18/05/2024
ভারতীয় ভিসা আবেদন ফরম পূরণ
ঢাকায় ভিসা আবেদন করলে আবেদন ফরম জমা দেওয়ার ডেটসহ সর্বোচ্চ এক দেড় মাস পর পাসপোর্ট ফেরত পাওয়া যাচ্ছে। চট্টগ্রামে ভিসা আবেদন করলে জমা দেওয়ার ডেটসহ পাসপোর্ট ফেরত পেতে তিন থেকে চার মাস লাগছে।
প্রথম কাজ হচ্ছে ভিসা আবেদন করা। তারপর ফাইল সাজিয়ে নির্দিষ্ট ডেটে গিয়ে আবেদন জমা দেওয়া। সেক্ষেত্রে আবেদন করার পর কি কি ডকুমেন্ট জমা দিতে হবে তালিকা কমেন্ট বক্সে দিয়ে দিচ্ছি।
অনেকেই নিজে নিজে ভিসা আবেদন করতে গিয়ে বুঝতে পারেন না কোন তথ্য কিভাবে দিবেন। আবেদনে ভুল হওয়ার কারণে ভিসা পেতে ২/৩ মাস অপেক্ষা করেও ভিসা পান না।
আমি এইক্ষেত্রে আপনাদের ভিসা আবেদন ফরম সঠিকভাবে পূরণ করে দিতে পারি।
শুধু ভিসা আবেদন পূরণ : ৩00 টাকা
ফিসহ ভিসা আবেদন পূরণ : ১৩০০ টাকা
যা যা লাগবে
১। আপনার পাসপোর্ট এর ঠিকানার পেইজ ও আপনার ছবি সম্বলিত পেইজের ছবি
২। ২*২ সাইজের ছবি। ছবির পেছনের অংশ হবে সাদা। ছবি তোলার সময় সাদা জামা, সাদা টুপি ও চশমা পরা যাবে না।
৩। বর্তমান ঠিকানার বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, ইন্টারনেট লাইন এরকম যে কোনো একটি বিলের ছবি।
৪। কোন পেশায় কর্মরত আছেন সেই তথ্য। পদবী, অফিসের নাম ও ঠিকানা, ফোন নাম্বার।
স্টুডেন্ট হলে সর্বশেষ ডিগ্রীর নাম বললে হবে।
৫। মেডিকেল ভিসা হলে বাংলাদেশে ও ভারতে যেসব হাসপাতাল ও ডাক্তারের কাছে গেছেন/যাবেন তাদের নাম ও ঠিকানা
৬। কোন পোর্ট দিয়ে যেতে চান সেই তথ্য
৭। আপনার ইমেইল এড্রেস
৮। বাংলাদেশ ও কলকাতায় আপনার রেফারেন্স হিসেবে দুজন মানুষের নাম, ঠিকানা ও ফোন নাম্বার ও ইমেইল (কলকাতারটা না থাকলেও সমস্যা নেই)
৯। বিবাহিত হলে কাবিননামা/ম্যারেজ সার্টিফিকেটের ফটোকপি
১০। ভারতের সর্বশেষ কোন ভিসা থাকলে সেটির ছবি
১১। পূর্বে ভারতে কোথায় কোথায় ভ্রমণ করেছেন
এই তথ্যগুলো 01912327503 হোয়াটসএপে দিলেই ভিসা আবেদন পূরণ করে দিব। তারপর পেমেন্ট করলে আবেদনটি মেইলে/হোয়াটসএপে পাঠিয়ে দেব।
হোয়াটসএপ : 01912327503
আবেদন জমা দিতে যেসব কাগজপত্র নিতে হবে
যে ডেইটে হাইকমিশনের আবেদন ফরম জমা দিতে চান সেদিনই এসব কাগজপত্র নিয়ে গেলে হবে। আবেদন ফরম পূরণ করার জন্যে এসব কাগজপত্রের দরকার নেই।
১। মূল পাসপোর্ট থাকতে হবে যেটার মেয়াদ আবেদন করার তারিখ থেকে সর্বনিন্ম ছয় মাস থাকবে। পাসপোর্টে যদি অন্তত দুটি সাদা(খালি পৃষ্টা) পাতা না থাকে তাহলে আবেদন করতে পারবেন না। যদি পুরোনো পাসপোর্ট থাকে সেগুলোও জমা দিতে হবে।
২। সদ্য তোলা ২x২ (৩৫০x৩৫০ পিক্সেল) সাইজের রঙিন ছবি লাগবে। ছবির পেছনেরর অংশ হবে সাদা।
ছবি তোলার সময় সাদা জামা, সাদা টুপি ও চশমা পরা যাবে না।
৩। আবাসস্থলের প্রমাণপত্র: বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, ইন্টারনেট লাইন যে কোন একটির বিলের ফটোকপি। বিল অবশ্যই গত তিন মাসের মধ্যে পেইড করা হয়েছে এরকম হতে হবে। বকেয়া বিলের কপি দিলে হবে না।
আপনি বর্তমানে যে ঠিকানায় আছেন সেটাই ফরমে লিখবেন। সেই ঠিকানার বিলই জমা দিবেন।
৪। পেশার প্রমাণপত্র : যদি আপনি চাকরি করে থাকেন তাহলে অফিস থেকে NOC লাগবে যেটাতে লেখা থাকবে আপনি ওই অফিসে চাকরি করেন। আপনার পাসপোর্ট নাম্বার এত। যদি আপনি ঘুরতে বা ডাক্তার দেখাতে ভারতে যেতে চান তাহলে অফিসের আপত্তি নেই।
সাথে অফিসের আইডি কার্ডও নিয়ে যাবেন ফটোকপি করে।
আর যদি শিক্ষার্থী হোন তাহলে আইডি কার্ডের ফটোকপি দিতে হবে। অবশ্যই দেখতে হবে সেই আইডি কার্ডের মেয়াদ আছে কিনা। আর ব্যক্তি অবসরপ্রাপ্ত হলে রিটায়ারমেন্টের ডকুমেন্টের ফটোকপি আর যদি ব্যবসায়ী হোন তাহলে বাণিজ্য সনদ জমা দিতে হবে।
৬। আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণপত্র: ১৫০ ডলার কোন ব্যাংক থেকে কিনতে হবে বা এনডোর্সমেন্ট করতে হবে। অথবা ক্রেডিট কার্ডও সেই টাকা নিয়ে পাসপোর্টে এনডোর্সমেন্ট এর সিল দিলে হবে। আর যদি ব্যাংক একাউন্ট থাকে সেটাতে নিয়মিত লেনদেন থাকলে সর্বশেষ ২২/২৩ হাজার রেখে সর্বশেষ ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট নিতে হবে।
এখানে যে কোন একটা করলে হবে। হয় সরকারী ব্যংকে গিয়ে ১৫০ ডলার কিনবেন। না হলে ক্রেডিট কার্ডে বা ডুয়াল কারেন্সিতে ১৫০ ডলার এন্ডোর্সমেন্ট করবেন। না হলে ব্যাংকে ২২/২৩ হাজার রেখে স্টেটমেন্ট দিলেও হবে।
আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এনডোর্সমেন্ট বা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড অথবা সর্বশেষ ৩ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্টের অনুলিপি দিতে হবে।
৭। জন্মনিবন্ধন বা এনআইডি : যে ডকুমেন্ট দিয়ে পাসপোর্ট করেছেন সেটার ফটোকপি জমা দিতে হবে।
৮। অনলাইনে পূরণ করা এপ্লিকেশন ফরম
৯। পেমেন্ট স্লিপ
১০। বিবাহিত হলে কাবিননামা/ম্যারেজ সার্টিফিকেটের ফটোকপি
মেডিকেল ভিসা লাগলে কি করবেন
১। বাংলাদেশে সর্বশেষ যে ডাক্তার দেখিয়েছেন তার প্রেসক্রিপশনের ফটোকপি দিবেন
২। বাংলাদেশে সর্বশেষ যে কোন একটা টেস্টের ফটোকপি
৩। অনলাইনে ভারতীয় যে কোন ডাক্তারের নেওয়া এপয়েন্টমেন্ট। হোয়াটসঅ্যাপে বা ওয়েবসাইটে নক করে এপয়েন্টমন্টে নেওয়া যাবে।