আমের হাট- চাঁপাইনবাবগঞ্জ

আমের হাট- চাঁপাইনবাবগঞ্জ চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং রাজশাহীর নিজস্ব বাগান থেকে সংগ্রহকৃত ১০০% ফরমালিনমুক্ত আম !

চাঁপাই নবাবগঞ্জের খাঁটি আম এখন আপনার দোরগোড়ায়!প্রকৃতির উপহার, মিষ্টি ও রসালো চাঁপাই আম—সরাসরি বাগান থেকে সংগ্রহ করে পৌঁছ...
25/05/2025

চাঁপাই নবাবগঞ্জের খাঁটি আম এখন আপনার দোরগোড়ায়!

প্রকৃতির উপহার, মিষ্টি ও রসালো চাঁপাই আম—সরাসরি বাগান থেকে সংগ্রহ করে পৌঁছে দিচ্ছি আপনাদের হাতে। আমরা বিক্রি করছি কোনো কেমিক্যাল ছাড়াই গাছ পাকা নিরাপদ আম।

যা পাচ্ছেন আমাদের কাছ থেকে:

⛔ খাঁটি চাঁপাই নবাবগঞ্জের আম

⛔ ফরমালিন ও কেমিক্যালমুক্ত

⛔ গাছ থেকে পাকা

⛔ নির্ভরযোগ্য হোম ডেলিভারি

⛔ ন্যায্য দাম

⛔ নিজস্ব বাগান

⛔চাঁপাইনবাবগঞ্জ

সময় তাহলে এসেই পরলো আমাদের নিজস্ব বাগানের আম গাছ !
সকলে প্রি অর্ডারের জন্য প্রস্তুত তো সময় এসে গেছে ! আমের লট কবে,কখন আসবে আর কতো করে কেজি পরবে সকল কিছু ইনসাআল্লাহ জানিয়ে দেওয়া হবে !

আমের হাট চাঁপাইনবাবগঞ্জ 🥭🥭

পরিপক্ক হলেই পাড়া যাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমপ্রকাশিত: মে ৯, ২০২৫; সময়: ৫:৪৬ pm |        নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ :...
17/05/2025

পরিপক্ক হলেই পাড়া যাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম
প্রকাশিত: মে ৯, ২০২৫; সময়: ৫:৪৬ pm |


নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ : চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম ক্যালেন্ডার প্রণয়ন-নিরাপদ আম উৎপাদন, বিপনন, পরিবহন ও বাজারকরণ বিষয়ে মতবনিমিয় সভা হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ মঞ্চে এই মতবিনিময় সভা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সামাদ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী মোঃ আফাজ উদ্দিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সভাপতি মোঃ আব্দুল ওয়াহেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) আবুল কালাম সাহিদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোঃ ইয়াছিন আলী।

মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক মনজুরে মাওলা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত¡ গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, রাজশাহী রেলের ডেপুটি চিফ কমার্সিয়াল ম্যানেজার আনোয়ার হোসেন, শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী (ভারপ্রাপ্ত) তৌফিক আজিজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মুনজের আলম মানিক, আম উদ্যোক্তা আহসান হাবীবসহ অন্যরা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেল স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার মোঃ ওবাইদুল ইসলাম, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা আহবায়ক মোঃ আব্দুর রাহিম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের পরিচালকগণসহ জেলার বিভিন্ন স্থানের আম ব্যাবসায়ী ও চাষীরা।

মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিপক্ক হলেই আম পেড়ে বাজার জাত করা যাবে। থাকছে না আম সংগ্রহের নির্ধারিত তারিখ বা ক্যালেন্ডার। গত কয়েক বছরের সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় এবারও জেলা প্রশাসন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাজারগুলোতে অপরিপক্ব আম বা রাসায়নিকের সাহায্যে পাকানো আম বাজারজাত হয় না। এটাই এখানকার সংস্কৃতি। তাই এখানে গাছ থেকে আম পাড়ার সময় নির্ধারণের প্রয়োজন পড়ে না।

বিগত দুই বছরের অভিজ্ঞতায় আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জে এবছরও কোন আম ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা হবে না। ব্যবসায়ীরা পরিপক্ক আম বাজারে আমদানী করবেন এবং বিক্রি করবেন। জেলা থেকে আম পরিবহণ এবং বাজারজাতকরণে কোন প্রকার সমস্যা যেন সৃষ্টি না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহবান জানান জেলা প্রশাসক।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আম পরিবহনে কুরিয়ার সার্ভিসগুলোর ভাড়া অতিরিক্ত ধরা হয় বলে আমচাষি ওব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ ওঠে। তবে এ ব্যাপারে পরবর্তীতে কুরিয়ার সার্ভিসের প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাজারে এখনো কোথাও আম ওঠেনি।

আমচাষিদের ধারণা, মে মাসের শেষ দিকে গুটি আম ও জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত সুস্বাদু আম (জিআই পণ্য) ক্ষীরশাপাত বাজারে আসতে শুরু করবে। আম পাড়ার বিষয়ে সময় নির্ধারণ না করায় চাষিরা খুশি। তবে আড়তদাররা ৫০-৫২ কেজিতে মণ হিসেবে বিক্রি করতে আমচাষিদের বাধ্য করার বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আমচাষীরা। আমের ওজনের বিষয়ে চুড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত হয়নি এটা আম বাজারের উপর নির্ভর করবে। তবে শিবগঞ্জ উপজেলা কানসাট আম বাজারে কাঁচা আম ৪৫ কেজিতে মন এবং পাকা আম সাড়ে বিয়াল্লিশ কেজিতে মন হিসেবে আম বেচা কেনা হতেপারে বলে জানান সভার সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সামাদ।

সব ধরণের আপডেট পেতে হলে নিচের লিংক গুলো ফলো রাখুন !
page ➡️ https://www.facebook.com/share/1AmMrvYes7/

FACEBOOK GROUP ➡️
https://www.facebook.com/share/g/16cJYtxpDK/

ক্যালেন্ডারের হিসাবে আর দুই মাস পর (মে'র শেষে) বাজারে নামবে রাজশাহী অঞ্চলের সুস্বাদু আম। বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলে অধিকাংশ ...
20/04/2025

ক্যালেন্ডারের হিসাবে আর দুই মাস পর (মে'র শেষে) বাজারে নামবে রাজশাহী অঞ্চলের সুস্বাদু আম। বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলে অধিকাংশ বাগানে শোভা পাচ্ছে আমের গুটি। এদিকে চৈত্রের শুরুতে রাজশাহী অঞ্চলে দুই দফায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আমের জন্য ভালো ইঙ্গিত বয়ে আনলেও ঈদুল ফিতরের এক সপ্তাহ আগে থেকে চলমান খরা ও মৃদু তাপপ্রবাহ আম উৎপাদনের জন্য অশনিসংকেত বলে জানিয়েছেন আমচাষি ও ব্যবসায়ীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, এবার বৃহত্তর রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও রাজশাহীর বাগানে কলমের ছোট ও মাঝারি শতভাগ গাছে যেমন মুকুল এসেছিল, তেমনি শোভা পাচ্ছে আমের গুটি। বাগানের সবচেয়ে ছোট গাছের গুটি মটরদানার আকারে শোভা পাচ্ছে। বাগানের অধিকাংশ বড় গাছে আমের মুকুল ও গুটি হয়েছে অপেক্ষাকৃত কম। ইতিমধ্যে খরার কারণে বাগানের গুটি আম শুকিয়ে ঝরে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে অভিজ্ঞ কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে খরায় আমের গুটি ঝরে পড়া বন্ধে বাগানে সেচসহ বিভিন্ন পরিচর্যা চলছে। এছাড়া ক্ষতিকর পোকা দমনে বাগানে কীটনাশক স্প্রে করা হচ্ছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলের আমচাষি আব্দুল হান্নান বলেন, খরা ও মৃদু তাপপ্রবাহ ছাড়া এখন পর্যন্ত আবহাওয়া আমের অনুকূলে রয়েছে। তিনি বলেন, খরা থেকে আমের গুটি রক্ষা ও বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার আমের বাম্পার ফলন হতে পারে।

আলাপে সংশ্লিষ্টরা বলেন, এবার আম মৌসুমের অন ইয়ার। অর্থাৎ বেশি ফলনের বছর। দ্রুত শীতকালের বিদায় হওয়ায় ৯০ শতাংশের বেশি গাছে মুকুল আসে। ঘন কুয়াশা কম থাকায় এবার মুকুলের তেমন ক্ষতি হয়নি। তবে চলমান খরা ও মৃদু তাপপ্রবাহে গাছে গাছে ঝুলে থাকা বিপুল সম্ভাবনার আমের গুটি শুকিয়ে ঝরে পড়তে শুরু করেছে। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন আমচাষি ও ব্যবসায়ীরা।

কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে রাজশাহী অঞ্চলের আট জেলার প্রায় ৯৩ হাজার হেক্টর আমবাগান মুকুল ও গুটিতে পরিপূর্ণ রয়েছে। এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও রাজশাহী জেলার ৮৭ হাজার ৬০৪ হেক্টর এবং জয়পুরহাট, নাটোর, বগুড়া, পাবনা ও সিরাজগঞ্জের ৫ হাজার ৩৯৬ হেক্টর জমির আমবাগান থেকে সোয়া ১১ লাখ
মেট্রিক টন আম উৎপাদন এবং ১০ হাজার কোটি টাকার কেনাবেচার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রাজশাহীর পুঠিয়ার আমচাষি মাহবুব আলম বলেন, তার ১০ বিঘার আমবাগান রয়েছে। গত ১৭ এবং ২০ ও ২১ মার্চের সামান্য গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আমপাতা ও গুটি ধুলাবালি মুক্ত হয়েছিল। আশা করা হয়েছিল, তাতে আমের গুটি ঝরে পড়া কমবে। কিন্তু তার পরের খরা ও মৃদু তাপপ্রবাহের কারণে এখন গুটি ঝরে পড়ছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক মুনজের আলম মানিক বলেন, অন ইয়ারে বাগানে প্রচুর মুকুল হওয়ায় এবার আমে বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে আমের বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাত পণ্য উৎপাদন ও বিদেশে রপ্তানি বাড়াতে হবে। রাজশাহী ফল গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সুজিত কুমার বিশ্বাস বলেন, আমের গুটি ঝরে পড়া বন্ধ ও ক্ষতিকর পোকা দমনে বাগানে সেচের পাশাপাশি কীটনাশক প্রয়োগের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভালো ফলনের আশায় সংশ্লিষ্টরা বাগান পরিচর্যা করে যাচ্ছেন। রাজশাহী কৃষি বিভাগের উপপরিচালক উম্মে সালমা বলেন, গাছে এখনো যে পরিমাণ গুটি রয়েছে, বড় দুর্যোগ না হলে আমের বাম্পার ফলন হবে। এতে আমচাষি ও সংশ্লিষ্টরা লাভবান হবেন।

রাজশাহী অঞ্চলের কৃষির অতিরিক্ত পরিচালক ড. আজিজুর রহমান বলেন, আম উৎপাদনে উচ্চ এবং নিম্ন ফলনশীল বছর স্বাভাবিকভাবে পর্যায়ক্রমে ঘটে। গত বছর শীতকাল দীর্ঘ হওয়ায় আমের মুকুল দেরিতে আসে। যার প্রভাব উৎপাদনে পড়ে। এবার শীতকাল সংক্ষিপ্ত হওয়ায় আগাম মুকুলের আগমন বেশি ফলনের ইঙ্গিত দিচ্ছে

রাজশাহী জেলার আম পাড়ার সময় নির্ধারণ করে দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলার আম সংগ্রহ,...
23/05/2024

রাজশাহী জেলার আম পাড়ার সময় নির্ধারণ করে দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলার আম সংগ্রহ, পরিবহন, বিপণন ও বাজারজাত পর্যবেক্ষণ–সংক্রান্ত সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এ সময় কৃষি কর্মকর্তা, আমচাষি, ব্যবসায়ী ও আম পরিবহনে নিয়োজিত সবার সঙ্গে আলোচনা করে নিরাপদ, বিষমুক্ত ও পরিপক্ব আম নিশ্চিত করতে ‘ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার’ প্রকাশ করা হয়।

রাজশাহীর ‘ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার’ অনুযায়ী, ১৫ মে থেকে সব ধরনের গুটি আম নামাতে পারবেন চাষিরা। গত বছর আম পাড়ার শুরুর সময় ছিল ৪ মে। তার আগেরবার ছিল ১৩ মে থেকে। আবহাওয়ার কারণে এবার সময় পিছিয়েছে।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ বছর সব জাতের গুটি আম ১৫ মে, গোপালভোগ বা রানিপসন্দ ২৫ মে, লক্ষ্মণভোগ বা লখনা ৩০ মে এবং একই তারিখে হিমসাগর বা ক্ষীরশাপাতি গাছ থেকে নামানো যাবে। এ ছাড়া ১০ জুন থেকে ল্যাংড়া ও ব্যানানা আম; ১৫ জুন আম্রপালি এবং একই তারিখে ফজলি, ৫ জুলাই বারি-৪ আম, ১০ জুলাই আশ্বিনা, ১৫ জুলাই গৌড়মতি ও ২০ আগস্ট থেকে ইলামতি আম নামানো যাবে। এ ছাড়া কাটিমন ও বারি-১১ আম সারা বছর সংগ্রহ করা যাবে
সভায় বলা হয়, বাজারে পরিপক্ব ও নিরাপদ আম নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এ সভার আয়োজন। এখানে সবার মতামত নিয়ে আম পাড়ার সময় নির্ধারণ করা হয়। তবে এই সময়সীমাই একেবারে চূড়ান্ত নয়। কোনো কৃষকের গাছে এই তারিখের আগে যদি আম পেকে যায়, তাহলে তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষি কর্মকর্তাদের জানিয়ে আম পাড়তে পারবেন। নিরাপদ আম নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসক তৎপর থাকবে। যেকোনো প্রয়োজনে তাঁদের ফোন করা যাবে। কোথাও আমে রাসায়নিক দিলে সঙ্গে সঙ্গে জেলা প্রশাসককে জানানোর অনুরোধ করা হয়। সভায় আমচাষি ও ব্যবসায়ীরা কুরিয়ারে পরিবহন খরচ কমানোর আহ্বান জানান।


#জেলা প্রশাসন রাজশাহী

আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন আশা করি ভালো আছেন গত দুই বছর সফলতার সাথে আপনাদের কাছে  রাজশাহীর রসালো মিষ্টি আম পৌঁছে দি...
14/05/2024

আসসালামু আলাইকুম
সবাই কেমন আছেন আশা করি ভালো আছেন গত দুই বছর সফলতার সাথে আপনাদের কাছে রাজশাহীর রসালো মিষ্টি আম পৌঁছে দিয়েছি মাজে কিছুদিন কিছু কারণে আমরা বন্ধ রেখেছিলাম
কিন্তু এই বছর থেকে আবার ও আপনাদের কাছে রাজশাহীর মিষ্টি আম পৌঁছে দেয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত
আপনারা প্রস্তুত তো?

আগে যাচাই পরে খরিদ
গ্রুপ লিংক

https://m.facebook.com/groups/482704529597293/?ref=share&mibextid=NSMWBT

 #আম্রপালি_আমের_পরিচিতি: বাণিজ্যিকভাবে সবচেয়ে সফল এবং বাংলাদেশে বর্তমানে অন্যতম জনপ্রিয় আম হচ্ছে আম্রপালি। আম্রপালি আম...
19/06/2021

#আম্রপালি_আমের_পরিচিতি:
বাণিজ্যিকভাবে সবচেয়ে সফল এবং বাংলাদেশে বর্তমানে অন্যতম জনপ্রিয় আম হচ্ছে আম্রপালি। আম্রপালি আম দাশেরি(Dasheri) ও নিলুম (Neelum) এর সংকরায়ণ যা ভারতীয় কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, দিল্লি আবিষ্কার করে এবং এই আমের নামকরণ করা হয় প্রাচীন ভারতের বৈশালী রাজ্যের বিখ্যাত নর্তকী আম্রপালি (Āmrapālī) র নামে । মসৃণ ত্বক ও খোসা পাতলা বিশিষ্ট এই আমটি দ্রুত সময়ে এদেশের মানুষের নিকট জনপ্রিয়তা লাভ করেছে । বাংলাদেশের আবহাওয়া ও মাটির কারণে অন্যান্য আমের থেকে এই আমের ফলনও হয় বেশ ভালো। সাধারণত আমাদের দেশের আবহাওয়ার কারণে আম এক বছর ফলন দেওয়ার পর পরের বছর আর ফলন দেয় না কিন্তু আম্রপালি প্রতিবছর ফলন দেয় । তাছাড়া এই গাছ খুব বেশি লম্বা হয় না । কম জমিতে অন্যান্য গাছের তুলনায় বেশি লাগানো যায় । বর্তমানে শহরাঞ্চলে ফুলের বাগানের মাঝেই আম্রপালি লাগিয়ে দেন অথবা অনেকেই বাড়ির ছাদে বড় ড্রামে গাছ লাগান এবং আমের ফলন পান । এই আম ল্যাংড়া , হিমসাগর থেকে অধিক মিষ্টি । পোক্ত অবস্থায় আম্রপালি ত্বকের রং সবুজ, পাকলে ঈষৎ হলুদ রং ধারণ করে। খোসার রং কমলা, অত্যন্ত রসাল, সুস্বাদু এবং সুগন্ধযুক্ত আমটিতে কোনো আঁশ নেই। এর আবরণ পাতলা ও আঁটি ছোট । অন্যান্য বাণিজ্যিক আমের তুলনায় ২.৫-৩ গুণ বেশি বিটা-ক্যারোটিন উপস্থিত থাকে ।

🔴অতি শীঘ্রই আম্রপালি আমের প্রি - অর্ডার নেয়া শুরু হবে।
ধন্যবাদ সবাইকে ❤️

 #লেংড়া_আমের_পরিচয়: ল্যাংড়া আম বা বারানসী আম হল আমের একটি বিখ্যাত জাত যা ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে চাষ করা হয়। এটি...
16/06/2021

#লেংড়া_আমের_পরিচয়: ল্যাংড়া আম বা বারানসী আম হল আমের একটি বিখ্যাত জাত যা ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে চাষ করা হয়। এটি ভারতের অন্যতম একটি বিখ্যাত আম।[১] এটি পশ্চিমবঙ্গ সহ সমগ্র উত্তর ভারতে চাষ করা হয়।[২][৩] এই আম পাকার পর খানিক হলদে রঙের হয়। জুলাই মাসের দিকে এই আম পাকতে শুরু করে এবং বাজারে পাওয়া যায়। এই আমকে ছোটো ছোটো টুকরো করার ক্ষেত্রে আদর্শ বলে মনে করা হয়। এছাড়া নানা আম থেকে তৈরী খাদ্যের ক্ষেত্রেও আদর্শ বলে মনে করা হয়।[৪][৫]

#লেংড়া_আমের_বৈশিষ্ট্য:দেশে যে কটি উৎকৃষ্ট জাতের আম এগুলোর মধ্যে ল্যাংড়া সবচেয়ে এগিয়ে। পাকা অবস্থায় হালকা সবুজ থেকে হালকা হলুদ রাং ধারণ করে। ফলের শাঁস হলুদাভ। কাঁচা অবস্থায় আমের গন্ধ সত্যিই পাগল করা। অত্যন্ত রসাল এই ফলটির মিষ্টতার পরিমাণ গড়ে ১৯.৭%। বোঁটা চিকন। আটি অত্যন্ত পাতলা। পোক্ত হবার পর সংগ্রহীত হলে গড়ে ৮-১০ দিন রাখা যাবে।[৬

#নামকরণ:ভারতের এক খোড়া ফকিরের নামে আমটির নামকরণ হয়েছে। ফকিরের আস্তানা থেকে এই জাতটি প্রথম সংগৃহীত হয়েছিল। খোড়া ফকির যেখানে বাস করতেন তার আশেপাশে থেকে উৎপন্ন শত শত আমের গাছ ছিল। তারই একটি থেকে ল্যাংড়া নামের অতি উৎকৃষ্ট জাতটি বেরিয়ে এসেছে।]

#মূল্য: ৭০ টাকা 🔥

🔴অনলাইনে অর্ডার করে আমাদের কাছ থেকে পুরো বাংলাদেশ এ যেকোন জায়গায় আম ডেলিভারি নিতে পারবেন।
🔴কিছু ফ্রি পিক-আপ পয়েন্ট রয়েছে যেখান থেকে আপনারা আমাদের নির্দিষ্ট দেওয়া স্থানে আসলে আম ডেলিভারি নিতে পারবেন। কোন ডেলিভারি চার্জ লাগবে না।স্থানগুলো হলো-👇👇
ঢাকার ( শনিআখড়া,কাজলা,দোলাইপাড় )

📝অর্ডার করার জন্য ইনবক্সে যা যা লিখতে হবে:-
আপনার নাম:
ফোন নাম্বার:
আপনার ঠিকানা:
কত কেজি নিবেন: (অনলাইন থেকে অর্ডার করে নিতে চাইলে ঢাকার মধ্যে সর্বনিম্ন ১০ কেজি অর্ডার করতে হবে,ঢাকার বাইরে সর্বনিম্ন ২০ কেজি এবং ফিজিক্যাল শপ থেকে এসে নিলে আপনার যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু নিতে পারবেন।

🚩 ঢাকার ভিতরে আপনারা পাচ্ছেন ক্যাশ অন ডেলিভরি।
অর্থাৎ আপনি সম্পূর্ণ টাকা ডেলিভারি ম্যানের নিকট পরিশোধ করে পণ্য বুঝে নেওয়ার সুযোগ
পাচ্ছেন।
🚩ঢাকার বাহিরে সুন্দরবন কুরিয়ারে পণ্য পাঠানো হয় 🚛
সেক্ষেত্রে ডেলিভারি চার্জের টাকা বিকাশে পেমেন্ট করে অর্ডার কনফার্ম করতে হবে।

অর্থাৎ শুধু মাত্র প্রতি কেজি আমের মূল্য অনুযায়ী অর্ডার করতে পারবেন।

*কোন কিছু বিস্তারিত জানতে ফোন করুন ০১৭৭৮৮৯০০০২ /০১৬২৯১৩৩ ৯৭৩ নাম্বারে।
আমরা সর্বদা আপনাদের সেবা প্রদান করতে প্রস্তুত ❤️

আলহামদুলিল্লাহ্,😌হিমসাগর আমের পরে এবার আমাদের হাতে পৌঁছে গেছে লেংড়া আম! লেংড়া নিয়ে একটা প্রচলিত কথা আছে যে, ফলের রাজা...
15/06/2021

আলহামদুলিল্লাহ্,😌
হিমসাগর আমের পরে এবার আমাদের হাতে পৌঁছে গেছে লেংড়া আম!
লেংড়া নিয়ে একটা প্রচলিত কথা আছে যে,
ফলের রাজা আম, আর আমের রাজা লেংড়া! ❤️
আমাদের আম গুলো একদম বেস্ট কোয়ালিটির এবং কোয়ালিটি গ্যারান্টেড ! 😋 একদম নির্ভেজাল , মেডিসিন মুক্ত , সুস্বাদু আম পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে ! ইনশাআল্লাহ্ আমাদের কাছে সবচেয়ে সেরাটা পাবেন ! 😊

Address

Dhaka
1236

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আমের হাট- চাঁপাইনবাবগঞ্জ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share