11/11/2020
আমার যারা অনলাইনে ব্যবসা করি তাদের একটি অনাকাঙ্খিত বিষয়ের অবতারণা হয়, তা হল ত্রুব্ধ ক্রেতা সামলানো। ক্রেতা আমাদের রাজা, উনি ক্ষুব্ধ হতে পারে পন্য বা সেবার কাঙ্ক্ষিত মান না পাওয়া বা ক্রেতার অত্যধিক আবদার থাকে মূল্যের চেয়ে অথবা মানসম্পন্ন ও সময়মত ডেলিভারি সিস্টেম এর গাফিলতি। যেই জন্যই হউক ক্রেতা কিন্তু আপনারই, উনার কাছ থেকেই আপনার বা আমার আয় করতে হয়। চলে গেলে আপনারই চলে যাবে।
ক্রুদ্ধ কাস্টোমার সামলানাে কঠিন কাজ। প্রােডাক্ট বা সার্ভিস ঠিক না থাকলে তারা গর্জে বা ফুঁসে উঠবেই। আপনি সমস্যা সমাধান করতে চাইলেও যে সব সময় ঝড় থেকে রক্ষা পাবেন তা নয়! এমন পরিস্থিতিতে মাথা ঠাণ্ডা রাখা বেশ মুশকিল। তবে ক্রেতাকে বিশ্লেষণ করেই সমাধানের একটা পথ খুঁজতে হবে। কথা আছে দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল অনেক ভালো।
আপনার কাছে সে সমাধান না পেলে কিন্তু সে ঠিকই কাস্টোমার তার সমস্যার সমাধান এক সময় খুঁজে নেবেই। প্রশ্ন হলাে, সমাধানটা কি তারা আপনার মাধ্যমে পাচ্ছে নাকি আপনার প্রতিদ্বন্দীর মাধ্যমে?
প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানি এ ধরনের সুযােগের অপেক্ষায় সব সময়ই ওঁত পেতে থাকে। এতে আপনার কোম্পানি যেমন কাস্টোমার হারাবে তেমনি তীব্র বদনামও ছড়িয়ে পড়বে ওই অনলাইনের দুনিয়ায়।
ক’দিন পর ফলাে-আপ নেয়া। এটা গুরুত্বপূর্ণ আপনার ব্যবসার জন্য। যদি সমস্যাটা থেকেই যায় তাহলে হারাতে-বসা কাস্টোমার আর অভিযােগ না করে একেবারে জন্য হারিয়েই যাবে। কাস্টোমার কল/মেসেজ দিচ্ছে না, তার মানে সমস্যা সমাধান হয়ে গিয়েছে এমনটা ভাবা ঠিক না। তবে প্রায়ই এমন হয়, কাস্টোমার সমাধান পেয়েছে ঠিকই, তবে আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে গিয়ে।
এখন আপনার কাজ হবে কদিন পর পর ফলো আপ নেয়া। যদি সমস্যা থেকেই যায় তবে সে হারিয়েই যাবে।
আমরা নিজের বিবেচনায় নিচের কাজ গুলো করবো আর তা হলো:
• কাস্টোমারকে তার অনুভূতি প্রকাশ করতে দিন। বিষয়টা ব্যক্তিগতভাবে নেবেন না ঠান্ডা মাথায় বের করুন সমস্যার মূল কোথায়। এরপর সমাধানের প্রস্তাব দিন।
• ফলাে-আপ করুন। চেক করুন যে সমস্যা সমাধান হয়েছে কিনা। কাস্টোমার আবার অভিযােগ করেনি, কাজেই সব ঠিক হয়ে গিয়েছে এমনটা ভাববেন না।
নিশ্চিত করুন একই সমস্যা যেন আরেক কাস্টোমারের না হয়।
Credit: Jim Blith