Queen's Mehraz fashion

Queen's Mehraz fashion দেশীয় ঐতিহ্যকে প্রাধান্য দিয়ে তৈরি করা হয় পোশাক।

সবাই কে বাংলা নববর্ষের  প্রিতি ও শুভেচ্ছা ১৪৩২।
14/04/2025

সবাই কে বাংলা নববর্ষের প্রিতি ও শুভেচ্ছা ১৪৩২।

15/09/2024
বিড়াল মানুষের পোষাপ্রাণীর মধ্যে সব চাইতে কাছের এবং প্রিয়।
21/03/2024

বিড়াল মানুষের পোষাপ্রাণীর মধ্যে সব চাইতে কাছের এবং প্রিয়।

Ladies pajama (QC collection) Qty 35 PCSSize free Colour as per picture price call 01959795005 WhatsApp.
31/12/2023

Ladies pajama (QC collection)
Qty 35 PCS
Size free
Colour as per picture price call 01959795005 WhatsApp.

আপনি কি মীরা দেববর্মনকে চিনেন? মীরা একটা তারার নাম। মেঘে ঢাকা তারা । ভাগ্যাহত এই নারী নিজের সমগ্র জীবন, সমস্থ মেধা, সকল ...
06/01/2023

আপনি কি মীরা দেববর্মনকে চিনেন? মীরা একটা তারার নাম। মেঘে ঢাকা তারা । ভাগ্যাহত এই নারী নিজের সমগ্র জীবন, সমস্থ মেধা, সকল আলোক কেবলই বিলিয়ে দিয়ে অন্যকে করেছেন উজ্বল থেকে উজ্বলতর। প্রতিভাবান এই নারী প্রথমে তার স্বামীকে এবং পরবর্তিকালে সন্তানকে উজ্বল করতে গিয়ে নিজের সমস্ত সমৃদ্ধি ও স্বীকৃতিকে অমূল্য বিলিয়ে দিয়েছেন।

*তোরা কে যাস্ রে, ভাটি গাঙ বাইয়া
* বর্ণে, গন্ধে, ছন্দে, গীতিতে হৃদয়ে দিয়েছ দোলা
* শোনো গো দখিন হাওয়া, প্রেম করেছি আমি
*তাক্ দুম তাক্ দুম বাজাই বাংলা দেশের ঢোল
* নিটোল পায়ে রিনিক ঝিনিক, পায়েলখানি বাজে
* ও বাঁশি ঘাটে লাগাইয়া ডিঙ্গা পান খাইয়া যাও
* না আমারে শশী চেয়ো না
* বিরহ বড় ভালো লাগে
* রাতের আতরে ভিজাইয়া আদরে
* সুবল রে বল বল

এইসকল কালজয়ী গানের লেখক মীরা দেববর্মন। কিন্তু জগৎ এইসব গানকে শচীন কর্তার গান বলেই জানে এবং মানে।

মীরা দেববর্মণ যে শুধু তাঁর স্বামী শচীন দেববর্মণের গানের নোটেশন সংরক্ষনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলেন তাই নয়। স্বামী ও পুত্রের চরম উৎকর্ষে পৌঁছে দেয়ার মাপকাঠি নির্দ্দিষ্ট করেছিলেন তিনি এবং অবশ্যই নিজেকে প্রচারের আলোয় না নিয়ে এসে । থেকেছেন আড়ালে । অসামান্য সংগীতের বোধ ও শিক্ষা তাঁর ছিলো । তিনি ছিলেন একাধারে গীতিকার, সংগীতশিল্পী ও নৃত্যশিল্পী। প্রতিভা নিয়ে জন্মেছিলেন, সেই সঙ্গে যুগের তুলনায় সঠিকভাবে তালিমও পেয়েছিলেন।

কেবলমাত্র শচীন দেববর্মণের স্ত্রী বা রাহুল দেববর্মণের মা ছিলেন কি তিনি? শাস্ত্রীয় সংগীতের তুখোড় জ্ঞান সম্পন্ন গায়িকা, নৃত্যশিল্পী, রবীন্দ্রসংগীতেও সমান দক্ষতা, গানের কথাকার হিসেবে আধুনিক মনষ্কতা,শব্দের ব্যবহার, মাটির কাছাকাছি থাকার প্রবনতা আর চমক দেয়ার মত সুরের বিভা ছিল তাঁর ।

আমরা শচীন দেববর্মণের যে গানগুলোর সুরের আবেশে মাতাল হই ও নিয়ত গুনগুন করি সেগুলোর অনেক সুর ই মীরা দেববর্মণের সহায়তায় তৈরি হয়েছে।

মেধাবী এই শব্দসম্রাজ্ঞীকে জগৎ কোনো সম্মাননা, কোনো পুরস্কার প্রদান করেন নি। শেষ বয়সে সীমাহীন একাকীত্ব আর ব্যাধি তাকে প্রচণ্ড পীড়া দিতে থাকে। স্বামী ও সন্তানের মৃত্যুর পর পুত্রবধু, ভারতবর্ষের খ্যাতিমান শিল্পী আশা ভোঁসলে-ই ছিলেন তাঁর একমাত্র আশ্রয়। কিন্তু শেষ সময়ে এসে আশাও হাল ছেড়ে দেন। তাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসেন।

যার গান ছিলো গণমানুষের গভীর ভালোবাসার প্রকাশ, বেদনার আশ্রয়, ভাবের উৎস সেই মীরা দেবী ২০০৭ সালে এই অকৃতজ্ঞ সুর-সংগীতজগতকে ছেড়ে দূর কোনো জগতে হারিয়ে যান।

আজ প্রশ্ন জাগে, কেনো এই মেধাবী মানুষটি তার সৃষ্টিকর্মের কোনো মূল্যায়নই পেলেন না? কেনো কালের গভীরে তলিয়ে গেলো তাঁর নামটি? কেনো মেঘে ঢেকে গেলো এই তারাটি?

#মীরা_একটা_তারার_নাম
মৃণাল কান্তি দাস

১৪ ই আগষ্ট ২০২০খ্রি.

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা। জয় বাংলা।
15/12/2022

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।
জয় বাংলা।

23/06/2022
প্রকৃতির সৌন্দর্য, চোখ মেলে উপভোগ করেছেন কখনো! একবার উপভোগ করুন।
19/03/2022

প্রকৃতির সৌন্দর্য, চোখ মেলে উপভোগ করেছেন কখনো!
একবার উপভোগ করুন।

ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত :ভাষা আন্দোলনের পথিকৃৎ---------------ভাষা আন্দোলন এবং ভাষা শহিদদের সম্বন্ধে সবারই কম-বেশি ধারণা আছে। অ...
21/02/2022

ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত :
ভাষা আন্দোলনের পথিকৃৎ
---------------

ভাষা আন্দোলন এবং ভাষা শহিদদের সম্বন্ধে সবারই কম-বেশি ধারণা আছে। অথচ যে লোকটি ভাষা আন্দোলনের বীজ বুনে ছিলেন, তাঁকে আমরা ভুলতে বসেছি!

১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি। পাকিস্তানের বয়স তখন মাত্র ছয় মাস। করাচিতে পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে সিদ্ধান্ত হলো, উর্দু এবং ইংলিশই হবে গণপরিষদের ভাষা। ২৫শে ফেব্রুয়ারি বাবু ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত অধিবেশনে সংশোধনী আনলেন। জোড়ালো যুক্তি দিয়ে বললেন, যেহেতু পাকিস্তানের ছয় কোটি নব্বই লক্ষ লোকের মধ্যে চার কোটি চল্লিশ লক্ষ লোকই বাংলায় কথা বলে, সেহেতু বাংলাকেও গণপরিষদের ভাষা হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। বাংলা শুধু আঞ্চলিক ভাষা নয়, বরং উর্দুর সাথে বাংলাকেও রাষ্ট্রভাষা করতে হবে।

লজ্জাজনক হলো, পূর্ব বাংলা হতে সাধারণ আসনে নির্বাচিত সদস্য প্রেমহরি বর্মন ছাড়া কেউ তাঁকে সেদিন সমর্থন করেনি। প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান ও ঢাকার নবাব পরিবারের সদস্য খাজা নাজিমুদ্দিন তাঁকে তিরষ্কার করলেন। বাঙালী স্পিকার তমিজ উদ্দিন খান’ও বাধ্য হয়ে তাঁর প্রস্তাব নাকচ করে দিলেন। এমনকি, তাঁর নামের সাথে বিচ্ছিন্নতাবাদী তকমাও লাগিয়ে দেয়া হলো!

ব্যথিত হয়ে ধীরেন বাবু দেশে ফিরে এলেন। তেজগাঁও এয়ারপোর্টে নেমে দেখেন, ৪০-৫০ জন যুবক দাঁড়িয়ে আছে। সবাই চাদরে ঢাকা। ভাবলেন, তাঁর প্রস্তাবে রূষ্ট হয়ে এরা বোধহয় তাঁকে অপমান করতে এসেছে, চাদরের নিচে অস্ত্রও থাকতে পারে! তিনি কাছে আসতেই যুবকেরা অবাক করে দিয়ে চাদরের ভেতরে রাখা রাশি রাশি ফুল দিয়ে তাঁকে বরণ করে নিলো, তাঁর উপর ফুল বর্ষণ শুরু হলো...

এরা সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।

ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের প্রস্তাব বাতিল হলে ২৬শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ছাত্র ধর্মঘট পালিত হয়। ১১ই মার্চ সমগ্র বাংলায় ধর্মঘট ডাকা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব তখন ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত। ১১ মার্চের ছাত্র ধর্মঘটে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মত শিক্ষকেরাও সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন, গ্রেফতার হন শেখ মুজিবুর রহমান, অলি আহাদ, রণেশ দাশগুপ্তসহ অসংখ্য ছাত্রনেতা।

এরপর ১৯৫২ এর ঘটনা সবার জানা। চার বছর আগে, ১৯৪৮-এর ফেব্রুয়ারিতে “রাষ্ট্রভাষা বাংলা”র একমাত্র কণ্ঠ ছিল ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, চার বছর পরে ১৯৫২-এর সেই ফেব্রুয়ারিতে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবী সমগ্র বাঙ্গালী জাতির! ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি করাচি গণপরিষদে রাষ্ট্রভাষা বাংলার যে বাষ্প ছড়িয়েছিলেন, তা ঝড় হয়ে এলো। সে ঝড়ে রাষ্ট্রভাষা বাংলা তো হলোই, সাথে সাথে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজও রোপিত হলো।

ধীরেন বাবু বরাবর পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠির নিশানায় ছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের শুরুতে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করার তিন দিন পর ২৯শে মার্চে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাঁকে এবং তাঁর ছেলে দিলীপ দত্তকে ময়নামতি ক্যান্টনমেন্টে তুলে নিয়ে যায়। তাঁরা আর ফেরেনি! শোনা যায়, পাকি বাহিনী তাঁর দু'চোখ উপড়ে ফেলে, দেহের সমস্ত জয়েন্টগুলি গুঁড়িয়ে দেয় এবং এভাবে একদিন ফেলে রাখার পর গুলি করে মেরে ফেলে।

৮৫ বছরের এক বয়ষ্ক নেতার উপর কেন এতো নির্মম অত্যাচার? কারণ তিনি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবী তুলেছিলেন, বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ নিয়ে কথা বলেছিলেন। অথচ ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর তাঁকে কলকাতা চলে যাবার জন্য অনুরোধ করা হয়েছিল, বলা হয়েছিল তাঁকে পশ্চিম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হবার। কিন্তু তিনি যাননি। এদেশকে ভালোবেসে রয়ে গেলেন এখানকার মা, মাটি, মানুষের সাথে।

আজকের এই দিনে “রাষ্ট্রভাষা বাংলা”র দাবী উত্থাপনকারী, ভাষা আন্দোলনের বীজ বপনকারী মহান নেতা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।

কালেক্টেড,,

বাংলা আমার মায়ের ভাষা। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস অমর হোক।
21/02/2022

বাংলা আমার মায়ের ভাষা।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস অমর হোক।

জ্ঞানের  ব্যক্তি বই পড়ে!! না,,, বই জ্ঞানের ব্যাক্তি পড়ে!!
21/01/2022

জ্ঞানের ব্যক্তি বই পড়ে!!
না,,,
বই জ্ঞানের ব্যাক্তি পড়ে!!

Address

House 1, Road 3, Block H, Eastern Housing, Pallabi Mirpur Dhaka
Dhaka
1216

Telephone

+8801748714103

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Queen's Mehraz fashion posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Queen's Mehraz fashion:

Share