Urban Estate Solutions

Urban Estate Solutions We Provide Real Land and Flats.

27/06/2026
26/04/2026

ঢালাইয়ের পর কিউরিং করার সঠিক উপায় -

বাড়িঘর নির্মাণের সময় আমাদের নানান অসুবিধা এবং প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। এই সকল বিষয়ে তাই আগে থেকে ধারণা থাকলে স্বপ্নের আবাসস্থল হবে নিরাপদ এবং দীর্ঘস্থায়ী। আমাদের উপমহাদেশে বাড়ির ছাদ ঢালাই করা উৎসবের উপলক্ষ্য হিসেবে পরিগণিত হয়। আর এ বাড়ি ঢালাইয়ের পর যে বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেটি হচ্ছে কিউরিং।

কিউরিং কী?
কংক্রিট স্থাপন ও কম্পেকশন (জমে শক্ত হয়ে যাওয়া) করার পর কিছু দিন অবিরামভাবে কংক্রিটকে আর্দ্র রাখার পদ্ধতিকে কিউরিং বলে।

কিউরিংয়ের পদ্ধতি
কিউরিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করা হয়:

১. পানি ছিটিয়ে (Sprinkling of Water)

২. মাটি দ্বারা ঘের তৈরি করে (Ponding)

৩. ছায়াময় করে (Shading)

৪. পৃষ্ঠদেশ আচ্ছাদিত করে (Covering the Surface)

সময়কাল-

কংক্রিটের মান এবং ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে ২৪ ঘণ্টা থেকে শুরু করে ২১-২৮ দিন অবধি কিউরিং করা হয়ে থাকে। সাধারণভাবে কংক্রিট জমাট বেঁধে চূড়ান্ত শক্ত অবস্থায় আসলে অর্থাৎ ৮-১০ ঘণ্টা পর কিউরিং প্রক্রিয়া শুরু করতে হয়। তবে আবহাওয়া এবং পরিস্থিতি বিবেচনা করে কিউরিংয়ের যথাযথ কার্যকারিতার জন্য কংক্রিট ফিনিশিংয়ের পরপরই কিউরিংয়ের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে ছাদ বা ফ্লোর ঢালাইয়ের পর প্রখর রোদ বা বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষার জন্য ফিনিশিংয়ের পরপরই প্লাস্টিক কাভার দিয়ে ঢালাই স্থান ঢেকে রাখতে হবে। এ সময় কংক্রিটের উপরিভাগে শতভাগ প্লাস্টিক কভার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। প্লাস্টিক যেন সরে না যায় এজন্য কাঠের ব্লক অথবা ইটের সাহায্যে আটকে রাখতে হবে। শুষ্ক অবস্থা পর্যবেক্ষণে কভার সরিয়ে পানি স্প্রে করে আবার প্লাস্টিক বিছিয়ে দিতে হবে।

কিউরিং করার সময়সূচি-

কিউরিং করার সময়সূচি বেশ কয়েকটি জিনিসের ওপর নির্ভর করে। এগুলো হলো:

১. মিশ্রণের অনুপাত

২. কংক্রিটের স্ট্রেংথ

৩. কনক্রিটের আকার ও আকৃতি

৪. আবহাওয়া ও পরিবেশ

৫. ভবিষ্যতে ব্যবহারের প্রকৃতি

সাধারণভাবে, আমাদের দেশে কিউরিং করার সময় নিম্নোক্ত হিসাব অনুসরণ করা হয়ে থাকে।

কাজের বিবরণ কিউরিং শুরু করার সময় যতদিন কিউরিং করতে হবে
মাস কংক্রিটের কাজে (১:৩:৬)
(ফাউন্ডেশন)
২০ ঘণ্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।

ইটের গাঁথুনির কাজ (সকল) ২০ ঘণ্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।

ড্যাম্পপ্রুফ কোর্স সিমেন্ট কংক্রিট কাজে (১:২:৪) ২০ ঘণ্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।

লিনটেল, সানশেডের কাজে ২০ ঘণ্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।

ছাদ ঢালাইয়ের কাজে
২০ ঘণ্টা পর ২১ দিন পর্যন্ত।

ফ্লোর ঢালাই সিমেন্ট কংক্রিটের কাজে
(১:৩:৬)
২০ ঘণ্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।

১ ইঞ্চি পেটেন্ট স্টোন সিমেন্ট কংক্রিটের (১:২:৪) কাজে
১৫ ঘণ্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।

নির্মাণ কাজের সেন্টারিং বা সাটারিং খোলার সময়সূচি:

কাজের বিবরণ সেন্টারিং (সাটারিং) খোলার সময়
কলাম ও বীমের পার্শ্বদিক ৩ দিন পর।

বীমের তলা ২১ দিন পর।

ছাদের স্ল্যাবের তলা (১৫‘ স্প্যান পর্যন্ত) ১৫ দিন পর।

ছাদের স্ল্যাবের তলা (১৫‘ স্প্যানের চেয়ে বড় পর্যন্ত)
২১ দিন পর।

মোজাইক এবং জলছাদের মিশ্রণ পদ্ধতির ছক:

কাজের বিবরণ মিশ্রণ সামগ্রী মিশ্রণ অনুপাত
গ্রে-মোজাইক (০.৫ ইঞ্চি পুরু) সিমেন্ট : মার্বেল ১ : ১।

জলছাদ (৪ ইঞ্চি পুরু) কাজে চুন : সুরকী : খোয়া ২ : ২ : ৭।

কংক্রিট মিশ্রণ পদ্ধতির ছক (নমুনা)

কাজের বিবরন মিশ্রণ অনুপাত
মাস-কংক্রিট (ফাউন্ডেশনের তলায়) সিমেন্ট : বালি : খোয়া (১ : ৩ : ৬)।

ড্যাম্প-প্রুফ কোর্স (D.P.C) সিমেন্ট : বালি :খোয়া
(১ : ১.৫ : ৩)।

বাড়ির গ্রাউন্ড ফ্লোর (কংক্রিট) সিমেন্ট : বালি : খোয়া
(১ : ৩ : ৬)।

১” থেকে ১.৫” পুরু (পেটেন্ট স্টোন) সিমেন্ট : বালি : খোয়া (১ : ২ : ৪)।

১” পুরু মোজাইক বেস (তলা) সিমেন্ট : বালি : খোয়া
(১ : ২ : ৪)।

আর.সি.সি. (কংক্রিট) [২৬০০ পি.এস.আই] সিমেন্ট : বালি : খোয়া (১ : ২ : ৪)।

আর.সি.সি. (কংক্রিট) [২৯০০ পি.এস.আই] সিমেন্ট : বালি : খোয়া (১ : ১.৫: ৩)।

দরজা-জানালা ফ্রেম দেওয়ালে আটকানোর মশলা সিমেন্ট : বালি : খোয়া (১ : ২ : ৪)।

গ্রীলের ফ্রেম আটকানো মশলা সিমেন্ট : বালি : খোয়া
(১ : ২ : ৪)।

স্যানিটারি পাইপ কংক্রিট সিমেন্ট : বালি : খোয়া (১ : ৩ : ৬)।

ড্রেন-পিটের কংক্রিট বেস (তলা) সিমেন্ট : বালি : খোয়া (১ : ৩ : ৬)।

সেপটিক ট্যাংকের কংক্রিট সিমেন্ট:বালি:খোয়া (১ : ২ : ৪)।

সেপটিক ট্যাংকের ছাদ সিমেন্ট : বালি : খোয়া (১ : ২ : ৪)।

সাধারণভাবে ছাদ বা ফ্লোর কিউরিং এর ক্ষেত্রে ঢালাইয়ের ১০ ঘণ্টা পর পুরো কাস্টিং এরিয়াতে বাঁধ দিয়ে পানি ধরে কিউরিং করা হয়ে থাকে। কলাম এবং বীমের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকরী কিউরিং পেতে ফর্ম ওয়ার্ক বা সাটার ধরে রাখতে হবে। কলামের ক্ষেত্রে সাটারিং উঠিয়ে ফেলার পরেও ভেজা চট দিয়ে জড়িয়ে রাখলে ভালো ফল পাওয়া যায়। কাঠের সাটারিং ব্যবহারের পূর্বে তা পানি দিয়ে ভিজিয়ে নেয়া উচিৎ। খেয়াল রাখতে হবে প্রতিটি ঢালাইয়ের স্থান নিয়মিত পর্যবেক্ষণে দিনে ৫ থেকে ৭ বার কিউরিং করতে হবে।

নিয়মমাফিক কিউরিং না করা হলে ঢালাইয়ের গুণগত মান কমে আসে, ফলে সম্পূর্ণ কাঠামো দুর্বল হয়ে যায়। এছাড়া ক্ষয় আর আর্দ্রতাজনিত কারণে ক্ষতির সম্ভাবনা বহুগুণে বেড়ে যায়। তাই মনে রাখতে হবে, ভালো মানের কংক্রিট পেতে ঢালাইয়ের পর কিউরিং যথাযথ হওয়া অত্যাবশ্যকীয়।

আপনি কি কম দামে একটি ভালো ফ্ল্যাট খুঁজছেন?সাশ্রয়ী মূল্যে ফ্ল্যাট কিনুন 🏢 মোহাম্মাদপুরের কাছে আকর্ষণীয় লোকেশনে (বসিলা উচ্...
15/04/2026

আপনি কি কম দামে একটি ভালো ফ্ল্যাট খুঁজছেন?
সাশ্রয়ী মূল্যে ফ্ল্যাট কিনুন 🏢
মোহাম্মাদপুরের কাছে আকর্ষণীয় লোকেশনে (বসিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সন্নিকটে) - সূচনা মডেল টাউন।

➼ প্রকল্প টি উত্তর মুখী প্লট
➼ প্লটের সামনের রাস্তা ২৫ ফুট
➼ জমির পরিমান নেট 4.00 কাঠা

ফ্ল্যাটের বিবরনঃ
-------------------------
➼ বেড রুম 3টি
➼ ড্রয়িং রুম 1টি
➼ সুবিশাল ডাইনিং রুম 1টি
➼ টয়লেট 3 টি
➼ কিচেন 1টি
➼ বারান্দা ৩টি
➼ লিফট 1টি
➼ সিঁড়ি 1টি

🏙️প্রজেক্ট ভিজিট করুন অতঃপর সিদ্ধান্ত নিন। ফ্ল্যাটের টাকা পরিশোধের পর গ্রহীতার নামে ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রী করে দেয়া হবে। কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ । প্রপার্টি সংক্রান্ত সকল তথ্যের জন্য ইনবক্স করুন।

15/04/2026

বাংলাদেশের ভূমি জরিপের পর্যায়ক্রমিক ইতিহাস:

সিএস (CS - Cadastral Survey) (১৮৮৮-১৯৪০): ব্রিটিশ শাসনামলে প্রথম এই জরিপ পরিচালিত হয়, যা সবচেয়ে মৌলিক ও নির্ভুল জরিপ হিসেবে পরিচিত। এটি কক্সবাজারের রামু থেকে শুরু হয়ে দিনাজপুরে শেষ হয়।
পূর্ববর্তী আরএস (RS - Revisional Survey) (১৯৪২-১৯৫২): সিএস খতিয়ানের ভুলের সংশোধন এবং হালনাগাদের জন্য এই জরিপটি করা হয়।

এসএ (SA - State Acquisition Survey) (১৯৫৬-১৯৬৩): জমিদারী প্রথা বিলুপ্তির পর ১৯৫০ সালের প্রজাস্বত্ব আইনের অধীনে জমিদারদের কাছ থেকে সরাসরি রাষ্ট্রের অধীনে জমি আনার জন্য এই জরিপ পরিচালিত হয়।

পরবর্তী আরএস (RS - Revision / Final) (১৯৬৫-১৯৮৩): এসএ জরিপের পর জমির মালিকানা সংক্রান্ত ভুলগুলো সংশোধনের জন্য এটি করা হয়।

বিএস (BS - Bangladesh Survey / BRS / City Survey) (১৯৮৫-চলমান): ১৯৮৫ সালের পর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত এই আধুনিক জরিপ চলছে, যা 'সিটি জরিপ' বা 'বিআরএস' নামেও পরিচিত।

এছাড়াও, বর্তমানে ডিজিটাল পদ্ধতিতে 'ডিজিটাল বাংলাদেশ সার্ভে' (BDS) কার্যক্রম চালু রয়েছে। এই সব জরিপের রেকর্ড যাচাই করতে অনলাইন খতিয়ান সিস্টেম ব্যবহার করা যেতে পারে।

15/04/2026

খতিয়ানের মাধ্যমে জমির মালিকানা যাচাই করার ৬টি গুরুত্বপূর্ণ ধাপের কথা বলা হয়েছে। নিচে এর সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেওয়া হলো:
১. রেকর্ডের ধারাবাহিকতা (Chain of Records): আপনার কাছে থাকা খতিয়ান অনুযায়ী CS → SA → RS → BS → সিটি জরিপ পর্যন্ত রেকর্ডের যোগসূত্র ঠিক আছে কি না তা যাচাই করুন। অর্থাৎ, এক রেকর্ড থেকে পরবর্তী রেকর্ডে মালিকানার পরিবর্তনগুলো যৌক্তিক হতে হবে।
২. মিউটেশন (নামজারি): সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে গিয়ে মিউটেশন কেস ফাইলটি দেখুন। বর্তমান দখলদার কোন দলিলের ভিত্তিতে নামজারি করেছেন এবং গত ২৫ বছরের মালিকানার ইতিহাস (চেইন) ঠিক আছে কি না তা মিলিয়ে দেখুন।
৩. দখল ও দলিল তল্লাশি: যিনি জমি দখলে আছেন, তাঁর কাছে দখলের স্বপক্ষে মূল দলিল দেখতে চান। যদি তিনি তা না দেখান, তবে তাঁর ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নাম দিয়ে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের তল্লাশি (Search) দিন।
৪. খাজনার রশিদ (Dakhila): জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর সর্বশেষ কত সাল পর্যন্ত পরিশোধ করা আছে এবং ইতিপূর্বে কারা খাজনা দিয়েছে তা সংশ্লিষ্ট রেজিস্টার থেকে মিলিয়ে নিন।
৫. ডিসিআর (DCR): খাজনা পরিশোধের পাশাপাশি কার নামে Duplicate Carbon Receipt (DCR) ইস্যু করা হয়েছে তা যাচাই করুন।
৬. রেজিস্টার যাচাই (Reg-II ও Reg-IX): ভূমি অফিসে রক্ষিত Reg-II (নামজারি রেজিস্টার) এবং Reg-IX এ জমিটির অন্তর্ভুক্তি ও সঠিকতা যাচাই করুন।

Address

Dhaka
1207

Telephone

+8801726867666

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Urban Estate Solutions posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Urban Estate Solutions:

Shortcuts

Share