Fol-Fruit BD

Fol-Fruit BD This is the best Market for fruits in Bangladesh. We are provided fresh food in Bangladesh.

ডালিম কেন খাবেনডালিম ফলটি দেখতে যেমন সুন্দর। এর পুষ্টিগুণও কিন্তু ব্যাপক। ডালিমে প্রচুর পরিমাণে রোগ প্রতিরোধক অ্যান্টি অ...
24/08/2021

ডালিম কেন খাবেন

ডালিম ফলটি দেখতে যেমন সুন্দর। এর পুষ্টিগুণও কিন্তু ব্যাপক। ডালিমে প্রচুর পরিমাণে রোগ প্রতিরোধক অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে। ডালিমে খাদ্যশক্তি, শর্করা, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন ই, ভিটামিন কে, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও জিংক রয়েছে। একইসাথে ফলটি ভিটামিন ‘বি’ কমপ্লেক্স যেমন থায়ামিন, রাইবোফ্লাবিন, নিয়াসিন এবং আয়রন ভালো উৎস। চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখতেও কাজ করে ডালিম। একইসাথে ডালিমের গুণাবলী রক্তের তারল্য ঠিক রাখে এবং হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। ডালিম ভাইরাস প্রতিরোধোক। সাধারণ সর্দিকাশি, শ্বাসকষ্ট ও বাতের ব্যথা দূর করতে এর জুড়ি নেই। ডালিমের রয়েছে আরো কিছু গুণ। চলুন জেনে নিই-১. বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।২. ডালিমের খোসা ডায়রিয়া ও ডিসেন্ট্রি প্রতিহত করে।৩. ডালিমের বিচি থেকে তৈরি তেলে রয়েছে ব্যাকটেরিয়াবিরোধী উপাদান। মূলত ডালিম শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।৪. ফিতাকৃমির সংক্রমণে ডালিমের মূলের শুকনা ছাল এবং কাণ্ড চিকিৎসার কাজে ব্যবহৃত হয়।৫. ডালিমের ফুল ঋতুস্রাবজনিত সমস্যার ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।৬. ডালিম ঠান্ডাজনিত রোগ উপশম করে।৭. ডালিম অরুচি দূর করে ও খিদে বাড়ায়।৮. দাঁত এবং মুখের রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।৯. ডালিম ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। এর রস খুবই ভালো ত্বক পরিষ্কারক।

তথ্যসূত্র jagonews24.com

যে ৬ কারণে ড্রাগন ফল খাবেনড্রাগন ফলের দাম বেশি হলেও এর স্বাস্থ্য উপকারিতা কিন্তু চমকে ওঠার মতো। বেশ কয়েক বছর ধরে আমাদের ...
30/07/2021

যে ৬ কারণে ড্রাগন ফল খাবেন

ড্রাগন ফলের দাম বেশি হলেও এর স্বাস্থ্য উপকারিতা কিন্তু চমকে ওঠার মতো। বেশ কয়েক বছর ধরে আমাদের দেশে বিদেশি এই ফল চাষ করা হচ্ছে।

একটি ড্রাগন ফলে ৬০ ক্যালরি এবং প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন সি, ওমেগা ৩ ও ওমেগা ৯ থাকে। এই ফলে বিটা ক্যারোটিন ও লাইকোপিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। বিটা ক্যারোটিন শরীরে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়ে ত্বক, চোখ ও ইমিউন সিস্টেমের উন্নতি করে। এখানে ড্রাগন ফলের কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা উল্লেখ করা হলো।

কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে: একটি ড্রাগন ফলে প্রায় ৭ গ্রাম ফাইবার থাকে, যা দৈনিক সুপারিশকৃত পরিমাণের চারভাগের প্রায় একভাগ। এটা অন্ত্রের বর্জ্য দূরীকরণে সহায়তা করে। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রবণতা রয়েছে তারা এই ফল খেলে উপকার পেতে পারেন। সালসা তৈরি করে অথবা ফ্রুট সালাদ বা স্মুদিতে যোগ করে ড্রাগন ফল খেতে পারেন। এই ফলের স্বাদ হালকা।

হার্টের উপকার করে: ড্রাগন ফলের বীজে হার্টের জন্য উপকারী ওমেগা ৩ ও ওমেগা ৯ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। নিউ ইয়র্কের পুষ্টিবিদ ও দ্য স্মল চেঞ্জ ডায়েটের লেখক কেরি গানস বলেন, ‘ড্রাগন ফলের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে প্রদাহনাশক উপাদান রয়েছে। একারণে এই ফল খেলে হার্টের রোগের ঝুঁকি ও জয়েন্টের ব্যথা কমে যায়। ড্রাগন ফল খেলে বিষণ্নতাও কমতে পারে।’

হাড়ের স্বাস্থ্য ঠিক রাখে: অধিকাংশ ফলের চেয়ে ড্রাগন ফলে ম্যাগনেসিয়াম বেশি থাকে। এটা হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করে। অস্টিওপোরোসিসে হাড় এতই দুর্বল হয়ে যায় যে সহজেই ভেঙে পড়তে পারে। এক বাটি ড্রাগন ফলে দৈনিক সুপারিশকৃত ম্যাগনেসিয়ামের প্রায় ১৮ শতাংশ পাওয়া যায়। জার্নাল অব ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল রিসার্চে প্রকাশিত গবেষণা বলছে, মাসিক চক্র স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে এমন নারীদের হাড়ের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে ড্রাগন ফল বিশেষ সহায়ক হতে পারে।
রক্ত চলাচল বজায় রাখে: বিশ্বের একটি অতি পরিচিত পুষ্টি ঘাটতি হলো আয়রনের ঘাটতি। নারীদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। মাংস, মাছ, বাদাম ও ডাল জাতীয় খাবার থেকে আমরা অধিকাংশ আয়রন গ্রহণ করে থাকি। মাত্র কিছু ফলে উচ্চ পরিমাণে আয়রন পাওয়া যায়। এসব ফলের একটি হলো ড্রাগন ফল। ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলে ১.৯ মিলিগ্রাম আয়রন রয়েছে, যা দৈনিক সুপারিশকৃত মাত্রার ১০ শতাংশেরও বেশি। হিমোগ্লোবিন উৎপাদনের জন্য আয়রন প্রয়োজন, যা শরীরের টিস্যুতে অক্সিজেন পৌঁছাতে লোহিত রক্তকণিকাকে সাহায্য করে।

চুলপড়া প্রতিরোধ করে: আয়রন ঘাটতির কারণে চুলপড়া সমস্যাও হতে পারে। নিয়মিত ড্রাগন ফল খেলে চুলপড়া কমতে পারে। এছাড়া নিউ ইয়র্ক সিটির আইকান স্কুল অব মেডিসিনের ডার্মাটোলজি বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্লিনিক্যাল প্রফেসর গ্যারি গোল্ডেনবার্গের মতে, এই ফল আয়রন ঘাটতি জনিত রক্তস্বল্পতার অন্যান্য উপসর্গও প্রশমিত করতে পারে, যেমন- অত্যধিক ক্লান্তি, ত্বকের বিবর্ণতা, মনোনিবেশে সমস্যা, মাথাব্যথা ও হাত-পায়ে ঠান্ডা অনুভূতি।

ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে: ভাইরাস সংক্রমণে আমরা সাধারণত কমলার মতো ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলের দিকে ঝুঁকে পড়ি, কারণ ভিটামিন সি ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে তোলে। কিন্তু ইমিউন সিস্টেমের কার্যক্ষমতা বাড়াতে ডায়েটে ড্রাগন ফলকে রাখার কথাও বিবেচনা করতে পারেন। এতেও প্রচুর ভিটামিন সি থাকে। বেথ ওয়ারেন নিউট্রিশনের প্রতিষ্ঠাতা ও পুষ্টিবিদ বেথ ওয়ারেন বলেন, ‘অক্সিডেটিভ স্ট্রেস জনিত ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে যে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট প্রয়োজন তা ফল ও শাকসবজিতে রয়েছে। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের একটি প্রাচুর্যপূর্ণ উৎস হলো ড্রাগন ফল।’

তথ্যসূত্র : সংগৃহীত

দোকানের মত অনলাইনও ‘ভরপুর’ আমে।দোকানের তাকগুলো নানা জাতের এই মৌসুমি ফলে নতুন ‘রঙ’ পেয়েছে। ক্রেতারাও কিনছেন আগ্রহ ভরে। ভর...
18/06/2021

দোকানের মত অনলাইনও ‘ভরপুর’ আমে।

দোকানের তাকগুলো নানা জাতের এই মৌসুমি ফলে নতুন ‘রঙ’ পেয়েছে। ক্রেতারাও কিনছেন আগ্রহ ভরে। ভর মৌসুম শুরু হতে এখনও একটু বাকি বলে দাম কিছুটা বেশিই গুনতে হচ্ছে।

সরবরাহ বাড়তে থাকলেও পাইকারির চেয়ে খুচরাতে এখনও আমের দাম প্রায় দ্বিগুণ বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ও আমের দোকানে মান ও জাতভেদে খুচরায় প্রতি কেজি আম ৭০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি পর্যায়ে এই দাম ৩৫ থেকে ৭০ টাকা।

দিন যত যাচ্ছে রাজধানীর বাজার, অলিগলি ও ফুটপাতের দোকান, ভ্রাম্যমাণ ফেরিওয়ালা কিংবা ভ্যানে যেমন পসরা বাড়ছে, তেমনি মহামারীকালে অনলাইনেও বড় পরিসরে আম বিক্রি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

অসংখ্য ওয়েবসাইট ও ফেইসবুক পেইজের মাধ্যমে রাজধানী ও এলাকাভিত্তিক উদ্যোক্তারা বিভিন্ন জাতের আম বিক্রি করছেন। দামও দোকানে বিক্রি করা আমের কাছাকাছি কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত।

ঢাকা মহানগর ফল আমদানি-রপ্তানিকারক ও আড়তদার ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এবার ফলন ভালো, ক্রেতারাও সস্তায় পাবেন বলে মনে হচ্ছে। এখন পাইকারি দর ৩৫ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে বিভিন্ন জাতের আম বিক্রি হচ্ছে।”

তিনি জানান, মে মাসের শুরুতে সাতক্ষীরার আম বাজারে আসতে শুরু করে। কারণ এই অঞ্চলের আম একটু আগেভাগেই পাকা শুরু হয়।

গত ১০ দিন ধরে রাজশাহী অঞ্চলের আমও আসা শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।

img

দোকানের মত অনলাইনও ‘ভরপুর’ আমে
2021-05-29 23:03:13
তাবারুল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
bdnews24
bdnews24
দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উৎপাদিত আম আসছে রাজধানীতে। শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ভ্যানে করে আম বিক্রি করতে দেখা যায়। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি
bdnews24
ফেইসবুকে এভাবেই পেইজ বা গ্রুপ খুলে আম সরবরাহ করছেন অনেকে। পরিচিতদের কাছে পাঠানোর মাধ্যমে শুরু এসব উদ্যোগ নিজেদের গণ্ডি পেরিয়ে সফলও হচ্ছে।
রঙ একটু গাঢ় হতেই আর পঞ্জিকার তারিখ মিলতেই যেন অপেক্ষা ফুরল, জ্যৈষ্ঠের ফল উৎসবে নেমে পড়তে চাষিরা আম পাড়তে শুরু করলেন। নানা জাতের সেই আম ট্রাকের পাশাপাশি ‘ম্যাংগো ট্রেনে’ এসে ভরপুর করে রেখেছে রাজধানীর বাজার।

দোকানের তাকগুলো নানা জাতের এই মৌসুমি ফলে নতুন ‘রঙ’ পেয়েছে। ক্রেতারাও কিনছেন আগ্রহ ভরে। ভর মৌসুম শুরু হতে এখনও একটু বাকি বলে দাম কিছুটা বেশিই গুনতে হচ্ছে।

সরবরাহ বাড়তে থাকলেও পাইকারির চেয়ে খুচরাতে এখনও আমের দাম প্রায় দ্বিগুণ বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ও আমের দোকানে মান ও জাতভেদে খুচরায় প্রতি কেজি আম ৭০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি পর্যায়ে এই দাম ৩৫ থেকে ৭০ টাকা।

দিন যত যাচ্ছে রাজধানীর বাজার, অলিগলি ও ফুটপাতের দোকান, ভ্রাম্যমাণ ফেরিওয়ালা কিংবা ভ্যানে যেমন পসরা বাড়ছে, তেমনি মহামারীকালে অনলাইনেও বড় পরিসরে আম বিক্রি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

অসংখ্য ওয়েবসাইট ও ফেইসবুক পেইজের মাধ্যমে রাজধানী ও এলাকাভিত্তিক উদ্যোক্তারা বিভিন্ন জাতের আম বিক্রি করছেন। দামও দোকানে বিক্রি করা আমের কাছাকাছি কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত।

ঢাকা মহানগর ফল আমদানি-রপ্তানিকারক ও আড়তদার ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এবার ফলন ভালো, ক্রেতারাও সস্তায় পাবেন বলে মনে হচ্ছে। এখন পাইকারি দর ৩৫ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে বিভিন্ন জাতের আম বিক্রি হচ্ছে।”

তিনি জানান, মে মাসের শুরুতে সাতক্ষীরার আম বাজারে আসতে শুরু করে। কারণ এই অঞ্চলের আম একটু আগেভাগেই পাকা শুরু হয়।

গত ১০ দিন ধরে রাজশাহী অঞ্চলের আমও আসা শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।

বিক্রেতারা জানান, রোজার মাঝামাঝি থেকেই সাতক্ষীরা, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গাসহ কিছু এলাকার গুটিসহ কয়েকজাতের আম মিলছিল বাজারে। এর সঙ্গে এখন অন্য এলাকার আমে বাজার ভরপুর হতে শুরু করেছে।
ইতোমধ্যে রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ থেকে গোপালভোগ, লক্ষ্মণভোগ, হিমসাগর জাতের আম উঠতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন আম ব্যবসায়ীরা।

আমের এলাকা হিসেবে পরিচিত জেলাগুলোতে পরিপক্ক না হওয়া পর্যন্ত আম পাড়া বন্ধ রাখতে বেঁধে দেওয়া সময়সীমার নির্দেশনা এবারও বহাল রেখেছে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন।

এই সিদ্ধান্ত মেনে রাজশাহীতে ১৫ মে থেকে গুটি আম, ২০ মে গোপালভোগ, ২৫ মে লক্ষ্মণভোগ এবং ২৮ মে থেকে হিমসাগর আম পাড়া শুরু করেছেন চাষিরা।

আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে ল্যাংড়া, আম্রপালি, ফজলিসহ অন্যান্য বেশ কয়েক জাতের আম বাজারে আসবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এরপর জুনের মাঝামঝিতে বাজারে আসবে হাড়িভাঙ্গা ও মোহনভোগ, জুনের শেষে মল্লিকা, জুলাইয়ে আশ্বিনা ও বারি আম-৪ এবং অগাস্টে দুই-একটি জাতের আম পাড়া হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

রাজধানীর বাজারগুলোতে খুচরা পর্যায়ে গুটি আম কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গোপালভোগ, লক্ষ্মণভোগ, হিমসাগর ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা।

নগরীর বায়তুল মোকাররম এলাকার ফল বিক্রেতা আতাউর রহমান জানান, তিনি বছরজুড়ে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ধরনের ফল বিক্রি করেন। দেশি ফলের মৌসুমে অন্যান্য ফলের চেয়ে আম বেশি বিক্রি হয়।

“আম-লিচুর মৌসুম শুরু হয়েছে। আমরা গত প্রায় এক মাস ধরে ওয়াইজঘাট-বাদামতলীর পাইকারি বাজার থেকে এনে বিক্রি করছি। আমের সরবরাহ বাড়ার সাথে সাথে দামও কমে আসছে।”

দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উৎপাদিত আম আসছে রাজধানীতে। শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ভ্যানে করে আম বিক্রি করতে দেখা যায়। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

‘ম্যাংগো হাট বিডি’ নামে একটি ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে আম বিক্রি করছেন চার উদ্যোক্তা। ২০০৮ সাল থেকে তারা নগরীর মোহাম্মদপুর এলাকায় মৌসুমের সময় অস্থায়ী শোরুমে আম বিক্রি করলেও এবার অনলাইনেও বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছেন।
তাদের একজন বুলবুল হোসেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মানের দিক দিয়ে সবচেয়ে ভালো আম ক্রেতাদের ঘরে পৌঁছে দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা রয়েছে। সরাসরি চাষির কাছ থেকে কিনে যে আম পরিপক্ক কেবল সেগুলোই সরবরাহ করছি।”

তারা ‘ক্যাশ অন ডেলিভারি’ পদ্ধতিতে বিক্রির জন্য অনলাইনে অর্ডার নিচ্ছেন জানিয়ে বুলবুল বলেন, “এখন শুধু ক্ষীরসাপাত জাতের আমের অর্ডার নিচ্ছি। ৩/৪ তারিখের দিকে (জুন) ডেলিভারি দেওয়া শুরু হবে। পরবর্তিতে অন্যান্য জাতের আমের অর্ডার নেওয়া হবে।”

পৌঁছানোর খরচসহ প্রতি কেজি আম ১২০ টাকায় বিক্রি করছেন বলে জানান তিনি।

ফেইসবুক ও অনলাইনে ম্যাংগো বা আম নিয়ে সার্চ দিলে এখন অসংখ্য ওয়েবসাইট ও ফেইসবুক পেইজ পাওয়া যাবে যেগুলো গত শুধু এই বছর নয়, গত কয়েকবছর থেকেই আম বিক্রি করছে।

এর সঙ্গে প্রতিষ্ঠিত ই-কমার্স কিংবা সুপারশপগুলোও অনলাইনে আমের অর্ডার নিচ্ছে। নিয়মিত এসএমএসও পাঠাচ্ছে অফার দিয়ে।

খুচরা বাজার থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে আম কেনার পর রামপুরা এলাকার বাসিন্দা গোলাম মোস্তফা বলেন, “গোলাপভোগ আম কিনেছি, দাম একটু বেশিই মনে হচ্ছে। হয়তো আর কদিন পর এ জাতের আম ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি বিক্রি হবে।”

তিনি বলেন, “খবরে দেখি যেসব জেলায় আম উৎপাদন হয় সেখানে এবার ফলন ভালো হয়েছে, দামও হাতের নাগালের মধ্যে। সেই অনুযায়ী বাজারে আমের দাম আরও কম হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা হচ্ছে না।”

ফেইসবুকে এভাবেই পেইজ বা গ্রুপ খুলে আম সরবরাহ করছেন অনেকে। পরিচিতদের কাছে পাঠানোর মাধ্যমে শুরু এসব উদ্যোগ নিজেদের গণ্ডি পেরিয়ে সফলও হচ্ছে।

এদিকে উত্তরাঞ্চল থেকে ঢাকায় আম পরিবহনের জন্য গত বৃহস্পতিবার ম্যাংগো স্পেশাল-১ ও ২ নামে পার্সেল ট্রেন চালু হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রহনপুর-আমনুরা-রাজশাহী-ঢাকা-রহনপুর রুটে আমের মৌসুমে আগামী দেড় মাস পর্যন্ত বিশেষ ট্রেনগুলো প্রতিদিন ওই রুটে চলাচল করবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকায় আম পরিবহনের জন্য এই ট্রেন চালু হওয়াতে ওই এলাকার আম চাষিদের সুবিধা হয়েছে জানিয়ে ঢাকা মহানগর ফল আমদানি-রপ্তানিকারক ও আড়তদার ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি সিরাজুল বলেন, “আগে পরিবহন সমস্যার কারণে চাষিরা ফরিয়ার কাছে আম-লিচুসহ অন্যান্য ফল ও ফসল বিক্রি করে দিয়েছেন। এবার সরাসরি ঢাকায় আড়তদারের কাছে আম পাঠানোর মত ব্যবস্থা হয়েছে। যে কারণে চাষি পর্যায়ে দাম আগের চেয়ে একটু বেশি পাবে।”

একই কারণে ক্রেতারাও আরেকটু সস্তায় মৌসুমি ফল কিনতে পারবে বলেও জানান এই ফল ব্যবসায়ী।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের মত একইভাবে দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও থেকে আরেকটি বিশেষ ট্রেন চালু করা হলে ওইসব এলাকার চাষিরাও ন্যায্য দাম পেতেন বলে মনে করেন তিনি।

সংগৃহীত

পাকা আমের জুসযা যা লাগবে:আম ৩/৪টি বা হাফ কেজি, চিনি ৫/৬ চামচ বা চিনির সিরাপ ২/৩ চামচ, লেবুর রস ১ চামচ, লবণ বা বিট লবণ ২/...
09/06/2021

পাকা আমের জুস

যা যা লাগবে:
আম ৩/৪টি বা হাফ কেজি, চিনি ৫/৬ চামচ বা চিনির সিরাপ ২/৩ চামচ, লেবুর রস ১ চামচ, লবণ বা বিট লবণ ২/৩ চিমটি, ঠান্ডা পানি পরিমাণ মত।

যেভাবে তৈরি করবেন:

১) আমগুলিকে ধুয়ে খোসা ছিলে টুকরা করে রাখুন।

২) আমের সাথে, চিনি বা চিনির সিরাপ, লেবুর রস, লবন, বিট লবন ও পানি মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।

৩) ব্লেন্ডার করার পর যদি আঁশ থাকে ছেঁকে নিন, তৈরি হয়ে গেল আমের জুস, এরপর গ্লাসে জুস ঢেলে পরিবেশন করুন। (বরফ টুকরা মিশিয়ে নিতে পারেন)

সংগৃহীত

লিচুর আছে গুণ, তবে সাবধান!মৌসুমি ফলগুলো পুষ্টি উপাদানে বেশ সমৃদ্ধ। এর মধ্যে লিচু স্বাদে যেমন অতুলনীয়, পুষ্টি উপাদানেও সম...
09/06/2021

লিচুর আছে গুণ, তবে সাবধান!

মৌসুমি ফলগুলো পুষ্টি উপাদানে বেশ সমৃদ্ধ। এর মধ্যে লিচু স্বাদে যেমন অতুলনীয়, পুষ্টি উপাদানেও সমৃদ্ধ। তবে অনেককেই দেখা যায় থোকাভরা লিচু কিনে এনে একটার পর একটা খেতেই থাকেন। এতে দেখা দিতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে শিশুদের।

আগে জেনে নেওয়া যাক গুণের কথা। অন্য ফলের তুলনায় লিচুতে কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিন তুলনামূলক কম। তবে ভিটামিন এ, সি, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন ও ফলিক এসিড থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে।

লিচু আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে। অন্যদিকে লিচুতে থাকা রাসায়নিক উপাদানগুলো শ্বেতরক্তকণিকা বাড়াতে সাহায্য করে।

এনরাউট ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের পুষ্টিবিদ রাশেদা আফরিন মেরিনা বলেন,‘লিচু আমাদের শরীরে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে রাখে। লিচুতে থাকা আঁশ জাতীয় উপাদান খাদ্য পরিপাক ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এ ছাড়া এই আঁশগুলো শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতেও ভূমিকা রাখে। লিচুতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে। ভালো রাখে ত্বকও। অন্যদিকে লিচু অ্যাজমা ও হাঁপানি রোগেও বেশ উপকারী। তবে অতিরিক্ত লিচু খেলে বদহজম হতে পারে।'

খালি পেটে শিশুরা লিচু খেতে পারবে কিনা জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসিডেন্ট চিকিৎসক ডা. আবীর হাসান বলেন, ‘খালি পেটে শিশুরা অনেক বেশি লিচু খেলে ক্ষতি হবেই। লিচু হজমের সময় এক ধরনের টক্সিন তথা বিষাক্ত পদার্থ বের হয় যা নিষ্ক্রিয় করতে একটি এনজাইমের দরকার হয়। ওটা আবার অনেক শিশুর লিভারে তৈরি হয় না। বিশেষ করে অপুষ্টিতে ভুগছে এমন শিশু। হাইপোগ্লাইসিন নামের এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ লিচুতে থাকে। এই পদার্থ শরীরে গ্লুকোজ তৈরিতে বাধা দেয়। শিশুরা যদি খালি পেটে মাত্রাতিরিক্ত লিচু খেয়ে ফেলে তবে তাদের শরীরে শর্করা অনেক কমে যায়। কারণ রাসায়নিকটি শিশুদের শরীর প্রাকৃতিকভাবে নিষ্ক্রিয় করতে পারে না। ফলে বমি ও খিচুনি দেখা দেয় এবং ক্ষেত্রবিশেষে মৃত্যুও হতে পারে।

অতিরিক্ত লিচু খেলে ক্ষতি কী হতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের কনসালট্যান্ট ডা.আনিসুর রহমান বলেন,‘লিচু মিষ্টিজাতীয় ফল। তাই অতিরিক্ত খেলে প্রথমে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যাবে। সেই শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখতে বেশি ইনসুলিন নিঃসৃত হবে। এতে আবার হাইপোগ্লাইসেমিয়ার আশঙ্কা থাকে। অন্যদিকে অতিরিক্ত লিচু খেলে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রাও নষ্ট হতে পারে।'

তথ্যসূত্র: সংগৃহীত

পাকা আমের জেলি রেসিপিবাজারে এ সময় পাওয়া যাচ্ছে পাকা আম। বছরজুড়ে খাওয়ার জন্য ঘরে তৈরি করতে পারেন পাকা আমের জেলি। জেলি বান...
09/06/2021

পাকা আমের জেলি রেসিপি

বাজারে এ সময় পাওয়া যাচ্ছে পাকা আম। বছরজুড়ে খাওয়ার জন্য ঘরে তৈরি করতে পারেন পাকা আমের জেলি।

জেলি বানানোর জন্য মিষ্টি আম কিনতে হবে। একদম নরম হয়ে যাওয়া আম না নিয়ে সামান্য শক্ত আম কিনুন।

যেভাবে তৈরি করবেন–
উপকরণ

আমের পিউরি ৩ কাপ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ ও চিনি স্বাদমতো।

প্রণালি

আম ছোট টুকরা করে ব্লেন্ড করে চিনি মিশিয়ে চুলায় মাঝারি আঁচে ১৫ মিনিট জ্বাল দিন। এবার লেবুর রস দিয়ে আরও ১০ মিনিট জ্বাল দিন। মিশ্রণ ঘন হয়ে এলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে বয়ামে ভরে সংরক্ষণ করুন।

তথ্যসূত্র যুগান্তর

অনেক গুণের পাকা আমআমকে বলা হয় ফলের রাজা। গ্রীষ্মের এই সময়ে রসালো আম থাকে বাজারজুড়ে। ভিটামিন এ, বি, সি, ই সমৃদ্ধ পাকা আম ...
08/06/2021

অনেক গুণের পাকা আম

আমকে বলা হয় ফলের রাজা। গ্রীষ্মের এই সময়ে রসালো আম থাকে বাজারজুড়ে। ভিটামিন এ, বি, সি, ই সমৃদ্ধ পাকা আম শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। ২০ ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে এই ফলে। জেনে নিন পাকা আমের উপকারিতা সম্পর্কে।

মস্তিষ্ক ও স্মৃতিশক্তি উন্নত করে
আমাদের স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে আম খুব ভালো ভূমিকা রাখে। এই ফলের গ্লুটামিক অ্যাসিড মস্তিষ্কের কোষগুলোকে উজ্জীবিত করে মনোযোগ বাড়িয়ে দেয়। তাই পরীক্ষার সময় ও মস্তিষ্কের চাপ যখন বেশি থাকে, তখন আম খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।

হৃদরোগ ও আলঝেইমার প্রতিরোধ করে
আমে প্রচুর বিটা ক্যারোটিন থাকে, যা ভিটামিন এ এর উৎস। আর তাই এই ফল হৃদরোগ, ভুলে যাওয়া রোগ আলঝেইমার এবং পার্কিনসন্স ও আথ্রাইটিস প্রতিরোধ করে।

মিনারেলের ঘাটতি মেটায়
আমে প্রচুর পটাশিয়াম তাকে, তাই শারীরিক প্রশিক্ষণের পর শরীরে পটাশিয়াম ঘাটতি কমাতে আম বেশ উপকারী। এছাড়া প্রতিদিন দৌড়ঝাঁপে আমাদের শরীর থেকে যে লবণ বের হয়ে যায়, তার ঘাটতিও পূরণ করে আম।

ঠাণ্ডা ও ফ্লু দূর করে
অনেকেই আছেন ঠাণ্ডা বা ফ্লু দূর করতে যে প্রচুর ভিটামিন সি প্রয়োজন হয়, তা গ্রহণ করতে পারেন না। এ অবস্থায় আম খেতে পারেন নিশ্চিন্তে। আমে ভিটামিন এ এবং ডি আছে প্রচুর পরিমাণে। তাই ঠাণ্ডা ও ফ্লু দূর করতে সক্ষম এটি।

দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে
আমে প্রচুর ভিটামিন এ থাকে বলে এই ফল দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে।

গর্ভবতীদের জন্য উপকারী
আমে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম ও ফলিক অ্যাসিড থাকে, যা গর্ভবতীদের জন্য ও গর্ভে থাকা শিশুর জন্য বেশ উপকারী।

ক্যানসার প্রতিরোধ করে
আমে থাকা ভিটামিন এ, সি এবং ই শরীরে ফ্রি র‌্যাডিকেল বা ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদানকে প্রতিরোধ করে।

হজমে সহায়ক
আমে প্রচুর আঁশ থাকে, তাই আমাদের হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে এই ফল। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে, তাদের জন্য আম বেশ উপকারী।

সাবধানতা

আম অনেকের দেহে অ্যালার্জি সৃষ্টি করে।
বেশি আম খেলে এটি ওজনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
যেহেতু আমে প্রচুর সুগার থাকে, তাই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের আম খেতে হবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।

তথ্যসূত্র: বাজ দিস ভাইরাল ডট কম

বাঙ্গির মিষ্টি কম, গুণ বেশিএখন বাঙ্গির মৌসুম। বাজার ভরপুর গ্রীষ্মের এই ফলে। লতানো গাছে ধরা বাঙ্গিকে অনেকে ফুটি বলেও ডাকে...
13/05/2021

বাঙ্গির মিষ্টি কম, গুণ বেশি

এখন বাঙ্গির মৌসুম। বাজার ভরপুর গ্রীষ্মের এই ফলে। লতানো গাছে ধরা বাঙ্গিকে অনেকে ফুটি বলেও ডাকে। তবে রসাল ফলটির মিষ্টি কম হওয়ায় অনেকে খেতে আগ্রহ দেখায় না। কিন্তু পুষ্টিগুণে এর জুড়ি নেই। তাই বাঙ্গিকে অবহেলা নয়।
বাঙ্গির পুরোটাই জলীয় অংশে ভরপুর। এটি ভিটামিন ‘সি’, শর্করা ও সামান্য ক্যারোটিন সমৃদ্ধ। চলুন জেনে নেওয়া যাক ফলটি খেলে কী কী উপকার হয়।

বয়স ধরে রাখে:
বাঙ্গি ত্বকের বয়সের ছাপ দূর করে। এটি ত্বকের কোষ নষ্ট হয়ে গেলে তা ঠিক করতে সাহায্য করে। বাঙ্গির প্রোটিন কম্পাউন্ড ত্বককে করে সুন্দর। বাঙ্গি মধুর সঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে দিন। এভাবে নিয়মিত ব্যবহার করুন।
দূর করে ব্রণ, একজিমা: ব্রণ বা একজিমার সমস্যায় ভুগলে প্রতিদিন এক গ্লাস বাঙ্গির শরবত খান। এ ছাড়াও বাঙ্গি ভালো করে ব্লেন্ড করে ছেঁকে রসটুকু বের করে তা লোশনের মতো ব্যবহার করুন। এতে ব্রণ এবং একজিমার সমস্যা দূর হয়।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে:
বাঙ্গিতে আছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ বা ডায়াটারি ফাইবার, যা খাবার হজমে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

আরও কিছু:
এই ফলের পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে সক্ষম। বাঙ্গি মস্তিষ্কে অক্সিজেন প্রবাহে সহায়তা করে শরীরের অবসাদ ভাব দূর করে।

গর্ভবতী মায়েদের জন্য খুব উপকারী বাঙ্গি। নিয়মিত বাঙ্গির শরবত খেলে খাবারে অরুচি, নিদ্রাহীনতা, আলসার ও অ্যাসিডিটি দূর হয়। তা ছাড়া এই ফলে নেই কোনো চর্বি বা কোলেস্টেরল। তাই বাঙ্গি খেলে মুটিয়ে যাওয়ার ভয় নেই একেবারেই।

চুল পড়া কমায়: বাঙ্গিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘বি’। এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ‘ইন্সনিটোল’, যা আমাদের চুল নতুন করে গজাতে সাহায্য করে এবং চুল পড়া প্রতিরোধ করে থাকে। তাই নিয়মিত বাঙ্গি খেলে চুলের অনেক উপকার পাওয়া যায়। এ ছাড়া ব্লেন্ড করা বাঙ্গি শ্যাম্পু করার পর চুলে কন্ডিশনারের মতো ব্যবহার করাও ভালো।

সংগৃহীত
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

প্রতিদিন কলা খাওয়ার বিস্ময়কর উপকারিতা!বিদেশি দামি ফলের দিকে না ঝুঁকে কম দামে দেশি ফল খাওয়া বেশি উপকারী। তাই শরীর সুস্থ ...
11/05/2021

প্রতিদিন কলা খাওয়ার বিস্ময়কর উপকারিতা!

বিদেশি দামি ফলের দিকে না ঝুঁকে কম দামে দেশি ফল খাওয়া বেশি উপকারী। তাই শরীর সুস্থ রাখতে প্রতিদিন ছোট-বড় সকলেরই একটি করে কলা খাওয়া উচিৎ

কলা বহুগুণে সমৃদ্ধ। বিদেশি দামি ফলের দিকে না ঝুঁকে কম দামে দেশি ফল খাওয়াই ভালো। তাই শরীর সুস্থ রাখতে প্রতিদিন ছোট-বড় সকলেরই একটি করে কলা খাওয়া উচিৎ। উচ্চমাত্রার পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম বিদ্যমান থাকায় এটি একটি পুষ্টিকর খাবার। এর নানা স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে।

আসুন জেনে নেওয়া যাক কলা খাওয়ার কিছু উপকারিতা-

হৃদযন্ত্র ভালো রাখে

পাকাকলা পটাশিয়ামের আধার। প্রতিদিন একটি বা দুটি কলা খেলে আপনার হৃদযন্ত্র অনেক বেশি সচল থাকবে এবং হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমবে।

কিডনি সুস্থ রাখে

কলার পটাশিয়াম এমনকি কিডনিও ভালো রাখে। ইউরিনে ক্যালসিয়াম জমা হতে বাধা দেয় বলে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। এরফলে হাঁড় মজবুত হওয়ার জন্যও আরও বেশি ক্যালসিয়াম বরাদ্দ থাকে।

শরীরে শক্তি যোগায়

কলাতে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক শর্করা ও সল্যুবল ফাইবার, যা ধীরে হলেও দৃঢ় শক্তির যোগান দেয় শরীরে। একারণে খেলোয়াড়দের প্রায়ই খেলার আগে বা খেলা চলাকালীন কলা খেতে দেখা যায়।

খাদ্য হজমে সহায়তা করে

কলার ফাইবার ও প্রোবায়োটিক অলিগোস্যাকারাইজড হজমে দারুণ সহায়ক। এরফলে আপনার শরীর আরও বেশি পরিমাণে পুষ্টি সঞ্চয় করতে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য ল্যাক্সেটিভ না নিয়ে অতিরিক্ত পাকা কলা খেয়েই দেখুন না!

রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়

কলায় আছে প্রচুর পরিমাণে বিটামিন বি৬, যা শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড সৃষ্টি করে, রক্তে শর্করার পরিমাণ ঠিক রাখে এবং হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করে। অর্থাৎ, শরীরে উৎকৃষ্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টির জন্য কলার জুড়ি মেলা ভার।

পাকস্থলীর আলসার ও বুক-জ্বালা রোধ করে

কলা প্রোটেক্টিভ মিউকাস লেয়ার বৃদ্ধির মাধ্যমে পাকস্থলিতে পিএইচ লেভেল ঠিক রাখে, যা আপনাকে বুক-জ্বালা ও পাকস্থলীর আলসার থেকে রক্ষা করবে।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়
সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত পাকাকলা শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ TNF-A নামক এক ধরণের যৌগ সরবরাহ করে, যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শ্বেত রক্তকণিকার পরিমাণ বাড়ায়। এতে করে ব্লাড ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

মানসিক চাপ কমায় ও সুনিদ্রায় সহায়তা করে

কলায় আছে ট্রিপটোফ্যান নামক অ্যামিনো এসিড যা সেরোটোনিনে পরিবর্তিত হয়। সেরোটোনিনের সঠিক মাত্রা আপনার মুড ঠিক রাখবে এবং মানসিক চাপ কমাবে। এতে করে আপনার ভালো ঘুম হবে।

ত্বক সজীব করে

কলার চামড়ায় কিছু পরিমাণে ফ্যাটি উপাদান আছে, যা ত্বকে ঘষলে ময়েশ্চারাইজারের মতো উপকার পেতে পারেন। আবার ব্রন দূর করার জন্যও কলার চামড়া ব্যবহার করা হয়। তবে সবধরনের ত্বকের জন্য তা কাজ নাও করতে পারে। তবু একবার চেষ্টা করে দেখতে তো দোষ নেই!

শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৃদ্ধি করে

কলা ডোপামিন, ক্যাটেচিন্স এর মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এর দারুণ উৎস। এগুলো শরীরকে সার্বিক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষার কাজ করে।

অ্যানিমিয়ার মতো রোগের প্রকোপ কমে

কলায় রয়েছে বিপুল পরিমাণে আয়রন যা শরীরে লহিত রক্তকণিকার মাত্রা বৃদ্ধি করার মধ্যে দিয়ে অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা এমন রোগে ভুগছেন, তারা আয়রন ট্যাবলেটের পাশাপাশি যদি নিয়ম করে কলা খেতে পারেন, তাহলে কিন্তু দারুণ উপকার মিলতে পারে।

হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে

আয়ুর্বেদ শাস্ত্রমতে কলার ভেতরে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা পাচকরসের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হজম প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটে।

শরীরের ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানগুলো বের করে দেওয়ার মধ্যদিয়ে দেহের প্রতিটি অঙ্গকে চাঙ্গা রাখতে কলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এই ফলটিতে আছে প্রেকটিন নামক একটি উপাদান, শরীরের প্রবেশ করা মাত্র ক্ষতিকর উপাদানদের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে। ফলে রোগমুক্ত শরীরের অধিকারী হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগে না।

ওজন নিয়ন্ত্রণে আসে

কলায় পটাশিয়াম ছাড়াও রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার যা অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে খাওয়ার পরিমাণ কমতে শুরু করে। আর কম খেলে যে ওজনও কমে, সে কথা কার না আজানা বলুন! কনস্টিপেশনের মতো রোগ সারাতেও ফাইবার বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে
সংগ্রহীত

গরমে আনারসের জুসএই গরমে সারা দিনের কর্মব্যস্ততার পর আপনার ক্লান্তি দূর করতে আনারসের জুসের জুড়ি নেই। তাই এ গরমে ক্লান্তি ...
10/05/2021

গরমে আনারসের জুস

এই গরমে সারা দিনের কর্মব্যস্ততার পর আপনার ক্লান্তি দূর করতে আনারসের জুসের জুড়ি নেই। তাই এ গরমে ক্লান্তি দূর করতে স্বাস্থ্যকর উপায়ে নিজেই তৈরি করুন আনারসের জুস। এটি বানানো যেমন সহজ, তেমনি এটি বানাতে উপকরণও কম লাগে। এই জুস গরমে শরীর ও মনকে দেবে প্রশান্তি। তাহলে জেনে নিন, কীভাবে বানাবেন আনারসের জুস।

উপকরণ
১. আনারস দুই কাপ
২. চিনি স্বাদমতো
৩. লবণ সামান্য
৪. সাদা গোলমরিচের গুঁড়া ১/২ চা চামচ
৫. পানি ১/২ কাপ
৬. বরফ ৪/৫ টুকরা

প্রস্তুত প্রণালি
প্রথমে ভালো করে আনারসের খোসা ছাড়িয়ে নিন। এরপর আনারসের গায়ে যে চোখের মতো অংশ থাকে, তা ভালো করে তুলে ফেলুন। এরপর ছোট ছোট টুকরা করে কেটে নিন। একটি ব্লেন্ডারে বরফ কুচি ছাড়া বাকি উপকরণগুলো একসঙ্গে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর একটি গ্লাসে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার আনারসের জুস।

সংগৃহীত
তথ্যসূত্র: Ntv

সকালে খালি পেটে খেজুর খাওয়ার ১৩টি উপকারিতাআমরা অনেকেই জানি খেজুর খাওয়া সুন্নত, আবার এই একটি সুন্নতের পেছনেও আছে অনেক উপক...
10/05/2021

সকালে খালি পেটে খেজুর খাওয়ার ১৩টি উপকারিতা

আমরা অনেকেই জানি খেজুর খাওয়া সুন্নত, আবার এই একটি সুন্নতের পেছনেও আছে অনেক উপকারিতা আর এই সম্পর্কে আমরা অনেকেই হয়তো জানি না।

রোজা শেষে শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিনেরও জোগান দেওয়া ও ক্লান্তি দূর করার জন্য খেজুরের গুরুত্ব অপরিসীম। সকালে খালি পেটে খেজুর খেলে যে উপকারগুলো হয় তা জেনে নিন......
খেজুরে আছে প্রচুর শক্তি, এমিনো এসিড, শর্করা ভিটামিন ও মিনারেল। প্রতিদিন রোজায় আমাদেরকে দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকতে হয় যার কারণে আমাদের দেহে প্রচুর গ্লুকোজের ঘাটতি দেখা দেয়। তখন এই খেজুর আমাদের শরীরে প্রয়োজনীয় গ্লুকোজের ঘাটতি যোগান দিতে সাহায্য করে। চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক খেজুরের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা-

কোলেস্টেরল এবং ফ্যাট - খেজুরে কোন কোলেস্টেরল এবং বাড়তি পরিমাণে চর্বি থাকে না। যার ফলে আপনি যখন সহজেই খেজুর খাওয়া শুরু করবেন তখন অন্যান্য ক্ষতিকর ও চর্বি জাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকতে পারবেন।
প্রোটিন - আমাদের শরীরের জন্য প্রোটিন অত্যাবশ্যকীয় একটি প্রয়োজনীয় উপাদান। খেজুর হল প্রোটিন সমৃদ্ধ। ফলে আমাদের পেশী গঠন করতে সহায়তা করে এবং শরীরের জন্য খুব অপরিহার্য প্রোটিন সরবরাহ করে।
ভিটামিন - খেজুরে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যাবশ্যক। যেমন, বি১, বি২, বি৩ এবং বি৫। এছাড়াও ভিটামিন এ১ এবং সি ভিটামিন পাওয়ার আরও একটি সহজ মাধ্যম হচ্ছে খেজুর। সেই সাথে খেজুরে দৃষ্টি শক্তি বাড়ায়। সেই সঙ্গে রাতকানা রোগ প্রতিরোধেও খেজুর অত্যন্ত কার্যকর।
আয়রন - আয়রন মানব দেহের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। খেজুর প্রচুর আয়রন রয়েছে। ফলে এটা হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। তাই যাদের দুর্বল হৃৎপিণ্ড, তাদের জন্য খেজুর হতে পারে সবচেয়ে নিরাপদ ওষধ।
ক্যালসিয়াম - ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে সহায়ক। আর খেজুরে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম। যা হাড়কে মজবুত করে। খেজুর শিশুদের মাড়ি শক্ত করতে সাহায্য করে।
ক্যানসার প্রতিরোধ - খেজুর পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং প্রাকৃতিক আঁশে পূর্ণ। এক গবেষণায় দেখা যায়, খেজুর পেটের ক্যানসার প্রতিরোধ করে। আর যারা নিয়মিত খেজুর খান তাদের বেলায় ক্যানসারে ঝুঁকিটাও কম থাকে। খুব সম্প্রতি একটি গবেষণায় উঠে এসেছে যে খেজুর Abdominal ক্যান্সার রোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে এবং অবাক করা বিষয় হচ্ছে এটি অনেক সময় ওষুধের চেয়েও ভাল কাজ করে।
ওজন হ্রাস - মাত্র কয়েকটা খেজুর কমিয়ে দেয় ক্ষুধার জ্বালা। এবং পাকস্থলীকে কম খাবার গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে। এই কয়েকটা খেজুরই কিন্তু শরীরের প্রয়োজনীয় শর্করার ঘাটতি পূরণ করে দেয়।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: খেজুরে আছে এমন সব পুষ্টিগুণ। যা খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে। এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে। কখনও কখনও ডায়রিয়ার জন্যেও এটা অনেক উপকারী।
সংক্রমণ - যকৃতের সংক্রমণে খেজুর উপকারী। এছাড়া গলা ব্যথা, বিভিন্ন ধরনের জ্বর, সর্দি, এবং ঠাণ্ডায় খেজুর উপকারী। খেজুর অ্যালকোহল জনিত বিষক্রিয়ায় বেশ উপকারী। ভেজানো খেজুর খেলে বিষক্রিয়ায় দ্রুত কাজ করে।
রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ - প্রচুর মিনারেল সঙ্গে আয়রন থাকার কারণে খেজুর রক্তশূন্যতা রোধ করে। তাই যাদের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কম তারা নিয়মিত খেজুর খেয়ে দেখতে পারেন।
কর্মশক্তি বাড়ায় - খেজুরে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি থাকার কারণে খেজুর খুব দ্রুত শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। সারাদিন রোজা রাখার পর রোজাদাররা যদি মাত্র ২টি খেজুর খান তবে খুব দ্রুত কেটে যাবে তাদের ক্লান্তি।
স্নায়ুতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায় - খেজুর নানা ভিটামিনে পরিপূর্ণ থাকার কারণে এটি মস্তিষ্কের চিন্তাভাবনার গতি বৃদ্ধি রাখে, সঙ্গে স্নায়ুতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ছাত্র-ছাত্রী যারা নিয়মিত খেজুর খায় তাদের দক্ষতা অন্যদের তুলনায় ভাল থাকে।
হৃদরোগ প্রতিরোধ - খেজুরে রয়েছে পটাশিয়াম যা বিভিন্ন ধরণের হৃদরোগ প্রতিরোধ করে এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, খেজুর শরীরের খারাপ ধরণের কোলেস্টেরল কমায় (LDL) এবং ভাল কোলেস্টেরলের (HDL) পরিমাণ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।। খেজুরের উপকারিতাগুলো তো জানলেনই, তাই শুধু রমজান মাসেই নয়, আমাদের খেজুর খাওয়া উচিত সারাবছর, প্রতিদিন।

সংগৃহীত

পাকা পেঁপের জুস উপকার২কাপ পাকা পেঁপের কিউব১/২কাপ চিনিস্বাদমতো লবণ২স্লাইস লেবুর রস৩টেবিল চামচ মিল্ক পাউডার /গুঁড়ো দুধ৪টা ...
10/05/2021

পাকা পেঁপের জুস

উপকার

২কাপ পাকা পেঁপের কিউব
১/২কাপ চিনি
স্বাদমতো লবণ
২স্লাইস লেবুর রস
৩টেবিল চামচ মিল্ক পাউডার /গুঁড়ো দুধ
৪টা বরফের কিউব
পরিমাণ মতো ঠান্ডা পানি
১ চা চামচ রেড ফুড কালার
১/২চা চামচ হলুদ ফুড কালার

প্রস্তুত প্রণালি: সমস্ত উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করতে হবে।

কেন খাবেন?

নিত্যদিনের কাজ কিংবা ঈদের কেনাকাটায় বাইরে বের হলেই সঙ্গী হয় যানজট। চারদিকে যানবাহনের উচ্চ স্বরে হর্ন, গাড়ির ধোঁয়া, জ্যৈষ্ঠের দাবদাহ—এক ত্রাহি অবস্থা। এ অবস্থায় বিশেষত রোজাদারদের ভোগান্তিটা চরমে ওঠে। ঘেমে একাকার শরীরে দেখা দেয় পানিশূন্যতা। ভর করে ক্লান্তি। ইফতার পর্বে এক গ্লাস জুস সেই ক্লান্তি অনেকটাই দূর করতে পারে। আর সে ক্ষেত্রে পাকা পেঁপের শরবত হতে পারে অন্যতম উপকারী মেন্যু। পুষ্টি ও স্বাদের গুণে অনন্য পাকা পেঁপের শরবত।

রোজা রাখার কারণে অনেকে গ্যাস্ট্রিক, আলসার ও কোষ্ঠকাঠিন্য রোগে ভোগে। তাদের জন্য ইফতারিতে পাকা পেঁপে হতে পারে মোক্ষম দাওয়াই। কেননা পেঁপেতে রয়েছে পেপেইন নামক রাসায়নিক পদার্থ, যা লিভারসংক্রান্ত সব রোগ উপশমে ফলদায়ক। এ ছাড়া পেঁপে হজমশক্তি বাড়ায়। শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়।

সংগৃহীত

Address

Dhaka
1230

Telephone

+8801979885010

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fol-Fruit BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Fol-Fruit BD:

Share