SS Abashon Ltd

SS Abashon Ltd Our company is working on 4 projects, Land, Housing, Fisheries, Agro.

বর্তমান জীবনযাপনে হাঁটার পরিমাণ কমে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। বরং দীর্ঘক্ষণ বসে থেকে কাজ করার প্রবণতাই বাড়ছে। এটি নিঃসন্দেহে আমা...
10/12/2019

বর্তমান জীবনযাপনে হাঁটার পরিমাণ কমে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। বরং দীর্ঘক্ষণ বসে থেকে কাজ করার প্রবণতাই বাড়ছে। এটি নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য ক্ষতিকর। কারণ সুস্থতার জন্য সবচেয়ে জরুরি বিষয়ের একটি হলো হাঁটা। প্রতিদিন আধঘণ্টা সময় অন্তত যদি হাঁটার জন্য আলাদা করে রেখে দেওয়া যায় তা হলে শারীরিকভাবে আপনি সুস্থ থাকবেন। বলা হয়, রোজ অন্তত দশ হাজার পা হাঁটা উচিত সব মানুষের। জেনে নিন হাঁটার ৫টি উপকারিতা-

হৃদযন্ত্র ভালো থাকে: আমাদের হৃদযন্ত্রও অজস্র মাসল দিয়ে তৈরি। শরীরের অন্য অঙ্গের পেশির মতো হার্টের মাসলের সুস্থ থাকার জন্যও নির্দিষ্ট কিছু ব্যায়ামের প্রয়োজন। হাঁটা খুব ভালো ব্যায়াম কারণ হাঁটলে আপনার হৃদযন্ত্রের গতি বাড়ে, ফলে হার্টকে বেশি রক্ত পাম্প করতে হয়। হাঁটার অভ্যাস হয়ে গেলে আপনি ক্রমশ জগিং, দৌড়ানো বা অন্য কার্ডিও ব্যায়াম করে দেখতে পারেন।

হাড়ের জয়েন্ট মজবুত হয়: হাড়ের জোড়ের জায়গাগুলো নমনীয় না হলে নানা সমস্যা হয়। ঠিকভাবে পা বা হাত ছড়াতে পারবেন না, জয়েন্টের স্থিতিস্থাপকতা ক্রমশ কমতে আরম্ভ করবে। এই পরিস্থিতি বেশিদূর যেতে দেবেন না, তা হলে একটা বয়সে সোজা হাঁটাই মুশকিল হয়ে পড়বে। হাড়ের স্থিতিস্থাপকতা কমার আগেই নিয়মিত হাঁটাচলা শুরু করুন।





হাড় শক্ত রাখে: নিয়মিত ব্যায়াম বোন মাস অটুট রাখে, বাড়ায় হাড়ের ডেনসিটি। হাড়ের ঘনত্ব যত বেশি হবে, তত কমবে আর্থরাইটিসের আশঙ্কা। হাড় শক্ত হলে তা ভাঙে কম। চোট লাগে কম। হাঁটলে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে, বাড়ে ফ্লেক্সিবিলিটি।

কোমরের ব্যথা কমে: যারা দীর্ঘ সময় একটা চেয়ারে সোজা বসে কাটান, তাদের কোমরের পেশির উপর বাড়তি চাপ পড়ে। সেজন্যই বলা হয়, কাজের ফাঁকে মাঝে মাঝে উঠে দাঁড়িয়ে একটু হাঁটাচলা করে নেওয়া উচিত। আর প্রত্যেকদিন যদি নিয়ম করে হাঁটার অভ্যাস তৈরি করেন, তাহলে সমস্যাটার অস্তিত্বই থাকবে না কিছুদিন পর।

স্ট্রেস কমায়: যদি আপনাকে প্রায়ই স্ট্রেসের মধ্যে থাকতে হয় তাহলে তো আজ থেকেই হাঁটার অভ্যাস তৈরি করা উচিত। স্ট্রেস দূর হবে।

হাইড্রোপনিক (Hydroponic) হলো মাটি ছাড়া পানিতে ফসল উৎপাদনের ( বিশেষ করে সবজি) চাষের আধুনিক পদ্ধতি। হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে ন...
09/12/2019

হাইড্রোপনিক (Hydroponic) হলো মাটি ছাড়া পানিতে ফসল উৎপাদনের ( বিশেষ করে সবজি) চাষের আধুনিক পদ্ধতি। হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে মাটির পরিবর্তে পানিতে গাছের প্রজনীয় খাবার সরবরাহ করে ফসল উৎপাদন করা যায়। উন্নত বিশ্বে মাটি ছাড়া বাণিজ্যিকভাবে সবজি চাষ বেশ জনপ্রিয়। মধ্য প্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মরুভূমিতে মাটি ছাড়া সবজি চাষ করে শত শত কোটি টাকা আয় হচ্ছে। বাংলাদেশে আগে এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে সবজি চাষ হয়নি। তবে বর্তমানে প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে মাটি ছাড়া সবজি চাষ। বিশেষ করে ঢাকার দোহারে এ ধরনের একটি সবজি খামারের সাফল্য সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে মিজানুর রহমান। আধুনিক প্রযুত্তি কাজে লাগিয়ে হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে শুধু পানি ব্যবহার করে উৎপাদন করা হচ্ছে নানা ধরনের দেশি-বিদেশি ফল ও শাক-সবজি। এই পদ্ধতিতে সারাবছর সবজি ও ফল উৎপাদন সম্ভব। এ পদ্ধতিতে উৎপাদিত সবজি ও ফলে কোন কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না। ফলে এসব সবজি পোকামাকড় বা কীটনাশকমুক্ত, স্বাস্থ্য ও মান সম্মত।

09/12/2019

হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদনের সুবিধা:

★মাটিবিহীন এ পদ্ধতিতে আবাদি জমির প্রয়োজন হয় না।
★হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে প্লাস্টিকের তৈরি চারকোনা বাক্সে পানি ব্যবহার করে বাসার ছাদ, বাড়ির আঙ্গিনা, বারান্দা এবং খোলা জায়গায় ফসল উৎপাদন করা যায়।★এই পদ্ধতিটি মাটিবিহীন চাষ পদ্ধতি হওয়ায় মাটিবাহিত রোগ ও কৃমিজনিত রোগ হয় না।
★নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে সারাবছর কিংবা অমৌসুমেও ফসল আবাদ করা যায়।
★এ পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে ফসল উৎপাদন করা হয় বিধায় কীটপতঙ্গের আক্রমণ কম হয়। ফলে এই পদ্ধতিতে বিষমুক্ত সবজি উৎপাদন করা সম্ভব।
★এই পদ্ধতিতে ছোট এবং বড় পরিসরে স্বাস্থ্যসম্মত এবং পরিচ্ছন্নভাবে ফসল উৎপাদন করা যায়।
★এ পদ্ধতিতে লাভজনক, অর্থকরী এবং মানসম্পন্ন ফসল উৎপাদন করা যায়।★মাটিবিহীন ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে এটি একটি পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি।
এ পদ্ধতিতে সবজি চাষের যে কোন পরামর্শের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুণ।

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষের সুবিধাসমূহ:* উচ্চ বায়োসিকিউরিটি: এই প্রযুক্তিতে যেহেতু উপকারী ব্যাকটেরিয়া (প্রোবায়োটিক ব্যাক...
24/11/2019

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষের সুবিধাসমূহ:

* উচ্চ বায়োসিকিউরিটি:
এই প্রযুক্তিতে যেহেতু উপকারী ব্যাকটেরিয়া (প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া) ব্যবহার করা হয় যা পানির গুণাগুণ বৃদ্ধি ও রোগ সৃষ্টিকারী ক্ষতিকর জীবাণু নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে পুরো সিস্টেমকে উচ্চ বায়োসিকিউরিটি প্রদান করে।
* অ্যামোনিয়া দূরীকরণ:
সিস্টেমে বিদ্যমান উপকারী ব্যাকটেরিয়া মাছ চাষের প্রধান নিয়ামক অ্যামোনিয়াকে মাছের দৈহিক বৃদ্ধির জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদান প্রোটিনে রূপান্তর করার মাধ্যমে সিস্টেমে ক্ষতিকর অ্যামোনিয়ার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে।
* মাছের বৃদ্ধি নিশ্চিতকরণ:
ট্যাংকের পানির গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণ, ক্ষতিকর রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু নিয়ন্ত্রণ, মাছের মলও উচ্ছিষ্ট খাদ্যকে মাছের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিনে রূপান্তরের মাধ্যমে মাছের বৃদ্ধি সুনিশ্চিত করে।
* উত্তম প্রোটিনের উৎস:
উপকারী ব্যাকটেরিয়া (প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া) এই সিস্টেমে বিদ্যমান ক্ষতিকর অ্যামোনিয়া ও বাইরে থেকে সরবরাহকৃত কার্বনকে ব্যবহার করে অণুজীব আমিষ তৈরি করে। তাছাড়া ডায়াটম, প্রোটোজোয়া, অ্যালজি, ফেকাল পিলেট, জীবদেহের ধ্বংসাবশেষ ইত্যাদির ব্যাকটেরিয়া ম্যাক্রো-এগ্রিগেট তৈরি করে যা মাছের উত্তম প্রোটিনের উৎস হিসেবে কাজ করে।
খাদ্য রূপান্তর হার (এফসিআর) হ্রাস করণ: মাছ চাষের ক্ষেত্রে খাদ্য রূপান্তরের হারের মান যত কম হবে মাছ চাষে মুনাফা তত বেশি হবে। এক্ষেত্রে বায়োফ্লক প্রযুক্তির সিস্টেমের উপকারী ব্যাকটেরিয়া মাছের অব্যবহৃত খাদ্য,মল-মূত্র থেকে নিঃসৃত অ্যামোনিয়াকে ব্যবহার করে অণুজীব প্রোটিন তৈরি করার ফলে বাহির থেকে প্রোটিন সমৃদ্ধ মাছের খাদ্য কম সরবরাহ করলেও হয়, তাই এ সিস্টেমের খাদ্য রূপান্তর হার (এফসিআর) অন্যান্য সিস্টেম থেকে কম হয়।
* স্বল্প খরচ ও অধিক লাভ:
আমরা জানি মাছ চাষের শতকরা ৬০ ভাগ খরচই খাবারের জন্য ব্যয় হয়। এই পদ্ধতিতে সিস্টেমের উপকারী ব্যাকটেরিয়া ট্যাংকেই অণুজীব প্রোটিন তৈরি করে তাই অন্যান্য সিস্টেমের চেয়েও খাদ্য কম লাগে ফলে চাষের খরচ কমে যায় এবং অধিক মুনাফা অর্জন সম্ভব হয়।
* সহজ চাষ পদ্ধতি:
এটি একটি সহজ চাষ পদ্ধতি। বাড়িতে যে কোন চাষি সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কারিগরি দক্ষতা অর্জন পূর্বক ৩০-৪০ টি ট্যাংকে সহজেই মাছ চাষ করতে পারবে।
খুব কম পানি পরিবর্তন: মাছ চাষের অন্যতম নিয়ামক অ্যামোনিয়া নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে উপকারী ব্যাকটেরিয়া পানির গুণাগুণ রক্ষা করে ফলে ট্যাংকের পানি খুব কম পরিবর্তন করলেই চলে।
জমি এবং পানির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ: এই সিস্টেমে ছোট ছোট ট্যাংকে অনেক মাছ উৎপাদন হয় এবং ট্যাংকের পানি ও খুব কম পরিবর্তন করতে হয় তাই অল্প জমি ও অল্প পানি ব্যবহার করে অধিক মাছ উৎপাদন সম্ভব হয়। যা জমি ও পানির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে।
পরিবেশবান্ধব একোয়াকালচার সিস্টেম: প্রকৃতিতে বিদ্যমান উপকারী ব্যাকটেরিয়া ব্যবহারের মাধ্যমে মাছ চাষ করা হচ্ছে। ফলে এই পদ্ধতিতে মাছ চাষে ব্যবহৃত বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ ও অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন নেই বললেই চলে। তাই এটি একটি পরিবেশবান্ধব মাছ চাষ পদ্ধতি।
* রোগের প্রাদুর্ভাব দূরীকরণ:
বায়োফ্লক সিস্টেমের উপকারী ব্যাকটেরিয়া মাছের জন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া সমূহের বৃদ্ধিকে বাধা প্রদান করে ফলে ঐসব ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ থেকে মাছ রক্ষা পাবে। যার ফলে মাছ চাষের সময় খামারকে রোগের প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষা করা সম্ভবপর হয়।

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ বলতে যা বুঝায়। বায়োফ্লক প্রযুক্তি মাছ চাষের একটি টেকসই এবং পরিবেশগত ভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ মাছ চাষ...
24/11/2019

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ বলতে যা বুঝায়।

বায়োফ্লক প্রযুক্তি মাছ চাষের একটি টেকসই এবং পরিবেশগত ভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ মাছ চাষ পদ্ধতি। বায়োফ্লক হল প্রোটিন সমৃদ্ধ জৈব পদার্থ এবং অণুজীব, যেমন- ডায়াটম, ব্যাকটেরিয়া, প্রোটোজোয়া, অ্যালজি, ফেকাল পিলেট, জীবদেহের ধ্বংসাবশেষ এবং অন্যান্য অমেরুদণ্ডী প্রাণী ইত্যাদির ম্যাক্রো-এগ্রিগেট। এটি এমন একটি একোয়াকালচার সিস্টেম যা কার্যকর ভাবে পুষ্টি উপাদানের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে খুব কম পানি পরিবর্তন বা একবারও পানি পরিবর্তন না করে। এই প্রযুক্তি পানিতে বিদ্যমান কার্বন ও নাইট্রোজেন এর সাম্যাবস্থা নিশ্চিত করে পানির গুণাগুণ বৃদ্ধি ও ক্ষতিকর রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু নিয়ন্ত্রণ করে। বায়োফ্লক প্রযুক্তির মূলনীতি হল ইহা হেটারোট্রপিক
ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে, পানিতে উচ্চ কার্বন-নাইট্রোজেন অনুপাত নিশ্চিত করার মাধ্যমে যা ক্ষতিকর অ্যামোনিয়াকে অণুজীব আমিষে রূপান্তর করে। এটি একটি পরিবেশ বান্ধব বিকল্প প্রযুক্তি যা ক্রমাগতভাবে পানিতে বিদ্যমান পুষ্টি উপাদানগুলোকে পুন: আবর্তন এর মাধ্যমে পুনঃ ব্যবহার নিশ্চিত করে। ট্যাংকের পানি খুব কম পরিবর্তন উক্ত ট্যাংকে বিদ্যমান অণুজীবের বৃদ্ধির সহায়ক হয় বলে এটি একটি টেকসই প্রযুক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে।

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষের ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে:*উপকারী ব্যাকটেরিয়ার উৎস: বায়োফ্লকপদ্ধতির গুরুত্বপূর্ণ...
22/11/2019

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষের ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে:

*উপকারী ব্যাকটেরিয়ার উৎস:
বায়োফ্লকপদ্ধতির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান উপকারী ব্যাকটেরিয়া যা মাছচাষের ফলে উৎপাদিত বর্জ্য কে প্রোটিন সমৃদ্ধ জৈব খাবারে তৈরি করে। তাই সঠিক উৎস হতে প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া সংগ্রহ করতে হবে।
*নিয়মিত পানির গুণাগুণ পরীক্ষা:
নিয়মিত ট্যাংকে সরবরাহকৃত পানির গুণাগুণ যেমন- অ্যামোনিয়া, নাইট্রেট, নাইট্রাইট, ফ্লকের ঘনত্ব ইত্যাদি পরিমাপ করতে হবে এবং এগুলো যদি সঠিক মাত্রায় না থাকে তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
*তাপমাত্রার হ্রাস বৃদ্ধি:
আমাদের দেশে দিনের বেলার তাপমাত্রা ও রাত্রের তাপমাত্রা সব সময় উঠানামা করে, যা ফ্লকের বৃদ্ধির জন্য উপযোগী নয়। তাই পর্যাপ্ত ফ্লকের বৃদ্ধির জন্য তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
*কারিগরি জ্ঞান সমৃদ্ধ জনবল:
বয়োফ্লকের মাধ্যমে মাছ চাষের ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত দক্ষ জনবলের প্রয়োজন। কারণ এই প্রযুক্তিতে যদি পানির গুণাগুণ পরীক্ষা, সঠিক মাত্রায় খাদ্য প্রয়োগ, ফ্লকের ঘনত্ব পরিমাপ ইত্যাদি বিষয়ে কারিগরি জ্ঞান না থাকে তাহলে চাষি যে কোন সময় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
*সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ:
বায়োফ্লক পদ্ধতিতে ট্যাংকে অধিক পরিমাণে মাছ রাখা হয়। তাই ট্যাংকে অক্সিজেন সরবরাহ করতে হয়। আর ট্যাংকে সব সময় অক্সিজেন সরবরাহ করার জন্য সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ লাগবে। তা না হলে ট্যাংকের অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে সব মাছ এক সাথে মারা যেতে পারে। সর্বোচ্চ এক ঘণ্টা ট্যাংকে অক্সিজেন সরবরাহ না করা হলে সব মাছ মারা যেতে পারে।

সবশেষে, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে অল্প জায়গায় অধিক পরিমাণে মাছ উৎপাদন সম্ভব। এই প্রযুক্তি যদি মাঠ পর্যায়ে সম্প্রসারণের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া যায় তাহলে আমাদের দেশের মাছের উৎপাদন অধিক পরিমাণে বৃদ্ধি করা সম্ভব। যা সরকারের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সচেষ্ট ভূমিকা পালন করবে। এ পদ্ধতিতে মাছ চাষের যে কোন পরামর্শের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুণ ।

প্রশিক্ষণ হচ্ছে একটি পরিকল্পিত কার্যক্রম। প্রশিক্ষণ গ্রহণের ফলে একজন ব্যক্তি প্রয়োজনীয় জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গীর পরিব...
22/11/2019

প্রশিক্ষণ হচ্ছে একটি পরিকল্পিত কার্যক্রম। প্রশিক্ষণ গ্রহণের ফলে একজন ব্যক্তি প্রয়োজনীয় জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন করতে পারে। প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য হচ্ছে কোন ব্যক্তির জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা এবং দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন সাধন করে নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর তার যোগ্যতার উন্নতি ও সমৃদ্ধি সাধন করা। তাই বয়োফ্লকের মাধ্যমে মাছ চাষের ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত দক্ষ জনবলের প্রয়োজন। কারণ এই প্রযুক্তিতে যদি পানির গুণাগুণ পরীক্ষা, সঠিক মাত্রায় খাদ্য প্রয়োগ, ফ্লকের ঘনত্ব পরিমাপ ইত্যাদি বিষয়ে কারিগরি জ্ঞান না থাকে তাহলে চাষি যে কোন সময় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ অত্যান্ত পরিবেশবান্ধব ও টেকসই। এই প্রযুক্তি ব্যবহার  করে অল্প জায়গায় অধিক পরিমাণে মাছ উৎপাদন স...
22/11/2019

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ অত্যান্ত পরিবেশবান্ধব ও টেকসই। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে অল্প জায়গায় অধিক পরিমাণে মাছ উৎপাদন সম্ভব। এই প্রযুক্তি যদি মাঠ পর্যায়ে সম্প্রসারণের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া যায় তাহলে আমাদের দেশের মাছের উৎপাদন অধিক পরিমাণে বৃদ্ধি করা সম্ভব। যা সরকারের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সচেষ্ট ভূমিকা পালন করবে। এ পদ্ধতিতে মাছ চাষের যে কোন পরামর্শের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুণ।

22/11/2019

Address

Dhaka
1206

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SS Abashon Ltd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share