Bari International

Bari International পৃথিবীজুড়ে বাংলাদেশ এর সম্পর্ক মিতালী

Travelling is such an incredible experience and it is highly recommended for everyone to do it whilst they have the oppo...
23/05/2024

Travelling is such an incredible experience and it is highly recommended for everyone to do it whilst they have the opportunity.

Professional Consultancy Services is one of the leading Consulting and visa processing firm in Bangladesh. We are very much delighted to serve you best possible visa assistance. Apply now to visit your desired destination!

We do provide all kind of Supports for:
𝐔𝐒𝐀, 𝐂𝐀𝐍𝐀𝐃𝐀, Visas.
USA – 5 Years Multiple entry visa
CANADA – Upto10 Years Multiple entry visa

Single / Multiple Entry Visit Visas
𝘾𝙤𝙣𝙩𝙖𝙘𝙩 𝙪𝙨 𝙛𝙤𝙧 𝙙𝙚𝙩𝙖𝙞𝙡𝙨:
𝗣𝗵𝗼𝗻𝗲/𝗪𝗵𝗮𝘁𝘀𝗔𝗽𝗽: ⁨01830-869720
Email- [email protected]

Our Corporate Office Address:
Bari International
9/9 (8th floor) Estern Plaza.
70 Bir Uttam C.R Datta Road, Hatirpool, Dhaka-1205.

18/05/2024
18/05/2024
23/02/2024

Hello Bangladesh

07/07/2023

সিনেমায় বিনিয়োগ ভুল নয়

সালাহ্ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরী

ঈদুল আযহায় মুক্তিপ্রাপ্ত সবগুলো সিনেমা মোটামুটি ব্যবসা করছে। কিন্তু এই ঈদে সবচেয়ে ব্যয়বহুল সিনেমা প্রিয়তমা এরই মাঝে দশ কোটি ত্রিশ লাখ টাকার ব্যবসা করেছে মাত্র এক সপ্তাহে। তথ্যটা জেনেছি অনুজপ্রতিম সাংবাদিক ও খ্যাতিমান গীতিকবি জাহিদ আকবরের পোষ্ট থেকে। জাহিদ দেশের শীর্ষ ইংরেজী দৈনিক ডেইলি স্টারে আছেন। ওই পত্রিকার মালিকদেরই প্রতিষ্ঠান ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি, যারা আলফা আই-এর সাথে যৌথভাবে সুড়ঙ্গ প্রযোজনা করেছে।

প্রিয়তমা কি আসলেই এতো ব্যবসা করলো? প্রশ্নটা মাথায় যখন ঘুরপাক খাচ্ছে তখন সহকর্মী তাজুল ইসলামকে জিজ্ঞেস করলাম এটা কিভাবে সম্ভব? প্রশ্নের উত্তরে তাজুল নিচের বিবরণটা দিলো:

মোট বিক্রি ১০,৩০,০০,০০০ টাকা। মোট শো ৩১৫০+ মানে (৩১৬০ টা)। প্রতি শো হতে মোট বিক্রি ৩২,৭০০ টাকা প্রায়। প্রতি টিকেট এর দাম প্রায় ৬৫.৫০ পয়সা ও শো প্রতি গড়ে ৫০০ দর্শক হয় তাহলে হিসেবটা সঠিক। মোট ১০৭ হলে প্রতিদিন ৪ টা শো মোট ৪২৮ টা শো অর্থাৎ ৭ দিনে ২৯৯৬ টি শো। কোন কোন হলে ৫ টা করে শো গেছে সেই হিসাবে ৩১৫০+ শো।

তারমানে, প্রিয়তমা আসলেই এক সপ্তাহে দশ কোটি ত্রিশ লাখ টাকার ব্যবসা করেছে, যেখানে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান অন্তত তাদের বিনিয়োগকৃত আড়াই কোটি ফেরত পেয়েছে। এই "আড়াই কোটি" সংখ্যাটা বাজারে ঘুরছে, যদিও আমার মনে হয় প্রকৃত বিনিয়োগের পরিমাণটা আরেকটু কম। অর্থাৎ, বিনিয়োগ উঠে গেছে। এবার লাভের পালা।

জাহিদ আকবরের পোষ্টে আরেক অনুজপ্রতিম সাংবাদিক তুষার আদিত্য প্রশ্ন করেছেন, সুড়ঙ্গ ছবির ব্যবসা তাহলে এক সপ্তাহে কতো হলো। আমি নিশ্চিত, এই হিসেবটা বাংলাদেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির প্রযোজক এবং নির্মাতারা জানেন। হয়তো ওনাদের মাধ্যমেই আমরাও জানতে পারবো। পাশাপাশি, ক্যাসিনো, লাল শাড়ী এবং প্রহেলিকা সিনেমার ব্যবসার অংকটাও আমরা জানতে পারবো হয়তো।

ঈদে যখন সিনেমাগুলো মুক্তি পেয়েছে তখন অনেকের হাতেই বাড়তি টাকা নেই। কারণ ঈদে খরচ। পাশাপাশি ওই সময়টায় অনেকেই ঢাকার বাইরে নিজের পরিবারের সাথে সময় কাটাচ্ছেন। কিন্তু চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে যারা চাকরী করেন তাঁরা বেতন পাবেন। মানে দ্বিতীয় সপ্তাহে দর্শকের সংখ্যাটা একই থাকবে কিংবা টিকেটের জন্যে দর্শকের চাপটা বাড়বে।

বাংলাদেশে জনসংখ্যার অনুপাতে ঈদ ছাড়াও প্রতি সপ্তাহে নতুন দুটো সিনেমা মুক্তি পেলে ব্যবসা করার কথা। কিন্তু সেখানে ব্যবসাটা হয়না কেনো? তাহলে কি আমাদের সিনেমা দর্শকরা মূলত ঈদের সময়েই ছবি দেখতে হলে যান?

একটা পরিসংখ্যান দেয়ার চেষ্টা করছি।

এই ঢাকা শহরে প্রায় দু কোটি মানুষের বসবাস। যাদের প্রায় ত্রিশ লাখ কর্মজীবী কিংবা চাকরিজীবি। অর্থাৎ সন্ধ্যের আগে ওনাদের পক্ষে হলে গিয়ে সিনেমা দেখা সম্ভব নয়, ছুটির দিনগুলো ছাড়া। যারা শিক্ষার্থী তাদের পক্ষেও দিনের বেলায় হলে গিয়ে সিনেমা দেখা কষ্টকর। বাকি থাকেন গৃহিণীরা যারা সংসার সামাল দিয়ে দিনের বেলায় সিনেমা দেখার সময় হয়তো পাননা। কিন্তু বিকেলের শো ওনাদের পক্ষে দেখা সম্ভব। সেক্ষেত্রে অবশ্যই সিনেপ্লেক্সগুলোর মতোই আমাদের সিঙ্গেল স্ক্রিন হলগুলোর পরিবেশ ভালো করতে হবে। পাশাপাশি আধুনিক শব্দ যন্ত্র ও কারিগরি সুবিধা সংযুক্ত করতে হবে। তবে আমি বারবার যে বিষয়টা জোর দিয়ে আসছি তা হলো, আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বার্থে আন্তর্জাতিক ওটিটি প্ল্যাটফর্ম, যেমন নেটফ্লিক্স, আমাজন ইত্যাদিতে কিভাবে আমাদের দেশে নির্মিত চলচ্চিত্রগুলো ইংরেজী সাব টাইটেলসহ নিয়মিত তোলা যায় এটার ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে চলচ্চিত্র শিল্পের সংশ্লিষ্টরা আমাদের পরিরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আমেরিকা, ব্রিটেন, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোর মাধ্যমে উদ্যোগ নিলে অবশ্যই ইতিবাচক ফল আসবে।

সিনেমা হলগুলোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ওটিটি প্ল্যাটফর্ম-এ বাংলাদেশে নির্মিত চলচ্চিত্র মুক্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে পর্যাপ্ত আয় আসবেই। যার ফলে প্রযোজকদের বিনিয়োগ অনেকটাই ঝুঁকিমুক্ত হবে। আমার বিশ্বাস, সিনেমাহল, সিনেপ্লেক্স এবং আন্তর্জাতিক ওটিটি প্ল্যাটফর্ম-এ আমাদের সিনেমাগুলো চললে প্রত্যেকটা সিনেমা থেকে গড়ে অন্তত দুই কোটি টাকা উঠে আসবেই। আর হিট সিনেমা হলে তো কথাই নেই। যেমন প্রিয়তমা এক সপ্তাহেই দশ কোটি ত্রিশ লাখ আয় করতে সক্ষম হলো। অর্থাৎ, প্রিয়তমা যদি আন্তর্জাতিক ওটিটি প্ল্যাটফর্মে তোলা যায় সেক্ষেত্রে বাড়তি আরো কয়েক কোটি টাকা চলে আসবে। এক্ষেত্রে আমাদের দেশের প্রযোজকদের হলিউড ভিত্তিক পত্রপত্রিকা, যেমন হলিউড রিপোর্টার এ ওই সিনেমা সংক্রান্ত রিপোর্ট প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে। বাংলাদেশে যে ক'টা ইংরেজী পত্রিকা আছে এগুলোতেও বেশিবেশি করে নিউজ করতে হবে। কারণ, গুগল নিউজের বদৌলতে ইংরেজী পত্রিকায় প্রকাশিত কনটেন্টগুলো সহজেই সারা বিশ্বে ছড়িয়ে যায়।

গত কুড়ি বছরের বেশি সময় ধরে আমার সম্পাদনায় ইংরেজী পত্রিকা ব্লিটজ প্রকাশিত হচ্ছে, যা গুগল নিউজ-সহ সবগুলো সার্চ ইঞ্জিনে নিয়মিত যাচ্ছে। পাশাপাশি হিন্দুস্তান টাইমস সিন্ডিকেশন এর মাধ্যমে আমাদের নিউজ কিংবা ফিচার রয়টার্সসহ ৭৫০ এর বেশি গণমাধ্যমে ছড়াচ্ছে। আমাদের পত্রিকায় কোনোকিছু প্রকাশিত হওয়ার সাথেসাথে আড়াই লাখের বেশি পাঠক ইমেইল এলার্ট পান। সবমিলিয়ে, আমাদের পাঠক সংখ্যাটা বেশ বড়। বাংলাদেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি যদি এদেশের চলচ্চিত্র আন্তর্জাতিক ওটিটি প্ল্যাটফর্মে তোলার ক্ষেত্রে কিংবা বিদেশে দর্শক আকর্ষিত করার ক্ষেত্রে আমাদের পত্রিকার সহযোগিতা চান, আমরা অবশ্যই এটা করতে প্রস্তুত।

এবারের ঈদ প্রমাণ করে দিলো, চলচ্চিত্রে বিনিয়োগ ভুল নয় কিংবা লোকসানি নয়। শুধু সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে সিনেমা নির্মাণ করতে পারলে আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি আবার জেগে উঠবেই।

03/07/2023

তুলনামূলক অবস্থান : ঈদের ছবি
*****************************
রায়হান মতি

ঈদের চারটি ছবি দেখার পর তুলনামূলক অবস্থানে বিশ্লেষণ করছি। এতে যারা ছবিগুলো এখনো দেখেননি তাদের জন্য জানতে সুবিধা হবে। যারা দেখেছেন ছবিগুলো তাদের প্রতি ভালোবাসা।

১. প্রহেলিকা
ঈদের ছবির মধ্যে এটাই সেরা মনে হয়েছে। ছবির পরিচালক চয়নিকা চৌধুরী। এ ছবির প্রথম মানদণ্ড এর গল্প। গল্পটি চমৎকার। গল্পের পর অভিনয় ও পরিচালনার বিষয়টি ছবির ভিতকে মজবুত করেছে। অনেকদিন পর জনপ্রিয় অভিনেতা মাহফুজ আহমেদ এ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে ফিরেছে এটি একটি বিষয়। তার সাথে শবনম বুবলী তার ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত সেরা অভিনয়টি করেছে। নাসির উদ্দিন খান যিনি এ সময়ের সেরা একজন অভিনেতা তাকেও খুব ভালোভাবে কাজে লাগানো হয়েছে। পরিচালনার বিষয়টি এ ছবির সেরা হবার প্রধান সহায়ক ছিল। ছবিতে মিউজিক্যাল আবহ রাখা হয়েছে যার জন্য ছবিতে অনেকগুলো গান আছে এবং ক্ল্যাসিক্যাল মিউজিক। এর সাথে ছবির সেটের একটা দারুণ কাজ হয়েছে। প্রথমার্ধ্বের সাথে দ্বিতীয়ার্ধ্বের কোনো মিল নেই যেখানে রোমান্টিক ও থ্রিলারকে একসুতোয় বাঁধা হয়েছে। ছবিটি খুব সচেতনভাবেই নির্মিত এবং কাজের দিক থেকে সেরা হয়েছে।
২. সুড়ঙ্গ
'সুড়ঙ্গ' ছবির পরিচালক রায়হান রাফি। ছবিটির প্রথম যে বিষয়টি আলোচনায় তা হচ্ছে নাটক ও ওটিটির সফল ও জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশোর ক্যারিয়ারের প্রথম ছবি। তার চলচ্চিত্রে আগমনের জন্য অনেকের আগ্রহের মধ্যে ছবিটি আছে। এ হাইপটি ভালো কাজ করছে এখন পর্যন্ত। ছবির গল্পে একজন সৎ মানুষের অবস্থাদৃষ্টে পরিবর্তন হওয়া এবং সুড়ঙ্গের অভিযানের মাধ্যমে একটা লক্ষ্যস্থির করা দেখানো হয়েছে। নারীর উপস্থিতি বিশেষভাবে ছবির গল্পকে পরিবর্তন করেছে। নিশো প্রথম ছবিতে নাটক, ওটিটির মতোই ডেডিকেটেড অভিনয় করেছে। নিশোর বিপরীতে ছিল তমা মির্জা যার অভিনয় প্রশংসনীয়। ছবিটির গল্প, অভিনয় ও পরিচালনায় দ্বিতীয় সেরা ছবি।
৩. প্রিয়তমা
ছবির পরিচালক হিমেল আশরাফ। তিনি নাটকের সফল পরিচালক ছিলেন। চলচ্চিত্রে এটি তার দ্বিতীয় কাজ। ছবিটির প্রধান আলোচনার কেন্দ্রে ছিল ঢালিউডের বর্তমান শীর্ষ নায়ক শাকিব খানের পরিবর্তন। তার অশীতিপর বৃদ্ধের লুক হাইপ উঠিয়েছিল মুক্তির আগে। ছবিতে তার পরিবর্তনের দিকটিও গল্পে আছে। ছবিতে নায়কের উপস্থিতিই প্রধানভাবে এসেছে। নায়িকাকে পোট্রে করার কিছু ভুল, প্রথমার্ধ্বের স্লো স্টোরি টেলিং, দ্বিতীয়ার্ধ্বের দারুণ ঘুরে দাঁড়ানো এবং শাকিব খানের ডমিনেটিং আধঘণ্টা ছবিটির ওভারঅল অবজারভেশনে আসে। পরিচালকের আরো সচেতনতার প্রয়োজন ছিল। এটি তৃতীয় স্থানে থাকবে।
৪. ক্যাসিনো
এ ছবির পরিচালক সৈকত নাসির। পরিচালকের অপেক্ষাকৃত বেটার পরিচালনার ছবি। ক্যাসিনো কালচারের আড়ালে ঘটমান কালো দিক নিয়ে ছবির গল্প। নীরব, বুবলী, তাসকিন রহমান ছবির প্রধান তিন কাণ্ডারী। একটি মানসম্মত কমার্শিয়াল ছবির নির্মাণে যা লাগে ছবিটিতে আছে। এটি চতুর্থ স্থানে থাকবে।

হ্যাপি ওয়াচিং।

গানে গানে অবিরত গীতকবি সালেহীন সাজুআনোয়ার বারী পিন্টু চলতি সময়ে বাংলা গানের সম্ভারে একেরপর এক ঝড় তুলে চলেছেন বসন্তজাগা গ...
01/06/2023

গানে গানে অবিরত গীতকবি সালেহীন সাজু

আনোয়ার বারী পিন্টু

চলতি সময়ে বাংলা গানের সম্ভারে একেরপর এক ঝড় তুলে চলেছেন বসন্তজাগা গীতকবি সালেহীন সাজু। দেশের স্বনামধন্য কন্ঠশিল্পীরা গেয়ে যাচ্ছেন তাঁর রচিত গানগুলো। দর্শক শ্রোতামহলেও দারুন সাড়া জাগিয়েছে।

অবিরাম গান মুক্তিতে মগ্ন সালেহীন সাজুর গান ইতোমধ্যে বেজে উঠছে গ্রাম বাংলার আনাচে কানাচে। একই সাথে দেশের নামকরা সুরকার সংগীত পরিচালকরা সালেহীন সাজুর গানের সাথে যুক্ত হচ্ছেন। ইতোমধ্যে বাংলা গানের যুবরাজ আসিফ আকবর ফজলুর রহমান বাবু ক্লোজআপ ওয়ান খ্যাত সালমা নোলক বাবু লায়লা সহ আরো অনেকেই সাজুর গানে কন্ঠ দিয়েছেন।

সম্প্রতি আরো একদাপ এগিয়ে মনির খানের কন্ঠে সালেহীন সাজুর গান মুক্তি পেয়েছে।

এর মাধ্যমে আবারো নতুন গানে শ্রোতাদের দোলা দিলেন স্বপ্ন জাগানিয়া গীতকবি সালেহীন সাজু। মনির খান গাইলেন তাঁর লেখা গান 'সেদিন বসন্ত এসেছিলো'। গানটির জন্য অধির আগ্রহে ছিলেন ভক্ত ও শ্রোতারা। মুক্তির পরই গানটি অন্তর্জালে বেশ ঝড় তোলে। সারা দেশে ব্যাপক আলোচনায় আসে সালেহীন সাজু ও মনির খান জুটি।

মনির খান তাঁর চিরাচরিত দরদভরা কন্ঠে গানটিতে নতুনমাত্রা যোগ করেন। পাশাপাশি সালেহীন সাজুর আবেগ ঝরা কথার পঙক্তি শ্রোতা মনকে বিপুলা করে তুলেছিল।

সালেহীন সাজুর সুরধারণায় গানে পূর্ণ সুর এনেছেন এইচ আর ফারদিন খান। সংগীত: এইচ আর লিটন।
এছাড়াও কবি ও গীতিকার সালেহীন সাজুর লেখা গান "পরাণ পাখি" মুক্তি পেয়েছে। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন "এইচ আর ফারদিন খান" । সংগীত পরিচালনায় "এইচ আর লিটন " । সুর করেছেন "ফারদিন খান" । “ তুমি কি আমায় ভালোবাসো” গানটি গেয়েছেন জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী এস কে সানু। মিউজিক করেছেন এইচ আর লিটন।

এসময়ের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী “গামছা পলাশ” এর কন্ঠে সালেহীন সাজু'র লেখা গান: “রোজ হাসরের দিনে। জোৎস্নাবনে গানে কন্ঠ দিয়েছেন প্রতীক ও নিঝুম। সুর ও সংগীত করেছেন সন্তোষ কুমার
মুক্তি প্রাপ্ত সালেহীন সাজু’র- “মাটির দেহ” গানটি গাইলেন আরটিভির বাংলার গাইয়েন এর জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী “লাবনী শাহরিয়ার”।। সুর করেছেন ফারদীন খান আর সংগীত পরিচালনায়: এইচ আর লিটন।
“সামস্” এর কন্ঠে সালেহীন সাজুর গান: ভালোবাসি ভালোবাসিরে।। সুর: ফারদীন খান, সংগীত: এইচ আর লিটন। গান গুলোর ব্যবস্থাপনায় ছিলেন যথারীতি রাহিম আজিমুল, পরিবেশনায়: মিউজিক মার্চ।

গানগুলো সম্পর্কে রাহিম আজিমুল জানান মনের আকুতি এবং মাধুরি সবটাই ছিলো গানে। বাড়তি আমেজ তৈরী করে দর্শকদের জন্য গানগুলো নির্মাণ করা হয়েছে । ফলে আমরা ইতোমধ্যে ফিডব্যাক পেতে শুরু করেছি । সালেহীন সাজুর অসাধারণ গান বানিয়েছেন ।

পুলিশ রিপোর্টে আরও জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে নভোটেল দ্য গ্র্যান্ড প্যারেড অ্যাপার্টমেন্ট ৭২১ ব্রাইটন লা স্...
20/03/2023

পুলিশ রিপোর্টে আরও জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে নভোটেল দ্য গ্র্যান্ড প্যারেড অ্যাপার্টমেন্ট ৭২১ ব্রাইটন লা স্যান্ডস হোটেল কক্ষে রাত ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত, দুই ঘণ্টা অ্যানিকে ধর্ষণ করেন শাকিব খান।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bari International posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share