MD.Sagor

MD.Sagor Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from MD.Sagor, Business Supply Service, Bhulta, Dighir par, Dhaka.

আকার্ষনীয় প্লাষ্টিক ওয়‍্যারড্রপ।
29/06/2025

আকার্ষনীয় প্লাষ্টিক ওয়‍্যারড্রপ।

20/10/2024

#আগাম_কন্দপেঁয়াজ_বা_হালিপেঁয়াজ_বা_মুড়িপেঁয়াজ_কিভাবে_আবাদ_করবেনঃ

#মাটিঃ
দোআঁশ ও জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ হালকা দোআঁশ বা পলিযুক্ত মাটি পেঁয়াজ চাষের জন্য উত্তম। মাটি উর্বর এবং সেচ ও নিষ্কাশন সুবিধাযুক্ত হওয়া বাঞ্ছনীয়।

#জাতঃ
তাহেরপুরী/ফরিদপুরী

#বীজ_বপনের_সময়ঃ
পেয়াজ চাষে অক্টোবর মাস কন্দ বপনের উপযুক্ত সময়। আগাম হিসেবে সেপ্টেম্বর মাসে শেষে থেকে অক্টোবর মাসে প্রথম সপ্তাহে রোপন করা যায়

#পেঁয়াজ_বা_কন্দের_পরিমান
শতকে ৪-৫ কেজি কন্দের প্রয়োজন হয়।

#সারঃ
পেঁয়াজ চাষে বিঘা প্রতি ৩৩ শতকে সারের পরিমান
সারের পরিমাণ:

গোবর ১৩২০ কেজি
ইউরিয়া ২৫ কেজি
টিএসপি ২০ কেজি
এমওপি ২৫ কেজি
জিপসাম ২০ কেজি
জিংক ১ কেজি (আলাদাভাবে)
বোরন ১ কেজি

#শতক প্রতি সারের ডোজ
গোবর ৪০ কেজি
ইউরিয়া ৭৬০ গ্রাম
টিএসপি ৬০০ গ্রাম
এমওপি ৭৬০ গ্রাম
জিপসাম ৬০০ গ্রাম
জিংক ৩০ গ্রাম (আলাদাভাবে)
বোরন ৩০ গ্রাম

#সার_প্রয়োগ_পদ্ধতিঃ
শেষ চাষের সময় সবটুকু গোবর, টিএসপি, জিপসাম, জিংক বোরন এবং অর্ধেক ইউরিয়া ও এমওপির সার জমিতে সমানভাবে ছিটিয়ে মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। বাকি অর্ধেক ইউরিয়া ও এমওপি সার যথাক্রমে কন্দ বা পেঁয়াজ রোপণের ২০ দিন বয়সে এবং ৫০ দিন পর ২ কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে। কন্দ বা সরাসরি বীজ বপন করে চাষ করার ক্ষেত্রেও মোটামুটিভাবে একই নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।

#জমি_তৈরিঃ
পেয়াজের জমি ৫-৬ টি চাষ দিতে হবে। জমি আগাছামুক্ত করে বীজ বপন/চারা রোপন/কন্দ রোপন করতে হবে।

#চারা_রোপণ_পদ্ধতিঃ

#পেঁয়াজ_রোপনের_দুরত্বঃ
কন্দ ও চারা জন্য সারি থেকে সারির দূরত্ব ৬ ইঞ্চি এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব ৪ ইঞ্চি রাখতে হবে।

#পেঁয়াজের_সাইজঃ
প্রতি কেজিতে ৬০-৭৫ টি পেঁয়াজ ধরে এমন পেঁয়াজ রোপণ করতে হবে।

#সেচ_প্রয়োগঃ
পেঁয়াজের জমিতে মাটির প্রয়োজনীয় রস না থাকলে প্রতি ১০-১৫ দিন অন্তর পানি সেচ প্রয়োজন।

#অন্তর্বর্তীকালীন_পরিচর্যাঃ
পেঁয়াজের কন্দ উৎপাদনের ক্ষেত্রে ফুলের কলি দৃষ্টিগোচর হওয়া মাত্রই তা ভেঙ্গে দিতে হবে।

#পানি_নিষ্কাশনঃ
পেঁয়াজ জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না। পেঁয়াজের জমিতে পানি নিকাশের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

#আগাছাঃ
পেয়াজের জমিতে প্রচুর আগাছা হয়ে থাকে তাই জমি আগাছামুক্ত রাখতে হবে। সেচের পর জমি নিড়ানি দিয়ে আলগা করে দিতে হবে।

#পোকাঃ
পেঁয়াজের ক্ষতিকর পোকা হল
#কাটুইপোকা-
নাইট্রো/সেতারা/ক্লোরোসাইরিন/এসিমিক্স/সাবসাইড যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ৩ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।
#থ্রিপস-
এডমায়ার/ইমিটাফ/ইমপেল/জাদিদ যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।
#এরিওফাইট মাকড়ও
ভার্টিমেক/টক্সিমাইট/লাকাদ যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১.২৫ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।

#ঘোড়াপোকা-
রিপকর্ড/রীভা/সিমবুশ/সাইপেরিন/কর্ট/রেলোথ্রিন যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫০ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।

রোগঃ
#পার্পলব্লচ-
রোভরাল/রোভানন/হেপ্রোডিয়ন যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।
#কন্দপচাঃ
টিল্ট/প্রোটেন্ট/প্রাউড/রোভরাল যে কোন একটি কীটনাশক স্প্রে করতে পারেন।
#গোড়াপচা-
বায়োডার্মা পাউডার প্রতি লিটার পানিতে ৩ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।
#হোয়াইটরটঃ
রোভরাল/ম্যাগসার/জিবাল যে কোন একটি বালাইনাশক স্প্রে করতে পারেন।

#পেঁয়াজ_সংগ্রহঃ
পেঁয়াজ পরিপক্ক হলে পাতা ক্রমশ হলদে হয়ে যায় এবং পাতার অগ্রভাগ শুকিয়ে নুইয়ে পড়ে। যখন ৭০-৮০% পাতার অগ্রভাগ শুকিয়ে নেতিয়ে পড়ে তখনই পেঁয়াজ তোলার উপযুক্ত সময়। সাধারণত রোপনের ৯০ থেকে ১২০ দিনের মধ্যে শীতকালিন পেঁয়াজ তোলার উপযুক্ত হয়।

#ফলনঃ
উপযুক্ত পরিচর্যায় বিঘা প্রতি ৩০০০-৩২০০ কেজি পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়।

এছাড়াও
যে কোন পরামর্শের জন্য আপনার নিকটস্থ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে সমসাময়িক আপডেট পরামর্শ নিতে পারেন।

মোঃ ফরিদুল ইসলাম
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা
ব্লকঃ ভোটমারী, কালিগঞ্জ, লালমনিরহাট।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভিপি নুরুল হক নুর আমার ২ বছরের জুনিয়র, আমার ডিপার্টমেন্টের কিছু ফ্রেন্ড একটা সময় বলতো জুনি...
01/10/2024

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভিপি নুরুল হক নুর আমার ২ বছরের জুনিয়র, আমার ডিপার্টমেন্টের কিছু ফ্রেন্ড একটা সময় বলতো জুনিয়রের পেছনে রাজনীতি করছ, তোর তো মিয়া পারসোনালিটিই নাই! যখন কথা উঠতো কিছুটা লজ্জা ফিল করতাম কথা অন্যদিকে ঘুরানোর চেষ্টা করতাম আমি যেটা মনে করতাম- ক্যাম্পাসে সিনিয়র-জুনিয়র যাই হই রাজনীতিতে সে আমার নেতা, রাজনীতিতে সে আমাদের থেকে অনেক বেশি পরিপক্ব, রাজনীতিতে তার ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্ব, তার সাহসিকতা দেখে পুরো জাতি মুগ্ধ, যে সময়টাতে বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা মাঠে নেমে প্রতিবাদ করার সাহসটুকু পাচ্ছিলো না, হামলা-মামলা, জেল জুলুমের ভয়, সেই সময় জাতি এই হ্যাংলা পাতলা ছেলেটির সাহসিকতায় বাংলাদেশকে নতুন করে ভাবতে শুরু করেছে।
এপর্যন্ত প্রায় ৩০ বার হামলার শিকার হয়েছে এরপরও পিছু হটে নি, থেমে যায়নি, রাস্তায় গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে, গভীর রাতে র‍্যাব, ডিবি হানা দিয়েছে সেই ভয়ার্ত মুহুর্তেও জাতি তার সাহসিকতা দেখেছে, ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ যখন পল্টন এলাকা থেকে নিরাপদ গন্তব্যে চলে যায় ভিপি নুরের নেতৃত্বে জীবন বাজি রেখে আমরা পল্টন এলাকায় সন্ধ্যা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাই, বেশ কয়েক বার টিয়ার গ্যাস খেয়ে যখন ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম তখন একটা গলিতে আমি ও সরকার নুরে এরশাদ সিদ্দিকী ভাই বসে পড়ি সেখানে বিএনপি'র বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেতাকর্মী বিএনপির সিনিয়র নেতাদের গালিগালাজ করছিলো, একেকটাকে ভীতু, কাপুরুষ আখ্যা দিচ্ছিলো কারণ সব নেতারাই কর্মীদের ফেলে রেখে চলে গিয়েছিলো আর আর বলতেছিলো ভিপি নুর অল্প কিছু নেতাকর্মী নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে, টিয়ার গ্যাস খাচ্ছে আবার উঠে পুলিশকে ধাওয়া দিচ্ছে আর আমাদের নেতারা আগেই পালাইছে।এই হলো আমাদের নেতা ভিপি নুর।

টাকা খেয়ে হাসিনার ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে গেলে দল পূর্বেই নিবন্ধন পেতো ২/৪ টা আসনও দল থেকে পেতো, আজকের প্রেক্ষাপট ভিন্ন কিছুও হতে পারতো কিন্তু জাতির সাথে নুর বেইমানি করতে পারে নি।

কোটা পুনর্বহাল হওয়ার পর কেউ মাঠে নামার সাহস পাচ্ছিলো না তখন ভিপি নুর ছাত্রদের আমাদের সামনেই বলেছে তোমরা সাহস করে নামো দেখবা সবাই নামার সাহস পাবে, যেহেতু আমাদের ছাত্রত্ব নেই শুরুটা আমরা করতে পারি না, তোমরা শুরু বাকিটা আমরা দেখতেছি, প্রথমদিকে অল্প কিছু ছাত্র কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদ জানায় আস্তে আস্তে মিছিল বড় হতে থাকে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ধীরে ধীরে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে রুপ নেয়।

ভিপিকে গভীর রাতে কেন র‍্যাব, ডিবি তুলে নিয়ে যায় সেটা সকলেরই জানা, কারণ গোয়েন্দারা ভালো করেই বুঝতে পেরেছিলো বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে তারা প্রায় সকলেই নুরের ছাত্র সংগঠনের ছাত্রনেতা, বুঝতে বাকি নেই তারা দিকনির্দেশনা কার কাছ থেকে পাচ্ছে। ৫ দিন ৫ দিন ১০ রিমান্ডে নির্যাতনে নুর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছিলো না, সেই পরিস্থিতিতেও ভিপি নুর বুঝতে পেরেছিলো হাসিনার মসনদ দুলছে, তাই বলেছিলো ৯০% পতন হাসিনার হয়ে গেছে, আর ১০% ধাক্কা দিতে হবে। পুরো জাতি নুরের দিকে তাকিয়ে, নুরের এই দৃশ্য দেখে মানুষ চোখের পানি যেমন ফেলছে তেমনি বুকে সাহস সঞ্চার করে রাজপথে নেমে এসেছে, দুদিন যেতে না যেতেই হাসিনা দেশ থেকে পালাতে বাধ্য হয়েছে, ১৬ বছর ধরে চলা ফ্যাসিবাদ থেকে জাতি মুক্তি পেয়েছে। এই হলো ভিপি নুর।

রাজনীতিতে আলোচনা, সমালোচনা থাকবেই।

আমরা নুরের মাঝে আগামীর বাংলাদেশ পরিচালনার নেতৃত্ব খুঁজে পাই।

আমি তাঁর নেতৃত্বে রাজনীতি করছি, করবো ইনশাআল্লাহ।

মো. তোফাজ্জল হোসেন
সাংগঠনিক সম্পাদক ঢাকা বিভাগ
গণঅধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি

Md Tofazzal Hossain

30/09/2024

আমার ব‍্যাক্তিগত মতামত হলো সরকারি চাকরির বয়স কখনোই ৩৫ হওয়া উচিত নয়।কিন্তু ৩২ হলে হতে পারে।

21/09/2024

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে।
কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট।
★. পর্চা বা খতিয়ান।
★. দলিল।
★. ম্যাপ বা নকশা।

★★.এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি ক্রায়-বিক্রয় ও হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন নিতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজ পত্র সরকারি বিভিন্ন দপ্তর রয়েছে।
★★.আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন।
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত তিন/ চারটি অফিসে পাবেন।
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

★★.ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

★★.উপজেলা ভূমি অফিস।
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতে খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।

★★.জেলা ডিসি অফিস।
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

★★.সেটেলমেন্ট অফিস।
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
★★. খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।

★★. আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন।
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।

**/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
**/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

★★.উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

★★.জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
★★.মূল অথবা সার্টিফাইড দলিল তুলতে কত টাকা লাগতে পারে।
মূলতঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
★★ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা যেখানে পাওয়া যাবে।
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

★★.জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।

★★.ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়।

14/08/2024

স্বৈরাচারের প্রেতাত্মারা ১৫ ই আগস্টকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে অরাজকতা সৃষ্টি করে বর্তমান পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবে।তাদের এই অপতৎপরতা রুখে দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা রক্ষা করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব হয়ে দাড়িয়েছে।আমরা যে যেমন অবস্থানেই থাকি না কেনো আমাদের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে তাদের ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে।
আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে এটা সহজেই পারবো। এবং আগামীকাল যেন কোন ধরনের বিরিয়ানির আয়োজন না করতে পারে সেটা খেয়াল রাখতে হবে। ইনশাআল্লাহ

12/08/2024

শেষ পর্যন্ত ১৫-ই অগাস্ট এর ছুটি এবং বিরিয়ানি ও বন্ধ হয়ে গেল।

09/08/2024
09/08/2024

ডিবি হারুন এবং পুলিশের কমিশনার বিপ্লব কুমার এর মতো কোন প্রশাসন যেন বাংলাদেশে আর না আসে।

09/08/2024

#অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা মন্ডলীর সংক্ষিপ্ত পরিচয়

১.ড.সালেহউদ্দিন আহমেদ ছিলেন বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের নবম গভর্নর।

২.ড.আসিফ নজরুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক। তিনি কিছু সময় বাংলাদেশ সরকারের একজন সরকারি কর্মকর্তা (ম্যাজিস্ট্রেট) হিসেবে কাজ করেছেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মিডিয়ায় তাকে প্রায়ই দেখা যায়। যেমন: বিবিসি, সিএনএন এবং আল জাজিরা ইত্যাদি। ইউএনডিপি, এডিবিসহ মানবাধিকার সংস্থা, আইনের শাসন, পরিবেশগত সমস্যা ইত্যাদি ভিত্তিক বিভিন্ন ধরনের আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে তার কনসালট্যান্ট হিসাবে কাজ করার অনেক অভিজ্ঞতা আছে।

৩.আদিলুর রহমান খান একজন মানবাধিকার কর্মী এবং মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি বাংলাদেশের একজন আইনজীবী এবং সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল।

৪.এ এফ হাসান আরিফ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল

৫.মোঃ তৌহিদ হোসেন বাংলাদেশের একজন সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ।তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার

৬.সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের "পরিবেশ পুরস্কার" এবং প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে "গোল্ডম্যান এনভায়রনমেন্টাল প্রাইজ প্রাপ্ত, এবং ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দে টাইম সাময়িকীর "হিরোজ অফ এনভায়রনমেন্ট" খেতাবপ্রাপ্ত বাংলাদেশী আইনজীবী ও পরিবেশকর্মী।এছাড়া তিনি ২০১২ সালে রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার পান।

৭.সমন্বয়ক মো. নাহিদ ইসলাম

৮. সমন্বয়ক:আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

৯.এম সাখাওয়াত হোসেন একজন বাংলাদেশী লেখক এবং বক্তা। তিনি বাংলাদেশের একজন সাবেক নির্বাচন কমিশনার (2007-2012), বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) । তিনি 32 টিরও বেশি বই লিখেছেন এবং নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক হিসাবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক টেলিভিশনে কলামিস্ট এবং ফ্রিল্যান্স ভাষ্যকার হিসাবে কাজ করেছেন।

১০.সুপ্রদীপ চাকমা পররাষ্ট্র ক্যাডারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সাবেক রাষ্ট্রদূত।

১১.ফরিদা আখতার বেসরকারি সংস্থা উবিনীগের (উন্নয়ন বিকল্পের নীতি নির্ধারণী গবেষণা) নির্বাহী পরিচালক

১২.অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক

১৩.আবুল ফয়েজ মুহাম্মদ খালিদ হোসেন (যিনি ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন) একজন বাংলাদেশি সুন্নি দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত। তিনি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক নায়েবে আমীর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শিক্ষা উপদেষ্টা, মাসিক আত তাওহীদের সম্পাদক, বালাগুশ শরকের সহকারী সম্পাদক এবং আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের কুরআনিক সায়েন্সেস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অতিথি শিক্ষক। তিনি ওমরগণি এম.ই.এস. কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের খণ্ডকালীন অধ্যাপক এবং নেজামে ইসলাম পার্টির ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন। বিশ্ব মুসলীম লীগের মুখপাত্র দ্যা ওয়ার্ল্ড মুসলিম লীগ জার্নাল সহ বিভিন্ন সাময়িকীতে তার দুই শতাধিক গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক প্রকাশিত ইসলামী বিশ্বকোষ দ্বিতীয় সংস্করণের ৩ থেকে ৯ খণ্ড ও সীরাত বিশ্বকোষ সম্পাদনা করেছেন। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ২০ টি। এছাড়াও তিনি ৪টি জাতীয় পত্রিকার নিয়মিত লেখক।

১৪.নুরজাহান বেগম গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক

১৫.শারমিন মুরশিদ ব্রতী প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা

১৬.ফারুক–ই–আজম নৌকমান্ডো, বীর প্রতীক।

ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়
সোর্স:ইউকিপিডিয়া+অনলাইন
Copied

Address

Bhulta, Dighir Par
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MD.Sagor posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to MD.Sagor:

Share