আসুন ফাঁকে ফাঁকে মনিপুরি শাড়ি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি । আপনারা হয়তো কমবেশী সবাই জানেন তাই যদি কোন কিছু আরও add করার মতো থাকে তাহলে অবশ্যই বলবেন ।
মনিপুরী শাড়ির বৈশিষ্ট্য:
মনিপুরি শাড়ির একটা বৈশিষ্ট্য আছে...সুতার বুননের ফাসাফাসা ধরন টা কোন ডিফেক্ট ন। এমনকি মনে হতে পারে ফেশে যাওয়া সুতো কিন্তু এটা মনিপুরী দের ভাষায় অসমান বুনন মাত্র ফেশে যাওয়া নয় ।
ফাঁকা বুনন এবং অসমান বুনন ভিন্ন জিনিস । ফাঁকা বুন
ন আমরা আনিনা , এবং অসমান বুনন কমবেশি সব মনিপুরী শাড়ি তেই থাকে যেহেতু সম্পূর্ণ রুপে তাঁতিদের হাতে বোনা শাড়ি ।
মাঝে মাঝে মাড়ের দাগ থাকতে পারে ।
যেহেতু শাড়ি গুলো তাঁতে বুনন করা হয় তাই মেশিনের শাড়ির মতো বহর থাকেনা । কিছু শাড়ির বহর ৪০-৪১ ইঞ্চি হয় কিছু ৪৩-৪৪_ইঞ্চি_হয় এবং মাঝে মধ্যে ৪৪ ইঞ্চির বেশী পাওয়া যায় কিন্তু ৪৫ ইঞ্চির বেশী কখনই না । (আমি চেষ্টা করি বেশী বহর টাই নিয়ে আসার শাড়ি যতই সুন্দর হোক ৪৩ বা তার কম বহর আমি আনি না )
সব শাড়ি যে মেশিনে তৈরি শাড়ির মতো শতভাগ নিখুঁত হবে সেটা নয়, হ্যান্ডলুম শাড়ি সামান্য ত্রুটি থাকতে পারাটাই স্বাভাবিক ।
শাড়ি তৈরির সময় বাঁশের তাঁত ব্যবহার করা হয় এবং আঁচল টেম্পলের হিসাব রাখতে মাপ হিসেবে দাগ ব্যবহার করে তাই পাড়ে হঠাৎ কিছু জায়গায় অতি সামান্য কালো দাগ থাকতে পারে এইগুলো ব্যবহারের সাথে সাথে মিলিয়ে যাবে ।
(আমি তারপরও চেষ্টা করি দাগ বিহীন নিয়ে আসার কিন্তু সবসময় সম্ভব হয়না সেটাও ঠিক । )
প্রতিটি ১৩.৫ - ১৪ হাত লম্বা শাড়ির সাথে থাকছে ব্লাউজ পিস রানিং ।
আলোর তারতম্যের জন্য কালার কিছুটা light/deep হতে পারে এতে আমাদের কোন হাত নেই । (still আসল কালার টা দেখাবার ইচ্ছা ও চেষ্টা আমার সর্বাত্মক থাকে । )
আপাতত এটুকুই । প্রতিবার প্রতিটা শাড়ীর সাথে একই কথা আসলে লিখতে ভাল লাগেনা । কিন্ত না লিখার মানে এইটা ভেবে বসবেন না যে আমার শাড়ি তে এসব থাকবেনা । কমবেশি থাকাটাই স্বাভাবিক । তাই অবশ্যই আপনারা পড়ে নিবেন । ❤