27/09/2019
#চাইনিজ_ইউনিভার্সিটি_লাইফ
" তারা কোন সেনাবাহিনীর সদস্য না, এডমিশন টেষ্ট দিয়ে স্বপ্নের ভার্সিটি লাইফে প্রবেশ করা ফ্রেশমেন স্টুডেন্টস মাত্র।
এবং চায়না প্রত্যেক নাগরিক একেকজন সৈনিক। চায়নাতে আমাদের দেশের মত এক্সাম হয়না যৌথভাবে একসাথে এক্সাম হয়, মেধাক্রম অনুযায়ী ভার্সিটিতে সুযোগ হয়। নেই কোন প্রশ্ন ফাস,কিংবা মামা-চাচা অথবা লীগ বাহিনী 😏 ভর্তি হলেই কাজ শেষ নয় প্রথম তিন সপ্তাহ নিতে হয় ফিজিক্যাল আর্মি ট্রেনিং সবার জন্য বাধ্যতা মুলক। সকাল পাচটা থেকে রাত্র আট টা ফুল ডিসিপ্লিন এর সাথে ট্রেনিং করতে হয়। এ সময় একজন সোলজারের মত তাদের ট্রিট করা হয়, কিছু কমব্যাট ট্রেনিং ও করতে হয় এ সময়ে। এখান থেকে তারা শিক্ষা পায় দেশ ও দেশাত্মবোধ, শিখতে পারে কিভাবে নিজের জীবন কে সুশৃঙ্খল ভাবে পরিচালনা করতে হয়। চাইনিজ ভার্সিটি গুলোতে নেই কোন সিনিয়র,জুনিয়র, লীগ,দল🙏 নেই কোন র্যাগিং। ট্রেনিং শেষে শুরু হয় চাইনিজ একাডেমিক ইয়ার, ক্লাস, ল্যাব, চায়নাতে ক্লাস ডিরেশন অনেক লম্বা দুই-তিন ঘন্টা ধরে একটা ক্লাস চলে। সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিভিন্ন ফেস্টিভাল লেগেই থাকে, শিক্ষা মুলক সেমিনার প্রায় অনুষ্ঠিত হয়। চাইনিজ স্টুডেন্টরা শুধু পড়ালেখায় না খেলাধুলাতেও রেগুলার✌ বাস্কেটবল, ভলি, ব্যাটমিন্টিন, টেবিল টেনিস,ফুটবল যে যার পছন্দমত খেলে। ইউনিভারসিটির ক্যাম্পাস গুলা অনেক সাজানো গোছানো, মনেহয় যেন বিনোদন পার্ক। এখানেও ফুলবাগান, গাছঝাড় থাকে তবে দেশের ভার্সিটির মত যেখানেসেখানে কন্ডম পাবেন না 🤭 অনেক ছেলেমেয়েই রিলেশন করে তারা এটাও জানে ক্যাম্পাসের পরিবেশ ঠিক রাখার দায়িত্ব তাদের নিজের তথাপি কিছুবিষয় অনেক স্ট্রিক্টলি ফলো করা হয় ।না মানলে কঠোর শাস্তি☹ ওপেনলি রিলেশন করছে তারা, দুটো ছেলেমেয়ে একসাথে ঘুরছে, ক্যান্টিনে খাবার খাচ্ছে খুনসুটি করছে সুযোগবুঝে সন্ধ্যা বেলায় একটা কিস এতটুকুই ক্যাম্পাসের ভিতরে তাদের লিমিটস। নেই কোন ইভটিসিং, নেই বাবা কিংবা গাজার আসর। যারা ড্রিংকস করে অনেক ক্লাব,বার আছে বাহিরে, লিমিটের মধ্যে সব করছে। দিনশেষ এ পড়ালেখাও ঠিকআ আছে। আরেকটা কথা কঠোর পড়াশুনো, যৌথ এক্সাম, এত ট্রেনিং করে একটা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পড়তে এসেও তাদের অনেক টাকা ডোনেশন দিতে হয়, টাকার পরিমাণ টা আপনার চিন্তার অনেক উপরে🤔 ভার্সিটি ট্রান্সপোর্ট বা কোন সুযোগ সুবিধা নিয়ে কারো কাছে ধন্যা দিতে হয়না, আপনার বলার আগে ভার্সিটি প্রশাসন সব ব্যবস্থা করে রেখেছে ।ফলে না আছে কোন আল্টিমেটাম বা আন্দলন। র্যাংকিং
, বিসিএস টাইপ শব্দগুল এদের নাই। যে যার পছন্দমত নিজেকে একেক সেক্টরে গড়ে তুলছে✌পলিটিক্স শব্দটা ক্যাম্পাস লাইফে এরা পায়না🖐 দিনশেষএ যখন এরা গ্রাজুয়েশন করে বের হচ্ছে এক একজনের লেভেল অনেক হাই হয়েগেছে। অনেক প্যাশনেট,দক্ষ ও দায়িত্ববোধ সম্পন্ন নাগরিক আর তারাই এগিয়ে নিচ্ছে চায়না কে
অনেক উপরে। চোখের সামনে বিষয় গুলো দেখি নিজেকে ভাগ্যবান মনেহয় এরকম একটা পরিবেশ পেয়েছি আবার আফসোস হয় আমাদের দেশ এরকম একটা পরিবেশ গড়তে পারেনি বলে ।😥 মনে হচ্ছে একটা স্বপ্নের রাজ্যে আছি।