Emotion Of Pure Marketing

Emotion Of Pure Marketing লোকেরা জানত এবং সাধারণত যে কোনও ধরণের সামগ্রী সাথে পরিচিত হয় যখন এটি তাদের পরিচিত

সামাজিক নেটওয়ার্কগুলিতে বিষয়বস্তু প্রকাশের লোকের সংখ্যা বিস্ময়কর হারে বাড়ছে। বাইরে দাঁড়ানোর অর্থ সমস্ত লোকের কাছে সমস্ত কিছু হওয়ার চেষ্টা না করা। নির্দিষ্ট কোনও কিছুর জন্য দাঁড়ান এবং আপনার বার্তা, সংযুক্তি, সংযোগ এবং সামগ্রী সহ সেই বিষয়ের গভীর দিকে মনোনিবেশ করুন।

১০টি স্মার্ট এবং সহজ ফেসবুক মার্কেটিং আইডিয়া ১. স্পেসিফিক অডিয়েন্স এবং এরিয়া টার্গেট করে অ্যাড ক্যাম্পেইন রান করুন। ২. শ...
18/05/2022

১০টি স্মার্ট এবং সহজ ফেসবুক মার্কেটিং আইডিয়া

১. স্পেসিফিক অডিয়েন্স এবং এরিয়া টার্গেট করে অ্যাড ক্যাম্পেইন রান করুন।
২. শর্ট ভিডিও তৈরী করে পোস্ট করুন।
৩. বিনোদনমূলক ও শিক্ষামূলক বিভিন্ন ছবি পোস্ট করুন।
৪. শুধুমাত্র আপনার বেস্ট কন্টেন্টগুলো প্রমোট করুন।
৫. বিভিন্ন উৎসব, প্রোগ্রামে সিম্পল কন্টেস্ট আয়োজনের মাধ্যমে এঙ্গেজমেন্ট বাড়ান।
৬. পুরাতন কাস্টমার অথবা ১/২টি পন্যের অধিক কেনাকাটায় ডিসকাউন্ট অফার দিন।
৭. আপনার বিজনেস অথবা কর্মীদের মজার মজার কাজের ছবি শেয়ার করুন।
৮. ফেসবুক ইমোজি ব্যবহার করুন। তবে খুব বেশি পোস্ট করবেন না।
৯. আপনার বিজনেসের প্রোডাক্টের কোয়ালিটি চেক, প্যাকেজিং, ডেলিভারী সিস্টেম এবং সমস্যাগুলো কিভাবে সমাধান করে থাকেন, সেসব গল্পের মতো করে শেয়ার করুন।
১০. নাম না জানিয়েই সারপ্রাইজ গিফট পাঠিয়ে দিন। ভিডিও অথবা লিখিত বার্তা নিয়ে স্টোরিটি শেয়ার করুন।

18/05/2022

Come back this page😊

15/09/2021

বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট কোম্পানির নামগুলো জানেন তো?
আপনার কাছে কোনটি ভালো বলে মনে এবং কেনো ভালো মনে হয়??

ছোট বিজনেস? সব সিদ্ধান্ত একাই নিচ্ছেন কি?আপনি যখন ছোট একটা ওয়েবসাইট অথবা ওয়েবসাইট ছাড়াই শুধু মাত্র ফেসবুক পেজ নিয়ে বিজনে...
09/09/2021

ছোট বিজনেস? সব সিদ্ধান্ত একাই নিচ্ছেন কি?

আপনি যখন ছোট একটা ওয়েবসাইট অথবা ওয়েবসাইট ছাড়াই শুধু মাত্র ফেসবুক পেজ নিয়ে বিজনেস শুরু করেন তখন ধরেই নেয়া যায় যে সেটা আপনি একা একাই করছেন খুব বেশি হলে দুইজন, কিন্তু কাজ তো অনেক, সিদ্ধান্তের ব্যাপারও থাকে অনেক।

কি করছেন এরকম অবস্থায়? সব সিদ্ধান্ত একাই নিচ্ছেন, নাকি আশেপাশের অভিজ্ঞদের পরামর্শ নিচ্ছেন , যা খুবই জরুরি। অভিজ্ঞদের পরামর্শ অনেকেই নিচ্ছে সেটা আমি জানি আবার অনেক ফেসবুক পেইজ, যারা নিয়মিত ফেসবুকে পেইড ক্যাম্পেইন চালায় তাদের পেজ দেখে মনে হয় তারা কারো কাছ থেকে পরামর্শ নিচ্ছে।

নিচে কিছু ব্যাপার পয়েন্ট আকারে তুলে ধরছি

আপনি বিজনেস শুরু করবেন নাম কেমন হবে

আপনি বিজনেস শুরু করবেন নাম কেমন হবে, নিজে নিজেই একটা নাম ঠিক করলেন, তারপর সেটাই ফাইনাল করে ফেল্লেন,অন্য কাউকে জিজ্ঞাসও করলেন না, বিজনেসের ক্ষেত্রে নাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাই সেটা ঠিক করার আগে আপনার এটা নিয়ে গবেষণা করা উচিৎ। দেখা গেলো নাম সুন্দর কিন্তু ডোমেইন খালি নেই, আপনি সেটা জানেনও না, নিজের ভালো লাগলো নাম দিয়ে ফেসবুক পেইজ খুললেন, যখন ওয়েবসাইট বানানোর প্রয়োজন হবে তখন এই নামে তো বানাতে পারবেন না, নামের আগে,পরে কিছু অ্যাড করতে হবে, যেটা খুব ভালো দেখায় না।

তাই আইটিতে অভিজ্ঞ একজনের কাছে আপনি যদি জানতে চান তাহলে সে আপনাকে পরামর্শ দিবে "ডোমেইন জেনারেটর" ধরনের ওয়েবসাইট থেকে নাম বাছাই করুন তাহলে ডোমেইনও খালি পাবেন।

লোগোর বানাবেন, সেটা কেমন হবে

একটা বিজনেসের পরিচিতির জন্য লোগো খুব গুরুত্বপূর্ণ, আপনি বিজনেস করছেন তার মানে এই না যে আপনাকে সব কিছু পারতে হবে, সব কিছু বুঝতে হবে, এটা সম্ভবও না, আপনি অভিজ্ঞ কাউকে লোগো বানাতে দিন, কিছু টাকা বেশি লাগুগ, লোগো তো দুই দিন পরপর পরিবর্তন করাও ঠিক না, অভিজ্ঞ কারো কাছ থেকে লোগো বানালে সে সুন্দর করে একটা লোগো বানিয়ে দিবে,এখানে দেখা যায় প্রফেশনাল একজন ডিজাইনার তার ক্রিয়েটিভিটি দিয়ে লোগো ডিজাইন করতে পারে না, যার লোগো, ব্র্যান্ড, আইডেন্টিটি ইত্যাদি সম্পর্কে কোন আইডিয়া নাই সেও বিভিন্ন রকম শর্ত জুড়ে দেয়, সেইভাবে ই ডিজাইনারকে লোগো তৈরি করতে হয়, মানে ক্লাইন্ট যা বলে তাই, তারও তো কোন উপায় নাই। এটা বলছি না যে লোগো ডিজাইনার যা করে আপনাকে সেটাই মানতে হবে, অবশ্যই আপনার মতামত থাকবে তবে যে ডিজাইন করছে তার কথাও শুনুন, তার যুক্তিও শুনুন এরপর দুইজন মিলে একটা সিধান্ত নিন। এটা শুধু লোগো ডিজাইনের ক্ষেত্রে না, সব রকম ডিজাইনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

আমি ব্যক্তিগত ভাবে এফ কমার্স এবং ই কমার্স সম্পর্কিত "পেইড কনসাল্টেন্সি" সহ বিভিন্ন সার্ভিস দিয়ে থাকি, আগ্রহী হলে E-Growth Consultancy এখানে যোগাযোগ করতে পারেন।

ফেসবুকে পেইড প্রোমশন করবেন, সেটা কেমন হবে

অনেকে নিজের বিজনেস নিজেই পেইজ প্রোমশন করে, বুস্ট পোস্ট থেকে বয়স, লিঙ্গ, লোকেশন দিয়ে একটা ক্যাম্পেইন চালু করে দেয়, এরপর কোন সেল পায় না, হতাশা তৈরি হয়, এখানে আমি বলবো নিজের অ্যাড নিজে দিতে চাইলে এটা আগে শিখে নেন, আমি বলছি না অ্যাড এজেন্সির কাছে যান, তবে নিজে শিখে নিতে হবে, আর অ্যাড এজিন্সির কাছে গেলে তাদের কথা শুনতে হবে, তারা আপনার পেইজ গবেষণা করে দেখলো আপনার জন্য ২০-৩৫ বছর টার্গেটিং ঠিক আছে। আপনি মনে করলেন তাহলে বাকিরা তো আমার অ্যাড দেখবে না, আমার লস, কিন্তু এখানে আপনার লজিকটা একদমই ভুল, যেহেতু আপনি ফেসবুক অ্যাড সিস্টেম জানেন না তাই এমন চিন্তা করেছেন, তাই অভিজ্ঞরা যেটা বলে সেটাকে গুরুত্ব দিন, অবশ্যই সাথে আপনার মতামত থাকবে, কাউকে দিয়ে অ্যাড যদি দেন তাকে বলে দিবেন আপনার প্রোডাক্ট এর প্রাইজ রেঞ্জ কত, কোন সব এলাকা থেকে অর্ডার বেশি আসে, তাদের বয়স কেমন থাকে তাহলে যে অ্যাড দিবে তার জন্য ও সহজ হয়ে যাবে ব্যাপার টা বুঝতে।

একটা অ্যাড এজেন্সি যদি বলে আপনি লিড জেনারেশন অ্যাড দেন, আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিসের সাথে এটা মানানসই, আপনি হয়তো লিড জেনারেশন অ্যাডের নামই শুনেন নাই, তাই বলে তাদের পরামর্শকে একদম না করে দিয়েন না, লিড জেনারেশন বলেছে, আপনার কাছে যদি মনে হয় এটা কাজ করবে না তাহলে তাদের কাছেও জেনে নেন তারা কিভাবে বলছে যে কাজ করবে, তারা তো এই সেক্টরে আপনার থেকে অভিজ্ঞ, তাদের সাথে কথা বললে আপনার ধারনা পাল্টে যেতেও পারে।

প্রোডাক্ট এর ফটোগ্রাফি করবেন কিভাবে করবেন

ফেসবুক ঘুরলেই প্রচুর প্রোডাক্ট দেখা যায়, যার যেমন ইচ্ছা ফটোগ্রাফি করছে, বিশেষ করে জামা কাপড়ের বিজনেসে, কিন্তু একটু চিন্তা করলেই আপনার ফটোগ্রাফি অনেক ভালো হতে পারে এবং যেটা খুবই জরুরি।

অনেকে বিছানার উপর, মেঝেতে রেখে আরো ইত্যাদি উপায়ে ফটোগ্রাফি করে থাকে, তাদেরকে বললে শুনতে পাওয়া যায় যে মডেল দিয়ে ফটোগ্রাফি করার মত বাজেট নেই, ফটোগ্রাফি স্টুডিও করার মত বাজেট নেই, আসলেই কি প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফি মডেল ছাড়া অচল?আসলেই কি ফটোগ্রাফি স্টুডিও করতে অনেক টাকা লাগে, আমার কিন্তু সেরকম মনে হয় না।

আপনি আপনার নিজের বাসার ওয়ালে একটা হাঙ্গারে জামা ঝুলিয়ে
খুব সুন্দর ফটোগ্রাফি করতে পারেন, প্রোডাক্ট যদি হয় ইলেক্ট্রনিক এক্সেসোরিস তাহলে টেবিলের উপর সাদা অথবা নরমাল একটা চাদর বিছিয়ে সুন্দর প্রফেশনাল লুকের ছবি তুলতে পারেন,গুগল থেকে কেন ডাউনলোড করতে যাচ্ছেন, কপিরাইট ধরে ফেললে আপনার পেজের ই ক্ষতি। এখন তো ফটোগ্রাফির জন্য অনেক কম দামে লাইট বক্স পাওয়া যাচ্ছে, বিভিন্ন সাইজে, আপনিও একদম অল্প টাকা খরচ করে বানিয়ে ও নিতে পারেন।

উপরে যে পয়েন্টগুলা বললাম সেগুলি আসলেই গুরুত্বপূর্ণ, আমি যেটা সব সময় বলার চেস্টা করি প্রোডাক্ট সেলের জন্য শুধু পেইড প্রমোশন করলেই হবে না, আরো ছোট ছোট কিছু জিনিস আপনাকে করতে হবে, উপরে যে ব্যাপারগুলা নিয়ে লেখার চেষ্টা করলাম সেগুলা কি খুব কঠিন মনে হচ্ছে, আমার মনে হয় না খুব কঠিন, এগুলা আপনার একটু ইচ্ছা থাকলে ই অ্যাপ্লাই করতে পারেন আর অ্যাপ্লাই করলে নিজেই আপনার বিজনেসের আগের এবং পরের পার্থক্য বুঝতে পারবেন।

07/11/2020
ফেসবুক অ্যাড দিতে এখন অনেকের সমস্যা হয়। আপনাদের সমস্যার কথা আমাদের জানাতে পারেন। আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব ইনশাআল্লাহ ।
06/11/2020

ফেসবুক অ্যাড দিতে এখন অনেকের সমস্যা হয়। আপনাদের সমস্যার কথা আমাদের জানাতে পারেন। আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব ইনশাআল্লাহ ।

05/11/2020

🔴ওয়াই ফাই রাউটার কেনার আগে যা জানা দরকার🔴
বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট মানুষের মৌলিক অধিকারে পরিণত হয়েছে। আগে বেশীরভাগ ব্যবহারকারী ডেস্কটপ কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করতেন। এখন ধীরে ধীরে ডেস্কটপ থেকে ল্যাপটপ কম্পিউটারের ব্যবহার বাড়তে থাকে। আজকাল মুঠোফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা হু হু করে বেড়ে চলেছে। সঙ্গে ইন্টারনেট টিভি, স্মার্টহোম যন্ত্রগুলো পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত থাকছে তারহীন ইন্টারনেটের মাধ্যমেই। আর এই তারহীন ইন্টারনেটের জন্য যে যন্ত্রটি জরুরি, সেটা ওয়াই-ফাই রাউটার। বাসায় কিংবা অফিসে একটা ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করতে রাউটার লাগবেই। বাজারেও আছে নানা দামের নানা মানের রাউটার। কিন্তু কার জন্য কেমন রাউটার প্রয়োজন—এটা জানা দরকার।

🟢কেন ওয়াই-ফাই রাউটার:
শুধু একটি মুঠোফোন বা ডিভাইসে ইন্টারনেট ব্যবহার করলে প্রয়োজন অনুযায়ী ইন্টারনেট প্যাকেজ চালু করে নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু ইন্টারনেট যদি একাধিক যন্ত্রে ব্যবহার করতে হয় তবে আর এক প্যাকেজ দিয়ে ব্যবহার সম্ভব নয়। প্রথমত মুঠোফোন বা ডেস্কটপে যুক্ত ইন্টারনেট সংযোগটি অন্য যন্ত্রগুলোর সঙ্গে ভাগাভাগি করার সুযোগ নেই। আরেকটি কারণ, মুঠোফোনের ইন্টারনেট প্যাকেজ তুলনামূলক ব্যয়সাপেক্ষ। একই খরচের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কিংবা ওয়াইম্যাক্স সংযোগে কয়েক গুণ বেশি গতির এবং বেশি ডেটা ভলিউমের প্যাকেজ ব্যবহার করা সম্ভব।

🟢কাজের ধরন বুঝে রাউটার কিনুন:
একটি ইন্টারনেট সংযোগ থেকে একাধিক ব্যবহারকারী এবং একাধিক মুঠোফোন ও কম্পিউটারে ব্যবহার করার উপায় হলো সে সংযোগের সঙ্গে একটি ওয়াই-ফাই রাউটার যুক্ত করে নেওয়া। বাজারে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের বিভিন্ন ধরনের রাউটার আছে। কাজের ধরন অনুয়ায়ী বেছে নিতে হবে আপনার রাউটার। অতি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সর্বাধুনিক প্রযুক্তির রাউটার যে কিনতেই হবে এমন নয়। বরং রাউটার কী ধরনের কাজের জন্য ব্যবহার করা হবে, তার ওপর নির্ভর করেই নির্বাচন করা উচিত।

🟡মাথায় রাখুন রাউটারের ব্যান্ড:
সিঙ্গেল, ডুয়েল এবং ট্রাই ব্যান্ড রাউটার হয়ে থাকে। সহজভাবে বলতে গেলে যে কয়েকটি ব্যান্ড থাকে রাউটারে ওই সংখ্যক নেটওয়ার্ক পাওয়া যাবে। সিঙ্গেল ব্যান্ড রাউটারগুলোর ব্যবহার বেশি। এতে ২.৪ গিগাহার্টজের একটি নেটওয়ার্ক থাকে। ডুয়েল ব্যান্ডে ২.৪ গিগাহার্টজের পাশাপাশি ৫ গিগাহার্টজের আরও একটি নেটওয়ার্ক থাকে। ৫ গিগাহার্টজের নেটওয়ার্ক উচ্চগতিতে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। কিন্তু এই উচ্চগতির কারণেই দেয়াল বা বড় কিছু অতিক্রম করে সিগন্যাল পাওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে যায়।
ট্রাই-ব্যান্ডের রাউটারে একটি ২.৪ গিগাহার্টজের এবং দুটি ৫ গিগাহার্টজের নেটওয়ার্ক থাকে। একাধিক নেটওয়ার্ক থাকার উদ্দেশ্য হলো উচ্চগতির যন্ত্র এবং তুলনামূলক কম গতির যন্ত্রগুলো যেন কোনো ধরনের সমস্যা ছাড়া তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।
আপনি যদি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের গতি নিয়ে ভাবনায় থাকেন এবং একই সঙ্গে রাউটার থেকে ১০টির বেশি যন্ত্রে ব্যবহার করতে চান, তবেই কেবল ট্রাই-ব্যান্ড রাউটার কিনতে পারেন। বাসা বা ছোট অফিসের সাধারণ কাজে ব্যবহারের জন্য ২.৪ গিগাহার্টজের রাউটারই যথেষ্ট।

🟡ওয়্যারলেস মান জেনে নিন (AC1200 এর নিচে না যাওয়া ভাল):
AC1200, AC1900 or এমনকি AC5400 -এর মতো বেশ কয়েকটি ওয়্যারলেস মান রয়েছে। যদি আপনি দেখেন যে রাউটারটি AC750, AC900 বা অন্যকিছু যা AC1200 থেকে কম, এর মানে রাউটারটি পুরাতন টেকনোলজির, পুরাতন টেকনোলজির রাউটারটি আধুনিক স্মার্ট হোম যেখানে আপনার দরকার স্পীড, স্থায়িত্ব, এবং সিকিউরিটি অনেকগুলো ডিভাইস কানেক্টেড থাকার জন্য।

🟡MU-MIMO বা 802.11ac Wave 2 সাপোর্টেড:
MU-MIMO, Multi-User MIMO বা Multi-User Multiple Input Multiple Output হল একাধিক ওয়ারলেস ক্লায়েন্টকে একই সাথে ট্রান্সমিট করা বা নেটওয়ার্ক ক্লায়েন্টকে ডাটা ট্রান্সফার করা।

🟡প্রসেসর (সিঙ্গেল কোর ৮০০MHz) ও র‌্যাম (১২৮MB এর নিচে না যাওয়া ভাল):
আপনার রাউটারটি কি সিঙ্গেল কোর নাকি ডুয়েল কোর নাকি কোয়াড কোর তা দেখে নিবেন। স্বভাবতই ডুয়েল কোর এবং কোয়াড কোর রাউটার সিঙ্গেল কোর থেকে বেশি ডিভাইস কানেক্টেড রাখতে পারে।
আপনার রাউটারটি কত দ্রুত কাজ করবে তা প্রসেসরের সাথে সাথে র‌্যামের উপরও নির্ভর করে। টাকার সমস্যা না হলে র‌্যাম ২৫৬MB বা এর বেশি নিবেন।

🟡ক্লাউড সাপোর্ট অ্যাপ:
আপনি বাসার বাইরে থেকেও রাউটার কন্ট্রোল করতে পারবেন।

🟡ইউএসবি কানেকশন (USB 3.0 হলে ভাল):
রাউটারে আপনি সহজেই ইউএসবি স্টোরেজ ডিভাইস কানেক্ট করতে পারবেন।

🟡অ্যাডভান্স ফিচার (যেমনঃ QoS, Smart Connect, and Beamforming):
QoS or Quality of Service হল এমন একটি টুল যার দ্বারা আলাদা আলাদা ডিভাইসে ম্যানুয়ালি স্পীড সেট করা যায়।
Smart Connect হল এমন একটি টুল যার দ্বারা ২.৫GHz ব্যান্ডে ও ৫GHz ব্যান্ডে আলাদা আলাদা নেটওয়ার্ক নাম ব্যাবহার না করে, ২.৫GHz ব্যান্ডে ও ৫GHz ব্যান্ডে দুটোতেই একই নেটওয়ার্ক নাম ব্যাবহার করে। Smart Connect ডিভাইস অনুযায়ী প্রত্যেক ডিভাইসের সক্ষমতা অনুযায়ী ব্যান্ড প্রদান করে কানেক্টে করে।
Beamforming (802.11ac standard এর অন্তর্ভুক্ত) হল এমন একটি টুল যার দ্বারা রাউটারের ওয়্যারলেস সিগন্যাল সব ডিরেকশনে ফোকাস না করে ডিভাইসের এরিয়াতে ফোকাস করে।

🟡ভিপিএন সাপোর্ট:
মনে করুন আপনার বাসা মিরপুরে। আপনার বাসায় প্রাইভেট আইপি তে আপনি ফাইল সার্ভার হোস্ট করেছেন এখন আপনি চাচ্ছেন আপনার সার্ভারটি আপনার বন্ধু গুলশান থেকে এক্সেস করুক। সাধারনত এটি সম্ভব না। কিন্তু ভিপিএন সাপোর্টেড রাউটার দিয়ে এই কাজটি করা সম্ভব।

🟡পোর্টাবিলিটিঃ
কিছু রাউটার আছে যেগুলো মোবাইলের সিম ব্যবহার করা যায়। ডিভাইসে একটা ব্যটারি থাকে যেটা চার্জ দিয়ে বাসার বাইরে রাউটার ব্যবহার করা যায়।
রাউটার ব্যবহারে যা জানতে হবেঃ
✅ রাউটারের ওয়াই-ফাই সক্রিয় করার সময় ডিফল্ট নেটওয়ার্ক হিসেবে ওই রাউটারের নাম উল্লেখ থাকে এবং পাসওয়ার্ডও রাউটারে নিচের দিকে একটি স্টিকারে লেখা থাকে। প্রয়োজনে ব্যবহারের নির্দেশিকা দেখে পদ্ধতিটি জেনে নেওয়া যেতে পারে।
✅ প্রথমবার রাউটার সংযুক্ত করে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের নাম পরিবর্তন করে নেওয়া উচিত। পাশাপাশি নেটওয়ার্কের পাসওয়ার্ডও ব্যবহার করা উচিত। পাসওয়ার্ড দেওয়া না থাকলে যে কেউই রাউটারে যুক্ত হতে পারবে। ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য এমন অবস্থা কখনোই রাখা উচিত নয়।
✅ রাউটারের পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে সেটি রিসেট বা পুনরায় নির্ধারণ করে নেওয়া যায়। সাধারণত রাউটারের পাশে একটি বোতাম চেপেই এই কাজটি করা যায়।
✅ রাউটার সাধারণত বাসার মাঝামাঝি স্থানে রাখা উচিত। এর ফলে অন্যান্য ঘর থেকে সহজে রাউটারের ওয়াই-ফাই সংযোগের সঙ্গে যুক্ত হওয়া যাবে।
✅ কত বড় জায়গায় ওয়াই-ফাই সংযোগ দিতে চান, তার ওপর নির্ভর করে রাউটার পছন্দ করুন।
✅ রাউটারে একই সঙ্গে একাধিক লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক সংযোগ যুক্ত করা হয়। অধিকসংখ্যক ল্যান সংযোগ যুক্ত করতে হলে রাউটার কেনার সময় সেটি দেখে নেওয়া উচিত।

তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট
Copied From: BD Broadband Users Community

10/10/2020

আপনি যদি আপনার ব্যবসা কে প্রফুল্ল করতে চান,তাহলে আপনাকে আগে মার্কেটিং স্ট্রাটিজি সম্পর্কে বুজতে হবে। কারন আপনি যে পণ্য নিয়ে কাজ করছেন সেই পণ্য সম্পর্কে আপনার ভাল ধারনা থাকতে হবে। তাছাড়া আপনি আপনার পণ্য বিক্রি করতে পারবেন নাহ।আপনি কি পণ্য নিয়ে কাজ করছেন বা করেন আমাদের জানাতে পারেন,আমরা আপনাকে আপনার সহযোগিতা করতে চাই।

09/10/2020

কিভাবে আপনার পেজের অরগানিক অথবা ফ্রি রিচ বাড়াবেন। দারুন কিছু টিপস

কিভাবে আপনার পেজের অরগানিক রিচ বাড়াবেন সেটা জানার আগে একটু জেনে আসি কি কি এভোয়েড করবেন আপনি

সব প্রোমোশনাল পোস্ট দিয়েন না
কিছু সোশ্যাল পোস্ট করেন, দেশি বিদেশি বিখ্যাত মারকেটার বলে ৮০-২০ রুলস ফলো করার জন্য, যদি ২০% সেল পোস্ট করি তাহলে বাকি ৮০% পোস্ট হবে সোশ্যাল পোস্ট।

নকল লাইক কিনবেন না
৫ ডলারে ৫০০০ লাইকের অনেক অফার দেখা যায় ফেসবুকে, সেই লাইকগুলা কিনলে আপনার পেজের লাভের থেকে ক্ষতি ই বেশি হবে। কি ক্ষতি হবে? যে সব লাইক কিনেছেন তারা তো আপনার পেজে ও যাবে না আর এঙ্গেজমেন্ট কম থাকবে কিন্তু পেজের লাইক বেশি, সেটা কি ফেসবুকের পক্ষে ধরা খুব কঠিন?

এখন আসি কিভাবে আপনার পেজের পোস্টের অরগানিক অথবা ফ্রি রিচ বাড়াতে পারেন আপনি।

আপনার উপস্থিতি এবং অথোরিটি তুলে ধরেন
আপনি হয়তো চিন্তা করছেন "আমার পেজের লাইক আসছে কিন্তু রিচ কমছে কেন? তাহলে এখানে আরো চিন্তা করতে হবে আপনার, চিন্তা করতে হবে এটা কেন হচ্ছে? এটা তখন ই হয় যখন আপনি কোন ব্র্যান্ড অথোরিটি তৈরি করতে পারেন না। আপনার ভ্যালু তৈরি করতে পারেন না।
মনে রাখবেন পেজের কোয়ালিটি মানেই পেজ লাইক না। অনেকে ১০ হাজার লাইকের একটা পোস্টে ২০০ লাইক পেতে পারে কিন্তু অনেকে আবার ১০ লাখ পেজের লাইকে ১০টা লাইকও পায় না, মনে হয় বুঝতে পারছেন ব্যাপারগুলা।
তাই বিভিন্ন সোশ্যাল পোস্টের মাধ্যমে আপনার ফলোয়ারদের উপকার করুন, আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা তুলে ধরুন, প্রমান করুন আপনি আছেন, কেউ অর্ডার করলে প্রোডাক্ট না দিয়ে ভেগে যাবেন না।

পেজের লাইকের অ্যাড অনেক বেশি টার্গেট করে তৈরি করেন
- আপনাকে এই ক্ষেত্রে কুয়ালিটি নির্ভর হতে হবে কুয়ান্টিটি থেকে, কিছুক্ষণ আগেই একটা উদাহারন দিয়েছি এটার উপর, তাই আপনার প্রোডাক্ট এনালাইসিস করে আপনার ক্রেতা কারা হতে পারে সেটা ভালো করে বুঝে সেই অনুযায়ী পেজের লাইক আনুন। আর আপনার পেজের পোস্টে যারা লাইক দিয়েছে অনেকেই আছে যারা আপনার পেজে লাইক দেয়া নেই, তাদেরকে আপনার পেজের লাইকের জন্য ইনভাইট করুন, কাজে আসবে।

আপনার প্রতিযোগীরা যখন ঘুমায় তখন পোস্ট করুন

টাইমের ব্যাপারে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা আসলেই কঠিন, এটা নির্ভর করে, কিন্তু কিছু জিনিস আপনি মাইন্ডে রেখে দেন
- আপনার লোকেশন এবং সেখানকার অডিয়েন্স
- আপনার অডিয়েন্স প্রোফাইল (বয়স, ইন্টারেস্ট, পেশা ইত্যাদি)
- কি ধরনের কন্টেন্ট আপনি বানাচ্ছেন
- শিডিউল পোস্টের অপশন টা আপনাকে হেল্প করতে পারে
Coschedule বলছে দুপুর ১টা থেকে ৪টা পর্যন্ত পোস্টে ভালো রেস্পন্স পাওয়া যায়। তারা আবার দিন ভাগ করেও কিছু সময় বলেছে যেমন
শনিবার এবং রবিবার - দুপুর ১২টা থেকে ১টা
বৃহস্পতিবার আর শুক্রবার দুপুর ১টা থেকে ৪টা
বুধবারে ৩টা

আপনার অডিয়েন্স ইন্সাইট থেকে দেখে নিবেন আপনার কোন পোস্ট কবে এবং কখন বেশি রিচ পায়, রেস্পন্স ভালো থাকে।

বিভিন্ন সংখায় পোস্ট দিয়ে পরীক্ষা করুন
কেউ কেউ আছে দিনে ২০টা ২৫টা পোস্ট করে যেটা একদম ই উচিৎ না, তার ফলে রিচ এবং এঙ্গেজমেন্ট কমে যায়, একটা বেসিক নিয়ম আছে সেটা হচ্ছে দিনে ১ টা থেকে ৩টা পোস্ট করেন, তবে নিয়ম মাঝে মাঝে ভাঙ্গা ও লাগে, তাই বিভিন্ন ভাবে দেখুন কোনটা কাজ করে, টাইম সম্পর্কে এবং কখন আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস সম্পর্কিত মানুষ অনলাইনে বেশি থাকতে পারে সেটা আন্দাজ করতে হবে আপনার সাথে পেজ ইনসাইট তো আছেই। আরেকটা কথা পেজের পোস্ট বেশি দিতে গিয়ে পোস্টের মান খারাপ না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন।

অন্য পেজের সাথে পার্টনার হয়ে কাজ করুন
আপনি শুধু শাড়ি বিক্রি করেন, আরেকজন করে জুতা, আপনারা কিন্তু কম্পিটিটর না তবে এক ই লাইনের, তাই আপনারা একে অপরের পোস্ট শেয়ার করতে পারেন, তাদের ট্যাগ করতে পারেন, এখানে দুই পক্ষের ই লাভ, এটা আমাদের দেশে কেন এত কম দেখা যায় আমি জানি না তবে এটা করা উচিৎ, আর আপনার পেজের লাইক ১ হাজার, কোম্পানি ও নতুন তাই তাদের সাথেই যোগাযোগ করেন যারা আপনার মত ই নতুন, একদম নতুনদের সাথে হয়তো অনেক বড় ব্র্যান্ড কাজ করবে না।

©Ariful Islam

Address

Mirpur
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Emotion Of Pure Marketing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share