কাজী অফিস - kazi office

কাজী অফিস - kazi office বিবাহ ও তালাক রেজিষ্ট্রি'র বিশ্বস্থ 'কাজী অফিস'

পরিচয় গোপন রাখা এক ডিভোর্সি বোনের খোলাচিঠি:জানিনা, আমি কেন লিখছি। হয়তো এজন্য কারণ আমি চাই আর কেউ আমার মতো ভুল না করুক। হ...
14/06/2022

পরিচয় গোপন রাখা এক ডিভোর্সি বোনের খোলাচিঠি:

জানিনা, আমি কেন লিখছি। হয়তো এজন্য কারণ আমি চাই আর কেউ আমার মতো ভুল না করুক। হয়তো এজন্য কারণ আমি চাই ঠুনকো কারণে সংসারগুলো ভেঙে না পড়ুক।

আমি ঊনিশ বছর বয়সী একজন নারী। আমাদের বিয়ে হয়েছিল আমার পছন্দে। সংসারও টিকে ছিল দুই বছর। আমাদের একটা ছেলেও আছে, ওর বয়স এক বছর।

আমার স্বামীর স্বভাব-চরিত্র সবই বেশ ভালোই ছিল। শুধু একটু জেদি । অবশ্য তাও সবসময় না, মাঝেমধ্যে। মানুষ ভাবে ওর বদ জেদের জন্যই বুঝি আজ এই অবস্থা, কিন্তু আমি জানি, আমাদের সমস্যার শুরুটা ওর দিক থেকে হয় নি।

সব সংসারেই তো টুকটাক কিছু সমস্যা থাকে। ওরকম আমাদের মধ্যেও মাঝেসাঝে ঝগড়া-ঝাটি হতো। কিন্তু ঝগড়া বাধলেই আমি তল্পিতল্পা গুছিয়ে বাপের বাড়ির দিকে হাঁটা দিতাম। বাপের বাড়িতে বোনরাও আসতো, আর ভাইরা তো ছিলই। ওদের কাছে কেদেকেটে সব বলতাম। তখন সবাই ওকে ফোন করে কথা শোনাত। আমার ছোট বোন তো রীতিমত অপমান করত!

আমার কাছেও মনে হতো, ঠিকই আছে। কত বড় সাহস, আমার সাথে লাগতে আসে। আমাকে নিজের মতো চালাতে চায়। আমার মধ্যে কেমন একটা জেদ কাজ করতো। ওর কাছে ছোট হব, ওর কাছে নিজের ভুল স্বীকার করব, মাফ চাইব, এটা ভাবতেই পারতাম না। উল্টো বড় গলা করে বলতাম, “ডিভোর্স দাও! তোমার মতো লোকের সাথে কে সংসার করে?”

নাহ, ডিভোর্স আমি কখনোই মন থেকে চাই নি। ওটা ছিল মুখের কথা।

ওর সামনে ছোট হওয়ার চাইতে ডিভোর্স চাওয়াই আমার কাছে সঠিক মনে হতো।

একদিনের কথা এখনও মনে পড়ে। সেদিন ছোট একটা ব্যাপার নিয়ে তর্ক করতে করতে দুজনেই খুব উত্তেজিত হয়ে পড়েছি। রাগে আমার শরীর কাঁপছে। যা মুখে আসছে তাই বলছি। তুই-তোকারি, গালিগালাজ, অপমান কিচ্ছু বাদ যায় নি। এক পর্যায়ে সহ্যের বাধ ভেঙে ও আমার গায়ে হাত তুললো!

এর আগে কিংবা পরে কখনোই ও আমার গায়ে হাত তুলে নি। কিন্তু ঐ একটা থাপ্পড়, ওটাই যথেষ্ট ছিল।

আমি বাপের বাড়ি চলে গেলাম। আর হ্যাঁ বরাবরের মতো এবারও নিজের দিকটা না বলে খালি ওর দিকটাই বলে গেলাম। মানুষের দোষ দিয়ে আর কী লাভ! সবাইকে যা বলেছি, সেটার উপর ভিত্তি করেই তারা বিচার করেছে। পরিবারের সবাই বললো, এমন ছেলের সাথে সংসার করার কোনো দরকার নাই। মামলা ঠুকে দাও।

আমি সবার পরামর্শে মামলা করলাম।

ওর নামে নারী নির্যাতনের কেইস করা হল। খুব দ্রুতই ওকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেল। ওর পরিবার থেকে মুরুব্বিরা এসে বার বার অনুরোধ করল, আমি যেন এই কেইস তুলে নিই।

ভেতরে ভেতরে আমিও চিন্তা করতাম, আচ্ছা, আমার স্বামী কি আসলেই জালেম? ও কি কোনদিন নিজে থেকে আমার গায়ে হাত তুলেছে? আমি যদি ওকে এত কথা না শোনাতাম, তাহলে কি ও আমার গায়ে সেদিন হাত তুলতো?

আমার বাবা মা আমাকে বুঝিয়েছিল, আমি যদি এতকিছুর পর ফিরে যাই, তাহলে ও ভাববে, আমি বুঝি অসহায়। আমাকে আরো পেয়ে বসবে। আমার উপর ইচ্ছামত ছড়ি ঘুরাবে। একবার গায়ে হাত তুলেছে মানে বার বার একই কাজ করবে। কাজেই নিজে থেকে ফিরে যাওয়ার তো প্রশ্নই আসে না।

কিন্তু আমার মনের ভেতর কে যেন চিৎকার করে বলতো, ও তো এমন লোক না। ও যেদিন আমার গায়ে হাত তুলেছিল, সেদিনই হাটু জোর হয়ে আমার কাছে মাফ চেয়েছে। এসব ভেবে ভেবে আমি মামলা তুলে নিলাম। তবে ওর কাছে ফেরত গেলাম না।

কিছুদিন পর দুই পরিবার থেকে বিচার-সালিশ হল। সবার কাছে ও দোষী প্রমাণিত হল। সবাই ওকে নানা কথা বোঝাল, উপদেশ দিল। তারপর আবার সংসার শুরু করলাম।

এর পরের কয়েক মাস ভালোই চলছিল, কিন্তু হুট করে আবার কী একটা নিয়ে আমাদের ঝগড়া বেধে গেল। ব্যস, কাপড়চোপড় গুছিয়ে আবার আমি বাপের বাড়ি গিয়ে উঠলাম। এর মধ্যে শুনলাম ও নাকি খুব অসুস্থ ! আমি বাসায় ফিরতে চাইলে আমার পরিবার বললো, এভাবে একটা ঝগড়ার পর একা একা ফিরলে সেটা ভালো দেখায় না। আর আমার বোনদের কথা ছিল, ওসব অসুস্থ-টসুস্থ কিছু না, সব বাহানা!

আমরা চাচ্ছিলাম ঐ পক্ষ থেকে কিছু আত্মীয়-স্বজন এসে ওর ভুল স্বীকার করে আমাকে হাতেপায়ে ধরে নিয়ে যাক। কিন্তু এবার কেউই আসলো না।

এরও কিছুদিন পর ও আমাকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়ে দিল। ডিভোর্স লেটার দেখে আমাদের পরিবারের সবাই খুব খেপে গেল। কতবড় সাহস, মেয়েকে এত কষ্টে রেখেছে, তার উপর ডিভোর্স লেটার পাঠায়। সবার কথায় আমার কাছেও মনে হলো, ঠিকই তো, কত বড় সাহস! আমাকে ডিভোর্স দিতে চায়? ওর সব ভুলগুলো চোখের উপর ভাসতে লাগলো।মা বাবা মনে করিয়ে দিলো, ও হলো সেই ছেলে যে কিনা আমার গায়েও হাত তুলেছে।

প্রতিশোধের আগুনে জ্বলতে জ্বলতে আমিও ঠিক করলাম, এবার ডিভোর্সই দেব। কে চায় এমন ফালতু লোকের সংসার করতে? কোর্টে গিয়েও ওকে হেনস্থা করার চেষ্টা করলাম। আমার মাসিক খরচ বাড়িয়ে একটা আকাশছোঁয়া অংক দাবি করলাম! আমি চাচ্ছিলাম ওর যেন দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায়। যেন নিজে থেকে আমার কাছে এসে আবার সংসার করতে চায়। আসলে ডিভোর্স হোক আমি কখনোই চাই নি৷ কিন্তু জিদ আমাকে খেয়ে নিচ্ছিল। আগ বাড়িয়ে ওকে ডিভোর্স তুলে নিতে বলা আমার পক্ষে অসম্ভব! ওর কাছে ছোট হওয়া আমি মানতেই পারি নি।

কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার, ও আমার আকাশছোঁয়া সমস্ত দাবি মেনে নিলো। আমাদের ছেলেকে আমি পেয়ে গেলাম। ভরণপোষণ, মাসিক খরচ, ওর সম্পত্তি সব! বিনিময়ে ও পেলো শুধু ডিভোর্স।

আমাদের ডিভোর্স হয়েছে আজ সাড়ে তিন বছর।

ও আবারও বিয়ে করেছে। সুখেই আছে বোঝা যায়। আসলে ওর মতো নির্ঝঞ্ঝাট স্বামীকে নিয়ে মেয়েরা হয়তো সুখেই থাকবে।

এখন আমার নিজের কথা ভেবে আফসোস হয়। মানুষের মুখের কথা কখনো কখনো ছুরির চেয়েও ধারালো হতে পারে। ও আমাকে একবার থাপ্পড় মেরেছিল ঠিকই, কিন্তু আমি কথার তীরে ওকে ছিন্নবিছিন্ন করে ফেলতাম। শারীরিক নির্যাতন করি নি সত্যি, কিন্তু মানসিকভাবে কষ্ট দিতাম। এসব কথা আমার মা বাবাকে কখনোই বলা হয় নি। নিজের দোষের কথা মানুষ কতটাই বা বলে!

মাঝে মাঝে ভাবি, ইশ, আমার পরিবার যদি একটু নিজে থেকে বুঝে আমাকে সংসার করার উপদেশ দিতো। যখন আমি ওর কাছে ফিরে যেতে চাইতাম, তখন ওর খারাপটা না বলে যদি একটু ভালো দিকগুলোর কথা মনে করাতো! আমি যদি নিজের জিদ নিয়ে পড়ে না থেকে, একটু ওর কাছে নত হতাম! তাহলে হয়তো আজ আমাকে এই দিন দেখা লাগতো না।

আজ আমার ভাইবোন বন্ধুবান্ধব সবার নিজেদের সংসার আছ কিন্তু ছোট্ট ভুলে সব শেষ হয়ে গেছে তাই দোয়া করি আর কারো জবনে এমন না হোক

ওয়াসিক
ছবি:গুগুল

28/11/2021

★খুব প্রয়োজনীয় একটি পোস্টঃ★

একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন। উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, সবকিছু ঠিক আছে, মেঝের টাইলসে তার নতুন জুতোর হীল বেঁধে যাওয়ায় তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। কেউ একজন অ্যাম্বুলেন্স ডাকার কথা বললেও তিনি তাতে রাজি হলেন না।
সবকিছু ঠিকঠাক করে, পরিস্কার করে তিনি নতুন করে প্লেটে খাবার নিলেন। যদিও মনে হচ্ছিলো যেন তিনি একটু কেঁপে কেঁপে উঠছেন। অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সময় জুড়েই তিনি উপস্থিত থাকলেন। পরদিন দুপুরে ভদ্রমহিলার স্বামী ফোন করে জানালেন, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ছয়টার সময় তিনি মারা গেলেন।
মূল যে ঘটনা ঘটেছিল, তা হলো- তার অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় স্ট্রোক হয়েছিল। সেখানে যদি কেউ জানতেন, কিভাবে স্ট্রোক সনাক্ত করা সম্ভব, তাহলে হয়তো ভদ্রমহিলা আজও বেঁচে থাকতেন।
সবাই যে মৃত্যুবরণ করে, তা নয়। অনেকের ঠাঁই হয় বিছানায়, সাহায্যহীন, ভারসাহীন মূমুর্ষূ অবস্থায়। মাত্র তিনটে মিনিট সময় নিয়ে এটা পড়ে ফেলুন।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, যদি একজন স্ট্রোকের শিকার রোগীকে স্ট্রোক হবার তিন ঘন্টার মধ্যে হাসপাতালে নেওয়া যায়, তবে তাকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরত পাওয়া সম্ভব। শুধু আমাদের জানতে হবে কিভাবে স্ট্রোক চেনা যায়, এবং কিভাবে রোগীকে উল্লেখ্য সময়ের মধ্যে মেডিকেল কেয়ারে নেয়া যায়।
স্ট্রোককে চিনুন...
সহজ তিনটি ধাপঃ- S T ও R... পড়ুন এবং জানুন!
মাঝে মাঝে স্ট্রোকের উপসর্গ সনাক্ত করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের অজ্ঞতার কারণেই নেমে আসে যাবতীয় দুর্যোগ। স্ট্রোকের শিকার রোগীর যখন ভয়ানক রকম ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, পাশে দাঁড়ানো প্রিয়জনটিই হয়তো বুঝতে পারছে না, কি অপেক্ষা করছে তাদের কাছের মানুষের জীবনে।
সহজ উপায়ে স্ট্রোক সনাক্ত করার উপায়, সহজ তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুনঃ
S – Smile. রোগীকে হাসতে বলুন।
T – Talk. রোগীকে আপনার সাথে সাথে একটি বাক্য বলতে বলুন। উদাহরণঃ আজকের দিনটা অনেক সুন্দর।
R – Raise hands. রোগীকে একসাথে দুইহাত উপরে তুলতে বলুন।
এর কোনো একটিতে যদি রোগীর সমস্যা বা কষ্ট হয়, তৎক্ষণাৎ দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন। (রোগী বলতে স্ট্রোকের শিকার সন্দেহ করা ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে)
সনাক্তকরণের আরেকটি উপায় হচ্ছে, রোগীকে বলুন তার জিহবা বের করতে। যদি তা ভাঁজ হয়ে থাকে, বা অথবা যদি তা বেঁকে যেকোনো একদিকে চলে যায়, সেটাও স্ট্রোকের লক্ষণ। তৎক্ষণাৎ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
যদি আমরা সবাই-ই এই সহজ ব্যাপারগুলো জেনে রাখি, তবে আমরা একজনের হলেও জীবন বাঁচাতে পারবো। সুতরাং, আপনি শিখলেন- আপনার বন্ধু ও প্রিয়জনদেরও শেখান..!!
collected

13/11/2021

সাদাকা টিপসঃ

১. একটি জায়নামাজ কিনে মসজিদে রেখে দিন, যে ব্যক্তি তাতে নামাজ আদায় করবে, ইনশাআল্লাহ আপনি সেই আমলের জন্য পুরস্কৃত হবেন।

২. একটি বাটি বা গ্লাসে কিছু পানি আপনার জানালায় রেখে দিন পাখিদের জন্য; এটাও এক ধরনের সদকা। এটিকে অভ্যাসে পরিণত করুন। আপনি পুরস্কৃত হবেন ইনশাআল্লাহ।

৩. আপনার পুরাতন অথবা ব্যবহার হচ্ছে না এমন পোশাক গরিবকে দান করুন। সুযোগ থাকলে নতুন জামা যেদিন কিনবেন, সেদিনই এক সেট পুরাতন জামা দান করুন।

৪. আপনার রুমে একটি বক্স রাখুন এবং যখনই আপনি মনে করবেন যে আপনি কোনো অন্যায় করেছেন, তখনই তাতে সাধ্যমতো টাকা-পয়সা রাখুন। মাস শেষে তা খুলে দেখুন এবং তা দান করে দিন। এতে নিজের ভুলগুলোর পরিমাণ বুঝতে পারবেন এবং অনুতপ্ত হয়ে নিজেকে সংশোধনের জন্য এটা সুন্দর একটি পন্থা।

৫. বাড়িতে ঢুকার ও বের হবার পথে দুআ লিখে রাখুন একটি কাগজে। যে এই দোয়াগুলো দেখতে পেয়ে পাঠ করবে, ইনশাআল্লাহ আপনি সেজন্য পুরস্কৃত হবেন৷ একইভাবে ঘরের এমন কোনো স্থানে দুআ লিখে রাখতে পারেন, যেটা সবার নজরে আসে।

৬. আপনার হাত খরচের টাকা দিয়ে একজন এতিমকে সহায়তা করুন আপনার সাধ্যমতো। মাসের কোনো একদিন নাস্তা না করে এতিম কোনো শিশুকে খাবার খাইয়ে দিন।

৭. আপনার বাড়ির আশপাশে যদি কোনো নির্মাণ কাজ চলে কিংবা শ্রমিকেরা কাজ করে, তবে কিছু ঠাণ্ডা পানি বা খাবার তাদেরকে দিতে পারেন। ইনশাআল্লাহ আপনি পুরস্কৃত হবেন।

৮. কোনো মসজিদে কুরআন মাজিদ রেখে দিন; যে কোনো ব্যক্তি যখন অন্তত একটি অক্ষর পাঠ করবে, তার জন্য ১০ গুন সওয়াব লিখিত হবে আপনার আমলে।

৯. আপনার পান করা গ্লাসে পানি অবশিষ্ট থেকে গেলে তা একটি ফুলদানির পাত্রে রেখে দিন, অপচয় করবেন না।

১০. আপনার মুসলমান ভাইবোনদের উৎসাহ দিন, দুর্দিনে সাহায্য করুন, সহানুভূতিশীল হোন, যখন তারা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকে।

১১. অসুস্থ আত্মীয় কিংবা পরিচিতদের দেখে আসুন। একটু হাসুন, কথা বলুন। এটাও সাদাকা। মৃদু হাসি বিনিময় করাও সাদাকা।

১২. ততক্ষণ পর্যন্ত ঘুমাবেন না, যতক্ষণ পর্যন্ত আপনাকে যারা কষ্ট দিয়েছে তাদের ক্ষমা করেছেন।

১৩. কাউকে এক অক্ষর হলেও দ্বিন শিক্ষা দিন। সেই ব্যক্তি যখন তার সন্তানসন্ততি, বন্ধুবান্ধব কিংবা তার সন্তানদের মাধ্যমে তার পরের প্রজন্ম এই দ্বিন অর্জন করবে, সে সকল সওয়াব মৃত্যুর পরেও আপনার কবরে পৌঁছাবে ইনশাআল্লাহ।

১৪. সামর্থ্য থাকলে মসজিদ, মাদ্রাসা, হাসপাতাল স্থাপনে সহায়তা করুন। গাছ লাগান, টিউবওয়েল বা পান করার পানির ব্যবস্থা করুন। আপনার মৃত্যুর পরেও মদজিদ মাদ্রাসা দ্বিন শিক্ষা দিতে থাকবে, হাসপাতালে রোগী সেবা পেতে থাকবে, গাছ থেকে মানুষ অক্সিজেন এবং খাবার পাবে, পান করার পানি পান করতে পারবে আপনার ব্যবস্থা করে দেওয়া পানির উৎস থেকে। এসকল কিছু সদকায়ে জারিয়া। এগুলো মৃত্যুর পরেও আপনাকে পরকালের জন্য ধনী করতে থাকবে।

১৫. সন্তানদের উত্তম সন্তান হিসেবে গড়ে তুলুন। দ্বিন এবং মানবতা শিক্ষা দিন। এদের দুআ কবর পর্যন্ত পৌঁছাবে, আপনার থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা এদের সঠিক মানুষ হতে সাহায্য করবে।

১৬. এই সাদাকার পন্থাগুলো মানুষের সাথে শেয়ার করুন, তাদের শিক্ষা দিন। এটিও সাদাকায়ে জারিয়ার অন্তর্ভুক্ত।

(সংগৃহীত)

14/10/2021

কি আমল আছে যা দিয়ে জান্নাত আশা করতে পারি?

কিন্তু মনের মধ্যে যদি এমন দরদ থাকে তবে হয়তো এরকম ঈমানের উসিলায় জান্নাত পেলেও পেতে পারি 🥰

আল্লাহ প্রিয় বান্দা হিসেবে ক্ববুল করুন 🥰

11/10/2021

জীবন নিয়ে কোন অভিযোগ আছে? 😔

কথার মধ্যে তাক্বওয়ার সুর পাওয়া যায়, কত সাবলিল ভাবে মনের কথা গুলো বলে ফেললো৷

ক্রিকেটার নাসির ও তামিমার বিয়ে অবৈধ: পিবিআই অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া, ব্যভিচার ও মানহানির অভিযোগে ক্রিকেট...
30/09/2021

ক্রিকেটার নাসির ও তামিমার বিয়ে অবৈধ: পিবিআই

অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া, ব্যভিচার ও মানহানির অভিযোগে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেছে পিবিআই। প্রতিবেদনে তাদের বিয়ে বৈধ উপায়ে হয়নি বলে উল্লেখ করেছে পিবিআই।

বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীমের আদালতে প্রতিবেদনটি দেন মামলার পিবিআই’র তদন্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান। মামলার তদন্তে ক্রিকেটার নাসির হোসেন, তামিমা সুলতানা তাম্মী ও তামিমার মা সুমি আক্তারকে দোষী উল্লেখ করে এ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে পিবিআই উল্লেখ করে, নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানার বিয়ে বৈধ উপায়ে হয়নি। তামিমা ও রাকিব হাসানের বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত নথি জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। রাকিব হাসানকে ডিভোর্স না দিয়েই তাম্মি ক্রিকেটার নাসিরকে বিয়ে করেন।

এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীমের আদালতে তাম্মির সাবেক স্বামী মো. রাকিব হাসান মামলাটি দায়ের করেন। পরে আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে নথি পর্যালোচনা শেষে মামলাটি পিবিআইকে তদন্ত করার নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও রাকিবের বিয়ে হয়। তাদের ৮ বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। তাম্মি পেশায় একজন কেবিন ক্রু। চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও ক্রিকেটার নাসিরের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। পরে গণমাধ্যমে তিনি ঘটনার বিষয়ে সম্পূর্ণ জেনেছেন।’

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ‘রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান অবস্থাতেই তাম্মি নাসিরকে বিয়ে করেছেন; যা ধর্মীয় এবং রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ। নাসির তাম্মিকে প্রলুব্ধ করে নিজের কাছে নিয়ে গিয়েছেন।’

আরও বলা হয়েছে, ‘তাম্মি ও নাসিরের এমন অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার ৮ (আট) বছর বয়সী শিশু কন্যা মারাত্মকভাবে মানসিক বিপর্যস্ত হয়েছেন। আসামিদের এহেন কার্যকলাপে রাকিবের চরমভাবে মানহানি হয়েছে; যা তার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।’

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত কাজী অফিস। আমাদের ফেইসবুক পেইজে আপনাকে স্বাগতম 🙂আমাদের সেবা সমূহঃ•বিবাহ ও ডিভোর্স...
04/09/2021

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত কাজী অফিস। আমাদের ফেইসবুক পেইজে আপনাকে স্বাগতম 🙂
আমাদের সেবা সমূহঃ

•বিবাহ ও ডিভোর্স রেজিষ্ট্রেশন।
•বিবাহ ও তালাক বিষয়ে পরামর্শদান।
•ইংরেজি, আরবী নিকাহনামা ও ম্যারিজ সার্টিফিকেট প্রদান।
•প্রয়োজনে হোম সার্ভিস ও অনলাইন সার্ভিস প্রদান।

[১] বিয়ে করতে/রেজিষ্ট্রেশন করতে কি কি লাগে?

•বর ও কনের বয়স কমপক্ষে ২১ ও ১৮ হতে হবে।
•অনলাইন জন্ম নিবন্ধন অথবা আইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে।
•সাক্ষী লাগবে (একজন ওকিল বাপ হিসাবে আর এমনিতে দুইজন সাক্ষী লাগবে)

[২] ডিভোর্সঃ

তিন পদ্ধতিতে হয়ে থাকে বিবাহ বিচ্ছেদঃ

•কনে কর্তৃক বরকে ডিভোর্স (বরের সাইন লাগে না)
•বর কর্তৃক কনেকে ডিভোর্স (কনের সাইন লাগে না)
•খোলা তালাক মিউচুয়াল ডিভোর্স (বর কনের সাইন লাগে)

•বর কর্তৃক কনেকে ডিভোর্স দিলে, কনেকে নোটিশের মাধ্যমে জানাতে হয় ও নোটিশের এক কপি চেয়ারম্যান/ মেয়রের ঠিকানায় পাঠাতে হয়।

•কনে কর্তৃক বরকে ডিভোর্স দিলে, বরকে নোটিশের মাধ্যমে জানাতে হয় ও নোটিশের এক কপি চেয়ারম্যান/ মেয়রের ঠিকানায় পাঠাতে হয়।

•ডিভোর্স চুড়ান্ত ভাবে কার্যকর হয় চেয়ারম্যান/মেয়র নোটিশ পাবার ৯০ দিন পর।

[৩] ডিভোর্স (তালাক) দিতে কি কি লাগে?

•কাবিননামার কপি লাগবে
(যে কাজীর মাধ্যমে বিয়ে করেছেন তার সাথে যোগাযোগ করেন কাবিননামা কপি তুলতে পারবেন)
•কাজী অফিসে ডিভোর্স কার্যক্রম সম্পূর্ণ করতে আসতে হবে।

[৪] কনে ডিবোর্স দিলে কাবিনের টাকা পাবে

•ডিভোর্স যে পক্ষ থেকেই হোক কাবিনের অপরিশোধিত টাকা তিন মাসের ভরনপোষণ কনে পাবে এটাই আইন।

[৪] ডিভোর্সের পর সন্তানের ভরনপোষণঃ

•পুত্র সন্তান ৭ বছর পর্যন্ত
•কন্যা সন্তান ১৮ বছর পর্যন্ত
•মায়ের কাছে থাকবে, বাবা ভরনপোষণ দিবে।

[ আপনাদের বিশ্বস্ত কাজী অফিসঃ ০১৮৮৯ ৪৫৭৪১৬ ]

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত কাজী অফিস, আমাদের অফিশিয়াল ফেইসবুক পেইজে স্বাগতম 💗আমাদের সেবা সমূহঃ[১] বিবাহ ও তা...
23/08/2021

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত কাজী অফিস, আমাদের অফিশিয়াল ফেইসবুক পেইজে স্বাগতম 💗

আমাদের সেবা সমূহঃ

[১] বিবাহ ও তালাক রেজিষ্ট্রেশন।

[২] জটিল সকল তালাক ও বিবাহ সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা ও পরামর্শদান।

[৩] বিদেশ ভ্রমণের জন্যে বাংলা, আরবী ও ইংরেজিতে কাবিননামা, ম্যারেজ সার্টিফিকেট প্রদান।

[৪] বিবাহ ও তালাকের ডকুমেন্টস হারিয়ে গেলে বিশেষ সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা প্রদান।

[৫] বিশ্বস্থতার সাথে সেবা প্রদান।

কাজী অফিসঃ ✆ 01889 457416

[ যে কোন তথ্যসেবা পেতেও আমাদের পেইজে লাইক দিয়ে সাথেই থাকুন, প্রয়োজনে ইনবক্স অথবা সরাসরি কল করুন, ধন্যবাদ ]

বিয়ে করেছি আজ অনেক দিন হয়ে গেল। এর মধ্যে আমার আহলিয়াকে আমি আর আমার বাবা ছাড়া প্রাপ্তবয়স্ক আর কোনো পুরুষ অর্থাৎ নন-মাহরাম...
22/08/2021

বিয়ে করেছি আজ অনেক দিন হয়ে গেল। এর মধ্যে আমার আহলিয়াকে আমি আর আমার বাবা ছাড়া প্রাপ্তবয়স্ক আর কোনো পুরুষ অর্থাৎ নন-মাহরাম কেউ দেখেনি। দেখেনি বলতে দেখতে দেওয়া হয়নি। নতুবা গ্রাম্য রীতি অনুসারে তো বাড়ির বউকে মানুষ দাওয়াত করে এনে দেখাতে হয়।

তবে আশ্চর্যের বিষয় কি জানেন? আমার আহলিয়াকে প্রাপ্ত বয়স্ক কোনো পরপুরুষ না দেখলেও গ্রামের প্রত্যেকটা মানুষ জানে, আমার বউ দেখতে কেমন। অবাক হচ্ছেন তাই না?

প্রথমত, আমি আমার বউকে কাউকে দেখতে দিইনি, এটা গ্রাম্য রীতি অনুযায়ী অস্বাভাবিক। অতএব এজন্যই অনেকের মধ্যে একটা কৌতুহল, "কী আছে ফারজুলের বউয়ের মাঝে?"

অথচ কিছু থাকা না থাকাটা বড় কথা নয়, পর্দা করা প্রত্যেকটি নারীর জন্য ফরজ৷ এবং প্রত্যেকটি পুরুষের উপর ফরজ বিধান হলো, তার মা, বোন, স্ত্রী ও মেয়েকে পর্দার মধ্যে রাখা।

দ্বিতীয়ত, গ্রামের মানুষের ভাষ্যমতে আমার আহলিয়া দেখতে "কালো" যদিও আমার কাছে সে কালো নয়।

পরপুরুষদের আটকানো গেলেও গ্রামের মহিলাদের তো আর আটকানো যায় না। গ্রামের এমন কোনো মহিলা নেই, যে আমার বউকে দেখতে আসেনি। অধিকাংশ এসেছে কৌতুহল নিয়ে।

- "কী এমন মেয়ে বিয়ে করে নিয়ে আসছে যে পুরুষদেরকে দেখতে দেয় না, যায় দেখে আসি তো।"

আর এইসব মহিলাদের থেকেই গ্রামের সব পুরুষদের কানে চলে গেছে,
"ফারজুলের বউ তো দেখতে কালো। যেভাবে সিন্দুকের মধ্যে ভরে রাখছে, ভাবছিলাম না জানি কত সুন্দরী।"

মাত্র তিনদিনেই আমি যেন গ্রামের সকলের নিকট হাসির পাত্র হয়ে গেলাম। দোকানের পাশ দিয়ে হাটে গেলেও দুষ্টুমির ছলে একেকজন একেক ধরনের কথা বলে। আমি সব সহ্য করে পাশ কেটে চলে যায়৷

ওদিকে গ্রামের মহিলারাও বাসায় এসে মা, বোনকে এটা-ওটা বলে।

বাড়ির বড় বউ কত সুন্দর, ছোট বউটা ওমন কেন আনলো? মেয়ের বাপের অনেক টাকা-পয়সা আছে বুঝি? এমনকি এটাও বলছে- "ধরা খাইয়া বিয়া পড়ায় দিছে নাকি?"

এসব কথা শুনে শুনে আমার মা ও বোনও আমার আহলিয়ার প্রতি বেশ বিরক্ত। আমাকেও বকাঝকা করে, কেন এই মেয়েকে বিয়ে করে আনলাম।"

কিন্তু তারা বুঝে না আমি কেন তাকে বিয়ে করেছি। অবশ্য বুঝতে বেশি সময়ও লাগেনি। পরিবারের প্রতি আমার আহলিয়ার শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, আচার-ব্যবহার, ইলম ও আমল আমার মা ও বোনকে মুগ্ধ করে তুলেছে।

আর আমি? বাইরে থেকে বাসায় ফেরার পর ঘরে ঢুকতেই সালাম দেওয়া/নেওয়ার সাথে সাথে তার মুখের সেই ভুবন ভোলানো হাসি আর মৃদু লজ্জা রাঙা চাহনি, তাতেই আমি মুগ্ধ। আর আমার প্রতি তার শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও আনুগত্যের কথা না হয় নাইবা বললাম। আলহামদুলিল্লাহ।

সে কালো, তবে সে আমার আহলিয়া হয়ে আসার পর থেকে আমাদের ঘরটা আলোকিত করে ফেলেছে। তাই তো মা তার নাম দিয়েছে "নূর"।

বিয়ের মাস খানেক পর...

গ্রামের কেউ এখন আর আমার বউয়ের বিষয়ে নেগেটিভ কিছু বলে না। কারণ তারা যতবারই আমাদের বাসায় এসেছে ততবারই আমার আহলিয়ার থেকে এতটা সমাদর পেয়েছে যেন তারা এক যুগ পর বেড়াতে আসা কোনো মেহমান।

আমি এমনি একজনকে চেয়েছিলাম, যে আমার সংসারটাকে জান্নাতের টুকরোর পরিণত করবে। হোক সে কালো বা ফর্সা। আলহামদুলিল্লাহ।

~ Farjul Islam Ovoy

Address

Dhaka

Telephone

+8801889457416

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কাজী অফিস - kazi office posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share