জিডিসিএল ন্যায্য মূল্যের বাজার

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • জিডিসিএল ন্যায্য মূল্যের বাজার

জিডিসিএল ন্যায্য মূল্যের বাজার Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from জিডিসিএল ন্যায্য মূল্যের বাজার, Business Center, Shah Ali Plaza (6th Floor), Office Space # 707, Mirpur Circle 10, Dhaka.

ন্যায্যে মূল্যে মানসম্মত কৃষি পণ্যে, ওর্গানিক ফুডস, মুদি সামগ্রী ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য কিনুন, অনলাইনে অর্ডার করুন, ঘরে বসেই বাজার বুঝে নিন। আপনার এরিয়ায় রিসেলার বা এজেন্ট নিতে পেজে ইনবক্স করুন।

শিক্ষনীয় পোস্ট, যা কোনো ভাবেই কাম্য নয়👇আমার ১ কোটি টাকা আছে, আমি ব্যাংক থেকে আরো ১ কোটি টাকা লোন নিলাম,মোট ২ কোটি টাকা দ...
17/08/2024

শিক্ষনীয় পোস্ট, যা কোনো ভাবেই কাম্য নয়👇
আমার ১ কোটি টাকা আছে, আমি ব্যাংক থেকে আরো ১ কোটি টাকা লোন নিলাম,

মোট ২ কোটি টাকা দিয়ে একটা বিস্কুট কোম্পানি বানালাম, এর নাম দিলাম "ABC Limited" .

এবার একটা মার্চেন্ট ব্যাংকে গেলাম, সোনালী ব্যাংকের মার্চেন্ট ব্যাংক, মার্চেন্ট ব্যাংকের হেড অফ অপারেশনকে বললাম আমার বিস্কুট কোম্পানি ABC Limited কে স্টক এক্সচেঞ্জ এ লিস্টেড করতে চাই,

কিন্তু স্টক এক্সচেঞ্জ এর নিয়ম হচ্ছে মিনিমাম ৪০ কোটি টাকার নিচের কোন পেইড-আপ ক্যাপিটাল এর কোম্পানিকে লিস্টেড করা যায় না, কিন্তু আমার কোম্পানি তো মাত্র ২ কোটি টাকার কোম্পানি!!

মার্চেন্ট ব্যাংকের হেড অফ অপারেশন বললেন, "সমস্যা নাই ভাই, আপনার কোম্পানি আমরা লিস্টেড করে দিবো, কিন্তু শর্ত হচ্ছে আপনি আমাকে ৮ কোটি টাকা দিবেন, আমি কষ্ট করবো, আমার পারিশ্রমিক হিসাবে আপনি আমাকে আলাদা ২ কোটি টাকা দিবেন, এইটা আবার আমার ব্যাঙ্ক যেন না জানে, টোটাল ১০ কোটি টাকা".

আমি জবাব দিলাম, " আমি কিভাবে ১০ কোটি টাকা দিবো !!"

মার্চেন্ট ব্যাংকের হেড অফ অপারেশন বললেন, "আপনার নিজের পকেট থেকে এক টাকাও দিতে হবে না, আমরা মার্কেট থেকে আপনাকে টাকা তুলে দিবো, আপনি ওখান থেকে আমাকে ১০ কোটি টাকা দিবেন, আপনি আপনার ৫০ পার্সেন্ট শেয়ার বিক্রি করবেন আর বাকি ৫০ পার্সেন্ট শেয়ার নিজের কাছে রেখে দিবেন".

আমি ওনার শর্তে রাজি হলাম,

এবার ওই মার্চেন্ট ব্যাংকের হেড অফ অপারেশন অডিট ফার্ম এ গেলো, গিয়ে বললো," এই ABC Limited স্টক এক্সচেঞ্জ এ লিস্টেড করবো".

অডিট ফার্ম বললো, " কি করতে হবে শুধু হুকুম করেন".

হেড অফ অপারেশন বললেন, "বেশি কিছু না, কেবল এই ২ কোটি টাকার কোম্পানিকে ৪০ কোটি টাকা ভ্যালুয়েশন করে দেখাতে হবে".

অডিট ফার্ম বললো," কোনো সমস্যা নাই, তবে বস এবার কিন্তু একটু বাড়িয়ে দিতে হবে, স্টাফদের স্যালারি দিয়ে মাস শেষে লোকসান হচ্ছে, এবার ২ কোটি টাকার নিচে পারবো না ". শেষ পর্যন্ত নেগোসিয়েশন করে ১ কোটি টাকায় রাজি হলো ২ জন.

এবার হেড অফ অপারেশন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন চেয়ারম্যান এর পিওনকে ফোন দিল ( পিওন ভেবে অর্ডিনারি পিওন ভাবার সুযোগ নাই, এই পিওন বাকি ১০০ টা পিওনের মতো অর্ডিনারি পিওন না , এই পিওন অনেক পাওয়ারফুল). পিওনকে বল্লো নতুন একটা বিস্কুট কোম্পানি মার্কেটে লিস্টেড করতে হবে, কাজ টা করে দিতে হবে, পিওন বললো, " স্যার কিন্তু এখন ২.২০ কোটি টাকার নিচে কোনো কাজ পাশ করে না, এর নিচে কাজ হবে না, আর জিনিষপাতির দাম বাড়ছে, বউ বাচ্চা নিয়ে না খাওয়ার অবস্থা, মেয়েটার ভার্সিটির বেতন বাকি পড়ছে আমার দিক একটু দেইখেন."

হেড অফ অপারেশন বললো, "ওকে ডিল ফাইনাল কাজ করে দেন"

হেড অফ অপারেশন এবার স্টক এক্সচেঞ্জ এর টপ লেভেল এ যোগাযোগ করলো, বলল, " এই বিস্কুট কোম্পানি অপ্প্রভ করে দিতে হবে".

স্টক এক্সচেঞ্জ বললো, " ঠিক আছে কিন্তু ২ কোটি টাকা নিব, এর নিচে হবে না"

২ জনে রাজি হলো, ডিল ফাইনাল

এবার ২ কোটি টাকার বিস্কুট কোম্পানিকে ৪০ কোটি টাকা দেখিয়ে আইপিওর জন্য এপলাই করা হলো, ৫০ পার্সেন্ট শেয়ার মানে ২০ কোটি টাকার শেয়ার মার্কেট এ ছাড়া হলো, প্রিমিয়াম প্রাইস ৫ টাকা যোগ করে, সো ৩০ কোটি টাকা.

মানে ১ কোটি টাকার অরিজিনাল শেয়ার বিক্রি করে মার্কেট থেকে তোলা হলো ৩০ কোটি টাকা.

এবার আমি আমার কথা মতো ১০ কোটি টাকা সোনালী ব্যাংক এর মার্চেন্ট ব্যাংকের হেড অফ অপারেশনকে বুঝিয়ে দিলাম, আর বাকি টাকা আমার, মানে আমার পকেটে ঢুকলো ২০ কোটি টাকা.

হেড অফ অপারেশন স্টক এক্সচেঞ্জকে ২ কোটি টাকা দিলো, আর স্টক এক্সচেঞ্জ এ যারা আছে তারা এই ২ কোটি টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নিলো, অডিট ফার্মকে দিলো আরো ১ কোটি টাকা,আর বাকি টাকা সোনালী ব্যাংক এর কমিশন হিসাবে নিলো, নিজের জন্য বাকি টাকা.

আর ২.২০ কোটি টাকা দিলো সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এর চেয়ারম্যান এর পিওনকে, সাথে পিওনের মেয়ের ভার্সিটির বকেয়া বেতন বাবদ দিলে আরো ১০ লক্ষ টাকা

পিওন তার স্যারকে বলল, " স্যার দুনিয়ায় এখন আর মানুষ নাই, সব অমানুষ হয়ে গেছে, আমাকে বলছিলো ২ কোটি টাকা দিবে কিন্তু ২০ লক্ষ টাকা কম দিছে, আমারে বলছিলো কিছু টাকা দিবে, একটা টাকাও দিলো না স্যার". সে তার স্যারকে ১.৮০ কোটি টাকা দিলো, স্যার পিওনকে ২ লক্ষ টাকা দিয়ে নিজের কাছে ১ কোটি টাকা রেখে বাকি টাকা কয়েকটা খামে ভরে তার কলিগদেরকে পাঠিয়ে দিলো

এইটুকু পর্যন্ত অনিয়ম আর কারসাজির প্রথম স্টেজ শেষ,

এবার দ্বিতীয় স্টেজ,

ABC Limited মার্কেট এ লিস্টেড হলো আর আইপিও প্রাইস হলো ১৫ টাকা.

ট্রেড শুরু হলো, এক একটা ১৫ টাকার শেয়ার পাবলিক ৫০ টাকা করে বাই করলো,

আমার তো মাথা খারাপ, আমার বাকি অরিজিনাল ১ কোটি টাকার শেয়ার এর মার্কেট ভ্যালু ১০০ কোটি টাকা !!! আর অলরেডি তো ২০ কোটি টাকা পকেটে ঢুকাইছি, এবার আমি আমার বাকি ৫০ পার্সেন্ট শেয়ার ও বিক্রি করা শুরু করলাম, কিন্তু এতো শেয়ার বিক্রি করবো, পাবলিক তো খাবে না, তাই একাউন্টেন্টকে বললাম, " লাস্ট ৩ মাসের আর্নিং দেখাও ২.৪০ কোটি টাকা লাভ".

একাউন্টেন্ট বললো, " স্যার, সারা বছর কোম্পানি লাভ করে ১.২০ কোটি টাকা, আর ৩ মাসে কিভাবে ২.৪০ কোটি টাকা লাভ দেখাবো?".

আমি জবাব দিলাম, " ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে কি নকল করে পাশ করছো? ৩ মাসের লাভ দেখাবা ২.৪০ কোটি টাকা, এরপরের ৯ মাসের আর্নিং এ ১.২০ কোটি টাকা লস দেখিয়ে এডজাস্ট করে দিবা,সোজা হিসাব."

মাত্র ১ পিস্ শেয়ার মানে ১০ টাকার একটা শেয়ার কেবল নিজের কাছে রাখলাম, আর বাকি সব শেয়ার বিক্রি করে দিলাম, নিজের পকেট এ ঢুকলাম আরো ১০০ কোটি.

পাব্লিকের থেকে খাওয়ার আর কিছু নাই,

এবার কোম্পানি ফোকাস করা শুরু করলাম,

ABC Limited প্রতি বছর ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা প্রফিট করছে.

আমি কোম্পানির এম.ডি. হিসাবে নিজের স্যালারী/রেমুনারেশন ধরলাম ৪০ লক্ষ টাকা, বৌ কে বানালাম চেয়ারম্যান, বউ এর স্যালারী/রেমুনারেশন ধরলাম ৫০ লক্ষ টাকা, ছেলে মেয়ে ২ টা আছে, ২ টা কে আরো ২ টা পোস্ট দিয়ে ওদের স্যালারী/রেমুনারেশন ধরলাম ১০ লক্ষ্য টাকা, টোটাল ১ কোটি টাকা আমার ফ্যামিলি স্যালারী/রেমুনারেশন বাবদই নেয়া শুরু করলাম, ABC বিস্কুট কোম্পানির আরো ২০ লক্ষ টাকা লাভ বাকি আছে, এইটা কিভাবে নেয়া যায়!!

কোম্পানির জন্য কষ্ট করতেছি কোম্পানি আমাকে বাড়ি ভাড়া দিবে না? নিজের বাড়িতে থাকি তো কি হইসে!! অন্য কোথাও থাকলে তো ভাড়া দিতে হতো, কোম্পানি থেকে বছরে ১০ লক্ষ টাকা বাড়ি ভাড়া বাবদ চার্জ করলাম, অফিস এ কষ্ট করে আসতেছি আমার ড্রাইভার কত কষ্ট করে গাড়ি চালায় ওর একটা বেতন আছে না? ড্রাইভার এর বেতন ৫ লক্ষ টাকা, গাড়ির তেল খরচ আরো হাবি জাবি খরচ কে দিবে!! ঐটাও আরো ৫ লক্ষ্য টাকা, বাসায় থাকলেই হবে!! খাওয়া দাওয়া করতে হবে না!! বাজার খরচ, কাজের বুয়ার বেতন গ্যাস বিল পানির বিল, ইলেকট্রিসিটি বিল কে দিবে!! ঐটাও আরো ৫ লক্ষ্য টাকা

এলাকার ছেলেরা ফুটবল টুর্নামেন্ট এর আয়োজন করছে, আমি প্রধান অতিথি, ওখানে টাকা চাঁদা দিতে হবে না!! শুধু টাকা কামালে হবে!! সমাজের প্রতি আমাদের একটা দায়িত্ব আছে না? সোশ্যাল ওয়ার্ক বাবদ আরো ৫ লক্ষ টাকা.

বউ বললো গাড়ি পুরানো হয়ে গেছে, এই গাড়িতে হবেনা নিউ মডেলের গাড়ি লাগবে, গাড়ি কিনে দিবো বৌ কে, কোম্পানির ব্যাংক এর রিজার্ভ এর টাকা দিয়ে গাড়ি কিনে দিলাম আর বাকি টাকা কোম্পানির নামে লোন, বিল করলাম কোম্পানির স্টাফদের ট্রান্সপোর্টেশন বাবদ বরাদ্দ, বাসার ফার্নিচার গুলা পুরানো হয়ে গেছে, নতুন ফার্নিচার দরকার, কোম্পানি থেকে টাকা নিয়ে বাসার ফার্নিচার কিনলাম, বিল করলাম অফিস এর সৌন্দর্য বর্ধন বাবদ বরাদ্দ, এমনকি নিজের ব্যবহার করা আন্ডার-গার্মেন্ট এর টাকা টাও পর্যন্ত কোম্পানি থেকে বিল করে নেই,

আমাদের স্যালারি নেয়ার পর খরচ দাঁড়ালো আরো ৮০ লক্ষ টাকা,
ABC Limited বছরে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা প্রফিট করছে,
কিন্তু খরচ ১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা মানে কোম্পানির উল্টো লোকসান ৬০ লক্ষ টাকা,

দ্বিতীয় স্টেজ শেষ,

এবার তৃতীয় স্টেজ,

স্টক এক্সচেঞ্জকে কেন মাসে মাসে ফি দিবো!! ধুর ফি দিবো না, যা পারে করুক, ৬ মাস পর স্টক এক্সচেঞ্জ ABC Limited কে ডিলিস্টেড করে দিলো, এবার আমি দেখলাম আগের মতো আর বিস্কুট ও বিক্রি হয় না, প্রফিট খুব কম, এক কাজ করি ২ কোটি টাকার কোম্পানি এইটা দেখি বিক্রি করতে পারি কিনা ১.৫ কোটি টাকায়,

ABC Limited কে বিক্রি করতে যাবো, কোম্পানির ম্যানেজার বললো," স্যার আপনার কাছে তো কোনো শেয়ার নাই, সব তো আপনি পাব্লিককেই বিক্রি করে দিছেন, তাহলে আপনি কোম্পানি বিক্রি করবেন কিভাবে? আর ব্যাংক ও তো আপনার কাছে ১ কোটি টাকা পায়" .

আমি জবাব দিলাম, " আরে ধুর এইটা বাংলাদেশ, ওই ১ কোটি টাকা ব্যাংককে আজীবন বাকির খাতায় লিখে রাখতে বল".
"আর পাবলিক !!পাবলিক কোর্ট এ দৌড়াবে, রায় আসতে আসতে ওদের নাতি-পুতিও দুনিয়া থেকে চলে যাবে, বুঝ নাই ব্যাপারটা??"

এভাবেই দরবেশ রা হাতিয়ে নিয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা আমাদের দেশের শেয়ার ব্যাজার থেকেে আর দেশ এগিয়ে যাচ্ছে অপ্রতিরোধ্য গতিতে | আমরা হারিয়ে ছি সর্বস্ব।কেউ কেউ আত্মহত্যার মত নির্মম পথ বেছে নিয়েছে। সাবাশ বাংলাদেশ এগিয়ে যাও |
©

–কাষ্টমার আইসা যদি দেড় কেজিওয়ালা মুরগি চায়, তাইলে তুই আইজকা শেষ..! 😁🤣🤣
14/08/2024

–কাষ্টমার আইসা যদি দেড় কেজিওয়ালা
মুরগি চায়, তাইলে তুই আইজকা শেষ..! 😁🤣🤣

📢 ছোট পুঁজিতে বড় ব্যবসায় অংশ নিন, আনলিমিটেড আয়ের সুযোগ নিন। ন্যায্য মূল্যে খাদ্য ও কৃষি পণ্য  সরবরাহে “ট্রেডিং বিজনেস ...
13/08/2024

📢 ছোট পুঁজিতে বড় ব্যবসায় অংশ নিন, আনলিমিটেড আয়ের সুযোগ নিন। ন্যায্য মূল্যে খাদ্য ও কৃষি পণ্য সরবরাহে “ট্রেডিং বিজনেস পার্টনারশিপে প্রতিটি শেয়ার মাত্র ৫০ হাজার টাকা। একজন একাধিক শেয়ার নিতে পারবেন।

১০ টি শেয়ার = ৫ লক্ষ টাকায় চালানের ১ টি ইউনিট নির্ধারণ করা হয়। চালানের ক্রয়-বিক্রয়, আয়-ব্যয় হিসাবে মাসিক প্রফিট শেয়ারিং অনুপাত ৫০:৫০ অর্থাৎ যা প্রফিট হবে কোম্পানি অর্ধেক ও ইনভেস্টর অর্ধেক পাবে।

🎯 পণ্য সমূহ: চাল, ডাল, ডিম, আলু, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, সবজি, মৌসুমি ফল সহ সকল ধরনের কৃষি পণ্য ও অর্গানিক ফুডস।

✅ বিনিয়োগকারীদের সুবিধা সমূহ নিম্নরুপ:
১. বিনিয়োগকৃত টাকার প্রেক্ষিতে পণ্যের চালান ভিত্তিক হিসাব সংরক্ষণ করা হবে এবং মাসে একবার প্রফিট দেওয়া হবে।

২. বিনিয়োগ এর পরিমাণ অনুসারে ক্যাটাগরি ভিত্তিক ইনভেস্টর ও রিসেলার আইডি কার্ড প্রদান করা হবে বিনিয়োগ সমপরিমাণ মূল্যের পণ্য ২৪ ঘন্টার ক্রেডিটে/ ক্যাশ অন ডেলিভারি শর্তে রিসেলার হিসেবে কাজ করে আনলিমিটেড ইনকাম করার সুযোগ পাবেন।

৩. ফেসবুক ও ই-কমার্স প্লাটফর্মে রিসেলার/ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে কাজ করতে কোম্পানির পক্ষ থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং উপর ফ্রি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবেন।

৪. ইনভেস্টর ও রিসেলারের নিজস্ব পণ্য থাকলে সাপ্লায়ার হিসেবে পণ্য সরবরাহ করতে পারবেন। "জিডিসিএল ন্যায্য মূল্যের বাজার" - এর সকল আউটলেট ও ই-কমার্স ওয়েব সাইট থেকে পণ্য ক্রয়ে বিশেষ ডিসকাউন্ট পাবেন।

৫. দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আমাদের আউটলেট সমূহে সেলস অথবা মার্কেটিং অফিসার হিসেবে চাকরির সুযোগ।

💰 যাবতীয় ব্যয় নির্বাহ শেষে অর্জিত প্রফিট শেয়ার করা হয় ইনভেস্টরদের মধ্যে অর্ধেক, কোম্পানির রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বাবদ অর্ধেক রাখবে। সড়ক দুর্ঘটনা, অগ্নিকান্ড, আকস্মিকভাবে অ-স্বাভাবিক দরপতন ছাড়া বড় ধরনের লোকসানের সম্ভাবনা নেই। দুর্ঘটনা জনিত লোকসান হলে তা বিনিয়োগ অনুপাতে ইনভেস্টরদের মধ্যে বন্টন হবে।

২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠিত ”Galaxy Digital Company Ltd. - GDCL GROUP (RJSC Reg. C-150199/2019) ডিরেক্টর ও শেয়ার হোল্ডারদের নিজস্ব অর্থায়নে ব্যবসা পরিচালনা করে। ”সুদ মুক্ত অর্থায়ন, অশ্লীলতা মুক্ত বিজ্ঞাপন ও হালাল মুনাফা অর্জন” এই ৩ টি মূলনীতিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে ৬ বছর ধরে কোম্পানি প্রজেক্টভিত্তিক বিজনেস পরিচালনা করে আসছে। কোম্পানি থেকে আজ অবধি কোনো ব্যাংক ঋণ নেওয়া হয় নাই।

📌 GDCL GROUP সুদমুক্ত মূলধন বিনিয়োগ করে বিধায় বিজনেস প্রজেক্টে কোম্পানীর নিজস্ব ফান্ড ছাড়াও বিনিয়োগ কারীদের অর্থায়নের সুযোগ প্রদান করে। প্রজেক্ট সমূহে আপনিও বিনিয়োগ করে হতে পারেন একজন গর্বিত অংশীদার।

মিরপুর ১৪ নম্বর শাখায় বিনিয়োগ নেওয়া হচ্ছে, ঢাকা সিটিতে আপনার এরিয়ায় শাখা নিতে পারবেন।

📜 ইনভেস্টরদের জন্য নিরাপত্তা পেপারস ও সুবিধা সমূহঃ
✅ বিনিয়োগকৃত টাকার বিপরীতে পার্টনারশিপ সার্টিফিকেট সহ কোম্পানির ব্যাংক একাউন্টের চেক জামানত রেখে পার্টনারশিপ চুক্তিনামা স্বাক্ষর করা হবে।

✅ একজন ইনভেস্টর কোম্পানির নামে ব্যাংক একাউন্টের চেকে উল্লেখিত বিনিয়োগ সমপরিমান আসল টাকা মাসিক হিসাব ক্লোজ/ প্রজেক্টের মেয়াদ শেষে রিটার্ন নিতে পারবেন। প্রফিটের টাকা পৃথক ভাবে দেওয়া হয়।

✅ প্রতি ১ লাখ টাকার শেয়ারে একজন ইনভেস্টর প্রতি মাসে গড়ে কম-বেশি ২০০০-৫০০০ টাকা পর্যন্ত প্রফিট পাচ্ছে।

🔀 আরও বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন:
📲 01958-630301,
01719-842454 (WhatsApp)

🏢 #হেড_অফিসঃ শাহ আলী প্লাজা ৭ম তলা (লিফটের ৬), অফিস স্পেস # ৭০৭, মিরপুর ১০ এর গোলচত্বর ওভারব্রিজ সংলগ্ন, ঢাকা -১২১৬

14/12/2023

Address

Shah Ali Plaza (6th Floor), Office Space # 707, Mirpur Circle 10
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জিডিসিএল ন্যায্য মূল্যের বাজার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to জিডিসিএল ন্যায্য মূল্যের বাজার:

Share