Shamim Badrul Alam

Shamim Badrul Alam Digital Marketing Strategy Consultant. I offer:
Digital Marketing Strategy Consultancy for Small Entrepreneurs.

Fundera এর এক হিসাবে দেখা গেছে ১ম বছর ২০% , ২য় বছরে ৩০%, ৫ম বছরে ৫০% এবং ১০ বছরের মাঝে ৭০% স্মল বিজনেস ফেইল করে। “ Busin...
16/05/2023

Fundera এর এক হিসাবে দেখা গেছে ১ম বছর ২০% , ২য় বছরে ৩০%, ৫ম বছরে ৫০% এবং ১০ বছরের মাঝে ৭০% স্মল বিজনেস ফেইল করে।

“ Business has only two basic functions - marketing & innovation “ - Peter Ducker

আপনার কি মনে হয় বিজনেস ফেইল করে শুধু মার্কেটিং নাকি ইনোভেশন কিংবা উভয়ের কারণে?

08/05/2023

গ্রোথ হ্যাক ইবুকটি কাদের জন্য

আমি আমার আগের পোস্টে গ্রোথ হ্যাক ইবুকের কথা বলেছিলাম। পরে ইবুকটি নিয়ে সবার সামনে কিছু কথা ক্লিয়ার করে দেয়া দরকার।

যেকোনো বিজনেসের ক্যারিশমাটিক জায়গা হচ্ছে গ্রোথ হ্যাক করা। শুরুতে গ্রোথ হ্যাক করতে পারলে বহুদূর এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।

বর্তমান সময়ে সেলস একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি যদি আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে এগিয়ে যেতে চান তাহলে এই ইবুকটি আপনার জন্য। সাইকোলজি এবং সেলস মিলিয়ে কিভাবে গ্রোথ হ্যাক করবেন তা এই ইবুকে ধাপে ধাপে দেখিয়ে দেয়া হয়েছে।

প্রচলিত অনেকগুলো মার্কেটিং ফানেল এবং সেলস স্ট্রাটেজি নিয়ে রিসার্চ করে উদাহরণ দিয়ে ইবুকটি সাজানো হয়েছে। তাই হাতের কাছে বেস্ট টিপস এবং ট্রিক্স পেয়ে যাবেন যেগুলো আজকেই প্রয়োগ করতে পারবেন এবং ফলাফল পাবেন।

মার্কেটিং ফানেল নিয়ে যত কন্টেন্ট আছে এবং যেসব ফানেল আছে তার অধিকাংশ পুরো কাস্টমার জার্নিকে ধারন করতে পারে না। শুধুমাত্র কাস্টমার রিটেনশনের মাধ্যমে মার্কেটিং ব্যয় ২৫% শতাংশ কমিয়ে ফেলা সম্ভব। আপনি গ্রোথ হ্যাকিং এর যেসব স্ট্রাটেজি শিখবেন তার বাস্তব প্রয়োগের মাধ্যমে বিজনেসে ১৬ গুন গ্রোথ নিয়ে আসা সম্ভব।

নিজের বিজনেসে নিয়ে এগিয়ে থাকতে চাইলে, প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে এগিয়ে থাকতে চাইলে আমি বিশ্বাস করি ইবুকটিতে দেখানো স্ট্রাটেজিগুলো ইমিডিয়েট ফলাফল এনে দিতে সক্ষম।

কমেন্টে দেয়া লিংকএ গিয়ে ফর্ম ফিলাপ করে ইবুকটি সংগ্রহ করতে পারেন।

03/05/2023

আমার আগের পোস্টে স্পেশাল ম্যাটেরিয়ালের কথা বলেছিলাম আর তাতে আপনাদের রেসপন্স দেখে আমি অভিভূত।

বিজনেসের শুরুতে ইমিডিয়েট গ্রোথ আনতে গিয়ে অনেক বিজনেস লিডার ফানেল বেজড স্ট্রাটেজি মিস করে ফেলেন বা স্কিপ করে যান। অথচ বিজনেস গ্রোথ বৃদ্ধিতে এটির কোন বিকল্প এখনো নাই সামনে হবে কিনা জানা নেই। কেননা এই স্ট্রাটেজিগুলো হিউম্যান বিহেভিয়ারের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।

আমি গ্রোথ হ্যাকিংএর জন্য ফানেল বেজড স্ট্রাটেজি এর সমন্বয়ে একটি স্পেশাল ম্যাটেরিয়াল তৈরি করেছি আর সেটা হচ্ছে গ্রোথ হ্যাকিং ইবুক।

আপনি হয়তো বুঝে উঠতে পারছে না কিভাবে গ্রোথ হ্যাক করবেন আমি আপনার ভাবনার জায়গা খুলে দিব।

আমার এতদিনের এক্সপেরিন্স এবং লার্নিং থেকে শেখা কিছু স্ট্রাটেজি আপনার সাথে শেয়ার করব।

এটা আপনার সাথে আমার এক্সপেরিন্স এবং লার্নিং শেয়ারিং।

আপনি যদি আপনার বিজনেসের গ্রোথের জন্য সল্যুশন খুঁজে থাকেন? আপনার বিজনেসের গ্রোথ বৃদ্ধির কথা ভেবে থাকেন? তবে এটি হতে পারে আপনার স্টার্টিং পয়েন্ট।

ইবুকটি সবার জন্য পুরোপুরি ফ্রি

ইবুকটির ব্যাপারে আগ্রহী হলে কমেন্টে জানাতে পারেন আমি আপনাকে লিঙ্ক দিয়ে দিব ইনশা আল্লাহ।

27/04/2023

আমি বিভিন্ন বিজনেসের সাথে কাজ করতে গিয়ে গ্রোথ হ্যাকিং এর ডিপ ডাউনে গিয়ে দেখতে পেয়েছি বিজনেসগুলোর মাঝে ফানেল বেজড স্ট্রাটেজি এর মিসিং রয়েছে, যারফলে বিজনেসগুলো শুরু থেকেই হোঁচট খায় এবং একসময় হুমড়ি খেয়ে পড়ে যায়।

অথচ এই সমস্যার সমাধান ফানেল স্ট্রাটেজির মাঝে চমৎকারভাবে দেয়া আছে। সঠিক ফানেল স্ট্র্যাটেজি সম্পর্কে না জানার কারণে বিজনেস গ্রোথ দিনের পড় দিন এক জায়গায় আটকে থাকে সাথে অনেক বেশি অপরচ্যুনিটিও নষ্ট হচ্ছে।

তাই আমি আমার লার্নিং এবং অভিজ্ঞতা এর উপর ভিত্তি করে স্পেশাল ম্যাটেরিয়াল এর কথা ভাবছি কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমার অডিয়েন্স বিষয়টা নিয়ে কি ভাবছে তা আমার জানা দরকার, তবেই না মেলবন্ধনটা চমৎকার হবে।

সুতরাং দেরী না করে আপনার ভাবনা এখুনি কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দিন

Digital Marketing Strategy Consultant.

I offer:
Digital Marketing Strategy Consultancy for Small Entrepreneurs.

ক্যাম্পেইন কেস স্টাডি ক্যাম্পেইন ব্যাকগ্রাউন্ড আমি আমার Advanced Digital Marketing Strategy Consultancy বিজনেসকে মাথায় র...
18/04/2023

ক্যাম্পেইন কেস স্টাডি

ক্যাম্পেইন ব্যাকগ্রাউন্ড

আমি আমার Advanced Digital Marketing Strategy Consultancy বিজনেসকে মাথায় রেখে পুরো ক্যাম্পেইন ডিজাইন করেছিলাম। এই ক্যাম্পেইনের ফাইনাল গোল ছিল লিড কালেক্ট করা। তবে তার আগে এ্যাওয়ার এবং এঙ্গেজের মধ্য দিয়ে অডিয়েন্সকে যেতে হয়েছে। অনেকে বলতে পারেন একটা ক্যাম্পেইন থেকে এত কিছু? আসলে পুরো ক্যাম্পেইন এমন ভাবে সাজানো হয়েছে যাতে করে অডিয়েন্স রেসপন্স করে এবং এঙ্গেজ হয়। তার জন্য দিতে হয়েছে ভ্যালু। আর আমি তাদের চাহিদানুযায়ী কনটেন্টের মাধ্যমে ভ্যালু ডেলিভার করেছি।

লিড কালেক্ট করার জন্য আমার প্রয়োজন ছিল একটা কিছু অফার করা যাতে করে সহজেই লিড কালেক্ট করতে পারি। তবে তার চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে একটা ট্রাস্ট বিল্ড করা। কেননা অডিয়েন্স আমার সম্পর্কে জানে না। প্রথমত তাকে আমার সম্পর্কে জানাতে হবে, তার সাথে একটা সম্পর্ক তৈরি করতে হবে, তারমাঝে একটা ট্রাস্ট তৈরি করতে হবে যাতে করে আমার অফারের ব্যাপারে আগ্রহী হয়।

অডিয়েন্সকে জানানো থেকে শুরু করে অফারের ব্যাপারে আগ্রহী করে তুলা পর্যন্ত এই পুরো প্রকিয়ায় প্রতিটি ধাপে স্পেফিক উদ্দেশ্য নিয়ে প্রতিটি কন্টেন্ট রেডি করা হয়েছে।

আমার আগে থেকেই কাস্টমার এভাটার তৈরি করা থাকলেও সেটা টেস্টেড ছিল না। শুরুতেই আমি কাস্টমার এভাটার অনুযায়ী ইন্টারেস্ট, চ্যালেঞ্জ এবং পেইনপয়েন্ট মাথায় রেখে হাই ভ্যালু একটা অফার রেডি করে ফেললাম। তবে এখানে আরেকটা বিষয় খেয়াল রাখতে হয়েছে যাতে করে অফারটি যেন ফানেল অনুযায়ী হয় নাহলে পরবর্তীতে স্কেল আপ বলেন ডিজিটাল মার্কেটিং বলেন কোনটাই সিঙ্ক আপে থাকবে না। আর ফানেল অনুযায়ী অফার তৈরি করার বড় সুবিধা হচ্ছে খুব সহজেই অডিয়েন্সের পৌঁছে যাওয়া যায়।

ক্যাম্পেইনের প্রতিটি ধাপে প্রতিটি কন্টেন্টের বিপরীতে অল্টারনেটিভ কন্টেন্ট রেডি করা ছিল যাতে করে অডিয়েন্সে ডেমোগ্রাফিক এবং ইন্টারেস্ট আর ভাল করে বুঝা যায়। এছাড়া আরেকটি বিষয় মেজার করার চেষ্টা করেছি সেটা হচ্ছে কোন অডিয়েন্স কোন কন্টেন্টে কিরকম রেসপন্স করে? ক্যাম্পেইনের শুরুতে একটি চ্যানেল নিয়ে যেরকম ধারনা করেছিলাম শেষে এসে আমার আমার পুরো ধারনা পাল্টে গেছে।

ক্যাম্পেইনেটির জন্য নির্ধারিত সময় ছিল ২ মাস। কারণ এতে করে প্রতিটি ধাপে খুব বেশী একটা গ্যাপ পড়বে না, আর অডিয়েন্সের সাথে নিয়মিতভাবে এঙ্গেজ থাকা হবে।

পুরো বিষয়টা ক্যাম্পেইন হলেও কোন পেইড মিডিয়া ব্যবহার করা হয় নি। পুরোটাই অর্গানিক।

এখন আসি রেজাল্টের কথায়। লিড কালেশনের ব্যাপারটি পুরোপুরিভাবে মেজার করা হয় নি যেহেতু পেইড মিডিয়ার বিষয়টি এখনো বাকী রয়ে গেছে, তবে এখনো পর্যন্ত লিড অফার থেকে ৩দিনে ৪৬ জনের লিড কালেক্ট করেছি। পেজ এবং প্রোফাইল এর রেজাল্টের জন্য ইমেজ সাথে যুক্ত করে দিয়েছি।

ইদানীং বেশ কিছু গ্রুপে ফেসবুক কাজ করছে না, ফেসবুক থেকে ভাল রেজাল্ট পাওয়া যাচ্ছে না এমন পোস্ট প্রচুর দেখা যাচ্ছে। আমার এই ক্যাম্পেইনের মাঝে দিয়ে কিছু ইনসাইট উঠে এসেছে; “ Without strategy, ex*****on is aimless. Without ex*****on, strategy is useless” Morris Chang.

আমার কাছে ফানেল স্ট্যাটেজি এর একটা গ্যাপ হচ্ছে সেলস ফানেল। কেননা Mark Anupom Mollick ভাইয়ের মার্কেটিং ফানেল নিয়ে কোর্সটি...
12/04/2023

আমার কাছে ফানেল স্ট্যাটেজি এর একটা গ্যাপ হচ্ছে সেলস ফানেল। কেননা Mark Anupom Mollick ভাইয়ের মার্কেটিং ফানেল নিয়ে কোর্সটি করা থাকলেও সেলস ফানেল নিয়ে যথাযথ রিসোর্স, ম্যাটেরিয়াল এবং ট্রেনিং এর অভাব তীব্রভাবে অনুভূত হচ্ছিল।

এমন সময়ে Mark Anupom Mollick ভাই মার্কেটিং ফানেল, সেলস ফানেল, কপিরাইটিং এবং স্টোরি ব্রান্ডিং উপর ভিত্তি করে স্ট্যাটেজি, ফ্রেমওয়ার্ক, হিউম্যান সাইকোলজি ইন্সাইট, রিয়েল লাইফ বিজনেস এক্সাম্পলসহ অসাধারণ এক কোর্স Funnel Strategy Mastery নিয়ে আসেন।

এই কোর্সের মধ্য দিয়ে সেলস ফানেল খুঁটিনাটি বিষয়গুলো জানা এবং বুঝার জন্য রিয়েল লাইফ বিজনেস এক্সাম্পল আসলেই এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা ছিল।

I really enjoyed every moment & I will miss those moments.

09/04/2023

রমজানে কাস্টমার মনস্তত্ত্ব

কোভিড, লকডাউন মানুষের অর্থব্যবস্থা, সামাজিক জীবন এবং জীবনাচরণকে অনেকটা বদলে দিয়েছে যার ফলে মানুষের মনস্তত্ত্বে অনেক পরিবর্তন এসেছে এবং এর ধারাবাহিকতায় কাস্টমারের বিহেভিয়ারও চেঞ্জ হয়ে গেছে।

অপরদিকে রমজান এমন একটি সময় যে সময়ে Statisa এর হিসাবে ১.৬ বিলিয়ন মুসলিম জনগোষ্ঠীর জীবনে সামগ্রিক অর্থাৎ ধর্মীয়, সামাজিক, অর্থনৈতিক এমনকি আধ্যাত্মিক পরিবর্তন আসে। এই সময়টাতে মানুষেরা ধর্মীয়, আত্নিক এবং আর্থিক কর্মকাণ্ডকে যার যার অবস্থান থেকে সাধ্যমত উৎসবের আমেজে পালনের চেষ্টা করে।

সার্ভে থেকে দেখা গেছে ভোক্তারা আশা করে যে ব্র্যান্ডগুলির কাছ থেকে নিত্য নতুন উদ্ভাবনী অফার, আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন এবং নির্বিঘ্ন অনলাইন অভিজ্ঞতার আশা অন্য সময়ের থেকে একটু বেশী করে।

গুগলের সার্ভে থেকে দেখা গেছে এইসময়ে মানুষেরা নিজেদের পরিশুদ্ধ করে একজন ভাল মানুষ হওয়ার চেষ্টা করে যার কারণে তারা ভাল কাজ এবং পারিবারিক সম্পর্ককে বেশী বেশী মূল্যায়ন করে

ট্রাভেলার, গেমার অথবা ফুডিস লাইফস্টাইল থেকে মহানুভবতা এবং দয়াশীল মনোভাবকে বেশী মূল্যায়ন করা হয়।

গুগলের সার্ভে থেকে দেখা গেছে যেসব কন্টেন্টএ পরোপকার, দান করা দেখানো হয় বা প্রমোট করা হয় সেসব কন্টেন্ট অন্যান্য সময়ের তুলনায় এই সময়ে অনেক বেশী এঙ্গেজমেন্ট পায়।

কাস্টমার বায়িং বিহেভিয়ার

সার্ভে থেকে দেখা গেছে ৮৬% লোকজন মোবাইল ব্যবহার করে বা তাদের ঘরে মোবাইল আছে।

৫০% লোকজন রমজানের ৩ সাপ্তাহ আগে থেকে শপিং প্লান শুরু করে। আর এই শপিং চলতে থাকে রমজান শেষ হওয়ার ১ সাপ্তাহ পর পর্যন্ত।

ইউগভ এর গবেষণায় দেখা গেছে লোকজন ৫৩% বেশী খরচ খরচ করে

৪০% লোকজন এই সময়ে অফার খুঁজে

তাই এই সময়ে ব্রান্ডগুলো তাদের অফার বা অফার রিলেটেড ইনফরমেশগুলো অপ্টিমাইজ করে কাস্টমার একুইজিশন এবং কাস্টমার সেটিস্ফেশন রেট বাড়িয়ে নিতে পারে।

গুগলের সার্ভে থেকে দেখা লোকজনরা গ্রোসারি এবং ফুড আপের ব্যবহার বেশী করে

গুগলে তারা বেস্ট ইফতার, বেস্ট রেসিপি এই ধরনের সার্চ বেশি করে

গুগলে ডিলের জন্য প্রচুর মানুষ সার্চ করে

গ্রোসারি এবং ফুড আপ ব্যবসায়ীরা বেস্ট ইফতারি, বেস্ট রেসিপি এই ধরনের কন্টেন্ট দিয়ে নতুন অনেক মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে আবার ডিল দিয়ে অনেক নতুন কাস্টমার আক্যুয়ার করতে পারে।

রমজান শুরুর আগের এই সময়টাতে গুগলে হোম ডেকোরেশন ভিডিও কন্টেন্ট এর কঞ্জিউম বেড়ে যায়।

স্মল কিচেন অ্যালায়েন্সের ভিডিও ভিউ অন্য সময়ের তুলনায় ১৬৪% বেড়ে যায়

গুগল কালারফুল আবায়া লাইন এবং থিমড এক্সেসরিজ এর ট্রেন্ড লক্ষ্য করছে।

ড্রেস আপ এবং ফ্যাশন রিলেটড কন্টেন্ট এর কঞ্জিউম ৭২ % বেড়ে যায় এই সময়ে।

ব্রান্ডগুলো রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়ে কাস্টমাইজড ম্যাসেজ কাস্টমারদের পাঠায়, উদ্দেশ্য থাকে তাদের সাথে ব্রান্ডের ইমোশনাল কানেকশন তৈরি করা।

ব্রান্ডগুলো বিভিন্ন মিল রিলেটেড কন্টেন্ট তৈরি করতে পারে কেননা মিল রিলেটেড কনটেন্ট অনেকেই সার্চ করে।

ব্রান্ডগুলো সিম্পল এবং ন্যাচারাল লুকের মেকআপ টিউটোরিয়াল নিয়ে কাজ করতে পারে কেননা এই সময় সিম্পল এবং ন্যাচারল লুক মেকআপ এবং স্কিন কে আদ্র রাখা রিলেটেড ভিডিওগুলোর ভিউ প্রচন্ডভাবে বেড়ে যায়।

রমজান শুরুর ২ সাপ্তাহে সর্টকাট কুকিং রেসিপিগুলো নপ্রিয়তার উপরের দিকে থাকে। টেন মিনিট রেসিপি বা ডেজার্ট রেসিপির সার্চ ভলিউম গুগলে এই সময়ে বেশী থাকে।

৭০% পুরুষের মাঝে খাদ্য সম্পর্কিত কন্টেন্ট এর প্রতি ইন্টারেস্ট গ্রো করে।

মহিলারা রেসিপি এবং ডেজার্ট রিলেটেড কন্টেন্ট বেশী কঞ্জিউম করে।

রোজার শেষ ২ সাপ্তাহ হচ্ছে গিফট এবং গ্লামারের।

এই সময়ে নেইল পালিশ, ফেস্টিভ হেয়ার কেয়ার, মেকআপ টিপস রিল্টেড কন্টেন্ট এ ফোকাস শিফট করে। ঈদ লুকের বিউটি টিউটোরিয়াল দেখা যায়।

পুরুষের শেভিং এবং গ্রুমিং রিলেটেড কন্টেন্ট এর কঞ্জিউম ২০% বেড়ে যায়

রোজা শুরুর ২ সাপ্তাহ বাড়িতে রান্নার আগ্রহ থাকলে শেষ ২ সাপ্তাহ কঞ্জিউমাররা বাইরে খাওয়ার চিন্তা করে। আড় তাই তাদের মাঝে বুফে ইফতার এবং থিমড সেহেরীর চাহিদা পরিলক্ষিত হয়।

ঈদের কয়েক সাপ্তাহ আগ থেকে গুগলে গিফটের সার্চ বেড়ে যায়। রিটেল স্টোর এবং মলে লোকজনের আনাগোনা পরিলক্ষিত হয় বিশেষ করে ঈদের সাপ্তাহে। অনলাইনে আইডিয়াল গিফটের রিসার্চ এর পিক লক্ষ্য করা যায়।

রমজানের শেষ সময়ে হলিডে ডিলস, ফ্লাইটস, হোটেল এর সার্চ এর পরিমাণ বেড়ে যায়। অনেকে সামার ট্রাভেল, লাস্ট মিনিট বুকিং নেয়ার চেষ্টা করে। বিচ সিটিগুলোর সার্চ ভলিউম বেড়ে যায়।

ইদের শেষে লোকেরা পুরনো হ্যাবিটে ফিরে যাওয়া শুরু করে তাই এই সময়ে রেস্টুরেন্ট বিশেষ করে ফাস্ট ফুড রেস্টুরেন্টগুলোর সার্চ ভলিউম বেড়ে যায়।

ইদের সময়ে গিফটের সার্চ এনং অনলাইন শপিং এর পিকলক্ষ্য করা যায়।

ইন্টারেস্টিং ফ্যাক্ট হচ্ছে গিফটের জন্য মানুষ কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স বেশী পছন্দ করে।

রমজানের প্রভাব বিশেষ করে কেনাকাটার প্রভাব মানুষের জীবনে অনেকটা লম্বা সময় ধরে থেকে যায়। আর লম্বা সময় ধরে কাস্টমারের বিহেভিয়ারে চেঞ্জ আসে। কাস্টমার বিহেভিয়ার চেঞ্জ এর প্যাটার্ন বুঝে স্ট্যটেজিক মুভমেন্ট আপনাকে আপনার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিবে।

07/04/2023

রমজানে কাস্টমার মনস্তত্ত্ব ২

রমজানে লোকজন ৪১% বেশী কেনাকাটা করে আর কেনাকাটায় জনপ্রিয় আইটেমগুলো হচ্ছে ফলমূল, শাক সবজি এবং পানীয়।

রমজানের এই সময়টাতে ২৪% বেশী হোম অ্যাপ্লায়েন্স কেনা হয়। আর যারা এই হোম অ্যাাপ্লায়েনশুলো কেনাকাটা করেন তাদের ৮৫% এই কেনাকাটার প্লানিং রোজা শুরুর এক সাপ্তাহ আগ থেকেই শুরু করেন।

এক স্টডি থেকে দেখা গেছে এই সময়ে মহিলাদের তুলানয় পুরুষেরা বেশী ভ্যাকেশন বুকিং করে এবং তার হার হচ্ছে পুরুষ ৬০% এবং মহিলা ৪০%।

সন্ধ্যা ৭ ট হচ্ছে ট্রাভেল বুকিং এর সবচেয়ে জনপ্রিয় সময়। অনেকে ইফতারির পরে ট্রাভেল বুকিং করেন।

৫১% লোকজনের মতে ডিল খুজার বেস্ট টাইম হচ্ছে রমজান।

এদের মাঝে ৫৯% লোকজন শপিং প্লানিং ফেজে ফেসবুক এপ ইউজ করে।

৪০% লোকজন চায় যে ব্রান্ডগুলো তাদেরকে ফেসবুক এ্যাপে এপ্রোচ করুক।

৫৭% লোকজন ফেসবুক থেকে আসা এডকে ট্রাস্ট করে আবার অন্যদিকে ৫৫% লোকজন ইন্সটাগ্রম থেকে আস এডকে ট্রাস্ট করে।

৫৭% লোকজন ফেসবুক প্লাটফর্মকে ব্যবহার করেন নিজেদের বা অন্যের জন্য কেনাকাটার জন্য।

যেসব বিষয় লোকজনের কেনাকাটাকে প্রভাবিত করে

পার্সোনালাইজেশন ৪০%

কুপন বা ডিস্কাউন্ট ৩৩%

ব্রান্ড এডর রিসেন্ট ১৯%

বিশ্বস্ততা ৮%

Httpool এর এক রিপোর্ট থেকে দেখা গেছে যে ব্রান্ডগুলো এই সময়ে এডের পেছনে ২০% বেশি খরচ করে ।

সামগ্রিকভাবে বলা যায় শুধু এড খরচ না বাড়িয়ে কাস্টমার এর মনস্তত্ত্ব বুঝে মার্কেটিং করা উচিত। কাস্টমার ডিলাইটফুল ক্যাম্পেইন এর সাথে এঙ্গেজ করতে পছন্দ করে, ক্যাম্পেইনগুলোতে এম্পেথেটিক এবং অথেনটিক টোন খুঁজে, তারা ডিলস, ডিস্কাউন্ট বিশেষ করে পারসনাইলজড ডিলস অনেক বেশী এঞ্জয় করে।

23/12/2022

Measure & analyse campaign performance

Definition

ক্যাম্পেইন এনালাইসি বলতে মার্কেটিং পারফর্মেন্স এর এসেসমেন্টকে বুঝানো হয়। এর মধ্যদিয়ে যেমন ক্যাম্পেইন এর পারফমেন্স শোকেস করা যায়, তেমনি মার্কেটার তার কর্মদক্ষতা কলিগ, ক্লায়েন্ট এবং স্টেক হোল্ডার এর সামনে তুলে ধরতে পারে।

Highrise Marketing এর Digital Project Manager বলেন “ It helps your audience understand the effectiveness of various marketing channels and allows you to highlight efforts that brought success and contextualise the ones that did not “

ক্যাম্পেইন এনালাইসিসের মধ্যদিয়ে কন্সার্ন পক্ষগুলোর সামনে অনেকগুলো বিষয় পরিষ্কার হয়ে যায়;

কাস্টমার জার্নিতে ক্যাম্পেইন কি ধরনের প্রভাব ফেলছে তা জানা যা কোন ক্যাম্পেইন কেমন করছে তার ডাটা পাওয়া যায় যার ফলে সাকসেসফুল ক্যাম্পেইনের জন্য ডাটা ড্রিভেন ডিসিশন নেয়া সহজ হয়।

যে ক্যাম্পেইন ভাল করছে তার পেছনে খরচ বাড়িয়ে দেয়ার ডিসিশন নেয়া সহজ হয়ে যায় মার্কেটার বা প্রতিষ্ঠান স্টেক হোল্ডার বা ক্লায়েট এর বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে পারে।

সর্বোপরি more reach এবং more lead এর মত বিষয়ের জন্য এক্সট্রা মার্কেটিং বাজেটের রিকুয়েস্ট করতে পারে।

How often should you analyse your campaign

কতবার ক্যাম্পেইন মেজার করতে হবে এটার কোন রাইট কিংবা রং কোন উত্তর নেই। আপনি আপনার ক্যাম্পেইন কতবার মেজার করবেন তা নির্ভর করে আপনার গোলের উপর এবং মার্কেটিং এক্টিভিটিজ এর মধ্য দিয়ে কি অর্জন করতে চাইছেন তার উপর। এক সার্ভে থেকে দেখা গেছে ৩২% কোম্পানি মাসে একবার এবং ৪৩% কোম্পানি সাপ্তাহে একবার ক্যাম্পেইন মেজার করে। সমীক্ষায় অংশগ্রহণ করা প্রায় অর্ধেক লোকই সাপ্তাহে অন্তত একবার মার্কেটিং এর কার্যকারিতা পরিমাপ করে এবং রিপোর্ট করে।
দৈনিক বা সাপ্তাহিক রিপোর্টিং আপনাকে যেকোন সুযোগ বা সমস্যা এর ব্যাপারে আগে থেকেই সচেতন থাকতে সাহায্য করে। যার ফলে যেকোন সুযোগ বা পরস্থিতিতে আপনি আপনার ক্যাম্পেইনের প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত পরিবর্তন নিয়ে আসার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন।

কিছু কিছু ক্যাম্পেইন এনালাইসিস এবং রিপর্টিং এর জন্য প্রচুর সময় সময় ব্যয় করতে হয় আবার কিছু কিছু ক্যম্পেইন নিয়মিত ট্রাক করা যুক্তিযুক্ত। সার্ভে তে অংশ নেয়া ৭৫ ভাগ লোক স্বীকার করেছেন যে তারা ক্যাম্পেইন ট্র্যাকিং এর পেছনে প্রচুর সময় ব্যয় করেন এবং এই কারণে ৩২% মার্কেটার মান্থলি রিপর্ট প্রেফার করেন। বেছে নেন। মান্থলি রিপোর্টিং এ সময় কম লাগে বলে প্রোডাক্টিভিটি এবং পারফর্মেন্স উন্নত করার জন্য সময় ব্যয় করা যায়।

Fresh Egg এর Strategy Director Duncan Heath বলেন “showing month-on-month performance or even longer time periods will prevent an over-focus on, and knee jerk reaction to, granular changes in measurables,”
Importance

পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ কোম্পানিগুলো টেকসই এবং আইকনিক। কোম্পানিগুলোর এই আইডেন্টিটি ব্রান্ডগুলোকে হিউজ একটা ভ্যালু প্রদান করে।কিন্তু অনেক প্রতিষ্ঠানের মাঝে বিশেষ করে ওভার স্যাচুরেটেড মার্কেটে অনেক প্রতিষ্ঠানের মাঝে এই বিষয়টা মিসিং। লং লাস্টিং এবং আইকনিক হওয়ার অনেক লিসন এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এর দিক নির্দেশনা ক্যাম্পেইন মেজারিং এর মাধ্যমে পাওয়া সম্ভব। এবং অনেক প্রতিষ্ঠান সেই কাজই করছে।

Cost: Measure Ad Effectiveness to Get the Most from Your Budget

অনেক সময় দেখা যায় একটি ওয়েবসাইটের পেছনে প্রচুর অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে কিন্তু কাক্ষিত ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে না, অন্যদিকে আরেকটি ওয়েবসাইটের পেছনে তেমন খরচ না করেও আশার চেয়ে অতিরিক্ত ফলাফল আসছে। ক্যাম্পেইন মেজার করার মাধ্যমে এই সমস্ত ডাটা হাতে চলে আসে যারফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সহজ হয়ে যায় কোথায় কেমন খরচ করতে হবে?

Consumer: Ensure Ad Messaging, Creatives, and Placement Are Appropriate for Your Audience

পৃথিবীতে প্রত্যেকটি ব্রান্ডের নিজস্ব কিছু কঞ্জিউমার থাকে। ধরা যাক একটি ব্রান্ডের কঞ্জিউমার ৩৫ বছরের মহিলারা যারা ঢাকায় থাকে। এখন তাদেরকে মাথায় রেখে একটি ক্যাম্পেইন তৈরি করা হলো। ক্যাম্পেইন ইফেক্টিভনেস এনালাইসিস করে হয়তো দেখা গেলো ক্যাম্পেইনে যে ভাষা এবং ক্রিয়েটিভিটি ব্যবহার করা হচ্ছে তাতে তাদের চেয়ে ইয়োংগার ডেমগ্রাফিক আকৃষ্ট হচ্ছে। অথবা এমনও হতে পারে যে কিছু শব্দ মেল-বায়াসড যার ফলে মহিলারা দূরে সরে যাচ্ছে এবং পুরুষেরা আকৃষ্ট হচ্ছে। অডিয়েন্স যখন অনেক ব্রড থাকে তখন বিষয়গুলো তেমন কোন সমস্যা না করলেও, কিন্তু প্রোডাক্ট যদি হয় স্পেসিফিক সেগমেন্ট এর জন্য তখন?

মেজার করার মাধ্যমে আইডিয়াল কঞ্জিউমারের ইন্টারেস্ট এবং বিহেভিয়ার এর অনেক ইন্সাইট পাওয়া যায়। যার ফলে ম্যাসেজ কঞ্জিউমারের ভ্যালুর সাথে যেমন এলাইন করা যায় তেমনি ইন্টারেস্টেড না এমন নতুন অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছে যাওয়া সম্ভব হয়।

Calamities: Use Advertising Measurement to Recover from Missteps

ক্যালামিটিস বলতে বুঝায় ক্যাম্পেইনের নোটেবল মিস্টেকস হতে পারে ভুল বানান কিংবা ভুল উচ্চারণ, বা অসেচতনভাবে পক্ষপাতমূলক আচরণ বা এমন কিছু ভুল যা ক্যাম্পেইন রান করার সময় সামনে উঠে আসে।

Ford India তাদের গাড়ীর বিশাল বুট স্পেস বুঝানোর জন্য প্রিন্ট এডে দেখিয়ে ছিল হয়েছিল তাদের গাড়ীর বুটে তিনজন মহিলাকে বেধে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এমন সেক্সুয়ালি এসল্টেড রং ম্যাসেজ তাতক্ষনিকভাবে জনগণের মাঝে স্পার্ক করে, জনগণের কাছ থেকে নেগেটিভ রেসপন্স আসতে শুরু করে। যারফলে একসময় তারা বাধ্য হয় তাদের এডটি প্রত্যাহার করতে।

ফোর্ড তাদের ক্রিয়েটিভ ক্যাম্পেইনটি লঞ্চ করার আগেই টেস্ট করতে পারত। সফট লঞ্চ করে দেখতে পারত তাদের ক্রিয়েটিভ কেমন? ম্যাসেজ ঠিক আছে কিনা? অডিয়েন্স রেসপন্স কেমন? এমনটা করা হলে তাদের অনেক অর্থ নষ্ট করার পরে ক্যাম্পেইন বন্ধ করা লাগতো না, জনগণের সামনে ক্ষমা চাওয়া লাগতো না আর এমন করে ব্রান্ড ইমেজও নষ্ট করা লাগত না।

Coordination: Fuse Campaigns with Your Brand Identity

ব্রান্ড আইডেন্টিটির সাথে এডভারটাইজিং ইফোর্ট এর সমন্বয় এবং এলাইন করাটা প্রয়োজনীয় এবং খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। একটি নির্দিষ্ট পরিবেশে এবং এক্সপার্টিজ ফিল্ডে ব্রান্ডকে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে অনেক বছর সময় লেগে যায়। কিছু ব্রান্ড তাদের ইমেজ ধরে রাখার জন্য অনেক দূর যেতে প্রস্তুত।

এক্সপেন্সিভ ইয়াং ক্লোথিং ব্রান্ড Abercrombie & Fitch এর CEO Mike Jeffries তার ব্রান্ডকে তেমনি করে অনেক সময় ব্যয় করে High Price ট্যাগ ব্রান্ড হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে যার জন্য তারা সেলিব্রেটিকে তাদেরপ্রোডাক্ট না পরার জন্য টাকা দিতে কুণ্ঠা বোধ করে না।

একটি ব্রান্ডকে মেমোরেবল এবং আইকনিক করে তুলার অন্যতম শক্তিশালী ওয়ে হচ্ছে কঞ্জিউমারের ভ্যালুর সাথে ব্রান্ডকে এলাইন করা। নাইকির “ Just Do It ‘ মোটিভেশনের সমার্থক, অদিয়েন্সকে মোটিভেট করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য বা নতুন করে শুরু করার জন্য। তারা বছরের পর বছর বিভিন্নফ ক্যাম্পেইন রান করছে একই থিম এবং ম্যাসেজ নিয়ে।
Cultivate: Improve Your Strategy with Each Campaign

B.B. King বলেন “The beautiful thing about learning is that nobody can take it away from you.”

ক্যাম্পেইন মেজারের মাধ্যমে আগামীর ব্রিলিয়ান্ট ক্যাম্পেইনের জন্য শিক্ষা অর্জন করা সম্ভব। কঞ্জিউমারের পরিবর্তন, বিবর্তন, প্রয়োজন এবং চাহিদাকে যে কারো সামনে উপস্থাপন করা সম্ভব।

মিডিয়া মেজারমেন্ট একজন শিক্ষকের মত যে আপানর ওয়ার্কে কে মার্ক করছে, ভুল ধরিয়ে দিচ্ছে, ভুল সংশোধনের রাস্তা দেখিয়ে দিচ্ছে। গ্রেট আইডিয়াকে ধারণ করে সামনে এগিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করছে, শিখতে উদ্বুদ্ধ করছে।

20/12/2022

Marketing Psychology that influences consumer behaviour

কঞ্জিউমার কিভাবে পারচেজ ডিসিশন নেয়? কোন একটি প্রোডাক্ট কিনতে কি তাকে বাধ্য করে? সে কি পছন্দ বা অপছন্দ করে? এইসব বিষয় জানার উদ্দেশ্যে কঞ্জিউমার বেহিভিয়ার স্টাডিকে মার্কেটিং সাইকোলজি বলা হয়।

কন্টেন্ট, মার্কেটিং, এবং সেলস স্ট্রাটেজিতে সাইকোলজিক্যাল প্রিন্সিপাল এর ব্যবহার এই মার্কেইং সাইকোলজির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

মার্কেটিং ম্যাটেরিয়াল, ট্যাক্টিস, এবং স্ট্রাটেজিতে প্রমাণিত সাইকোলজিক্যাল প্রিন্সিপাল যোগ করার প্রক্রিয়া হচ্ছে মার্কেটিং সাইকোলজি যার মাধ্যমে ব্রান্ড বা অফার সম্পর্কে মনোভাব প্রভাবিত করা যায়।
মার্কেটিং সাইকোলজির মাধ্যমে আপনার কন্টেন্ট, কমিউনিকেশন এবং স্ট্রাটেজির সাথে কঞ্জিউমারের প্রেডিক্টেবল, সাবকনশান্স, এবং বিহেভিয়ার প্যাটার্ন এলাইন করা হয়।

মার্কেটিং সাইকোলজি ব্যবহার করার অনেকগুলো উপায় রয়েছে; হতে পারে ইমোশনাল ট্রিগার ওয়ার্ডস ব্যবহার করে অডিয়েন্সকে উদ্দীপ্ত করা কপিতে সাইকোলজি ব্যবহার করা রঙকে অডিয়েন্স কিভাবে অনুভব করবে তার উপর ভিত্তি করে ওয়েবসাইটে রঙ নির্বাচন করা।

তবে এখানে একটা বিষয় হচ্ছে অডিয়েন্স কিভাবে ভাবে তা বদলে দেয়ার কিছুই নেই। বিহেভিয়ার প্যাটার্ন ব্রেইনে গ্রোথিত হয়ে আছে তাই কন্টেন্ট এবং এপ্রোচ কে সেই অনুযায়ী এলাইন করতে হয়।

মার্কেটিং সাইকোলজি এর পেছনে শোষণ, ম্যনিপুলেট কিংবা ধোঁকাবাজির কিছু নেই। তো আপনি যদি কঞ্জিউমার সাইকোলজি ব্যবহার করে অনেক বেশী কাস্টমার পেতে চান তবে কয়েকটি বিষয় আপনাকে মনে রাখতে হবে;

নিশ্চিত করুন যে আপনাকে বেছে নেয়ার সিদ্ধান্তটি তাদের জন্য সেরা সিদ্ধান্ত। আপনার ব্যবসার জন্য উপযুক্ত নয় এমন কাস্তমার উইন করা মানেই ক্ষতি আর ক্ষতি।

এই ধরনের ট্যাক্টিস ব্যবহার করে ওভার প্রমিজ কিংবা ক্ষমতার অতিরিক্ত কোন কিছু করতে যাওয়া একেবারেই সমীচীন নয়।

সম্ভাব্য বায়ারের গোলের সাথে আপনার বিজনেসের গোল এলাইন করে আপনি win-win সিচুয়েশন তৈরি করতে পারেন।

আপনার মার্কেটিং সাইকোলজি স্ট্রাটেজি কতটুকু ইফেক্টিভ এটা বুঝার জন্য ডাটা ব্যবহার করুন।
এটা ভুলে যাবেন না যে আপনি এবং কঞ্জিউমার দুজনেই হিউম্যন । ম্যানুপোলেটিভ মার্কেটিং সাইকোলজি নিয়ে সাবধানতা পালন করা বাঞ্ছনীয়।
একজন মার্কেটারের গুরুত্বপূর্ন কাজ হচ্ছে কঞ্জিউমার বিহেভিয়ার এর পুনরাবৃত্তিমূলক প্যাটার্ন খুঁজে বের করা, পেছনের কারণ অনুসন্ধান করা, অতঃপর ফাইন্ডিংস মার্কেটিং স্ট্রাটেজিতে ব্যবহার করা।

তার মানে বিষয়টা দাঁড়াচ্ছে এই রকমঃ testing > analysing > implementing।

কিন্তু সবসময় ফাইন্ডিংস খুঁজে বের করে নিয়ে কাজে নামতে হবে বিষয়টা এমন নয়। মার্কেটিং পারফরমেন্স উন্নত করবে বয়া করতে পারবে এমন প্রিন্সিপাল ইতোমধ্যে নানারকম সাইকোলজিক্যাল স্টাডির মাধ্যমে আমাদের সামনে চলে এসেছে;

Reciprocity

আপনার সাথে কেউ ভাল করলে আপনারও ইচ্ছে করবে তার সাথে বা তার জন্য ভাল কিছু করার। এটা মানুষের প্রবণতা। এই প্রবণতাকে সাইকোলজির ভাষায় বলা হয় norm of reciprocity।

মার্কেটিং সাইকোলজিতে norm of reciprocity মানে হচ্ছে একটি বিজনেস তার কঞ্জিউমারদের কিছু একটা ফ্রিতে দিল এরফলে তাদের মাঝে বিজনেসটির প্রতি কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ বোধের জন্ম হয়।

একটি গ্রোসারি ইকমার্স যদি একটি সার্ভে ফর্ম এক প্যাকেট গিফট তার প্রেজেন্ট কাস্টমারদের কাছে পাঠায়। তবে এটা সম্ভাবনা আছে যে অধিকাংশ কাস্টমার কৃতজ্ঞতা বোধের কারণে ফর্ম পূরণ করে পাঠাবে।

এই প্রিন্সিপাল ব্যবহার করে আপনি ফ্রি কন্টেন্ট, ফ্রি ইবুক, ফ্রি টুলস এবং ট্রায়াল অফার করতে পারেন। শুরুতে তারা কি পাচ্ছে তার দিকে গুরুত্ব দেয়া উচিত, পরবর্তীতে রিভিউ বা তাদের কন্টাক্ট ইনফরমেশন চাইতে পারেন।

আপনি ফ্রিতে ভ্যালুয়েবল ইনফরমেশন এবং এডুকেশন দিয়ে যাচ্ছেন তার মানে আই না যে কাস্টমার আপনাকে ফ্রি ভ্যালুয়েবল ইনফরমেশন দিবে। কিন্তু তারা ডিসিশন নিবে দুইটা কোম্পানির মাঝে কোনটা বেছে নিবে? আপনারটা নাকি অন্য আরেকটা? ধরা যাক দুইজনেরই রিভিউ আছে, সোশ্যাল প্রুফ আছে। এর মাঝে আপনার কোম্পানি নিয়মিত রিসোর্স শেয়ার করছে, কাস্টমার কাকে বেছে নিবে বলে মনে হয়?

Authority

অথোরিটিকে ডিফাইন করা হয় অন্যের ভাবনা, মতামত অথবা বিহেভিয়ারকে প্রভাবিত বা কমান্ড করার ক্ষমতাকে। আমরা তাকেই অথরেটিভ বলে মনে করি যার শিক্ষা, অভিজ্ঞতা বা খ্যাতি তাকে অন্যের কাছে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলে- সে যে তথ্য প্রদান করে তা বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হয় এবং সেই তথ্য ব্যবহার করতে আমরা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।

টার্গেট অডিয়েন্সের সমস্যার সমাধান হয় এমন রেগুলার কন্টেন্ট পাবলিশ করার মাধ্যমে বিজেনেস খুব সহজেই নিজেকে একজন থট লিডার কিংবা এক্সপার্ট বা তথ্যের বিশ্বস্ত সূত্র হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে পারে।

পেট রিটেলার Chew নিয়মিত পেট প্যারেন্টিং সম্পর্কিত ব্লগ পোস্ট পাবলিশ করে। Glossier মেক আপ সম্পর্কিত প্রো টিপস শেয়ার করার মাধ্যমে অথরেটিভ অবস্থানে চলে এসেছে।

Scarcity

বিষয়টা হচ্ছে এমন অডিয়েন্সের মনের মাঝে ভীতি সঞ্চার করা যে, যা করার সীমিত সময়ের মাঝেই করতে হবে, সময় অতিক্রম করে গেলে আর অফার বা প্রোডাক্টটি নেয়ার আর কোন সুযোগ পাওয়া যাবে না।
Scarcity বহুল ব্যবহৃত এবং পরিচিত একটি ট্যাক্টিস। এটি কঞ্জিউমার বিহেভিয়ার বিশেষ করে বায়িং ডিসিশনকে প্রভাবিত করে।

মানুষ যখন কোনকিছুকে রেয়ার, পাওয়া কঠিন, কিংবা দ্রুত শেষ হয়ে যাবে বলে মনে করে তখন জিনিসটাকে অনেক বেশী মূল্যবান এবং পছন্দনীয় বলে মনে করে।
রুবির Scarcity এর কারণে একে অনেক মূল্যবান পাথর হিসাবে গণ্য করা হয়।

উদাহরণ হিসাবে ধরা যাকঃ

প্রোডাক্ট A মূল্য ১০,০০০ টাকা যেকোন দিন যেকোন সময়ে কেনা যাবে।

প্রোডাক্ট B মূল্য ১৫,০০০ টাকা সাপ্তাহে ১ দিন বিক্রি করা হয় এবং একজন কাস্টমার ১টি ইউনিট কিনতে পারে।

প্রোডাক্ট B যদিও প্রোডাক্ট A এর আইডেন্টিকাল তবুও B অনেক বেশী মার্জিনে বিক্রি করা সম্ভব Scarcity প্রিন্সিপাল ব্যবহার করে।

সাপ্তাহের ১ দিন এবং একজন ক্রেতা ১টি মাত্র প্রোডাক্ট কিনতে পারবে এমন লিমিটেশনের মাধ্যমে Bকে অনেক বেশী ডিজায়ারবেল করে দেখান সম্ভব।
১৯৭৫ সালে Worchel, Lee এবং Adewole একটা স্টাডি করেন এটা দেখার জন্য যে Scarcity কিভাবে মানুষের আচরণে প্রভাব ফেলে। তারা দুইটি কাচের জার নেন। একটা জারের মধ্যে ১০টি চকলেট চিপ কুকিজ রাখেন অন্যটির মাঝে একই রকম ২টি কুকিজ রাখেন। পার্টিসিপেন্টদের বলা হয় ২টি জারের কুকিজ রেট করতে। ফলাফলে দেখা যায় দ্বিতীয় জারটি অর্থাৎ যে জারে ২টি কুকিজ রাখা হয়েছে সেই কুকিজকে মানুষ অনেকবেশী রেটিং দিয়েছে।

ব্লাক ফ্রাইডের পেছনে এই Scarcity প্রিন্সিপাল কাজ করে। বছরের একটি দিনই অনেক কম দামে ডিজায়ারবেল প্রোডাক্টগুলো পাওয়া যায়।

Social Proof

Robert Cialdini তার Influence বইটিতে প্রথম Social Proof এর ধারনাটি উপস্থাপন করেন। সেখানে তিনি এই বিষয়টিকে সংজ্ঞায়িত করেন এইভাবে; আমরা কোন একটি নতুন পরিবেশ পরিস্থিতিতে যেখানে জানি না কোনটি এপ্রোপিয়েট আচরণ সেখানে অন্যকে ফলো করি বা করার চেষ্টা করি। এইভাবে আমরা নিজেদের নিরাপদ, পছন্দনীয় বা গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি বলে অনুভব করি।

এই থিউরি কঞ্জিউমার বিহেভিয়ার এবং রান্ডকে কিভাবে দেখা হবে তার উপর প্রভাব বিস্তার করে।
থিউরির মূল আইডিয়া হচ্ছে যখন মানুষ তার আশেপাশের ১০জনকে কিছু একটা করতে দেখে তখন সে কাজটি করতে আগ্রহী হয়ে উঠে।

একটা পণ্য আরও দশজনের দেখাদেখি কিংবা রিভিউ পড়ে কিনে ফেলার ডিসিশন নেয়।

আপনি কাকে ফলো করবেন যার ১ মিলিয়ন ফলোয়ার আছে তাকে?

অথবা যার ৫৯ ফলোয়ার আছে?

এই থিউরিকে বিশেষ করে পারচেজ পেজে সুন্দরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব। পারচেজ পেজে যেসব সোশ্যাল প্রুফ দেয়া যেতে পারঃ
টেস্টিমনিয়াল
রিভিউ
কাস্টমার কাউন্ট
এক্সপার্ট অপিনিয়ন
প্রুফ ব্যাজ
প্রুফ পপ আপ
কাস্টমার ভিডিও

Build A Community

মানুষের একটি মৌলিক চাহিদা হচ্ছে সমাজের অংশ হওয়া, সমমনা মানুষের সাথে কানেক্টড হওয়া, তাদের অংশ হওয়া, তাদের সাথে মিলেমিশে চলা ফেরা করা।
মানুষের জন্মগত ডিজায়ার হচ্ছে সমাজের অংশ হওয়া, সমাজকে ধারণ করা; এই ডিজায়ারকে নিয়ে কাজ করে প্রিন্সিপাল অফ ইউনিটি।

প্রত্যেক মানুষের ধর্মীয় বা রাজনৈতিক এফিলিয়েশন থাকে, আবার সে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র হিসাবে গর্ববোধ করে, সে এমন লোকদের সাথে চলাফেরা করতে পছন্দ করে যাদের সাথে তার ভালোলাগা মন্দলাগা মিলে যায়, বা তার সখ মিলে যায়।

মানুষ নিজেকে যে কোন গোষ্ঠীর অংশ মনে করুক না কেন সে ঐ গোষ্ঠীর সদ্যসদ্যের সাথে আন্তীয়তা অনুভব করে। এখানেই ইউনিটির ব্যাপার চলে আসে।
সুতরাং প্রস্পেক্টকে যদি অনুভব করানো যে সে এই ভ্যালুয়েবল কমিউনিটির অংশ তবে সে হয়ত বার বার হয়ত কিনতে পারে।

Starbucks প্রোস্পেক্টকে ভ্যালুড ফিল করানোর জন্য একটি কমিউনিটি তৈরি করে যাতে সে অনুভব করে সে একটি বিশাল কমিউনিটির অংশ।

Starbucks এর CEO বলেন “ We’re in the people business serving coffee, not the coffee business serving people. “

Van Moof তার প্রত্যেকটি কাস্টমারদের তাদের কমিউনিটির অংশ হতে আমন্ত্রণ জানায়। ইউনিটি বিষয়টি একধরনের Social proof কেননা এর মানুষকে উৎসাহিত করা হয় কোন একটা কিছুর অংশ হওয়ার জন্য।

Loss Aversion

Loss aversion থিউরির বিষয়টি এভাবে বলা যায় কারো কোন একটা কিছু আছে সে সেই জিনিসটা হারাতে চাচ্ছে না।

Daniel Kahneman এই কনসেপ্টের উপর একটি স্টাডি পরিচালনা করেন। অংশগ্রহণকারীদের মাঝে চকলেট এবং মগ বিতরণ করেন আবার কাউকে কিছুই দেন নি। এরপর তাদের সামনে ২টা অপশন হাজির করলেন। অপশন ১ হচ্ছে; তাদের যদি কোন কিছু দেয়া হয় তবে তা নিয়ে তারা ব্যবসা করবেন কিনা? অপশন ২ হচ্ছে; তাদের যদি কিছু না দেয়া হয় তবে তারা মগ ও চকলেটের মাঝে কোনটা বেছে নেবে?
এই স্টাডিতেঁ দেখা যায় যে যারা শুরুতে কিছু পান নি তারা মগ নিতে চেয়েছেন কিন্তু যারা মগ পেয়েছেন তাদের ৮৬% মগ ছাড়তে রাজী না।

মরাল অফ দ্যা স্টোরি হচ্ছে যার যা আছে তা কেউ হারাতে চায় না।

Loss Aversion এবং Scarcity কে একই মনে হতে পারে। Scarcity তে জোর দেয়া হয় লিমিটেড সাপ্লাইয়ের দিকে। Loss Aversion এ কাস্টমার কে জানিয়ে দেয়া হয়, সে যে ফিচার বা অফার উপভোগ করছে তা হয়ত বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

ফ্রি ট্রায়ালের সময় বলে দেয়া যেতে পারে এতদিনের মাঝে অফারটি শেষ হয়ে যাবে।

ফ্রি -মিয়াম প্রোডাক্টের বেলায় Loss Aversion থিউরি চমৎকারভাবে কাজ করে। যেমনঃ এপের কোন একটি ফিচার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ফ্রি করে দেয়া যেতে পারে, নির্দিষ্ট সময় শেষে আপগ্রেড করা না হলে ফিচারটি বন্ধ করে দেয়া যেতে পারে।

Target তাদের কাস্টমারদের বলে ৩৫ ডলারের প্রোডাক্ট কিনলে ফ্রি শিপিং তার কমে কিনলে কিন্তু ২৫ ডলার শিপিং চার্জ লাগবে। দেখা গেছে প্রোডাক্ট এর দাম ৫ ডলার কিন্তু শিপিং লাগছে ২৫ ডলার।

Tell A Story

মানুষ গল্প ভালবাসে, গল্প শুনতে পছন্দ করে।
কিন্তু কেন? কারণ মানুষ ইমোশনাল ক্রিয়েচার আর গল্প মানুষের ইমোশনকে ট্রিগার করে। একজন মানুষ তার দুনিয়ার ৯৫% পারসিভ করে সাবকনশান মাইন্ডের মাধ্যমে, আরএটি হচ্ছে ব্রেইনের ইমোশনাল অংশ।
গল্প এই ইমোশনাল অংশকে একটিভেট করে যার সাথে জড়িয়ে আছে দেখা, শুনা, স্বাদ আস্বাদন করা এবং মুভমেন্ট।

গল্প সরাসরি এক্সপেরিয়েন্স না করেও এক্সপেরিয়েন্স করার সুযোগ করে দেয়। উদ্দীপ্ত করে তুলে, কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে উদ্বুদ্ধ করে।

বিজনেস গল্পের মাধ্যমে মানুষকে তাদের লক্ষ্যের দিকে উদ্বুদ্ধ করে তুলতে পারে।

Seth Godin বলেন “ Marketing is no longer about the stuff you make, but the stories you tell”

Rob Walker Joshua Glen একটি এক্সপেরিমেন্ট করেন। তারা ১০০০ পিস চিপ প্রোডাক্ট সংগ্রহ করেন এটা দেখার জন্য যে গল্প মিশিয়ে প্রোডাক্টগুলো বিক্রি করা যায় কিনা। তারপর ২০০ জন রাইটারের সাথে বসে প্রত্যেকটি প্রোডাক্ট নিয়ে একটি করে গল্প তৈরি করেন।

ফলাফলটি ছিল সারপ্রাইজিংলি; তাদের প্রফিটের পরিমাণ ছিল ৮০০০ ডলার। অর্থাৎ তারা যা ইনভেস্ট করেছিলেন তার ২৭০০% বেশী ছিল এই গেইনটা।

04/12/2022

Consumer Behaviour Theories

মানুষকে কেন্দ্র করেই মার্কেটিং ক্যাম্পেইন আর ক্যাম্পেইনের সফলতার চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে মানুষের বিহেভিয়ারের মাঝে। থিউরিটিক্যালি বলা হয় একজন মানুষের আবেগ, মনোভাব এবং অবজেক্ট ইউটিলিটির সমন্বয় ঘটানোর মাধ্যমে ক্যাম্পেইনকে সাফল্যের চুড়ায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

মানুষকে ভালভাবে বুঝার জন্য বছরের পর বছর দীর্ঘ একটা সময় ধরে অনেকটা সময় ধরে তার চিন্তাভাবনা, চিন্তাভাবনার প্যাটার্ন, চিন্তাভাবনাকে প্রভাবিত করে এমন ফ্যাক্টর এবং আচরণ স্টাডি করা হয়, এক্সপ্লেইন করা হয়। এইসব প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্যক্তি বিভিন্ন মডেল এবং থিউরি সামনে নিয়ে আসেন। যেগুলোর মধ্য দিয়ে মানুষের আচরণ এক্সপ্লেইন করা যায়।
মানুষের আচরণ স্টাডি এবং এক্সপ্লেইন করার সবচেয়ে বেস্ট মিডিয়াম হচ্ছে সাইন্টেফিক ইন্সাইট। এই ইন্সাইটের উপর বেজ করে একজন মার্কেটার তার প্রয়োজন আনুযায়ী তার ক্যাম্পেইন রিফাইন করতে পারেন আবার ইন্সাইট এন্যালাইসিস করে তিনি তার প্রয়োজন অনুযায়ী Consumer behaviour theory বেছে নিতে পারেন।

এখন হয়ত প্রশ্ন উঠতে পারে Consumer behaviour theory কি? বিষয়টি হচ্ছে সংক্ষেপ করে বললে কঞ্জিউমার বেহিভিয়ার থিউরি সেইসমস্ত ফ্যাক্টরকে এড্রেস করে যেগুলো একজন ব্যক্তির সামগ্রিক পারচেজিং ডিসিশনকে প্রভাবিত করে।

1. THEORY OF REASONED ACTION

Martin Fishbein and Icek Ajzen Reasoned Action থিউরির ধারনা সামনে নিয়ে আসেন। তারা তাদের থিউরিতে বলেন “ A person’s behaviour is determined by their intention to perform the behaviour and that this intention is, in turn, a function of their attitude toward the behaviour and subjective norms (Fishbein & Ajzen, 1975).”
এই থিউরির ২টি বেসিক এজাম্পশন হচ্ছে; ব্যক্তি সবসময় যৌক্তিকভাবে আচরণ করে এবং তার চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ইনফরমেশন সে ব্যবহার করে।
Intention / অভিপ্রায় এবং আচরণের মাঝে ঠিক কোন জায়গায় কি ধরনের পার্থক্য আছে এই বিষয়টি পরিষ্কার করার চেষ্টা করা হয়েছে এই থিউরির মাধ্যমে। ব্যক্তির আচরণ কেমন হবে তা নির্ভর করে আচরণটি করার ব্যক্তির অভিপ্রায়ের উপর। অধিকাংশ ব্যক্তি তাদের আচরণের অভিপ্রায় আচরণ করার অনেক পুর্বেই ঠিক করে এবং এই অভিপ্রায় ঠিক করে দেয় ব্যক্তি আচরণটি করবে কি করবে না।
“ The bigger the intention, the more likely the behaviour will happen.”

Intention হচ্ছে Attitude towards behaviour এবং Subjective norms এর সন্মিলিত রূপ।

Attitude, আচরণ সম্পর্কে ব্যক্তির ইতিবাচক বা নেতিবাচক চিন্তাভাবনাকে নির্দেশ করে এবং ২টি ফ্যাক্টর ফলাফল বা পরিণতির দিকে ব্যক্তির Attitudeকে প্রভাবিত করে সেগুলো হচ্ছে;

প্রথমে ব্যক্তি তার আচরণের ফলাফল বা পরিণতির কথা চিন্তা করে। এরজন্য সে আত্নজিজ্ঞাসা করতে পারে ; নিজের কাছে নিজেই জানতে চায় এটা করলে কি হবে?
এবং দ্বিতীয়ত; ব্যক্তি পরিণতি বা ফলাফলের প্রভাব নিয়ে ভাবে। স্বস্তিবোধ করবো নাকি অস্বস্তিতে পড়বো?

Normative beliefs বলতে এমন সব ধারনা বা বিশ্বাসের কথা বুঝায় যেগুলো ব্যক্তির চারপাশ ঘিরে থাকা ফ্যামিলি এবং ফ্রেন্ডসদের কাছে গুরুত্বপুর্ন বলে বিবেচিত। অন্যদিকে Motives to comply বলতে বুঝায় ব্যক্তি তার ফ্যামিলি এবং ফ্রেন্ডসদের মত করে বিশ্বাস বা ধারনাগুলোকে গুরুত্বপুর্ন বলে মনে করে? নাকি করে না?

উদাহরণস্বরূপ আমরা একটি সিচুয়েশনের কথা বলতে পারি যেখানে ব্যক্তির Attitude এবং Subjective norm ব্যক্তির যেকোন একটি খারাপ অভ্যাস ত্যাগের প্রচেষ্টাকে প্রভাবিত করতে পারে।

ব্যক্তি যখন মনে করে alcohol is fun, এলকোহল তাকে রিলাক্স করে, একটিভ সোশ্যাল লাইফ পেতে সাহায্য করে, তখন তার এলকোহল পরিত্যাগের Attitide এবং intention নিচে নেমে যায়। ফলাফল; এলকোহল পরিত্যাগের পুরো বিষয়টি তার জন্য নেগেটিভে নেমে আসে।

আবার এর বিপরীতে ফ্রেন্ডস এবং ফ্যামিলির সামাজিক চাপ, এলকোহলের কুফলতা ব্যক্তির সামনে তুলে ধরা, যেসব সিচুয়েশনে এলকোহল কঞ্জিউম করা হয় সেসব সিচুয়েশনে ব্যক্তিকে এড়িয়ে চলার মাধ্যমে তার Attitude এ পরিবর্তন নিয়ে আসা সম্ভব।

Attitude এবং Subjective norm Intention তৈরিতে একসাথে কাজ করে, Intention আলটিমেটলি বিহেভিয়ারের দিকে লিড করে।

“ Exercising is healthy " একজন ব্যক্তির এমন Belief তার মাঝে এক্সারসাইজ করার Intention তৈরি করে।আবার কিছু কিছু ফ্যাক্টর এর মাঝে বাধা তৈরি করতে পারে। Intention এবং Behaviour এর মাঝে যদি টাইম গ্যাপ চলে আসে তবে Behaviour টি বাধাগ্রস্থ হতে পারে।

একজন কর্মজীবী ব্যক্তি ভাবলেন যে কাজ শেষ করে সন্ধ্যায় কিছুটা সময় জিম করা যাক, কিন্তু কলিগদের সাথে আলাপ- আলোচনায়, আড্ডায় তিনি চলে গেলেন জিমের পরিবর্তে কোন এক কফি শপে।

Reasoned action থিউরি অনুযায়ী অভ্যাসের ক্ষেত্রে Attitude প্রভাবিত হয় Beliefs দ্বারা।

একজন ব্যক্তি যদি মনে করে Smooking is cool, তার বন্ধুরাও যদি একই মনোভাব পোষণ করে, তবে ব্যক্তির smooking এ অভ্যস্ত হয়ে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা আছে।

2. ENGEL KOLLAT BLACKWELL MODEL

The Engel Kollat Blackwell (EKB) Model is a natural evolution of the ideas found in the theory of reasoned action. This theory of buyer behavior operates on a four-phase process that influences how consumers make purchasing decisions: input, processing information, decision stages, and variables in the decision-making process.

Engel Kollat Blackwell Model হচ্ছে বিজ্ঞানভিত্তিক একটি প্রক্রিয়া যা একজন কঞ্জিউমার কি কিনতে যাচ্ছেন তা অনুমান করতে সাহায্য করে। এই মডেলের ৩টি ক্যাটাগরি আছে; Present Situation - কাস্টমার বর্তমানে যেখানে অবস্থান করছে, Desired State - কাস্টমার লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে ভবিষ্যতে যেখানে যেতে চায়, Pathway for Movement from one state to another - ভিন্ন ভিন্ন ধাপে ভিন্ন ভিন্ন প্রোডাক্ট বা সার্ভিস যেগুলো তাকে তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করতে পারে

মডেলটির ৫টি স্টেজ রয়েছে সেগুলো হচ্ছে; information input, Information processing, Decision process stage, Decision process variables এবং External influence।

Information Input - ভোক্তা মার্কেটিং এবং নন-মার্কেটিং সোর্স থেকে বিভিন্ন ধরনের ইনফরমেশন পায় যেগুলো ডিসিশন মেকিং প্রক্রিয়ার প্রবলেম আইডেন্টিফিকেশন স্টেজকে প্রভাবিত করে। চাহিদানুযায়ী কিংবা পছন্দের কিছু খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেছে নেওয়া বিকল্প লেস স্যাটিসফ্যাক্টরি হলেও অনুসন্ধান চলতে থাকে। এই অনুসন্ধান হতে পারে প্রোডাক্টের প্রাইস বা ভ্যালু, ব্রান্ড, কোম্পানির আইডেন্টি সম্পর্কিত।
Information Processing - ভোক্তার এক্সপোজার, মনোযোগ, উপলব্ধি, গ্রহণযোগ্যতা এবং ইনকামিং ইনফরমেশন এর ধারণ নিয়ে কাজ করা হয়। ভোক্তা প্রথমে ইনফরমেশনের কাছে এক্সপোজড হয়, ইনফরমেশনকে গ্রহণ করার জন্য জায়গা করে দিতে হয়, ভোক্তার বিভিন্ন উদ্দীপক ইন্টারপ্রেট করতে হয়, এবং দীর্ঘ মেয়াদে ইনফরমেশন সংগ্রহ করে রাখার জন্য মেমরিতে ট্রান্সফার করতে হয়।
Decision Process stage - এখানে Problem recognition, Search, Search for alternatives, Alternate evaluation, Choice এবং Outcomes উপর ফোকাস করা হয়।

Problem recognition: সমস্যা সনাক্তকরণ প্রক্রিয়াকে কিভাবে জাগিয়ে তুলবে? মনোযোগ কিভাবে ট্রিগার করবে? কিভাবে সম্ভাব্য সমস্যা চিহ্নিত করবে যার সমাধান পারচেজের মধ্য দিয়ে হবে, একজন ভোক্তা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার পুর্বে জানতে চাইতে পারে তার সমস্যার কতটুকু চিহ্নিত করতে পেরেছে?

Information Search: লোকজন সমস্যা চিহ্নিত করার পর খুঁজাখুঁজি শুরু করে দেয়, সে সমাধান খুঁজে। এই সমাধান খুঁজতে গিয়ে অনেক সিনারিও সামনে চলে আসতে পারে। সমাধান খুঁজায় কত সময় লাগতে পারে এটা নির্ভর করে যে ব্যক্তি সমাধান খুঁজছে তার কাছে সমস্যাটি কত গুরুত্বপুর্ন তার উপর।

Alternative Evaluation: বিকল্প সমাধান খুঁজাখুঁজির কাজ আগের ধাপেও করা হয়। এই স্টেজকে বলা হয় ডিসিশন মেকিং এর inter - relational স্টেজ। মানে বিষয়টি হচ্ছে Evaluation এর এই পর্যায় নতুন নতুন অনেক সম্ভাবনার উদ্ভব হতে পারে যেগুলো আগে কখনো আবিষ্কার করা হয় নি। বাড়তি তথ্য সংগ্রহ এবং বিভিন্ন বিকল্প মূল্যায়নের একমাত্র সুযোগটি এখানে পাওয়া যায়।

Choice: ইতোমধ্যে হাতে ৪-৫টি সমাধান থাকা উচিত। ফাইনাল চয়েজটি হতে পারে ব্যক্তির ভ্যালুর বিপরীতে যাবে অথবা ব্যক্তি ফিল করবে যে এটাই অবভিয়াস সলিউশন। এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার উপায়টি হতে পারে উপদেষ্টার কাছ থেকে পরামর্শ নেয়ার মাধ্যমে / রিসার্চ করে স্টাডি করার মাধ্যমে / " ব্লাইড টেস্ট " টেস্ট করার মাধ্যমে।

Post Purchase Decision: ব্যক্তি প্রোডাক্ট / সার্ভিস কঞ্জিউম করার পর ব্যক্তির হবে অভিজ্ঞতা। ব্যক্তি হয়ত আবার কিনবে অথবা কিনবে না এবং নেক্সট পারচেজের দিকে মুভ করবে। ব্যাপারটি যাই হোক না কেন বিচার করে দেখে এত টাকা / দাম দিয়ে যে কিনলাম কেনাটা কি যথোপযুক্ত হয়েছে কিনা? সামনে আবার কেনাটা ঠিক হবে কিনা?

Decision Process Variables - ব্যক্তির ডিসিশন মেকিং প্রসেসের প্রতি ধাপে অপিনিয়ন এবং চয়েজ ডিফারেন্স তৈরি করে। সংস্কৃতি, মানসিক অবস্থা এবং পরিবেশগত প্রভাব ব্যক্তির ডিসিশন মেকিং প্রসেসকে প্রচণ্ডভাবে প্রভাবিত করে। কিছু কিছু ফ্যাক্টর আছে যেগুলো শুধুমাত্র চিন্তা ভাবনা দিয়েই বদলে দেয়া যায়- এই ফ্যাক্টরগুলো ইন্ডিভিজুয়াল কঞ্জিউমারের জন্য ভ্যালু তৈরিতে সাহায্য করে। ফ্যাক্টরগুলোর মাঝে রয়েছে attitude, learning style, curvilinear models of decision making এবং dual process model।

External Influences - এর অংশ হচ্ছে Circle of Social Influence; যেখানে থাকে কালচার, সাব-কালচার, সোশ্যাল ক্লাস এবং ফ্যামিলি। সামজিক চ্যালেঞ্জগুলো কঞ্জিউমারের বায়িং ডিসিশন মেকিং প্রসেসকে প্রভাবিত করে। যেমন একজন কঞ্জিউমার তার পরিবারের কারো কাছ থেকে এলকোহলিক বেভারেজ কিনতে একটু অস্বস্তি বোধ করে।

3. MOTIVATION-NEED THEORY

১৯৪৩ সালে সাইকোলজিক্যাল কমিউনিটি মাসলোর “ Hierarchy of need “ থিউরি গুরুত্ব অনুধাবন করে। এই থিউরিতে মাসলো বলেন যে, মানুষ কাজ করে সন্তুষ্টি অর্জন এবং ৫টি বেসিক প্রয়োজন পূরণ করার জন্য, সেগুলো হচ্ছে জৈবিক চাহিদা, নিরাপত্তার চাহিদা, সামাজিক চাহিদা, সন্মানের চাহিদা এবং আত্বোপলোব্ধির চাহিদা।

বিজনেস এবং মার্কেটিং ক্লাসে বিক্রয়ে সাফল্যের জন্য কঞ্জিউমার উপযোগী ম্যাসেজ কেন প্রয়োজন এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করার জন্য মাসলোর থিউরি ব্যবহার করা হতো। কঞ্জিউমারের প্রয়োজনের লেভেল অনুযায়ী তার মাঝে আবেদন তৈরি করার জন্য পারচেজকে গুরুত্ব দেয়া হয়। তার সামনে তাৎপর্যময় ম্যাসেজ উপস্থাপন করে তার মাঝে তাড়না বোধ জাগ্রত করা হয়।

কৃত্রিম একটি প্রয়োজনের উপর ভিত্তি করে কার্যকরী ক্যাম্পেইন এবং এড তৈরি করা যায়, এর জন্য প্রয়োজন হবে মার্কেটিং ক্যাম্পেইনে motivation-need behaviour থিউরির একটি শক্ত অবস্থান। এই ধরনের ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ভোক্তাকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

একটি সাধারণ আধুনিক উদাহরণ হিসাবে আমরা লাক্সারিয়াস গাড়ি নির্মাতাদের কথা বলতে পারি। তারা নান্দনিকতার চেয়ে নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা বৈশিষ্ট্যগুলোর দিকে জোর দেয়। তারা ভোক্তার মাঝে এমন এক উপলব্ধির সৃষ্টি করে যেন মনে হয়; ভোক্তা তার এবং তার পরিবারের শারীরবৃত্তীয় সুরক্ষা প্রদানের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করার জন্য সে বিলাসবহুল গাড়ীতে অর্থ ব্যয় করছে।

4. HAWKINS STERN IMPULSE BUYING

বেশিরভাগ কঞ্জিউমার বিহেভিয়ার থিউরি ভোক্তার যৌক্তিক আচরণকে ফোকাস করা সেখানে Hawkins Stern তার বিহেভিয়ার থিউরিতে আবেগীয় আচরণের দিকে ফোকাস করেছেন। কেননা তিনি মনে করেন যত কেনাকাটা হয় তার অর্ধেক কেনাকাটার পেছনে আবেগীয় আচরণ কাজ করে।

এক্সটারনাল বিভিন্ন ফ্যাক্টর ভোক্তার মাঝে আবেগীয় উদ্দীপনার সৃষ্টি করে, যারফলে যৌক্তিক চিন্তা ভাবনার বাইরে অনেক কেনাকাটা সম্পাদিত হয়। । থিউরিতে আর্গুমেন্ট উপস্থাপন করা হয়েছে যে, মার্কেটাররা ভোক্তাকে বেশী করে ইমপ্লালসিভ কেনাকাটায় উদ্বুদ্ধ করতে পারে। আমেরিকায় পরিচালিত সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গেছে ৮০% ভোক্তা ইমপ্লাসিভ কেনাকাটা করে ( Jhonson, 2018 ) ।

এই থিউরিতে ৪ ধরনের ইমপ্লাসিভ বায়িং এর কথা বলা হয়েছে।
Pure Impulse Buying: সম্পূর্ণভাবে ইমপ্লাস বায়িং; ডেইলি শপিং রুটিনে নেই, শপিং লিস্টে নেই কিন্তু ফাইনালি কিনে ফেলা। অনেকে একে “escape purchase” বলে। এই ধরনের শপিং নরমাল পারচেজ প্যাটার্ন ভেঙ্গে ফেলে এবং এখানে ভিজুয়াল একটি গুরুত্বপূর্ন পার্ট প্লে করে। নভেলটি প্রোডাক্ট এর বায়ারের মাঝে অ্যাাপিল তৈরি করে। সাধারণত প্রোডাক্টগুলো বায়ারের কাছে নতুন এবং ভিজুয়ালি অ্যাপিলিং হয়। যার জন্য বায়ার ওভার স্পেন্ড করে ফেলে। অন্যদিকে মার্কেটার হাই রেভিনিউ উঠিয়ে নেয়।

নতুন একটা ড্রেস কিংবা বাচ্চার খেলনা শুধুমাত্র ইউনিক ডিজাইনের কারণে অনেকে কিনে ফেলে। তাদেরকে ইউনিক ডিজাইন আকৃষ্ট করে।

Reminder Impulse Buying: পণ্যের ব্যাপারে পুর্বের অভিজ্ঞতা বা নলেজ আছে কিন্তু এখন কেনার কোন ইচ্ছা নেই। এই ধরনের বায়িং ফ্যাশন মার্চেন্ডাইজ বায়ারকে হাইলি অ্যাপিল করে। এই ধরনের প্রোডাক্ট প্রাইমারি শপিং আইটেম ক্যাটাগরির বাইরে পড়ে যেমনঃ নেইল পালিশ বা কানের দুল।
শপিং লিস্টে না থাকার পরও সিরিয়াল বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার কিনে ফেলা শুধুমাত্র প্রমোশনাল অফারের কারণে।

Suggested Impulse Buying: Stern বলেন suggestd impulse buying তখন হয় যখন সচরাচর দেখা যায় না এমন প্রোডাক্ট কাস্টমার যখন প্রথম বারের

মত দেখে এবং তার মাঝে কেনার একটা আগ্রহ তৈরি হয়।
একজন নিয়মিত বেবি প্রোডাক্ট ক্রেতা যিনি বেবি বোতল ক্লিন করার জন্য রেগুলার ডিটারজেনট ব্যবহার করেন, উনাকে হঠাৎ করে বেবি বোটল ক্লিনিং লিকুইড সাজেস্ট করা হলে কিনতে আগ্রহী হতে পারেন। Brick-and-mortar এ এই ধরনের সেলসের সাফল্য নির্ভর করে সেলস পার্সনের প্রচেষ্টার উপর।

Planned Impulse Buying: এই ধরনের ইমপ্লাস বায়িং তখন হয় যখন কাস্টমারের একটি প্রোডাক্টের প্রয়োজনীয়তা আছে কিন্তু তার স্পেসিফিকেশন সম্পর্কে সে নিশ্চিত না। Stern বলেন লোয়ার প্রাইস অথবা অন্যান্য সেলস প্রমোশন টেকনিক এই ধরনের বায়িং এর দিকে নিয়ে যায়। গ্রোসারি আইটেমে একটা কিনলে একটা ফ্রি অফারের কারণে অনেকেই তাদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত আইটেম কিনে ফেলে। বিষয়টা হচ্ছে প্রয়োজন আছে কিন্তু প্রয়োজনের অতিরিক্ত কিনে ফেলা।

5. THEORY OF BUYER BEHAVIOR

বায়িং বিহেভিয়ার কমবেশি পুনরাবৃত্তিমূলক। বায়ার বিভিন্ন প্রোডাক্টের জন্য পারচেজ সাইকেল তৈরি করে, এই সাইকেল থেকে বুঝা যায় সে কখন কোন পণ্য কিনবে। ডিউরাবেল এপ্লাইয়েন্স এর সাইকেল অনেক লম্বা, কদাচিৎ এই ধরনের প্রোডাক্ট কেনা হয়। ফুড এবং পার্সোনাল কেয়ার প্রোডক্টের সাইকেল ছোট, নিয়মিত এমন প্রোডাক্ট কেনা হয়। যাতে করে বারবার ব্রান্ড পছন্দের ঝামেলা পোহাতে না হয় তার জন্য বায়ার প্রাসঙ্গিক তথ্যগুলো সংগ্রহ করে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রকিয়ার জন্য একটি রুটিন তৈরি করে।

যার ফলে থিউরিগুলোক আবশ্যিকভাবে বায়ারের কমার্শিয়াল এবং সোশ্যাল এনভায়ারমেন্ট থেকে তথ্যের সংযোজন, ডিসিশন এলিমেন্টস এর কম্বিনেশন কিভাবে অনুসন্ধান প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে, পুনরাবৃত্তিক স্বভাবের কারণে সময়ের পরিক্রমায় তাদের মাঝে যে পরিবর্তনগুলো আসে সেগুলো পর্যবেক্ষণ করা, সিদ্ধান গ্রহণ প্রক্রিয়ার উপাদানগুলো চিহ্নিত করতে হয়।

বায়ারের ব্রান্ড চয়েজ ডিসিশনের উপাদানগুলো হচ্ছে ১) এক গুচ্ছ মোটিভ, ২) বিভিন্ন বিকল্প, এবং ৩) ডিসিশন মেডিয়েটরস যার দ্বারা মোটিভগুলো বিকল্পের সাথে ম্যাচ করে। মোটিভ একটি প্রোডাক্ট ক্লাসের প্রতি নির্দিষ্ট করা এবং অন্তর্নিহিত প্রয়োজনকে প্রতিফলিত করে। বিকল্প হচ্ছে; ভিন্ন ভিন্ন ব্রান্ড যাদের প্রয়োজন মেটানোর ক্ষমতা আছে।

ব্রান্ড অল্টারনেটিভ এর সংজ্ঞায় ৩টি নোশন আছে। প্রয়োজন পূরণের জন্য বিকল্প হিসাবে চয়েজ করা বিভিন্ন ব্রান্ড একই প্রোডাক্ট ক্লাসের হতে হবে এওন কোন কথা নেই। একজন বায়ার বেভারেজ কঞ্জামশনের জন্য বিকল্প হিসাবে চা, ওভাল্টিন এবং কফি চয়েজ করতে পারে। আবার শুধুমাত্র ২টি বিকল্প চয়েজ করতে পারেন যেগুলো হতে পারে কফি এবং বিয়ার। এখানে কফি এবং বিয়ার ২টি ভিন্ন প্রোডাক্ট ক্লাসের পণ্য।

দ্বিতীয়টি হচ্ছে; বায়ারের চয়েজ ডিসিশন থেকে বিকল্প ব্রান্ডের সংখ্যা পরিমাণে কম হয়, এটাকে সামগ্রিকভাবে “ evoked set “ বলা হয়। ব্রান্ডের যতটুকু সম্পর্কে জানে তার পরিমাণটাই হচ্ছে “ evoked set “ তবে এর বাইরে মার্কেটে আরও অনেক ব্রান্ড থেকে যায়।

“ evoked set “ এ ২জন ভিন্ন ভিন্ন বায়ারের ভিন্ন ভিন্ন অল্টারনেটিভ থাকতে পারে।

বায়ার মোটিভ অর্ডার এবং স্ট্রাকচারের কাজ করে ডিসিশন মেডিয়েটর। মোটিভ পূরণ করার সক্ষমতার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ব্রান্ডকে অর্ডার এবং স্ট্রাকচার করা হয়। বায়িং সিচুয়েশন সম্পর্কে শিক্ষার মধ্য দিয়ে ডিসিশন মেডিয়েটর গড়ে উঠে।
যখন বায়ার একটি পণ্য কেনা শুরু করে তখন তার পণ্যটি সম্পর্কে কোন অভিজ্ঞতা থাকে না। অভিজ্ঞতা গড়ে তুলার জন্য সে কমার্শিয়াল এবং সোশ্যাল এনভায়ারমেন্ট থেকে ইনফরমেশন খুঁজা শুরু করে। তার এই ইনফরমেশন শুধুমাত্র গ্রহণ করার মাঝে সীমাবদ্ধ থাকে না, কাঠামোর রেফারেন্সের সাথে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করে।

সোর্স যাই হোক, বায়ার ডিসিশন মেডিয়েটর ডেভেলপ করে যাতে করে সে তার প্রয়োজন মেটানোর জন্য বেস্ট ব্রান্ডকে খুঁজে নিতে পারে। কোন ব্রান্ড যদি স্যাটিস্ফ্যাক্টরি বলে প্রমাণিত হয় তবে বায়ারের মোটিভ স্যাটিস্ফাই করতে পারবে, এবং এর সাথে ঐ ব্রান্ড বারবার কেনার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।

বায়ার এক বা একের অধিক ব্রান্ড সন্তুষ্টিসহকারে বারবার কেনার মধ্য দিয়ে ডিসিশন প্রসেসের একটি রুটিন তৈরি করে ফেলে। সেখানে কেনাকাটার প্রক্রিয়াগুলো এমন সুগঠিতভাবে সাজানো থাকে যে একটি ইভেন্টও পুরো প্রক্রিয়াকে ট্রিগার করতে পারে।

Address

270 Ibrahimpur
Dhaka
1206

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shamim Badrul Alam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share