ইতিহাসের সাধন ক্ষেত্র

ইতিহাসের সাধন ক্ষেত্র ইতিহাস কথা বলে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না’- কার্ল মার্কস

29/03/2025

মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা মির্জা জহিরউদ্দিন মুহম্মদ বাবর সম্পর্কে অল্প কথায় কিছু কথা:

19/09/2024

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা জমিদার বাড়ির প্রধান ফটকের সামনে। বাড়িটির প্রথম পুরুষ শ্রীকৃষ্ণ আচার্য চৌধুরী। ১৭৫৭ সালের পলাশীর যু/দ্ধের পর তার ৪ পুত্র- রামরাম, হররাম, বিষ্ণুরাম ও শিবরাম বগুড়া থেকে আলাপসিং পরগণায় আসেন। এখানে এসে ব্রহ্মপুত্র নদের অন্যতম শাখা নদী আয়মানের তীরবর্তী অঞ্চলে এসে নৌকা ভেড়ান তারা। মুক্তাগাছায় বসতি স্থাপনের আগে পরগণার বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন। সেই সময় আলাপসিং পরগণায় জনবসতি ছিল না। চারদিকে তখন ছিল অরণ্য ও জলাভূমি।

মুক্তাগাছায় আজকের যে জমিদার বাড়িটি দৃশ্যমান, সেই বাড়ির জমিদারদের একজন হলেন শ্রীকৃষ্ণ আচার্যের দ্বিতীয় পুত্র হররাম। আচার্য চৌধুরী বংশের জমিদারদের আটানি বাড়ির জমিদার বলেও সম্বোধন করা হয়। অন্যদিকে মুক্তাগাছা জমিদার বাড়ির আরেক নাম আট-আনী জমিদার বাড়ি। জগৎ কিশোর আচার্য চৌধুরী ছিলেন এই বাড়ির অন্যতম একজন জমিদার। তার ৪ পুত্র জীতেন্দ্র, বীরেন্দ্র, নৃসিংহ ও ভূপেন্দ্র। ভূপেন্দ্র আচার্যের এক পুত্রের নাম জীবেন্দ্র কিশোর আচার্য চৌধুরী (জন্ম: ১২ অক্টোবর ১৯০৩- মৃ/ত্যু: ১ ডিসেম্বর ১৯৯২)। যাকে ‘জীবন বাবু’ বলেও উল্লেখ করা হয়।

19/09/2024

দিল্লির সুলতান ইবরাহিম খান লোদিকে হারিয়ে মুঘল সম্রাট বাবরের গদিনশিন হওয়ার ঘটনা ইতিহাসে চমকপ্রদ। ভারতবর্ষে মুঘলদের এই উত্থানের কথা আজ পর্যন্ত আমাদের শিহরিত করলেও সম্রাট আওরঙ্গজেবের পরবর্তীদের ইতিহাস বেশ শোচনীয়। ১৭০৭ সালে মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃ/ত্যুর পর থেকে সুবে বাংলার নবাব নিজেদের স্বাধীন ভাবতে শুরু করেন। যার ফলশ্রুতিতে ১৭৩৯ সালে নবাব সরফরাজ খানকে গিরিয়ার যু/দ্ধে পরাজিত ও হ/ত্যা করেন নবাব আলীবর্দী খান। একই বছর পারস্য থেকে এসে মুঘল কীর্তি ময়ূর সিংহাসন লু-ণ্ঠন করে নিয়ে যান নাদির শাহ। ১৭৩৯ সালেই ঘটে যাওয়া এই দুটো ঘটনা সুবে বাংলা ও ভারতের ইতিহাসে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রেখেছে। গিরিয়ার যু-দ্ধে সরফরাজ খান নিহতের মধ্য দিয়ে আলীবর্দী খান বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নবাব হিসেবে জাঁকিয়ে বসেন। অন্যদিকে সম্রাট শাহজাহানের শাসনামলে নির্মিত ময়ূর সিংহাসন লু-ণ্ঠনের মধ্য দিয়ে মুঘলদের দুর্বলতার চিত্র সামনে চলে আসে।

17/09/2024

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা জমিদার বাড়িতে নামফলক পড়তেই একটা খটকা লাগল। জমিদার বাড়িটি গোড়াপত্তন করেছেন আচার্য চৌধুরী বংশের প্রথম পূর্বপুরুষ শ্রীকৃষ্ণ আচার্য চৌধুরী। নামফলকে লেখা রয়েছে- ‌‘ময়মনসিংহ জমিদারির প্রতিষ্ঠাতা শ্রীকৃষ্ণ আচার্য চৌধুরী ১৭২৭ সালে আলীবর্দি খাঁর সময়ে এ জমিদারির বন্দোবস্ত পান।’

খটকাটা যেখানে, ইতিহাসে পড়েছি- নবাব মুর্শিদকুলী খাঁ ১৭১৭ থেকে ১৭২৭ সাল পর্যন্ত বাংলা শাসন করেছেন।

১৭২৭ সালে মুর্শিদকুলী খাঁর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারী মনোনীত হলেও অল্পদিন শাসনের পরই সরফরাজ খানকে ক্ষমতাচ্যুত করেন তার পিতা সুজাউদ্দিন খান। যিনি দুর্বলচিত্ত শাসক হিসেবে বাংলার নাসিরি বংশের ইতিহাসে সম্যক পরিচিত।

১৭৩৯ সালে সুজাউদ্দিন খানের মৃ/ত্যুর পর বাংলার নবাবি উত্তরাধিকার ফিরে পান সরফরাজ খান। এরপর ১৭৪০ সালেই গিরিয়ার যু/দ্ধে সরফরাজকে পরাজিত ও হ-ত্যা করেন নবাব আলীবর্দী খান। এর মধ্য দিয়েই বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার একচ্ছত্র কর্তৃত্ব লাভ করেন নবাব আলীবর্দী খান। সূচিত হয় আফসারি বংশের নবাবি শাসন। অথচ মুক্তাগাছা জমিদার বাড়ির ইতিহাসের নামফলকে দেখা গেল ১৭২৭ সালেই নাকি শ্রীকৃষ্ণ আচার্য চৌধুরীকে জমিদারির বন্দোবস্ত দান করেন নবাব আলীবর্দী খান (!?)। আশঙ্কা করছি, সাল নিয়ে কিংবা নবাবের নাম নিয়ে কোথাও কোনো বিভ্রান্তি দেখা দিতে পারে।
হাসনাত আসিফ কুশল
ইতিহাস বিশ্লেষক

বাংলায় গণহ/ত্যা, ইংরেজিতে Geno-cide। গ্রিক শব্দ Genos ও ল্যাটিন শব্দ Cide- দুই ভাষার শব্দ একত্রিত হয়ে Geno-cide। এখন Gen...
05/09/2024

বাংলায় গণহ/ত্যা, ইংরেজিতে Geno-cide। গ্রিক শব্দ Genos ও ল্যাটিন শব্দ Cide- দুই ভাষার শব্দ একত্রিত হয়ে Geno-cide। এখন Genos ও Cide শব্দের অর্থ কি- সেটা জেনে নেওয়া যাক। Genos শব্দের অর্থ ‘নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা জাতি’ আর Cide শব্দের অর্থ ‘হ-ত্যা’। গণহত্যা শব্দটি প্রথম প্রয়োগ করা হয় ১৯৪৪ সালে। আইনি পরিমণ্ডলে ১৯৪৫ সালে শব্দটির প্রথম প্রয়োগ হয়। এখন আমরা জানবো বিংশ ও একবিংশ শতকের গণহ/ত্যার ইতিহাস। চলুন জেনে আসা যাক-

গ্রিক গণহ/ত্যা: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও তার পরবর্তী সময়কালে এই গণহ/ত্যা সংঘটিত হয়। ১৯১৩-১৯২৩’র মধ্যে গ্রিসে ঘটে যাওয়া এই গণহ/ত্যা ইতিহাসে গ্রিক গণহ/ত্যা হিসেবে সমালোচিত হয়ে আসছে। পন্টাস, ক্যাপাডোসিয়া, আইওনিয়া ও ইস্টার্ন থ্রেসকে লক্ষ্য করে এই গণহ/ত্যা পরিচালনা করে গ্রিকো-তুর্কি সেনাবাহিনী। এই গণহ/ত্যা চলাকালেই শুরু হয় তুরস্কের জাতীয়তাবাদী আন্দোলন। যার ফলশ্রুতিতে ১৯২৩ সালে উসমানীয় অধীনতা থেকে তুর্কিরা মুক্তি লাভ করে এবং ১৯২৪ সালে সাংবিধানিক চুক্তির মধ্য দিয়ে উসমানীয় খে-লাফত বিলুপ্ত হয়। গ্রিক গণহ/ত্যায় ৩-৯ লাখ বেসামরিক লোকের প্রা-ণহানি হয়।

আর্মেনীয় গণহ/ত্যা: আর্মেনীয় গণহ/ত্যা শুরু হয় ১৯১৫ সালের ২৪ এপ্রিল। শেষ হয় ১৯২৩ সালে। এই গণহ/ত্যা চালায় অটোমান সাম্রাজ্য। এতে ৬ লাখ থেকে ১৫ লাখ লোক নিহ/ত হয়।

দ্য হ-লোকস্ট: দ্য হ-লোকস্ট ইউরোপে ই-হুদি গণহ/ত্যা নামেও সমধিক পরিচিত। হিব্রু ভাষায় ই-হুদিরা হ-লোকস্টকে হা-শোয়া বলে থাকে। দ্বিতীয় বিশ্বযু-দ্ধ চলাকালীন ই-হুদিদের ওপর যে গণহ/ত্যা চালানো হয়েছিল তাকে দ্য হ-লোকস্ট বলা হয়ে থাকে। না-ৎসিবাদী জার্মান ও তাদের মিত্ররা ৬-১১ লাখ ই-হুদিকে হ/ত্যা করে।

‘৭১’র গণহ/ত্যা: ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ তথা তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহ/ত্যা চালানো হয়েছিল, তা ‘৭১’র গণহ/ত্যা হিসেবে সমধিক পরিচিত। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন, শেখ মুজিবের ব্যাপক জনপ্রিয়তা এবং পশ্চিম পাকিস্তানের তদানীন্তন শাসকগোষ্ঠীর ক্ষমতালিপ্সার কারণে এই গণহ/ত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান। দীর্ঘ ৯ মাস ধরে চলা এই গণহ/ত্যায় ৩০ লাখ লোকের মৃ-ত্যু হয়।

কম্বোডীয় গণহ/ত্যা: ১৯৭৫ সালের ১৭ এপ্রিল কম্বোডীয় গণহ/ত্যার শুরু। ১৯৭৯ সালের ৭ জানুয়ারি এটি শেষ হয়। গণহ/ত্যা শুরু করে খেমার রুজ। ১৯৭৫-১৯৭৯ সময়কালে কম্বোডিয়ার শাসকগোষ্ঠী এই নামে পরিচিত। তারা ছিলেন কমিউনিস্ট পার্টি অব কাম্পুচিয়ার (সিপিকে) সদস্য। এই গণহ/ত্যায় ১২-২৮ লাখ লোক প্রা-ণ হারায়।

রুয়ান্ডা গণহ/ত্যা: রুয়ান্ডার সংখ্যালঘু টাটসি ও সংখ্যাগরিষ্ঠ হুটু গোষ্ঠীর মধ্যে ১৯৯৪ সালের ৭ এপ্রিল নির্বিচারে যে গণহ/ত্যা শুরু হয়, তাই ইতিহাসে রুয়ান্ডা গণহ/ত্যা হিসেবে পরিচিত। একই বছর ১৯ জুলাই শান্তি ও নির/স্ত্রীকরণের এক চুক্তির মধ্য দিয়ে এই গণহ/ত্যার সমাপ্তি হয়। রুয়ান্ডা গণহ/ত্যায় ৮-১০ লাখ লোক নিহ-ত হয়।

বসনীয় গণহ-ত্যা: ১৯৯৫ সালে ১১-১৩ জুলাই বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় যে গণহ-ত্যা চলে, বিশ্ব ইতিহাসে সেটা বসনীয় গণহ-ত্যা হিসেবে তুমুল সমালোচিত হয়ে রয়েছে। এতে শুধু স্রেব্রিনিকা শহরেই ৮ হাজার ৩৭১ জন প্রা-ণ হারায়। এ ছাড়া বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা জুড়ে চালানো এই গণহ/ত্যায় ২৫ হাজার ৬০৯ থেকে ৩৩ হাজার ৭১ জন নি-হত হয়।

রোহিঙ্গা গণহ/ত্যা: মি-য়ানমারের শাসক গোষ্ঠীর ভয়াবহ নিপী-ড়ন থেকে বাঁচার জন্য ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ২০১৭ সালে জানুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে থাকে রো-হিঙ্গারা। বিশেষ করে মি-য়ানমারের সেনা-বাহিনীর অভিযান থেকে রেহাই পেতে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইনের রো-হিঙ্গাদের বড় আকারের ঢল দেখা যায়। সংবাদপত্রের খবরাখবর অনুযায়ী মিয়ানমারের জাতিগত নিপীড়নের শিকার হয়ে প্রায় ১০ লাখ রো-হিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। ২০১৮ সাল পর্যন্ত এই গণহত্যায় ২৫ হাজারেরও বেশি রো-হিঙ্গা নিহত হয়।

গা-জা গণহ-ত্যা: ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ফি/লিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হা-মাসের নজিরবিহীন হা-মলার পর থেকে গা-জায় হা-মলা শুরু করতে থাকে ইস-রায়েল। চলমান এই গণহ/ত্যায় ৪০ হাজারেরও বেশি গা*জাবাসী প্রা*ণ হারায়।

১৫৬১ খ্রিস্টাব্দে পৌইসির চুক্তির কারণে রাজা তাদের ওপর করারোপ করতে পারতেন না। অভিজাতরা নিজেদের ‘ফ্রাঙ্কিশ বিজেতাদের বংশধর...
29/08/2024

১৫৬১ খ্রিস্টাব্দে পৌইসির চুক্তির কারণে রাজা তাদের ওপর করারোপ করতে পারতেন না। অভিজাতরা নিজেদের ‘ফ্রাঙ্কিশ বিজেতাদের বংশধর’ বলে দাবি করতেন। রাজা নিজেও ছিলেন অভিজাত শ্রেণির অন্তর্গত। সেই অনুযায়ী রাজা নিজেও ‘ফ্রাঙ্কিশ বিজেতাদের বংশধর’ বলে দাবি করতেন।

15/08/2024
বাংলাদেশের ইতিহাসে শেখ হাসিনালিংক: https://shorturl.at/bNHo7
06/08/2024

বাংলাদেশের ইতিহাসে শেখ হাসিনা
লিংক: https://shorturl.at/bNHo7

জ্ঞানের একটি পৃথক শাখা হলো স্বপ্ন ব্যাখ্যা। হযরত ইবরাহিম, ইসহাক্ব ও ইয়াকূব আলাইহিমুস সাল্লাম সবাই স্বপ্ন ব্যাখ্যায় পারদর...
13/07/2024

জ্ঞানের একটি পৃথক শাখা হলো স্বপ্ন ব্যাখ্যা। হযরত ইবরাহিম, ইসহাক্ব ও ইয়াকূব আলাইহিমুস সাল্লাম সবাই স্বপ্ন ব্যাখ্যায় পারদর্শী ছিলেন। সম্ভবত এই কারণেই ইয়াকূব আলাইহিস সাল্লাম নিশ্চিত ধারণা করেছিলেন যে, বালক ইউসুফ একদিন নবী হবে। হযরত ইউসুফকেও আল্লাহ এই ক্ষমতা দান করেছিলেন। যেমন আল্লাহ এদিকে ইঙ্গিত দিয়ে বলেন: ‘এভাবেই তোমার পালনকর্তা তোমাকে মনোনীত করবেন (নবী হিসেবে) ও তোমাকে শিক্ষা দেবেন বাণীগুলোর (অর্থাৎ স্বপ্নাদিষ্ট বাণীগুলোর) নিগুঢ় তত্ত্ব ও পূর্ণ করবেন স্বীয় অনুগ্রহগুলো (যেমন মিশরের রাজত্ব, সর্বোচ্চ সম্মান ও ধন-সম্পদ লাভ এবং পিতার সঙ্গে মিলন প্রভৃতি) তোমার প্রতি ও ইয়াকূব-পরিবারের প্রতি, যেমন তিনি পূর্ণ করেছিলেন এর আগে তোমার পিতৃপুরুষ ইবরাহিম ও ইসহাক্বের প্রতি। নিশ্চয়ই তোমার পালনকর্তা সর্বজ্ঞ ও প্রজ্ঞাময়’ (ইউসুফ ১২: ৬)।

উপরি উক্ত ৫ ও ৬ আয়াতে নিম্নোক্ত বিষয় উঠে আসে-

১. ইয়াকূব আলাইহিস সাল্লাম ইউসুফের দেখা স্বপ্নকে সত্য স্বপ্ন হিসেবে গণ্য করেছিলেন ও এটাও উপলব্ধি করেছিলেন যে, ইউসুফের জীবনে সুন্দর একটি ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। সেজন্য জীবনে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে তাকে;
২. ভালো স্বপ্নের কথা এমন লোকের কাছে বলা উচিত নয়, যারা তার হিতাকাঙ্ক্ষী নয়। বিশেষ করে হিংসুক প্রবৃত্তির লোকের কাছে তো একদমই ভালো স্বপ্ন খোলাসা করা অনূচিত। সেজন্যেই ইযাকূব আলাইহিস সাল্লাম বালক ইউসুফকে তার স্বপ্ন বৃত্তান্ত তার সৎ ভাইদেরকে বলতে নিষেধ করেছিলেন;
৩. ইউসুফকে আল্লাহ তিনটি নেয়ামত দানের সুসংবাদ দিয়েছেন:
ক. আল্লাহ তাকে নবী হিসেবে মনোনীত করেছেন;
খ. তাকে স্বপ্ন বৃত্তান্ত ব্যাখ্যার যোগ্যতা দান করেছেন;
গ. তার প্রতি স্বীয় নেয়ামতগুলো পূর্ণ করবেন।

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল দ্বাপর যুগে। শ্রীকৃষ্ণের প্রকৃত জন্মতারিখ খ্রিস্টপূর্ব ৩২২৮ অব্দে ১৮ জুলাই। হিন্দু পঞ্জিকা...
12/07/2024

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল দ্বাপর যুগে। শ্রীকৃষ্ণের প্রকৃত জন্মতারিখ খ্রিস্টপূর্ব ৩২২৮ অব্দে ১৮ জুলাই। হিন্দু পঞ্জিকা মতে, সৌর ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে যখন রোহিণী নক্ষত্রের প্রাধান্য হয়, তখন জন্মাষ্টমী অর্থাৎ শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি পালিত হয়। গ্রেগরিয়ান (খ্রিস্টীয়) ক্যালেন্ডার অনুযায়ী প্রতি বছর আগস্টের মাঝখান থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝখানের মধ্যে জন্মাষ্টমীর উৎসব পালিত হয়ে থাকে।

Address

Dhaka

Telephone

+8801954367325

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইতিহাসের সাধন ক্ষেত্র posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ইতিহাসের সাধন ক্ষেত্র:

Share