Eso Car House

Eso Car House Plot # 96 ,Road # 20, Block # J, Baridhara, Dhaka, Dhaka Division, Bangladesh

03/07/2025

গাড়ি চালানোর আগে কি কি চেক করতে হয়? একটি জরুরি গাইড
আপনি কি প্রতিদিন গাড়ি চালান? কিংবা আপনি কি সপ্তাহে এক-দুইবার বের হন প্রয়োজনীয় কাজ সারতে? যে সময়েই আপনি গাড়ি চালান না কেন, গাড়ি চালানোর আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চেক করা আপনার নিজের এবং অন্যদের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত জরুরি। অনেক সময় দেখা যায়, একটিমাত্র ছোট খেয়ালহীনতা বড় দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

এই লেখায় আমরা আলোচনা করব, গাড়ি চালানোর আগে কোন কোন বিষয়গুলো অবশ্যই চেক করা উচিত, এবং কেন এইগুলো উপেক্ষা করা আপনার জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

১. টায়ার পরিদর্শন: রাস্তায় স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার প্রথম ধাপ
টায়ার গাড়ির এমন একটি অংশ, যেটি সবসময় রাস্তায় সংস্পর্শে থাকে। তাই এটি চেক করাটা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক বায়ুচাপ (PSI) আছে কিনা দেখে নিন। অতিরিক্ত বা কম চাপ দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
টায়ারের ট্রেড গভীরতা (ঘর্ষণ শক্তি) ঠিক আছে কিনা নিশ্চিত করুন।
কোনো কাটাছেড়া বা ফাটল আছে কিনা পর্যবেক্ষণ করুন।

২. ইঞ্জিন অয়েল: গাড়ির 'রক্ত' ঠিক আছে তো?
ইঞ্জিন অয়েল ইঞ্জিনকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।
ডিপস্টিক দিয়ে অয়েলের পরিমাণ এবং রং চেক করুন।
যদি তেল অতিরিক্ত কালো বা ঘন হয়ে যায়, তাহলে তেল পরিবর্তন প্রয়োজন।

৩. ব্রেক সিস্টেম: জীবন রক্ষার প্রথম অস্ত্র
ব্রেক না থাকলে কোনো গাড়িই নিরাপদ নয়। তাই প্রতিবার গাড়ি চালানোর আগে:
ব্রেক প্যাড এবং ডিস্ক ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা দেখুন।
ব্রেক ফ্লুইডের পরিমাণ পর্যাপ্ত আছে কিনা নিশ্চিত করুন।

৪. হেডলাইট, সিগনাল ও ইন্ডিকেটর লাইট
দিবস বা রাত যেকোনো সময় গাড়ি চালানোর সময় লাইটগুলো কাজ করছে কি না তা জরুরি:
হেডলাইট, ব্রেক লাইট ও সিগনাল লাইট ঠিকঠাক জ্বলে কিনা চেক করুন।
বিপজ্জনক আবহাওয়ায় লাইট না কাজ করলে বড় দুর্ঘটনা হতে পারে।

৫. ব্যাটারি ও কানেকশন
ব্যাটারির টার্মিনাল পরিষ্কার আছে কিনা ও চার্জ ঠিক আছে কিনা চেক করুন।
পুরনো ব্যাটারি হলে স্টার্ট নেওয়ার সময় সমস্যা হতে পারে।

৬. রেডিয়েটর ও কুল্যান্ট লেভেল
ইঞ্জিনের অতিরিক্ত তাপমাত্রা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য রেডিয়েটর কুল্যান্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কুল্যান্টের পরিমাণ যথাযথ আছে কিনা দেখে নিন।
গরম কন্ডিশনে চালানোর আগে এইটা না দেখলে ইঞ্জিন ওভারহিট হতে পারে।

৭. উইন্ডশিল্ড ও মিরর পরিষ্কার কিনা
সামনে ও পেছনের কাঁচ পরিষ্কার না থাকলে দৃশ্যমানতা কমে যায়, যা বিপজ্জনক।
মিররগুলো ঠিকঠাকভাবে সেট করা আছে কিনা তাও নিশ্চিত করুন।

৮. জ্বালানি পর্যাপ্ত আছে কি না
যত হাই-টেক গাড়িই হোক না কেন, জ্বালানি ছাড়া সেটি শুধুই ধাতব কাঠামো। তাই:
ট্রিপ শুরু করার আগে নিশ্চিত করুন যে যথেষ্ট ফুয়েল আছে।
বিশেষ করে দীর্ঘ রাস্তায় যাওয়ার আগে ফুয়েল ফুল করে নেওয়া ভালো।

৯. অদ্ভুত শব্দ বা গন্ধ
গাড়ি স্টার্ট দেওয়ার পরে কোনো অস্বাভাবিক শব্দ বা পোড়া গন্ধ পাচ্ছেন কিনা লক্ষ্য করুন। এগুলো হতে পারে বড় যান্ত্রিক ত্রুটির পূর্বাভাস।

১০. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
গাড়ির বৈধতা ও আপনার চালকের অধিকার নিশ্চিত করতে নিচের কাগজপত্রগুলো সাথে রাখুন:

গাড়ির রেজিস্ট্রেশন কপি
বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স
ফিটনেস সার্টিফিকেট
ইন্সুরেন্স ডকুমেন্ট
ট্যাক্স টোকেন ও পরিবহন অনুমোদন কপি

শেষ কথা
একটি গাড়ি শুধুমাত্র আরাম বা বিলাসিতা নয়—এটি একটি দায়িত্বও বটে। একজন সচেতন চালক হিসেবে আপনার কাজ শুধু গাড়ি চালানো নয়, বরং নিরাপদ ও দায়িত্বশীলভাবে চালানো। প্রতিদিন মাত্র ৫ মিনিট সময় নিয়ে উপরোক্ত বিষয়গুলো চেক করলে আপনি নিজের এবং অন্যদের জীবন সুরক্ষিত রাখতে পারেন।

নিজে সচেতন হোন, অন্যকেও সচেতন করুন। নিরাপদে চলুন, নিরাপদে ফিরুন।

আপনার মতামত বা প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। পোস্টটি আপনার বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন, যদি আপনি চান সবাই নিরাপদে গাড়ি চালাক।

29/05/2025

গাড়ির গিয়ার বক্স সার্ভিসিং কী, কেন এবং কীভাবে করবেন: একটি বিস্তারিত গাইড

গাড়ির যত্ন নিতে গিয়ে আমরা অনেক সময় ইঞ্জিন, টায়ার বা ব্যাটারির দিকে বেশি মনোযোগ দিই, অথচ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো গিয়ার বক্স (Gearbox)। এটি গাড়ির গতি, ক্ষমতা এবং জ্বালানি দক্ষতার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। গিয়ার বক্স সঠিকভাবে কাজ না করলে গাড়ির পারফরম্যান্স মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হয়।


গিয়ার বক্স সার্ভিসিং কী?
গিয়ার বক্স সার্ভিসিং বলতে গিয়ার সিস্টেমের অভ্যন্তরীণ যন্ত্রাংশ যেমন গিয়ার অয়েল, সিল, বিয়ারিং, সিনক্রোনাইজার ইত্যাদি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, পরিষ্কার ও প্রয়োজনে প্রতিস্থাপন করাকে বোঝায়। গিয়ার বক্স দুই ধরনের হতে পারে:

● ম্যানুয়াল গিয়ার বক্স (Manual Transmission)
● অটোমেটিক গিয়ার বক্স (Automatic Transmission)

উভয় ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট সময় পরপর সার্ভিসিং করা প্রয়োজন।


গিয়ার বক্স সার্ভিসিং কেন গুরুত্বপূর্ণ?
১. মসৃণ গিয়ার পরিবর্তন: যখন গিয়ার বক্স পরিষ্কার ও ঠিকঠাক থাকে, তখন গিয়ার পরিবর্তন মসৃণ হয়। এতে গাড়ি চালানো আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়।

২. জ্বালানি সাশ্রয়: সঠিকভাবে কাজ করা গিয়ার বক্স ইঞ্জিনের ওপর চাপ কমায় এবং জ্বালানির দক্ষতা বাড়ায়।

৩. দীর্ঘস্থায়ী গিয়ার সিস্টেম: নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ গিয়ার বক্সের আয়ু বাড়ায় এবং ব্যয়বহুল রিপ্লেসমেন্ট থেকে মুক্ত রাখে।

৪. গাড়ির নিরাপত্তা: ত্রুটিপূর্ণ গিয়ার বক্স দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তাই এটি নিয়মিত পরীক্ষা করা নিরাপত্তার জন্য জরুরি।

গিয়ার বক্সে সমস্যা বোঝার উপায়
● গিয়ার চেঞ্জে দেরি হওয়া বা আটকে যাওয়া
● গিয়ার বক্স থেকে অস্বাভাবিক শব্দ (ঘর্ষণ, গুঞ্জন)
● গিয়ার নিজে নিজে নিউট্রালে চলে আসা
● গিয়ার অয়েল লিক হওয়া
● অটোমেটিক গিয়ারে স্লিপ হওয়া
উপরের যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে তৎক্ষণাৎ সার্ভিসিং প্রয়োজন।


কখন গিয়ার বক্স সার্ভিসিং করবেন?
প্রতিটি গাড়ির ইউজার ম্যানুয়ালে নির্দিষ্ট ইন্টারভ্যাল উল্লেখ থাকে। সাধারণত:
● ম্যানুয়াল গিয়ারে: প্রতি ৪০,০০০ - ৬০,০০০ কিলোমিটার পর
● অটোমেটিক গিয়ারে: প্রতি ৬০,০০০ - ৮০,০০০ কিলোমিটার পর
তবে যদি আগে থেকেই সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে অপেক্ষা না করে দ্রুত একজন দক্ষ মেকানিকের পরামর্শ নিন।


কীভাবে গিয়ার বক্স সার্ভিসিং করবেন?
গাড়ির মডেল এবং গিয়ার বক্সের ধরন অনুযায়ী সার্ভিসিংয়ের ধাপ ভিন্ন হতে পারে। তবে নিচে সাধারণ কিছু ধাপ তুলে ধরা হলো:

ধাপ ১: গাড়ি নিরাপদ স্থানে পার্ক করুন: গাড়িটি সমতল জায়গায় পার্ক করুন। হ্যান্ড ব্রেক টেনে দিন এবং ইঞ্জিন বন্ধ করে ঠান্ডা হতে দিন।

ধাপ ২: গিয়ার অয়েল পরীক্ষা করুন: অটোমেটিক গিয়ারে ডিপস্টিক থাকে, যেটা দিয়ে তেলের পরিমাণ ও রঙ পরীক্ষা করা যায়। তেল যদি:

● খুব কালো হয়
● পোড়া গন্ধ থাকে
● খুব ঘন বা খুব পাতলা হয়
● তবে অয়েল চেঞ্জ দরকার।


ধাপ ৩: গিয়ার অয়েল ড্রেন ও রিফিল
১. গিয়ার বক্সের নিচের দিকে থাকা ড্রেন প্লাগ খুলে তেল বের করে নিন
২. ফিলার প্লাগ খুলে নতুন মানসম্মত গিয়ার অয়েল দিন (সঠিক গ্রেড অনুযায়ী)

নির্দেশনা: কোম্পানির ইউজার ম্যানুয়াল অনুযায়ী নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড ও গ্রেডের তেল ব্যবহার করুন।

ধাপ ৪: গিয়ার ফিল্টার চেক করুন (অটোমেটিক ট্রান্সমিশনে: অনেক অটোমেটিক ট্রান্সমিশনে একটি ফিল্টার থাকে যা গিয়ার তেলকে পরিষ্কার রাখে। এটি পরিষ্কার বা পরিবর্তন করতে হবে।

ধাপ ৫: গিয়ার বক্স পরিষ্কার করুন: অতিরিক্ত তেল, ধুলো ও কাদা পরিষ্কার করতে একটি শুকনো কাপড় ও উপযুক্ত ক্লিনার ব্যবহার করুন।

ধাপ ৬: টেস্ট ড্রাইভ: সব কাজ শেষে গাড়ি চালিয়ে দেখে নিন গিয়ার পরিবর্তন স্বাভাবিক আছে কিনা। কোনো শব্দ বা সমস্যা থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে মেকানিকের সাহায্য নিন।


গিয়ার বক্স সার্ভিসিংয়ে বাড়তি কিছু পরামর্শ
● গিয়ার চেঞ্জ করার সময় ক্লাচ পুরোপুরি চেপে ধরুন (ম্যানুয়াল ট্রান্সমিশন)
● অটোমেটিক গিয়ারে “P” মোডে গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকুন
● নিয়মিত গাড়ির ক্লাচ প্যাডেল এবং ট্রান্সমিশন কেবল পরীক্ষা করুন
● অতিরিক্ত লোড বা রুক্ষ রাস্তা এড়িয়ে চলুন, কারণ এতে গিয়ার বক্সে অতিরিক্ত চাপ পড়ে



গিয়ার বক্স সার্ভিসিং গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি শুধু গাড়ির কার্যকারিতা বজায় রাখে না, বরং গাড়ির নিরাপত্তা এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের সাথেও সরাসরি যুক্ত। আপনি যদি গাড়ির প্রতি যত্নবান হন, তাহলে গিয়ার বক্সের সঠিক সার্ভিসিংকে কখনোই অবহেলা করবেন না।


প্রাথমিক স্তরের কিছু কাজ নিজেও করতে পারবেন, তবে জটিল সমস্যা থাকলে অবশ্যই একজন দক্ষ মেকানিকের কাছে যান। নিয়মিত গিয়ার বক্স রক্ষণাবেক্ষণ করলে আপনি দীর্ঘ সময় ধরে সমস্যামুক্ত ড্রাইভ উপভোগ করতে পারবেন।

আপনার মতামত ও অভিজ্ঞতা নিচের কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। পোস্টটি উপকারী মনে হলে শেয়ার করুন আপনার বন্ধুদের সঙ্গে।

🛠প্রতিটি গাড়ির ইঞ্জিনের হুডের নিচে আমরা কিছু ছোট ট্যাংক দেখতে পাই। কি কি অয়েল বা তরল পদার্থ থাকে❓ এগুলোর মধ্যে কিছু নি...
18/04/2024

🛠প্রতিটি গাড়ির ইঞ্জিনের হুডের নিচে আমরা কিছু ছোট ট্যাংক দেখতে পাই। কি কি অয়েল বা তরল পদার্থ থাকে❓ এগুলোর মধ্যে কিছু নিয়মিত চেক করা জরুরি। আবার কিছু আছে যা প্রতিদিন না চেক করলেও সপ্তাহে অন্ত্যত ১বার হলেও চেক করা প্রয়োজন।
১-ইঞ্জিনঅয়েল
২-ব্রেকঅয়েল
৩-গিয়ারঅয়েল
৪-পাওয়ার স্টিয়ারিংঅয়েল
৫-কুলেন্ট ওয়াটার বা রেডিওয়াটার
৬-ওয়াশার ওয়াটার বা রেইন ওয়াইপার ফ্লুইড
📌ইঞ্জিন অয়েল কি?
সহজ কথায় বলতে আমরা সকলেই জানি প্রতিটি ইঞ্জিনের ভিতরে কিছু জিনিস ক্রমাগত চলতে থাকে বা ঘর্ষণ হতে থাকে যেমনঃ টাইমিং চেইন, ক্র্যাংকশ্যাফট, পিস্টন ইত্যাদি। আর এইসবের ঘর্ষণ গুলো যাতে আরোও দ্রুত ও স্মুথলি হয় সেইজন্য ইঞ্জিনওয়েল ব্যবহার করা হয়। ইঞ্জিনঅয়েলের কাজ হলো এই চলমান পিস্টন গুলোর ঘর্ষণকে আরোও দ্রুত করা বা ঘর্ষন কমানো।
📌ইঞ্জিনঅয়েলের ধরণ
Synthetic oil
Synthetic blends
High mileage oil
Conventional oil.
📌ইঞ্জিনঅয়েলের গ্রেড কি?
SAE (Society of Automotive Engineers)ইঞ্জিনঅয়েল ও ট্রান্সমিশন ওয়েলের সান্দ্রতার উপর ভিত্তি করে তাদের গ্রেড নামকরন করেছে। সান্দ্রতা হল তরলের অভ্যন্তরীণ ঘর্ষণকে প্রকাশ করার পরিমাণ। ঘরের তাপমাত্রায় বিভিন্ন ইঞ্জিনের তেলের বিভিন্ন সান্দ্রতা থাকে। তারা তাপমাত্রা পরিবর্তনের জন্য ভিন্ন ভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়। যেমনঃ 0W, 5W, 10W, 15W, 20W, 25W, 20, 30, 40, 50, and 60। এখানে W দ্বারা ইঞ্জিনওয়েলের weight বোঝায়। কম সান্দ্রতা হলে সেই তেল পাতলা হবে আর বেশি সান্দ্রতা হলে সেই তেল বেশি ঘন হবে।বর্তমানে আমাদের দেশে প্রায় গাড়িতে 0W-20 এবং 5W-30 ব্যবহার করে কিন্তু আমাদের খেয়াল রাখা দরকার কোন গাড়ির ইঞ্জিনের জন্য কোন গ্রেড প্রয়োজন। কোম্পানি প্রদত্ত কিছু তথ্য থাকে যা আমরা মেনে চলা উচিত তাহলে ইঞ্জিন ভালো থাকবে।
📌কিভাবে ইঞ্জিনঅয়েল চেক করতে হবে??
সপ্তাহে অন্ত্যত ১ বার হলেও ইঞ্জিনওয়েল চেক করা প্রয়োজন।
১.সকালে গাড়ি স্টার্ট করার আগে অর্থাৎ ইঞ্জিন ঠান্ডা থাকা অবস্থায় চেক করতে হবে।
২.ডিপস্টিকটি আস্তে করে খুলে নিতে হবে।
৩.সাদা টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে নিতে হবে।
৪.পূনরায় ডিপস্টিকটি প্রবেশ করিয়ে কিছুক্ষন অপেক্ষা করে আবার খুলে নিতে হবে।
৫.তারপর লক্ষ্য করবেন ডিপস্টিকে হাই বা লো দাগ কাটা থাকবে। যদি কম থাকে তাহলে রিফিল করবেন পরিমান মত নরমাল রেঞ্জ থাকলে কিছুদিন পর আবার চেক করবেন।
৬.আবার একটি সাদা টিস্যু দিয়ে ডিপস্টিকটি
মুছে নিবেন যদি দেখেন টিস্যুটি বেশি কালো
হয়েছে এবং আঙ্গুলে লাগিয়ে যদি অনুভব করেন
বেশি পাতলা হয়েছে পানির মত তাহলে।
বুঝবেন ইঞ্জিনওয়েল পরিবর্তন করার সময় হয়েছে।
৭.ওয়ার্নিং সাইন আসলেও ইঞ্জিনওয়েল চেক করতে হবে।
সাধারনত আমাদের দেশের প্রায় সকল মেকানিক ৩০০০-৩৫০০কিঃ মিঃ পরপর ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করার পরামর্শ দেন। এতে ইঞ্জিন ভালো থাকে। তবে আমাদেরকে খেয়াল রাখতে হবে গাড়ির কম্পানি রিকমান্ডেড যেই অয়েল আছে তা ব্যবহার করা।
📌ব্রেক অয়েল

ব্রেক অয়েল হল রাসায়নিক পদার্থ যা আধুনিক গাড়ির হাইড্রোলিক ব্রেকিং সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়। এটি ব্রেক প্যাডেলের উপর আপনার পায়ের চাপ শক্তি বাড়ানোর জন্য এবং এটি আপনার গাড়ির ব্রেকের চাপে পরিণত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ব্রেক অয়েল ছাড়া, আপনার গাড়ি থামাতে আপনার পায়ের চাপ অনেক বেশি লাগবে।অর্থাৎ,ব্রেকে যাতে আপনার পায়ের চাপ বেশি দিতে না হয় তাই ব্রেক অয়েল ব্যবহার করা হয়।
📌ব্রেক অয়েল ট্যাংকঃ
এখানে ম্যাক্সিমাম ও মিনিমাম দাগকাটা থাকে। প্রয়োজন অনুযায়ী এতে ফ্লুইড দিতে হবে। তিন ধরনের ব্রেক ফ্লুইড পাওয়া যায় তা হলDOT3, DOT4এবং DOT5। DOT3এবং DOT4 হল গ্লাইকোল-ভিত্তিক তরল, এবং DOT5হল DOT3এবং DOT4 হল সিলিকন-ভিত্তিক। প্রধান পার্থক্যজল শোষণ করে,যেখানেDOT5করে না। ব্রেক ফ্লুইডের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর ফুটন্ত/বয়েলিংপয়েন্ট। তবে এটি নিয়ে আমাদের বেশি গবেষনা করার প্রয়োজন নেই।

📌TRANSMISSION/GEAR OIL
গিয়ার অয়েল
গিয়ার অয়েল আপনার ট্রান্সমিশন মসৃণভাবে চালাতে সাহায্য করে। আরও গুরুত্বপূর্ণ, এটি আপনার গাড়ির গিয়ার সিস্টেমের অভ্যন্তরীণ গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলিকে তাপের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সহায়তাকরে।সাধারনত গিয়ার অয়েল ১০,০০০-২০,০০০ কিঃমিঃ পরপর পরিবর্তন করা ভালো। তবে গিয়ার অয়েলের ভালো খারাপের উপর ভিত্তি করে তা কমবেশি হতে পারে।
কিভাবে গিয়ার অয়েল চেক করবেন?(যেসব গাড়িতে ডিপস্টিক আছে)
1.ইঞ্জিনহুড খুলে ডিপস্টিক ( ঠিক যেমন ইঞ্জিনঅয়েলের ডিপস্টিক) লক্ষ করবেন।
তবে বর্তমানে আধুনিক গাড়িগুলোতে ডিপস্টিক থাকেনা। এক্ষেত্রে কম্পিউটার চেকআপের মাধ্যমে চেক করতে হবে।
2.ডিপস্টিকটি আস্তে করে খুলে নিতে হবে।
3.সাদা টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে নিতে হবে।
4.পূনরায় ডিপস্টিকটি প্রবেশ করিয়ে কিছুক্ষন অপেক্ষা করে আবার খুলে নিতে হবে।
5.তারপর লক্ষ্য করবেন ডিপস্টিকে হাই বা লো দাগ কাটা থাকবে। যদি কম থাকে তাহলে রিফিল করবেন পরিমান মতন আর যদি নরমালরেঞ্জ থাকে তাহলে কিছুদিন পর আবার চেক করবেন।
📌WASHER FLUID/ওয়াইপার ট্যাংক
এখানে মুলত পানি থাকে যা আপনার গাড়ির উইন্ডশিল্ডকে পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করা হয়। অনেকে এখানে শ্যাম্পু বা সাবানের পানি দিয়ে থাকে। এতে উইন্ডশিল্ডের কোটিং নষ্ট করে দিবে। বর্তমানে উইন্ডশিল্ডকে পরিষ্কার করার জন্য কিছু ট্যাবলেট পাওয়া যায় যা আপনার গাড়ির উইন্ডশিল্ডের কোটিং ভালো রাখে ও পরিষ্কার রাখে।
📌POWER STEERING
পাওয়ার স্টিয়ারিং অয়েল
পাওয়ার স্টিয়ারিং অয়েল হল হাইড্রোলিক তরল যা স্টিয়ারিং সিস্টেমের স্টিয়ারিং হুইল এবং সামনের চাকার মধ্যে একটি হাইড্রোলিক লিঙ্ক তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। এটি চাকা ঘুরানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টার পরিমাণ হ্রাস করে। পাওয়ার স্টিয়ারিং ফ্লুইড স্টিয়ারিং সিস্টেমের মধ্যে চলমান অংশগুলিকে লুব্রিকেট করে ফলে আপনাকে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করতে হয়না। আপনি ব্রেক অয়েল যেভাবে চেক করবেন এটিও ঠিক একইভাবে চেক করা যায়।

তবে বর্তমান গাড়িগুলোতে ইলেকট্রনিক পাওয়ার স্টিয়ারিং থাকাতে কোন তরল ব্যবহার করে না তাই কোন কোন ট্যাংক এবং কোন রক্ষণাবেক্ষণ নেই। সম্পুর্ন ইলেক্ট্রনিক সিস্টেম হওয়াতে কোনো ঝামেলা নেই।
📌RADIATOR FLUID
রেডিয়েটর তরল কি ?
রেডিয়েটর তরল, যা একধরনের কুল্যান্ট বা অ্যান্টিফ্রিজ নামে পরিচিত, আপনার রেডিয়েটরকে ঠান্ডা রাখে এবং গাড়ির ইঞ্জিঙ্কে ঠান্ডা রাখে ।চলন্ত অবস্থায় গাড়ির ইঞ্জিন খুব গরম হয়, বিশেষ করে উষ্ণ আবহাওয়ায়। যদি কোনো কারণে আপনার গাড়ির রেডিয়েটরে থাকা তরল শেষ হয়ে যায় তবে ইঞ্জিন হিট হয়ে যাবে এমনকি মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
📌রেডিয়েটর তরল চেকঃ
২ -৩দিন পর পর চেক করা উচিত। তবে এটি চেক করবেন যখন ইঞ্জিন ঠান্ডা থাকে বা সকালে গাড়ি স্ট্যার্ট দেয়ার পূর্বে। কখনও ইঞ্জিন গরম থাকা অবস্থায় চেক করবেন না এতে গরম পানি ছিটকে উঠে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই সকালে গাড়ি গাড়ি স্ট্যার্ট দেয়ার পূর্বে এটি চেক করে প্রয়োজন অনুযায়ী রিফিল করে নিবেন। এখানে অনেকে কুল্যান্ট ওয়াটার ব্যবহার করে তবে আপনি চাইলে মিনারেল ওয়াটারও ব্যবহার করতে পারেন। চেক করার সময় রিজার্ভ ট্যাংক সহ চেক করবেন।
ধন্যাবাদ❤️©️

আজকের বিষয়ঃ গাড়ির রেডিয়েটর কীভাবে ঠিক রাখা যায়।রেডিয়েটর হল একটি অপরিহার্য কুলিং ডিভাইস যা আপনার গাড়ির ইঞ্জিনের চারপ...
16/04/2024

আজকের বিষয়ঃ গাড়ির রেডিয়েটর কীভাবে ঠিক রাখা যায়।

রেডিয়েটর হল একটি অপরিহার্য কুলিং ডিভাইস যা আপনার গাড়ির ইঞ্জিনের চারপাশে ঘুরে ইঞ্জিন ঠান্ডা রাখে। ধরুন, রেডিয়েটর অতিরিক্ত গরম হয়ে গেল এবং ব্যস্ত মহাসড়কে বা পারিবারিক ভ্রমণে বেরিয়ে আপনার গাড়ি নষ্ট হয়ে পড়ে রইল! পরিণামগুলি কল্পনা করুন।
তাই এরকম পরিস্থিতিতে না পড়তে চাইলে এই গুরুত্বপূর্ণ জিনিসটি নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত । আপনার গাড়ির রেডিয়েটর কীভাবে ঠিক রাখা যায় সে সম্পর্কে এখানে কিছু টিপস দেওয়া হল।

১. কখনই এলোমেলোভাবে রেডিয়েটরের জন্য কুল্যান্ট নির্বাচন করবেন না। আপনি আপনার গাড়ির জন্য যে কুল্যান্ট ব্যবহার করছেন তার মান সম্পর্কে বিশেষভাবে সচেতন থাকুন। আপনার গাড়ির মডেল অনুযায়ী কুল্যান্ট কিনতে পারেন। দুটি আলাদা কুল্যান্ট একসাথে না মিশানোর পরামর্শ রইল।

২. দীর্ঘমেয়াদে আপনার গাড়ির রেডিয়েটর ভালো রাখতে আরেকটি দরকারী টিপস হল, নিয়মিত বিরতিতে ফ্লুইড চেক করা। গাড়িতে কুল্যান্টের সঠিক মাত্রা ঠিক রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক লেভেলের তরল, আপনার ইঞ্জিনকে অতিরিক্ত গরমের পাশাপাশি হিমায়িত হওয়া থেকে বাঁচায়। ফলস্বরূপ, ইঞ্জিন আবহাওয়া দ্বারা প্রভাবিত হয় না।

৩. রেডিয়েটর গাড়ির ইঞ্জিন ঠান্ডা করতে সাহায্য করে। আপনি যদি আপনার গাড়িতে অতিরিক্ত বোঝা বহন করেন, তাহলে রেডিয়েটর ইঞ্জিন ঠান্ডা করতে বেশি সময় নেবে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন যে ইঞ্জিনের অতিরিক্ত গরম হওয়ার অন্যতম কারণ হল ওভারলোডিং। অতএব, আপনাকে অবশ্যই প্রস্তুতকারকের ম্যানুয়াল মেনে চলতে হবে এবং গাড়ির লোড সর্বনিম্ন রাখতে হবে।

৪. ফ্লুইড লেভেল পরীক্ষা করা ছাড়াও, যন্ত্রপাতির ভিতরে পানির লেভেল পরীক্ষা করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি সপ্তাহে রেডিয়েটরের পানির লেভেল পরীক্ষা করুন। রেডিয়েটরের ভিতরে ঠান্ডা পানি দিবেন না, বিশেষ করে তার অপারেটিং তাপমাত্রার সময়। গাড়ি ঠান্ডা হওয়ার জন্য অপেক্ষা করার এবং তারপরে পানি যোগ করুন। ঠান্ডা পানি রেডিয়েটরের কর্মক্ষমতা নষ্ট করতে পারে। এটি অ্যালুমিনিয়াম সিলিন্ডারের উপরও বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে এবং ফাটল সৃষ্টি করতে পারে।

৫. গাড়িতে ইঞ্জিন কুল্যান্ট যুক্ত করার অনেক সুবিধা রয়েছে। এটি আপনার গাড়ির কুলিং সিস্টেমকে ঠান্ডায় জমে যেতে বাধা দেয় এবং এর বয়লিং পয়েন্টকেও কমিয়ে দেয়। ইঞ্জিন কুল্যান্টের নিয়মিত ব্যবহার, থার্মোস্ট্যাটের স্টিকিং প্রতিরোধ করে। তাই গাড়ির রেডিয়েটরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৬. গাড়ির কুলিং সিস্টেমের নিয়মিত ফ্লাশ নিশ্চিত করুন। আপনি কতদিনের ব্যবধানে রেডিয়েটার ফ্লাশ করতে চান তা এক মডেল থেকে অন্য মডেল ভিন্নতার উপর নির্ভর করে। বেশিরভাগ গাড়ির কুলিং সিস্টেম বছরে কমপক্ষে একবার ফ্লাশ করা জরুরি হয়ে পড়ে। আপনি যদি আপনার গাড়িকে খুব রাফলি ব্যবহার করেন এবং এক ট্রিপে অনেক দূরত্ব করতে হয়, তবে আপনাকে বছরে একবারের বেশি রেডিয়েটরকে ফ্লাশ করতে হবে। গাড়ী রেডিয়েটার ফ্লাশিং, ক্লোগিং এবং কণা জমতে বাধা দেয়। যেগুলো রেডিয়েটারের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

৭. হঠাৎ ঝামেলায় পড়া থেকে বাঁচতে, গাড়ীর রেডিয়েটারগুলি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা আবশ্যক। মনে রাখবেন, ত্রুটি এবং ড্যামেজ খুঁজে বের করতে গাড়ীর রেডিয়েটার পরিদর্শন করা কোন ছেলেখেলা নয়। প্রফেশনাল কারো সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং তাদের থেকে প্রয়োজনীয় সেবা নিন।

ধন্যাবাদ

রমজানের কারনে একমাস ছুটিতে যাচ্ছেন ইবলিশ সাহেব। সেই সাথে নিজের দায়িত্ব বাংলাদেশের ব্যবসায়ী পার্টনারদের বুঝিয়ে দিয়ে যাচ্ছ...
08/03/2024

রমজানের কারনে একমাস ছুটিতে যাচ্ছেন ইবলিশ সাহেব। সেই সাথে নিজের দায়িত্ব বাংলাদেশের ব্যবসায়ী পার্টনারদের বুঝিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন।

N1, N2, N8 ইত্যাদি শব্দগুলোর সাথে আমরা অনেকেই হয়তো পরিচিত। তবে আমরা অনেকেই হয়তো জানি না, আসলে এ দ্বারা কি বুঝানো হয়ে থাক...
14/02/2024

N1, N2, N8 ইত্যাদি শব্দগুলোর সাথে আমরা অনেকেই হয়তো পরিচিত।
তবে আমরা অনেকেই হয়তো জানি না, আসলে এ দ্বারা কি বুঝানো হয়ে থাকে আসলে। মূলত এগুলো হচ্ছে আমাদের জাতীয় মহাসড়ক (হাইওয়ে) সমূহের সংক্ষিপ্ত রূপ। যার মাধ্যমে সহজেই বোঝা যায়, কোনটা কোন মহাসড়ক। চলুন আজ জেনে নিই, আমাদের দেশের আটটি মহাসড়কের সংক্ষিপ্ত নাম-

🔴N1 = ঢাকা - চট্টগ্রাম - টেকনাফ
🟡N2 = ঢাকা - সিলেট - তামাবিল
🟢N3 = ঢাকা - ময়মনসিংহ
🔵N4 = ঢাকা - জামালপুর
🟣N5 = ঢাকা - আরিচা - রংপুর - বাংলাবান্ধা
🟤N6 = ঢাকা - রাজশাহী - চাপাইনবাবগঞ্জ
⚫N7 = দৌলতিয়া - খুলনা - মোংলা
⚪N8 = ঢাকা - ভাঙ্গা - বরিশাল - পটুয়াখালী

যোগ্যতার উপাদান হল১. জ্ঞান২. দক্ষতা৩. দৃষ্টিভঙ্গি৪. মূল্যবোধ৫. যোগ্যতা১) জ্ঞান : গাড়ি চালানোর নিয়ম কানুন জানা হলো জ্ঞান।...
30/11/2023

যোগ্যতার উপাদান হল

১. জ্ঞান
২. দক্ষতা
৩. দৃষ্টিভঙ্গি
৪. মূল্যবোধ
৫. যোগ্যতা

১) জ্ঞান : গাড়ি চালানোর নিয়ম কানুন জানা হলো জ্ঞান।
২) দক্ষতা : গাড়ি ভালোভাবে চালাতে পারা হলো দক্ষতা।
৩) দৃষ্টিভঙ্গি : সিগনালে গাড়ি নেই, সার্জেন্ট নেই আপনি নিয়ম মানবেন কি না এটা আপনার দৃষ্টিভঙ্গি।
৪) মূল্যবোধ : সবসময় নিয়ম মেনে গাড়ি চালানোর প্রতি মনোভাব তৈরি হওয়া এক ধরনের মূল্যবোধ।
৫) যোগ্যতা : নিয়ম কানুন মেনে ভালোভাবে গাড়ি চালাতে পারা হচ্ছে যোগ্যতা।

24/11/2023
09/11/2023
💥 গাড়ি বিক্রয়ের চুক্তিপত্র>> আমরা যখন নিজেদের গাড়ি টি অন্যের কাছে বিক্রি করতে চাই বা কারো কাছ থেকে কোনো গাড়ি কিনতে যাই ত...
05/10/2022

💥 গাড়ি বিক্রয়ের চুক্তিপত্র

>> আমরা যখন নিজেদের গাড়ি টি অন্যের কাছে বিক্রি করতে চাই বা কারো কাছ থেকে কোনো গাড়ি কিনতে যাই তখন আমাদের ওই গাড়ি টি কেনার জন্য একটি চুক্তিপত্র করতে হয়। তো আজকে আমরা জানব কিভাবে গাড়ি বিক্রি করার চুক্তিপত্র (Car sales contract) করতে হয়।

প্রথমেই চুক্তিপত্রটির উপরের “গাড়ি বিক্রয়ের চুক্তিপত্র” কথাটি লিখতে হবে।

তারপর প্রথম পক্ষঃ লিখতে হবে বা না লিখলেও হয়, প্রথম পক্ষ এর লাইন থেকে গাড়ি টি যে বিক্রি করবে তার “নাম, পিতার নাম, ঠিকানা, পেশা, ভোটার আইডি নাম্বার ও মোবাইল নাম্বার দিতে হবে”। এরপর নিচের লাইনে “প্রথম পক্ষ/গাড়ির মালিক বা বিক্রেতা” কথাটি লিখতে হবে।

এখন দ্বিতীয় পক্ষঃ লিখতে হবে পরের লাইনে, তারপর এই লাইনে যে গাড়ি টি কিনবে তার “নাম, পিতার নাম, ঠিকানা, পেশা, ভোটার আইডি নাম্বার ও মোবাইল নাম্বার দিতে হবে”। এরপর নিচের লাইনে “দ্বিতীয় পক্ষ/গাড়ির ক্রেতা” কথাটি লিখতে হবে।

** লেখাগুলোর ডট ডট গুলোতে গাড়ির তথ্যগুলো দিয়ে দিতে হবে।

তারপর পেইজের নিচে “চলমান পাতা ০২” লিখতে হবে, এটা লেখার কারণ হলো পরে আরো পাতা আছে, মানে পরের পাতাটি ০২ নং পাতা।

এর পর আরেকটি পেইজ শুরু হবে, সেখানে প্রথমেই উপরে “পাতা নং-০২” লিখতে হবে।

এর পরের লাইনে লিখতে হবে-

“অত্র গাড়ি খানা বিক্রয় করার প্রস্তাব করিলে দ্বিতীয় পক্ষ নিম্ন বর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে ক্রয় করিতে উচ্ছুক হইলে আমরা উভয় পক্ষ আলাপ আলোচনার মাধ্যমে গাড়ীর বর্তমান বাজার দর নির্ধারণ করে বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেই।”

** এই কথাটি সবার জন্যই হয়ে থাকে এই কথাটি পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয় না।

পরের লাইনে ‘শর্তাবলী’ লেখাটি লিখতে হবে। মানে এরপর থেকে নিচে নিচে চুক্তিপত্রের কি কি শর্তাবলী আছে সেগুলোকে উল্লেখ করতে হবে।

১। গাড়ির বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী, গাড়ির মোট মুল্য -……………………/- (…………………..) টাকা মাত্র।

২। দ্বিতীয় পক্ষ ক্রেতা উক্ত গাড়ির ক্রয় বাবদ নগদ -……………………/- (…………………..) টাকা পরিশোধ করিয়া গাড়ি টি বুঝিয়া নিলেন।

৩। অদ্য ……………….. তারিখ হইতে গাড়ি টির সাথে সম্পর্কিত সমস্ত দায় দায়িত্ব ক্রেতা বহন করিবেন।

৪। নাম পরিবর্তনের সময় বাকি -……………………/- (…………………..) টাকা দ্বিতীয়পক্ষ প্রথমপক্ষকে দিবেন। প্রথম পক্ষ দ্বিতীয় পক্ষকে নাম পরিবর্তন করে দিতে বাধ্য থাকিবে। প্রথম পক্ষ যদি ব্যর্থ হয় সমস্ত টাকা দিতে বাধ্য থাকিবে এবং দ্বিতীয় পক্ষ প্রথম পক্ষকে গাড়ি টি ফেরত দিতে বাধ্য থাকিবে।

** উপরের এই প্রধান ৪টি পয়েন্ট উল্লেখ করে গ্যাপগুলো পূরণ করে দিতে হবে এবং পেইজের নিচে “চলমান পাতা-০৩” দিয়ে আরেকটি পেইজ শুরু করতে হবে। এরপর লিখতে হবে,

এতদ্বার্থে আমরা উভয় পক্ষ অত্র দলিল পড়িয়া ও বুঝিয়া, সুস্থ্য মস্তিস্কে স্বাক্ষীগণের সম্মুখে নিজ নিজ নামে সহি ও স্বাক্ষর করিলাম।

💥 গাড়ি বিক্রয় চুক্তিনামা নমুনা দেওয়া হলো:

📝 বিক্রয় রশিদ পত্র

ইয়াদিকির্দ্দঃ নামঃ …………………………………………………

পিতা/স্বামীঃ ……………………………………………………………………………..

ঠিকানাঃ……………………………

………………….. ১ম পক্ষ/ক্রেতা।



লিখিতংঃ নামঃ ……………………………………………………

পিতা/স্বামীঃ………………………………………

ঠিকানাঃ………………………………………

………………………… ২য় পক্ষ/বিক্রেতা।

অপর পাতায় দ্রঃ

(পাতা নং/২)

অস্য বিক্রয় রশিদ পত্র মিদং। আমার নিজ নামীয় ও স্বত্ব দখলীয় একখানা…………………………………………………………………………………., মডেল …………………………….যাহার রেজিস্ট্রেশন নং………………………………..

চেসিস নং…………………………………………

ইঞ্জিন নং………………………………………………………………………………….

অশ^শক্তি………………..সি. সি, গাড়িখানা মূল্য ………………………………………..

(কথায়) …………………………………………………………………………………..

টাকায় আপনি ক্রেতার বরাবরে বিক্রয় করিলাম। আমার গাড়ীর বিরুদ্ধে অতীতে ও বর্তমান কোন মামলা-মোকদ্দমা নাই, যদি কোনো মামল-মোকদ্দমা থাকিয়া থাকে, তাহার জন্য আমি নিজে দায়ী থাকিব, বি, আর, টি এ অফিস কর্তৃপক্ষ যে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করিলে আমি তা মানিয়া নিব।
অপর পাতায় দ্রঃ

(পাতা নং/৩)

প্রকাশ থাকে যে, উক্ত গাড়িখানা সম্পার্কে আমি কিংবা আমার স্থলবর্তী

পরবর্তী, উওরাধিকারী কাহারো কোনরুপ দাবী দাওয়া নাই ও রহিল।

এতদ্বার্থে স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে সুস্থ বুদ্ধিতে থাকিয়া অএ বিক্রয় রশিদ পএ সম্পাদন করিলাম।

স্বাক্ষীঃ বিক্রেতা/মালিকের স্বাক্ষরঃ

১।

২।

হলফনামা

আমি ………………………………………………………………………………………………………….

পিতা/স্বামীঃ……………………………………………………………………………………………………..

ঠিকানাঃ…………………………………………………………………………………………………

এই মর্মে পবিত্রতা সহকারে হলফ পূবর্ক ঘোষণা করিতেছি যে, আমার নিজ নামীয় ও স্বত দখলীয় একখানা………………………………………………………………………………………………….

রেজিস্ট্রেশন নং………………………………………………

মডেল……………………………………………

চেসিস নং…………………………………………………………………………………………………………

ইঞ্জিন নং……………………………………

অশ^শক্তি………………………………………………………………………………………….সি,সি গড়িখানা

জনাব/জনাবা……………………………………………………………………………………………………

পিতা/স্বামীঃ………………………………………………………………………………………………………

ঠিকানাঃ………………………………………………………………………………………………………….

এর নিকট………………………………………………………………………………………….টাকায় বিক্রয় করিলাম। আমার গাড়ির বিরুদ্ধে অতীতে ও বর্তমানে কোন মামলা-মোকদ্দমা নাই, যদি কোন মামলা-মোকদ্দমা থাকিয়া থাকে, তাহার জন্য আমি নিজে দায়ী থাকিব,

অপর পাতায় দ্রঃ

(পাতা নং/২)

বি, আর , টি এ অফিস কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকিবে না এবং আমার হেন কৃতকাজের জন্য বি আর টি এ অফিস কর্তৃপক্ষ যেকোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করিলে আমি তা মানিয়া নিব।

উক্ত গাড়িখানার মালিককানা স্বত্ব ক্রেতার অনুকূলে মালিকানা বদলি করিতে আমার কোনোরুপ আপত্তি নাই ও রহিল না।

অত্র হলফনামা আমার জানামতে সত্য ও সঠিক।

এতদ্বার্থে স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে সুস্থির বুদ্ধিতে থাকিয়া অত্র হলফনামায় আমার নিজ নাম দস্তখত সম্পাদন করিলাম।

………………………………………………………………..

স্বাক্ষীগণের স্বাক্ষরঃ
১। প্রথম পক্ষের স্বাক্ষর
২। দ্বিতীয় পক্ষের স্বাক্ষর
৩।
হলফকারী আমার পরিচিত। তিনি আমার সামনে দস্তখত প্রদান করিয়াছেন।

*** উপরের এই লেখাগুলো লেখার পর ১০০ টাকার তিনটি স্ট্যাম্প পেপারে তিনটি পেইজ প্রিন্ট দিতে হবে। পেইজের মার্জিনে পেইজ সেটাপে উপরে ৪.৫ ইঞ্চি জায়গা খালি রাখতে হবে এবং নিচের দিকে ১.৫ ইঞ্চি জায়গা খালি রাখতে হবে ও দুই সাইটে ১ ইঞ্চি ১ ইঞ্চি জায়গা খালি রাখলেই হবে।

বি. দ্র.: এই চুক্তিপত্রটি গাড়ি চুক্তিপত্র (Car Deed) দেখানো হলো, কিন্তু আপনি যদি মোটর সাইকেল এর চুক্তিপত্র করতে চান তাহলে গাড়ির জায়গায় মোটর সাইকেল লাগালেই হয়ে যাবে এবং মোটর সাইকেল এর তথ্যগুলো দিলেই হবে, বাকি সব ঠিক থাকবে।

Address

Plot# 96 , Road # 20, Block # J, Baridhara Division
Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Eso Car House posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share