Al-Furqan Hajj & Umrah Service Bangladesh

Al-Furqan Hajj & Umrah Service Bangladesh We are Specialists In Hajj & Umra Packages Tours. Licensed agents approved by the Ministry of Hajj. Experts in 5* & 4* - Hajj & Umrah Travel Packages.

We specialise in - Packages with 5 star and 4-star hotels - close to both the Masjids. For all enquiries call Al Furqan Hajj & Umrah Call: +88 01320386409. Al Furqan Hajj & Umrah is an established company that has been running Hajj and Umrah packages for the diverse needs of the Muslim population of Bangladesh. We always insist on professionalism and transparency, which is why we are IATA license

holders and approved agents by the Ministry of Hajj. Our greatest pride is a satisfied customer. We approach our business in a different way to most. It is our passion. For years we have been training ourselves to become experts of the highest degree in this market. That is why we offer a variation of Hajj and Umrah packages which can be tailor-made to suit specific needs. Al Furqan Hajj & Umrah, we appreciate that for most people Hajj and Umrah is a hard-earned trip made only once in a lifetime. We regard pilgrims as our honoured guests rather than customers. As such we try to make their lives easier by offering various services such as financial planning for Hajj, guidance on writing an Islamic will and full facilities to help plan your trip, book your Qurbani / Hady and offer any other related assistance. We were also the first in the UK market to offer Hajj El-Badal (on behalf of the deceased or those unable to perform Hajj). The services we have provided and the ways in which we have conducted our Hajj groups over the years have contributed to shaping the market and helped other tour operators follow the same path by our example.

19/12/2021

জাবলে নূর পাহাড়: হিজরতের সময় হুজুর পাক (স:) এবং সাহাবী আবু বকর (রা:) এই পাহাড়ের ভিতরের লুকিয়ে আত্মরক্ষা করেছিলেন।
There are different historical and holy places to visit in Makkah. There are many religious stories associated with these sites and that's the reason people want to visit them. Some of them: Darul Arqam, Darun Nadwah, Jannat-ul-Mala, Masjid Aisha ..etc. (28 April 2019)

02/12/2021

মদীনা নগরীর পবিএ মসজিদ, মসজীদ আল নববীর বাহিরের দিক। হযরত ওসমান (রা:) সময় কালে হাতে লেখা কিছু কুরআন শরীফ, যা মসজীদে নববীর পাশে কুরআনের মিউজিয়াম বা জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।

Medina is a city in western Saudi Arabia. In the city center, the vast "Al-Masjid an-Nabawi" (Prophet's Mosque) is a major Islamic pilgrimage site. (02 May 2019; Medina, Saudi Arabia)

&umrah

27/11/2021

মদীনা নগরীর পবিএ মসজিদ, মসজীদ আল নববীর বাহিরের দিক। এখানে রয়েছে হুজুর পাক (স:) রওজা মোবারক সহ “জান্নাতুল বাকি” যেখানে ৮-১০ হাজার সাহাবীর কবর রয়েছে।

Medina is a city in western Saudi Arabia. In the city centre, the vast "Al-Masjid an-Nabawi" (Prophet's Mosque) is a major Islamic pilgrimage site. (02 May 2019; Medina, Saudi Arabia)

25/11/2021

রিয়াদুল জান্নাহ ও রাসালুল্লাহ (সা) এর রওজা মুবারক (২ মে ২০১৯, মদীনা)
&umrah

22/11/2021

‘গারে হেরা’ বা ‘হেরা গুহা’:- (২৮ এপ্রিল ২০১৯)

নবুওয়ত লাভের পূর্বে নবী করিম (সা.) এই গুহায় ইবাদতে মগ্ন থাকতেন। এখানেই সর্বপ্রথম অহি নাজিল হয়েছিলো। মক্কা শরিফ থেকে ছয় কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত একটি পাহাড়ের নাম জাবালে নূর। এই পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত একটি গুহাকে বলা হয়- ‘গারে হেরা’ বা ‘হেরা গুহা’।

নিচ থেকে দেখলে মনে হয় পাহাড়টি খুব বেশি উঁচু নয়। কিন্তু আদতে পাহাড়টি বেশ উঁচু। এমনকি জাবালে নূরে যাওয়ার জন্য যেখানে গাড়ি দাঁড়ায়, সেই স্থানটিও সমতল থেকে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ ফুট ওপরে। সমতল থেকে এটুকু পথ গাড়িতে ওঠা যায়। কেউ অবশ্য এটুকু হেঁটে ওঠেন। আবার কেউ গাড়ি নিয়ে ওঠেন। মূল পাহাড়ের উচ্চতা ৫৬৫ মিটার। এখানে উঠতে হয় হেঁটে।
অনেক দশনার্থী পাহাড়ের চূড়ায় উঠেন। তীব্র গরম, রোদের তাপ আর সঙ্গীদের নিরুৎসাহ ইত্যাদি মিলিয়ে আমাদের অবশ্য ওপরে উঠার সাহস হলো না। যদিও ওপরে উঠার রাস্তা কোনো রকমে পাথর কেটে কেটে সিঁড়ি বানানো হয়েছে। আবার কোথাও কোথাও পাইপ বা চিকন রডের রেলিং দেওয়া আছে। অগত্য জাবালে নূর দর্শন হলো- পাহাড়ের গোঁড়া থেকে।

যারা উঠেছেন, তাদের ভাষ্য হলো- এখন ওপরে ওঠা আগের তুলনায় অনেক সহজ। কিছু দূর উঠে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য বসার জায়গা তৈরি করা হয়েছে। পথে এ রকম পাঁচটি বিশ্রামাগার রয়েছে।

ভাবতে অবাক হতে হয়, আজ থেকে সাড়ে চৌদ্দশত বছর আগে জাবালে নূরের একেবারে চূড়ায় অবস্থিত হেরা গুহায় উঠার জন্য এখনকার মতো রাস্তা ছিলো না। কোনো সিঁড়ি ছিলো না। ছিলো না কোনো রেলিং। তখন এই পথ বেয়ে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ওপরে উঠতেন। আর উম্মুল মুমিনিন হজরত খাদিজা (রা.) হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জন্য নিয়ম করে খাবার নিয়ে যেতেন!

যে গুহায় নবী করিম (সা.) নবুওয়তের আগে ধ্যান করতেন এবং যেখানে কোরআন নাজিল হওয়া শুরু হয়, ওই গুহাটির আয়তন ৬ থেকে ৭ বগফুট। দশনার্থীরা এখানে এসে নামাজ পড়েন। চেষ্টা করেন কিছু সময় ধ্যান বা মোরাকাবা করার।

ইতিহাসে বলা হয়েছে, আল্লাহতায়ালার অদৃশ্য ইশারায় হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) প্রতি বছর এখানে মাসখানেক গভীর ধ্যান ও গবেষণায় নিয়োজিত থাকতেন। নিঝুম গবেষণা, একনিষ্ঠ ধ্যান ও নির্জনতা অবলম্বনের যথার্থ পরিবেশ বিরাজমান ছিল এ গুহায়। নবী করিম (সা.)-এর বয়স চল্লিশে পৌঁছার অনেক আগে থেকেই তিনি এখানে নির্দিষ্ট মেয়াদে সময় কাটাতে থাকেন। হজরত খাদিজা (রা.)-এর সঙ্গে বিয়ের পর থেকে প্রতি বছরই তিনি রমজানের একমাস এখানে নির্জনবাস করতেন। এরূপ নির্জনবাস কোরায়েশরাও জাহিলি যুগে করতো।

নবী করিম (সা.)-এর বয়স চল্লিশ বছর পূর্ণ হলে তার প্রতি অহি নাজিল হয়। নবী করিম (সা.)-এর গারে হেরায় নির্জন বাস বিষয়ে কোরায়েশরা তার সঙ্গে দুশমনি করেনি। কারণ তার পিতামহ আবদুল মুত্তালিবই সর্বপ্রথম এখানে নির্জনবাস করেছেন এবং তিনি এ প্রথার সূচনা করেছেন। বর্বরতার তিমির পরিবেশে কেউ পাপমুক্তি ও পরিশুদ্ধি অর্জন করতে চাইলে তার সংশোধনাগার ছিল এ গারে হেরা।

মূলত এখানে নির্জনবাসের কারণ ছিলো- পাপ বর্জন করা, সব ধরনের অন্যায় থেকে দূরে থাকা, একত্ববাদের আদর্শে অটুট থাকা, মূর্তিপূজা পরিহার করে পূণ্য কাজে মনোনিবেশ করা। নির্জনতা অবলম্বন করে ধ্যান-গবেষণা করা, নিভৃতে সাধনা সংযম করা।

নবী মুহাম্মাদ (সা.) মানবজাতির শান্তির জন্য, মুক্তি ও কল্যাণের জন্য আজীবন সাধনা করে গেছেন। তিনি মানুষের হৃদয়ে আল্লাহর উপলব্ধি জাগানো এবং মানুষকে কুফর ও শিরক হতে মুক্ত করার ভাবনায় নিমগ্ন থাকতেন সদা সর্বদা। নিজ বাসস্থান থেকে অনেক দূরে হেরা গুহায় একাকী নিজনে থাকা তারই একটি প্রক্রিয়া।

হেরা গুহা ও জাবালে নূর এ দু’টি স্থান ও মুসলমানদের কাছে খুবই প্রিয়। এই পাহাড়ের হেরা গুহায় প্রথম অহি নিয়ে আসেন হজরত জিবরাইল (আ.)। তিনি এসে নবী করিম (সা.) কে বলেন, ‘পড়ুন।’ নবী করিম (সা.) বললেন, ‘আমি পড়তে জানি না।’ হজরত জিবরাঈল (আ.) নবী করিম (সা.) কে আলিঙ্গন করলেন। জিবরাঈল (আ.) পুনরায় তাকে বললেন, পড়ুন। এভাবে তিন বার ফেরেশতা জিবরাইল (আ.) তাকে আলিঙ্গন করেন। এরপর নবী করিম (সা.) পড়তে শুরু করলেন। প্রথমে হজরত জিবরাঈল (আ.) সূরা আলাকের প্রথম পাঁচটি আয়াত পড়ে শোনান। এভাবেই সূরা আলাক নাজিলের মধ্য দিয়ে শুরু কোরআন নাজিল। সূচনা হয় নতুন ধর্ম- ইসলামের।

বস্তুত হেরা গুহা বা গারে হেরা ইসলামের ইতিহাসে একটি আলোচিত জায়গার নাম। ইসলামের ঐতিহাসিক নির্দেশনাবলীর অন্যতম। মানব জাতির মুক্তির দিক নির্দেশনা সম্বলিত গ্রন্থ এবং প্রিয় নবীর শ্রেষ্ঠ মুজেজা সব শেষ ও সেরা আসমানি কিতাব কোরআনে কারিম দুনিয়ার বুকে সর্ব প্রথম এখানে নাজিল হয় যে কারণে এই গুহার মূল্যায়ন এতো বেশি।

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর মেশিনে করোনা শনাক্তকরণ পরীক্ষা কার্যক্রম আজ শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে। এত...
27/09/2021

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর মেশিনে করোনা শনাক্তকরণ পরীক্ষা কার্যক্রম আজ শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে। এতে সহজেই করোনা শনাক্তকরণ পরীক্ষা সম্পন্ন করতে পারবেন প্রবাসীরা।
বিমানবন্দরের দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিমানবন্দরে ল্যাব পরিদর্শন করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, ছয়টি ল্যাবে ১২টি মেশিন বসবে। সবকিছুই প্রস্তুত। এ ল্যাব বসলে ২৪ ঘণ্টায় তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার নমুনা পরীক্ষা করা যাবে।

শুক্রবারের মধ্যেই বিমানবন্দরে অবকাঠামো নির্মাণকাজ শেষ হবে বলে জানান মন্ত্রী।

Saudi approves sinopharm and sinovac চীনা টিকা অনুমোদন দিয়েছে সৌদি আরবকরোনাভাইরাসের নতুন দুইটি টিকার অনুমোদন দিয়েছে সৌদি...
22/09/2021

Saudi approves sinopharm and sinovac
চীনা টিকা অনুমোদন দিয়েছে সৌদি আরব

করোনাভাইরাসের নতুন দুইটি টিকার অনুমোদন দিয়েছে সৌদি আরব। মঙ্গলবার অনুমোদন পাওয়া টিকা দুইটি হলো চীনের তৈরি সিনোভ্যাক এবং সিনোফার্ম। এর আগে দেশটিতে অনুমোদিত টিকা ছিলো চারটি। সেগুলো হলো অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার-বায়োএনটেক, জনসন অ্যান্ড জনসন এবং মডার্না।

এর আগে সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, সিনোফার্ম ও সিনোভ্যাক টিকার পূর্ণ ডোজ গ্রহণকারীদের দেশটিতে প্রবেশের সুযোগ রয়েছে। তবে সেক্ষেত্রে সৌদিতে অনুমোদন পাওয়া চারটি টিকার যে কোনও একটির বুস্টার ডোজ গ্রহণের প্রয়োজন ছিলো।

সমস্ত উমরাহ্‌ যাত্রীদের জন্য একটি ধাপে ধাপে নির্দেশিকা: ১) যারা কোভিড -১৯ এর বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ টিকা নিয়েছেন, যারা প্রথম...
27/08/2021

সমস্ত উমরাহ্‌ যাত্রীদের জন্য একটি ধাপে ধাপে নির্দেশিকা:

১) যারা কোভিড -১৯ এর বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ টিকা নিয়েছেন, যারা প্রথম ডোজের পর ১৪ দিন অতিবাহিত করেছেন এবং যারা সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়েছেন তাদের পারমিট দেওয়া হতে পারে

২) বিদেশী উমরাহ্‌ যাত্রীদের সার্টিফিকেট থাকা আবশ্যক যা প্রমাণ করে যে তারা কোভিড -১৯ এর বিরুদ্ধে টিকা নিয়েছে।

৩) সমস্ত যাত্রীদের অবশ্যই Eatmarna বা Tawakkalna অ্যাপ ব্যবহার করে একটি স্থান সংরক্ষণ করতে হবে, তার পরে একটি প্রবেশের অনুমতি জারি করা হবে।

৪) গ্র্যান্ড মসজিদে, পারমিটের তারিখ এবং বৈধতা যাচাই করা হবে এবং যাচাই করা হবে। পারমিটধারীর টিকাদানের অবস্থাও যথাযথভাবে যাচাই করা হবে

৫) একজন হজযাত্রী গ্র্যান্ড মসজিদের আশেপাশের যেকোন হোটেলে থাকার ব্যবস্থা বুক করে এবং হোটেলের সহায়তার সুবিধা গ্রহণ করে ওমরাহ করতে পারেন।

৬) একজন বিদেশী যাত্রীর স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করতে হবে যদি তাদের স্বাস্থ্যের অবস্থা তাওয়াক্কালনায় প্রবেশ না করা হয় ।

বাংলাদেশসহ ১৮টি দেশের টিকাগ্রহীতা যাত্রীদের ওপর থেকে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ওমান। এরমধ্যে ভারত ও পাকিস্তান রয়েছে।আ...
26/08/2021

বাংলাদেশসহ ১৮টি দেশের টিকাগ্রহীতা যাত্রীদের ওপর থেকে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ওমান। এরমধ্যে ভারত ও পাকিস্তান রয়েছে।

আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই দেশগুলোর যাত্রীরা করোনার আগে যেভাবে ভ্রমণ করতেন, সেভাবেই ভ্রমণ করতে পারবেন।

সিএএ’র বরাতে সৌদি গেজেটের খবরে বলা হয়েছে, ওমান অনুমোদিত এমন দুই ডোজ টিকা নেয়া যাত্রীরাই কেবল দেশটিতে যেতে পারবেন। সেখানে যাওয়ার সম্ভাব্য তারিখের কমপক্ষে ১৪ দিন আগে টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিতে হবে।

কোন কোন টিকাকে অনুমোদন দেওয়া হবে তার তালিকা দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রকাশ করবে।

সেখানে আরও বলা হয়, যে যাত্রীরা করোনার নেগেটিভ সনদ নিয়ে যাবেন তাদের কোয়ারেন্টাইনেও থাকতে হবে না। দীর্ঘ দূরত্বের ফ্লাইটের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৯৬ ঘণ্টা এবং কম দূরত্বের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৭২ ঘণ্টা আগে করা করোনা পরীক্ষার সনদ গ্রহণ করা হবে।

20/08/2021
Monday is the 1st Muharam 1443. May Allah make this new Islamic year one of peace, blessings and protection from all sic...
09/08/2021

Monday is the 1st Muharam 1443. May Allah make this new Islamic year one of peace, blessings and protection from all sickness and harm for the entire Ummah, Ameen.

جمعة مبارك !!জুম্মা মুবারক
06/08/2021

جمعة مبارك !!জুম্মা মুবারক

Address

868, Shewrapara
Dhaka
1216

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 15:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801320386409

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al-Furqan Hajj & Umrah Service Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Al-Furqan Hajj & Umrah Service Bangladesh:

Share