Ki Lagbe

Ki Lagbe সব পাওয়া যায় ।

08/03/2020

It will help
Safe those...
And spread those number..

Share the number as much as you can
ছড়িয়ে দিন ভালো থাকুন, সাবধানে থাকুন

01/01/2020

পাঁচ-ছ’বছর আগে এক বিদেশী কবি আমার সঙ্গে দেখা করতে নুহাশ পল্লীতে এসেছিলেন। স্কটল্যান্ডের মহিলা কবি, নাম এলেন কিংবা ইলিন। ভদ্রমহিলা হাসিখুশি স্বভাবের। বাংলাদেশ নিয়ে তার কৌতূহল অনেক।

আমাকে বললেন, আজ কি তোমাদের বিশেষ কোন উৎসব? রাস্তায় শত শত মানুষ। বাচ্চাদের হাতে বেলুন।

আমি বললাম, আজ আমাদের নববর্ষ উৎসব। আমরা নতুন বছর বরণ করছি।

তিনি বললেন, নববর্ষ হবে পহেলা জানুয়ারি। আজ তো পহেলা জানুয়ারি না।

আমি বললাম, জাতি হিসেবে আমাদের মধ্যে কিছু অদ্ভুত ব্যাপার আছে। আমরা বৎসরে তিনবার নববর্ষ পালন করি।

কী বলো তুমি! বৎসরে তিনবার নববর্ষ উৎসব?

আমি বললাম, হ্যাঁ। একটি কর্ম নববর্ষ। একটি মর্ম নববর্ষ। আরেকটি ধর্ম নববর্ষ। জানুয়ারির প্রথম তারিখ কর্ম নববর্ষ। অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ ইংরেজি তারিখে চলে। এক তারিখে বেতন দেওয়া হয়। ছুটির দিনও ইংরেজি তারিখে উল্লেখ করা হয়। কাজেই কর্ম নববর্ষ যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। এরপর আসে মর্ম নববর্ষ। বাংলা বছর শুরুর উৎসব। আবেগের উচ্ছ্বাসের উৎসব। এই উৎসব আগে গ্রামভিত্তিক ছিল। এখন আমরা শহুরে মানুষরাও তাতে যোগ দিচ্ছি। বাকি রইল ধর্ম নববর্ষ। হিজরি সনের নববর্ষ। যা নির্ধারিত হয় চান্দ্রমাসের হিসেবে। এই উৎসব বিশ্বাসনির্ভর। ধর্মপ্রাণ মুসলমান বর্ষ শুরুর দিনটিতে রোজা রাখেন। বিনম্র ভক্তিতে শুরু হয় নতুন একটি বছর।

কবি বললেন, ধর্ম নববর্ষ বুঝতে পারছি, কিন্তু কর্ম নববর্ষ এবং মর্ম নববর্ষের মৌলিক তফাৎটা কী?

আমি বললাম, দুটি উৎসবেই আমরা আনন্দ করি। এই অর্থে কোন তফাৎ নেই। কর্ম উৎসবে সাহেবি ধরনের আনন্দ করতে ইচ্ছা করে। যেমন পার্টি, বল নৃত্য, ডিসকো নৃত্য এবং গোপনে মদ্যপান। কারণ সাহেবরা এটা করেন। মর্ম নববর্ষে বাঙালি ধরনের আনন্দ করা হয়, ইলিশ মাছ, পান্তাভাত খাওয়া হয়। রবিঠাকুরের গান শোনা হয়। মর্ম নববর্ষে আমরা কোন প্রতিজ্ঞা করি না। কিন্তু কর্ম নববর্ষে প্রতিজ্ঞা করি। যেমন, সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দেব, আর জুয়া খেলব না ইত্যাদি।

মহিলা কবি ছোট্ট নিশ্বাস ফেলে বললেন, যে জাতি বৎসরে তিনবার নববর্ষ পালন করে সেই জাতি সবার চেয়ে আলাদা।

আমি বললাম, এই তথ্য আমরা জানি। বাঙালি জাতির মতো জাতি তোমরা কোথাও খুঁজে পাবে না। এই দেশের মতো দেশও কোথাও খুঁজে পাবে না। তোমার অবগতির জন্য জানাচ্ছি, আমাদের দেশকে আমরা বলি ‘পৃথিবীর সকল দেশের রানী।’

২০১০ সালের শুরুর দিনটিতে পুরনো একটি গল্প বলে ভালো লাগছে। নতুন কর্ম বৎসর আমাদের সবার জন্য মঙ্গল নিয়ে আসুক, এই শুভ কামনা।

------------------------ হুমায়ূন আহমেদ (বর্ষবরণ)

21/12/2019

তারিখঃ১৯/১২/২০১৯

20/08/2019

একজন পুরুষের শরীরের ওজনের প্রতি কেজিতে ৭৬ মিলি লিটার রক্ত থাকে এবং একজন মহিলার শরীরের ওজনের প্রতি কেজিতে ৬৬ মিলি লিটার রক্ত থাকে....
কিন্তু একজন মানুষের শরীরে প্রতি কেজিতে প্রয়োজন ৫০ মিলি লিটার রক্ত... তাহলে পুরুষের শরীরে রয়েছে প্রতি কেজিতে অতিরিক্ত (৭৬-৫০=) ২৬ মিলি লিটার রক্ত এবং মহিলার শরীরে রয়েছে প্রতি কেজিতে (৬৬-৫০=) ১৬ মিলি লিটার অতিরিক্ত রক্ত...
রক্তদান করলে এই অতিরিক্ত রক্ত থেকে
প্রতি কেজিতে ৮ মিলি লিটার রক্ত নেয়া হয়...
অর্থাৎ রক্তদানের পরেও পুরুষের শরীরে
অতিরিক্ত রক্ত থাকছে প্রতি কেজিতে
(২৬-৮= ) ১৮ মিলি লিটার রক্ত এবং মহিলার শরীরে (১৬-৮= ) ৮ মিলি লিটার রক্ত...
হ্যাঁ, অতিরিক্ত রক্ত...
মানে রক্তদানের পরেও ৫০ কেজি ওজনের
একজন পুরুষ রক্তদাতা এবং মহিলা রক্তদাতার শরীরে
যথাক্রমে থাকছে অতিরিক্ত (৫০ x ১৮ = ) ৯০০ মিলি লিটার রক্ত এবং (৫০ x ৮ = ) ৪০০ মিলি লিটার রক্ত...
সুতরাং রক্তদানের পর আপনি রক্তশূন্যতায় মরে যাবেন না কনফার্ম ।
কারন রক্তদানের পরেও প্রয়োজনীয় রক্তের থেকেও 'অনেক' বেশি পরিমান রক্ত আপনার শরীরে থাকছে...
অপর দিকে কিন্তু এই রক্ত টুকু না পেলে একজন মানুষ মারাও যেতে পারে ।
একজন পুরুষ ৫০ কেজি ও মহিলা ৪৭ কেজি ওজনের মানুষ দুশ্চিন্তামুক্ত ভাবে খুব সহজেই রক্তদান করতে পারেন...
রক্তদানের পর ২০ মিনিট বিশ্রাম নিবেন, পরবর্তী ২৪ ঘন্টা প্রচুর পরিমানে পানি খাবেন... ব্যাস, আর কিছু লাগবে না...

৫০ কেজি ওজন ও ১৮ বছর হওয়া সত্ত্বেও যারা এতদিন
ভয়ে রক্তদান করেননি, এবার নির্ভয়ে রক্তদান করে ফেলুন ।।।

#রক্ত_দিন_জীবন_বাঁচান

02/08/2019

"এই বুইড়া ব্যাটারে চিনেন?
চিনেন না মনে হয়। চিনায়ে দেই। ব্যাটা ছিল মিলিটারির হাবিলদার। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে চাকরি করতো। লোকটা মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার অপরাধে রাজাকাররা তার বৌরে রেইপ করার হুমকি দিছিল। লোকটা বাড়িতে আসার জন্য যুদ্ধের ময়দান থেইকা রওনা দিল। আইসা দেখলো তার বউ গলায় দড়ি দিসে। বাচ্চারা একজনও জিন্দা নাই। সেই যে লোকটা বাড়ি ছাইড়া গেল,দেশ স্বাধীন না কইরা সে বাড়ি আসে নাই। তারপর,লোকটা পাচ হাজার মুক্তির এক ফৌজ বানাইলো, বরিশাল, ঝালকাঠি, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরিয়তপুর আর বাগেরহাটে এরা যুদ্ধ কইরা বেড়াইতো। একদিন যুদ্ধের মধ্যে একটা বুলেট লোকটার গালের একপাশ দিয়া ঢুইকা আরেক দিক দিয়া বাইর হয়া গেল। আটটা দাত পইড়া গেল। দর দর কইরা রক্ত পড়তাসিলো। লোকটা যুদ্ধ থামায় নাই। ঐ যুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীরে হারায়া তারপর সে ব্লীডিংয়ের ঠ্যালায় বেহুশ হয়া গেসে।
কিন্তু হারে নাই। এই বুইড়ার নাম হেমায়েত উদ্দিন। বাংলাদেশের না খালি, গোটা মডার্ন মিলিটারি হিস্ট্রির অন্যতম গেরিলা লিজেন্ড। চিন্যা রাখেন। পাকিস্তানিগো গাইল দেয়ার সময় হয়তো কামে লাগবো না, তয় নিজের পরিচয় হাতড়াইতে গেলে কামে লাগতে পারে। এই লোকটা ঘুমায়ে গেসে।অনন্ত ঘুম। কোনো মঞ্চ শ্রদ্ধা করেনি তার নাম। এই মাটিতে এইরম আরো অনেক হেমায়েত ঘুমায়। এইটা হেমায়েতগো দেশ, কারো বাপের না, কারো জামাইয়েরও না।

বি.দ্র. মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন লেখায় হেমায়েত বাহিনীর কথা পড়েছি। এমন একজন মানুষ চলে গেলেন ,অথচ আমরা কতজনই বা জানতে পারলাম? কালকে এই পোস্টটা না দেখলে আমি নিজেও জানতাম না। আমরা খান হেলালদের মত বীরদের(!) চিনি, কিন্তু হেমায়েত উদ্দিনের মত মানুষদের শ্রদ্ধা জানাতে অক্ষম।"

@ ইলিয়াস হায়দার

সংগ্রহিত

Address

Bashaboo
Dhaka
1214

Telephone

+8801831434282

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ki Lagbe posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share