30/07/2022
আয়ুর্বেদিক ঘি এর উপকারিতা :
ঘি শুধু সুস্বাদুই নয় স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। এটি ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন এ এর একটি ভাণ্ডার, যার ব্যবহারে অনেক স্বাস্থ্য সমস্যাই দূর হয়ে যায়। আয়ুর্বেদও ঘি কে সবচেয়ে মূল্যবান খাদ্য উপাদান হিসেবে বিবেচনা করে থাকে। আয়ুর্বেদে মনে করে পরিশোধিত তেলের পরিবর্তে ঘি ব্যবহার স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ভাল। ঘি শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না এটি একটি স্বাস্থ্যকর চর্বি, যার অনেক ঔষধি গুণ রয়েছে। বেশিরভাগ মানুষ রুটি, ভাত বা ডালের সঙ্গে ঘি খান, তবে আয়ুর্বেদ সকালে খালি পেটে, ঘি খাওয়ার পরামর্শ দেয়। যদি নিয়মিত সকালে খালি পেটে ঘি খাওয়া হয়, তাহলে তা বিস্ময়কর কাজ করতে পারে। আয়ুর্বেদে ঘি ছোট অন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টের অ্যাসিডিক পিএইচ কমাতে সাহায্য করে। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ বা ঘুমের অভাব, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার অস্বাস্থ্যকর অন্ত্রের প্রধান কারণ। আপনি যদি এই সমস্যাগুলির মধ্যে কোনটি অনুভব করেন, তবে এখনই আপনার পকস্থলি ঠিক করার জন্য আয়ুর্বেদিক ঘি খাওয়া শুরু করার সময়।
সকালে খালি পেটে এক চামচ ঘি খেলে আরও যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-
১. ত্বক উজ্জ্বল হয়ে ওঠে
২. অন্ত্র হয়ে যায় পরিষ্কার
৩. পায়খানা ঠিক মতো হয়
৪. কোষ্ঠাকাঠিন্য দূর হতে পারে
৫. ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ হয়
৬. অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়া পৌঁছে যায়।
৭. হাড় শক্ত করে। শরীরে শক্তি পাওয়া যায়।
কতটা ঘি খেতে পারেন?
আয়ুর্বেদিক ঘি খাওয়ার ফলে শরীর থেকে ৩০-৪০% কোলেস্টেরল অপসারিত হয়, এবং বিভিন্ন খাদ্যে ব্যবহারের ফলে ১৮-২৫% কোলেস্টেরল থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এটি স্নায়বিক দুর্বলতা দূর করার একটি অনন্য উপায়।আয়ুর্বেদিক ঘি অতিরিক্ত ব্যবহারে কোন সমস্যা নেই।
কিন্তু সাধারণ ঘিয়ের মধ্যে প্রচুর ক্যালোরি থাকে। তাই খুব বেশি পরিমাণে ঘি খাওয়া যাবে না। ১৪ গ্রাম দেশি ঘি খেলে শরীরে ১২৩ ক্যালোরি প্রবেশ করে। ফলে ঘি বেশি ওজন বাড়তে পারে। আর ওজন বাড়লে নানা অসুখে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। তাই দিনে ১ থেকে ২ চামচের বেশি সাধারণ ঘি খাওয়া উচিত নয়।
#ঘি #আয়ুর্বেদিকঘি #ঘিএরউপকারিতা #খাঁটি #খাঁটিঘি