Aloron Hang Over Internet আলোড়ন হ্যাং ওভার ইন্টারনেট

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Aloron Hang Over Internet আলোড়ন হ্যাং ওভার ইন্টারনেট

Aloron Hang Over Internet আলোড়ন হ্যাং ওভার ইন্টারনেট 🇵🇸لآ اِلَهَ اِلّا اللّهُ مُحَمَّدٌ رَسُوُل اللّهِ 🇧🇩
ﷺ ﷺ ﷺ ﷺ ﷺ ﷺ ﷺ ﷺ ﷺ ﷺ

02/09/2026

সুন্দরবনে বাড়ছে বিশ্বের অন্যতম বিষধর সাপ কিং কোবরার উপস্থিতি, পর্যটকদের সতর্ক করল বনবিভাগ

#কিং_কোবরা #সাপ #সুন্দরবন

 #আসসালামু_আলাইকুম 🇧🇩💃🌹🍬💘🍫💐🏃‍♂️🌍 #তুফান_ISP_সংযোগ   : Triangle Service Limited : Mohammad Nazrul Islam (Parvez) : DIT Ro...
02/09/2026

#আসসালামু_আলাইকুম
🇧🇩💃🌹🍬💘🍫💐🏃‍♂️🌍
#তুফান_ISP_সংযোগ


: Triangle Service Limited
: Mohammad Nazrul Islam (Parvez)
: DIT Road West Rampura.

রামপুরা,দাস পাড়া,বন্ধু নিবাস, উলন,বুইদ্ধা বাড়ী, প্রকৌশলি গলি,পলাশবাগ,থাই প্লাস্টিক, শিমুলবাগ, ওয়াপদা রোড, উলনরোড, ওমর আলী লেন, মীরবাগ, নগর সহ সর্বত্র দিচ্ছে বাধাহীন ও নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সুবিধা। আপনার সময়কে আরো আনন্দময় আর নতুন মাত্রা দিতে Triangle Fiber Optic ইন্টারনেট আপনার হাতের কাছেই। আমরা দিচ্ছি ঝামেলাবিহিন দুরন্ত গতির #ইন্টারনেট সেবা। নতুন কানেকশান নিতে এখনই ভিজিট করুন-

:
☎️ 55128800

:
📱01609872332, 01747248832

:
💻[email protected]
💻[email protected]

: 394 Makki Jame Mosque DIT Road West Rampura, Dhaka 1219, Bangladesh.

02/09/2026

Indian Actors

🪷🪷🇧🇩🇧🇩🇧🇩🪷🪷 #কেন্দ্রীয_শহীদ_মিনারঢাকায় অবস্থিত রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে স্মৃতিসৌধ। #সম্পাদনাকেন্দ্রীয় শহীদ ম...
30/08/2026

🪷🪷🇧🇩🇧🇩🇧🇩🪷🪷
#কেন্দ্রীয_শহীদ_মিনার
ঢাকায় অবস্থিত রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে স্মৃতিসৌধ।

#সম্পাদনা

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার বা জাতীয় শহীদ মিনার ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দের ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ। এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের বহিঃপ্রাঙ্গণে অবস্থিত। প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারিতে এখানে হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হয়ে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করে। এটি ঢাকার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র।

শহীদ মিনার

শহীদ মিনার ১৯৭২ সালে পুনর্নির্মাণ করা হয়
মানচিত্র।

সাধারণ তথ্যাবলীঃ

#অবস্থা
সম্পূর্ণ

#ধরন
স্তম্ভ

#স্থাপত্যশৈলী
আধুনিক

#অবস্থান
ঢাকা, বাংলাদেশ

#ঠিকানা
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মাঝামাঝি, ঢাকা

#উচ্চতা
১৪ মিটার (৪৬ ফুট)

নকশা ও নির্মাণঃ

#স্থপতি
হামিদুর রহমান

#কাঠামো

শহীদ মিনার পাঁচটি স্তম্ভ দ্বারা নির্মিত হবে, মাঝের স্তম্ভটি কিছুটা বড় হবে, এবং এই স্তম্ভটি সামনের দিকে হেলানো থাকবে, এবং স্তম্ভগুলোর মাঝ বরাবর একটি লাল রঙের কাপড় দিয়ে বৃত্ত তৈরি থাকবে, যা গোল আকৃতির লাল সূর্যকে নির্দেশ করে।চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমানকে বর্তমান শহীদ মিনারের কাঠামোর প্রবর্তক বা স্থপতি বলা হয়। হামিদুর রহমানের নির্দেশনা অনুসারে নভেরা আহমেদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এটি বিনির্মাণ করা হয়েছে।

#ইতিহাস

প্রথম শহীদ মিনার যেটি ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে তৈরি করা হয়েছিল কিন্তু পাকিস্তান পুলিশ ও পাকস্তানী সেনাবাহিনী সেটা ভেঙে ফেলে।
প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয়েছিল অতিদ্রুত এবং নিতান্ত অপরিকল্পিতভাবে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ শুরু করে রাত্রির মধ্যে তা’ সম্পন্ন করে। শহীদ মিনারের খবর কাগজে পাঠানো হয় ঐ দিনই। শহীদ বীরের স্মৃতিতে - এই শিরোনামে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ছাপা হয় শহীদ মিনারের খবর।

মিনারটি তৈরি হয় মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেলের (ব্যারাক) বার নম্বর শেডের পূর্ব প্রান্তে। কোণাকুণিভাবে হোস্টেলের মধ্যবর্তী রাস্তার গা-ঘেঁষে। উদ্দেশ্য বাইরের রাস্তা থেকে যেন সহজেই চোখে পড়ে এবং যে কোনো শেড থেকে বেরিয়ে এসে ভেতরের লম্বা টানা রাস্তাতে দাঁড়ালেই চোখে পড়ে। শহীদ মিনারটি ছিল ১০ ফুট উঁচু ও ৬ ফুট চওড়া। মিনার তৈরির তদারকিতে ছিলেন জিএস শরফুদ্দিন (ইঞ্জিনিয়ার শরফুদ্দিন নামে পরিচিত), নকশা করেছিলেন বদরুল আলম; সাথে ছিলেন সাঈদ হায়দার। তাদের সহযোগিতা করেন দুইজন রাজমিস্ত্রী। মেডিকেল কলেজের সম্প্রসারণের জন্য জমিয়ে রাখা ইট, বালি এবং পুরান ঢাকার পিয়ারু সর্দারের গুদাম থেকে সিমেন্ট আনা হয়। ভোর হবার পর একটি কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয় মিনারটি। ঐ দিনই অর্থাৎ ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে, ২২ ফেব্রুয়ারির শহীদ শফিউরের পিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে দশটার দিকে শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন আজাদ সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন। উদ্বোধনের দিন অর্থাৎ ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে। এরপর ঢাকা কলেজেও একটি শহীদ মিনার তৈরি করা হয়, এটিও একসময় সরকারের নির্দেশে ভেঙ্গে ফেলা হয়।১৯৫৪ সালে প্রথম শহীদ মিনারের একই স্থানে পুনরায় দ্বিতীয় আরেকটি শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়। এটির উদ্বোধন করেন নাট্যগুরু নুরুল মোমেন। অবশেষে, বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এর নকশা করেছিলেন ভাস্কর হামিদুর রহমান। কিন্তু ১৯৫৮তে ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান পাকিস্তানে সামরিক আইন জারীর পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে লেফটিন্যাণ্ট জেনারেল আযম খানের আমলে এর নির্মাণ কাজ পুনরায় শুরু করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটি এর নির্মাণ কাজের তত্ত্বাবধান করে। মূল নকশা ছেঁটে-কেটে দ্রুত নির্মাণ কাজ শেষ করা হয়। মূল নকশার ফোয়ারা ও নভেরা আহমেদ এর ম্যুরাল ইত্যাদি বাদ পড়ে। নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দের শুরুতে। ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

#ভিত্তি_প্রস্তর_স্থাপন

১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দে আবু হোসেন সরকারের মুখ্যমন্ত্রীত্বের আমলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বর্তমান স্থান নির্বাচন এবং ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। তৎকালীন পূর্ত সচিব (মন্ত্রী) জনাব আবদুস সালাম খান মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে 'শহীদ মিনারের' ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের জন্য চূড়ান্তভাবে একটি স্থান নির্বাচন করেন।

১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দের ২১শে ফ্রেব্রুয়ারি তারিখে জনৈক মন্ত্রীর হাতে 'শহীদ মিনারের' ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা থাকলেও তাতে উপস্থিত জনতা প্রবল আপত্তি জানায় এবং ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ রিক্সাচালক আওয়ালের ৬ বছরের মেয়ে বসিরণকে দিয়ে এই স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

#স্থাপত্য_নকশা

শেরেবাংলা এ.কে. ফজলুল হকের উদ্যোগে যুক্তফ্রন্ট সরকার কর্তৃক ১৯৫৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানের সর্বত্র স্বতঃস্ফূর্তভাবে একুশে ফেব্রুয়ারি পালিত হয়।এর ফলেই শহীদ মিনারের নতুন স্থাপনা নির্মাণ করা সহজতর হয়ে ওঠে। বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন।তারই রূপকল্পনায় ছিল স্নেহময়ী আনত মস্তক মাতার প্রতীক হিসেবে মধ্যস্থলে সুউচ্চ কাঠামো, এবং দুই পাশে সন্তানের প্রতীক স্বরূপ হ্রস্বতর দুটি করে কাঠামো। সামনে বাঁধানো পেছনভাবে দেয়ালচিত্র।তবে নভেরা আহমেদের স্বামীর ভাষ্যমতে মিনারের পাঁচটি স্তম্ভ দিয়ে হাতের পাঁচটি আঙুল বুঝানোর হয়েছে, যেসব জনতা এই শহীদ মিনারে আসবে তাদের জন্য আশীর্বাদের প্রতীক হিসেবে এটি নির্মিত হয়েছিল।সম্মুখ চত্বরে ভাস্কর নভেরার দুটি ম্যুরাল স্থাপনের পরিকল্পনাও ছিল। এছাড়া ছিল বেদনাঘন শহীদ দিবসের প্রতীক হিসেবে একটি ফোয়ারা স্থাপনের পরিকল্পনা। এ পরিকল্পনা মফিক ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এ নকশায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেলের সম্মুখভাগের বিস্তৃত এলাকা এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। পরবর্তীকালে দ্রুত কাজ সমাপ্তির উদ্দেশ্যে মূল নকশার সরলীকরণ করা হয়।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পবিত্রতা ও মর্যাদাঃ

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর ন্যস্ত। যদিও বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এ শহীদ মিনারে ২১শে ফেব্রুয়ারির শ্রদ্ধার্ঘ্য অনুষ্ঠানের জন্য অনুদান প্রদান করে থাকে।তবে,এর সার্বিক দেখ-ভাল ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

শহীদ মিনার এলাকায় বিভিন্ন রকম কর্মকাণ্ড পরিচালিত হলেও এটি এখনো অসম্পূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ২১ ফেব্রুয়ারি ব্যতীত শহীদ মিনার অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকে। এ সময় শহীদ মিনার এলাকায় বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। মাদক সেবন থেকে শুরু করে ভাসমান মানুষের বর্জ্য ত্যাগের স্থানেও পরিণত হয় এই ঐতিহাসিক এলাকা। ফলে শহীদ মিনার এলাকার পবিত্রতা ও মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকার ২০ কাঠা জায়গা দখলকারীরা দখল করে রেখেছে।

🪷🇧🇩🇧🇩🇧🇩🪷🪷 #বাংলা_ভাষা_আন্দোলনবাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার লক্ষ্যে পাকিস্তানে আন্দোলন।এটি একটি পরীক্ষিত সংস্করণ, যা ২৮ আগস্ট ...
30/08/2026

🪷🇧🇩🇧🇩🇧🇩🪷🪷
#বাংলা_ভাষা_আন্দোলন

বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার লক্ষ্যে পাকিস্তানে আন্দোলন।

এটি একটি পরীক্ষিত সংস্করণ, যা ২৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে পরীক্ষিত হয়েছিল।

"ভাষা আন্দোলন" শিরোনামকে এখানে পুনর্নির্দেশ করা হয়েছে। একই নামের অন্যান্য নিবন্ধের জন্য ভাষা আন্দোলন (দ্ব্যর্থতা নিরসন) দেখুন।

বাংলা ভাষা আন্দোলন তথা রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ১৯৪৭ থেকে ১৯৫৬ পর্যন্ত পাকিস্তানের তৎকালীন প্রদেশ পূর্ববঙ্গে (১৯৫৬ সালের পর পূর্ব পাকিস্তান, বর্তমানে বাংলাদেশ) সংঘটিত একটি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন। মৌলিক অধিকার রক্ষাকল্পে মাতৃভাষা বাংলাকে ঘিরে প্রদেশে সৃষ্ট এই আন্দোলনের মাধ্যমে দেশটির অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণদাবির বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

বাংলা ভাষা আন্দোলন,
বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের অংশ।

১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত মিছিল,

#তারিখ
১৯৪৭ – ১৯৫৬

#অবস্থান
পূর্ববঙ্গ, পাকিস্তান অধিরাজ্য (বর্তমান বাংলাদেশ)

#কারণ
পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার সিদ্ধান্ত

#পদ্ধতি
বিক্ষোভ ধর্মঘট মিছিল

#ফলাফল
বাঙালি জাতীয়তাবাদের উত্থান
১৯৫৪ সালে পাকিস্তান গণপরিষদ ও পূর্ববঙ্গ আইনসভায় মুসলিম লীগের সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানো
১৯৫৬ সালে উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা

#পক্ষ
০১. রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
০২. সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মী পরিষদ
০৩. পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্রসমাজ
০৪. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ
০৫. পাকিস্তানি বাঙালি
০৬. পাকিস্তান সরকার
০৭. পাকিস্তান সেনাবাহিনী
০৮. মিলিটারি পুলিশ
০৯. পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলস
১০. পূর্ব পাকিস্তান আনসার
১১. পূর্ববঙ্গ সরকার
১২. পূর্ববঙ্গ পুলিশ
১৩. মোহাজের জনগোষ্ঠী
১৪. পাকিস্তান মুসলিম লীগ
১৫. পূর্ববঙ্গ প্রাদেশিক মুসলিম লীগ

#নেতৃত্ব_দানকারী

যৌথ নেতৃত্বঃ
০১. পাকিস্তানের গভর্নর-জেনারেল
০২. পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
০৩.ফজলুর রহমান (কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী)
০৪.পূর্ববঙ্গের প্রধানমন্ত্রী
০৫. পূর্ববঙ্গের মুখ্যসচিব

১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে এই আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ ধারণ করলেও বস্তুত এর বীজ রোপিত হয়েছিল বহু আগে; অন্যদিকে এর প্রতিক্রিয়া এবং ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী। ১৯৪৭ সালে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্রিটিশ শাসিত ভারত বিভাজিত হয়ে পাকিস্তান অধিরাজ্য ও ভারত অধিরাজ্যের উদ্ভব হয়। পাকিস্তানের ছিল দুটি অঞ্চল: পূর্ব পাকিস্তান তথা পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিম পাকিস্তান। প্রায় দুই হাজার কিলোমিটারের (প্রায় ১২৪৩ মাইল) অধিক দূরত্বের ব্যবধানে অবস্থিত পাকিস্তানের দুটি অংশের মধ্যে সাংস্কৃতিক, ভৌগোলিক ও ভাষাগত দিক থেকে অনেকগুলো মৌলিক পার্থক্য বিরাজমান ছিল। ১৯৪৮ সালে কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করে যে, উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে পূর্ব বাংলায় অবস্থানকারী বাংলাভাষী সাধারণ জনগণের মধ্যে গভীর ক্ষোভের জন্ম হয় ও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কার্যত পূর্ববঙ্গের বাংলাভাষী মানুষ আকস্মিক ও অন্যায্য এ সিদ্ধান্তকে মেনে নিতে পারেনি এবং মানসিকভাবে মোটেও প্রস্তুত ছিল না। ফলস্বরূপ মাতৃভাষা বাংলার সম-মর্যাদার দাবিতে পূর্ব বাংলায় আন্দোলন দ্রুত দানা বেঁধে ওঠে। আন্দোলন দমনে পুলিশ ১৪৪ ধারা জারি করে ঢাকা শহরে মিছিল, সমাবেশ ইত্যাদি বেআইনি ও নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে এই আদেশ অমান্য করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু সংখ্যক ছাত্র ও প্রগতিশীল কিছু রাজনৈতিক কর্মী মিলে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন। মিছিলটি ঢাকা মেডিকেল কলেজের কাছাকাছি এলে পুলিশ ১৪৪ ধারা অবমাননার অজুহাতে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলিবর্ষণ করে। গুলিতে একাধিক মানুষ নিহত ও আহত হন। শোকাবহ এ ঘটনার অভিঘাতে সমগ্র প্রদেশে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ২১শে ফেব্রুয়ারির ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে সারাদেশে বিদ্রোহের আগুন জ্বলে ওঠে। ২২শে ও ২৩শে ফেব্রুয়ারি ছাত্র, শ্রমিক, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক ও সাধারণ জনতা পূর্ণ হরতাল পালন করে এবং সভা-শোভাযাত্রাসহ ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে। ২২শে ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতেও মানুষ মারা যায়।

ক্রমবর্ধমান গণআন্দোলনের মুখে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার শেষ পর্যন্ত নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয় এবং ১৯৫৪ সালের ৭ই মে পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলা অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গৃহীত হয়। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান প্রণীত হলে ২১৪ নং অনুচ্ছেদে বাংলা ও উর্দু উভয়কে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর বাংলা ভাষা আন্দোলন, মানুষের ভাষা এবং কৃষ্টির অধিকারের প্রতি সম্মান জানিয়ে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে যা বৈশ্বিক পর্যায়ে সাংবার্ষিকভাবে গভীর শ্রদ্ধা ও যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে উদ্‌যাপন করা হয়।

 #যুদ্ধ ১৯৭১
30/08/2026

#যুদ্ধ ১৯৭১

Address

394 Makki Jame Mosque, DIT Road, West Rampura
Dhaka
1219

Opening Hours

Monday 09:30 - 22:00
Tuesday 09:30 - 22:00
Wednesday 09:30 - 22:00
Thursday 09:30 - 22:00
Saturday 09:30 - 22:00
Sunday 09:30 - 22:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aloron Hang Over Internet আলোড়ন হ্যাং ওভার ইন্টারনেট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share