29/10/2021
রাস্তা পাশে এই ঔষধী গাছটি দেখেনি এমন কেউ কি আছে? হয়তো বা গাছটি ছোট বেলা থেকেই চিনতেন, কিন্তু ঔষধী গুনগুন না-জানতেন কারণে কখনো ব্যবহার করা হয় নি।
মিশ্রিদানা বা চিনিপাতা (ইংরেজি: goatweed, scoparia-weed and sweet-broom), (বৈজ্ঞানিক নাম: Scoparia dulcis) হচ্ছে একটি ভেষজ উদ্ভিদ। এটি ভারতে ডায়াবেটিস রোগে এবং তাইওয়ানে হাইপারটেনশনে ব্যবহার করা হয়।
বাংলা নাম: মিশ্রিদানা, চিনিপাতা, মিছরিপাতা, মিডালি, চিনিটোরা, বনধনিয়া, চিনিমিঠা, মিছরিদানা ইত্যাদি।
#মিশ্রিদানা, #চিনিপাতা, #মিছরিপাতা, #মিডালি, #চিনিটোরা, #বনধনিয়া, #চিনিমিঠা, #মিছরিদানা ইত্যাদি।
এই গাছ বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চল সহ সমতল ভূমির সর্বত্রই পাওয়া যায়। এর পাতা খুবই মিষ্টি যা চিনির চেয়ে ৫০ গুণ বেশি মিষ্টি বলে দাবি করা হয়। এর শুকনো পাতা গুঁড়ো করে ব্যবহার হয়। এর নির্যাস চিনি থেকে ২০০-৩০০ গুণ বেশি মিষ্টি। এটি ডায়াবেটিস এর কোন ক্ষতি করেনা বরং কমাতে সাহায্য করে। মিশ্রিদানা বাংলাদেশের সুলভ ঔষধি উদ্ভিদ। এই গাছের সবকিছুই ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
১ আমাশয় বা রক্ত আমাশয়ঃ ✍️✍️✍️✍️
আমাশয় বা রক্ত আমাশয় কথা বলা হলে চিকিৎসা হিসাবে সবাই এক বাক্যে যে গাছের নাম বলবে তা হচ্ছে মিশ্রিদানা বা চিনি পাতা গাছ। অনেকেই এই কথা জানেন বা শুনেছেন। #আমাশয়_চিকিৎসা
আমাশয় বা রক্ত আমশয় ক্ষেত্রে এর থেকে ভালো গাছরা ঔষধ দ্বিতীয়টি আছে বলে আমার জানা নেই।
💗ঠিক কি পরিমাণ খেতে হবে তা সঠিকভাবে জানতে হবে?
প্রথমত এই গাছটা আপনাকে চিনতে হবে। আমি গাছটির ছবি দিয়ে দিব।
এই গাছটির তাঁজা পাতা আপনি সংরক্ষণ করুন। এরপর ভালোভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে রস বের করুন।
#আমাশয়_বা_রক্ত_আমাশয়_চিকিৎসা
🌺যাদের বয়স (১-১২) বছর, তাঁরা এই গাছের পাতার রস ১ চা চামুচ করে সকাল-বিকাল একটানা 3 দিন।
🌺 যাদের বয়স (১৩-২০) বছর বা ২০ বছরের বেশি, তাঁরা এই গাছের পাতার রস ২-৩ চা চামুচ করে সকাল-বিকাল একটানা 3 দিন।
তবে তিন দিনের বেশি খাওয়া যাবেনা। এবং বয়স অনুযায়ী পরিমান মতো খেতে হবে। আশা করি নিয়ম মেনে খেতে পারলে রক্ত আমাশয় বা আমাশয় যত বড়ই কঠিন হোক না কেন সেরে যাবে।
#মিশ্রিদানা_গাছের_উপকারীতা
#চিনিপাতা_গাছের_উপকারীতা
২.কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাঃ
যারা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন, বাথরুম করতে গেলে যান-জীবন বেরিয়ে যায়, বাথরুমে গেলে অল্প একটু বাথরুম হওয়ার পরে আর হয় না, মাঝে মাঝে বাথরুমের সঙ্গে রক্ত আসে, বাথরুম খুব শক্ত, সারাক্ষণ পেট ভরে থাকে, অস্থির বোধ করে, বাথরুম লাগে কিন্তু বাথরুম হয় না এ ধরনের সমস্যা কিন্তু আমরা প্রায় মানুষ ভুগে থাকে। এর জন্য অনেক টাকা ব্যয় করি চিকিৎসা গ্রহণ করি কিন্তু কাজ হয় নাই। তারা এই গাছরা চিকিৎসাটি একবার হলেও ট্রাই করতে পারেন। আশা করি 100% কাজ হবে।
💗💝💖 চিকিৎসার নিয়মঃ
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে (সব বয়সীদের জন্য )
মিশ্রিদানা অথবা চিনি দাদা গাছের পাতা ১ চা চামুচ রস ৪-৫ দিন সকালে খেতে হবে। যদি সমস্যা বেশি হয় তবে 8 থেকে 10 দিন খাওয়া লাগবে।
৩. ডায়াবেটিস সমস্যাঃ.....
বর্তমানে ডায়াবেটিসের সমস্যা নাই এরকম পরিবার খুঁজে পাওয়া যাবেনা। প্রায় প্রতিটি পরিবারের কারো না কারো ডায়াবেটিসের সমস্যা রয়েছে।
💗চিকিৎসা পদ্ধতিঃ প্রথমে গাছটি পাতা শুকিয়ে নিতে হবে। এর পর ১০-১৫ শুকনো পাতা মাঝারি মাপের ১ কাপ জলে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে জলটা ছেঁকে ফুটিয়ে অর্ধেক কাপ করে নিন। এবার ওই জল অর্ধেক করে সকাল ও রাতে পান করুন। দিন দশেক ব্যবহারের পর পুনরায় রক্ত পরীক্ষা করিয়ে নিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। কয়েক দিনের মধ্যেই ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া এবং অন্যান্য উপসর্গ গুলিও কমে গিয়ে নিয়ন্ত্রণে আসবে ডায়াবেটিস অসুখ ।
৪. হাইপারটেনশনে বা উচ্চ রক্তচাপঃ....
হাইপারটেনশনে-- আট থেকে ১০-১২টি মিশ্রিদানা পাতা বেটে তার থেকে রস বের করে নিন। সকালে বা রাতে শুতে যাওয়ার আগে সেই রস (১-২ চা চামুচ) নিয়মিত পান করুন। এতে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
৫. অর্শ বা পাইলস সমস্যাঃ......
প্রতি দিন সকালে খালি পেটে ২ চা চামুচ রস খান খুব ভালো কাজ হবে। যন্ত্রণা কমবে এবং রক্ত পড়া কমবে।
৬. মুখের ঘাঃ
কয়েকদিন মিশ্রিদানা গাছের পাতা চাবালে মুখের ঘা সেরে যায়।