Tax & VAT Consultant

Tax & VAT Consultant ভয় নয় আয় করুন, আপনার ট্যাক্স প্ল্যানিং এর দায়িত্ব আমাদের

22/07/2026

📢 টার্নওভার ট্যাক্সের বিধান পরিবর্তনে করের দায় অনেক বেড়েছে—বিশেষ করে প্রোপ্রাইটরশিপ ব্যবসায়ে

টার্নওভার ট্যাক্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান পরিবর্তনের ফলে ব্যবসা বা পেশা থেকে আয়ের ক্ষেত্রে করের ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার প্রোপ্রাইটরশিপ ব্যবসার ক্ষেত্রে এর প্রভাব অনেক বেশি।

আগে স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা ও ফার্মের ক্ষেত্রে টার্নওভারভিত্তিক ন্যূনতম কর প্রযোজ্য হওয়ার জন্য গ্রস প্রাপ্তির নির্দিষ্ট সীমা ছিল। কিন্তু বর্তমান বিধানে সেই সীমা আর নেই।

ফলে প্রোপ্রাইটরশিপ ব্যবসার গ্রস প্রাপ্তির পরিমাণ যতই হোক না কেন, নিয়মিত পদ্ধতিতে হিসাব করা কর নির্ধারিত টার্নওভার ট্যাক্সের চেয়ে কম হলে টার্নওভার ট্যাক্সই পরিশোধ করতে হবে।

চলুন, একটি উদাহরণের মাধ্যমে পরিবর্তনের প্রভাব দেখি—

🔎 পরিবর্তনের প্রভাব—একটি উদাহরণ

ধরা যাক, একজন স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবসা রয়েছে। তার বার্ষিক বিক্রয় বা গ্রস প্রাপ্তি ৪০,০০,০০০ টাকা এবং ব্যবসা থেকে নিট আয় ৫,৩৫,০০০ টাকা।

📌 আগের বিধান অনুযায়ী—

আগে স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার গ্রস প্রাপ্তি ৪ কোটি টাকা বা তার বেশি হলেই কেবল টার্নওভারভিত্তিক ন্যূনতম কর প্রযোজ্য হতো। এই উদাহরণে গ্রস প্রাপ্তি ৪০ লাখ টাকা, অর্থাৎ ৪ কোটি টাকার কম। তাই আগে টার্নওভারভিত্তিক ন্যূনতম কর প্রযোজ্য হতো না।

ফলে নিয়মিত কর হিসাবে প্রদেয় কর হতো—

প্রথম ৪,০০,০০০ টাকা × ০% = ০ টাকা
অবশিষ্ট ১,৩৫,০০০ টাকা × ১০% = ১৩,৫০০ টাকা

অর্থাৎ, আগে প্রদেয় কর ছিল ১৩,৫০০ টাকা।

📌 বর্তমান বিধান অনুযায়ী—

গ্রস প্রাপ্তির ওপর টার্নওভার ট্যাক্স—

৪০,০০,০০০ টাকা × ১% = ৪০,০০০ টাকা

যেহেতু নিয়মিত কর ১৩,৫০০ টাকা, কিন্তু টার্নওভার ট্যাক্স ৪০,০০০ টাকা, তাই বর্তমানে প্রদেয় কর হবে ৪০,০০০ টাকা।

অর্থাৎ, একই আয় ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে আইন পরিবর্তনের ফলে—

✅ আগে প্রদেয় কর: ১৩,৫০০ টাকা
✅ বর্তমানে প্রদেয় কর: ৪০,০০০ টাকা
✅ অতিরিক্ত করের দায়: ২৬,৫০০ টাকা

করদাতা ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের সময় অগ্রিম কর হিসেবে ৩,০০০ টাকা পরিশোধ করে থাকলে, রিটার্নের সঙ্গে অবশিষ্ট ৩৭,০০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

এই উদাহরণ থেকে বোঝা যায়, টার্নওভার ট্যাক্সের বিধান পরিবর্তনের ফলে একজন স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাকে নিয়মিত করের তুলনায় অনেক বেশি কর সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হতে পারে।

📎 বিস্তারিত হিসাব সংযুক্ত ছবিতে দেখুন এবং আইন পড়ুন। আইনের রেফারেন্স - আগের ধারা ১৬৩(৫) বর্তমান ধারা ১৬৩(৬)

ধন্যবাদ সবাইকে।
মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম










11/07/2026

করদাতার রিটার্ন দাখিলের মেয়াদ ও অনুমোদিত বিনিয়োগের উপর রিভেট পাওয়া সংশ্লিষ্ট কনফিউশন দূরীকরণে:

করদাতার আয়-বর্ষ শেষ হলে কর-বর্ষের নিম্নোক্ত সময় অনুযায়ী রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রতিফলন নিম্নরূপ:

১।কর-বর্ষের সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে প্রদেয় করের উপর ৫% ইনসেনটিভ পাবে তবে ইন্সেন্টিভের পরিমাণ সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা। কোনো লেইট রিটার্ন সাবমিশানের জরিমানা হবে না।

এই সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে বিনিয়োগের উপর রেয়াত এবং ইনসেনটিভ উভয়ই পাবে।

২। কর-বর্ষের ডিসেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে কোনো ইনসেনটিভ পাবে না এবং লেইট রিটার্ন সাবমিশানের জরিমানা হবে না।

এই সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে বিনিয়োগের উপর রেয়াত পাবে

৩। কর-বর্ষের মার্চ মাসের মধ্যে জমা দিলে ইনসেনটিভ পাবে না বরং প্রদেয় করের উপর ২% বা ৩ হাজার টাকা যাহা অধিক তাহা জরিমানা হিসেবে প্রযোজ্য হবে।

এই সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে বিনিয়োগের উপর রেয়াত পাবে।

৪। কর-বর্ষের জুন মাসের মধ্যে জমা দিলে ইনসেনটিভ পাবে না বরং প্রদেয় করের উপর ৫% বা ৫ হাজার টাকা যাহা অধিক তাহা জরিমানা হিসেবে প্রযোজ্য হবে।

এই সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে বিনিয়োগের উপর রেয়াত পাবে।

টীকা:
১.বিনিয়োগ রেয়াত পুরা কর-বর্ষ ব্যাপী পাবে।
২. স্বনির্ধারণ পদ্ধতিতে পুরা কর-বর্ষ ব্যাপী রিটার্ন দাখিল করা যাবে।

29/01/2026

Address

69, Nitol Niloy Tower, Nikuja 2, Khilkhet
Dhaka
1229

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tax & VAT Consultant posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share