Amazing Lights of Qur’an স্রষ্টার আনুগত্য কর,সৃষ্টির রহস্য অন্বেষন কর।

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Amazing Lights of Qur’an স্রষ্টার আনুগত্য কর,সৃষ্টির রহস্য অন্বেষন কর।

Amazing Lights of Qur’an     স্রষ্টার আনুগত্য কর,সৃষ্টির রহস্য অন্বেষন কর। Gmail [email protected] In the Next if require.

12/12/2024
07/04/2022

আল্লাহ কেয়ামতের দিন প্রথম হিসাব নিবে নামাজের----- তাই দুনিয়া ও আখেরাতের জীবনের হিসাব মিলিয়ে দেখ তোমার রাস্তা কোনটিঃ জীবন যার আছে, মৃত্যু তার নিশ্চিত। মৃত্যুর পর ৩টি জিনিস মানুষকে অনুসরণ করে। এ তিন জিনিসের মধ্যে দুইটি ফিরে আসে তথা দুনিয়াতেই থেকে যায়। আর একটি জিনিস মৃতব্যক্তির সঙ্গী হয়। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে পাকে বিষয়টি সুষ্পষ্ট করেছেন।
মৃতব্যক্তিকে অনুসরণকারী জিনিস তিনটি কী? মৃত ব্যক্তিকে অনুসরণ করা তিনটি জিনিস। প্রথমঃ তার আত্মীয় সব্জন। দ্বিতীয়ঃ তার ধন সম্পদ। তৃতীয়ঃ তার আমল। কবর দেয়ার পর প্রথম দুটি আত্মীয় সব্জন ও ধন সম্পদ দুনিয়াতে ফিরে আসে এবং তৃতীয়ঃ তার আমল তার সাথে রয়ে যায়। (বুখারি ও মুসলিম)। তাই যার আমল ভালো সে মুক্তি পায়, আর যার আমল খারাপ হয়, তার জন্য অপেক্ষা করে সীমাহীন বিপদ।

মহান আল্লাহ মানুষকে স্মরণ রাখার জন্য কোরআনুল কারিমে ঘোষণা করেছেন-
کُلُّ نَفۡسٍ ذَآئِقَۃُ الۡمَوۡتِ ؕ وَ اِنَّمَا تُوَفَّوۡنَ اُجُوۡرَکُمۡ یَوۡمَ الۡقِیٰمَۃِ ؕ فَمَنۡ زُحۡزِحَ عَنِ النَّارِ وَ اُدۡخِلَ الۡجَنَّۃَ فَقَدۡ فَازَ ؕ وَ مَا الۡحَیٰوۃُ الدُّنۡیَاۤ اِلَّا مَتَاعُ الۡغُرُوۡرِ জীব মাত্রই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। আর কিয়ামতের দিনই তোমাদের কর্মফল পূর্ণমাত্রায় প্রদান করা হবে। সুতরাং যাকে দোযখের আগুন থেকে দূরে রাখা হবে এবং যে বেহেশ্তে প্রবেশ করবে, সেই হবে সফলকাম। আর পার্থিব জীবন ছলনাময় ভোগ ব্যতীত কিছুই নয়। সূরা আল ইমরান,আয়াত-১৮৫। সুতরাং মুমিন মুসলমানের জন্য একান্ত করণীয়, মৃত্যুর আগে নেক আমলের প্রতি মনোযোগী হওয়া। অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকা। পরকালের সফলতায় কোরআনসুন্নাহর দিকনির্দেশনা মেনে চলা।

তাই আসুন আমরা আমাদের দুনিয়ার জীবনের হিসাব মিলিয়ে নেইঃ

মিলিয়ে দেখুন আপনার আমলের সাথেঃ
ফজর- ২ x ৩৬৫ দিন = ৭৩০ রাকাআত
যােহর- ৪ x ৩৬৫ দিন = ১৪৬০ রাকাআত
আসর- ৪x ৩৬৫ দিন = ১৪৬০ রাকাআত
মাগরিব- ৩ x ৩৬৫ দিন = ১০৯৫ রাকাআত
এশা- ৪x ৩৬৫ দিন = ১৪৬০ রাকাআত
মোট = ৬২০৫ রাকাআত
সুন্নাত এবং নফল সালাত তা বাদই দিলাম !!
১ বছরে (৩৬৫ x ৫) = ১৮২৫ ওয়াক্ত সালাত।
অর্থাৎ বছরে ১৮২৫ বার আপনাকে আযানের মাধ্যমে ডাকা হয়েছে।
আপনি কতবার সাড়া দিয়েছিলেন ?
আপনার মনে কি একটুও অনুশোচনা হয়নি ?
কি ভেবেছেন আল্লাহর কাছে হিসাব দিতে হবে না ?
কোঁথায় পালাবেণ,পালানোর কোন যায়গা নেই ?
এখানে শুধু ১ বছরের ফরয নামাজের হিসাব তুলে ধরা হল,
আল্লাহ্'র কাছে পুরো জীবনের হিসাব কিভাবে দিবেন. ?
কি অবস্থা হবে সেদিন ?
ভেবে দেখুন ?
রমজান তাকওয়া অর্জনের মাস তাই সবাই রোজার মাধ্যমে তাকওয়া ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করিঃ


রমজান রহমত,বরকত ও নাজাতের মাস। রোজা ও ইবাদতেঁর মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা যায়।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাস পাওয়ার আশায় দুই মাস আগে অর্থাৎ রজব মাস থেকেই রমজানের প্রস্তুতি গ্রহণ করতেন এবং দোয়া করতেন "হে আল্লাহ! আপনি রজব ও শাবান মাসে আমাদের বরকত দান করুন এবং আমাদেরকে রমজানে পৌঁছে দিন"। মাহে রমজান,রহমত,বরকত ও মাগফেরাতের মাস,আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দার জন্য এক বিশেষ নেয়ামত স্বরূপ শ্রেষ্ঠ উপহার।
রমজানে মুমিন মুসলমানের অন্যতম কাজ হলো তাকওয়া অর্জন করা। তাকওয়া অর্জন করার একমাত্র উপায় রোজা। আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমের ঘোষণা করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর; যেন তোমরা তাকওয়া বা পরহেযগারী অর্জন করতে পার।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৩) রোজা এমনই এক ইবাদত। যা দুনিয়ার সব নবি-রাসুলের ওপর ফরজ ছিল। রোজা ফরজ হওয়ার অন্যতম কারণ হলো তা মানুষকে তাকওয়ার শিক্ষা দেয়। আর এ কারণেই আল্লাহ তাআলা নিজ হাতে রোজার প্রতিদান বণ্টন করবেন। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রোজা ও ইবাদতেঁর মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের তাওফিক দান করুন। আমিন।
শবে কদরের ফজিলতঃ শবে কদর এমন একটি রজনী যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। সুরা কদর, আয়াত : ১-৩।

শবে কদরের ফজিলতঃ লাইলাতুল কদরের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো— এ গৌরবময় রজনীতে মানবজাতির পথপ্রদর্শক ও মুক্তির সনদ ঐশী গ্রন্থ "আল কোরআন" অবতীর্ণ হয়েছে। শবেকদর সম্পর্কে কোরআন মাজিদে ইরশাদ হয়েছে, "নিশ্চয়ই আমি কোরআন নাজিল করেছি লাইলাতুল কদরে। আপনি কি জানেন লাইলাতুল কদর কী? লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম"। সুরা কদর, আয়াত : ১-৩।
শ্রেষ্ঠতম এ রাতের ইবাদতে রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। হাদিস শরিফে এসেছে, "যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে সওয়াবের আশায় কদরের রাতে ইবাদত করবে, তার আগের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে"।মুসলিম-৭৬০; বুখারি-২০১৪। তাই এসো হে মুসলিম উম্মাহ,এ রাতে আল্লাহ্‌ কাছে অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করে পুণ্যতা অর্জন করি। আল্লাহ্‌ আমাদের তাওফিক দিন। আমিন।

••• স্ত্রীর  প্রতি স্বামীর  অধিকার   ? ১।*** মহানবী সা: বলেছেন “ স্বামী যখন তাঁর স্ত্রীকে দৈহিক প্রয়োজনে আহবান করবে, সে...
22/03/2022

••• স্ত্রীর প্রতি স্বামীর অধিকার ?

১।*** মহানবী সা: বলেছেন “ স্বামী যখন তাঁর স্ত্রীকে দৈহিক প্রয়োজনে আহবান করবে, সে যেনো স্বামীর কাছে অত্যন্ত দ্রুত চলে আসে । এমনকি সে রান্না ঘরে রুটি পাকানোর কাজে ব্যস্ত থাকলেও।
সুত্রঃ সুনানে তিরমিযি ১১৬০,সহী জামে ৫৩৪।

২।*** মহানবী সা: বলেছেন “ যে স্ত্রী স্বামীর ডাকে সাঁড়া দেয় না এবং স্বামী রাগান্বিত অবস্হায় সারারাত একাকী কাটায়, সে স্ত্রীর উপর ফিরিশ্তারা সকাল পর্যন্ত লা’নত দিতে থাকে ।”
সুত্রঃ সহী বোখারি ৫১৯৩,সহী মুসলিম ১৪৩৬।

৩।*** মহানবী সা: বলেছেন “ তিন ব্যক্তির নামাজ তাঁদের মাথা অতিক্রম করেনা অর্থাৎ কবুল হয়না । তন্মধ্যে একজন হলেন অবাধ্য স্ত্রী , যে স্বামীর ডাকে সাঁড়া দেয় না এবং স্বামী রাগান্বিত অবস্হায় ঘুমায় ।”
সুত্রঃ তাবরানী ১০৮৬,সুনানে তিরমিযি ৩৬০।

৪। *** মহানবী সা: বলেছেন “ স্বামীর অনুমতি ব্যতিরেকে নফল রোজা রাখা যাবেনা এবং স্বামীর অপছন্দ ব্যক্তিকে ঘরে প্রবেশ করানো যাবেনা ।”
সুত্রঃ সহী বোখারি ৫১৯৫,ছহীহ মুসলিম ২৪১৭।

৫। ***মহানবী সা: বলেছেন “ পরকালে আল্লাহপাক স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ স্ত্রীর দিকে তাকাবেন না।
সুত্রঃ নাসাঈ কুবরা ৯১৩৫,বাইহাক্বী ১৪৪৯৭।

৬। *** মহানবী সা: বলেছেন “ কোন স্ত্রী যদি তাঁর স্বামীর অধিকার সম্পর্কে জানতো, দিনে বা রাতের খাবার শেষ করে স্বামীর পাশে সারাক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতো ।”
সুত্রঃ সহী জামে ৫২৫৯,তাবরানী।

৭। *** মহানবী সা: বলেছেন “ স্বামীর অবাধ্য স্ত্রীর জন্য জান্নাত হারাম ।”
সুত্রঃ মুসনাদে আহমদ ১৯০০৩, বায়হাক্।

৮।*** মহানবী সা: বলেছেন “ যে স্ত্রী তাঁর স্বামীকে কষ্ট দেয়, জান্নাতের হুরেরা বলেন “ তোমার স্বামীকে কষ্ট দিওনা । তিনি তোমার কাছে সাময়িক মেহমান মাত্র । তোমাকে ছেড়ে অচিরেই আমাদের কাছে ফিরে আসবে ।”
সুত্রঃ তিরমিযি ১১৭৪, ইব্নে মাজাহ ২০১৪।

৯।*** আল্লাহ বলেন "মা- বাবা সহ সকলের মৃত্যুতে শোক পালন হচ্ছে মাত্র ৩ দিন পর্যন্ত । পক্ষান্তরে স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করতে হবে ৪ মাস ১০ দিন" । সুত্রঃ সূরা আল বাক্বারা ২৩৪,সহী বোখারি ১২৮০, সহী মুসলিম ৩৮০২।

আল্লাহ বলেন,আমি মানুষ কে সৃষ্টি করেছি সুন্দরতম আকৃতিতে।সূরা ত্বীন আয়াত-৪
09/03/2022

আল্লাহ বলেন,আমি মানুষ কে সৃষ্টি করেছি সুন্দরতম আকৃতিতে।সূরা ত্বীন আয়াত-৪

28/02/2022

Address

50/6/2 West Hazipara, Dhaka/
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amazing Lights of Qur’an স্রষ্টার আনুগত্য কর,সৃষ্টির রহস্য অন্বেষন কর। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share