Legal Salvation & Corporate Consultancy-LSCC

Legal Salvation & Corporate Consultancy-LSCC Dedicated to full-fledged legal solution & service-oriented consutancy house

পাঁচ দাগে জমি ক্রয়, একদাগে ভোগ দখল। দলিল কি টিকবে?বর্তমানে লক্ষ করা যায় অনেকেই একজন ব্যক্তির কাছ থেকে তার মালিকানার একাধ...
04/01/2025

পাঁচ দাগে জমি ক্রয়, একদাগে ভোগ দখল।
দলিল কি টিকবে?

বর্তমানে লক্ষ করা যায় অনেকেই একজন ব্যক্তির কাছ থেকে তার মালিকানার একাধিক দাগে সম্পত্তি ক্রয় করে ভোগদখল নেন একদাগে। কিন্তু ঐ একাধিক দাগে যদি দাতার অন্য কোন ওয়ারিশ থেকে থাকে এবং যেই দাগে ভোগ দখল নেওয়া হয়েছে সেই দাগে যদি দাতার কোন ওয়ারিশের স্বত্ব থাকে, তাহলে ক্রয়কৃত ব্যক্তির ভোগদখলীয় জমিতে দাতার অন্য ওয়ারিশরা চাইলেই জমির স্বত্ত সৃষ্টি করতে পারবে।

এমতাবস্থায় ক্রয়কৃত ব্যক্তি ভোগদখলীয় জমিতে তার ক্রয়কৃত সমপরিমান জমি এক দাগে ভোগ দখল নিতে পারবেন নাহ! শুধুমাত্র দাতার হিস্যা অনুযায়ী ভোগদখলীয় দাগে জমি ক্রয়কৃত ব্যক্তি ভোগ করতে পারবেন যতটুকু জমি দাতা ঐ দাগে মালিক। বাকি জমি সে ভোগ দখল করবেন অন্য যে চার দাগে জমি ক্রয় করেছেন সেই দাগে।

আপনি চাইলেই দলিল এবং খতিয়ানের বাহিরে আপনার নামে জমি নামজারি বা রেকর্ড করাতে পারবেন নাহ! যদি আপনি ক্ষমতা এবং কারসাজির মাধ্যমে মনগড়া জমি রেকর্ড করেও নেন, কিন্তু পরবর্তীতেও আপনার এই রেকর্ড টিকবে নাহ! এতে দলিলের কোন স্বত্ব নষ্ট হবেনা।

দলিল অনুযায়ী আপনাকে জমি ভোগ করতে হবে, দলিলে যে যে দাগে আপনি জমি ক্রয় করেছেন। তবে সে ক্ষেত্রেও দাতার অবশ্যই বিক্রিত দাগে হিস্যা অনুযায়ী সেই পরিমান জমির মালিক থাকতে হবে।

09/07/2024
24/06/2024

১৬ বছরের অধিক কোনো বয়সের মেয়েকে যদি কোনো পুরুষ বিয়ের প্রলোভন দিয়ে যৌনকর্ম করে তা হলে তা ধর্ষণের নামান্তর হবে না, সিদ্ধান্ত উচ্চ আদালতের। (৫১ ডিএলআর, ১২৯)। যৌনকর্মের সময় যদি ভিকটিম কোনরূপ বাঁধা না দেয় অথবা বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা না করে অথবা কোনো চিৎকার না দেয় তাহলে ধর্ষণ হয়েছে বলে মনে করা যাবে না। এসব ক্ষেত্রে যৌনকর্মে ভিকটিমের সম্মতি আছে বলে ধরে নিতে হবে, সিদ্ধান্ত উচ্চ আদালতের। (৫৭ ডিএলআর,৫৯১)।

11/06/2024

ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ বাংলাদেশে ভূমি সংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধ এবং এর সমাধানের জন্য প্রণীত একটি আইন। এই আইনের উদ্দেশ্য হলো ভূমি নিয়ে বিরাজমান বিভিন্ন অপরাধ যেমন অবৈধ দখল, জালিয়াতি এবং অন্যান্য অসদুপায় ব্যবহার রোধ করা এবং এ ধরনের অপরাধের সুষ্ঠু প্রতিকার নিশ্চিত করা।

এতদিন ভূমি সংক্রান্ত সব অপরাধ বিষয়ক মামলা দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারার অধীনে দায়ের করা হতো। বিশেষ করে দণ্ডবিধির ধারা ৪০৬, ৪২০, ৩৮৯, ৪৪৭, ৪৬৭, ৪৭১ ভূমি বিষয়ক অপরাধ নিয়ে আলোচনা ও সাজা বিষয়ে আলোকপাত করেছে।

সর্বশেষ খবর দ্য ডেইলি স্টার বাংলার গুগল নিউজ চ্যানেলে।
ভূমি বিষয়ক নতুন এই ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এ ভূমি সংক্রান্ত অপরাধগুলো সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে এবং পাশাপাশি দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ার অনেকাংশে বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই আইনে মোট ২৭টি ধারা যোগ করা হয়েছে, যেখানে ভূমি সংক্রান্ত অপরাধ সঙ্গায়িত করার পাশাপাশি শাস্তির বিধান সুস্পষ্ট করা হয়েছে। আইনজ্ঞরা মনে করছেন, এই আইন ভূমি ব্যবস্থাপনায় নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে চলেছে।

১৯ ধারায় এই আইনের সব প্রকার অপরাধকে আমলযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এখন চাইলেই বিচারপ্রার্থীরা ভূমি অপরাধ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে এই আইনের অধীনে স্থানীয় এখতিয়ারভুক্ত থানাতেই মামলা দায়ের করতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে ওই থানার পুলিশ বিনা পরোয়ানায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পারবে।

বাবা-মায়ের ভরণপোষণ আইন
আরও
বাবা-মায়ের ভরণপোষণ নিয়ে যা আছে আইনে
কী আছে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ এ

এই আইনে অন্যের জমিকে নিজের বলা, ভূমি বিষয়ক তথ্য গোপন করা, মিথ্যা বিবরণ থাকা দলিলে সই করা, অন্যের জমির জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হয়েও তা হস্তান্তর করা এবং মিথ্যা পরিচয়ের মাধ্যমে অন্যের জমি হস্তান্তরকে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে এমন অপরাধের জন্য অপরাধীকে এই আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হতে পারে।

এই আইনের ৫ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কেউ মিথ্যা দলিল বা দলিলের অংশ বিশেষ তৈরি করেন অথবা কোনো দলিল সম্পাদিত হওয়ার পর তার কোনো অংশ পরিবর্তন করেন অথবা অসাধুভাবে কোনো দলিলে সই, সিলমোহর বা পরিবর্তনে বাধ্য করেন তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। সেক্ষেত্রে অপরাধীর শাস্তি অনধিক ৭ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

কেউ যদি কেনা জমির সম্পূর্ণ মূল্য বুঝে পাওয়া সত্ত্বেও ক্রেতা বরাবর জমি হস্তান্তর না করেন, তবে তাকে এই আইনের ধারা ৯ অনুসারে ২ বছরের কারাদণ্ডে ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এ অবৈধ দখলদারদের বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। কেউ যদি আইনানুগভাবে কোনো জমির মালিক না হয়েও জমি জোর করে দখলে রাখেন, তবে এই অবৈধ দখলের জন্য তাকে এই আইনের ধারা ৭ অনুযায়ী শাস্তি হিসেবে অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে। এ ছাড়া এই আইনের ধারা ১১ ও ১২ অনুযায়ী সরকারি, আধা-সরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বা জনসাধারণের ব্যবহার্য ভূমির অবৈধ দখল, প্রবেশ, কোনো কাঠামোর ক্ষতিসাধন ও সরকারি, আধা-সরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বা জনসাধারণের ব্যবহার্য ভূমির অবৈধ ভরাট, শ্রেণি পরিবর্তনের শাস্তি অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

আরও
দত্তক নিতে গেলে যেসব আইনি জটিলতা মোকাবিলা করতে হয়

ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৬ তে এই আইনের অধীনে অপরাধ সংঘটনে সহায়তাকেও শাস্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যেখানে অপরাধ সংঘটনে সহায়তা বা প্ররোচনা প্রদানকারী অপরাধীর সমান শাস্তিপ্রাপ্ত হতে পারেন।

ভূমি সংক্রান্ত প্রতারণা ও জালিয়াতির অপরাধের বিচার ভার শুধু জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর ন্যাস্ত করা হয়েছে। ধারা ১৫ ও ২২ অনুসারে, ভূমির দখল উদ্ধারের ক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ কেউ অমান্য করলে তার বিচার ভারও থাকবে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপর। এই আইনে প্রতারণা বা জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি দলিল বাতিলের মামলায় ওই দলিল প্রতারণা বা জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি হয়েছে প্রমাণিত হলে আদালত জেলা প্রশাসককে সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্টার অফিসে নোট দেওয়ার আদেশ প্রদান করবেন। এখন থেকে ফৌজদারি আদালতের মাধ্যমেই দলিল বাতিল সম্পর্কিত যাবতীয় প্রতিকার পাওয়া যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

এই আইনের ধারা ৮(৭) অনুযায়ী, ভূমির দখল উদ্ধারের জন্য দেওয়ানি আদালতে কোনো পক্ষের আবেদনে বা আদালত স্বেচ্ছায় বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোনো জমির দখল উদ্ধারের দায়িত্ব নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে দিতে পারবেন।

ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী জমি দখলে রাখতে পারবেন –

ক) সবশেষ হালনাগাদকৃত খতিয়ানের মালিক

আরও
কাবিননামার যে ১০ বিষয় জানা প্রয়োজন
খ) সবশেষ হালনাগাদকৃত খতিয়ানের মালিকের উত্তরাধিকার বা মালিক থেকে অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি

গ) আইন অনুযায়ী সম্পাদিত দলিলের মাধ্যমে অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি

ঘ) আদালতের আদেশে মালিকানা ও দখল অধিকারপ্রাপ্ত ব্যাক্তি।

তবে যদি একই জমির উপর একাধিক দলিল বা জমির দাবিদার থাকে সেক্ষেত্রে কার বা কোন দলিলের প্রাধান্য থাকবে সে ব্যাপারে এই আইনে স্পষ্ট করে কিছু বলা নেই।

এ ছাড়া এই আইনের ২০ ও ২১ ধারার অধীনে মামলার সাক্ষীর সুরক্ষায় ও ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের যেকোনো ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে বলা হয়েছে।

অর্পিত সম্পত্তি বা খ তফসিল ভুক্ত সম্পত্তি নামজারি করতে অনেকের প্রজ্ঞাপনটি প্রয়োজন হতে পারে।
05/06/2024

অর্পিত সম্পত্তি বা খ তফসিল ভুক্ত সম্পত্তি নামজারি করতে অনেকের প্রজ্ঞাপনটি প্রয়োজন হতে পারে।

🔰পুরাতন দলিল বের করুন খুব সহজে নিজের মোবাইল দিয়ে।সারা বাংলাদেশের যে কোনো সালের যে কোনো দলিল খুজে বের করার বিষয় নিয়ে আ...
18/05/2024

🔰পুরাতন দলিল বের করুন খুব সহজে নিজের মোবাইল দিয়ে।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো সালের যে কোনো দলিল খুজে বের করার বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো (পুরাতন দলিল তল্লাশি)। এর আগে আমাদের জানা দরকার যে,এই পুরাতন দলিল কাদের কাদের প্রয়োজন? অনেকেই আছেন, যে, তারা এই পুরাতন দলিল খুজে পাচ্ছে না। যার জন্য অনেক কাজ কর্ম সমাধান করতে পারছে না। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় যে, যারা এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় চলে গেছে। তাদের সম্পত্তি গুলো তাদের দখলে নেই। বা তাদের কাছে কোনো প্রমাণ বা দলিল নেই। অথবা এই জমি গুলো খুজে বের করতে পারছেন না। তাদের জন্য এই ছোট বিজ্ঞাপন টি গুরুত্বপূর্ণ।

জমি জমার বিষয় টি এমন ও হতে পারে। যাদের মামার বাড়ির বা নানার বাড়ির সম্পত্তির ওয়ারিশ হিসেবে প্রাপ্ত জমি বুঝাইয়া না দিলে বা কোনো কাগজপত্র না দিলে আপনি কখনো জমি বের করতে পারবেন না। আর বিক্রি ও করতে পারবেন না। আর যদি আপনি জমির দলিল খুজে বের করতে পারেন, তাহলে আপনি ওয়ারিশান সার্টিফিকেট দিয়ে ও জমি বিক্রি করতে পারবেন।

তবে বন্টননামা যে ১০০% কার্যকর হইছে তা কিন্তু নয়। বন্টননামা ছাড়াও আপনার দলিল থাকলেই ওয়ারিশান সার্টিফিকেট দিয়ে ও জমি বিক্রি করতে পারবেন। মেইন দলিলের যে ক্ষমতা, ঠিক অবিকল নকল বা সার্টিফাইড কপি দলিলে ও ঠিক একই ক্ষমতা। আপনার আসল দলিল যদি না থাকে তাহলে অবিকল নকল বা সার্টিফাইড কপি দলিল তুলে কাজ করতে পারবেন।

যদি কোনো কারনে যদি মনে হয় যে,আপনার ওয়ারিশানদের কোনো জায়গায় কোনো সম্পত্তি আছে। কিন্তু দলিলে অভাবে আপনি দখল করতে বা মামলা মোকদ্দমা করতে পারছেন না। বা মামলা মোকদ্দমায় না দিয়ে ও সমস্যা সমাধান করতে পারেন। সেটা শালিশী বৈঠকে বা ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমেই হোক। অথবা কম দামে অন্য কারো কাছে বিক্রি করে। তবে সর্বপ্রথম দলিল খুজে বের করতে হবে।

পুরাতন দলিল কিভাবে খুঁজে বের করবে??

প্রথম যে বিষয়টি হলো, আপনার সামান্য কোনো প্রমাণ আছে। এটার একটি পদ্ধতি। আর কোনো প্রমাণ ই যদি না থাকে। সেটার আর একটি পদ্ধতি।
আপনার কাছে সামান্য প্রমান আছে, আর সেটা হলো, আপনি দাতা বা গ্রহীতার নাম জানেন। মানে কে কাকে জমি দিয়েছে। আপনার বাবাকে আপনার দাদা হেবা দলিল করে দিয়েছিলো বা আপনার মা কে আপনার নানা হেবা দলিল করে দিয়ে ছিলো। দাতা, গ্রহীতার নাম জানেন এবং আনুমানিক সাল জানেন। সেই অনুযায়ী আপনার পরিশ্রম টা কমে আসবে। তখন আপনি সাব রেজিস্ট্রি অফিসে যাবেন। সাব রেজিস্ট্রি অফিসে পাওয়া না গেলে জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে যাবেন। এবং যারা দলিল তল্লাশি কারক যারা আছেন। তাদের কাছে যাবেন এবং বলবেন যে,দাতার নাম,গ্রহীতার নাম এবং আনুমানিক সাল, এবং মৌজার নাম বললে খজে দেখিবেন। তাছাড়া ও আপনার যদি দলিল নাম্বার থাকে তাহলে খুব সহজেই পেয়ে যাবেন।

আর সবচেয়ে কঠিন পদ্ধতি যেটা, যে আমি কিছুই জানি না। তাহলে আমি কি করে বের করি। তাহলে আপনি মৌজা টা অবশ্যই চিনেন বা কোনো মৌজায় জমি আছে। অথবা কোনো ভাবে জানেন যে কোথায় জমি পাবেন। কোথায় কোথায় জমি পাবেন তা না জানলেও আপনার পূর্বের দাতার জমি গুলো কোথায় কোথায় আছে যেটা অবশ্যই জানেন। বা জমি না চিনলে ঐ এলাকার স্থানীয় দের নিকট থেকে জেনে নিবেন। এবং ঐ জমিতে যাবেন। এবং পাশের জমির মালিক কে বলবেন যে, এই জমির দাগ নাম্বার কত অথবা ঐ এলাকার একজন স্থানীয় সার্ভেয়ার বা আমিন কে নিয়ে যাবে। এবং বলবেন যে এই জমির দাগ নাম্বার কত। আর এই দাগ নাম্বার টি নিয়ে আপনি আপনার ইউনিয়ন তৌসিল অফিসে যাবেন বা শহর হলে পৌর ভূমি অফিস বা সার্কেল অফিস থাকেন সেখানে যাবেন। নিকটস্থ যেখানে সেখানে যাবেন।

এবং জানার জন্য বলবেন যে, এই দাগ নাম্বারে জমি আমার বাবার নামে বা মায়ের নামে হেবা দলিল হয়েছিলো কি না। বা আমার বাবার নামে খারিজ আছে কি না বা আমার মায়ের নামে খারিজ আছে কি না। অথবা এই জমি টা কার কাছে আসলো কিভাবে আসলো বা কে কিভাবে মালিক হলো এটার ও একটা প্রমান থাকে ভূমি অফিসে। রেজিস্ট্রি অফিসে খারিজ হলে দলিল নাম্বার লেখা থাকে। হেবা দলিল হলে ও খারিজে দলিল নাম্বার লিখা হয়ে থাকে। এছাড়াও আরও বিভিন্ন ভাবে দলিল নাম্বার সহ জমির প্রমাণ ভূমি তৌসিল অফিসে সংরক্ষিত থাকে।

একটি দলিল খুজে বের করতে অনেকটা সময় লেগে যাবে। এরপর ও চেষ্টা করে দলিল নাম্বার টা বের করবেন। যদি দলিল নাম্বার পেয়ে যান,তাহলে তো খুব সহজেই পেয়ে যাবেন। দলিল নাম্বার না পাইলে,জমির দাগ নাম্বার এবং মৌজা এবং আনুমানিক সাল অনুযায়ী সাব রেজিস্ট্রি অফিসে তল্লাশি করে দেখতে পারেন। তবে তল্লাশি করতে আপনাকে খরচ করতে হবে। যত বেশি সাল অনুযায়ী দেখবেন তত বেশি খরচ হবে। আপনার আনুমানিক সাল অনুযায়ী তল্লাশি দিবেন তাহলে পেয়ে যাবেন, যদি রেকর্ড থাকে। এরপর যদি দেখা যায় যে, দলিল নেই বা দলিলে নেই। আপনি রেকর্ড মূলে মালিক।

তাহলে আপনাকে রেকর্ড তুলতে হবে। আপনার বাবা বা দাদার পূর্ব পুরুষের জমি যদি বেচা কেনা না হয়। ওয়ারিশ মূলে মালিক হয়ে থাকে তাহলে দলিল থাকবে না। তাহলে রেকর্ড মুলে মালিক হবেন। তখন সিএস খতিয়ান, আরএস খতিয়ান, এসএ খতিয়ান থাকবে। তখন দাগ নাম্বার দিয়েই রেকর্ড রের করতে পারবেন। খতিয়ান রের করাও খুব সহজ, আপনি চাইলে অনলাইন থেকে আবেদন করে সার্টিফাইড কপি নিতে পারেন।

#ভূমিসেবা #নতুনআইন #ভাগবন্টন #ওয়ারিশসম্পত্তি #ওয়ারিশ #নামজারী #দলিল

◆ অনলাইনে প্রথমবার জমির খাজনা দিতে কি কি ডকুমেন্টস লাগে?☆☆খাজনা দেয়ার জন‍্য নিম্নলিখিত পেপার এর প্রয়োজন হবেঃ1.  সর্বশেষ ...
15/05/2024

◆ অনলাইনে প্রথমবার জমির খাজনা দিতে কি কি ডকুমেন্টস লাগে?
☆☆খাজনা দেয়ার জন‍্য নিম্নলিখিত পেপার এর প্রয়োজন হবেঃ
1. সর্বশেষ রেকর্ড/খারিজ খতিয়ানের কপি
2. পূর্ববর্তী দাখিলার কপি
3. জাতীয় পরিচয়পত্র
4. একটি স্মার্টফোন/কম্পিটার ও ইন্টারনেট কানেকশন।
5. মোবাইল নাম্বার ও পাসওয়ার্ড
6. জমির অবস্থান অনুযায়ী-বিভাগ,জেলা, উপজেলা, মৌজার তথ্য, খতিয়ান নং ও হোল্ডিং নং।
N.B: বকেয়ার সাল চার এর অধিক হলে এবং পূর্ববর্তী খাজনার রশিদ আপনার নিকট থাকলে (যা অনলাইন নয়) প্রথম বার ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে খাজনা দিন।

◆ অনলাইনে খাজনা দেয়ার ধাপ সমূহঃ
☆ ধাপ ১- ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন ( ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://ldtax.gov.bd )
☆ ধাপ ২- নাগরিক নিবন্ধন করুন ( মোবাইল নং, জন্ম তারিখ, আইডি নং দেয়ার পর ওটিপি নং পাবেন)
☆ ধাপ ৩- প্রোফাইল সেটিং করুন ( প্রফাইলের তথ‍্যগুলি পুরন করুন)
☆ ধাপ-৪ জমির খতিয়ান যুক্ত করুন
☆ ধাপ-৫ হোল্ডিং ও ভূমি উন্নয়ন করের তথ্য পূরণ করুন
☆ ধাপ-৬ পেমেন্ট অপশন সিলেক্ট করুন
☆ ধাপ-৭ ই-পেমেন্ট করুন
☆ ধাপ-৮ খাজনা রশিদ ডাউনলোড করুন

◆ খতিয়ানে নাম থাকা যে কোন একজন খাজনা দিতে পারবেন।
◆ ওয়ারিশান হলে ওয়ারিশ সনদ সংযুক্ত করে খাজনা দেয়া যাবে।
◆ যাদের আইডি কার্ড নেই তারা প্রতিনিধির মাধ‍্যমে খাজনা দিতে পারবেন।
◆ খতিয়ানে থাকা সব জমির খাজনা দিতে হবে। আংশিক খাজনা দেয়ার নিয়ম নেই।

জমি কেনার সময় আপনাকে যেসব বিষয়ে অবশ্যই সতর্ক হতে হবেঃআপনি কি জমি কিনতে চাচ্ছেন বা ভবিষ্যতে জমি কেনার কোন প্ল্যান আছে! তা...
11/05/2024

জমি কেনার সময় আপনাকে যেসব বিষয়ে অবশ্যই সতর্ক হতে হবেঃ

আপনি কি জমি কিনতে চাচ্ছেন বা ভবিষ্যতে জমি কেনার কোন প্ল্যান আছে! তাহলে জমি কেনার জন্য আপনাকে কিছু বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। না হলে জমি কেনার পর দেখতে পারেন আপনার ক্রয়কৃত জমির মালিক অন্যএকজন। তাই জমি কেনার সময় আপনার করণীয় কি হবে সেটা না জানলে জমি কেনা বৃথা যেতে পারে। কাজেই এখন জেনে নিন জমি কেনার আগে, কেনার সময় এবং কেনার পর আপনার করণীয় কি।

জমি কেনার আগে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অত্যন্ত গুরত্ব সহকারে দেখতে হবে।

জমি কেনার আগে করণীয়ঃ

◾জমি বিক্রেতার নামে রেজিষ্ট্রিকৃত দলিল আছে কিনা অথবা বৈধ স্বত্ব আছে কি না, দখলি স্বত্ব আছে কিনা।

◾হালসন পর্যন্ত খাজনার রশিদ আছে কি না।

◾দলিলে উল্লেখিত পরিমান জমি তার দখলে আছে কি না।

◾জমিটি সম্পুর্ন বা আংশিক বিক্রি করা হয়েছে কি না।

◾জমিটির অন্য কোন ওয়ারিশ আছে কি না।

◾জমির দলিলটি জাল কিনা।

◾মালিকের নামে জমিটি খারিজ করা আছে কি না।

◾দলিলে উল্লেখিত দাগ নম্বর নকশার সাথে মিল আছে কি না এবং রেকর্ডের সঙ্গে খতিয়ানের মিল আছে কি না।

◾বিক্রেতা ক্রয় সুত্রে, না উত্তরাধিকার সুত্রে জমিটির মালিক হয়েছেন।

◾জমিটি বর্গা বা বন্ধক দেওয়া আছে কি না।

◾জমিটি সহশরিকগন কিনতে চায় কি না।

◾উকিল নোটিশ করা।

◾সরেজমিনে খোঁজ নেওয়া ইত্যাদি।

◾বড় ধরনের প্লটে জমি বিক্রি করলে বিক্রিত জমি কোন অংশে চৌহদ্দি উল্লেখ পূর্বক বিক্রিত জমি দখল চিহ্নিত করতে হবে।

◾বিক্রিত জমিতে কোন সরকারি স্বার্থ জড়িত আছে কিনা যাচাই করতে হবে। যেমন-খাস, অর্পিত, পরিত্যক্ত, কোর্ট অফ ওয়ার্ড, ২৫ বিঘা, সিলিং বহির্ভূত, ওয়াকফ, দেবোত্তর অধিগ্রহণকৃত, কিনা ব্যাংক কর্তৃক ঋণ লওয়া আছে কিনা, বন্ধক দেওয়া আছে কিনা, সার্টিফিকেট মামলা, দেওয়ানী মামলা আছে কিনা ইত্যাদি যাচাই করতে হবে।

◾বিক্রিত জমিতে যাতায়াতের কোন সরকারি বেসরকারি রাস্তা আছে কিনা যাচাই করতে হবে।

◾বিক্রিত জমি বিক্রির জন্য অন্য কাউকে আমমোক্তার বা এ্যাটর্নী নিয়োগ করা আছে কিনা যাচাই করতে হবে।

◾বিক্রিত জমি প্রতিবেশীদের সাথে বিরোধ আছে কিনা যাচাই করতে হবে।

◾বিক্রিত জমি বিক্রেতা ইতিপূর্বে অন্য কাহারো নিকট বিক্রি করেছেন কিনা যাচাই করতে হবে।

◾বিক্রিত দাগের ভূমি সংশ্লিষ্ট মৌজা ম্যাপের সাথে সরেজমিন সঠিক আছে কিনা যাচাই করতে হবে।

◾বিক্রেতা ওয়ারিশ সূত্রে জমির মালিক হলে রেজিস্ট্রিকৃত আপোষ বন্টননামা দলিল আছে কিনা যাচাই করতে হবে।

◾পিতার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ভূমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিক্রিত জমিতে অন্য ওয়ারিশগন প্রাপ্ত কিনা এবং দখল আছে কিনা যাচাই করে দেখতে হবে।

জমি কেনার সময় করণীয়ঃ

◾জমির দলিলের স্ট্যাম্প ক্রেতার নামে খরিদ করা ও রশিদ যত্ন সহকারে রাখা।

◾জমি রেজিস্ট্রির সময় ক্রেতা ও বিক্রেতার উপস্থিত থাকা ও স্বাক্ষর/টিপসহি দেওয়া।

◾নিজ নামে দলিল সম্পাদন ও রেজিট্রি করা।

◾দলিল রেজিস্ট্রির রশিদ সংগ্রহ করা ও যত্ন সহকারে তা সংরক্ষন করা।

◾ক্রেতা বিক্রেতার পাসপোর্ট সাইজের ছবি জমা দেওয়া।

◾বিক্রেতার ক্রমানুসারে ২৫ বছরের মালিকানার ইতিহাস।

◾জমির চৌহদ্দি।

◾বিক্রেতার নামে নামজরিপ কপি এবং আরএস পর্চা উপস্থাপন।

জমি কেনার পর করণীয়ঃ

◾রেজিট্রিকৃত জমি দখল করা।

◾নিজ নামে খারিজ করা।

◾নিজ নামে খাজনা দিয়ে রশিদ সংগ্রহ করা ও যত্ন সহকারে সংরক্ষন করা।

◾রশিদ জমা দিয়ে সাবরেজিট্রি অফিস থেকে মুল দলিল সংগ্রহ করা।

◾জমির সকল কাগজপত্র যত্ন সহকারে সংরক্ষণ করা।

জমি উদ্ধার/তল্লাশী ও বাটোয়ারার সহজীকরণ কার্য পদ্ধতি।
10/05/2024

জমি উদ্ধার/তল্লাশী ও বাটোয়ারার সহজীকরণ কার্য পদ্ধতি।

কিভাবে বুঝবেন আপনার জমির দলিল বৈধ কি না?জমি কেনা বা বিক্রি একটি গুরুত্বপূর্ণ লেনদেন, এবং এর সাথে জড়িত আইনি প্রক্রিয়াগু...
09/05/2024

কিভাবে বুঝবেন আপনার জমির দলিল বৈধ কি না?

জমি কেনা বা বিক্রি একটি গুরুত্বপূর্ণ লেনদেন, এবং এর সাথে জড়িত আইনি প্রক্রিয়াগুলি বোঝা জরুরি। জমির দলিল হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি যা মালিকানার অধিকার প্রমাণ করে। তাই, জমি কেনার আগে দলিলটি সঠিকভাবে যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জমি কেনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ, এবং আইনি জটিলতা এড়াতে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।

১. দলিলের মূল কপি পরীক্ষা করুন:

👉নিশ্চিত করুন যে দলিলটি সঠিকভাবে সাব-রেজিস্ট্রারের দ্বারা স্বাক্ষরিত এবং সিল করা আছে।
👉দলিলের মূল কপিতে থাকা ছবি এবং মালিকের বর্তমান ছবি মিলে যাচ্ছে কিনা তা পরীক্ষা করুন।
👉দলিলের সকল পাতায় সঠিকভাবে স্ট্যাম্প লাগানো আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।

২. দলিলের তথ্য যাচাই করুন:

👉দলিলে উল্লেখিত মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ইত্যাদি তথ্য সঠিক কিনা তা খতিয়ান, দাগ খতিয়ান, এবং সরকারি রেকর্ডের সাথে মিলিয়ে দেখুন।
👉দলিলে উল্লেখিত সাক্ষীদের নাম এবং ঠিকানা সঠিক কিনা তা যাচাই করুন।

৩. আইনি পরামর্শ নিন:

👉একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করার সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।
👉আইনজীবী দলিলের সকল দিক বিশ্লেষণ করে আপনাকে দলিলটি বৈধ কিনা তা জানাতে পারবেন।

৪. অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করুন:
👉সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে জমির দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।
👉কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সার্ভিস প্রদান করে।

৫. সতর্কতা অবলম্বন করুন:

👉দলিলের বৈধতা সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে দলিলটি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন।
অসৎ ব্যক্তিদের প্রতারণার শিকার হতে সাবধান থাকুন।
👉জমি কেনার আগে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপরে উল্লেখিত পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করে আপনি একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করতে পারবেন।

জমির দলিল বৈধ কিনা তা বোঝার জন্য কিছু প্রশ্ন ও উত্তর

১) দলিলে কি সকল প্রয়োজনীয় তথ্য আছে?

দলিলে জমির মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, মৌজা, উপজেলা, জেলা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?
,👉দলিলের সাক্ষীদের নাম, ঠিকানা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?
👉দলিলের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?

২) দলিলের স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশন

👉দলিলে সরকার নির্ধারিত স্ট্যাম্প ব্যবহার করা হয়েছে কিনা?
👉দলিলটি সঠিকভাবে রেজিস্ট্রি করা হয়েছে কিনা?
রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?

৩) দলিলের মালিকানার ধরণ।

👉দলিলের মাধ্যমে মালিকানা কিভাবে অর্জিত হয়েছে (উত্তরাধিকার, ক্রয়, বিনিময়, দান ইত্যাদি)?
👉মালিকানার ধরণ কি (মালিকানা, দখল, ভাগচাষ ইত্যাদি)?
👉মালিকানার কোনো শর্ত বা বাধা আছে কিনা?

৪) জমির অবস্থা

👉জমি কি বাস্তবে বিদ্যমান?
👉জমির মালিকানা বিতর্কমুক্ত কিনা?
👉জমির উপর কোনো ঋণ বা বন্ধক আছে কিনা?

৫) আইনি পরামর্শ
জমির দলিল বৈধ কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৬. দলিলের বয়স:
প্রশ্ন: কত বছরের পুরোনো দলিল বৈধ?
উত্তর: দলিলের বয়সের কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই। তবে, 1976 সালের আগের দলিলগুলো "পুরাতন দলিল" হিসেবে বিবেচিত হয় এবং বৈধতা যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত যাচাই-বাছাই প্রয়োজন হতে পারে।

৭. দলিলের ধরন:
প্রশ্ন: কত ধরণের জমির দলিল আছে?
উত্তর: বাংলাদেশে 4 ধরণের জমির দলিল আছে:
°দাগ নম্বর খতিয়ান
°মৌজা খতিয়ান
°সিএস খতিয়ান
°আরএস খতিয়ান

৮. দলিলের মালিকানা:

প্রশ্ন: দলিলে একাধিক মালিকের নাম থাকলে কী করবেন?
উত্তর: সকল মালিকের সম্মতি ছাড়া জমি বিক্রি করা যাবে না। মালিকানা পরিবর্তনের জন্য সকলের স্বাক্ষর এবং সম্মতি প্রয়োজন।

৯. দলিলের মিউটেশন:

প্রশ্ন: মিউটেশন কী?
উত্তর: মিউটেশন হলো জমির মালিকানা পরিবর্তনের নথিভুক্তি প্রক্রিয়া। নতুন মালিকের নাম খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য মিউটেশন করা আবশ্যক।

১০. দলিলের জালিয়াতি:
প্রশ্ন: জাল দলিলের বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?
উত্তর: জাল দলিলে ভুল বানান, অস্পষ্ট তথ্য, মিথ্যা স্বাক্ষর, এবং অসঙ্গতিপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে।

১১. দলিল যাচাই:
প্রশ্ন: জমির দলিল যাচাই করার সর্বোত্তম উপায় কী?
উত্তর: সাব-রেজিস্ট্রার অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে দলিলের মূল কপি এবং খতিয়ানের সাথে মিলিয়ে দেখতে পারেন।

ভূমি অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার ভূমি অফিসে গিয়ে দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।
আইনজীবীর পরামর্শ: একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।

১২. দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা:

প্রশ্ন: জমির দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য কী করবেন?
উত্তর: জমির দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করা উচিত।

উল্লেখ্য: এই তথ্যগুলো শুধুমাত্র সাধারণ ধারণার জন্য। জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার।

27/04/2024

মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির ভাগ কে কতটুকু পাবে ???????

মুসলিম ফারায়েজ নীতিঃ
১। স্ত্রীর দুই অবস্থাঃ
(ক) মৃত ব্যাক্তির সন্তান না থাকলে ১/৪,
( খ) আর থাকলে ১/৮ অংশ পাইবে।

২। স্বামীর দুই অবস্থাঃ
(ক) স্ত্রীর মৃত্যুর পর সন্তান না থাকলে ১/২,
( খ) আর থাকলে ১/৪ অংশ পাইবে।

৩। কন্যার তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র কন্যা থাকলে ১/২ ,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) পুত্র কন্যা একসাথে থাকলে ২:১ অনুপাতে পাইবে।

৪। পিতার তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত্যু ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র বা পুরুষ শ্রেনী বর্তমানে থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) পুরুষ শ্রেনি না থাকলে এবং কন্যা বা পৌত্রী বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে থাকলে( ১/৬+অবশিষ্ট) অংশ পাইবে,
(গ)পুরুষ বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে না থাকলে অবশিষ্ট সকল অংশ পাইবে।

৫। মায়ের তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত্যু ব্যক্তির সন্তান বা একাধিক ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির যদি কোন সন্তান না থাকে বা ভাইবোন ২ জনের কম থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে,
(গ) স্বামী বা স্ত্রীর সাথে পিতা মাতা উভয়ে থাকলে , মৃত্যু ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে স্বামী বা স্ত্রীর অংশ দেয়ার পর বাকি সম্পত্তির ১/৩ অংশ পাইবে।

৬। বৈপিত্রীয় ভাইবোনদের তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র বৈপিত্রীয় ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ,
(খ) একাধিক থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে
(গ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র,পিতা বা দাদা থাকলে বঞ্ছিত হইবে।

৭। পৌত্রীগনের ছয় অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র পৌত্রী থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ) মৃত্যু ব্যক্তির পৌত্রী ও পৌত্র একই সাথে থাকলে অংশীদার হইবে,
(চ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির পুত্র থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে।

৮। সহোদরা বোনদের পাঁচ অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) সহোদরা বোনের সাথে সহোদরা ভাই থাকলে আসাবা হইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা বা পৌত্রী থাকে তাহলে সহোদরা বোনগন ১/৬ অংশ পাইবে। একাধিক কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে অংশীদার হইবে,
(ঙ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুরুষ শ্রেনীর ওয়ারিশ থাকলে সহোদরা বোনগন বঞ্ছিত হইবে।

৯। বৈমাত্রিয় বোনদের সাত অবস্থাঃ
(ক) যদি মৃত্যু ব্যাক্তির সহোদরা বোন না থাকে ও একজন মাত্র বৈমাত্রিয় বোন থাকলে ১/২,
(খ)একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোনগণ বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ)যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে এবং বৈমাত্রিয় বোনের সাথে বৈমাত্রিয় ভাই থাকলে একএে অংশীদার হইবে।
(চ) মৃত্যু ব্যাক্তির কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগণ অবশিষ্ট অংশ পাইবে,
(ছ) মৃত্যু ব্যক্তির পুরুষ ওয়ারিশ থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগন বঞ্ছিত হইবে।

১০। দাদী নানীর ২ অবস্থাঃ
(ক) পিতৃ বা মাতৃ সম্পর্কের এক বা একাধিক যাহাই হোক ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির মাতা জীবিত থাকলে বঞ্ছিত হইবে। তবে পিতা জীবিত থাকলে দাদী বঞ্ছিত।

Address

5020, High Court Bar Association
Dhaka
1207

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Legal Salvation & Corporate Consultancy-LSCC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share