ইনসাফ সার্ভিস

ইনসাফ সার্ভিস আলহামদুলিল্লাহ!
অবিশ্বস্ততা আর আস্থ?

ব্যবসা হোক সুন্নাহ অনুসরনে,
উদ্দেশ্য হোক আল্লাহর সন্তষ্টি।

➥ বিশ্বাস আর ইনসাফ রক্ষার প্রত্যয়ে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ, আশা করবো আপনিও সেই মানসিকতা থেকেই আমাদের সাথী হবেন, ইনশাআল্লাহ।

রেঞ্জার - ২!!!!!!আলহামদুলিল্লাহ্‌!পরিচিত এক ভাইয়ের দোকানে রেঞ্জার - ২ ক্যামেরাটি সেটাপ করে দেয়া হল।কিছুদিন ক্যামেরাটার ব...
02/12/2020

রেঞ্জার - ২!!!!!!

আলহামদুলিল্লাহ্‌!

পরিচিত এক ভাইয়ের দোকানে রেঞ্জার - ২ ক্যামেরাটি সেটাপ করে দেয়া হল।

কিছুদিন ক্যামেরাটার বিভিন্ন ফিচার অবজার্ভ করে দেখা হবে!
যদি ভালো কাজ করে তাহলে "ইনসাফ সার্ভিস" থেকে অফিসিয়ালি সেল করা হবে ইনশাআল্লাহ।

✎ ক্যামেরটিতে উল্লেখযোগ্য যেসব সুবিধা রয়েছেঃ

✍ আইপি সাপোর্টেটঃ

অর্থাৎ ক্যামেরাটির মাধ্যমে পৃথিবির যে কোনো প্রান্ত থেকে যেকোনো মোবাইল অথবা কম্পিউটার দিয়ে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত স্থান (বাড়ি, দোকান, অফিস, মাছের ঘের ইত্যাদি) সরাসরি দেখতে পারবেন এবং আশেপাশের কথা-বার্তাও শুনতে পারবেন।

✍ ৩৬০ ডিগ্রি কভারেজঃ

অর্থাৎ আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী মোবাইল দিয়ে কন্ট্রোল করে ক্যামেরাটাকে চারদিকে ঘুরিয়ে দেখতে পারবেন।

✍ নাইট ভিশনঃ

অর্থাৎ রাতের অন্ধকেরেও অদৃশ্য লাইটের সাহায্যে ক্যামেরাটি দিয়ে নূন্যতম ১০ মিটার বা ৩৩ ফিট পর্যন্ত ক্লিয়ার দেখতে পারবেন।

✍ হিউম্যান ডিটেকশনঃ

এই ফাংশনটির মাধ্যমে আপনার মনিটরিং এরিয়াতে যদি কোনো মানুষ প্রবেশ করে, তাহলে ক্যামেরা তার ছবিটি আপনার মোবাইলে ম্যাসেজ এর মাধ্যমে পাঠিয়ে দিবে।

✍ স্মার্ট ট্রাকিংঃ

এই ফিচারটির মাধ্যমে ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের দিকে ঘুরে ঘুরে ভিডিও করবে।

✍ টু ওয়ে টকিংঃ

অর্থাৎ আপনি ক্যামেরাটির মাধ্যমে আপনার মনিটরিং এরিয়ার কথা-বার্তা শুনতে পারবেন এবং একই সাথে আপনি ক্যামেরার মাধ্যমে কথাও বলতে পারবেন, যা ক্যামেরার আশেপাশের লোকজন শুনতে পারবে।

✍ এবনরমাল সাউন্ড এলার্মঃ

এই ফিচারটির মাধ্যমে আপনার মনিটরিং এরিয়াতে যদি কোনো অস্বাভাবিক শব্দ হয়, তাহলে ক্যামেরা তা সাথে সাথে আপনার মোবাইলে ম্যাসেজ এর মাধ্যমে জানিয়ে নিয়ে দিবে।

ধরুন আপানার বাচ্চার রুমে ক্যামেরাটি লাগিয়ে রাখছেন, হঠাৎই যদি আপনার বাচ্চা ঘুম থেকে উঠে কান্না করা শুরু করে, তাহলে সাথে সাথে ক্যামেরা তা আপনার মোবাইলে ম্যাসেজ এর মাধ্যমে জানিয়ে দিবে। আপনি যেখানেই থাকুন না কেনো, শুধু আপনার মোবাইলে ডেটা কানেকশন অন থাকলেই হবে।



আরো বিভিন্ন ফিচার রয়েছে, যা অফিসিয়াল সাইট imoulife এ দেয়া আছে।।

এ বিষয়ে আরো কিছু জানার থাকলে ম্যাসেজ অথবা কমেন্টে জিজ্ঞাস করতে পারেন।

ন্যায্য দামে সঠিক প্রোডাক্ট পেতে "ইনসাফ সার্ভিস" পেইজটি লাইক দিয়ে সাথেই থকুন।

26/11/2020

হে ঈমানদারগণ, তোমরা ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত থাক; আল্লাহর ওয়াস্তে ন্যায়সঙ্গত সাক্ষ্যদান কর, তাতে তোমাদের নিজের বা পিতা-মাতার অথবা নিকটবর্তী আত্নীয়-স্বজনের যদি ক্ষতি হয় তবুও। কেউ যদি ধনী কিংবা দরিদ্র হয়, তবে আল্লাহ তাদের শুভাকাঙ্খী তোমাদের চাইতে বেশী। অতএব, তোমরা বিচার করতে গিয়ে রিপুর কামনা-বাসনার অনুসরণ করো না। আর যদি তোমরা ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে কথা বল কিংবা পাশ কাটিয়ে যাও, তবে আল্লাহ তোমাদের যাবতীয় কাজ কর্ম সম্পর্কেই অবগত।
(সূরা নিসা- ১৩৫)

24/11/2020

::মেঘ::
শেষ পর্যন্ত তাকেই বিয়ে করে ফেললাম যাকে বিয়ে করবো না বলেই পণ করেছিলাম। গত দু' বছর তার কথা আমি একেবারেই ভুলে গিয়েছিলাম। আমার প্রতি তার করা অবিচার ভুলি কী করে? কী না করেছিলাম তার জন্য? কিন্তু সে! কী সব যা তা বলে যাচ্ছি, ধুর! এসব আমাদের অতীত। তাই অতীতকে ভুলে যাওয়াই সমীচীন।

একটু পরেই আমাদের একান্তে কথা হবে। হাতটা ধরার পর আমি নিজেকে হয়ত হারিয়ে ফেলবো। হয়ত না। আমি আবার মেয়েদের সামনে যেতে খুব লজ্জা পাই। লাজুক মানুষ। কিন্তু সেতো আমার বউ। এখন আমার আর তার মাঝে কোনো পর্দা নেই। নেই কোনো দেওয়াল। যদিও গত দু'বছরে আমি অনেক পালটে গেছি। কিন্তু এ দেওয়াল ভাঙতে কতো কিছুই না করে গেছি কত দিন! বিভিন্ন ইঙ্গিতে আমায় ভালোলাগার কথা জানিয়েছিলো সে-ই প্রথম। আমার এগুলোতে তেমন আগ্রহ ছিলো না। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি। ফার্স্ট ইয়ারে তখন। মোটামুটি চোখ ধাঁধানো একটা ফলাফল নিয়ে ভর্তি হয়েছিলাম। কলেজ ছাত্রী সে। আমার দুঃসম্পর্কের এক খালার মেয়ে। বাসা ছিল আমাদের পাশেই। আমার প্রতি তখন খুব ইম্প্রেসড হয়েছিল। আমার সামনে এলেই মেয়েটা একদম লুকিয়ে যেতো। খুব লাজুক একটা মেয়ে।
আমিও কিছুটা ইসলামপ্রেমী ছিলাম। এমন একটি লাজুক পর্দানশীন মেয়েকে স্ত্রী হিসাবে পাওয়া তো আসলেই সৌভাগ্যের। তাছাড়া সে তো দেখতেও খারাপ না। ছাত্রীও ভালোই। খোঁজ নিয়ে বুঝলাম ভালো তার ফ্যামিলিও। আমার অবশ্য তাকে পছন্দই হয়ে গেল। আমি চেয়েছিলাম তার বাবা-মায়ের মাধ্যমে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাবো। কিন্তু তার আগে আমায় নিজের পায়ে অন্তত দাঁড়াতে হবে।
নিশ্চয়ই সে আমায় পছন্দই করে। শুনেছি সবার জীবনেই নাকি প্রেম আসে। তো আমার জীবনে যা এসেছে তা কী প্রেম? আমি বুঝতে পারছি না।
আমি তার সাথে যেচে কথা বলিনি কখনো। ভাবতাম আল্লাহ যদি আমার ভাগ্যে তাকে লিখে রাখেন তবে সেই আমার স্ত্রী হবে। না থাকলে এগুলোর মানেই হয় না। কিন্তু অবাক হয়ে দেখি আমার সমস্ত ভাবনা জুড়ে একজনই ঘুরপাক খাচ্ছে। কী যে মিষ্টি এক যন্ত্রণা তা বোঝাতে পারবো না।
গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে উচ্চতরো ডিগ্রির জন্য USA তে যাওয়ার খুব শখ আমার। তো তার জন্য যতোকিছু দরকার তা করে যাচ্ছি। তো হঠাৎ চিন্তা করে দেখি বিয়ে করে ফেলাই ভালো হবে। আমি তার ফ্যামিলিকে বলে দেখি কী হয়। তার আগে তাকেই একবার বলি।
কিন্তু বিপত্তি বাঁধলো এরপরেই। আমি তাকে একদিন বলেই ফেললাম যে তাকে বিয়ে করতে চাই। সে তখন সাফ জানিয়ে দিলো, ভাইয়া, আমার একটা রিলেশন আছে। আমি তো আকাশ থেকে পড়লাম- এটা কোনো কথা?
আমি ঠিক করলাম তার সাথে আর যোগাযোগ নয়। যোগাযোগ করলে আরও নিজের ক্ষতি। তাকে ভুলেই যেতে হবে। আরেকজনের ভবিষ্যৎ স্ত্রীকে নিয়ে আমি এতোদিন ভেবেছি? ছিঃ আমার লজ্জা হওয়া উচিৎ! আমি হজম করার চেষ্টা করতে থাকলাম।
ব্যাপারটা বদহজম হলো। আমি তাকে ছাড়া আর কিছুই চিন্তা করতে পারছিলাম না। ফলত, আমি কোনোক্রমেই আর GRE তে কাঙ্ক্ষিত স্কোর পেলাম না। আমি জীবন নিয়েও হতাশ হয়ে যাই। নিজেকে অনেকভাবে মোটিভেইট করে সে যাত্রায় বাঁচি।
দু' বছর পর আমেরিকা থেকে ফিরি বিয়ে করার জন্য। ও হ্যাঁ! আমি ততোদিনে ইসলাম বুঝতে শিখেছি। জানতে পেরেছি ইসলামে বিয়ের আগের প্রেম বলতে কিছুকে হারাম করে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, যিনার কাছেও যেওনা। পর্দা করা ফরজ। আর চোখ অবণত করা ও লজ্জাস্থানের হেফাজত করাও। স্ত্রীকে ভালোবাসতে উৎসাহিত করা হয়েছে। কিন্তু পাত্রী পছন্দ হচ্ছে না কোনোমতে। আমি এবার দ্বীনদার একটা পাত্রী খুঁজছি।
একটা প্রস্তাব নিয়ে আসলেন ফরহাদ আঙ্কেল। তার এক পরিচিত ভাইয়ের মেয়ে। দেখতে শুনতে ভালোই। মাঝে মাঝে হিজাবও করে। নামাজ কালামও পড়ে। তবে বিয়ের পর সব ঠিক হয়ে যাবে। আমি ভাবলাম, বিয়ের পর ঠিক হয়ে যাবে তিনি কি নিশ্চিত? কতো মানুষই তো সারাজীবনেও চেঞ্জ হয় না। কতো স্বামী-স্ত্রী আমি নিজে দেখেছি অনেক ভিন্ন রকম। তাছাড়া গোটা একুশ বছরেও সে চেঞ্জ হয়নি। আমি কি পারবো? কী মনে করে বললাম বায়োডাটা দেন তো দেখি।
বায়োডাটা দেখে আমার চক্ষু চড়কগাছ। এতোদিন একবারও তার নামটা ফেইসবুকেও সার্চ করে দেখিনি। আজ সার্চ দিলাম। জানতাম কোনো মেয়ের দিকে তাকানো ঠিক হবে না। কিন্তু নিজে নিজেকে মানালাম। ভাবলাম বিয়ের জন্যই তো ছবি দেখবো। এটুকু ছাড় দেওয়াই যায়।
আমি আর তার চেহারা ভুলতে পারলাম না। আবার নিজের ভেতরে কোত্থেকে যেন আগের সেই প্রেম বুঝতে পারছি। কয়েকদিন মাথায় শুধু সেই ঘুরছে। ভাবলাম, আ রে! তাকে আমি বুঝাতে পারলে সে ঠিকই পুরোদমে ইসলাম মানবে। হয়ত সে পর্দার গুরুত্ব জানে না কিংবা ইসলামকে এখনো বুঝে উঠতে পারেনি। সামান্য মেঘ হলে কি আকাশের রঙ বদলে যায়? আকাশ তো বিশাল। তাছাড়া তওবা করলে তো আল্লাহ সবাইকেই মাফ করে দেন। আমার সমস্যা কী? আমি কি বেশি ইগো দেখাচ্ছি না?
আমি প্রস্তাব দিয়েই ফেললাম। কীভাবে যেনো সেও রাজি হয়ে গেলো। রাজি হওয়ায় আমি আর কিছুই জিজ্ঞেস করিনি। ভাবলাম সে হয়ত এখন ইসলাম বুঝতে পেরেছে। সুতরাং আমার সমস্যা কোথায়? আমাদের বিয়ে হয়ে গেল।
বিয়ের কয়েকদিন ভালোই কেটে গেলো। আমি জীবনের সবচেয়ে বেশি সুখের সময় কাটাচ্ছি। এমন কাউকে পেয়েছি যাকে হৃদয় দিয়ে চেয়েছিলাম সব সময়।
আমি নিজেকে একটু এডাপ্টেবল করে নিতে শুরু করলাম। দাড়িকে আমার কাছে ঝঞ্ঝাট মনে হওয়া শুরু করলো। আমি দাড়িকে ট্রিম করে নিলাম। ভাবলাম, দাড়ি না রাখলে কী ক্ষতি? তাছাড়া অনেক স্কলারদেরই তো দেখলাম দাড়ি নেই বললেই চলে। আমার বউয়ের সাজগোজ করার বেশ শখ। সে যখন পার্লার থেকে চুল রিবন্ড করিয়ে আনে দেখতে কেমন লাগে বোঝাতে পারবো না। প্রথম দিকে আমিই আসলে বেশি বেশি পর্দার কথা বলতাম। এতো কঠোর পর্দা তো না মানলেও চলে। আমরাই ইসলামকে বেশি কঠিন বানিয়ে ফেলেছি। আমি আর এখন তেমন কিছু বলি না। মাঝে মাঝে আমরা বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে ঘুরতে যাই। যাই শহরের বিভিন্ন সিনেপ্লেক্সেও।
***
চৌরাস্তায় দাঁড়িয়ে আছি গাড়ির অপেক্ষায়। উষ্কখুষ্ক চুলের একটা ছোকরা এসে আমার সাথে কথা আছে জানালো। ভাবলাম অপরিচিত কেউ আমার সাথে কী কথা বলবে? বললাম, ঠিক আছে এখানেই বলুন। সে তার মোবাইলটা হাতে নিয়ে আমায় তার সাথে একটা মেয়ের কিছু ছবি দেখালো। আমি অপ্রস্তুত ছিলাম। জীবনের সবচেয়ে বড় ভুলটা চোখে তীর হয়ে বিঁধলো। যে মেঘের আবরণকে আমি তেমন কিছুই মনে করিনি সে মেঘেই আমার নীলাকাশ ছেয়ে গেলো।

© হুজুর হয়ে।

Address

Mirpur/1
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইনসাফ সার্ভিস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share