JS Creation

JS Creation ইনকামট্যাক্স,সিভিল মামলা,ফৌজদারী মামলার পরামর্শ দেওয়া হয়। https://wa.me/message/DPI2G3EMDFERN1

25/03/2024

💦💦মোটরযানের বিরুদ্ধে মামলা হলে করণীয় ঃ-

♦কী কারণে মামলা হতে পারে
♦যানবাহনের ত্রুটি
♦মামলা কে করবেন
♦মামলা হলে করণীয়

🌾কী কারণে মামলা হতে পারে

বৈধ কাগজপত্র না থাকলে, রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট, ট্যাক্স টোকেন, ইন্স্যুরেন্স, সাধারণ পরিবহনের জন্য রুট পারমিট, সর্বোপরি চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি না থাকলে মোটরযান আইনে মামলা হতে পারে।

এ ছাড়া ভুল করে বা ইচ্ছাকৃতভাবে ট্রাফিক আইন না মানা-ট্রাফিক সিগন্যাল, লাইট না মেনে গাড়ি চালানো, বিপজ্জনকভাবে দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানো, যখন তখন লেন পরিবর্তন করা, গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোনে কথা বলা, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো ইত্যাদি কারণে মামলা হতে পারে।

🌾যানবাহনের ত্রুটি

যানবাহনের বিভিন্ন ত্রুটি, যেমন : হেডলাইট না জ্বলা বা না থাকা, ইন্ডিকেটর লাইট না থাকা বা না জ্বলা, সাধারণ পরিবহন, গাড়ির বডিতে পার্টিকুলার বা বিবরণ না থাকা, মালিক বা মালিকের নাম ঠিকানা না থাকা, গাড়িতে অতিরিক্ত আসন সংযোজন অথবা গাড়িতে বিআরটিএ অনুমোদন ছাড়া কোনো সংযোজন বা পরিবর্তন করা, ইত্যাদি কারণে যানবাহন মামলা হতে পারে।

🌾মামলা হলে করণীয়

যেকোনো আইন ভাঙার জন্য মামলা হতে পারে। ডকুমন্টারি বা অন্য কোনো কারণে মোটরযান আইনে মামলা হলে সেটা বিশেষ উদ্বেগজনক কিছু নয়।

ঢাকা শহরে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের চারটি জোন বা এলাকা (পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর, দক্ষিণ) আছে। একজন ডেপুটি কমিশনার (ডিসি, ট্রাফিক) প্রতিটি জোনের দায়িত্বে আছেন। কাজেই যেকোনো মামলার ক্ষেত্রে আগে বিবেচনা করতে হবে সেটি কোনো এলাকার আওতাভুক্ত। কোন ট্রাফিক বিভাগের অধীনে মামলা হয়েছে, সেটা জরিমানার সময় যে টিকেট দেওয়া হয় তার পেছনে লেখা থাকে।

সংশ্লিষ্ট জোনের ডেপুটি কমিশনারের দপ্তরে গিয়ে কিছু দাপ্তরিক কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে খুব সহজেই মামলা নিষ্পত্তি করা যায়। এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্টভাবে জরিমানা প্রদান করতে হবে। বিচারক অথবা ডিসি ট্রাফিক জরিমানার অঙ্ক নির্ধারণ করেন। জরিমানা নির্ধারণকারী পূর্ণ জরিমানার চার ভাগের এক ভাগ পর্যন্ত জরিমানা করতে পারেন, এমনকি মওকুফও করতে পারেন। জরিমানা প্রদানের পরপরই জব্দ হওয়া ডকুমেন্ট বুঝে নেওয়া দরকার।

নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি না করা হলে ওয়ারেন্ট ইস্যুর জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলা পাঠানো হয়। আদালত থেকে ওয়ারেন্ট ইস্যুর পর পুলিশ কর্মকর্তারা রাস্তায় সংশ্লিষ্ট গাড়িটি আটক করে এবং আদালতে জরিমানার টাকা দিলে আদালত গাড়িটি ছেড়ে দেওয়ার আদেশ দিতে পারেন। অভিযুক্ত চালক চাইলে আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে পুলিশের মামলার বিষয়ে চ্যালেঞ্জ করা যায়।

💦💦 বাংলাদেশ ভূমি আইন অনুযায়ি জমির  #দলিল মোট ৯ প্রকার ঃ- (১) সাফ-কবলা দলিল (২) দানপত্র দলিল (৩) হেবা দলিল (৪) হেবা বিল এ...
25/03/2024

💦💦 বাংলাদেশ ভূমি আইন অনুযায়ি জমির

#দলিল মোট ৯ প্রকার ঃ-

(১) সাফ-কবলা দলিল
(২) দানপত্র দলিল
(৩) হেবা দলিল
(৪) হেবা বিল এওয়াজ দলিল
(৫) এওয়াজ দলিল
(৬) বন্টন নামা দলিল
(৭) অছিয়তনামা দলিল
(৮) উইল দলিল
(৯) নাদাবি দলিল

🌿 #সাফকবালাদলিলঃ🌿
কোন ব্যক্তি তাহার সম্পত্তি অন্যের নিকট বিক্রয় করে যে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্টারী করে দেন তাকে সাফাকবালা বা বিক্রয় কবলা বা খরিদা কবালা বলা হয়। এই কবালা নির্ধারিত দলিল ষ্ট্যাম্পে লিখার পর দলিল দাতা অর্থাৎ বিক্রেতা সাবরেজিষ্টারী অফিসে উপস্থিত হয়ে দলিল সহি সম্পাদন করে গ্রহিতা অর্থাৎ খরিদ্দারের বরাবরে রেজিষ্টারী করে দিবেন। এই দলিল রেজিষ্টারী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলিলের তফছিলে লিখিত অর্থাৎ বিক্রিত ভূমির যাবতীয় স্বত্ব দলিল দাতা হতে বিলুপ্ত হয়ে দলিল গ্রহিতাতে অর্থাৎ খরিদ্দারের উপর অর্পিত হলো। দলিলদাতা ময় ওয়ারিশানক্রমে উক্ত জমি হতে নিঃস্বত্ববান হলেন।

🌿 #দানপত্রদলিলঃ 🌿
যে কোন সম্প্রদায়ের যে কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি দান করতে পারেন। এই দানপত্র দলিলে শর্তবিহীন অবস্থায় সকল প্রকার ক্ষমতা প্রদানের দান করতে হবে। স্বত্ব সম্পন্ধে দাতার কোন প্রকার দাবী থাকলে দানপত্র শুদ্ধ হবে না।

🌿 #হেবাদলিলঃ 🌿
মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এই হেবা অর্থাৎ দানপত্র দলিল, এই দলিল কোনকিছুর বিনিময়ে নয়, কেবলমাত্র সন্তুষ্ট হয়ে এইরূপ দান করা হয়। কিন্তু এই হেবা সর্তবিহীন অবস্থায় দান বিক্রয়, কট রেহান ও রূপান্তর ইত্যাদি সকল ক্ষমতা প্রদানে দান বা হেবা করতে হবে। স্বত্ব সম্বন্ধে দাতার কোনরূপ দাবী থাকলে সেই দান বা হেবা শুদ্ধ হবে না এবং তা যে কোন সময় বাতিলযোগ্য। এরূপ দানপত্রে দাতার কোন স্বার্থ সংরক্ষিত থাকবে না।

🌿 #হেবাবিলএওয়াজঃ 🌿
এই হেবা বিল এওয়াজ মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি দানপত্র দলিল এই দানও সন্তুষ্ট হয়ে করা হয় বটে। কিন্তু ইহা কোন কিছুর বিনিময়ে হয়ে থাকে, যেমন- পবিত্র কোরআন, জায়নামাজ, তছবিহ, মোহরানার টাকা, এমন কি যে কোন জিনিষের বিনিময়েও হতে পারে, যেমন আংটি ইত্যাদি। এই হেবা বিল এওয়াজ দলিল সম্পূর্ণ শর্তবিহীন অবস্থায় গ্রহিতা যাবতীয় হস্তান্তর ও রূপান্তরের সকল প্রকার ক্ষমতার অধিকারী হবে এবং দাতার যাবতীয় স্বত্ব গ্রহিতাতে অর্পিত হবে। দাতার স্বার্থে কোন প্রকার স্বত্ব দাতার জন্য সংরক্ষিত থাকলে দলিল শুদ্ধ হবে না। এই হেবা বিল এওয়াজ অবশ্যই রেজিষ্টারী হতে হবে। এই হেবা বিল এওয়াজ যদি টাকা বিনিময়ে হয় এবং ক্রমিক ওয়ারিশী সূত্রে আগে পরে তিন ধাপের পরের ব্যক্তিকে বা তৃতীয় ব্যক্তিকে হেবা বিল এওয়াজ মুলে দান করে থাকে তা হলে শরীক কর্তৃক জানার তারিখ হতে ৪ মাসের মধ্যে প্রিয়েমশান করতে পারে।

🌿 #এওয়াজদলিল: 🌿
যে কোন সম্প্রদায়ের বা একই সম্প্রদায়ের বা একই বংশের বা কোন ব্যক্তি যে কোন ব্যক্তির সহিত তাহাদের লপ্ত ও সুবিধা মত একের ভূমি অপরকে দিতে পারেন অর্থাৎ পরস্পর এওয়াজ পরিবর্তন সরতে পারেন। এই দলিল অবশ্যই রেজিষ্টারী হতে হবে।
এওয়াজ পরিবর্তন দলিলের একটা ব্যাখ্যা দেওয়া হলো+: ক এর জমি খ এর বাড়ীর নিকট এবং খ এর জমি ক এর বাড়ীর নিকট। উভয়ের জমিই উভয়ের বেলপ্ত। কাজেই ক তার জমি খ কে এবং তার জমি ক কে দিয়ে উভয়ে একটি দলিল সম্পাদন করে রেজিষ্টারী করে নিল। একেই এওয়াজ পরিবর্তন দলিল বলে। এই দলিলের কেহ প্রিয়েমশান করতে পারে না।

🌿 #বন্টনমানাদলিল: 🌿
শরিকগণের মধ্যে সম্পত্তি ক্রমে নিজ নিজ ছাহাম প্রাপ্ত হয়ে উক্ত ছাহামের বাবদ যে দলিল করতে হয় তাকে বন্টননামা দলিল বলে। একই সম্পত্তিতে মালিক একই বংশের লোককে সাধারণত শরিক বলা হয়। শরিক দুই প্রকারের, যথা- উত্তরাধিকার সূত্রে শরিক ও কোন শরিক হতে খরিদ সূত্রে শরিক। ইংরেজীতে বলা হয় কো-শেয়ারার বাই ইনহেরিটেন্স এন্ড কো-শেয়ারার বাই পারচেজ। বন্টননামা দলিল করবার সময় সকল শরিকগণ দলিলে পক্ষভুক্ত থেকে ও দস্তখত করে বন্টননামা দলিল করতে হবে। কোন একজন শরিক বাদ থাকলে বন্টননামা শুদ্ধ হবেনা। বন্টননামা দলিল রেজিষ্টারী করতে হবে কিন্তু ঘরোয়াভাবে বন্টন করে সকল পক্ষগণ যদি বন্টননামা দলিলে দস্তখত করে থাকেন তা হলেও বন্টননামা কার্যকরী হতে পারে। যদি শরিকগণ আপোষ মতে বন্টন করতে রাজী না হন তাহলে যে কোন শরিক বন্টনের জন্য আদালতে নালিশ করতে পারেন।

🌿 #অছিয়তনামাদলিল:🌿
কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি কাউকে বা তার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে অছিয়তকারী ব্যক্তির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সকলকে না দিয়ে যদি একজনকে বা কোন তৃতীয় ব্যক্তিকে প্রদান করে থাকেন এবং অছিয়তকারীর মৃত্যুর পর যদি তাহার উত্তরাধিকারীগণ দাবী উত্থাপন করেন তাহলে যাকে সম্পত্তি অছিয়ত করা হলো সেই ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ পাবে এবং অবশিষ্ট দুই তৃতীয়াংশের মালিক উত্তরাধিকারী দের মধ্যে সকলেই হবেন।

🌿 #উইলদলিল:🌿
হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক তাদের নিজস্ব সম্পত্তি তাদের আত্মীয়দের মধ্যে যাকে ইচ্ছা উইল করে দিতে পারেন। যিনি উইল করলেন তিনি জীব কালে একের অধিক উইল করতে পারেন। কিন্তু সর্বশেষ যে উইল করলেন কেবল ঐটাই কার্যকরী হবে।

🌿 #নাদাবীদলিল:🌿
কোন ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট কোন সম্পত্তিতে তার স্বত্ত্বাধিকার নাই মর্মে অথবা স্বত্ত্বাধিকার ত্যাগ করছেন মর্মে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রি করে দিতে পারেন। এরূপ দলিলকে নাদাবী দলিল বলে।

25/03/2024

🎯 💦💦চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার:💦💦
--------------------------------------------------------
চুক্তিভঙ্গের জন্য বিভিন্ন প্রতিকার রয়েছে।

(১) ক্ষতিপূরণ(Compensation).
(২) চুক্তি রদ বা বাতিল (Rescission of contract).
(৩) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন (Specific performance of contract).
(৪) নিষেধাজ্ঞা(Injunction).
( ৫) পূর্বাবস্হায় আনায়ন(Restitution)
(৬) কার্যানুপাতিক মূল্য প্রদান (Quantum Meruit).

💢 ১)ক্ষতিপূরণ(compensation):
চুক্তিভঙ্গের কারণে যে পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেই পক্ষ চুক্তিভঙ্গকারী পক্ষের নিকট থেকে আর্থিকভাবে যে প্রতিকার লাভ করে তাকে ক্ষতিপূরণ বলে।চুক্তিভঙ্গের জন্য যদি আর্থিক প্রতিকার যথেষ্ট হিসাবে বিবেচিত হয় তাহলে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ প্রথম ও প্রধান প্রতিকার।আবার চুক্তিভঙ্গের ফলে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন প্রদান সম্ভব না হলে সে সকল ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা যায়।

💢২)চুক্তি রদ বা বাতিল(Recission of contract):
চুক্তির কোন পক্ষ চুক্তি ভঙ্গ করলে অপরপক্ষ চুক্তিটি রদ বা বাতিল করতে পারে।চুক্তি আইনের ৩৯ ধারা অনুযায়ী, অঙ্গীকারদাতা চুক্তি ভঙ্গ করলে অঙ্গীকারগ্রহীতা কথা বা আচরণ দ্বারা সেটা সমর্থন করলে চুক্তির পরিসমাপ্তি ঘটবে না। চুক্তি রদ বা বাতিল সংক্রান্ত বিধান বিধিবদ্ধ করা হয়েছে ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ থেকে ৩৮ ধারায়।এই ধারাগুলো অনুযায়ী লিখিত বা মৌখিক যেকোন ধরনের চুক্তি বাতিল করা যায়। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারায় বলা হয়েছে,চুক্তিতে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি চুক্তি বাতিল বা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে।

💢৩) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন (Specific performance of contract):
যেখানে ক্ষতিপূরণ যথাযথ প্রতিকার নয় সেখানে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ প্রদান করতে পারেন।চুক্তি ভঙ্গ করা হলে অনেক সময় আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা যথাযথ প্রতিকার পাওয়া যায়,আবার অনেক সময় আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা যথাযথ প্রতিকার পাওয়া যায় না।যেক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা যথাযথ প্রতিকার পাওয়া যায় না সেক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মাধ্যমে প্রতিকার মন্জুর করেন।
উদাহরণ- চারুকলার মীম নামে একজন ব্যক্তি চিত্রশিল্পী জয়নাল আবেদীনের “মইটানা” চিত্রকর্মটি রোকেয়া বেগমের নিকট বিক্রয় করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়।পরে মীম চিত্রকর্মটি বিক্রী করতে অস্বীকার করে।আদালত এক্ষেত্রে চিত্রকর্মটি বিক্রয় করে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মীমকে বাধ্য করতে পারেন।কারণ এই চিত্রকর্মটি বিক্রী না করলে রোকেয়া বেগমের যে ক্ষতি হবে তা আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিয়ে নিরুপন করা যাবে না।

💢৪) নিষেধাজ্ঞা(Injunction) :
কোন কোন চুক্তি নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে কার্যকর করা যায়।আসন্ন চুক্তি ভঙ্গের মাধ্যমে সম্ভাব্য ক্ষতি এড়ানোর জন্য আদালত আশু প্রতিকার হিসেবে নিষেধাজ্ঞা জারী করতে পারেন।নিষেধাজ্ঞা হলো আদালতের আদেশ,যা দ্বারা কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে অন্যায় কাজ করা হতে বিরত থাকতে অথবা তার বা তাদের দ্বারা কৃত অন্যায় কাজকে অপসারণ করতে বলা হয়।

💢৫)পূর্বাবস্হায় আনায়ন (Restitution):
কোন কারণে চুক্তির পরিসমাপ্তি ঘটলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ অপরপক্ষের নিকট তাকে পূর্বাবস্হায় ফিরিয়ে আনার দাবী করতে পারে।১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ৬৪ ও ৬৫ ধারায় পূর্বাবস্হায় আনায়ন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
উদাহরণ- রোকেয়া বেগম সাদমানকে তার লাল গরুটি বিক্রয় করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাদমানের নিকট হতে ১০ হাজার টাকা গ্রহণ করলো।চুক্তি করার পর পরই লাল গরুটি মারা গেলো।উত্তরকালীন অসম্ভবতার জন্য চুক্তিটি বাতিল হলেও রোকেয়া বেগম সাদমানকে ১০ হাজার টাকা ফেরত প্রদান করে তাকে পূর্বাবস্হায় আনয়ন করবে।

💢৬) কার্যানুপাতিক মূল্য প্রদান (Quantum meruit):
কার্যানুপাতিক মূল্য প্রদান চুক্তি ভঙ্গের অন্যতম প্রতিকার।কার্যানুপাতিক মূল্য প্রদানের অর্থ হলো,চুক্তি অনুসারে যতটুকু কাজ সম্পন্ন হয়েছে ঠিক ততটুকুর জন্য মূল্য প্রদান করা।
উদাহরণ- ইসরাত জলিল মীম একজন সঙ্গীত শিল্পী। সে সাদমানের থিয়েটারে সপ্তাহে তিনদিন গান গাওয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়।কিন্তু মীম অসুস্থতার জন্য এক সপ্তাহে গান গাওয়া থেকে বিরত থাকে।এই অবস্হায় সাদমান ইচ্ছা করলে চুক্তিটি রদ বা বাতিল করতে পারে।সাদমান চুক্তি বাতিল করলে মীম যে কয় সপ্তাহ গান গেয়েছে সেই কয় সপ্তাহের জন্য কার্যানুপাতিক মূল্য দাবী করতে পারে।
পরিশেষে বলতে চাই, চুক্তি আইন মূলত একটি মৌলিক আইন।ইহা দেওয়ানী প্রকৃতির মৌলিক আইন।অন্যান্য দেওয়ানী আইনগুলো মূলত চুক্তি আইনের উপর নির্ভর করে প্রণীত হয়েছে।

25/03/2024

⛱️⛱️ছানি মোকদ্দমা 🌾🌾
--------------------+----+-----+++++++-+

ছানি মোকদ্দমার সিদ্ধান্ত হলো একটি আদেশ ।
🏝️
কোনো পক্ষের অনুপস্থিতির কারণে কোনো মোকদ্দমা খারিজ হলে বা একতরফা ডিক্রি হলে ঐ মোকদ্দমা পনর্বহালের জন্য, উক্ত মোক্দমা খারিজ আদেশ বাতিল করার জন্য বা একতরফা ডিক্রি বাতিল করার জন্য যে মোকদ্দমা দায়ের করা হয় তা ছানি মোকদ্দমা নামে পরিচিত ।
ছানি মোকদ্দমা খারিজ হলে প্রতিকার --
ছানি মোকদ্দমা খারিজ হলে মিস বা বিবিধ আপীল করতে হবে ।

Advocate Sharmin Sultana

25/03/2024

🇧🇩 একটি হস্তান্তর দলিল তৈরি করার জন্য যে সকল তথ্যাদি প্রয়োজন হবেঃ🇧🇩
-----------------------------------------------
১। বিক্রেতার নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, জন্ম তারিখ, ধর্ম, পেশা, জাতীয় পরিচয়পত্র/ জন্ম সনদ নম্বর ও ঠিকানা।

২। ক্রেতার নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, জন্ম তারিখ, ধর্ম, পেশা, জাতীয় পরিচয়পত্র/ জন্ম সনদ নম্বর ও ঠিকানা।

৩। হস্তান্তরাধীন সম্পত্তির নূন্যপক্ষে ২৫ বছরের মালিকানার ধারাবাহিক বিবরণ।

৪। হস্তান্তরাধীন সম্পত্তির বিস্তারিত তফসিল (মৌজা, খতিয়ান, দাগ নম্বর, শ্রেনি, দাগে জমির পরিমাণ, প্রাপ্য জমির পরিমাণ, হস্তান্তরিত জমির পরিমাণ ও মূল্য)।

৫। হস্তান্তরাধীন সম্পত্তির চৌহদ্দি বিবরণ ও হাত নকশার ছবি।

৬। কমপক্ষে ২ জন স্বাক্ষী ও ১ জন সনাক্তকারীর নাম, পিতার নাম, মাতার নাম ও ঠিকানা।

Advocate Sharmin Sultana

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলো বিদ্যমান থাকিলে, হেবা দলিল বাতিল করা যায় না:----------------------------------------------------...
25/03/2024

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলো বিদ্যমান থাকিলে,
হেবা দলিল বাতিল করা যায় না:-
--------------------------------------------------------------------
(ক)হেবাকৃত সম্পত্তির দাতা-গ্রহীতা স্বামী বা স্ত্রী হইলে।
(খ) গ্রহীতা মৃত্যূবরণ করিলে।
(গ) দাতা-গ্রহীতার মধ্যে বিবাহ অযোগ্য সম্পর্ক বিদ্যমান থাকিলে।
(ঘ) হেবাকৃত সম্পত্তি গ্রতীতা কর্তৃক
বিক্রি বা হস্তান্তরিত হয়ে গেলে।
(ঙ) হেবাকৃত সম্পত্তি বিলীন বা ধ্বংস হয়ে গেলে।
(চ) হেবাকৃত সম্পত্তির মূল্য বেড়ে গেলে।
(ছ) হেবাকৃত সম্পত্তির প্রকৃতি সম্পূর্ণ পরিবর্তন হয়ে গেলে।
(জ) হেবা’টি ‘হেবা বিল এওয়াজ’ (বিনিময়ে দান) হয়ে
থাকিলে হেবা দলিল বাতিল করা যায় না।

দখল হস্তান্তরে পূর্বেই কেবল হেবা দলিল বাতিল করা যায়।
উল্লেখিত ক্ষেত্র গুলো বিদ্যমান না থাকিলে
আদালতের মাধ্যমেও হেবা দলিল বাতিল করা যায়।

-Advocate Sharmin Sultana

25/03/2024

🌾🌾দলিল কত প্রকার? 🌾🌾

সাব কবলা দলিল,
দানপত্র দলিল,
হেবা দলিল,
হেবা বিল এওয়াজ দলিল,
এওয়াজ দলিল,
বণ্টননামা দলিল,
অসিয়ত নামা দলিল,
উইল দীলল ,
নাদাবী দলিল ,
বায়না দলিল ,
আদালতে সাফকবলা দলিল
ইত্যাদি।

Address

Dhaka Uttora
Dhaka
1212

Telephone

+8801672236682

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when JS Creation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to JS Creation:

Share