EGP Tender Learning Center ইজিপি টেন্ডার লার্নিং সেন্টার

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • EGP Tender Learning Center ইজিপি টেন্ডার লার্নিং সেন্টার

EGP Tender Learning Center  ইজিপি টেন্ডার লার্নিং সেন্টার National e-Government Procurement (e-GP) National e-Government Procurement (egp)

বিপিপিএ-এর ১৭টি ক্রয় প্রক্রিয়া-উত্তর পুনরীক্ষণ বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্নবাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) ২০২৪-...
24/05/2026

বিপিপিএ-এর ১৭টি ক্রয় প্রক্রিয়া-উত্তর পুনরীক্ষণ বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন

বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) ২০২৪-২০২৫ এবং ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ১৭টি সরকারি সংস্থার আওতায় সম্পাদিত চুক্তিসমূহের ক্রয় প্রক্রিয়া-উত্তর পুনরীক্ষণ সংক্রান্ত ১৭টি জাতীয় কর্মশালা সফলভাবে সম্পন্ন করেছে।
কর্মশালার ধারাবাহিক আয়োজন শুরু হয় ১৪ মে, ২০২৬ এবং শেষ হয় ২৪ মে, ২০২৬ তারিখে। কর্মশালাগুলোতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)-এর সচিব জনাব সিরাজুন নূর চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন বিপিপিএ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) জনাব এস. এম. মঈন উদ্দীন আহম্মেদ।
যেসব সংস্থায় ক্রয় প্রক্রিয়া-উত্তর পুনরীক্ষণ পরিচালনা করা হয়েছে সেগুলো হলো বাংলাদেশ পুলিশ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি), বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি), ঢাকা ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যুয়ারেজ অথরিটি (ঢাকা ওয়াসা), মৎস্য অধিদপ্তর, খাদ্য অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।
ক্রয় প্রক্রিয়া-উত্তর পুনরীক্ষণ পরিচালনার জন্য বিপিপিএ ১৭ জন ব্যক্তি পরামর্শক নিয়োগ করে। প্রত্যেক পরামর্শক সংশ্লিষ্ট সংস্থার ২৫টি করে চুক্তি পর্যালোচনা করে খসড়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। এসব প্রতিবেদনের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ বিপিপিএ-এর সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জাতীয় কর্মশালাগুলোতে উপস্থাপন করা হয়।
আইএমইডি সচিব বলেন, সরকারি বিভিন্ন ক্রয়কারী সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ক্রয় কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ক্রয় প্রক্রিয়া-উত্তর পুনরীক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ-সব পুনরীক্ষণ প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে তাদের কার্যক্রম আরও উন্নত করার সুযোগ করে দেয়। একই সঙ্গে, এ-সব প্রতিবেদনের মাধ্যমে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন ও বিধিমালার প্রতিপালনের মাত্রাও মূল্যায়ন করা সম্ভব হয়।
কর্মশালার উদ্বোধনকালে বিপিপিএ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্রয় প্রক্রিয়া-উত্তর পুনরীক্ষণের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, সরকারি ক্রয়ের নয়টি মূলনীতি রয়েছে। এগুলো হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, অর্থের সর্বোত্তম মূল্য নিশ্চিতকরণ, দক্ষতা, সততা, গুণগত মান, টেকসইতা, সমআচরণ ও অবাধ প্রতিযোগিতা।
তিনি বলেন, ক্রয় প্রক্রিয়া-উত্তর পুনরীক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাস্তব ক্ষেত্রে এসব নীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না তা মূল্যায়ন করা। একই সঙ্গে, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ (পিপিএ, ২০০৬) এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০২৫ (পিপিআর, ২০২৫)-এর আলোকে স্ট্যান্ডার্ড টেন্ডার ডকুমেন্টস (এসটিডি), ই-জিপি নির্দেশিকা এবং টেকসই সরকারি ক্রয় (এসপিপি) চর্চা কতটা অনুসরণ করা হচ্ছে, তাও এই পুনরীক্ষণের মাধ্যমে যাচাই করা হয়।
তিনি আরও বলেন, বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা (এপিপি) প্রস্তুত ও ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে তা প্রকাশ এবং ই-জিপি সিস্টেমে এপিপি তথ্য সংযোজন স্বচ্ছতার একটি ধাপ। একই সঙ্গে, বহুল প্রচারিত পত্রিকায় নির্ধারিত সময়ে দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশও স্বচ্ছতার অংশ। অন্যদিকে, ক্রয় কার্যক্রমের বিভিন্ন ধাপ সময়মতো সম্পন্ন করা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পারফরম্যান্স সিকিউরিটি ফেরত দেওয়া জবাবদিহিতার প্রতিফলন।
“মূল্যায়ন প্রতিবেদন অনুমোদনের পর সাত দিনের মধ্যে নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড (এনওএ) জারি করতে হয়। তা না হলে সেটি দক্ষতার ঘাটতি হিসেবে বিবেচিত হয়। সার্বিকভাবে, ক্রয় প্রক্রিয়া-উত্তর পুনরীক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাস্তব ক্ষেত্রে এসব নীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না তা মূল্যায়ন করা। একই সঙ্গে ক্রয় আইন ও বিধিমালা অনুসারে পরিচালিত হচ্ছে কিনা তা নির্ধারণ করা,” তিনি উল্লেখ করেন।
বিপিপিএ প্রদত্ত নির্ধারিত ফরম্যাট ও টেমপ্লেট অনুসরণ করে ব্যক্তি পরামর্শকরা ক্রয় প্রক্রিয়া-উত্তর পুনরীক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। প্রতিটি কর্মশালায় একজন প্রকিউরমেন্ট বিশেষজ্ঞ আলোচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং উপস্থাপিত খসড়া প্রতিবেদনের বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করেন। সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করে খসড়া প্রতিবেদনের ওপর মতামত ও সুপারিশ প্রদান করেন। কর্মশালায় প্রদত্ত সুপারিশ ও পর্যবেক্ষণ সংযোজনের মাধ্যমে প্রতিবেদনগুলো এখন চূড়ান্ত করা হবে।
বিপিপিএ তার অর্পিত দায়িত্বের অংশ হিসেবে প্রতি বছর ক্রয় প্রক্রিয়া-উত্তর পুনরীক্ষণ পরিচালনা করে থাকে। পাশাপাশি, জনসাধারণের অবগতির জন্য এসব প্রতিবেদন বিপিপিএ-এর ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়।

জুনে বিল দাখিলের সময় সীমা
21/05/2026

জুনে বিল দাখিলের সময় সীমা

20/05/2026

১ জুলাই থেকে বন্ধ হচ্ছে সব ধরনের কাগুজে দরপত্র: বিপিপিএ

এডিবি-এর সঙ্গে বিপিপিএ-এর সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনাএশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)-এর পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ১...
19/05/2026

এডিবি-এর সঙ্গে বিপিপিএ-এর সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)-এর পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ১২ মে, ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ)-এর সম্মেলন কক্ষে (বিপিপিএ)-এর সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হয়।

এডিবি-এর পাবলিক সেক্টর ইকোনমিস্ট মি. নিকোলাস জে. উইন্টলের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনায় সম্ভাব্য সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে বিপিপিএ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিপিপিএ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) জনাব এস. এম. মঈন উদ্দীন আহম্মেদ। এ সময় বিপিপিএ-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এডিবি প্রতিনিধি দলের অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন লিলা ধ্যানা ম্যালোরি, মো. রাসেল পারভেজ, মিকায়েল অ্যান্ডারসন এবং জানুয়ারি আগবন সানচেজ।

আলোচনায় বিপিপিএ-এর বিভিন্ন উদ্যোগে এডিবি-এর সহযোগিতার আগ্রহ বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়। এর মধ্যে ছিল প্রস্তাবিত ইনস্টিটিউট অব পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (আইপিপি) প্রতিষ্ঠা, যা সরকারি ক্রয় বিষয়ক শিক্ষা, গবেষণা এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে বাংলাদেশের প্রথম বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে স্ট্র্যাটেজিক প্রকিউরমেন্ট ইউনিট গঠন, বেসরকারি খাতের ইকোনমিক অপারেটর (ইও) ও সরকারি কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, টেকসই সরকারি ক্রয় (এসপিপি), ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) সম্প্রসারণ, স্ট্যান্ডার্ড টেন্ডার ডকুমেন্ট হালনাগাদ, বাজার উন্নয়ন, চুক্তি ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাসেট ডিসপোজাল মডিউল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
ওয়ানএডিবি দলটি প্রস্তাবিত “পারফর্ম (প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড এনহ্যান্সড রিফর্মস ফর ফিন্যান্সিয়াল ওভারসাইট অ্যান্ড রেজিলিয়েন্ট ম্যানেজমেন্ট)” কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশে একটি স্কোপিং মিশনে আসে।

এ মিশনের সময় প্রতিনিধি দলটি অর্থ বিভাগ, কন্ট্রোলার জেনারেল অব অ্যাকাউন্টস, কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেলের কার্যালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দুর্নীতি দমন কমিশনসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও মতবিনিময় করে।

এসব আলোচনার মূল উদ্দেশ্য ছিল উন্নত সরকারি ক্রয়, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং দুর্নীতি দমন ব্যবস্থার মাধ্যমে সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনার দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী করার নতুন সুযোগগুলো চিহ্নিত করা।

এডিবি-এর মতে, এসব আলোচনার ফলাফল কর্মসূচির পরবর্তী ধাপের নকশা প্রণয়ন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে কারিগরি সহায়তা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

17/05/2026

আগামী অর্থবছরের জন্য প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। যেটি বর্তমান অর্থ বছরের বাজেটের তুলনায় প্রায় ১৮ শতাংশ বেশি। অনেকেই বলছেন, এই বাজেট অনেক বড়। সত্যিই কী এই বাজেট অনেক বড় নাকি টাকার অংকে বাজেট বড় হলেও প্রয়োজনের তুলনায় এটি ছোট? আবার যে বাজেট দেওয়া হচ্ছে তারই বাস্তবায়ন দিন দিন কমে যাচ্ছে কেন? এবারের বাজেট বাস্তবায়নে মূল চ্যালেঞ্জগুলো কী?

বিপিপিএ-এর ক্রয় প্রক্রিয়া উত্তর পুনরীক্ষণ বিষয়ক জাতীয় কর্মশালা সিরিজের শুভ সূচনাবাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপ...
17/05/2026

বিপিপিএ-এর ক্রয় প্রক্রিয়া উত্তর পুনরীক্ষণ বিষয়ক জাতীয় কর্মশালা সিরিজের শুভ সূচনা
বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) আয়োজিত ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে ১৭টি নির্বাচিত সরকারি সংস্থার আওতায় সম্পাদিত চুক্তিসমূহের ক্রয় প্রক্রিয়া উত্তর পুনরীক্ষণের খসড়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর জাতীয় কর্মশালার ধারাবাহিক আয়োজনের শুভ সূচনা হয়েছে। এ উপলক্ষে ১৪ মে, ২০২৬ তারিখে বিপিপিএ-এর সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ পুলিশের ওপর প্রস্তুতকৃত প্রথম প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব জনাব সিরাজুন নূর চৌধুরী। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিপিপিএ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) জনাব এস. এম. মঈন উদ্দীন আহমেদ।
কর্মশালায় আলোচক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন ডাক অপারেটর ও কুরিয়ার সার্ভিস লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) জনাব মো. আজিজ তাহের খান এবং বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি (ট্রান্সপোর্ট) জনাব মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান, বিপিএম-সার্ভিস।
১৭টি সংস্হার জন্য বিপিপিএ কর্তৃক নিয়োজিত ১৭ জন ব্যক্তি পরামর্শকের একজন ড. মেজর জেনারেল মো. আবু সাঈদ সিদ্দিক বাংলাদেশ পুলিশের ২৫টি চুক্তির ওপর পরিচালিত ক্রয় প্রক্রিয়া উত্তর পুনরীক্ষণ খসড়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।
কর্মশালায় বিপিপিএ, আইএমইডি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ পুলিশের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া বিপিপিএ-এর পিএমআইপিএসডি প্রকল্পের আওতায় পাবলিক পলিসি ইমপ্লিমেন্টেশন অ্যাডভাইজার জনাব মো. শোহেলের রহমান চৌধুরী, বিপিপিএ-এর সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট জনাব মো.মোশাররফ হোসেন, পরিচালক জনাব শাহ ইয়ামিন-উল ইসলাম এবং পরিচালক শেখ শহিদুল ইসলাম শাহরিয়ার প্রতিবেদনটির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
প্রতিবেদনের কাঠামো, বিষয়বস্তু, গভীর বিশ্লেষণ, পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ বিষয়ে আলোচনার পর বিপিপিএ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতিবেদনটিকে একটি ভালো প্রতিবেদন হিসেবে অভিহিত করেন।
তিনি খসড়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রস্তুতে সহযোগিতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টার জন্য ব্যক্তি পরামর্শক এবং বাংলাদেশ পুলিশকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, “আমাদের বার্ষিক ক্রয় প্রক্রিয়া উত্তর পুনরীক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে অর্থের সর্বোত্তম মূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ক্রয় বিধিমালা এবং স্ট্যান্ডার্ড টেন্ডার ডকুমেন্টস (STDs)-এর যথাযথ অনুসরণ নিশ্চিত করা।”
আইএমইডি সচিব মন্তব্য করেন যে, যানবাহন ক্রয়ের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় নির্ধারিত সীমা ক্রয় বিধিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় যানবাহন ক্রয় করা যায় না এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে জবাবদিহি করে।
অতিরিক্ত ডিআইজি ফ্রেমওয়ার্ক কন্ট্রাক্ট, ক্রয়ের ক্ষেত্রে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন-সংক্রান্ত ডাবল-স্টার কোড, নমুনা, নিরাপত্তা যাচাই, ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (e-GP) বিষয়ে প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা এবং বিপিপিএ-এর ট্রেনিং সার্ভারে প্রবেশাধিকারসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। এছাড়া তিনি ব্যক্তি পরামর্শক কর্তৃক পুনরীক্ষণকৃত ২৫টি চুক্তির মধ্যে ৫৩ শতাংশ ক্ষেত্রে একক দরপত্র আহ্বানের কারণও উল্লেখ করেন।
পর্যবেক্ষণগুলোর জবাবে বিপিপিএ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ডাবল-স্টার কোড সংক্রান্ত বিষয়টি বিপিপিএ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করতে পারে। কর্মশালায় অতিরিক্ত ডিআইজি উত্থাপিত অন্যান্য বিষয়ও বিপিপিএ গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবে বলে তিনি জানান

ছুটি
14/05/2026

ছুটি

রেট নির্ধারণের কাজ বিপিপিএ কে দেওয়া হোক এবং প্রত্যেক বছর বা ৬ মাসে রেট এনালাইসেস করে সিডিউল আপডেট করবে। এটা হবে সঠিক সি...
13/05/2026

রেট নির্ধারণের কাজ বিপিপিএ কে দেওয়া হোক এবং প্রত্যেক বছর বা ৬ মাসে রেট এনালাইসেস করে সিডিউল আপডেট করবে। এটা হবে সঠিক সিদ্ধান্ত । তবে ডিপার্টমেন্ট টু ডিপার্টমেন্ট কাজের ভ্যারিয়েশন আছে সে বিষয় মাথায় রাখতে হবে ।

10/05/2026

বিশেষ ঘোষণা:

এতদ্বারা সম্মানিত ঠিকাদারগণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ই-জিপি সিস্টেমে নতুন নির্দেশনাঅনুযায়ী প্রত্যেকটি দরপত্রের সাথে পে-অর্ডারের স্ক্যান কপি সংযুক্ত করতে হবে। যা করতে হবে ব্যাংকের।
যার ফলে ব্যাংকের একটা দরপত্র ক্রয় এবং পে-অর্ডার করতে আগের চেয়ে প্রায় দ্বিগুনেরও বেশী সময় লাগবে। তাই, দরপত্র ক্রয়ের শেষ তারিখে কোন ব্যাংক দরপত্র ক্রয় করতে পারবে না।

অতএব, পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে দরপত্র ক্রয় করার জন্য সম্মানিত ঠিকাদারগণকে অনুরোধ করা হল।

আলহামদুলিল্লাহ….৯ মে, ২০২৬ তারিখে আয়োজিত আমাদের দিনব্যাপী ই-জিপি PPR 2025 ট্রেনিং সেশনটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে!সরকারি ...
09/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ….
৯ মে, ২০২৬ তারিখে আয়োজিত আমাদের দিনব্যাপী ই-জিপি PPR 2025 ট্রেনিং সেশনটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে!

সরকারি টেন্ডার প্রক্রিয়ায় নিজেকে দক্ষ করে তুলতে চান? বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে ই-জিপি (eGP Training) এবং নতুন PPR-2025 সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি। আপনার ক্যারিয়ার বা ব্যবসার সমৃদ্ধিতে আমরা আয়োজন করছি একটি বিগিনার থেকে এডভান্স ই-জিপি (e-GP) ট্রেনিং কোর্স।

🟧 আমাদের কোর্সে আপনি যা যা শিখবেন:
🟢পাবলিক প্রকিউরমেন্ট ও টেন্ডার বেসিকস
✅ সংশোধিত পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা (PPR-2025) ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট (PPA-2006) এর বিস্তারিত আলোচনা।
✅ প্রকিউরমেন্টের ধরণ (পণ্য, কার্য ও সেবা) এবং এর পদ্ধতিসমূহ।
✅ প্রকিউরমেন্ট সেক্টরে অপরাধ ও আইনি জটিলতা সম্পর্কে ধারণা।
✅ টেন্ডার সিকিউরিটি, পারফরম্যান্স সিকিউরিটি ও রিটেনশন মানি-এর সঠিক হিসাব।
✅ টেন্ডার বৈধতার সময় (Tender Validation Time)।
🟢টেন্ডার ডকুমেন্ট, মূল্যায়ন ও নতুন নিয়ম
✅ Significantly Low Tender (SLT) মূল্যায়ন: PPR-2025 অনুযায়ী নতুন নিয়মে নিম্নমূল্যের দরপত্র মূল্যায়নের পদ্ধতি।
✅ STD (Standard Tender Documents) বিস্তারিত বিশ্লেষণ।
✅ নির্ভুলভাবে রেট এনালাইসিস ও দরপত্র দাখিল।
✅ টেন্ডার মূল্যায়নের পদ্ধতি (কেন টেন্ডার Non-responsive হয়)।
🟢ই-জিপি (e-GP) প্র্যাকটিক্যাল সেশন
✅ ই-জিপি গাইডলাইন ও টেন্ডার প্রস্তুত করার সরাসরি পদ্ধতি।
✅ টেন্ডার সংশোধন, পরিবর্তন বা প্রত্যাহার (Modify/Substitute/Withdraw) করার কৌশল।
✅ টেন্ডার ওপেনিং ও টেকনিক্যাল ইভ্যালুয়েশন।
✅ ড্যাশবোর্ড ম্যানেজমেন্ট ও রিফান্ড প্রসেস।
✅ লাইভ এক্সারসাইজ: অংশগ্রহণকারীদের লাইভ টেন্ডার থাকলে তা সরাসরি প্র্যাকটিস করার সুযোগ।

🚀 এই কোর্সটি শেষে আপনি যা করতে পারবেন: ই-জিপিতে LTM, OTM, RFQ টেন্ডার সাবমিট, JVCA গঠনসহ PPR-2025 অনুযায়ী সকল কাজ আত্মবিশ্বাসের সাথে করতে পারবেন, ইনশাআল্লাহ!

📞 রেজিস্ট্রেশন বা বিস্তারিত তথ্যের জন্য: ফোন/WhatsApp: 01841130488
📍 সরাসরি ক্লাসের ঠিকানা: ১১/৮/ই, ফেয়ার দিয়া কমপ্লেক্স, ফ্রী স্কুল স্ট্রিট, পান্থপথ, ঢাকা-১২০৫

09/05/2026

eGP Training is Ongoing
09 May, 2026

Address

House: 11/8/E (Flat 5/H), Free School Street, Panthapath
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when EGP Tender Learning Center ইজিপি টেন্ডার লার্নিং সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to EGP Tender Learning Center ইজিপি টেন্ডার লার্নিং সেন্টার:

Share