11/11/2023
‘ঠিলে ধুয়ে দে রে বউ গাছ কাটতি যাবো’ যশ খেঁজুরের রস আর গুড় ও পাটালি।
সেই খেঁজুরের রস, গুড় আর পাটালি, খেজুর বাগান এখন বিলুপ্তির পথে!
দেশি খেঁজুরের গুড়ের জন্য বিখ্যাত যশোর ও রাজশাহীর বিভিন্ন অঞ্চল । বিভিন্ন গ্রামে খেঁজুর রস জ্বালানীর জন্য অসংখ্য কারখানা ছিল। গুড়ের ভাড়ের খাবরা মাটির অনেকে গভীরে। সেই পুরানো ঐতিহ্য এখন বিলুপ্তের পথে। ছোট ছোট সোনামনিদের কাছে রুপকথা গল্পের মতো।
গ্রামের রাস্তার দুইধারের খেঁজুর গাছ ও অপরিকল্পিত ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা খেঁজর বাগান সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি শীত মৌসুমে অর্থের আয়ের অন্যতম উৎস ছিলো এই খেজুর গাছ । ধুম পড়ে যায় বাড়ীতে বাড়িতে শীতের পিঠা খাওয়ার মহাউৎসব। নতুন গুড়ের মৌ মৌ গন্ধে বাড়ির আঙিনায় মধুময় করে তোলো। বিশিষ্ট গাছ প্রেমিক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন খেঁজর বাগান একটি লাভজনক চাষ। গ্রাম এলাকার দুইধারে, পরিত্যক্ত জমিতে কিংবা পরিকল্পিত উপায়ে প্রতি বিঘা জমিতে ৫ ফুট বাই ৫ ফুট চারা রোপন করার মাধ্যমে ৩ বছরের মাথায় গিয়ে একজন খেঁজুর বাগান চাষী তাঁর প্রতিবিঘা জমি হতে প্রায় ৫০/৬০ হাজার টাকা গুড় বিক্রয় করে আয় করতে পারে।
খেঁজুরের গুড়ের হারানো অতীত ফিরে পেতে আমাদের সকলকে মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় হতে হবে।এবং চাষীদের নেজ্য মূল্য দিতে হবে।
বিশেষ করে খেজুর বাগান মালিকরা অভাবের তাড়নায় তারা খেজুর গাছগুলো বিক্রি করে। গাছ গুলি বেশি বিক্রি শীত মৌসুমে, এ গাছ সব ইট ভাটায় জালানির কাজে ব্যবহৃত হয়।
পুরনো ঐতিহ্য ফিরে পেতে খেজুর গাছ কাটা বন্ধ করার জরুরি ব্যবস্থা নিতে হবে।
আর অল্প কয়েকদিনের অপেক্ষা, ইনশাআল্লাহ বেস্ট কোয়ালিটি গুড় সরবরাহ করবো।