Rokon Enterprise

Rokon Enterprise Natural foods and organics

মেথি তিতা স্বাদযুক্ত মসলা। এতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর বিস্ময়কর শক্তি ও তারুণ্য ধরে রাখার বিস্ময়কর এক ক্ষমতা।এক...
19/03/2020

মেথি তিতা স্বাদযুক্ত মসলা। এতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর বিস্ময়কর শক্তি ও তারুণ্য ধরে রাখার বিস্ময়কর এক ক্ষমতা।

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে দূষিত পরিবেশ এবং ভেজাল খাবারের রাজ্যে সুস্থভাবে বেঁচে থাকা সম্ভব, যদি প্রতিদিন মেথি খাওয়া যায়। কারণ এই প্রাকৃতিক উপাদানটির মধ্যে রয়েছে ৩৫.৫ ক্যালরি, ৬.৪ গ্রাম প্রোটিন, ০.৭ গ্রাম ফ্যাট, ২.৭ গ্রাম ফাইবার এবং ৩.৭ মিলিগ্রাম আয়রন। এছাড়াও রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ, কপার, ম্যাগনেসিয়্যাম, ফসফরাস এবং ভিটামিন বি৬-এর মতো পুষ্টিকর উপাদান, যা নানা দিক দিয়ে শরীরে গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

যাঁরা নিয়মিত মেথি খান, তাঁদের বুড়ো হয়ে যাওয়ার গতিটা অত্যন্ত কম। রাতে চা চামচের এক চামচ মেথি পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানি এবং ঐ ভিজানো মেথি প্রতিদিন সকালে খালি পেটে চিবিয়ে খেলে শরীরের কৃমিসহ বিভিন্ন ধরণের রোগ-জীবাণু মরে যায়। এছাড়া রক্তের চিনির মাত্রা, ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা চর্বির মাত্রা মারাত্মকভাবে কমে যায়।

ডায়াবেটিসের রোগী থেকে শুরু করে হৃদরোগের রোগী পর্যন্ত সবাইকে তাঁদের খাবারে মেথি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। গবেষণালব্ধ ফলাফল মোতাবেক প্রতিদিন নিয়মিত মেথি খাওয়ার উপকারিতা নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

• মেথি তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। বার্ধক্যকে দূরে ঠেলে দিয়ে তারুণ্যকে দীর্ঘস্থায়ী করে।

• মেথিতে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন, ফাইবার, আয়রন, পটাসিয়াম, ভিটামিন সি, নিয়াসিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা ত্বককে রাখে সতেজ ও টানটান ভাব।

• রূপচর্চাতেও মেথিকে শীর্ষে রাখা যায়। প্রতিদিন মেথি খেলে, মেথি চেহারায় বলিরেখা বা বয়সের ছাপ হতে দেয় না, ফলে চেহারা সুন্দর থাকে।

• রক্তে চিনির মাত্রা কমানোর অসাধারণ এক শক্তি থাকায় ডায়াবেটিস রোগের জন্য খুব ভালো এই মেথি। ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ার কোনো আশঙ্কাই থাকে না।

• নিয়মিত মেথি খেলে রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমতে শুরু করে। ফলে আর্টারি ব্লক হয়ে গিয়ে হার্টের কোনো ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সেই সাথে হার্টের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। ফলে যে কোনো ধরনের করোনারি আর্টারি ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও একেবারে কমে যায়।

• মেথিতে আছে প্রাকৃতিক তন্তু, যা ওজন ও স্থুলতা কমাতে বেশ কার্যকর। যাঁরা ওজন ও স্থুলতা কমাতে চান, তাঁরা নিয়মিত মেথি খাবেন।

• মেথি বীজের পুষ্টিকর উপাদান এত মাত্রায় হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় যে শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমার সুযোগই পায় না।

• নিয়মিত মেথি খেলে সর্দিকাশি হতে পারবে না।

• চুল পড়া ঠেকাতে মেথি খেলে উপকার পাওয়া যায়।

• পেট জ্বালা, বদ হজম ও গ্যাস-অম্বলের মতো রোগও সারায়। কনস্টিপেশন এবং স্টমাক ইনফ্লেমেশনের মতো সমস্যাও কমতে শুরু করে।

• মেথি বীজে ফাইবার, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে, যা শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের করে দেয়। মেথি শরীরে প্রবেশ করার পর মুখের আলসার, পেপটিক আলসার, ফোঁড়া, ব্রঙ্কাইটিস, টিউবারকুলোসিস, সর্দি-কাশি এবং ক্যান্সারের মতো রোগও হতে দেয় না এবং হয়ে থাকলে সেগুলো ভাল করে।

• মেথি কিডনির কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি করে।

• মেথী আমাশয়, গ্যাষ্ট্রিক ও শূল রোগে উপকারি।

• নিয়মিত মেথি খেলে পেটে কৃমি হতে পারে না।

• মেথি আয়রনসমৃদ্ধ হওয়ায় রক্তস্বল্পতা, অর্থাৎ অ্যানিমিয়া রোগের পথ্য হিসেবে কাজ করতে পারে।

• মাতৃদুগ্ধ বাড়াতে ওষুধের বিকল্প হলো মেথি। সদ্য মা হওয়া নারীর জন্য মেথি উপকারী।

• ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করে মেথি, বিশেষ করে স্তন ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধের জন্য মেথি কার্যকর।

• নিয়মিত মেথি খাওয়া শুরু করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে, ছোট-বড় কোনো রোগই হতে পারে না। সেই সাথে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

• মেথী সকল বাত ব্যথায় বিশেষ কার্যকর।

• মেথী পিত্তজনিত রোগ নিরাময় করে।

• মেনোপজ হলে নারীর শরীরে নানা ধরনের পরিবর্তন আসে। হরমোনের এই পরিবর্তনের কালে মেথি ভালো একটি পথ্য।

• মেথির রসে ‘সাপোনিস’ বা ‘ডাইওসজেনিন’ নামে এক ধরনের যৌগ পদার্থ আছে, যা মানবদেহের হরমোন স্তর বা এর পরিমাণ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

• মেথি পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে সক্ষম।

• পুরুষদের যৌনশক্তি বৃদ্ধিতে মেথি এক মহৌষধ! প্রতিদিন নিয়মিত মেথি খেলে পুরুষের যৌনক্ষমতা পর্যাপ্ত পরিমানে বেড়ে যায়।

খুব সহজলভ্য একটি খাবার হল মধু। খাবার না বলে অবশ্য উপকরণ বলাই ভাল। কয়েক চামচ মধু এমনি খাওয়াই যায় এবং তা সুস্বাদুও। কিন্তু...
19/03/2020

খুব সহজলভ্য একটি খাবার হল মধু। খাবার না বলে অবশ্য উপকরণ বলাই ভাল। কয়েক চামচ মধু এমনি খাওয়াই যায় এবং তা সুস্বাদুও। কিন্তু মূলত মধুর ব্যবহার কোনও বিশেষ রেসিপিতে। শরবতে, ফল বা কোনও ডেজার্টের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেতে সবাই ভালবাসেন। প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতিতে নানা ভাবে ব্যবহার করা হত মধু। কখনও ওষুধ তৈরিতে মধু ব্যবহার করা হত আবার কখনও ত্বকের রোগ বা ক্ষত সারাতে মধুর প্রলেপ দেওয়া হত।

কিন্তু এই বহুমুখীপ্রতিভাসম্পন্ন উপকরণটির মূল ইউএসপি হল, মধু কখনও নষ্ট হয় না যদি তাকে একটি বায়ুনিরোধক পাত্রে এবং একটি শুকনো জায়গায় রাখা যায়। অনেকদিনের কেনা মধু কি কখনও পুরনো হয়ে গিয়েছে বলে ফেলে দিয়েছেন? হয়তো ভুলই করেছেন। কারণ যদি কৌটোর মুখ ঠিকঠাক বন্ধ করা অবস্থায় স্টোর করা যায় তবে হাজার বছরেও নষ্ট হয় না মধু।
প্রাকৃতিক খাদ্য হিসেবে মধুর অশেষ উপকারিতা রয়েছে। এমনকী, বহু রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের ক্ষমতাও মধুর রয়েছে বলে মনে করেন অনেক ডাক্তারও। আপাতত, জেনে নিন মধুর ১০টি অনন্য উপকারিতা—

১. কর্মশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক:
মধুতে থাকে প্রাকৃতিক শর্করা। এই শর্করা কর্মশক্তি জোগান দেয় শরীরে।

২. মাংসপেশির ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে:
অতিরিক্ত পরিশ্রমের ফলে ক্লান্তি বোধ করছেন? এক চামচ মধু খেয়ে নিন। দেখবেন, প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে মাংসপেশির ক্লান্তি দূরীভূত হবে। এই প্রক্রিয়ায় ক্রীড়াবিদরাও ক্লান্তি দূ‌র করে থাকেন।

৩. মধু যে কোনওদিন নষ্ট হয় না, তার পিছনে মৌমাছিদের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। মৌচাকে মধু জমানোর সময়ে মৌমাছিদের পাখার ঝাপটায় জলীয় পদার্থ যতটা সম্ভব শুকিয়ে যায়।

৪. কাশি কমাতে সাহায্য করে:
মধু‌ গলায় আরাম দেয় ও যেসব ব্যাকটেরিয়ার কারণে কাশি হয় তাদের মেরে ফেলে।

৫. কাটা-ছড়া সারাতে সাহায্য করে:
শরীরের কোথাও কেটে বা ছড়ে গেলে জায়গাটা জলে ধুয়ে নিশ্চিন্তে সেখানে মধুর একটা প্রলেপ লাগিয়ে দিতে পারেন। মধুর অ্যান্টিসেপ্টিক, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল গুণাবলী রয়েছে।

৬. ছোটখাটো পুড়ে যাওয়া সারাতে সক্ষম:
শরীরের কোথাও পুড়ে গেলে সেখানে মধু লাগিয়ে দিন। এতে যে শুধু জ্বালাভাব কমবে তা-ই নয়, পোড়া জায়গায় কোনও ইনফেকশনের সম্ভাবনাও কমবে।

৭. নিদ্রাহীনতা কমাতে সহায়ক:
রাত্রে ভাল ঘুম হচ্ছে না? শুতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস গরম দুধে দু’-তিন চামচ মধু গুলে খেয়ে শুয়ে পড়ুন‌। দ্রুত ঘুম চলে আসবে।

৮. ত্বক ভাল রাখে:
ত্বকের কোথাও কালো কালো দাগ হয়ে গিয়েছে? রোজ রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে জায়গাটিতে একটু মধু লাগিয়ে শুয়ে পড়ুন। পরের দিন সকালে হালকা উষ্ণ জলে জায়গাটা ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, কয়েকদিন পরেই উপকার পাবেন।

৯. ওজন কামতে সাহায্য করে:
ভোরবেলা হালকা গরম জলে একটু লেবু, আর এক চামচ মধু‌ মিশিয়ে খালি পেটে খেয়ে নিন। নিয়মিত এই অভ্যাসের ফলে ওজন কমবে।

১০. হজমের সহায়ক:
ভারি খাওয়াদাওয়ার আগে দু’চামচ মধু খেয়ে নিন। খাবার হজম হবে তাড়াতাড়ি।

কালো রঙের ছোট শস্য বীজ কালোজিরা। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় এর ব্যবহার বেশ পুরোনো।কালোজিরার বীজ থেকে তেল পাওয়া যায় যার রয়েছে না...
18/03/2020

কালো রঙের ছোট শস্য বীজ কালোজিরা। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় এর ব্যবহার বেশ পুরোনো।কালোজিরার বীজ থেকে তেল পাওয়া যায় যার রয়েছে নানা উপকারিতা।

কালজিরার স্বাস্থ্য উপকারিতার শেষ নেই। ইসলাম ধর্মেও এই শস্য বীজকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়। বুখারি শরীফের হাদিস অনুসারে, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘কালিজিরা মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগের উপশমক এটি।

কালোজিরার বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে চলুন জেনে নিই-

সর্দি /কাশি -

সর্দি-কাশিতে কালোজিরার ব্যবহার বেশ পুরোনো। কালোজিরার ঝাঁজ বুকে জমা শ্লেষ্মাকে টেনে বের করতে সাহায্য করে। এটি নাক বন্ধের সমস্যা থেকেও মুক্তি দেয়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি-

কালোজিরায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ফসফরাস। আর দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এটি বেশ কার্যকর। তাই দেহে জীবাণুর সংক্রমণ ঠেকাতে নিয়মিত কালোজিরা খাওয়ার অভ্যাস করুন।

পেটের সমস্যায়-

পেটের সমস্যায় কাজ করে কালোজিরা। শুকনো খোলায় কালোজিরা টেলে গুঁড়া করে নিন। প্রতিদিন আধা কাপ ঠান্ডা দুধে এক চিমটি কালোজিরা গুঁড়া মিশিয়ে খালিপেটে সেবন করুন। দুধ ঠান্ডা হওয়ায় বদহজমও হবে না। আবার, পেটের সমস্যা থেকেও মিলবে মুক্তি।

শ্বাসকষ্ট সমস্যায়-

শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছেন এমন মানুষদের জন্য উপকারী পথ্য কালজিরা। হঠাৎ শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে হয়তো চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি থাকে না।এমন পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে একটি কাপড়ে কালো জিরা জড়িয়ে রাখুন। এবার নাকের কাছে নিয়ে এর গন্ধ শুঁকুন। শ্বাসকষ্টের সমস্যা থেকে সাময়িক মুক্তি দিবে এটি।

চুল পড়া রোধ করতে-

চুল পড়া রুখতে কালোজিরার তেল বেশ উপকারী। এক চামচ নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন সম পরিমাণ কালোজিরার তেল। এবার এই মিশ্রণ গরম করে নিন। হালকা গরম থাকা অবস্থায় মাথার ত্বকে এই তেল মালিশ করুন। টানা এক সপ্তাহ ব্যবহারে চুল পড়া সমস্যা মিটবে অনেকটা।

ওজন কমাতে-

বর্তমান সময়ে একটি মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা ওবেসিটি। প্রতিদিনের গ্রিন টি তে যোগ করুন কালোজিরার গুঁড়া। এটি দেহের মেটাবলিজমের হার বাড়িয়ে দিয়ে মেদ ঝরাতে বিশেষ কাজ করে।

এছাড়াও উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসের মতো শারীরিক সমস্যা দমনেও ভূমিকা রাখে এই উপাদানটি। তাই রোজকার খাদ্যতালিকায় যোগ করুন কালোজিরা আর থাকুন সুস্থ।

সজিনা গাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। গবেষকরা সজিনা পাতাকে বলে থাকেন নিউট্রিশন্স স...
18/03/2020

সজিনা গাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। গবেষকরা সজিনা পাতাকে বলে থাকেন নিউট্রিশন্স সুপার ফুড এবং সজিনা গাছকে বলা হয় মিরাক্কেল ট্রি।

০১। প্রতি গ্রাম সজনে পাতায় একটি কমলার চেয়ে সাত গুণ বেশি ভিটামিন সি, দুধের চেয়ে চার গুণ বেশি ক্যালসিয়াম ও দুই গুণ বেশি প্রোটিন, গাজরের চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন এ এবং কলার চেয়ে তিন গুণ বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান। ফলে এটি অন্ধত্ব, রক্তস্বল্পতা সহ বিভিন্ন ভিটামিন ঘাটতি জনিত রোগের বিরুদ্ধে বিশেষ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।

০২। এতে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে এবং পালংশাকের চেয়ে তিন গুণ বেশি আয়রণ বিদ্যমান, যা এ্যানেমিয়া দূরীকরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

০৩। সজনে শরীরে কোলেস্টেরল এর মাত্রা নিয়ন্ত্রনেও অন্যতম অবদান রাখে।

০৪। মানুষের শরীরের প্রায় ২০% প্রোটিন যার গাঠনিক একক হলো এমাইনো এসিড। শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মেটাবোলিজম এবং অন্যান্য শারীরবৃত্ত্বীয় কার্যাবলী পরিপূর্ণরূপে সম্পাদনে এমাইনো এসিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। মানুষের শরীরের যে ৯ টি এমাইনো এসিড খাদ্যের মাধ্যমে সরবরাহ করতে হয়, তার সবগুলোই এই সজিনা গাছের পাতার মধ্যে বিদ্যমান।

০৫। এটি শরীরে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের মত কঠিন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে।

০৬। নিয়মিত দৈনিক সেবন শরীরের ডিফেন্স মেকানিজমকে আরো শক্তিশালী করে এবং ‘ইমিউনিটি স্টিমুল্যান্ট’ হওয়ার দরুন এটি ‘এইডস’ আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

০৭। এটি শরীরের হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে পুষ্টিবর্ধক হিসেবে কাজ করে।

০৮। শরীরের ওজন কমাতেও ব্যায়ামের পাশাপাশি এটি বেশ কার্যকরী ভুমিকা পালন করে থাকে।

০৯। এটি মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। পাতা থেকে তৈরি এক টেবিল চামচ পাউডারে ১৪% প্রোটিন, ৪০% ক্যালসিয়াম, ২৩% আয়রণ বিদ্যমান, যা ১ থেকে তিন বছরের শিশুর সুষ্ঠু বিকাশে সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় এবং বুকের দুধ খাওয়ানোকালীন সময়ে ৬ টেবিল চামচ পাউডার একজন মায়ের প্রতিদিনের আয়রণ এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে থাকে।

১০। এটির এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এটি যকৃত ও কিডনী সুস্থ্য রাখতে এবং রূপের সৌন্দর্য বর্ধক হিসেবেও কাজ করে থাকে।

১১।সজনে-তে প্রায় ৯০টিরও বেশি এবং ৪৬ রকমের এন্টি-অক্সিডেন্ট বিদ্যমান।

১২। এতে ৩৬ টির মত এন্টি-ইনফ্ল্যামমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। এছাড়াও এটি অকাল বার্ধক্যজনিত সমস্যা দূর করে এবং ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
প্রতিক্রিয়া: ডঃ লয়েল ফিউগিল এর মতে, দৈনিক এই পাতা গ্রহণে কোন ধরনের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া নেই।

অন্যান্য প্রাণীর খাদ্য হিসেবেঃ সজনে পাতা রুমিনেন্ট জাতীয় প্রাণীদের ক্ষেত্রে প্রোটিনের একটি অন্যতম উৎস হিসেবে ব্যবহার করা হয় যার মাঝারি মানের রুচিকরতা বিদ্যমান। পোল্ট্রি, শূকর, খোরগোশ এবং মাছের জন্য খাদ্য হিসেবে এই পাতা ও বীজের ব্যবহার বেশ কার্যকর।

সতর্কতা
সজনে এর মূল অনেক সময় বিষাক্ত হতে পারে, যা স্নায়ুকে অবশ করে দিতে পারে। তাই খাওয়ার ক্ষেত্রে এটি বর্জন করাই শ্রেয়।এছাড়া এর বীজ মাছ এবং র‌্যাবিট এর জন্যেও বিষাক্ত হতে পারে। তাই সতর্কতা অবলম্বন আবশ্যক।

সজিনা গাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। গবেষকরা সজিনা পাতাকে বলে থাকেন নিউট্রিশন্স সুপার ফুড এবং সজিনা গাছকে বলা হয় মিরাক্কেল ট্রি।

০১। প্রতি গ্রাম সজনে পাতায় একটি কমলার চেয়ে সাত গুণ বেশি ভিটামিন সি, দুধের চেয়ে চার গুণ বেশি ক্যালসিয়াম ও দুই গুণ বেশি প্রোটিন, গাজরের চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন এ এবং কলার চেয়ে তিন গুণ বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান। ফলে এটি অন্ধত্ব, রক্তস্বল্পতা সহ বিভিন্ন ভিটামিন ঘাটতি জনিত রোগের বিরুদ্ধে বিশেষ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।

০২। এতে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে এবং পালংশাকের চেয়ে তিন গুণ বেশি আয়রণ বিদ্যমান, যা এ্যানেমিয়া দূরীকরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

০৩। সজনে শরীরে কোলেস্টেরল এর মাত্রা নিয়ন্ত্রনেও অন্যতম অবদান রাখে।

০৪। মানুষের শরীরের প্রায় ২০% প্রোটিন যার গাঠনিক একক হলো এমাইনো এসিড। শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মেটাবোলিজম এবং অন্যান্য শারীরবৃত্ত্বীয় কার্যাবলী পরিপূর্ণরূপে সম্পাদনে এমাইনো এসিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। মানুষের শরীরের যে ৯ টি এমাইনো এসিড খাদ্যের মাধ্যমে সরবরাহ করতে হয়, তার সবগুলোই এই সজিনা গাছের পাতার মধ্যে বিদ্যমান।

০৫। এটি শরীরে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের মত কঠিন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে।

০৬। নিয়মিত দৈনিক সেবন শরীরের ডিফেন্স মেকানিজমকে আরো শক্তিশালী করে এবং ‘ইমিউনিটি স্টিমুল্যান্ট’ হওয়ার দরুন এটি ‘এইডস’ আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

০৭। এটি শরীরের হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে পুষ্টিবর্ধক হিসেবে কাজ করে।

০৮। শরীরের ওজন কমাতেও ব্যায়ামের পাশাপাশি এটি বেশ কার্যকরী ভুমিকা পালন করে থাকে।

০৯। এটি মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। পাতা থেকে তৈরি এক টেবিল চামচ পাউডারে ১৪% প্রোটিন, ৪০% ক্যালসিয়াম, ২৩% আয়রণ বিদ্যমান, যা ১ থেকে তিন বছরের শিশুর সুষ্ঠু বিকাশে সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় এবং বুকের দুধ খাওয়ানোকালীন সময়ে ৬ টেবিল চামচ পাউডার একজন মায়ের প্রতিদিনের আয়রণ এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে থাকে।

১০। এটির এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এটি যকৃত ও কিডনী সুস্থ্য রাখতে এবং রূপের সৌন্দর্য বর্ধক হিসেবেও কাজ করে থাকে।

১১।সজনে-তে প্রায় ৯০টিরও বেশি এবং ৪৬ রকমের এন্টি-অক্সিডেন্ট বিদ্যমান।

১২। এতে ৩৬ টির মত এন্টি-ইনফ্ল্যামমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। এছাড়াও এটি অকাল বার্ধক্যজনিত সমস্যা দূর করে এবং ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
প্রতিক্রিয়া: ডঃ লয়েল ফিউগিল এর মতে, দৈনিক এই পাতা গ্রহণে কোন ধরনের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া নেই।

অন্যান্য প্রাণীর খাদ্য হিসেবেঃ সজনে পাতা রুমিনেন্ট জাতীয় প্রাণীদের ক্ষেত্রে প্রোটিনের একটি অন্যতম উৎস হিসেবে ব্যবহার করা হয় যার মাঝারি মানের রুচিকরতা বিদ্যমান। পোল্ট্রি, শূকর, খোরগোশ এবং মাছের জন্য খাদ্য হিসেবে এই পাতা ও বীজের ব্যবহার বেশ কার্যকর।

সতর্কতা
সজনে এর মূল অনেক সময় বিষাক্ত হতে পারে, যা স্নায়ুকে অবশ করে দিতে পারে। তাই খাওয়ার ক্ষেত্রে এটি বর্জন করাই শ্রেয়।এছাড়া এর বীজ মাছ এবং র‌্যাবিট এর জন্যেও বিষাক্ত হতে পারে। তাই সতর্কতা অবলম্বন আবশ্যক।

Address

Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 09:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Saturday 10:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801711515220

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rokon Enterprise posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rokon Enterprise:

Share