15/03/2023
এবার টেটঢাকা নিয়ে এসেছে বিশেষ এক সুযোগ!! কি এই বিশেষ সুযোগ??
******
আসুন আগে জেনে নেওয়া যাক,
সরকারি ভোক্তা অধিকার সেবা কি?
একজন নাগরিকের বেঁচে থাকার জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রয়োজন। এর কিছু প্রদান করে থাকে পরিবার, কিছু করে রাষ্ট্র। তবে অন্যান্য অধিকার থেকে ভোক্তা অধিকার কিছুটা ভিন্ন।
যিনি উৎপাদিত পণ্য ও সেবা চূড়ান্ত ভোগের জন্য ক্রয় করেন, অর্থনীতির ভাষায় তাকে ভোক্তা বলে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, যিনি কোনো পণ্য ক্রয় করেন কেবল নিজে ভোগ করার জন্য; তিনিই ভোক্তা।
একজন ব্যক্তি যখন কোনো পণ্য ক্রয় করেন, তখন তার জানার অধিকার রয়েছে পণ্যটি কবে উৎপাদিত হয়েছে, কোথায় উৎপাদিত হয়েছে এবং এর কাঁচামাল কী কী, মূল্য কত ইত্যাদি।
এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে একজন বিক্রেতা বাধ্য। যদি কোনো বিক্রেতা এসব প্রশ্নের উত্তর না দেন বা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন, তখন আইন অনুযায়ী তাতে ভোক্তা অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়। জাতিসংঘ স্বীকৃত ভোক্তা অধিকার ৮টি। এগুলো হল- মৌলিক চাহিদা পূরণের অধিকার, তথ্য পাওয়ার অধিকার, নিরাপদ পণ্য বা সেবা পাওয়ার অধিকার, পছন্দের অধিকার, জানার অধিকার, অভিযোগ করা ও প্রতিকার পাওয়ার অধিকার, ভোক্তা অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে শিক্ষা লাভের অধিকার, সুস্থ পরিবেশের অধিকার।
পণ্য ক্রয়ে প্রতারণার হাত থেকে ভোক্তাদের সুরক্ষা দিতে বাংলাদেশ সরকার ২০০৯ সালে বহুল প্রতীক্ষিত ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন প্রণয়ন করেছে। এ আইনের ফলে কোনো ভোক্তা পণ্য ক্রয়ে পণ্যের ওজন, পরিমাণ, উপাদান, মূল্যসহ কোনো বিষয়ে প্রতারিত হলে তার প্রতিকার পেয়ে থাকেন। অথচ দুঃখজনক হলেও সত্য, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ এই গুরুত্বপূর্ণ আইনটি সম্পর্কে অবগত নয়। এমনকি শিক্ষিত সমাজের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ব্যক্তির মধ্যেও এই আইন সম্পর্কে তেমন কোনো ধারণা নেই।
এই আইন সম্পর্কে কোনো ধারণা না থাকার দরুন প্রতারিত হওয়ার ঘটনা বেড়েই চলেছে।
বর্তমানে অনলাইনে কেনাকাটা বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। কিন্তু ওয়েবসাইটে পণ্যের যে মান উল্লেখ থাকে, মূল্য পরিশোধের পর পণ্য হাতে পেয়ে দেখা যায়- বর্ণিত গুণাগুণ সেই পণ্যের মধ্যে নেই।
তাই ভোক্তাকে এই আইন সম্পর্কে জানতে হবে এবং নির্ধারিত পন্থায় অভিযোগ দায়ের করতে হবে। তাহলেই অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং ভোক্তাদের প্রতারিত হওয়ার সংখ্যাও কমে আসবে।
ভোক্তা অধিকার আইন সম্পর্কে আমাদের সচেতন হতে হবে। সবাই সচেতন হলেই আইনটির সঠিক বাস্তবায়ন হবে। আমাদের একটুখানি সচেতনতাই পারে নিরাপদ খাদ্য ও ভেজালমুক্ত পণ্যের বাংলাদেশ গড়তে।
*******
টেটঢাকার ভোক্তা অধিকার সেবা কি ও কেন?
বাংলাদেশে এই প্রথম, দেশের গণমানুষকে বেসরকারি ভাবে "ভোক্তা-অধিকার" সেবার আওতায় নিয়ে আসতে সব সময় নানা উদ্যোগ নিচ্ছে টিম-টেটঢাকা ||
এর অংশ হিসেবে দেশজুড়ে কৃষি এবং প্রযুক্তিসহ ৫টি ক্যাটাগরিতে (যেমন অন্ন>বস্ত্র>বাসস্থান>শিক্ষা>স্বাস্থ্য খাতে) ৩০হাজার + পণ্য এবং ৩৫টি সেবায় সর্বোচ্চ ছাড় উপভোগ করার সুযোগ তেরি করে দিচ্ছে...টেটঢাকা।
টেটঢাকার ভোক্তা অধিকার (IDC) সেবার মাধ্যমে সুযোগ সুবিধা নেওয়ার পদ্ধতি হলো....
উদাহরণ হিসেবে বলতে হয়,
যেমন মি. রহিম নোয়াখালী সেনবাগ থানার বাজার থেকে একটি ফ্রিজ কিনবেন ওয়াল্টন কোম্পানির, তখন মি. রহিম ঐ শো-রুম বা দোকানে গিয়ে মালিক বা ম্যানেজারকে ফ্রিজের দাম জিজ্ঞেস করলেন, তখন ম্যানেজার বললেন এই ফ্রিজের গায়ের রেট বা বাজার দাম ১৫০০০/- টাকা, আর আপনার জন্য ছাড় দিয়ে একদাম ১৪৩৫০/- টাকা রাখা হবে। তারপর মি. রহিম ঐ শো-রুম বা দোকানের মোবাইল নম্বর টেটঢাকার কাস্টমার কেয়ারে পাঠিয়ে দিলেন, দুইদিন পর মি. রহিম ঐ একই শো-রুম বা দোকান থেকে ঐ একই ফ্রিজ বাসায় নিলেন মাত্র ১৩২৫০/- টাকায়।
উপরের পদ্ধতি হিসেবে, দেশের যেকোনো জায়গা থেকে, যে কোন বৈধ পণ্য বা সেবার (নুন্যতম দশ হাজার টাকা সমমূল্যের) ডিসকাউন্ট অথবা পাইকারীতে বা কমদামে ক্রয়ের জন্য, দোকান বা শো-রুম বা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, ম্যানেজার অথবা মালিকের মোবাইল নম্বর দুই দিন পূর্বে টেটঢাকার কাস্টমার কেয়ারে পাঠিয়ে দিতে হবে।
এক গবেষণায় দেখা গেছে যে.....
বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষকে এই বেসরকারি ভোক্তা অধিকার (IDC) সেবার আওতায় নিয়ে আসতে পারলে পরিবারভিত্তিক বাৎসরিক প্রায় "লাখ-টাকা" সাশ্রয় হবে বলে মনে করেন দেশের বিশিষ্টজনেরা। তারা আরো বলেন যে, বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবারে একটি করে IDC তথা ইসলামিক ডিসকাউন্ট কার্ড থাকা জরুরী এবং হাজারটি সেবা পাচ্ছেন এক কার্ডে, যা আপনার পরিবারের অংশ।
★★★
টেটঢাকার ভোক্তা অধিকার সেবার আওতায় আজীবন মেয়াদি "ইসলামিক ডিসকাউন্ট কার্ড" এর জন্য আবেদন প্রক্রিয়া নিম্নরূপ...
IDC এর দাম ১৪৯৯/- টাকা
৮০% ছাড়ে কিনুন মাত্র ২৯৯/- টাকায়
(এই সুযোগ কোটা শেষ হওয়া পর্যন্ত)
অফিস বিকাশ পর্সনাল নম্বর
01730213608
অফিস রকেট পর্সনাল নম্বর
01730213607/9
অফিস নগদ পর্সনাল নম্বর
01309141873
পে-পদ্ধতি...
উপরের যে কোন ডিজিটাল উপায়ে প্রথমে১০০/ ১৫০/- টাকা এবং (IDC) কার্ড হাতে পাওয়ার পর বাকি টাকা পরিশোধ করার সুযোগ।
দেশের যেকোনো জায়গা থেকে আপনাকে এই কার্ডটি নিয়ে সুযোগ-সুবিধা ভোগ করার সুযোগ করে দিচ্ছে টেটঢাকা। আর আপনি চাইলে অফিস ভিজিট করে সরাসরি অফিস থেকেও নিতে পারবেন।
টেটঢাকা ভোক্তা অধিকার সেবার রেফারেল সিস্টেম / সুবিধা কি?
*দেশ-বিদেশের যে কোন জায়গা থেকে যে কেউ রেফার করে তথা অন্যের কাছে কার্ড বিক্রি করে ঘরে বসেও স্মার্ট আয় করতে পারবেন,ইনশাআল্লাহ।
যে কোন পেশার মানুষ নিজের এলাকায় এই প্রজেক্ট এর এজেন্ট নিয়েও স্মার্ট আয় করার সুযোগ রয়েছে।
IDC সম্পর্কে আরও
বিস্তারিত জানতে....
টিম-টেট ঢাকা'র বিভাগীয় প্রতিনিধি গণের নিম্নের অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর গুলোতে যোগাযোগ করুন...
১)ঢাকা ২)ময়মনসিংহ ৩)খুলনা ৪)রাজশাহী বিভাগের প্রতিনিধি গণের সঙ্গে কথা বলতে নিম্নের যে কোন হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে যুক্ত থাকুন....
✅ Whatsapp & Call
☎ +880 1328-058959
☎ +880 1328-058960
৫)চট্টগ্রাম ৬)বরিশাল ৭)সিলেট ৮)রংপুর বিভাগের প্রতিনিধি গণের সঙ্গে কথা বলতে নিম্নের যে কোন হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে যুক্ত থাকুন....
✅ Whatsapp & Call
☎ +880 1602-108246
☎ +880 1328-058957
🔴 উপরের সকল হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে, ফোনে কথা বলার সময় সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত আর হোয়াটসঅ্যাপ এ এসএমএসে বা ভয়েস দিতে পারবেন ২৪ ঘন্টা🔴
🔴ঢাকা অফিস: বাড়ী-৪৬/৬ || হক টাওয়ার (লিফটের-৫) ll ব্লক -এম || দক্ষিণ বনশ্রী, মেরাদিয়া বাজার ও বাগান বাড়ি মেইন রোড, খিলগাঁও, ঢাকা-১২১৯
We Love TatDhaka
Facebook YouTube ;
TatDhakaBD
[email protected]
'সঙ্গে থাকুন, এগিয়ে যায় এক সঙ্গে'
আপনার জন্য, আপনার পাশে
টেটঢাকা.....
ইসলামিক ডিসকাউন্ট কার্ড।
বাংলাদেশে এই প্রথম
বেসরকারি ভাবে ভোক্তা অধিকার সেবা।