24/10/2022
বর্তমান সময়ে সব চেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম সোশ্যাল মিডিয়া এখন যেন সব বির্তকিত সংবাদ প্রচারনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এর যেমন ভালো দিক রয়েছে, তেমনি খারাপ দিকও পরিলক্ষিত। মিথ্যাকে সত্য আর সত্যকে মিথ্যা রুপে উপস্থাপণের একমাত্র সহজ উপায় হচ্ছে এই স্যোশাল মিডিয়া। আর কিছু হুজুগে জনগন সত্য-মিথ্যা যাচাই বাছাই না করেই এগুলো হজম করতে থাকে, যা পরবর্তীতে সমাজ, রাষ্ট্রে এমনকি দেশে বিরুপ প্রভাব ফেলে। আর এই মাধ্যমকে খারাপভাবে ব্যবহার করছেন যত দেশদ্রোহী পলাতক ও সুশৃঙ্খল বাহিনী হতে বিতাড়িত ও অবাঞ্চিত ব্যক্তিবর্গ। আর এই পালে নতুন করে হাওয়া লাগাচ্ছেন দেশপলাতক ধর্ষণ মামলার সাজাপ্রাপ্ত সাংবাদিক টিটো রহমান ও নাজমুস সাকিব। গুজব এদের একমাত্র মূল হাতিয়ার। গুজবকে পুঁজি করে ক্যামেরার সামনে একের পর এক সত্যকে মিথ্যা আর মিথ্যাকে সত্য রুপে উপস্থাপন করে সরকারের ভাবমূর্তিতে খারাপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে থাকে। আর তাই বিদেশে আত্মগোপনে থাকা ধর্ষণ মামলার আসামি, কথিত সাংবাদিক টিটো রহমান ও নাজমুস সাকিব নিজেদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অনলাইন নাগরিক টিভি থেকে মিথ্যা, বানোয়াট, মানহানিকর তথ্য প্রচারের জন্য বর্তমান সময়ে বেশ সমালোচিত ও পরিচিত নাম। যারা ধর্ষণ সহ বিভিন্ন মামলার আসামি, তারাই আবার বর্তমানে অনলাইনে এমনভাবে কথা বলে যেন তারাই শতভাগ সঠিক। অথচ কিছুদিন আগেও বসুধরা গ্রুপের পক্ষে সাফাই গাওয়ার নামে ৬ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে।
টিটো রহমান ও নাজমুস সাকিব মূলত বিদেশে অবস্থানরত সরকারবিরোধী তাসনিম খলিল, কনক সরওয়ার, ইলিয়াস হোসেন গংয়ের সদস্য। লন্ডনে বসবাসরত তারেক রহমান তাদের অর্থায়ন করছেন। টিটো রহমান ও তার সহযোগী অনলাইন নাগরিক টিভি নামে একটি ফেসবুক পেজ খুলে বিশিষ্ট সাংবাদিক, সম্পাদকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে বেড়াচ্ছেন। বর্তমানে রাজনৈতিক আশ্রয়ে কানাডায় বসে এসকল অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন তারা এবং সেই সাথে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ফোন করে ভয়-ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে। এছাড়াও একাধিক ব্যবসায়ীর কাছেও তাদের চাদাবাজির তথ্য রয়েছে। গণমাধ্যম থেকে চাকরিচ্যুত একটি চক্রও তাদের সঙ্গে এসকল কর্মকান্ডে যুক্ত রয়েছে। দেশের উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্ত করা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বিতর্কিত করা, স্বাধীনতার পক্ষের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মানহানির চেষ্টা এবং দেশে প্রতিষ্ঠিত শিল্পপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দেশকে অকার্যকর ও ব্যর্থ রাষ্ট্র করাই এই চক্রের উদ্দেশ্য।