Muhammad Hafijur Rahman

Muhammad Hafijur Rahman Business & Brand Builder Let Me Introduce Myself

Assalamu Alaikum & warm greetings to you! I am Muhammad Hafijur Rahman — a simple man with big dreams. Not fame.
(6)

Born in the heart of Khulna, Bangladesh,
but my vision reaches beyond borders…
towards building a 'better Bangladesh',
so we can all help 'build a better world'. Since 2013, I’ve been walking on the path of 'Digital Marketing'. Along the way, I’ve worked as an Entrepreneur,
a Business Consultant, a Researcher,
a Content Strategist, a Copywriter,
and a passionate Mentor in Online & Professional Fre

elancing. I love Technology, admire Science,
and enjoy deep reading when the world sleeps. From Trying New Foods to Traveling New Roads,
life feels beautiful when I can mix work with passion. But above all, my heart beats for people. I feel a deep love to help young people
— to guide them towards Jobs or Freelancing or Business success. If you are a young entrepreneur,
I’m always here — to listen, to guide, to support. I’m a Practicing Muslim, who believes in unity and knowledge. I deeply respect true Islamic scholars,
and I’m not afraid to be a Critique or Supporter where needed. To me, faith and reason must walk hand in hand. Yes, I’m a straight male,
but I am a passionate admirer of Women’s Strength
and the innocent beauty of Children’s Smiles. My biggest dream? Not wealth. But a 'Bangladesh that rises in truth, dignity, and purpose'. A nation that leads the world with love, faith, and vision. If my journey and mission speak to your heart,
'Let’s connect. Let’s grow. Let’s give back.'
Because the world needs more people who care deeply,
and act with honesty. Thanks for reading. You are always welcome in my world. 💚

বিশ হাজার (২০,০০০) ইট গাঁথতে ১ জন মানুষের কত দিন লাগতে পারে?১ মাস, ৬ মাস, না ২ বছর?তিনটাই সম্ভব।আসেন আগে ২ বছরের গাইডটা ...
18/08/2024

বিশ হাজার (২০,০০০) ইট গাঁথতে ১ জন মানুষের কত দিন লাগতে পারে?
১ মাস, ৬ মাস, না ২ বছর?
তিনটাই সম্ভব।

আসেন আগে ২ বছরের গাইডটা দেখি:
১ম দিন ৬০০ ইট গাঁথা

২য় দিন ৫৫০ ইট

এরপর ১ মাস অসুস্থ। নিজের ভাগ্য ও সিদ্ধান্তকে নিজেই উপহাস।

এরপর ৪ মাস 'ইট আবার কেন গাঁথবো আমরা?' এই ভাবনা ভাবা, সাথে অপ্রয়োজনীয় কাজ, বিভিন্ন কম গুরুত্বপূর্ন মাল্টিটাস্কিং করা

তারপর ২ মাস 'ইট বলে কিছু নাই, এটা একটা ধোঁকা মাত্র' এই কথা সবাইকে শোনানো।

তারপর ৩ মাস ইট গাঁথতে সিমেন্টের ব্যবহার ভুল। অন্য কিছু বের করা দরকার... ভাবতে ভাবতে ৪৫০ ইট গাঁথা।

তারপর ৪ মাস 'আমার আসলে ইট গাঁথার ডিগ্রি দরকার ছিলো। ভালো ট্রেনিং দরকার ছিলো, দামী ট্রেনিং ছাড়া কিছু হয়?'

তারপর ৪ মাসে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যে টিচাররা সব ভুল, বাবা-মা ভুল, মেন্টর ভুল, দেশ ভুল

তারপর আরো ৪ মাসে আবিস্কার করা সমাজ ভুল, ধর্ম ভুল, আল্লাহ ভুল (নাউজুবিল্লাহ)

তারপর (আল্লাহ অনুগ্রহ করলে শুধু) ১ মাস সাহস অর্জন করা, খোঁজ খবর নেয়া, সাথে আরও ৪০০ ইট গাঁথা।

তারপর ১ মাসে বাকি ১৮,০০০ ইট গেঁথে ফেলা।

এই হলো ৬ মাসে ২০ হাজার ইট গাঁথার গাইডলাইন।
আপনারা এক মাসে ২০ হাজার ইট গাঁথার সংক্ষিপ্ত গাইডটা দিতে পারবেন?

'দেখেন যুদ্ধটা বাধায়েন না'অনেক হইছে, এবার ছাত্র ও জনতার দাবীগুলো মেনে নেন।ওরাতো খারাপ কিছু চাচ্ছে না।ওরাতো অশ্লীল সিনেমা...
02/08/2024

'দেখেন যুদ্ধটা বাধায়েন না'
অনেক হইছে, এবার ছাত্র ও জনতার দাবীগুলো মেনে নেন।

ওরাতো খারাপ কিছু চাচ্ছে না।
ওরাতো অশ্লীল সিনেমা ফ্রি করতে বলছে না,
ওরাতো ড্রাগস নেবার স্বাধীনতা চাচ্ছে না,
ওরাতো পড়াশোনা ছাড়া সার্টিফিকেট চাচ্ছে না,

মেধার মূল্যায়ন চেয়েছিলো, নির্যাতিত হয়ে এখন চাচ্ছে মানবতার মূল্যায়ন।

এটা খারাপ জিনিস না।
একটু ভেবে দেখেন, মানবতার মূল্যায়ন আপনাদেরও কাজে আসবে। আপনাদেরও উপকারে আসবে।

নিরীহ স্টুডেন্ট, পানি বিতরণ করা জনগণ, সহিংসতায় ছিলো না এমন জনতা এদের শুধু শুধু আটকে রেখে আপনারও ফায়দা কি বলেন?

নাকি ভেবেছেন এদের মেরে ফেললে, পঙ্গু করে দিলে আর আন্দোলন হবে না?
এটা ভুল ভাবনা।

আসল কর্মকান্ড যারা করেছে, তাদের অনেককেই আপনারা ধরতে পারেননি। আটকে রেখেছেন নিরীহ পাবলিক, এটা আপনারা ভালো করেই জানেন।
তার মানে, এখন কিছু কিছু সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, আর ভালোদের আটকে রাখলে, নেক্সটে যা হবে তা শুধুই সহিংসতা!

তাছাড়া বদগুলোর বিচার করলে আপনারও কিন্তু লাভ।

ছাত্রলীগের ভিতর শিশুখুনি থাকলে ছাত্রলীগের কি বিপদ নাই?
আওয়ামী লীগের বিপদ নাই?

যে 'শিশু খুনি', 'পিছন থেকে গুলি করে খুন করে', 'কাপুরুষ খুনি' তারা কিন্তু যেকোন দলের জন্য বাঁশ।
হুট করে, কোন একটা মিটিং মিছিলের সময় সিনিয়রদের যদি ঠুসঠাস মেরে বসে?
কথা ভালো লাগলো না, ঠাস!
অর্ডার পছন্দ হয়নি, ঠাস!
মিছিল হবে, ঠাস!
মিছিল হবে না, ঠাস!
বিরিয়ানী আলু পায়নি, ঠাস, ঠাস, ঠাস-ঠা-ঠাস-ঠাঠাস-ঠাস ঠাস!

কত সহজে বাচ্চা মেরে পিস্তল কোমরে গুজে চলে গেলো দেখলেন না?
এটা আপনাদের সাথে করবে না শিওর আপনারা?

আচ্ছা ধরলাম, কাদের বা শেখ হাসিনা কড়া প্রটেকশন নিয়ে আছেন, নিজের দলের উগ্ররাও তাদের কিছু করতে পারবে না।
কিন্তু তাদের স্বজনরা?
স্বজনদের বাচ্চারা কি নিরাপদ?
তারা কতটা নিরাপদ? তারা কতটা ভালো প্রহরায় আছেন?

খুন করে যার হাত হয়েছে, সে নিজের দলে লোকজন গুণবে?

শেখ পরিবারের কেউ যদি মুখ ফসকে উনিশ বিশ অর্ডার করে বসে, আর এই চ্যাতা কর্মী যদি মেরে বসে?
নিজের ঘরে সাইকো ইদুর থাকলে ক্ষতি! হেভি হেভি প্রটোকল নিয়ে ঘুরলেও কি বাঁচার সুযোগ নেই।

জানতে হবে না, এই বিপদজনক অস্থির পুলিশ কারা?
এদেরতো আপনারও চেনার দরকার আছে।
আছে না?

কারা আপনাদের বিপদে ফেলছে?
কারা 'অল্প করে মারো', বললে খুন করে দেয়?

'একটু টাইট দিও', বললে মর্গে পাঠিয়ে দেয়?

কারা 'হালকা ঝাপসা করে দিও' বললে পুরো দেশ জাতিকে রাস্তা নামিয়ে নিয়ে আসে?

এদের লিস্ট, এদের বিচারতো নিজের স্বার্থেই করা দরকার। আওয়ামী লীগের স্বার্থেই করা দরকার।

দেখেন, গত ১৫ বছরে, বিশেষ করে শেষ ৫ বছরে, আপনাদের উচিত ছিলো তাড়াতাড়ি দেশ ছেড়ে কেটে পড়ে প্রবাসী হয়ে যাওয়া।
যা খাবার তাতো খেয়েই ফেলেছেন, এখন দেশটা ছেড়ে দিলে বেঁচে যেতেন। জনগণও এতো ক্ষিপ্ত হতে পারতো না। রাগ ভাগ হয়ে যেতো!

বেনজির কিংবা মতিউরের মতো ইজ্জত হারানোর জন্য অপেক্ষা করাটা আসলে কোন ভাবেই উচিত হয়নি।

এই নির্বাচনটা আপনাদের জন্য অনেক বেশি ঝুকিপূর্ণ হয়ে যাবে, এটা বোঝা উচিত ছিলো।
এই ২০২৪ সালটা পার করাটা অনেক ভয়ংকর হয়ে যাবে, এটা কিন্তু চোখে পড়ার মতোই সহজ ছিলো। এটা বোঝা উচিত ছিলো।

এখন যা হবার হয়ে গেছে,
এই মুহুর্তে যদি আরও ৫ বছর থাকতে চান, অথবা কিছুটা সম্মান ও বা জান নিয়ে বাঁচতে চান, তাড়াতাড়ি বুদ্ধি কাজে লাগান!
হাত-পা-রড-লগি-বৈঠা না। বুদ্ধি কাজে লাগান।

জানি আপনাদের বড় বড় মাথারা কেউ নেই।
সৈয়দ আশরাফ, জিল্লুর রহমান, সাজেদা চৌধুরি, সুরঞ্জিত সেন, আব্দুর রাজ্জাক এর মতো অনেক বড় বড় মাথার কূট নেতা ছাড়া লীগ প্রায় অচল হয়ে পড়েছে!

কিন্তু এখনও সুযোগ আছে, শুধু চিন্তা ভাবনা করতে পারে এমন মানুষ লাগবে। মাথা খাটাতে হবে।
মাথা না খাটিয়েই, শুধু হাত আর রড খাটিয়ে এবার পার পাওয়া যাবে না।
এবার ভালো মেধা লাগবে। বড় মেধা লাগবে।
বড় মেধা নিয়ে আসুন!

দেশের বাইরে থেকে নিয়ে আসুন, কারণ দেশের বুদ্ধিজীবি, অধ্যাপকরা বেশিরভাগই কোটায় পাশ।
আপনারা জানেন, কারণ আপনারাই করিয়েছেন। তাই এদের দিয়ে আর কাজ হবে না।

সুতরাং বাইরে থেকে টাকা খরচ করে মেধা আনুন।
টাকার তো সমস্যা নাই, কারওয়ান বাজার, যাত্রাবাড়ির ব্যবসায়ীরাতো আছেই। বললেই চাঁদা দিবে বড় বড়! লাগলে তারা জিনিসপত্রের দাম আরো কয়েক দফা বাড়িয়ে দিলো! দিন শেষে সবইতো জনগনের কপালে!

অথবা যদি হাপিস করা কোটি কোটি টাকাও খরচ করতে মন সায় না দেয়, যদি স্বস্তায় কাজ সাড়তে চান, তারও একটা বুদ্ধি আছে।
বিএনপি বা জামাতের কিছু মেধাবী নেতা আছে। কোটামুক্ত ফ্রেশ প্রতিভা!
আপনাদের জেলেই শুয়ে বসে, ঘাস কেটে আর কুটির শিল্পের কাজ করে দিন পার করছে। কারা-কারুশিল্প!
ঐ ব্যাটাদের ডেকে আনুন।
ওদের মাথা পরিস্কার!

ওদের নিয়ে আলোচনায় বসুন, দাগী প্রতিভাদের নিয়ে কয়েকটা মিটিং করুন!
একটু বাতাস দিলেই ওরা গড় গড় বলে দিবে আপনাদের বাঁচার প্ল্যান।
আয়োজনটা করে দেখুন, জিতবেন।
ওরা একটা ভালো পরামর্শ চাইলেও চেপে রাখতে পারবে না।

বুদ্ধিজীবিদের এই সমস্যা, বুদ্ধি আর বায়ু, দুটোই খুব সুড়সুড়ে! চেপে রাখা মুশকিল।

ইনশাআল্লাহ, এখনও কিছুটা আশা আছে, এই ঝামেলা পার করতে পারবেন।
এই ৫ বছরও চাইলে পার করার সুযোগ আছে।

যেহেতু এখনও ছাত্ররা নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে সরকার সাজিয়ে ফেলেনি,
তাই এখনও আশা আছে।

যেহেতু বিএনপি কিংবা শিবির এখনও আন্দোলনকে পুরোপুরি নিজেদের কাজে লাগানোর প্ল্যান কষে উঠতে পারেনি।
তাই এখনও আশা আছে।

বেশি দেরি করবেন না, প্লিজ।
দেশকে যুদ্ধের দিকে নিয়েন না।
যুদ্ধ হলে আমাদের সবার ক্ষতি।
পার্সোনালি আমার অনেক ক্ষতি, আমি আইফোনে ৫০টা ক্যামেরা দেখে মরতে চাচ্ছি। কিংবা মাস্কের মঙ্গলগ্রহে বসতি স্থাপন!
অনেক কিছু দেখার আছে, তাই শুধু শুধু আপনাদের বোকামীতে মরে যেতে ইচ্ছা করছে না। যদিও এই বাচ্চাদের মেরে আমাদের আত্মাই মেরে ফেলেছেন অনেকটা।
নিজের ছেলের দিকে তাকালে মরা লাশ দেখি, আহাদকে দেখি।
নিজের মেয়েটার দিকে তাকালেও মরা লাশ দেখি, রিয়াকে দেখি।
তারপরও আমি যুদ্ধের বিপক্ষে।
আমাদের নবীজি সা. ও আজীবন যুদ্ধের বিপক্ষে ছিলেন। ঘাড়ে উঠে না আসলে তিনি যুদ্ধ করতে চাইতেন না।
তাই আমিও যুদ্ধের বিপক্ষে।
ঘাড়ে প্রায় উঠেই যাচ্ছে যুদ্ধ, তারপরও চেষ্টা করছি আপনাদের মোটিভেশন দিয়ে লাইনে আনতে।

দেখেন যারা ভাবছে,
'হোক যুদ্ধ, দিবো একটা শিক্ষা আচ্ছা মতো আওয়ামী লীগকে। কচর কচর করে সব কয়টাকে মেরে ঝুলিয়ে রাখবো কাক তাড়ুয়ার মতো',
এতো মজা না।
যুদ্ধ শুরু হলে সবাই বিপদে পড়বে, অযথা স্বজন সম্পদ হারিয়ে কাঁদতে হবে।

আপনারা সরকার পক্ষও কিন্তু পড়বেন।
যদি ভাবেন এই পুচকে নব্য রাজাকার ছাত্ররা আর কি করবে?
আর্মি ডেকে একটা কারফিউ দিলেইতো সব ঠান্ডা। বাসায় যেয়ে বই খুলে চিল্লায়ে স্বরে অ, স্বরে আ পড়বে...

WRONG!
পই পই করে হিসাব করে দেখেন WRONG!

ছাত্রদের জন্যতো আর্মিরাই যথেষ্ট না।
যেমন ছাত্রদের জন্য ছাত্রলীগই যথেষ্ট ছিলো না।

শুধু শুধু বাজে একটা অর্ডার দিয়ে ঝুকি নিয়ে বিপদে পড়েছে বেচারিরা।
তেমনি নয় মাস যুদ্ধ চলবে, এই ফাঁকে যা কিছু আছে সব বেঁচে দেশ ছাড়বেন এই আশা ছেড়ে দিন।
বাংলাদেশ আর্মি ৭ ঘন্টাও টিকবে না ছাত্রদের সাথে যুদ্ধ করলে।

কেন জানেন তো?
কারণ মাত্র ২টা।

কারণ ১.
ছাত্ররা গোল আলু। এই আলুরা চট করে বিশ্বের টপ ডেঞ্জারাস আর্মিতে রুপ নিয়ে নিতে পারে। আমাদের আর্মিতেতো কোটার ঘোটা দিয়ে লুটিয়ে রেখেছেন।
কিন্তু ছাত্ররা হবে সবচাইতে মেধাবী, সবচাইতে অনুগত, সবচাইতে ডেডিকেটেড, সবচাইতে বিপদজনক আর্মি। আমার কথা না, জাস্ট যেকোন দেশের কর্নেল- জেনারেলকে ডেকে বসিয়ে আন্দোলনের ভিডিও দেখিয়ে মতামত জানতে চান।

'ঐ আইলো তালিবান'
শুনলে কিন্তু আমেরিকান আর্মিরাও পালানোর পথ পায় না।
ডেডিকেশন ম্যাটার মামা, ডেডিকেশন ম্যাটার!

হেভি মিলিটার ইকুয়েপমেন্ট, আর এয়ার সাপোর্ট ছাড়া ফিল্ড যুদ্ধে এক সপ্তাহও টিকতে পারবে আমেরিকানরা সৈন্যরা তালিবানদের সাথে?

আর তালিবান মানে ছাত্র।
জি, তাদের দেশেরও বিপদে ছাত্ররা দ্বায়িত্ব বুঝে নিয়েছিলো।

সুতরাং, একই উপমহাদেশের, প্রাক্তন প্রতিবেশি হিসেবে 'বাংলাদেশের ছাত্রদের' একেবারে হাওয়ায় উড়িয়ে দিয়েন না। অবজ্ঞা কইরেন না। করলে কিন্তু বিপদে পড়বেন। সিরিয়াসলি বিপদে পড়বেন!

আপনাদের নামের তালিকা, বাসার ঠিকানা ছাত্রদের ফোনে ফোনে অলরেডি কি নেই ভেবেছেন?
অস্ত্র হাতে বাসায় বাসায় যেয়ে উঠলে তখন?
তখন কিন্তু 'ছাত্র' শব্দটা শুনলে 'মুক্তি' কিংবা 'তালিবান' এর চাইতে ভয়ংকর শোনাবে।

কারণ ২.
দেশের আর্মিরা ছাত্রদের সাথে যুদ্ধই করবে না।
বুম, মাইক ড্রপ।

জি, এটাই সত্যি।
নিজের বাচ্চা, নিজের বন্ধু, নিজের চাচাতো ভাইবোন, নিজের মামা - খালা - ফুপুর ছেলেমেয়েকে আর্মিরা নিজেরা মারবে, এটা প্লিজ ভাববেন না।

নিজের আত্মীয়ের বুকে গুলি চালানোর আগে কমান্ডিং অফিসারকে খেয়ে দিবে, তাও ১০০ বার।

কমান্ডিং অফিসারকে মেরে খাওয়াতো সৈনিকদের কাছে ডালভাত।
বিশ্বাস না হলে, বিডিআরের ডালভাত কর্মসূচির কথাটা প্লিজ মনে করে দেখুন।
এই খবরটাও কিন্তু অন্তত আপনাদের খুব ভালো জানার কথা।
সুতরাং, যুদ্ধ সম্ভব না, হবে পাইকারী ম্যাসাকার, আওয়ামী ম্যাসাকার!
জাস্ট এটা একটু বোঝেন।

এবং লোকাল জরিপও কিন্তু তাই বলে, বিশেষজ্ঞরা সহ, বাংলার সবাই ১০০% নিশ্চিত, যুদ্ধের ডাক দিলে বাংলাদেশের আর্মি অফিসাররা অন্তত ৯৫ ভাগ ছাত্রদের পক্ষেই থাকবে।
তখন অফিসারে যে কয়জন আওয়ামীলীগের আত্মীয় আছে তারাও ছাত্রদের পক্ষে নাম লেখাবে।

আর বাসায় বাসায় যেয়ে গণ গ্রেফতার,
বাসার ভিতর ঢুকে গুলি করা,
আলো নিভিয়ে নেট বন্ধ করে গুলি-গ্রেফতার,
যা শেখানোর তাতো শিখিয়ে ফেলেছেন। করে দেখিয়েছেন।
এখন এই শিক্ষাটা ছাত্ররা কাজে লাগালে কই যাবেন?

আবারও সতর্ক করছি, আপনাদের নামের তালিকা, বাসার ঠিকানা দেশের ছাত্র জনতার কাছে অলরেডি আছে। নিজেরাই অনলাইনে দিয়ে রেখে ছিলেন বুক ফুলিয়ে।

এখন ছাত্ররা অস্ত্র হাতে বাসায় বাসায় যেয়ে উঠলে কি পরিস্থিতি হবে?
ভয়ংকর পরিস্থিতি হবে।

ঐ পরিস্থিতি, ঐ দুঃখ, ঐ কষ্ট, ঐ হাহাকার আমাদের কারো কাম্য না।
আমরা যুদ্ধ চাই না।
আমরা আপনাদের খুন চাই না।
আমরা আপনাদের শিশুদের লাশ দেখতে চাই না।
আমরা আরেকটা গুলি বিদ্ধ রাসেল, আহাদ, রিয়া, চাই না।
আমরা কেউ চাই না।

প্লিজ, হাত-পা-রড-লগি-বৈঠা না, মাথা ও মুখ কাজে লাগান।
পরিস্থিতি বুদ্ধি ও মেধা দিয়ে শান্ত করেন।
কোটার আমলা, কোটার নেতাদের ঝেটিয়ে সরান নিজের কাছ থেকে।
প্রতিভা দিয়ে কাজ করেন।

এটা ভালো লাগে, ঐটা পছন্দ, অমুকটা নাহলে কেমনে হয়? তমুকটা ছাড়া কি সম্ভব?সেইটাতে অনেক সময় গেছেএটাতে অনেক টাকা গেছেএটাতো আমি...
31/01/2024

এটা ভালো লাগে,
ঐটা পছন্দ,

অমুকটা নাহলে কেমনে হয়?
তমুকটা ছাড়া কি সম্ভব?

সেইটাতে অনেক সময় গেছে
এটাতে অনেক টাকা গেছে

এটাতো আমি এমনিতেই পারবো
ঐটা আমার বাপের স্বপ্ন - মায়ের ইচ্ছা- দাদার খেয়াল- বংশের কাজ - রক্তে আছে - হাড্ডিতে আছে - মনে আছে- মগজে আছে

ফলাফল = মাল্টিটাস্কিং

আর
মাল্টিটাস্কিং অভিশাপ
মাল্টিটাস্কিং ক্ষতিকর
মাল্টিটাস্কিং সর্বনাশ

স্মার্ট মানুষদের বেকুব বানাবার, গরীব হবার, বিপদে পড়ার, লস করার ধ্বংসের বড় কারণ 'একমাত্র' মাল্টিটাস্কিং!

মাল্টিটাস্কিং করে খুব খুব সামান্য কিছু সুপার অ্যাবনরমাল (অতি অসাধারণ) মানুষ সফল হতে পেরেছে।
আপনার আমার কোন চান্স নাই 😑
৯৮%ই লস হবার আশংকা
ধরা খাওয়া স্বাভাবিক, খুব স্বাভাবিক।

তাহলে চেষ্টা করারই বা দরকার কী?

আর মাল্টিটাস্কিং বন্ধ করে দিলে,
একটা কাজে ফোকাস দিলে,
একটা স্কিলে মন দিলে আলহামদুলিল্লাহ সফলতা সহজ।

মন দিলে সফল না হওয়াই কঠিন।
ভীষণ কঠিন!

তাই আসুন সবাই নিজের সবচাইতে বড় স্বপ্নটাকে, জরুরি স্কিলটাকে নিয়ে কাজ করি।
মূল স্বপ্নকে পূরণ করি।

বাকি ধরে ধরে এক এক করে বেধে ফেলি।
তারপর সব কয়টা প্রিয় স্বপ্নের হাত পা বেঁধে ফেলি। তারপর জোর করে শুইয়ে দিবো, মাথা উত্তরে, পা দক্ষিণে, লেজ যেদিকে খুশি।
আমরা দাড়াবো পশ্চিম দিকে ফিরে।

প্রিয় শখ ও স্বপ্নগুলো এই সময় মিষ্টি মায়াবী গুলু গুলু চোখে তাকাবে,
পালিয়ে যাবার জন্য ছটফট করবে,
দড়ি ছিড়ে ফেলার চেষ্টা করবে।
আমরা ছাড়বো না।
ধরে রাখবো।
শখের গলায় হাত বুলিয়ে নরম স্বরে স্বান্তনা দিবো।

তারপর প্রিয় শখ ও স্বপ্নগুলো মাথা বাম হাতে চেপে ধরে আল্লাহর নাম নিবো। তারপর ডান হাতে প্রিয়র গলায় ছুড়ি চালিয়ে দিবো।
জবাই করে দিবো।
ডান হাত কিন্তু চলবে।

থামা যাবে না।
তিনটা রগ কেটে ফেলতে হবে।
প্রিয়তমার দুই পাশের শাহরগ আর খাদ্যনালী কেটে ফেলতে হবে।
সবটুকু রক্ত বের করে দিতে হবে।

একটা শেষ করে ঢোক গিলবো।
তারপর আরেকটা প্রিয় শখকে ধরতে হবে।
মায়াবী রক্তচোষা, ফোকাসখোর, পরজীবি স্কিলগুলোকে এক এক করে নহর করে দিতে হবে।
নহর নদী, রক্তের নদী!

আমি নিশ্চিত, এটা আমরা সবাই জানি, এই তরীকা কাজ করবে।
তাও ৪০ দিনের মধ্যে রেজাল্ট নিজের চোখে দেখতে না পেলে আমাকে এসে ধরবেন

অনেকেই আমাদের কাছে আসে জবের জন্য, আয় বাড়িয়ে নিতে, সেল বেশি করে করে স্বচ্ছলতা আনার জন্য! কিন্তু অনেকেই গাইড নেয়ার পর হারি...
09/09/2023

অনেকেই আমাদের কাছে আসে জবের জন্য, আয় বাড়িয়ে নিতে, সেল বেশি করে করে স্বচ্ছলতা আনার জন্য!
কিন্তু অনেকেই গাইড নেয়ার পর হারিয়ে যায়।

অসুস্থ ছিলাম,
পরীক্ষা ছিলো,
বোন অসুস্থ ছিলো,
বাচ্চা অসুস্থ ছিলো,
আব্বু আম্মু অসুস্থ ছিলো,
বাসা পাল্টেছি,
চাচা মরে গেছে,
বর বকা দিছে,
বউ বাপের গেছে

ভাইয়ারা আপুরা, এইগুলো ক্ষতিকর অজুহাত।
এই ঝামেলাগুলো আপনারও আছে, আমারও আছে, বেজোসেরও ছিলো, মাস্কেরও ছিলো।
বিপদ ইমাম বুখারী রা. এরও ছিলো, আল্লাহর রসুল সা. এরও ছিলো।

এখন সমস্যা আছে, সামনে আরও আসবে! ভয়ংকর ভয়ংকর দিন আসবে!
এর ভিতরেই আমাদের কাজ করতে হবে, ক্যারিয়ার গড়তে হবে।
'আরে ওর পরীক্ষা', বলে বাবা-মায়ের দেয়া বাড়তি সুবিধা পেয়ে আসলে আমাদের অভ্যাস খারাপ হয়ে গেছে।
ঐ সুবিধা এখন আর কেউ দিবে না।
পরীক্ষার চাইতে দশগুন কঠিন কাজ করার সময়ও কেউ ছাড় দিবে না।

সুতরাং ছাড়ের আশা ছেড়ে দিয়ে, আসুন কাজে ঝাপিয়ে পড়ি।

বাচ্চা ইমার্জেন্সিতে? বাবা সিসিইউতে, মা লাইফ সাপোর্টে?
আচ্ছা আলহামদুলিল্লাহ।
আপনার যদি অপেক্ষা করা ছাড়া কাজ না থাকে, তাহলে চলুন হোমওয়ার্কটা ধরি।

বিসমিল্লাহ...

কেন আমার পেজে আত্মীয় স্বজনের রিভিউ জরুরী?কেন আত্মীয় স্বজনের রিভিউ না থাকাটা ক্ষতিকর?জরুরী বলেছি, উপকারী বলিনি। আপেল উপকা...
29/07/2023

কেন আমার পেজে আত্মীয় স্বজনের রিভিউ জরুরী?
কেন আত্মীয় স্বজনের রিভিউ না থাকাটা ক্ষতিকর?
জরুরী বলেছি, উপকারী বলিনি। আপেল উপকারী, কিন্তু জরুরী না। ইনসুলিন জরুরী।
আত্মীয় স্বজনের রিভিউ আমাদের ছোট মরণাপন্ন ব্যবসার জন্য ইনসুলিন।
শুরুতেই বলে রাখি সময় নিয়ে আমাদের ভুল ধারণা আছে। আমরা ভাবি যে, সময় সব রোগ, ক্ষত সাড়িয়ে দেয়।
সময় কিন্তু রোগ তৈরিও করে।
বার্ধক্য জনিত রোগ সব সময়ের কারণেই হয়।
সুতরাং অপেক্ষা করলেই আস্তে আস্তে আমার ব্যবসা ভালো হবে এটা সত্যি না। বরংচ ধীরতার কারণে আমার ব্যবসা ধ্বংসও হয়ে যেতে পারে বিশ্রী ভাবে।
আমরা 'তাড়াহুরা' করবো না , কিন্তু প্রতিটি রিসোর্স কাজে লাগিয়ে চেষ্টা করবো আগে বেড়ে যেতে।
আমার পেজে আত্মীয় স্বজনের রিভিউ জরুরী হবার কারণ:
১. ভিখারীও ভিক্ষার শুরুতে প্লেটে কিছু টাকা পয়সা রাখে। সেও বোঝে রিভিউ কত জরুরী, আফসোস আমাদের বোঝাতে অন্য মানুষকে জান পানি করতে হয়।

২. আমার পেজে আমার বন্ধুরা আত্মীয়রা অ্যাকটিভ, এটা মানুষের মনে খুব ভালো প্রভাব ফেলবে। ট্রাস্ট বাড়বে, অবচেতন মন থেকেই লোকজন কিনতে উৎসাহী হবে।

৩. প্রমাণ করবে প্রোডাক্ট বা সার্ভিসটা অলরেডি প্রমাণিত। দামকে অযৌক্তিক লাগবে না। কোন সমস্যাকে আগে থেকেই বাজে চোখে দেখতে শুরু করবে না মানুষ।

৪. প্রমাণ করবে আমার আত্মীয় স্বজন আমাকে সমর্থন করে।
(যারা মনে করবে আমার আত্মীয় স্বজন মিথ্যাবাদী, আমাকে মিথ্যা রিভিউ দিয়েছে, তারা জান্নাতে যাক। এই অবিশ্বাসী টক্সিকরা এমনিতেও কখনো আমার প্রোডাক্ট কিনবে না, বরংচ কিনলেও বাঁশ!)

৫. প্রমাণ করবে আমি ভরসার যোগ্য, মানুষ আমার কাছে স্বস্তি ফিল করবে। বিপদে বিশ্বাস করবে।

৬. আমার পেজকে মানুষ বাড়তি অ্যাফোর্ট দিয়েও চিনতে চাইবে। মনে রাখবে। কারণ মিউচুয়াল টু মিউচুয়াল আমার পেজ গুরুত্বপূর্ণ

৭. শিকড় থেকে শিকড়ে ট্রাস্ট ছড়াবে।
ধরা যাক, আমি যদি দেখি কোন একটা রিয়েল এস্টেটের পেজে আমাদের ম্যাম মর্জিনা কাউকে রিভিউ দিয়েছে:
'আলহামদুলিল্লাহ আমার ভাতিজা আজ নিজের পেজে খুলে কাজ শুরু করেছে। সেই দিনকার ছোট্ট লাল টুকুনটা... চোখমুখ ফুলিয়ে কাঁদতো! আজ সিরিয়াস হয়ে রিয়েল এস্টেট নিয়ে পরামর্শ দেয়, কথা বলে। আমি এখন পর্যন্ত ওর কোন সার্ভিস কিনতে পারি নাই, আমার কাজ করলে কি আর টাকা দিতে দিবে?
কিন্তু ছেলেটার মাশাআল্লাহ হাত অনেক ভালো, ব্যবহার খুবই সফট! আর অনেক আন্তরিক!
আমার ছোট্ট বাবাকে ১০/১০'
অনেস্টলি, আমার আর কিছু চাই? জরুরী সময়ে আমি মর্জিনা ম্যামের ভাতিজার কাছেইতো যাবো। অপরিচিত কারও হাতে নাজেহাল হতে চাইবো নাকি?
আত্মীয় স্বজনের রিভিউ না থাকাটা ক্ষতিকর হবার কারণ:
১. রিভিউ না থাকলে বিক্রেতাকে অশুভ, ক্ষতিকর ও বিষাক্ত মনে হয়। মনে হয় কোন এক অভিশপ্ত অন্ধকার মরুভূমিতে দাড়িয়ে আছি। যেকোন সময় বিপদে পড়তে পারি।

২. মনে হয় বিক্রেতার 'কোথাও কেউ নেই', সে যা খুশি করতে পারে।

৩. মনে হয়, এর পণ্য বা সার্ভিস এতো খারাপ যে এর বন্ধুরা কিংবা আত্মীয়রাও একে এড়িয়ে চলে।

৪. সবাই মনে করে বিক্রেতা খুবই অসামাজিক। ব্যবহারেই বংশের পরিচয়। আবার বংশগুণেই ব্যবহারের পরিচয়।
'এর স্বজনরাই একে কেয়ার করে না, এ আর কেমন ভালো?'

৫. একটু বেশি দাম, একটু মিসটেককে মানুষ অনেক বড় করে দেখবে। আসলে তার পালাতে ইচ্ছা করছে, তাই ছোটখাটো যেকোন একটা স্লিপ অব পেনকে সে ইস্যু বানিয়ে ফেলবে। স্বজনরা যার পেজে অ্যাকটিভ তার সম্পর্কে এই ধারণা হবার চান্স খুব খুবই কম থাকে।

৬. কেউ এর প্রোডাক্ট যেহেতু নেয় নাই, আমি কেন নিবো?
-- আমি কেন শুরু করবো?
-- আমি কেন তাহলে বলির পাঠা হবো?
-- আমার টাকার কি দাম নাই?
-- আমার টাকা কি হারামের টাকা
এটা পরিস্কার বেসিক চিন্তা অধিকাংশ মানুষের, যারা সাধারণত অনলাইনে কেনাকাটা করে অভ্যস্ত।
//// এখন কিছু মানুষ কিন্তু এসে বলতে পারে, 'আরে কিসের রিভিউ? সব তো ফেক রিভিউ দিয়ে রাখছো, এগুলোতো কেউ আসল না। সবাই তোমার বন্ধুবান্ধব। তুমি তো পুরাই চিটার!'
= (জবাব)
আরে, আমার বন্ধুরা মিথ্যা বলছে কি না, মিথ্যা প্রশংসা করেছে এটা দেখেন।
আগে নিজেদের কাছের লোকদের সন্তুষ্ট করেই, তবে বাইরে প্রোডাক্ট নামিয়েছি। এখন তাই নিশ্চিন্তে চ্যালেঞ্জ দিতে পারি ভাই।
প্রমাণ করুন কেউ মিথ্যা বলেছে। প্রমাণিত হলে ডেলিভারী খরচ আমার, প্রোডাক্ট ফিরিয়ে নিবো।
আর ভালো পেলে আপনি বোনাস দিবেন।
প্লাস দারুন একটা রিভিউ দিবেন, প্লাস এবং প্লাস পোস্ট দিবেন আমার পেজ মেনশন করে। ঠিক আছে?
আসলে পাগল ছাগল সব দেশেই আছে। আমাকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রিভিউ দিলেও কেউ বলবে, 'এগুলা কেনা যায়, ট্রাম্পকে তুমি কিনে নিয়েছো।'
লোকে বলতেই পারে। এজন্য একটা ভালো জিনিসকে কেন ব্যবহার করবো না?
কেন নিজের ব্যবসাকে স্লো অবহেলা দিয়ে মেরে ফেলবো?
কবি বলেছেন,
যেখানেই দেখিবে পুরুষ নারী
রিভিউ ছিনাও তাড়াতাড়ি
বাড়িবেই বাড়িবে ইনশাআল্লাহ
'বিক্রি' আর 'সেলস'
আল্লাহ আমাদের সবার ভালো ব্যবসাকে, সৎ উদ্যোগকে সম্মুন্নত রাখুন।

Address

75 Motijheel
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 09:00 - 19:00
Tuesday 09:00 - 19:00
Wednesday 09:00 - 19:00
Thursday 09:00 - 19:00
Saturday 09:00 - 19:00
Sunday 09:00 - 19:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muhammad Hafijur Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Muhammad Hafijur Rahman:

Share