31/10/2021
গ্রিন কফি। প্রথমে নামটা শুনে হয়ত খটকা লাগতে পারে, কিন্তু শুধুমাত্র কফিপ্রেমী নয় বরং হেলথ প্র্যাকটিশানারদের কাছে এই কফি সমানভাবে সমাদৃত। গ্রিন কফি আসলে অমিশ্রিত, রোস্ট না করা কফির দানা, যা কফি গাছ থেকে নিষ্কাশিত করা হয়। সাধারণ কফি এই সব প্রাকৃতিক দানার রোস্ট করা রূপ। গ্রিন কফির দানা এবং তার নিষ্কাশিত রূপের মধ্যে ক্যাফেইন ও ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড থাকে এবং এটা বিশ্বাস করা হয় যে এর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত উপকারিতা আছে। রোস্ট বা পোড়ালে সেই গুণগুলো বেরিয়ে যায়।
ওজন কমানোর উপাদান হিসেবে গ্রিন কফি খুব জনপ্রিয় এবং সাধারণ কফির তুলনায় অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। গ্রিন কফির দানা এবং তার নিষ্কাশিত রূপের মধ্যে ক্যাফেইন ও ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড থাকে এবং এটা বিশ্বাস করা হয় যে এর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত উপকারিতা আছে। রোস্ট বা পোড়ালে সেই গুণগুলো বেরিয়ে যায়।
গ্রিন কফির স্বাস্থ্য সংক্রান্ত উপকারিতা
১. রক্তচাপ কমায়
গ্রিন কফির ক্লোরেওজেনিক অ্যাসিড হাই ব্লাড প্রেশার কমিয়ে হৃৎপিণ্ডকে সঠিকভাবে কাজ করতে দেয় এবং আচমকা হওয়া সমস্যা থেকে সুরক্ষিত করে।
২. কর্মক্ষমতা এবং মেজাজের উন্নতি করে
গ্রিন কফির মধ্যের ক্যাফেইন প্রতিক্রিয়ার সময়, স্মৃতিশক্তি, সজাগ-সতর্কতার উন্নতির সাথে অবসন্ন হতে দেয় না।
৩. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস
গ্রিন কফির দানার নির্যাসের মধ্যে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা রক্ত ও লিভারকে ডিটক্সিফাই করে শরীরে ফ্রি র্যাডিকেলের প্রভাব কমিয়ে দেয়।
৪. ডায়াবেটিক কেয়ার
গ্রিন কফির দানার ক্লোরেওজেনিক অ্যাসিড গ্লুকোজ বেরনো কমিয়ে দেবার সাথে রক্তস্রোতে গ্লুকোজের ভারসাম্য বজায় রাখে। এটা এছাড়াও শরীরে অতিরিক্ত এনার্জি দেয় এবং হরমোনের কাজকে স্বাভাবিক রাখে।
৫. অতিরিক্ত কিছু ইঞ্চি কমায়
গ্রিন কফির ক্লোরেওজেনিক অ্যাসিড শরীরের ফ্যাট এবং সুগারের মেটাবোলিজমকে প্রভাবিত করে ওজন কমাতে সাহায্য করে। এটা এছাড়াও শরীরের কম পরিমাণ ফ্যাটের শোষণ করিয়ে ওজন কমায়।
গ্রিন কফি কি সুরক্ষিত?
গ্রিন কফি ও সাধারণ কফির একই ক্যাফেইন থাকে। পরিমিত পরিমাণে খেলে গ্রিন কফি সুরক্ষিত। সেটা যদি না হয়, তাহলে অতিরিক্ত ক্যাফেইন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বেশ কিছু ঝুঁকির সৃষ্টি করে।
অতিরিক্ত গ্রিন কফি যদি খান তাহলে:
দুশ্চিন্তায় ভুগবেন। অতিরিক্ত পরিমাণ ক্যাফেইন দুশ্চিন্তার সমস্যা আরও খারাপ করতে পারে।
বাওয়েল সিনড্রোম থাকলে গ্রিন কফি সমস্যা বাড়িয়ে দেয়।
গর্ভবতী হন কিংবা শিশুকে স্তন্যদুগ্ধ পান করান।
চোখের সমস্যা থাকলে, অতিরিক্ত গ্রিন কফি খেলে গ্লুকোমা হতে পারে।
হাড়ের দুর্বল গঠন হলে, গ্রিন কফি ইউরিনের মাধ্যমে ক্যালসিয়াম বের করে দিয়ে অস্টিওপোরেসিসের সমস্যা সৃষ্টি করে।
ইনসোমনিয়ার সমস্যা হয়।