Urban Estate solution

Urban Estate solution We Provide Real Land and Flats.

26/04/2026

ঢালাইয়ের পর কিউরিং করার সঠিক উপায় -

বাড়িঘর নির্মাণের সময় আমাদের নানান অসুবিধা এবং প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। এই সকল বিষয়ে তাই আগে থেকে ধারণা থাকলে স্বপ্নের আবাসস্থল হবে নিরাপদ এবং দীর্ঘস্থায়ী। আমাদের উপমহাদেশে বাড়ির ছাদ ঢালাই করা উৎসবের উপলক্ষ্য হিসেবে পরিগণিত হয়। আর এ বাড়ি ঢালাইয়ের পর যে বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেটি হচ্ছে কিউরিং।

কিউরিং কী?
কংক্রিট স্থাপন ও কম্পেকশন (জমে শক্ত হয়ে যাওয়া) করার পর কিছু দিন অবিরামভাবে কংক্রিটকে আর্দ্র রাখার পদ্ধতিকে কিউরিং বলে।

কিউরিংয়ের পদ্ধতি
কিউরিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করা হয়:

১. পানি ছিটিয়ে (Sprinkling of Water)

২. মাটি দ্বারা ঘের তৈরি করে (Ponding)

৩. ছায়াময় করে (Shading)

৪. পৃষ্ঠদেশ আচ্ছাদিত করে (Covering the Surface)

সময়কাল-

কংক্রিটের মান এবং ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে ২৪ ঘণ্টা থেকে শুরু করে ২১-২৮ দিন অবধি কিউরিং করা হয়ে থাকে। সাধারণভাবে কংক্রিট জমাট বেঁধে চূড়ান্ত শক্ত অবস্থায় আসলে অর্থাৎ ৮-১০ ঘণ্টা পর কিউরিং প্রক্রিয়া শুরু করতে হয়। তবে আবহাওয়া এবং পরিস্থিতি বিবেচনা করে কিউরিংয়ের যথাযথ কার্যকারিতার জন্য কংক্রিট ফিনিশিংয়ের পরপরই কিউরিংয়ের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে ছাদ বা ফ্লোর ঢালাইয়ের পর প্রখর রোদ বা বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষার জন্য ফিনিশিংয়ের পরপরই প্লাস্টিক কাভার দিয়ে ঢালাই স্থান ঢেকে রাখতে হবে। এ সময় কংক্রিটের উপরিভাগে শতভাগ প্লাস্টিক কভার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। প্লাস্টিক যেন সরে না যায় এজন্য কাঠের ব্লক অথবা ইটের সাহায্যে আটকে রাখতে হবে। শুষ্ক অবস্থা পর্যবেক্ষণে কভার সরিয়ে পানি স্প্রে করে আবার প্লাস্টিক বিছিয়ে দিতে হবে।

কিউরিং করার সময়সূচি-

কিউরিং করার সময়সূচি বেশ কয়েকটি জিনিসের ওপর নির্ভর করে। এগুলো হলো:

১. মিশ্রণের অনুপাত

২. কংক্রিটের স্ট্রেংথ

৩. কনক্রিটের আকার ও আকৃতি

৪. আবহাওয়া ও পরিবেশ

৫. ভবিষ্যতে ব্যবহারের প্রকৃতি

সাধারণভাবে, আমাদের দেশে কিউরিং করার সময় নিম্নোক্ত হিসাব অনুসরণ করা হয়ে থাকে।

কাজের বিবরণ কিউরিং শুরু করার সময় যতদিন কিউরিং করতে হবে
মাস কংক্রিটের কাজে (১:৩:৬)
(ফাউন্ডেশন)
২০ ঘণ্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।

ইটের গাঁথুনির কাজ (সকল) ২০ ঘণ্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।

ড্যাম্পপ্রুফ কোর্স সিমেন্ট কংক্রিট কাজে (১:২:৪) ২০ ঘণ্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।

লিনটেল, সানশেডের কাজে ২০ ঘণ্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।

ছাদ ঢালাইয়ের কাজে
২০ ঘণ্টা পর ২১ দিন পর্যন্ত।

ফ্লোর ঢালাই সিমেন্ট কংক্রিটের কাজে
(১:৩:৬)
২০ ঘণ্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।

১ ইঞ্চি পেটেন্ট স্টোন সিমেন্ট কংক্রিটের (১:২:৪) কাজে
১৫ ঘণ্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।

নির্মাণ কাজের সেন্টারিং বা সাটারিং খোলার সময়সূচি:

কাজের বিবরণ সেন্টারিং (সাটারিং) খোলার সময়
কলাম ও বীমের পার্শ্বদিক ৩ দিন পর।

বীমের তলা ২১ দিন পর।

ছাদের স্ল্যাবের তলা (১৫‘ স্প্যান পর্যন্ত) ১৫ দিন পর।

ছাদের স্ল্যাবের তলা (১৫‘ স্প্যানের চেয়ে বড় পর্যন্ত)
২১ দিন পর।

মোজাইক এবং জলছাদের মিশ্রণ পদ্ধতির ছক:

কাজের বিবরণ মিশ্রণ সামগ্রী মিশ্রণ অনুপাত
গ্রে-মোজাইক (০.৫ ইঞ্চি পুরু) সিমেন্ট : মার্বেল ১ : ১।

জলছাদ (৪ ইঞ্চি পুরু) কাজে চুন : সুরকী : খোয়া ২ : ২ : ৭।

কংক্রিট মিশ্রণ পদ্ধতির ছক (নমুনা)

কাজের বিবরন মিশ্রণ অনুপাত
মাস-কংক্রিট (ফাউন্ডেশনের তলায়) সিমেন্ট : বালি : খোয়া (১ : ৩ : ৬)।

ড্যাম্প-প্রুফ কোর্স (D.P.C) সিমেন্ট : বালি :খোয়া
(১ : ১.৫ : ৩)।

বাড়ির গ্রাউন্ড ফ্লোর (কংক্রিট) সিমেন্ট : বালি : খোয়া
(১ : ৩ : ৬)।

১” থেকে ১.৫” পুরু (পেটেন্ট স্টোন) সিমেন্ট : বালি : খোয়া (১ : ২ : ৪)।

১” পুরু মোজাইক বেস (তলা) সিমেন্ট : বালি : খোয়া
(১ : ২ : ৪)।

আর.সি.সি. (কংক্রিট) [২৬০০ পি.এস.আই] সিমেন্ট : বালি : খোয়া (১ : ২ : ৪)।

আর.সি.সি. (কংক্রিট) [২৯০০ পি.এস.আই] সিমেন্ট : বালি : খোয়া (১ : ১.৫: ৩)।

দরজা-জানালা ফ্রেম দেওয়ালে আটকানোর মশলা সিমেন্ট : বালি : খোয়া (১ : ২ : ৪)।

গ্রীলের ফ্রেম আটকানো মশলা সিমেন্ট : বালি : খোয়া
(১ : ২ : ৪)।

স্যানিটারি পাইপ কংক্রিট সিমেন্ট : বালি : খোয়া (১ : ৩ : ৬)।

ড্রেন-পিটের কংক্রিট বেস (তলা) সিমেন্ট : বালি : খোয়া (১ : ৩ : ৬)।

সেপটিক ট্যাংকের কংক্রিট সিমেন্ট:বালি:খোয়া (১ : ২ : ৪)।

সেপটিক ট্যাংকের ছাদ সিমেন্ট : বালি : খোয়া (১ : ২ : ৪)।

সাধারণভাবে ছাদ বা ফ্লোর কিউরিং এর ক্ষেত্রে ঢালাইয়ের ১০ ঘণ্টা পর পুরো কাস্টিং এরিয়াতে বাঁধ দিয়ে পানি ধরে কিউরিং করা হয়ে থাকে। কলাম এবং বীমের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকরী কিউরিং পেতে ফর্ম ওয়ার্ক বা সাটার ধরে রাখতে হবে। কলামের ক্ষেত্রে সাটারিং উঠিয়ে ফেলার পরেও ভেজা চট দিয়ে জড়িয়ে রাখলে ভালো ফল পাওয়া যায়। কাঠের সাটারিং ব্যবহারের পূর্বে তা পানি দিয়ে ভিজিয়ে নেয়া উচিৎ। খেয়াল রাখতে হবে প্রতিটি ঢালাইয়ের স্থান নিয়মিত পর্যবেক্ষণে দিনে ৫ থেকে ৭ বার কিউরিং করতে হবে।

নিয়মমাফিক কিউরিং না করা হলে ঢালাইয়ের গুণগত মান কমে আসে, ফলে সম্পূর্ণ কাঠামো দুর্বল হয়ে যায়। এছাড়া ক্ষয় আর আর্দ্রতাজনিত কারণে ক্ষতির সম্ভাবনা বহুগুণে বেড়ে যায়। তাই মনে রাখতে হবে, ভালো মানের কংক্রিট পেতে ঢালাইয়ের পর কিউরিং যথাযথ হওয়া অত্যাবশ্যকীয়।

আপনি কি কম দামে একটি ভালো ফ্ল্যাট খুঁজছেন?সাশ্রয়ী মূল্যে ফ্ল্যাট কিনুন 🏢 মোহাম্মাদপুরের কাছে আকর্ষণীয় লোকেশনে (বসিলা উচ্...
15/04/2026

আপনি কি কম দামে একটি ভালো ফ্ল্যাট খুঁজছেন?
সাশ্রয়ী মূল্যে ফ্ল্যাট কিনুন 🏢
মোহাম্মাদপুরের কাছে আকর্ষণীয় লোকেশনে (বসিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সন্নিকটে) - সূচনা মডেল টাউন।

➼ প্রকল্প টি উত্তর মুখী প্লট
➼ প্লটের সামনের রাস্তা ২৫ ফুট
➼ জমির পরিমান নেট 4.00 কাঠা

ফ্ল্যাটের বিবরনঃ
-------------------------
➼ বেড রুম 3টি
➼ ড্রয়িং রুম 1টি
➼ সুবিশাল ডাইনিং রুম 1টি
➼ টয়লেট 3 টি
➼ কিচেন 1টি
➼ বারান্দা ৩টি
➼ লিফট 1টি
➼ সিঁড়ি 1টি

🏙️প্রজেক্ট ভিজিট করুন অতঃপর সিদ্ধান্ত নিন। ফ্ল্যাটের টাকা পরিশোধের পর গ্রহীতার নামে ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রী করে দেয়া হবে। কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ । প্রপার্টি সংক্রান্ত সকল তথ্যের জন্য ইনবক্স করুন।

15/04/2026

বাংলাদেশের ভূমি জরিপের পর্যায়ক্রমিক ইতিহাস:

সিএস (CS - Cadastral Survey) (১৮৮৮-১৯৪০): ব্রিটিশ শাসনামলে প্রথম এই জরিপ পরিচালিত হয়, যা সবচেয়ে মৌলিক ও নির্ভুল জরিপ হিসেবে পরিচিত। এটি কক্সবাজারের রামু থেকে শুরু হয়ে দিনাজপুরে শেষ হয়।
পূর্ববর্তী আরএস (RS - Revisional Survey) (১৯৪২-১৯৫২): সিএস খতিয়ানের ভুলের সংশোধন এবং হালনাগাদের জন্য এই জরিপটি করা হয়।

এসএ (SA - State Acquisition Survey) (১৯৫৬-১৯৬৩): জমিদারী প্রথা বিলুপ্তির পর ১৯৫০ সালের প্রজাস্বত্ব আইনের অধীনে জমিদারদের কাছ থেকে সরাসরি রাষ্ট্রের অধীনে জমি আনার জন্য এই জরিপ পরিচালিত হয়।

পরবর্তী আরএস (RS - Revision / Final) (১৯৬৫-১৯৮৩): এসএ জরিপের পর জমির মালিকানা সংক্রান্ত ভুলগুলো সংশোধনের জন্য এটি করা হয়।

বিএস (BS - Bangladesh Survey / BRS / City Survey) (১৯৮৫-চলমান): ১৯৮৫ সালের পর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত এই আধুনিক জরিপ চলছে, যা 'সিটি জরিপ' বা 'বিআরএস' নামেও পরিচিত।

এছাড়াও, বর্তমানে ডিজিটাল পদ্ধতিতে 'ডিজিটাল বাংলাদেশ সার্ভে' (BDS) কার্যক্রম চালু রয়েছে। এই সব জরিপের রেকর্ড যাচাই করতে অনলাইন খতিয়ান সিস্টেম ব্যবহার করা যেতে পারে।

15/04/2026

খতিয়ানের মাধ্যমে জমির মালিকানা যাচাই করার ৬টি গুরুত্বপূর্ণ ধাপের কথা বলা হয়েছে। নিচে এর সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেওয়া হলো:
১. রেকর্ডের ধারাবাহিকতা (Chain of Records): আপনার কাছে থাকা খতিয়ান অনুযায়ী CS → SA → RS → BS → সিটি জরিপ পর্যন্ত রেকর্ডের যোগসূত্র ঠিক আছে কি না তা যাচাই করুন। অর্থাৎ, এক রেকর্ড থেকে পরবর্তী রেকর্ডে মালিকানার পরিবর্তনগুলো যৌক্তিক হতে হবে।
২. মিউটেশন (নামজারি): সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে গিয়ে মিউটেশন কেস ফাইলটি দেখুন। বর্তমান দখলদার কোন দলিলের ভিত্তিতে নামজারি করেছেন এবং গত ২৫ বছরের মালিকানার ইতিহাস (চেইন) ঠিক আছে কি না তা মিলিয়ে দেখুন।
৩. দখল ও দলিল তল্লাশি: যিনি জমি দখলে আছেন, তাঁর কাছে দখলের স্বপক্ষে মূল দলিল দেখতে চান। যদি তিনি তা না দেখান, তবে তাঁর ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নাম দিয়ে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের তল্লাশি (Search) দিন।
৪. খাজনার রশিদ (Dakhila): জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর সর্বশেষ কত সাল পর্যন্ত পরিশোধ করা আছে এবং ইতিপূর্বে কারা খাজনা দিয়েছে তা সংশ্লিষ্ট রেজিস্টার থেকে মিলিয়ে নিন।
৫. ডিসিআর (DCR): খাজনা পরিশোধের পাশাপাশি কার নামে Duplicate Carbon Receipt (DCR) ইস্যু করা হয়েছে তা যাচাই করুন।
৬. রেজিস্টার যাচাই (Reg-II ও Reg-IX): ভূমি অফিসে রক্ষিত Reg-II (নামজারি রেজিস্টার) এবং Reg-IX এ জমিটির অন্তর্ভুক্তি ও সঠিকতা যাচাই করুন।

15/04/2026

জমি ক্রয় বিক্রয় এর জন্য প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য আমাদের সবার জানা দরকার। তথ্য সমূহ জানা থাকলে আশাকরি আমাদের সবার উপকার হবে।

= ''খতিয়ান'' কি?
= ''সি এস খতিয়ান'' কি?
= ''এস এ খতিয়ান'' কি?
= ''আর এস খতিয়ান'' কি?
= ''বি এস খতিয়ান'' কি?
=“দলিল” কাকে বলে?
=“খানাপুরি” কাকে বলে?
= ''নামজারি'' কাকে বলে ?
=“তফসিল” কাকে বলে?
=“দাগ” নাম্বার/''কিত্তা'' কাকে বলে?
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
= ''পর্চা'' কাকে বলে ?
= ''চিটা'' কাকে বলে ?
= ''দখলনামা'' কাকে বলে ?
= “খাজনা” ককে বলে?
= ''বয়নামা'' কাকে বলে ?
= ''জমাবন্দি'' কাকে বলে ?
= ''দাখিলা'' কাকে বলে ?
= ''DCR'' কাকে বলে ?
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে ?
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
= ''হুকুমনামা'' কাকে বলে ?
= ''জমা খারিজ'' কাকে বলে ?
= ''মৌজা'' কি/ কাকে বলে ?
= “আমিন” কাকে বলে?
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
= “সিকস্তি” কাকে বলে ?
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
খতিয়ানঃ

মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “খতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।
= সি এস খতিয়ানঃ

১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
=এস এ খতিয়ানঃ

১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= আর এস খতিয়ানঃ

একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= বি এস খতিয়ানঃ

সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সালে পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
= “দলিল” কাকে বলে?

যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।
= “খানাপুরি” কাকে বলে?

জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
= নামজারি কাকে বলে ?

ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
= “তফসিল” কাকে বলে?

জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা কি ?

দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?

ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
= পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?

ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
= চিটা কাকে বলে?

একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
= দখলনামা কাকে বলে?

দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
= “খাজনা” ককে বলে?

সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.
= বয়নামা কাকে বলে?

১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
= জমাবন্দিঃ

জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
= দাখিলা কাকে বলে?

সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
= DCR কাকে বলে?

ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?

সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?

ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?

ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
= হুকুমনামা কাকে বলে?

আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
= জমা খারিজ কিঃ

জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
= “মৌজা” কাকে বলে?

CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
= “আমিন” কাকে বলে?

ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?

ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
= “সিকস্তি” কাকে বলে?

নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।

= “পয়ন্তি” কাকে বলে?

নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।
--------------------------
আপনার এবং আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বসবাস উপযোগী বসতভিটা এবং চাষাবাদযোগ্য
জমিকে নির্ভেজাল রাখতে আপনি সচেতন হোন।
---------------------------
আপনি আপনার বন্ধুদের তথা আপনজনদেরকে উপরোক্ত আইনটি/ তথ্যটি জানাতে অগ্রহী হলে শেয়ার করুন.
আইন জানুন, সচেতন হোন, সতর্ক থাকুন।
পরবর্তী আপডেট পেতে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে একটিভ থাকুন।

13/04/2026

কেরাণীগঞ্জ, শ্যামল বাংলা রিসোর্ট এর পাশে নেট ১৬ কাঠা জমি বিক্রয় হবে (মেইন রাস্তার পাশে) জমির উপরে ডেইরি ফার্ম করা আছে।
মূল্য প্যাকেজে ৮ কোটি টাকা।

11/12/2024

FAR” কিভাবে বের করবেন ?
এখুনি হিসাবটা শিখে নিন .আমরা যারা ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়ালেখা করেন ও জব তাদের ফার জানা খুব দরকার।

ধরুন, আপনার ৫ কাঠা জমি রয়েছে।
ভেবে রেখেছেন ৮-১০ তলা উঁচু বাড়ি বানাবেন। টাকা- পয়সা
নিয়েও ঝামেলা নেই । কিন্তু আপনি জানেন কি ?
আপনি চাইলেও ৫ কাঠা জমিতে ১০ তলা বানাতে
পারবেন না রাজউকের নিয়মানুযায়ী। কারন একটা ভবন
বানানোর সময় বিল্ডিং এর চারপাশে কিছু জায়গা ছেড়ে
দিয়ে তারপর ডিজাইন করতে হয় । সেটাকে
সেটব্যাক বলে । আমরা শুধুমাত্র ফার নিয়ে
আলোচনা করবো আজকে।
FAR জানার সুবিধাঃ
১. ফার জানলে যেকোনো ভালো অফিসে
চাকরির গ্যারান্টি অনেকখানি বেড়ে যায় ।
২. বাড়ি কত তলা করতে পারবেন সেটা নিজেই হিসাব
করতে পারবেন অংক করে ।
FAR এর হিসাব করবেন যেভাবেঃ
মনে করি,
ভূমি- ৫ কাঠা,
রোড- ২০ ফুট,
ফার- ৩.৫ ( ইঞ্জিনিয়ারিং বইগুলোতে শুধুমাত্র ফার
লিখে কত কাঠার জন্য কত ফার সেটা উল্লেখ থাকে
কিন্তু হিসাব থাকে না । অনেক বড় বড় পণ্ডিত মার্কা
ইঞ্জিনিয়াররাও ফারের হিসাব পারে না। তাই আপনি যদি
ফারের হিসাব শিখে রাখেন তাহলে বুক চাপড়ে
নিজেকে নিয়ে গর্ব করতেই পারেন । কারন
ফারের হিসাব জানা অনেকটা আর্থিক বিষয়ে জড়িত ।
যেহেতু, ভালো চাকরি করতে চাইলে ফার
জানতেই হবে।)
Maximum Build Area (M.B.A)= Land x Far
= 5 katha x 3.5 (far 3.5)
= 5x(720)x3.5 ( 1 katha=720square ft)
= 3600×3.5
=12600 sqft
Maximum Ground Coverage(M.G.C)- 62.5%
( এটাও লেখা থাকে বইতে কিন্তু যারা পারে না তারা
এইসব লেখাকে অনর্থক ভেবে বসে থাকে।)
= 5 katha x 62.5%
= (5x 720) x 62.5%
= 2250 sqft.
Number of Floor (N.O.F)= MBA / MGC
= 12600 / 2250
= 5.6 Floor
Total Floor = Ground floor + 5.6 floor
= 1+ 5.6 floor
= 6.6 floor ( ৬ তলা বাড়ি এবং চিলেকোঠা) ।
এই হিসাবে প্রায় সাত তলা কিন্তু সাত তলা না করাই
ভালো যদি ভুমিকম্প থেকে বাঁচাতে চান এবং সারা
এলাকাতে আপনার বাড়িটি যদি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে
থাকবে সেটা চান।

পেইজ ও পোস্টটি ফলো ও শেয়ার করুন এমন আরু অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও উপাত্ত জানতে পারবেন।

06/06/2024

ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব।
১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব।

১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)

--সংগৃহিত

14/02/2024

#রড
ইঞ্জিনিয়ারিং এর ভাষায় একে রিইনফোর্সমেন্ট বলা হয়। সোজা ভাষায় অনেকে এটিকে বিল্ডিং এর হাড় বা বোন বলে থাকেন। আসুন জানি রড সম্পর্কিত কিছু খুটিনাটি বিষয়াদি

রডঃ
আমাদের দেশে যে রড গুলো পাওয়া যায় এগুলোকে টেকনিক্যাল ভাষায় বলা হয়ে থাকে কার্বন স্টিল। সহজ ইংরেজিতে এটাকে Rebar বলা হয়। রড ব্যাবহার করা হয় মুলত বিল্ডিং এর উৎপন্ন টেনশন স্ট্রেস সুরক্ষা করার জন্য। এবং এই স্ট্রেস বের করার জন্য সুন্দর কিছু ক্যালকুলেশন আছে যা সিভিল ইঞ্জিনিয়াররা বের করে থাকেন। এই সেই অনুসারে রড এর পরিমান নির্ধারন করে থাকেন। তাই ভবন নির্মান করার পুর্বে আপনার বিল্ডিং এর ঠিক কতটুকুন রড লাগবে সেটার পরিমান বের করার দায়িত্ব মিস্ত্রিকে না দিয়ে একজন ভালো ইঞ্জিনিয়ারকে দিন।
রড কেনার আগে স্পেসিফিকলি ঠিক কত মিলির কত টন রড লাগবে তার হিসেব করে নিন। মনে রাখবেন একেবারে ব্লাইন্ড মানে অন্ধের মতন রড কেনা শুরু করবেন না। এটা একটা মস্ত বড় ভুল। পুরো বাড়িটি নির্মান করতে বা যতটুকন নির্মান করবেন ঠিক ততটুকুন রড এর সঠিক এস্টিমেট করিয়ে নিন ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে। কেন করবেন? কারন এতে ওয়েস্টেজ কম হবে। কখনোই মিস্ত্রিকে জিজ্ঞেস করবেন না যে আপনার কতটুকুন রড লাগবে। তারা আন্দাজে একটু বেশি করে বলে ফেলে। এটা আপনার টোটাল বাজেটের উপরে মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।
রড কেনার সময় জেনে নিন কোন মিলিমিটার ডায়ার রড ঠিক কত টন লাগবে। সাধারন ৫ থেকে ৬ তলা পর্যন্ত ১০ মিলি, ১২ মিলি, ১৬ মিলি এবং সর্বোচ্চ ২০ মিলিমিটার রড লাগে। এছারা ২২ মিলি, ২৫ মিলি হয়ে ৫০ মিলি রড পর্যন্ত আছে। সাধারনত ৪০ গ্রেড, ৬০ গ্রেড এবং ৭৫ গ্রেড এর রড পাওয়া যায়। এছারা আছে ৫০০ওয়াট, এক্সট্রিম সহ আরো কিছু স্পেসিফিকেশন। যদি আপনার বাড়িটি ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা ডিজাইন করে থাকেন তবে তিনিই বলে দেবেন ঠিক কোন গ্রেডের রড ব্যাবহার করতে হবে। মিস্ত্রিরা সাধারন ৪০ গ্রেড এবং ৬০ গ্রেড এর বেশি নিতে চায় না কারন এর বেশি রডগুলো হার্ডনেস একটু বেশি এবং তাদের কাজ করতে অসুবিধে হয়। তবে টিক কোন রডটি আপনার বাড়ির জন্য উপযুক্ত তার সিদ্ধান্ত একজন ইঞ্জিনিয়ারই দিতে পারবেন।
এবার আসুন রড কেনার আগে রডের কিছু স্পেসিফিক্যাশন সম্পর্কে জানি। বাজারে বিভিন্ন কম্পানির বিভিন্ন ধরনের রড পাওয়া যায়। রড কেনার আগে জেনে নিবেন সবগুলো কম্পানির রডের দাম। কারন বাংলাদেশে ডলারের দামের মতন রডরে দাম ক্ষনে ক্ষনে আপ ডাউন করে। আজ যদি একটা থাকে তবে কাল আবার অন্যটা হয়। আর রড কেনার সময় খেয়াল করুন রডের কম্পানি এবং লোকাল ডিলারের দামের ব্যাবধান কত টুকুন।

রড কেনার পরে ডেলিভারি নেয়ার সময় আপনার প্রজেক্টর এর রাস্তার সাইজ দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন সোজা রড নেবেন নাকি ভাজ করা রড নেবেন। সোজা রড নিলে সেগুলো সোজা করার জন্য মিস্ত্রিদের আলাদা সময় নস্ট করতে হবে না কাজ দ্রত হবে। আর ভাজ করা রড নিলে সেগুলো সোজা করতে আলাদা ভাবে সময় নস্ট হয় এবং অনেক সময় মিস্ত্রিরা সঠিক ভাবে ভাজ না করেই রড কেটে ফেলে। তবে সোজা রড এর গাড়ি হয় অনেক বড় যা ছোট রাস্তায় প্রবেশ করে না।
এছারা ছোটখাট দুর্ঘটনা এরানোর জন্য রড ডেলিভারি দেয়ার সময় রডের মাথায় ক্যাপ আছেকিনা নিশ্চিত হয়ে নিন। ক্যাপ অনেক সময় হাত পা কেটে ছিরে যাওয়া থেকে রক্ষা করে এবং আনলোডিং এর সময় এবং কাজের সময় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করে।
রডের ওজন সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন।
৩ # বা ১০মিমি :- প্রতি ফিটে ওজন ০.১৮৭ কেজি
৪ # বা ১২ মিমি:- প্রতিট ফিটে ওজন ০.২৭ কেজি
৫ # বা ১৬ মিমি:- প্রতি ফিটে ওজন ০.৪৮ কেজি
৬ # বা ২০ মিমি:- প্রতি ফিটে ওজন ০.৭৫ কেজি
৭ # বা ২২ মিমি:- প্রতি ফিটে ওজন ০.৯০ কেজি
এখন আপনার কত বান্ডিল রড আসলো এবং প্রতিটি রড এর লেন্থ আছে কত ফিট তা জানলে আপনি খুবই সহজে রডের ওজন বের করে ফেলতে পারবে।
-
Engr Jasim Uddin
MIEB
#হোমটেক ইন্জিনিয়ার,স আর্কিটেক্ট এর পোস্ট থেকে সংগৃহিত।

Address

Dhaka
1207

Telephone

+8801726867666

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Urban Estate solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Urban Estate solution:

Share