Niyyat-নিয়্যাত

Niyyat-নিয়্যাত We are here to serve you with qualityful, comfortable and essential products In sha Allah.

Our Female only group link 👇

https://m.facebook.com/groups/1962562144026930/?ref=share&mibextid=NSMWBT আসসালামু আ'লাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।

আমাদের নিয়ত বা উদ্দেশ্য হল ব্যবসা। ব্যবসাকে আল্লাহ তায়ালা বরকতময় করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন। ব্যবসার ক্ষেত্রে আমাদের উদ্দেশ্য হল সুন্নাহ এবং আরামকে মুসলিমদের মাঝে সহজলভ্য করা, প্রয়োজনীয়, উপকারী আর মানসম্মত পণ্য ছড়িয়ে দেয়া। দেশের দূরদূরান্তে যারা থাকেন, যাদে

র পক্ষে ভালো মানের পণ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয় না বিভিন্ন কারণে যেমনঃ ঢাকার বাইরে সেই পণ্য না পাওয়া, ঢাকায় এসে সংগ্রহ করা সম্ভব না হওয়া অথবা ঢাকায় থাকলেও বোনদের ক্ষেত্রে পর্দা, মাহরাম, ভাইদের ক্ষেত্রে সময়, রাস্তা-ঘাটের অসুবিধার কারণে বিশেষ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ মার্কেট প্লেসে যাওয়া সম্ভব না হওয়া ইত্যাদি, তাদের জন্য চাহিদামত ও প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করা। আমাদের এমন কিছু কোয়ালিটি পণ্য সরবরাহ করারও ইচ্ছা আছে যা খুব সহজে হাতের কাছে পাওয়া যায় না কিন্তু দরকারি। ইন শা আল্লাহ, ধীরে ধীরে প্রোডাক্টের পরিচিতি আর বর্ণণা নিয়ে হাজির হবো।

আপাতত আমাদের পেইজের প্রোডাক্টের আউটলাইনঃ
*সুন্নাহ পালনের বিভিন্ন উপকরণ যেমনঃ জায়নামাজ, মিসওয়াক
*ইসলামিক বই (বাচ্চা ও বড়দের)
*মা-বোনদের পর্দার উপকরণ যেমনঃজিলবাব, আবায়া/বোরকা, খিমার, হিজাব, স্কার্ট, নামাজের হিজাব, নন মাহরাম পারপাস হিজাব, হাত মোজা, পা মোজা ইত্যাদি
*মহিলাদের ঘরের ভিতরের সাজসজ্জা যেমনঃ থ্রি পিস, সুতির ওড়না, পালাজ্জো ইত্যাদি
*বাচ্চাদের আইটেম যেমনঃ বই, হিজাব ইত্যাদি

আপনারা আমাদের সাথে থাকবেন এবং দুয়াতে শরীক করবেন।

প্রিমিয়াম জর্জেট অল পারপাস লং খিমার.. 🎀সামনে বড় রাউন্ড নিকাব, হাতায় ইলাস্টিক দিয়ে ডিজাইন করা। অরিজিনালি কালারগুলো ছবি...
06/06/2026

প্রিমিয়াম জর্জেট অল পারপাস লং খিমার.. 🎀

সামনে বড় রাউন্ড নিকাব, হাতায় ইলাস্টিক দিয়ে ডিজাইন করা। অরিজিনালি কালারগুলো ছবির চেয়ে অনেক ডিপ।

৩ টি প্রিন্টে অ্যাভেইলেবল। লং ৬০"+। চাইলে কমিয়ে দেয়া যাবে।

ডিস্কাউন্ট অফারে নিয়ে নিতে পারেন।

14/05/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
এই পোস্টটা দেখতে পেলে রেসপন্স করবেন। দেখি কারা আমাদের পোস্ট দেখতে পান।
©

যিলহজ্জের আমলের আনন্দ শুধু আমরা বড়রাই করবো? আমাদের ছোট সোনামণিরা করবে না? তাই, বাচ্চা-বড় সবাইকে যিলহজ্জের বারাকাহর স্বাদ...
03/05/2026

যিলহজ্জের আমলের আনন্দ শুধু আমরা বড়রাই করবো?

আমাদের ছোট সোনামণিরা করবে না?

তাই, বাচ্চা-বড় সবাইকে যিলহজ্জের বারাকাহর স্বাদ দিতে 'যিলহজ্জের আমল ডায়েরি' বইটি প্রি-অর্ডার করলে গিফট হিসেবে পাচ্ছেন একটি 'Dhul Hijjah Kids Activity Book'

বইতে যে বিষয়গুলো আপনি বড়দের ভাষায় শিখছেন এবং হাতে কলমে কাজে লাগাচ্ছেন, সেগুলো ছোটদের ভাষায় তাদেরকে শেখাতে, হজ্জের আনন্দ দিতে এই বইটা তাদের সাতেহ পড়তে পারবেন। ২ বছরের বাচ্চাদেরকেও পড়ে শোনাতে পারবেন এবং হজ্জের ছবিগুলো রং করতে দিবেন। আরেকটু বড় বাচ্চাদের জন্য হজ্জের টপিক নিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করতে দিবেন, ম্যাচিং গেইমস গুলো খেলতে দিবেন।

সন্ধ্যার পর এক কাপ চা নিয়ে বসবেন। মা-বাবা পড়বে 'যিলহজ্জের আমল ডায়েরি' এবং আপনার সন্তানের হাতে দিয়ে দিবেন 'Dhul Hijjah Kids Activity Book'

আর আপনি অবিবাহিত হলেই এটা কাজে লাগাতে পারবেন। এটা এত সুন্দর করে সাজানো যে, বড়দেরও করে মজা লাগবে, হালাল বিনোদনের জন্য।

এছাড়া পরিবারের যে কোন বাচ্চাকেই দিতে পারেন। আপনার ছোট ভাই-বোন, কাজিন, ভাগ্নে, ভাতিজা, প্রতিবেশীর বাবু -- কোন না কোন বাবু তো নিশ্চয়ই আছে আপনার পরিচিত? যাকেই দিন, দাওয়াতি একটা কাজ হবে ইনশাআল্লাহ।

কি দারুণ না বলুন? আলহামদুলিল্লাহ।

(লেখা কালেক্টেড ফ্রম: শারিন আপু)

বইটি প্রি অর্ডার করতে পারবেন আমাদের কাছে।

বিজনেস ডিক্লাটার পোস্টফুল ফ্রেশ বোরকা। লং ৫৪", বডি ৪৪", হাতার লম্বা ২২"। হাতায় রাবার দিয়ে ডিজাইন করা আছে। ঘের ১০০"। কালা...
13/03/2026

বিজনেস ডিক্লাটার পোস্ট

ফুল ফ্রেশ বোরকা। লং ৫৪", বডি ৪৪", হাতার লম্বা ২২"। হাতায় রাবার দিয়ে ডিজাইন করা আছে। ঘের ১০০"।
কালার: অনিয়ন পিঙ্ক।

রেগুলার দাম: ১৯৫০/-
সেল প্রাইস: ১***/-

📌রাতে ১০০ আয়াত পড়ার ফজিলত:নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি রাতে ১০০ আয়াত পাঠ করবে, তাকে (আল্লাহর) অ...
12/03/2026

📌রাতে ১০০ আয়াত পড়ার ফজিলত:
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি রাতে ১০০ আয়াত পাঠ করবে, তাকে (আল্লাহর) অনুগতদের মধ্যে গণ্য করা হবে।’’ [ইমাম হাকিম, আল-মুসতাদরাক: ১১৬০; শায়খ আলবানি, সহিহুত তারগিব: ১৪৩৭; মুহাদ্দিসগণের এক জামাত হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন, তবে, ইলালশাস্ত্রের পণ্ডিত ইমাম দারাকুতনি হাদিসটিকে মারফু (রাসুলের বক্তব্য) হিসেবে সহিহ মনে করেননি, বরং তাঁর মতে এটি কা’ব আল আহবারের কথা (আল ইলাল: ১৯৪০)]
প্রখ্যাত সাহাবি আবু সাঈদ খুদরি (রা.) বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি রাতে ১০টি আয়াত পড়বে, তাকে (তার নাম) যিকরকারীদের মধ্যে লিখা হবে। আর যে ব্যক্তি ১০০ আয়াত পড়বে, তাকে (আল্লাহর) অনুগত বান্দাদের মধ্যে লিখা (গণ্য করা) হবে।’’ [ইমাম দারিমি, আস-সুনান: ৩৫০১; হাদিসটি মাওকুফ সহিহ]
মুহাদ্দিসগণ ‘অনুগত’ শব্দের ব্যাখ্যায় বলেন, রাতে আল্লাহর ইবাদতকারী বিশেষ বান্দাদের মধ্যে তাদের গণ্য করা হবে।
❖ রাতে নামাজের মধ্যে ১০০ আয়াত পাঠ:
আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি (রাতে নামাজে) দাঁড়িয়ে ১০টি আয়াত পাঠ করবে, তার নাম (আল্লাহর স্মরণ থেকে) উদাসীনদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হবে না; যে ব্যক্তি (রাতে নামাজে) দাঁড়িয়ে ১০০ আয়াত পাঠ করবে, তার নাম অনুগত বান্দাদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হবে আর যে ব্যক্তি (রাতে নামাজে) দাঁড়িয়ে ১০০০ আয়াত পাঠ করবে, তাকে অফুরন্ত পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হবে।’’
[ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৩৯৮; হাদিসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য, তবে একজন বর্ণনাকারীর মুখস্থশক্তির প্রখরতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি]
রাতে ১০০ আয়াত পাঠের যে আমল, সেটি নামাজে পড়া জরুরি কি না, এ ব্যাপারে কিছু মতপার্থক্য আছে মুহাদ্দিসগণের মাঝে। কারণ কোনো কোনো হাদিসে নামাজের কথা এসেছে আবার কোনো হাদিসে সাধারণভাবে রাতে পড়ার কথা এসেছে। তাই, সম্ভব হলে আমরা রাতে নামাজের মধ্যে ১০০ আয়াত পাঠ করবো, সম্ভব না হলে সাধারণভাবে পড়বো। ইনশাআল্লাহ, উভয় অবস্থাতেই প্রতিদান পাবো।

Nusus

১ সেকেন্ডও নষ্ট না করি...
10/03/2026

১ সেকেন্ডও নষ্ট না করি...

লাইলাতুল কদরে আমল করতে এই গাইডলাইনটা দেখতে পারেন।শুরুতেই চেষ্টা করবেন দুপুরের দিকে একটু বিশ্রাম করে নিতে, যেন রাত জেগে ই...
10/03/2026

লাইলাতুল কদরে আমল করতে এই গাইডলাইনটা দেখতে পারেন।

শুরুতেই চেষ্টা করবেন দুপুরের দিকে একটু বিশ্রাম করে নিতে, যেন রাত জেগে ইবাদত করার এনার্জি পাওয়া যায় ইন শা আল্লাহ। গোসল থেকে শুরু করে সব ধরনের বড় কাজ আগেভাগেই সেরে রাখুন, যাতে মাগরিবের পর এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করতে হয়।

১. মাগরিবের পর থেকে অহেতুক স্ক্রিন টাইম, আনমনে স্ক্রল করে যাওয়া ও টিভি দেখা থেকে একদম বিরত থাকুন। হাতে কোন কাজ থাকলেও মুখে দুয়া ও যিকির করতেই থাকুন।

২. মাগরিবের পর থেকেই কিন্তু কদরের রাত শুরু, তাই ইফতারের পরে আপনি কোন ধরনের কথা উচ্চারণ করছেন খেয়াল রাখবেন। গীবত, পরনিন্দা হয়ে গেলে এ সমস্ত গুনাহের প্রভাবে যেন আপনার কদরের রাত নষ্ট না হয়ে যায়।

৩. মাগরিবের নামাজের পর সন্ধ্যার দুয়া যিকির গুলো বই দেখে ভালোভাবে সবগুলো শেষ করুন। এগুলো আপনার পুরো রাতের ইবাদতকে সহজ করে তুলবে, শয়/তানের ওয়াসওয়াসা থেকে রক্ষা করবে ইন শা আল্লাহ।

৪. ইশার নামায ভাইরা তো মাসজিদে পড়বেন। আর বোনেরা যারা ঘরে থাকবেন একই সময়ে নামায শুরু করে দিবেন, যাতে সম্পূর্ণ এনার্জি নিয়ে লম্বা সময় ধরে নামায পড়তে পারেন।

৫. এরপর কিছুটা বিশ্রাম নিন। কুরআন পড়তে পারলে রাত ১২টা/১টা পর্যন্ত কুরআন পড়ুন।

৬. রাত ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত যিকির করুন।

যেমন-
• কদরের রাতে সর্বশ্রেষ্ঠ দুয়াটি বেশি বেশি পড়তে থাকুন, "আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আ'ফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি!"

• আপনার জান্নাতে একটা একটা করে গাছ লাগাতে থাকুন কদরের রাতে, "সুবহানাল্লাহিল আ'যিম ওয়া বিহামদিহ" এই যিকিরের মাধ্যমে।

আরো যিকির করুন...
• "সুবহান আল্লহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার। (১০০+ বার করে)
• লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (১০০+ বার)
• আস্তাগফিরুল্লহ (১০০+ বার, যত বেশি সম্ভব হয়)
• বেশী বেশী দুরুদ পড়া।
• সুবহানাল্লহি ওয়াবিহামদিহি (কমপক্ষে ১০০ বার)
• "লা ইলাহা ইল্লাল্লহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়া হুওয়া আ'লা কুল্লি শাইয়্যিন কদির" (কমপক্ষে ১০০ বার)
• দুয়া ইউনুস "লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্ যলিমীন" (যতবার পারেন)
• "সুবহানাল্লহি ওয়াবিহামদিহি সুবহানাল্লহিল আ'যীম।" (কমপক্ষে ১০০ বার)
• "লা হাওলা ওয়ালা কুওওতা ইল্লা বিল্লাহ" বেশি বেশি পড়তে পারেন।
• সূরা ইখলাস যত বেশি পড়া যায়।
• সায়্যিদুল ইস্তিগফার পাঠ করা।
• সুরাহ মুলক পাঠ করা।
• সুরাহ বাকারাহ -এর শেষ দুই আয়াত পাঠ করা।
• কুরআনে উল্লেখিত দুআগুলো পাঠ করা।
• জান্নাত প্রার্থনা করা এবং জাহা\ন্নাম থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা! - "আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা জান্নাতাল ফিরদাউস, আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার"

রাত ২ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত আবার নামায পড়ুন। (তারাবির নামায) এবার ধীরে-সুস্থে রুকুতে এবং সিজদায় অনেকক্ষণ সময় দেবেন। বিশেষ করে সিজদায় অসম্ভব সময় নিয়ে দুয়া করবেন। সিজদায় বেশি বেশি সময় ব্যয় করুন।

৭. তারপর বিতরের নামাজ পরুন।
৮. শেষ রাতে অবশ্যই হাত তুলুন মালিকের কাছে।
আপনার প্রয়োজনের সব কিছু খুলে বলুন। চোখের পানি ফেলে বলুন, "হে আমার মালিক, আমি আপনার ইবাদত করি এবং আপনার কাছেই হাত পেতেছি...।
৯. সাহরি খান।
১০. ফজরের নামায পড়ুন।

*রমজানের শেষ দশ দিনের মধ্যে যে কোন রাত শবে কদর হয়ে যেতে পারে। তাই কদরের রাত মিস করতে না চাইলে, দশ রাতেই আমল করুন।
আল্লাহ আমাদেরকে লাইলাতুল কদর পর্যন্ত পৌঁছে দিন।

(মূল লেখা লিখেছে: Baseera
বেশ কিছু পরিমার্জনা করা হয়েছে)

প্রিমিয়াম জর্জেটের শর্ট কাফতান  সাথে চেরি পালাজ্জো। ঈদ অফারে পেয়ে যাবেন সেরা রেটে।
08/03/2026

প্রিমিয়াম জর্জেটের শর্ট কাফতান সাথে চেরি পালাজ্জো।
ঈদ অফারে পেয়ে যাবেন সেরা রেটে।

প্রিমিয়াম কোয়ালিটির জর্জেট কাপড়ের লং খিমার।সামনে বড় রাউন্ড নিকাব, হাতায় ইলাস্টিক দিয়ে ডিজাইন করা। কাপড়টা এত মোলায...
07/03/2026

প্রিমিয়াম কোয়ালিটির জর্জেট কাপড়ের লং খিমার।
সামনে বড় রাউন্ড নিকাব, হাতায় ইলাস্টিক দিয়ে ডিজাইন করা। কাপড়টা এত মোলায়েম গরমে একদমই কষ্ট হয় না। কালারগুলো ছবির চেয়ে অনেক ডিপ।

ঈদ ডিসকাউন্ট অফারে পেয়ে যাবেন। নিজের জন্য বা উপহারের জন্য নিয়ে নিতে পারেন সহজেই।

রমাদান মাস ক্ষণস্থায়ী; মাত্র ত্রিশ দিনে সংক্ষিপ্ত, কিন্তু আত্মশুদ্ধি, ক্ষমা ও জান্নাতের পথে নিজেকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বিশ...
05/03/2026

রমাদান মাস ক্ষণস্থায়ী; মাত্র ত্রিশ দিনে সংক্ষিপ্ত, কিন্তু আত্মশুদ্ধি, ক্ষমা ও জান্নাতের পথে নিজেকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বিশেষ সময়। রমাদানের দিনগুলো অতি দ্রুত ফুরিয়ে যায়। তাই এ মাসে জিহ্বাকে যিকিরে, অন্তরকে তাওবায় এবং দুআগুলোকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাতের প্রত্যাশায় ব্যস্ত রাখা প্রয়োজন।

তাই কালিমা, ইস্তিগফার, জান্নাতের দুআও জাহান্নাম থেকে মুক্তির প্রার্থনা- এই চারটি আমল রমাদানে বান্দার আত্মাকে জীবন্ত রাখে। এ মাসে কোন আমলগুলো বেশি করা উচিত, সে বিষয়ে রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উম্মতকে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়ে গেছেন।

তিনি তাঁর উম্মতকে রমাদানে চারটি আমল বেশি বেশি করার কথা বলেছেন। এর মধ্যে দুটি হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া আলার সন্তুষ্টির জন্য, আর দুটি এমন আমল যা করা ছাড়া বান্দার কোনো উপায় নেই।
(সহিহ ইবনে খুযাইমাহ, হাদিস: ১৮৮৭)

* আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার দুটি আমল

১. কালিমা তাওহিদ বেশি বেশি পড়া:

'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' হচ্ছে কালিমা তাওহিদের মূল বাক্য এবং সর্বশ্রেষ্ঠ যিকির। বান্দা যখন আন্তরিকতার সঙ্গে এ কালিমা পড়ে, তখন সে তার রবের একত্ব স্বীকার করে এবং শিরক থেকে নিজেকে মুক্ত ঘোষণা করে। আর এটি শুধু মুখে স্বীকার নয়, অন্তর থেকে মানাও জরুরি। রমাদানে এই যিকির হৃদয়কে পরিশুদ্ধ করে এবং আমলকে দৃঢ় করে। রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,

“সর্বোত্তম যিকির হলো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।”
(তিরমিজি, হাসান সহীহ)।

তাওহিদের এই বাক্যের মর্যাদা কত মহান, তা আরেকটি সহীহ হাদিসে স্পষ্ট হয়েছে। হযরত নূহ আলাইহিস সালাম মৃত্যুর সময় তাঁর পুত্রকে উপদেশ দিয়ে বলেন,

"আমি তোমাকে দুটি বিষয়ের আদেশ দিচ্ছি এবং দুটি বিষয়ে নিষেধ করছি। তিনি বলেন, আমি তোমাকে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’-এর নির্দেশ দিচ্ছি। কেননা সাত আসমান ও সাত যমীন যদি এক পাল্লায় রাখা হয় এবং অপর পাল্লায় ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ রাখা হয়, তবে এ তাওহীদের পাল্লাই ভারী হবে।"
(মুসনাদ আহমাদ; সহীহ)

এ থেকেই বোঝা যায়, 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' কিয়ামতের দিনে আমলের পাল্লায় সবচেয়ে ভারী বাক্যগুলোর একটি। রমাদানে এ কালিমা বেশি বেশি পড়া ঈমানকে নবায়ন করে এবং অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে।
কালিমা তাওহীদ -
لآ اِلَهَ اِلّا اللّهُ
উচ্চারণ: লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ।

অর্থ: আল্লাহ এক। আর কোন মা'বুদ নেই।

অতি সহজেই এ আমল করা যায়। আর এর বিনিময়ে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বান্দার ওপর সন্তুষ্ট হন।

২. ইস্তিগফার করা:

রমাদান মাস আল্লাহর ক্ষমার মাস। মানুষ প্রতিনিয়ত ভুল করে, গুনাহে জড়িয়ে পড়ে। রমাদান বান্দার বেশি বেশি ক্ষমা প্রার্থনার মাসও। কারণ এ মাসে বেশি বেশি আন্তরিক ইস্তিগফার বান্দার অন্তরকে নরম করে এবং
বান্দাকে আল্লাহর নৈকট্যে পৌঁছে দেয়। এখানে কয়েকটি ইস্তিগফার দিচ্ছি -

১. সংক্ষিপ্ত ইস্তিগফার:
أَللّٰهُمَّ اغْفِرْلِيْ.
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফিরলী।

অর্থ: হে আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুন।
(সহিহ মুসলিম: ২৬৯৭)

২. পূর্ণাঙ্গ ইস্তিগফার:

أَسْتَغْفِرُ اللهَ الَّذِيْ لآ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّوْمُ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ

উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লা-হাল্লাযী লা- ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল ক্বাইয়ূমু ওয়া আতূবু ইলাইহি।

অর্থ: আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি। যিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব ও বিশ্বচরাচরের ধারক এবং আমি তাঁর দিকেই ফিরে যাচ্ছি (বা তওবা করছি)।
(তিরমিযী, আবুদাঊদ)

৩. পূর্ণাঙ্গ ইস্তিগফার:

رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ

উচ্চারণ: রব্বিগফিরলী ওয়া তুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত তাউওয়্যা-বুর রহীম।

অর্থ : হে আমার প্রতিপালক! আমাকে ক্ষমা করুন ও আমার তওবা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি তওবা কবুলকারী ও দয়াবান।
(আবুদাঊদ, ইবনু মাজাহ)

৪. সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার:

اَللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّىْ لآ إِلهَ إلاَّ أَنْتَ خَلَقْتَنِىْ ......

“আল্লাহুম্মা আন্তা রব্বী, লা ইলাহা ইল্লা আন্তা…”
(সহীহ বুখারি: ৬৩০৬)

অর্থ: হে আল্লাহ, আপনিই আমার প্রতিপালক, আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নাই।...

এই ইস্তিগফারকে বলে সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার বা ক্ষমাপ্রার্থনার শ্রেষ্ঠ দুআ। ক্ষমা প্রার্থনা ও জান্নাত লাভের জন্য প্রতিদিন সকাল, সন্ধ্যায় দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এ দুআটি পড়তে ভুলবেন না।

ইস্তিগফার বান্দাকে গুনাহ থেকে মুক্ত করে এবং আল্লাহর রহমত ও রিযিকের দরজা খুলে দেয়। তাই বান্দার নিজের প্রয়োজনেই বেশি বেশি ইস্তিগফার করা জরুরি। ইস্তিগফার এত গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল যে, শুধু রমাদানেই নয়; সারা বছরই এর চর্চা থাকা উচিত।

* যে দুটি আমল ছাড়া বান্দার কোনো উপায় নেই

১. জান্নাত প্রার্থনা করা:

জান্নাত কোনো অবাস্তব কল্পনা নয়; এটি একজন মুমিনের চূড়ান্ত গন্তব্য। তাই রমাদানে বারবার জান্নাত চেয়ে দুআ করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে আমরা সবচেয়ে উত্তম জান্নাতই দয়াময় রবের কাছে চাইবো। তাঁর সামর্থ্য তো আমাদের সামর্থ্য বা ধারণা অনুযায়ী নয়। তিনি তো অসীম দয়ালু, দুআ কবুলকারী। রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে শিখিয়েছেন,

"তোমরা যখন আল্লাহর কাছে কিছু চাইবে, তখন জান্নাতুল ফিরদাউস চাইবে। কারণ তা জান্নাতের সর্বোচ্চ ও সর্বোত্তম স্থান। তার উপরে রয়েছে রহমানের আরশ এবং সেখান থেকেই জান্নাতের নহরসমূহ প্রবাহিত হয়েছে।
(সহীহ বুখারী : ২৭৯০)

তাই আমরা দুআ করবো এভাবে -

اللهُمَّ اِنِّى أسْئَلُكَ جَنَّةَ الْفِرْدَوْسِ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা জান্নাতাল ফিরদাউস।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে জান্নাতুল ফেরদাউস প্রার্থনা করছি।

এটি জান্নাত লাভের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংক্ষিপ্ত দুআ, যা নবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বারবার পড়ার নির্দেশ দিয়ে গেছেন।

তাই প্রতি ওয়াক্ত নামাজের সিজদায়, সালাম ফিরানোর আগে বা নামাজ শেষে, দুআ কবুলের সময়, সকাল-সন্ধ্যায় আর যখনই মনে পড়বে তখনই জান্নাত চেয়ে নিন দয়াময় রবের কাছ থেকে। দুআ কবুলের মাসে গুনাহগার আমরা তো দুআ কবুল হওয়ার আশা করতেই পারি।

২. জাহান্নাম থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা:

জাহান্নামের আগুন ও অন্যান্য আযাবের শাস্তি ভয়াবহ ও কল্পনাতীত। যে বান্দা তা থেকে মুক্তি চায়, সে তার আখিরাতের ব্যাপারে সচেতন। রমাদান মাসে দয়ালু রব সবচেয়ে বেশিসংখ্যক বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন যা অন্য কোন মাসে দেন না। তাই জান্নাত চেয়ে দুআ করার সময় জাহান্নাম থেকে বাঁচার দুআ করাও আমাদের জন্য একান্ত জরুরি।

জাহান্নাম থেকে মুক্তির দুআ -
اللَّهُمَّ أَجِرْنِي مِنَ النَّارِ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান নার।

অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দিন।

প্রতিদিন দিনে বা রাতের যে কোন সময় অন্তত তিন বার অথবা সাত বার করে জান্নাত চাওয়া এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাওয়া আমাদের একান্ত প্রয়োজন। এর বেশি চাইলে তো আরও ভালো।

এ আমলগুলো শুধু রমাদানের জন্য নয়, জীবনের প্রতিটি দিন আমাদের জন্য আবশ্যক করে নেওয়া জরুরি। তবে রমাদানে অন্যান্য আমল করার পাশাপাশি আমরা যেন গুরুত্বপূর্ণ এ আমলগুলো করতে ভুলে না যাই।

আল- গফুর, আল- গফফার আমাদের গুনাহগুলো ক্ষমা করে দিন। মহামহিম রব তাঁর অপরিসীম দয়ায় আমাদের সবাইকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করে জান্নাতুল ফিরদৌসের অধিবাসী হিসেবে কবুল করে নিন।
______________________
|| রমাদানে চারটি আমল ||
ইসমত আরা

Address

Khilgaon, Taltala
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Niyyat-নিয়্যাত posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Niyyat-নিয়্যাত:

Share