ProjonmoPlus Agro Tourism

ProjonmoPlus Agro Tourism Welcome to Projonmo Plus Limited.
একসাথে গড়ি — আস্থার ভিত্তিতে অগ্রগতি।

ProjonmoPlus Limited একটি আধুনিক, বহুমুখী ও শরিয়াহভিত্তিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, যা RJSC (Registrar of Joint Stock Companies and Firms)–এর অধীনে নিবন্ধিত। আমরা বিশ্বাস করি—ব্যবসা কেবল মুনাফা অর্জনের উপায় নয়, বরং তা হতে পারে নৈতিকতা, কল্যাণ এবং সমাজ উন্নয়নের এক গুরুত্বপূর্ণ বাহন।

আমরা বিশ্বাস করি, হালাল বিনিয়োগই হচ্ছে নিরাপদ ও বরকতময় উপার্জনের পথ।
তাই আমরা প্রস্তাব করছি একটি স্বচ্ছ, লাভজনক এবং শরিয়া

হ মেনে পরিচালিত ইনভেস্টমেন্ট মডেল, যা আপনাকে দিচ্ছে:

আজীবন মুনাফার সুযোগ
সদস্যপদ অনুযায়ী Discount ও Exclusive সুবিধা
প্রকল্পভিত্তিক শেয়ার ও মালিকানার সুবিধা।

16/04/2026

রানিং হোটেলে বিনিয়োগ করুন, পরের মাস থেকেই হালাল আয় নিশ্চিত করুন! 🏢✨

বাংলায় চুক্তি, সাথে সাথে রেজিষ্ট্রেশন, হোটেলে এখনই থাকতে পারবেন। রি-সেল করতে পারবেন আমাদের কাছে।

কাল্পনিক কোনো প্রজেক্ট নয়, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে মাত্র ৫০০ মিটারের মধ্যে অবস্থিত 'সবুজ বাংলা রিসোর্ট'এখন পুরোদমে চালু।
প্রজন্মপ্লাস লিমিটেড এর এই প্রজেক্টে শেয়ার কিনে আপনিও হতে পারেন আজীবন হোটেলের মালিক ও আগামী মাস থেকে শরিয়াহ্ সম্মত লভ্যাংশের অংশীদার।

বিনিয়োগকারীদের জন্য আমাদের বিশেষ সুবিধাসমূহ:
১.নিরাপদ বিনিয়োগ: ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে আইনি চুক্তি এবং মানি রিসিট প্রদান। (চুক্তি হবে বাংলায়)
২.স্থায়ী সম্পদ: হোটেলের জমি ও স্থাপনা থেকে সাফ-কবলা রেজিস্ট্রেশন। (সাথে সাথে রেজিঃ এর সুবিধা)
৩.ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: বর্তমানে ২৩টি রুম চালু আছে। সংস্কারের পর ১০৩টি রুম, সুইমিং পুল, এবং আধুনিক রেস্টুরেন্ট হবে।
৪.প্যাসিভ ইনকাম: বিনিয়োগের ঠিক পরের মাস থেকেই শরিয়াহ্ সম্মত লভ্যাংশ প্রদান শুরু। যা লাভ আসবে, ডাই বন্টন করা হবে।
৫.অবকাশ যাপন: বছরে ৩ দিন সপরিবারে ফ্রি থাকার সুযোগ এবং আজীবন ৫০% ডিসকাউন্ট।
৬. রি-সেলের সুবিধা: পু্নরায় বিক্রিতে দ্বিগুণ লাভের সুযোগ। (২০২৮ সালের পর দ্বিগুণ লাভে রি-সেলের সুযোগ)

💸 বিনিয়োগ প্ল্যান:
এককালীন: ২.৫০ লাখ টাকা (অফার চলছে সীমিত সময়ের জন্য)।
কিস্তি সুবিধা: বুকিং ৫০ হাজার টাকা, বাকি টাকা মাসে ১০ হাজার টাকা করে কিস্তি।
সীমিত শেয়ার ছাড়ার কারণে অফারটি দ্রুত শেষ হয়ে যেতে পারে। আজই আপনার শেয়ার নিশ্চিত করুন!
বিস্তারিত জানতে ও বুকিং দিতে: 📞 WhatsApp: +8801805483492, Call: +8801805483494.
🏢 ঢাকা অফিস:
ProjonmoPlus Limited: ৩/৩/১৫, ফাতিমা মঞ্জিল, রোড-০৪, চাঁনমিয়া হাউজিং, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
🏢 কুয়াকাটা অফিস: সবুজ বাংলা রিসোর্ট, ন্যাশনাল ব্যাংক রোড, কুয়াকাটা।
🏢 সৌদি আরব অফিস: রিয়াদ:
২৪৩১ আল-হাসাহ, আল-কুয়াইইয়াহ-১৯৫২৩, রিয়াদ। মোবাইল: 0552972788

বিশ্ব পাট শিল্প: কোন দেশ এগিয়ে, কার পাট সেরা এবং বাজারে কার প্রভাব বেশি?পাট একসময় ছিল দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতির মেরুদণ্ড...
10/01/2026

বিশ্ব পাট শিল্প: কোন দেশ এগিয়ে, কার পাট সেরা এবং বাজারে কার প্রভাব বেশি?

পাট একসময় ছিল দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতির মেরুদণ্ড। পরিবেশবান্ধব এই প্রাকৃতিক আঁশকে একসময় বলা হতো “সোনালি আঁশ”। প্লাস্টিক দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে আজ আবার বিশ্বজুড়ে পাটের গুরুত্ব নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এই প্রবন্ধে আমরা জানব—কোন কোন দেশে পাট উৎপাদন হয়, কারা সবচেয়ে ভালো মানের পাট উৎপাদন করে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে কার প্রভাব সবচেয়ে বেশি।

পাট উৎপাদনে সক্ষম দেশগুলো

বিশ্বে পাট উৎপাদন একটি সীমিত ভৌগোলিক অঞ্চলের মধ্যেই কেন্দ্রীভূত। উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু, প্রচুর পানি এবং পলিমাটি পাট চাষের জন্য অপরিহার্য—যা মূলত দক্ষিণ এশিয়ায় পাওয়া যায়।

বর্তমানে পাট উৎপাদনকারী প্রধান দেশগুলো হলো:

* *ভারত
* **বাংলাদেশ
* নেপাল
* চীন
* মিয়ানমার
* কেম্বোডিয়া
* ভিয়েতনাম
* উজবেকিস্তান (সীমিত আকারে)

এই দেশগুলোর মধ্যে ভারত ও বাংলাদেশ একসাথে বিশ্ব পাট উৎপাদনের প্রায় ৯০ শতাংশের বেশি সরবরাহ করে। অর্থাৎ বিশ্ব পাট শিল্প মূলত এই দুই দেশের ওপরই নির্ভরশীল।

কে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন করে?

উৎপাদনের পরিমাণের দিক থেকে বর্তমানে—

ভারত বিশ্বের সর্ববৃহৎ পাট উৎপাদক দেশ
বাংলাদেশ খুব কাছাকাছি অবস্থানে থাকা দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদক

ভারতে পাট উৎপাদন বেশি হয় মূলত পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও আসামে। অন্যদিকে বাংলাদেশে প্রায় সারাদেশেই পাট চাষ হয়, বিশেষ করে ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, রংপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে।

তবে শুধুমাত্র উৎপাদনের পরিমাণই সবকিছু নির্ধারণ করে না—মান ও বাজার গ্রহণযোগ্যতাও বড় বিষয়।

কারা সবচেয়ে ভালো মানের পাট উৎপাদন করে?

পাটের মান নির্ভর করে কয়েকটি বিষয়ের ওপর—
মাটির গুণাগুণ, আবহাওয়া, পানির মান, কাটা ও রেটিং (Retting) পদ্ধতি এবং সংরক্ষণ প্রক্রিয়া।

এই দিক থেকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়—

বাংলাদেশের পাট

* বাংলাদেশের পাট আন্তর্জাতিকভাবে উচ্চমানের ফাইবার হিসেবে পরিচিত
* বিশেষ করে হোয়াইট জুট (White Jute) নরম, লম্বা ও উজ্জ্বল হওয়ায় দামী পাটপণ্যে ব্যবহৃত হয়
* সূতা (Yarn), টুইন (Twine), কার্পেট ব্যাকিং ক্লথ ও ভ্যালু-এডেড পণ্যে বাংলাদেশের পাটের চাহিদা বেশি

ভারতের পাট

* উৎপাদনের পরিমাণ বেশি হলেও মানে কিছুটা বৈচিত্র্য দেখা যায়
* দেশীয় ব্যবহারে বেশি গুরুত্ব দেওয়ায় রপ্তানিযোগ্য মানের পাটের অংশ তুলনামূলক কম

👉সাধারণভাবে বলা যায়, মানের দিক থেকে বাংলাদেশের পাটকে বিশ্ববাজারে সবচেয়ে ভালো হিসেবে ধরা হয়।

আন্তর্জাতিক বাজারে কার প্রভাব বেশি?

বাংলাদেশের বাজার প্রভাব

* বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানিকারক দেশ
* কাঁচা পাটের পাশাপাশি সুতা, বস্তা, ব্যাগ, জুট ফ্যাব্রিক, কার্পেট ব্যাকিং ইত্যাদি রপ্তানি করে
* ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, তুরস্ক, চীন ও আফ্রিকায় বাংলাদেশের পাটপণ্যের ভালো চাহিদা রয়েছে

ভারতের বাজার প্রভাব

* ভারতের প্রভাব বেশি মূলত নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বাজারে
* দেশটিতে খাদ্যশস্য ও চিনি প্যাকেজিংয়ে জুট ব্যাগ বাধ্যতামূলক, ফলে অভ্যন্তরীণ চাহিদা বিশাল
* আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের রপ্তানি তুলনামূলক কম

তুলনামূলকভাবে বলা যায়—

রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রভাব → বাংলাদেশ
উৎপাদন পরিমাণ ও অভ্যন্তরীণ বাজারে প্রভাব → ভারত

বিশ্ব পাট শিল্পে ভারত ও বাংলাদেশ—এই দুই দেশই মূল চালিকাশক্তি।
ভারত উৎপাদনের পরিমাণে এগিয়ে থাকলেও, **পাটের মান ও আন্তর্জাতিক রপ্তানি বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান বেশি শক্তিশালী**।

পরিবেশবান্ধব পণ্যের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাট শিল্পের সম্ভাবনাও আবার উজ্জ্বল হচ্ছে। সঠিক নীতি, আধুনিক প্রযুক্তি ও পণ্য বৈচিত্র্যের মাধ্যমে বাংলাদেশ চাইলে আবারও বিশ্ব পাট বাজারে নেতৃত্বের অবস্থান আরও দৃঢ় করতে পারে।

কুয়াকাটায় মেগা ইনভেস্টমেন্ট অফার!🏨 রেডি হোটেল থেকে এখনই আয় + ৫-তারকা হোটেলের ফিউচার অ্যাসেট—একসাথে! 🌊আপনি কি এমন বিনিয়োগ...
23/11/2025

কুয়াকাটায় মেগা ইনভেস্টমেন্ট অফার!
🏨 রেডি হোটেল থেকে এখনই আয় + ৫-তারকা হোটেলের ফিউচার অ্যাসেট—একসাথে! 🌊

আপনি কি এমন বিনিয়োগ খুঁজছেন যেখানে টাকার নিরাপত্তা, হালাল ইনকাম এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সম্পদ—সবই নিশ্চিত করা যায়?
ProjonmoPlus Limited নিয়ে এলো কুয়াকাটায় বিনিয়োগের সেরা কম্বো প্যাকেজ!

✅ ১. সবুজ বাংলা রিসোর্ট (রেডি ও রানিং প্রজেক্ট): এটি একটি সম্পূর্ণ চালু হোটেল। আমরা হোটেলটিকে আরো বড় করছি। উন্নত সুবিধা যোগ করছি।
মাত্র ১১০০ শেয়ার বিক্রি হবে।
সুবিধা: পুরো টাকা পরিশোধের পরের মাস থেকেই শরীয়াহ মোতাবেক লভ্যাংশ পাবেন।

শেয়ার মূল্য: রেগুলার ৩ লাখ টাকা।
🔥 বিশেষ অফার: মাত্র ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা (শুধুমাত্র প্রথম ৩০টি শেয়ারের জন্য এককালীন)।

পেমেন্ট সিস্টেম: বুকিং ৫০ হাজার টাকা, মাসিক কিস্তি ১০ হাজার টাকা।

✅ ২. The ProjonmoPlus Dune (৫-তারকা ফিউচার প্রজেক্ট): কুয়াকাটার মেরিন ড্রাইভ রোড, সানরাইজ পয়েন্টে আসছে আমাদের লাক্সারি ৫-তারকা হোটেল।

শেয়ার মূল্য: এককালীন ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা (কিস্তিতে নিলে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা)।

পেমেন্ট সিস্টেম: বুকিং ২৫ হাজার টাকা, মাসিক কিস্তি ৫ হাজার টাকা।

স্ট্যাটাস: কাজ শুরু হবে ২০২৮ সালে।

🎁 ৩. সুপার সেভার কম্বো অফার (সেরা সুযোগ): 🎁 আলাদাভাবে কিনলে যেখানে খরচ হতো ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা, সেখানে দুটি প্রজেক্টে একসাথে শেয়ার নিলে মোট দাম পড়বে মাত্র— 👉 ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা!

💰 ইনকাম শুরু করবেন যেভাবে: কম্বো প্যাকেজে মাত্র ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা জমা দিলেই আপনার বিনিয়োগের বিপরীতে পরের মাস থেকে লভ্যাংশ আসা শুরু হবে! বাকি টাকা সহজ কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ।

এটি শুধু হোটেলের শেয়ার মালিকানা নয়, এটি জমিরও মালিকানা। জমির দাম নিয়মিত বাড়তে থাকে বাংলাদেশে। ফলে আপনার বিনিয়োগের দাম বাড়বে নিয়মিত।

কেন আমাদের সাথে বিনিয়োগ করবেন?
✔️বিনিয়োগের নিরাপত্তা
সাফ-কবলা রেজিস্ট্রেশন ও মালিকানা দুটি হোটেল থেকেই।
নিজস্ব জমিতে রানিং ও ফিউচার প্রজেক্ট।
✔️হালাল ইনকাম
শরীয়াহ সম্মত হালাল ব্যবসার নিশ্চয়তা।
নিট লভ্যাংশ সবাইকে সমভাবে বন্টন।
✔️বছরে নির্দিষ্ট সময় ফ্রি থাকার সুবিধা।

সীমিত সময়ের অফার! আজই আপনার শেয়ার নিশ্চিত করুন।

📞 সরাসরি যোগাযোগ ও বুকিং: 01345873742 (WhatsApp) 01765340310 (WhatsApp)

🏢 ঢাকা কর্পোরেট অফিস: Projonmoplus Limited. ৩/৩/১৫, ফাতিমা মঞ্জিল, রোড-০৪, চাঁদমিয়া হাউজিং, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।

🏖️ কুয়াকাটা অফিস: সবুজ বাংলা রিসোর্ট ন্যাশনাল ব্যাংক রোড, কুয়াকাটা।

গুগল ম্যাপ কমেন্টে দেয়া আছে।

ProjonmoPlus Limited: নতুন যুগের Old Money OpportunityOld Money Theory অনুযায়ী, সত্যিকারের ধনী পরিবাররা দীর্ঘ প্রজন্ম ধর...
25/08/2025

ProjonmoPlus Limited: নতুন যুগের Old Money Opportunity

Old Money Theory অনুযায়ী, সত্যিকারের ধনী পরিবাররা দীর্ঘ প্রজন্ম ধরে উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পদ ধরে রাখে। তারা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসা করে, সম্পদ নিরাপদ রাখে, এবং কখনো হারানোর ভয় পায় না।

ProjonmoPlus Limited ঠিক এই দর্শনকে আধুনিকভাবে নিয়েছে। আমরা কুয়াকাটায় একটি পাঁচ-তারকা হোটেল নির্মাণ করছি, যেখানে আপনার অংশগ্রহণ শুধু নিরাপদ নয়, বরং শরিয়াহ মোতাবেক ৪০% লাভ নিশ্চিত।

মাত্র ২৫,০০০ টাকা বুকিং এবং প্রতিমাসে ৫,০০০ টাকা করে ২০ মাস কিস্তি দিয়ে আপনি হোটেলের মালিক হতে পারবেন। জমির রেজিষ্ট্রেশন থাকায় বিনিয়োগে কোনো ঝুঁকি নেই। সময়ের সঙ্গে জমির মূল্য বৃদ্ধি নিশ্চিত করবে আপনার স্থায়ী লাভ।

এভাবে, ProjonmoPlus আপনাকে একটি প্রজন্ম ধরে চলতে থাকা লাভের সুযোগ দেয়—নিরাপদ, দৃষ্টিনন্দন, এবং দীর্ঘমেয়াদী।

The ProjonmoPlus Dune হচ্ছে ProjonmoPlus Group-এর লাক্সারি হোটেল ব্র্যান্ড, কুয়াকাটার সানরাইজ পয়েন্টে মেরিন ড্রাইভ রোডে ...
13/08/2025

The ProjonmoPlus Dune হচ্ছে ProjonmoPlus Group-এর লাক্সারি হোটেল ব্র্যান্ড,
কুয়াকাটার সানরাইজ পয়েন্টে মেরিন ড্রাইভ রোডে তার নতুন প্রজেক্ট শুরু করতে যাচ্ছে।
জানুয়ারি থেকে নির্মাণ কার্যক্রম শুরু হবে ইনশাআল্লাহ।
টোটাল জমি ৬৮ শতাংশ, এবং এখানে নির্মাণ হবে ৫-তারকা মানের একটি হোটেল।

***কাজ শুরু: জানুয়ারি, ২০২৬।
***লভ্যাংশ প্রদান শুরু: জানুয়ারি, ২০২৮।
***এই প্রজেক্টে ৫০% শেয়ার বিনিয়োগকারীদের জন্য খোলা থাকবে। বিনিয়োগকারীরা ৪০% লভ্যাংশ পাবেন, এবং বাকি ১০% গরিব ও অসহায় মানুষের কল্যাণে ব্যয় করা হবে।
***প্রতিটি বিনিয়োগ: ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা
***এককালীন অথবা কিস্তিতে পরিশোধ কারা যাবে।
***৮০% পেমেন্ট সম্পন্ন হলে জমি ও কনস্ট্রাকশনের রেজিস্ট্রেশন।
***প্রতি বছর ২ দিন ফ্রি হোটেল স্টে।
***প্রতি শেয়ারে আনুমানিক লাভ ১৮,০০০ – ২০,০০০ টাকা বছরে (হালাল লাভের সম্ভাব্য অনুমান)।

কুয়াকাটার বিশেষত্ব
এক ভ্রমণে সমুদ্র ও সুন্দরবন – দুটোই দেখা সম্ভব।

মাত্র দশ হাজার টাকা সর্বনিম্ম মাসিক কিস্তিতে ফ্ল্যাটের জমির শেয়ারের মালিক হওয়ার সুযোগ।তিন দিকে রোড, সামনে ৬০ ফিট মেইন এভ...
10/08/2025

মাত্র দশ হাজার টাকা সর্বনিম্ম মাসিক কিস্তিতে ফ্ল্যাটের জমির শেয়ারের মালিক হওয়ার সুযোগ।
তিন দিকে রোড, সামনে ৬০ ফিট মেইন এভিনিউ রোড, এমন খোলামেলা জায়গায় ১৮০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাটের জমির শেয়ার নিজের নামে হলে কেমন হয়! তাও আবার কিস্তি সুবিধায়!!
📍আমাদের কোম্পানি সরকারের 'রেজিস্ট্রার অফ জয়েন্ট স্টক কোম্পানি' থেকে নিবন্ধিত লিমিটেড কোম্পানি।
✅ মাত্র বিশ হাজার টাকায় বুকিং শুরু।
✅ মাসিক কিস্তি দশ হাজার টাকা (সর্বনিম্ম)।
✅ ইন্সটলমেন্টে পেমেন্ট সুবিধা (দুই বছর)।
✅ সম্পূর্ণ শরিয়াহ-সম্মত চুক্তি ও মালিকানা।
✅ এককালীন নেয়ার সুযোগ রয়েছে।
✅ এককালীন পরিশোধে সাথে সাথে রেজিস্ট্রেশন।
✅ বিক্রি করে নগদ লাভ নেওয়ার সুযোগ থাকবে।
এক নজরে আমাদের প্রজেক্ট
🏞 জমির পরিমান #20 কাঠা বা 33 শতাংশ।
🏠সম্পূর্ন ফ্ল্যাট সাইজঃ ১৮০০ বর্গফুট (কমন স্পেস সহ)।
🏠 ভবনের উচ্চতা বি+জি+১৫তলা ।
🏠 প্রতি ফ্লোরে ইউনিট হবেঃ ৮ টি। প্রতি ৫ কাঠায় ২ টি ইউনিট ।
🏠মোট শেয়ার সংখ্যা-৯৬ টি । বিক্রি হবে ৬৪ টি।
🏠 দক্ষিণমূখী এবং উত্তরমূখী ও পূর্বমূখী
🏦 ৬০ ফিট এ্যাভিনিউ রোড সামনে, দক্ষিণ ও উত্তর পাশে ২৫ ফিট করে রোড। তিন দিকেই রাস্তা।
🏦ফ্ল্যাটের জমির শেয়ারের দাম 5 লাখ 50 হাজার টাকা(এই মাসের জন্য বিশেষ অফার)। এর পর দাম হবে ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা।
🏦ফ্ল্যাটের জমির নির্মাণ খরচ যা হবে, তাই।
আলাদা কোন চার্জ নেই।
🏦সবার জন্য কমন পার্কিং**
আমরা আপনাকে কি কি দিবো?
1/ 1800 বর্গফুটের ফ্ল্যাটের সমপরিমাণ জমির শেয়ার।
2/ কারো প্রয়োজন হলে বিশ্বস্ততার জন্য সিকিউরিটি হিসেবে বৈধ ব্যাংক চেক দেয়া হবে।
3/ 300 টাকার নন জুডিশিয়াল স্টাম্পে চুক্তিপত্র।
4/ কোম্পানীর প্যাডে চুক্তিপত্র।
5/ টাকা জমা দেয়ার মানি রিসিপ্ট।
6/ টাকা পরিশোধ হলে সাফ কবলা রেজিস্ট্রি।
বিশেষ অফার: প্রজেক্টের প্রথম তিন তলা বাণিজ্যিক হবে। প্রথম ১৫ জন জমির শেয়ার ক্রেতার জন্য ৫০ হাজার টাকা সমমূল্যের (রেষ্টুরেন্ট+কনভেনশন হল+পার্টি সেন্টারের শেয়ার) বাণিজ্যিক শেয়ার ফ্রী গিফট হিসেবে পাবেন। এখান থেকে আজীবন হালাল ইনকাম আসতে থাকবে। {রথ দেখাও হল, কলা বেচাও হল}
🏞❝ড্যাপ এর রেড এলার্ট জোন মুক্ত❞।
🏞জলাধারমুক্ত প্রাকৃতিকভাবে উচু জমি।
🏞ধানমন্ডি-মোহাম্মদপুর সংলগ্ন।
🏞সড়ক ও জনপদের হাইওয়ে রোডের উপর অবস্থিত।
🏞একপাশ দিয়ে যাচ্ছে 120 ফিট কেরাণীগঞ্জ-সিঙ্গাইর রোড ।
🏞অন্যপাশ দিয়ে যাচ্ছে 250 ফিট ইস্ট-ওয়েস্ট এক্সপ্রেসওয়ে সড়ক। এই অর্থবছরে এই রাস্তার জন্য ইউনুস সরকার ১৭ হাজার ৪ শত ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।
📍লোকেশনঃ ধানমন্ডি-মোহাম্মদপুর সংলগ্ন। মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে ১৫ মিনিটের রাস্তা।
বসিলা ব্রীজ পার হয়ে আটি বাজার-কলাতিয়া রোডের উপর শ্যামল বাংলা রিসোর্টের সাথে ড্রীম স্কয়ার মডেল টাউনে এ জমির অবস্থান। মধুসিটি-2 এর সাথে। মধুসিটি-3 ও মডার্ণ সিটির আগে।
মোহাম্মদপুর/বেড়িবাঁধ থেকে লোকাল সিএনজিতে ১৫ মিনিট লাগে জমি পর্যন্ত যেতে।
ড্রীম স্কয়ারের ঠিক পাশ দিয়েই যাচ্ছে ২৫০ ফিট ইস্ট-ওয়েস্ট এক্সপ্রেসওয়ে। ইতোমধ্যে এই অর্থবছরে এই রাস্তার জন্য ইউনুস সরকার ১৭ হাজার ৪ শত ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।
এই ২৫০ ফিট ইস্ট-ওয়েস্ট এক্সপ্রেসওয়ে কানেক্ট করছে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। এটি দেশের সবচেয়ে বড় এক্সপ্রেসওয়ে। আমাদের প্রজেক্ট ঠিক এই রাস্তার সেন্টারে।
এই রাস্তার কারণে বর্তমান দামের চেয়ে এক বছরে অবশ্যই তিনগুণ হবে জমির দাম। এই নিশ্চয়তা দিচ্ছি আপনাকে।
এমন লোকেশনে আপনার একটি ফ্ল্যাট না থাকলে হয়তো আপনার আফসোসের অন্ত থাকবে না।
কেন আমাদের সাথে বিনিয়োগ করবেন?
🏦আইনি সুরক্ষা: আমরা ProjonmoPlus Limited, RJSC (রেজিস্ট্রার অফ জয়েন্ট স্টক কোম্পানি) থেকে নিবন্ধিত। নিবন্ধন নম্বর C-201579। যা ব্যবসায়িক এবং আইনি দিক থেকে সম্পূর্ণ নিরাপদ।
🏦অ্যাসেট অ্যাপ্রিসিয়েশন: জমিতে বিনিয়োগের কারণে, প্রতি বছর মূল্য বৃদ্ধি পাবে, যা ব্যাংকে রাখা টাকার মূল্যস্ফীতির প্রভাব থেকে অনেক ভালো।
🏦প্রমাণিত ব্যবসায়িক মডেল: জমি ও রেষ্টুরেন্ট+কনভেনশন হল+পার্টি সেন্টার—সবই স্থায়ী এবং লাভজনক খাত।
🏦বিনিয়োগ + লাভ + উত্তরাধিকার—সবকিছু নিশ্চিত।
🏦আইনি চুক্তি: আমরা কোম্পানি আইন অনুসারে সকল বিনিয়োগকারীদের সাথে সঠিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হবো।
🏦বিশ্বস্ততার প্রমাণ: বিনিয়োগের সমপরিমাণ টাকার ব্যাংক চেক প্রদান করবো,যা আমাদের বিশ্বস্ততা এবং সততার প্রমাণ।
🏦বড় প্রকল্পের সুবিধা: বড় প্রকল্পের ফলে লজিস্টিকস থেকে শুরু করে অন্যান্য খাতে খরচ কমিয়ে আনা সম্ভব।
ভিজিট করুন https://projonmoplus.com/land-share/
লোকেশন ম্যাপঃ https://maps.app.goo.gl/1dqutsLyv2N6AWUZ9
অথবা https://maps.app.goo.gl/vXuoxrxMN3oeHP4m9
যোগাযোগঃ
আরো বিস্তারিত জানতে, বুকিং অথবা প্রজেক্ট ভিজিটের জন্য যোগাযোগ করুনঃ
☎️ 01765340310 (WhatsApp)
☎️ 01400999952 (WhatsApp)
☎️ 01672073272 (WhatsApp)
☎️ 01812599084 (WhatsApp)
অথবা, চলে আসুন আমাদের অফিসেঃ
কর্পোরেট অফিসঃ
ProjonmoPlus Limited
বাড়ি # ৩/৩/১৫, ফাতেমা মনজিল, রোড # ০৪, বাঁশবাড়ী, চানমিয়া হাউজিং, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭.

***আজকের শহুরে জীবনে মানুষের বসবাসের জায়গা ক্রমেই কমে আসছে। একদিকে জনসংখ্যার চাপ, অন্যদিকে জমির অভাব—এই দুইয়ের মাঝে সমাধ...
04/08/2025

***আজকের শহুরে জীবনে মানুষের বসবাসের জায়গা ক্রমেই কমে আসছে। একদিকে জনসংখ্যার চাপ, অন্যদিকে জমির অভাব—এই দুইয়ের মাঝে সমাধান হিসেবে গড়ে উঠছে বহুতল ভবন। এই ভবনগুলোতে মানুষ ফ্ল্যাট ভাগ করে একসাথে বসবাস করছে। বিল্ডিং বানিয়ে তাতে ফ্ল্যাট ভাগ করে থাকার ধারনাটিও এখন বাস্তবের দিকে এগোচ্ছে।
এই ধরণের বিল্ডিং সাধারণত আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি হয়। এতে থাকে একাধিক লিফট, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির সুব্যবস্থা, এবং কখনো কখনো স্কুল, বাজার, হাসপাতাল পর্যন্ত। এই ব্যবস্থা শহরের সীমিত জায়গায় হাজার হাজার মানুষকে একসাথে বসবাসের সুযোগ দেয়।
ভবনে ফ্ল্যাট ভাগ করে বসবাস আজকের সময়ের একটি বাস্তবতা। এটি শুধু স্থান বাঁচায় না, বরং একধরনের সংগঠিত জীবনধারার দৃষ্টান্তও সৃষ্টি করে। পরিকল্পিতভাবে এই ধরণের ভবন তৈরি করা হলে এটি হতে পারে ভবিষ্যতের একটি টেকসই নগরায়নের পথ।***

ঢাকায় সবচেয়ে কম দামে সবচেয়ে বড় নিষ্কণ্টক জমিতে ফ্ল্যাটের জমির শেয়ার।

***আপনি যদি ফ্ল্যাট বানানোর জন্য জমির "শেয়ার" বা অংশ (Land Share) কিনতে চান, তাহলে সেটার কিছু বিশেষ কারণ এবং সুবিধা আছে...
02/08/2025

***আপনি যদি ফ্ল্যাট বানানোর জন্য জমির "শেয়ার" বা অংশ (Land Share) কিনতে চান, তাহলে সেটার কিছু বিশেষ কারণ এবং সুবিধা আছে। নিচে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হলো কেন আপনি জমির শেয়ার কিনে ফ্ল্যাট তৈরি করতে পারেন বা সেটা আপনার জন্য উপকারী হতে পারে:

🔹 কেন আপনি Land Share কিনবেন ফ্ল্যাট বানানোর জন্য?
১. ✅ কম খরচে জমির মালিক হওয়া:
সম্পূর্ণ জমি কেনার চেয়ে জমির অংশ (শেয়ার) কেনা অনেক সস্তা হয়। এতে আপনার প্রাথমিক বিনিয়োগ কম লাগে।

২. ✅ ফ্ল্যাট বানানোর জন্য যৌথ মালিকানা সুবিধা:
যদি একাধিক ব্যক্তি মিলে ফ্ল্যাট প্রজেক্ট করতে চান, তাহলে Land Share কিনে সবাই মিলেই জমিতে ভবন করতে পারবেন। এতে খরচ কমে এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ঝুঁকি ভাগ হয়।

৩. ✅ ডেভেলপার ছাড়াও নিজে ফ্ল্যাট করতে পারবেন:
জমির শেয়ার কিনে, আপনি নিজেই (বা অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে) ফ্ল্যাট তৈরি করতে পারেন, এতে লাভ পুরোপুরি আপনার হবে — ডেভেলপারকে ভাগ দিতে হবে না।

৪. ✅ ভবিষ্যতে জমির মূল্য বৃদ্ধি:
Land Share-এর দাম সাধারণত সময়ের সাথে বাড়ে। ফলে আপনার ফ্ল্যাট তৈরির পাশাপাশি জমির মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও লাভ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৫. ✅ দলিল ও আইনি মালিকানা নিশ্চিত:
আপনি যদি রেজিস্ট্রি দলিলসহ জমির শেয়ার কিনেন, তাহলে আইনগতভাবে আপনি সেই জমির মালিক হবেন। এটা ভবিষ্যতে কোনো রকম ঝামেলা থেকে বাঁচাবে।

⚠️ কিছু সতর্কতা:
✅ জমির মিউটেশন ও রেজিস্ট্রি কাগজপত্র ঠিকঠাক আছে কি না, যাচাই করে নিন।

✅ অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে চুক্তি বা সমঝোতা পত্র (Agreement) লিখিতভাবে করুন।

✅ ফ্ল্যাট নির্মাণের জন্য নকশা (Plan), অনুমোদন (Approval) ইত্যাদি ঠিকমতো নেওয়া হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করুন।

✅ আইনজীবী বা রিয়েল এস্টেট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

🔍 সংক্ষেপে বললে:
জমির শেয়ার কিনে ফ্ল্যাট বানানো একদিকে খরচ সাশ্রয়ী, অন্যদিকে ভবিষ্যতের জন্য লাভজনক বিনিয়োগ হতে পারে – যদি আইনগত দিকগুলো নিশ্চিত করেন।***

**চোখের পানি ধরে রাখতে না পারলে আমি দায়ী না**খলিফা উমর রাঃ মৃত্যুদন্ডের আসামী কে ছেড়ে দিলেন, জামিনদার আবু যর গিফারীর কার...
13/12/2023

**চোখের পানি ধরে রাখতে না পারলে আমি দায়ী না**

খলিফা উমর রাঃ মৃত্যুদন্ডের আসামী কে ছেড়ে দিলেন, জামিনদার আবু যর গিফারীর কারণে তারপর-----

দোষী এক ব্যক্তিকে টেনে-হিঁচড়ে খলীফার দরবারে নিয়ে এসেছেন দুই যুবক। তারা তাদের পিতার হত্যার বিচার চান।

"এই যুবক আমাদের পিতাকে হত্যা করেছে। আমরা এর বিচার চাই।"

খলীফা হযরত উমর (রা) সেই ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলেন যে তার বিপক্ষে করা অভিযোগ সত্য কিনা। অভিযোগ স্বীকার করল সে। তারপর সেই ঘটনার বর্ণনা দিলঃ

"অনেক পরিশ্রমের কাজ করে আমি বিশ্রামের জন্য একটি খেজুর গাছের ছায়ায় বসলাম। ক্লান্ত শরীরে অল্প সময়েই ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার একমাত্র বাহন উটটি পাশে নেই। খুঁজতে খুঁজতে কিছু দূর গিয়ে পেলাম, তবে তা ছিল মৃত।

অভিযোগকারী এই দুই যুবকের বাবাকে আমার মৃত উটের পাশে পেলাম। সে আমার উটকে তার বাগানে প্রবেশের অপরাধে পাথর মেরে হত্যা করেছে। এই কারণে আমি হঠাৎ করে রাগান্বিত হয়ে পড়ি এবং তার সাথে তর্কাতর্কি করতে করতে এক পর্যায়ে মাথায় পাথর দিয়ে আঘাত করে ফেলি। ফলে সে সেইখানেই মারা যায়। যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ঘটে গেছে। এর জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী।"

বাদী’রা জানালেন- "আমরা এর মৃত্যুদণ্ড চাই।"

সব শুনে হযরত উমর (রা) অপরাধী যুবককে বললেন, "উট হত্যার বদলে তুমি একটা উট দাবি করতে পারতে, কিন্তু তুমি বৃদ্ধকে হত্যা করেছ। হত্যার বদলে হত্যা। এখন তোমাকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হবে। তোমার কোন শেষ ইচ্ছা থাকলে বলতে পারো।"

ঐ ব্যক্তি বললো, "আমার কাছে কিছু ঋণ ও অন্যের রাখা কিছু আমানত আছে। আমাকে যদি কিছু দিন সময় দিতেন, আমি বাড়ি গিয়ে আমানত ও ঋণগুলি পরিশোধ করে আসতাম।"

খলিফা হযরত উমর (রা) বললেন, "তোমাকে এভাবে একা ছেড়ে দিতে পারি না। যদি তোমার পক্ষ থেকে কাউকে জিম্মাদার রেখে যেতে পারো তবে তোমায় সাময়িক সময়ের জন্য যেতে দিতে পারি।“

"এখানে আমার কেউ নেই যে আমার জিম্মাদার হবে।" নিরুপায় হয়ে ঐ ব্যক্তি জানালো।

এই সময় হঠাৎ মজলিসে উপস্থিত একজন সাহাবী হযরত আবু যর গিফারী (রা) দাঁড়িয়ে বললেন, "আমি হবো ঐ ব্যক্তির জামিনদার। তাকে যেতে দিন।"

আবু যর গিফারীর (রা)র এই উত্তরে সভায় উপস্থিত সবাই হতবাক। একে তো অপরিচিত ব্যক্তি, তার উপর হত্যার দন্ডপ্রাপ্ত আসামী! তার জামিনদার কেন হচ্ছেন আবু যর!!!

খলিফা বললেন, "আগামি শুক্রবার জুম্মা পর্যন্ত এই ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হলো। জুম্মার আগে সে মদীনায় ফেরত না আসলে তার বদলে আবু যরকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হবে।"

মুক্তি পেয়ে ঐ ব্যক্তি ছুটলো মাইলের পর মাইল দূরে তার বাড়ির দিকে। আবু যর গিফারী (রা) চলে গেলেন নিজ বাড়িতে।

দেখতে দেখতে জুম্মাবার এসে গেল। ঐ ব্যক্তির আসার কোনো খবর নেই। হযরত উমর (রা) রাষ্ট্রীয় পত্রবাহক পাঠিয়ে দিলেন আবু যর গিফারির (রা) কাছে। পত্রে লিখা, আজ শুক্রবার বাদ জুমা সেই ব্যক্তি যদি না আসে, আইন মোতাবেক আবু যর গিফারির মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হবে। আবু যর যেন সময় মত জুম্মার প্রস্তুতি নিয়ে মসজিদে নববীতে হাজির হন। খবর শুনে সারা মদীনায় থমথমে অবস্থা। একজন নিষ্পাপ সাহাবী আবু যর গিফারী আজ বিনা দোষে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হবেন।

জুমার পর মদীনার সবাই মসজিদে নববীর সামনে হাজির। সবার চোখে পানি। কারণ দন্ডপ্রাপ্ত যুবক এখনো ফিরে আসেনি। জল্লাদ প্রস্তুত। এই জল্লাদ জীবনে কত জনের মৃত্যুদন্ড দিয়েছে তার হিসেব নেই। কিন্তু আজ কিছুতেই চোখের পানি আটকাতে পারছে না সে। আবু যরের মত একজন সাহাবী সম্পূর্ণ বিনা দোষে আজ মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হবেন, এটা মদীনার কেউ মেনে নিতে পারছেন না।

এমনকি মৃত্যুদন্ডের আদেশ প্রদানকারী খলিফা উমর (রা) নিজেও চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। হৃদয় তাঁর ভারাক্রান্ত। তবু আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। কারো পরিবর্তনের হাত নেই। আবু যর (রা) তখনও নিশ্চিন্ত মনে হাঁসি মুখে দাঁড়িয়ে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত। জল্লাদ ধীর পায়ে আবু যর (রা) এর দিকে এগুচ্ছেন আর কাঁদছেন। আজ যেন জল্লাদের পা চলে না। পায়ে যেন কেউ পাথর বেঁধে রেখেছে।

এমন সময় এক সাহাবী উচ্চ স্বরে জল্লাদকে বলে উঠলেন, "হে জল্লাদ একটু থামো। মরুভুমির ধুলার ঝড় উঠিয়ে ঐ দেখ কে যেন আসছে। হতে পারে ঐটা সেই ব্যক্তির ঘোড়ার পদধুলি। একটু দেখে নাও।"

ঘোড়াটি কাছে আসলে দেখা যায় সত্যিই এ সেই ব্যক্তি। সে দ্রুত খলিফার সামনে এসে বললো, "আমীরুল মুমিনীন, মাফ করবেন। রাস্তায় যদি আমার ঘোড়া পায়ে ব্যথা না পেত, তবে যথা সময়েই আসতে পারতাম। বাড়িতে গিয়ে আমি একটুও দেরি করিনি। বাড়ি পৌঁছে গচ্ছিত আমানত ও ঋণ পরিশোধ করি। তারপর বাবা, মা এবং নববধুর কাছে সব খুলে বলে চিরবিদায় নিয়ে মৃত্যুর প্রস্তুতি নিয়ে মদীনার উদ্দেশ্যে রওনা দেই। এখন আমার জামিনদার ভাইকে ছেড়ে দিন আর আমাকে মৃত্যুদন্ড দিয়ে পবিত্র করুন। কেননা কেয়ামতের দিন আমি খুনি হিসেবে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে চাই না।"

আশেপাশের সবাই একেবারেই নীরব। চারিদিকে একদম থমথমে অবস্থা। সবাই হতবাক, কী হতে চলেছে! ঐ ব্যক্তির পুনরায় ফিরে আসাটা অবাক করে দিলো সবাইকে।

খলিফা হযরত উমর (রা) যুবককে বললেন, "তুমি জানো তোমাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে, তারপরেও কেন ফিরে এলে?"

উত্তরে সেই ব্যক্তি বলল, "আমি ফিরে এসেছি, কেউ যাতে বলতে না পারে, এক মুসলমানের বিপদে আরেক মুসলামান সাহায্য করতে এগিয়ে এসে নিজেই বিপদে পড়ে গেছিলো।"

এবার হযরত উমর (রা) হযরত আবু যর গিফারী (রা) কে জিজ্ঞেস করলেন, "আপনি কেন না চেনার সত্বেও ওই ব্যক্তির জামিনদার হলেন?"

উত্তরে হযরত আবু যর গিফারী (রা) বললেন, "পরবর্তিতে কেউ যেন বলতে না পারে, এক মুসলমান বিপদে পড়েছিলো, অথচ অন্য কোন মুসলমান তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনি।"

এমন কথা শুনে, হঠাৎ বৃদ্ধের দুই সন্তানের মাঝে একজন বলে উঠল, "হে খলীফা, আপনি তাকে মুক্ত করে দিন। আমরা তার উপর করা অভিযোগ তুলে নিলাম।"

হযরত উমর (রা) বললেন, “কেন তাকে ক্ষমা করে দিচ্ছ?”

তখন সেই যুবক বলে উঠলো, "কেউ যেন বলতে না পারে, এক মুসলমান অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল করে নিজেই স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ার পরেও অন্য মুসলমান তাকে ক্ষমা করেনি"।।

[হায়াতুস সাহাবা-৮৪৪]
Collected

08/12/2023

ওযুর অবশিষ্ট পানি দাঁড়িয়ে পান করা সুন্নত-

হুসায়ন ইবনু আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমার পিতা আলী (রাঃ) আমাকে উযূর পানি আনতে বলেন। আমি তাঁর নিকট পানি এনে দিলাম। তিনি উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতে আরম্ভ করলেন। (প্রথমে) উযূর পানিতে হাত ঢুকাবার পূর্বে হাতের কব্জি পর্যন্ত তিনবার ধৌত করলেন। এরপর তিন বার কুলি করেন ও তিন বার নাক ঝাড়েন। তারপর তিন বার মুখমণ্ডল ধৌত করেন এবং ডান হাত তিনবার কনুই পর্যন্ত ধৌত করলেন। অনুরূপভাবে বাম হাতে ধৌত করলেন এবং একবার মাথা মাসাহ করেন।
তারপর টাখনু পর্যন্ত ডান পা তিনবার এবং অনুরূপভাবে বাম পা ধৌত করেন।
পরে সোজা হয়ে দাঁড়ালেন এবং বললেন, পানির পাত্রটা (আমার হাতে) দাও। আমি (তাঁর উযূর পর যে পানিটুকু পাত্রে ছিল তা সহ) পাত্রটি তাঁকে দিলাম। তিনি উযূর অবশিষ্ট পানিটুকু দাঁড়িয়ে পানি পান করলেন। আমি তাঁকে দাঁড়িয়ে পান করতে দেখে অবাক হলাম। তিনি আমার অবস্থা দেখে বললেনঃ অবাক হয়ো না। তুমি আমাকে যেমন করতে দেখলে, আমিও তোমার নানা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এরূপ করতে দেখেছি।
আবূ দাউদ হাঃ ১০৭
DeYaara

Address

Corporate Office: 3/3/15, Fatema Manzil, Road-04, Chanmia Housing, Mohammadpur
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ProjonmoPlus Agro Tourism posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ProjonmoPlus Agro Tourism:

Share