেয়া অংশ আদায় করে নিন (মাসআালার রেফারেন্স- মোবাইল ও সাক্ষাৎ, আদব ও মাসায়েল, মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালিক, আবনাউল মারকাজ ফাউন্ডেশন, পেজ ৪৮-৫২)

☘️৫) কাবাঘরে, বা মসজিদে নববীতে সালাম দেয়ার সময়, রিয়াজুল জান্নাহে যাওয়ার সময় চেষ্টা করবেন ছবি না তোলার।

সামনা সামনি কাবার পুরা সৌন্দর্য পৃথিবীর কোন ক্যামেরায় ধরা যাবে না। ধরতে হবে আল্লাহর দেয়া unlimited mega-pixel এর "চোখে", ধরে রাখতে হবে "হৃদয়ে", ধরে রাখতে হবে নিজের "কাজ-কর্মে"।

(ইবাদাত, তাওয়াফ বা জিয়ারতের পরে হয়তো কিছু ছবি তুলতে পারেন পরবর্তীতে নিজে দেখা বা স্মৃতি মনে রাখতে। কাউকে দেখানোর উদ্দেশ্য বা রিয়া যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে)
আর কাবা শরীফে আপনি কেন গিয়েছেন সেটাও মাথায় রাখবেন। যে কোন ইবাদাত, করতে হবে শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য। ছবি তুলব কেন, ফেসবুকে দিব কেন? কাবায় আসার কারণ তো আল্লাহর সাথে সম্পর্ক তৈরি করার, কাবায় তো আসা আল্লাহর শানে ইহরাম পরে কবরের ড্রেসে থাকার জন্য। এখানে অন্য মানুষকে দেখানোর কি আছে?
আমি তাওয়াফ করতে করতে একটা ছবি তুললাম, বা দুয়া করতেছি, আরেকজনকে দিয়ে ছবি তুলালাম, কাউকে দেখালাম, তাহলে কি দেখানোটাই মুখ্য? ইবাদাত করে তো লুকিয়ে রাখতে হয়, সেটা তো বলে বেড়ানোর কথা না, দেখিয়ে বেড়ানোর কথা না।
আপনার তাওয়াফরত ছবি দেখে কেউ কি তাওয়াফে উৎসাহী হবে? না, বরং নিজে কখনও তাওয়াফ করলে ওর থেকে সুন্দর একটা সেলফি তোলার জন্য উৎসাহী হবে।
দেখেন কি সহজে শয়তান আমাদেরকে মূল উদ্দেশ্য ভুলিয়ে দেয়। আল্লাহকে ভুলে আমরা ছবির জন্য পোজ দিতে ব্যস্ত হয়ে যাই। নিশ্চয়ই শয়তান আমাদের প্রকাশ্য শত্রু। সে আমাদের ভাল কখনোই চায় না। তার দেখানো প্রলোভনকে আল্লাহ আমাদের চেনার তাওফিক দান করুন।

☘️৬)মসজিদে কারোর সাথে ঝগড়া, কথা-কাটাকাটিতে জড়াবেন না। এই ধাক্কা দিলেন কেন, আমার জায়গায় আসলেন কেন ইত্যাদি চিৎকার দেয়ার প্রশ্নই আসে না । কিছু বলতে হলে আস্তে বুঝিয়ে বলতে পারেন। অপরপক্ষ চিৎকার করলে ওখান থেকে সরে আসুন।
চিৎকার সবচেয়ে বেশি দেখেছি রিয়াজুল জান্নাতে। ইস কি লজ্জা। দেয়ালের ওপাশে শুয়ে আছেন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আর এপাশে "দুনিয়ায় জান্নাতের" কার্পেটের উপর দাড়িয়ে মহিলারা গলার জোরে ক্যার ক্যার করে একজন আরেকজনের সাথে "ঝগড়া, হই হল্লা করছে"। অথচ কাপড়ের পর্দার ওই পাশে ছেলেদের অংশে "মারামারি, লাথালাথি চলছে, কিন্তু কোন আওয়াজ নাই"। মানে ছেলেরা গলার আওয়াজ ছাড়াই মারামারি (প্রত্যক্ষদর্শীর কাছে শোনা) করছে (আওয়াজ না তোলা একটা ভাল কাজ, তবে মারামারি না)।

আমরা ভুলে যাই নবী-রাসূলদেরকে আল্লাহ রব্বুল আলামীন কবরে জীবিত রাখেন, কবরের কাছে এসে এসব করা, বলা হলে তিনি সেগুলো শুনছেন। আর আল্লাহ তো সব ঝগড়াই সর্বাবস্থায় শুনছেন। আমরা ভুলে যাই আল্লাহ কুরআন শরীফে বলেছেন,

রসূলের সামনে কারোর গলার আওয়াজ যেন রসূলের চেয়ে উচু না হয়। রসূলের সামনে উচা গলায় কথা বললে সমস্ত ভাল আমল বরবাদ হয়ে যাবে।

আর আমরা তো তার ধারই ধারছি না। আল্লাহ আমাদেরকে মাফ করুন, হেদায়াত দান করুন।


☘️৭) মসজিদে ঢোকার সময় দুয়া পড়া
بِسْمِ اللَّهِ আল্লাহ্‌র নামে (প্রবেশ করছি))
وَالصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ
সালাত ও সালাম আল্লাহ্‌র রাসূলের উপর।
اللَّهُمَّ افْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ
হে আল্লাহ! আপনি আমার জন্য আপনার রহমতের দরজাসমূহ খুলে দিন।

☘️৮) ডান পা দিয়ে ঢোকা

☘️৯) মসজিদে ঢুকে নফল ইতিকাফের নিয়ত করা (এতে করে যতক্ষণ মসজিদে থাকবে ততক্ষণ ইতিকাফের সওয়াব হবে)

মসজিদে ঢোকার পর দুই রাকাত "তাহিয়্যতুল মসজিদ" পড়া সুন্নাত। ফজরের সালাতের পর এবং আসরের সালাতের পর এই দুই সময় ছাড়া মসজিদে ঢুকলে ২ রাকাত সালাত পড়বেন। এর কোন আলাদা নিয়ম নেই।

তবে মক্কায় মসজিদে হারামের ক্ষেত্রে ব্যক্তি যদি উমরা বা হজ্জের ইহরামে থাকেন, তাহলে মসজিদে ঢুকে শুরুতে তাওয়াফ করবেন (যদি সম্ভব হয়। ভীড় বা অন্য কারণে সম্ভব না হলে তাহিয়্যাতুল মসজিদের নামাজ পড়তে পারবেন।) আর ব্যক্তি যদি মুহরিম না হয়, মানে ইহরাম অবস্থায় না থাকে, তাহলে ঢুকে আগে ২ রাকাত তাহিয়্যাতুল মসজিদ পড়বেন)

☘️১০) মসজিদে ঢুকে প্রথম কাতারে বসা উত্তম। কিন্তু জায়গা ভরে গেলে যেখানে জায়গা পাবে সেখানে বসবে। কারোর ঘাড়ের উপর লাফিয়ে সামনে যাওয়া জায়েজ নেই।

☘️১১) মসজিদে বসে জিকির বা তিলাওয়াতে মগ্ন ব্যক্তিকে আগ বাড়িয়ে সালাম দেয়া উচিত না। কেউ নিজ থেকে আপনার দিকে মনোযোগী হলে বা জিকির বা তিলাওয়াতে লিপ্ত না থাকলে সালাম দেয়া যাবে

☘️১২) সুন্নাত বা নফল নামাজে দাঁড়াতে চাইলে এমন জায়গায় দাঁড়াবে যেটা মানুষের হাঁটার জায়গা না। যেমন সামনে অনেক জায়গা ফাকা রেখে পিছনের কাতারে দাঁড়ালে মানুষের চলাচলে সমস্যা হয়।

☘️১৩) জামাতের জন্য আগে সামনের কাতার পুরা করবে। সামনে ফাকা রেখে পিছনে অবস্থান নিবেনা

☘️১৪) মসজিদে যতক্ষণ অবস্থান করবে, জিকিরে লিপ্ত থাকা

☘️১৫) জুম্মার খুতবার জন্য ইমাম মিম্বারে আসার সময় থেকে জুম্মার নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত - কথা বলা, নামাজ পড়া, সালাম দেয়া, সালামের উত্তর দেয়া, বা যে কথা বলতেছে তাকে চুপ করতে বলা কোনটাই জায়েজ না।

☘️১৬) কেউ মসজিদে ভুল বা অন্যায় করলে তাকে নম্র ভাবে বুঝাবে, কিন্তু সবার সামনে অপমান করা, ধমক দেয়া বা বাকবিতন্ডা থেকে পুরাপুরি বিরত থাকবেন

☘️১৭) বাম পা দিয়ে বের হওয়া

☘️১৮) বের হওয়ার দুয়া পড়া

بِسْمِ اللَّهِ وَالصّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِك، اللَّهُمَّ اعْصِمْنِي مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ،

আল্লাহ্‌র নামে (বের হচ্ছি)। আল্লাহ্‌র রাসুলের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। হে আল্লাহ! আপনি আমার গুনাসমূহ মাফ করে দিন এবং আমার জন্য আপনার দয়ার দরজাগুলো খুলে দিন। হে আল্লাহ, আমাকে বিতাড়িত শয়তান থেকে হেফাযত করুন।

(কৃতজ্ঞতাঃ হজ্জের টুকিটাকি)


#হজ্জ_প্রস্তুতি






JNH Hajj & Umrah Agency
☎️ 01675-938313

02/05/2026
❤️🕋❤️ প্রতি বছর কয়েক মিলিয়ন লোক হজ্জে যান। হজ্জ থেকে ফিরে আসার পরেও বেশিরভাগ মানুষের মাঝে আমল আখলাকের কোনো পরিবর্তন হয় ন...
02/05/2026

❤️🕋❤️ প্রতি বছর কয়েক মিলিয়ন লোক হজ্জে যান। হজ্জ থেকে ফিরে আসার পরেও বেশিরভাগ মানুষের মাঝে আমল আখলাকের কোনো পরিবর্তন হয় না। এটা একটা ভয়ংকর ব্যাপার। উম্মাহ'র জন্য কত দুর্ভাগ্যজনক ব্যাপার।

আপনার হজ্জ কবুল হলো কিনা সেটা বুঝবেন কিভাবে? হজ্জের পরে যদি আপনার মাঝে আমল আখলাকের পরিবর্তন আসে, তাহলে সেটা একটা ভালো নিদর্শন আপনার জন্য। এটা মকবুল হজ্জের অন্যতম নিদর্শন।

আপনি আপনার বিশাল একটা সঞ্চয় দিয়ে হজ্জে যাচ্ছেন। অনেকে এমন আছেন যে শেষ সম্বল নিয়ে যাচ্ছেন। আপনি সাড়া পৃথিবী ঘুরে বেড়ান, কিন্তু এমন জার্নির অভিজ্ঞতা আপনি কখনোই কোথাও পাবেন না, কোথাও না, কখনোই না। আপনি একই সাথে ইতিহাস, ইবাদত, বিভিন্ন এডভেঞ্চার, পৃথিবীর বিভিন্ন ধরনের মানুষের সাথে সম্পৃক্ত হবেন এই জার্নিতে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে আপনি এত মানুষের ভিরে নিজের একাকিত্বকে আবিষ্কার করবেন এবং একইসাথে আল্লাহ্‌'র সাথে আপনার যোগাযোগ স্থাপন হবে একটু অন্যভাবে।

আমার এত কিছু বলার কারন হচ্ছে, আপনি আপনার বর্তমান আমল আখলাকের কথা চিন্তা করুন এবং হজ্জ পরবর্তী সময়ে আপনি কোন অবস্থায় নিজেকে দেখতে চান, সেটার টার্গেট করে ফেলুন। আল্লাহ্‌'র সাথে আপনার সম্পর্কটা যেনো আরো পাকাপোক্ত হয়, সেই ফিলিংসটাকে জাগ্রত করুন।

#হজ্জ_প্রস্তুতি




আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহুইন্নাল হামদা লিল্লাহ ❤️❤️আস-স্বলাতু ওয়াস সালামু আলাইকা ইয়া রসূলুল্লাহ 💚💚...
30/04/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু
ইন্নাল হামদা লিল্লাহ ❤️❤️
আস-স্বলাতু ওয়াস সালামু আলাইকা ইয়া রসূলুল্লাহ 💚💚

🔰🔰হজ্জ ও উমরাহ সংক্রান্ত আপনাদের যেকোন প্রয়োজনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। ইন-শা-আল্লাহ, সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করা হবে।

☎️ 01675-938313
JNH Hajj & Umrah Agency.






Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when JNH Hajj & Umrah Agency posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to JNH Hajj & Umrah Agency:

Share