H.H.S Consulting Firms

H.H.S Consulting Firms #ব্যবসা_সংক্রান্ত আমাদের আইনী_সেবাসম?

Hy Brother ❤️💙
19/12/2021

Hy Brother ❤️💙

12/12/2021

স্বল্প মূলধনি কোম্পানি আর থাকতে পারবে না পুঁজিবাজারে মূল বোর্ডে

সোমবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ০১:২০:০৪
দেশের স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্তি বিধান অনুযায়ী কোম্পানিগুলোকে মূলধন বাড়ানোর এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্তি বিধানের ৯(১)-এ বলা হয়েছে, তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর পরিশোধিত মূলধন হতে হবে সর্বনিম্ন ৩০ কোটি টাকা। দীর্ঘদিন ধরে এ বিধান থাকলেও তালিকাভুক্ত অনেক কোম্পানি সেটি পরিপালন করেনি। এখন বিএসইসি সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে এ বিধান পরিপালনে সময় বেঁধে দিয়েছে।

পুঁজিবাজারের মূল বোর্ডে ৩০ কোটি টাকার কম মূলধনের কোনো কোম্পানি আর থাকতে পারবে না। এ জন্য তালিকাভুক্ত যেসব কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকার নিচে, সেসব কোম্পানিকে মূলধন বাড়াতে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
বিএসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ২০ কোটি টাকার বেশি, সেসব কোম্পানিকে ৩০ জুনের মধ্যে এবং যাদের মূলধন ২০ কোটি টাকার কম, তাদের আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে মূলধন বাড়িয়ে ৩০ কোটি টাকা করতে হবে। গত বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে এ সংক্রান্ত চিঠি দেওয়া হয়েছে। বিএসইসির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মিনহাজ বিন সেলিম এ চিঠি ইস্যু করেন।



বিএসইসির কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, স্বল্প মূলধনি কোম্পানির শেয়ার নিয়ে প্রায়ই নানা ধরনের কারসাজির অভিযোগ পাওয়া যায়। এ কারণে স্বল্প মূলধনি কোম্পানিগুলোকে মূল বাজার থেকে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধিত মূলধন বাড়াতে পারবে, তারা মূল বাজারে থাকবে। আর যেসব কোম্পানি ব্যর্থ হবে, সেগুলোকে মূল বাজার থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে।

জানা গেছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বর্তমানে তালিকাভুক্ত অর্ধশতাধিক কোম্পানি রয়েছে, যাদের পরিশোধিত মূলধন স্টক এক্সচেঞ্জের কম। এসব কোম্পানিকে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে মূলধন বাড়ানোর সময় বেঁধে দিয়েছে বিএসইসি। মূলধন বাড়াতে কোম্পানিগুলো কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে, তা এক মাসের মধ্যে কমিশনকে লিখিতভাবে জানাতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা কমিশনের পক্ষ থেকে করা হবে ।

✅RJSC BUSINESSThe business of RJSC is –To incorporate Companies (including Trade Organization), Societies and Partnershi...
16/10/2021

✅RJSC BUSINESS
The business of RJSC is –

To incorporate Companies (including Trade Organization), Societies and Partnership Firms under the respective Companies Act 1994, Societies Registration Act 1860 and Partnership Act 1932, and

To administer and enforce the relevant statutory provisions of these acts in relation to the incorporated companies (including Trade Organization), societies and partnership firms.

RJSC business is split into the following major business processes:
Name Clearance :
Registration
Returns Filing
Issuance of certified copies
Winding up
Struck Ofo

✅RJSC OFFICES

At present, RJSC has its head office in Dhaka and three (3) divisional offices in the following locations.
Head Office, Dhaka : TCB Bhaban (6th Floor),1 Kawran Bazar, Dhaka - 1215., Tel: 88028189401, 88 02 8189403, Fax: 88 02 8189402, Email: [email protected]
Divisional Office, Chittagong : CDA Annex building (5th floor), Kotowali, Chittagong. Tel: 88 031636225 Fax: 88 02 8189402, Email: [email protected]
Divisional Office, Khulna : 16, Barada Datta Lane(opp. power house),Khulna. Tel: 88 041 720217 Fax: 88 02 8189402, Email: [email protected]
Divisional Office, Rajshahi : Sadharan Bima Bhaban, (7th floor),Kazihata, G.P.O-6000, Rajshahi. Tel: 88 0721 773396 Fax: 88 02 8189402, Email: [email protected]

রোদের মাঝে বৃষ্টি 🌦️🌦️
24/07/2021

রোদের মাঝে বৃষ্টি 🌦️🌦️

সংশ্লিষ্ট কোম্পানি আইন ১৯৯৪,নতুন  একক পদ্ধতিতে কোম্পানি রেজিষ্ট্রেশনের জন্য নামের ছাড় পত্র আর আলাদা ভাবে নিতে হবেনা।রেজি...
02/02/2021

সংশ্লিষ্ট কোম্পানি আইন ১৯৯৪,
নতুন একক পদ্ধতিতে কোম্পানি রেজিষ্ট্রেশনের জন্য নামের ছাড় পত্র আর আলাদা ভাবে নিতে হবেনা।
রেজিষ্ট্রেশন হবে একক পদ্ধতিতে।

রিটার্ন ফাইলিংক) নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান সমূহকে তাদের ব্যাবস্থাপনা ও পরিচালনের হালনাগাদ তথ্য সংবলিত প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র আরজে...
17/01/2021

রিটার্ন ফাইলিং
ক) নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান সমূহকে তাদের ব্যাবস্থাপনা ও পরিচালনের হালনাগাদ তথ্য সংবলিত প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র আরজেএসসির কাছে নির্ধারিত ফরমে ও সময়ে পাঠাতে হয়।

খ) দুই ধরনের রিটার্ন ফাইলিং রয়েছে। (i) বার্ষিক রিটার্ন ফাইলিং ও (ii) কোনো পরিবর্তনের জন্য রিটার্ন ফাইলিং।

গ) প্রতিষ্ঠান সমূহ রিটার্ন পাঠায় আরজেএসসিতে সংরক্ষণের (ফাইলিং) জন্য।

ঘ) রিটার্ন ফাইলিং ও বিলম্ব রিটার্ন ফাইলিংয়ের (যদি প্রযোজ্য হয়) জন্য নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হয়।

ঙ) আরজেএসসি রিটার্ন সমূহকে যাচাই করে।

চ) যদি কোনো প্রতিষ্ঠান অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য প্রদান করে তবে আরজেএসসি তা সংশোধনের জন্য তাদেরকে জানায়।

ছ) শুধুমাত্র অনুমোদিত রিটার্ন সমূহকে আরজেএসসি সংরক্ষণ করে।



যেসব রিটার্ন জমা দিতে হয়-



প্রাইভেট কোম্পানি (কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ অনুযায়ী)

প্রাইভেট কোম্পানি গুলোকে প্রতি বছর নিন্মউক্ত রিটার্ন সমূহ ফাইলিং এর জন্য পাঠাতে হয়।



ক) বার্ষিক রিটার্ন

শিডিউল X- শেয়ার মূলধনের বার্ষিক সারসংক্ষেপ, শেয়ারহোল্ডার ও পরিচালকদের তালিকা। বার্ষিক সাধারণ সভার ২১ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ৩৬],
ব্যালেন্স শীট- বার্ষিক সাধারণ সভার (AGM) ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে,
লাভ ও ক্ষতি হিসাব- বার্ষিক সাধারণ সভার ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে,
ফরম ২৩বি (নিরীক্ষকের মাধ্যমে)- কোম্পানি থেকে নিয়োগের তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ২১০(২)]।
খ) পরিবর্তনের জন্য রিটার্ন

ফরম III পূরণ- একত্রীকরণ, বিভাজন, উপবিভাজন বা শেয়ার স্টকে রুপান্তর করন নোটিশ। একত্রীকরণ বা বিভাজনের ১৫ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ৫৩ ও ৫৪]।
ফরম IV পূরণ- শেয়ার মূলধন বৃদ্ধির নোটিশ। শেয়ার মূলধন/সদস্য বৃদ্ধির ১৫ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ৫৬]।
ফরম VI পূরণ- নিবন্ধিত অফিসের অবস্থান বা তার পরিবর্তন নোটিশ। প্রতিষ্ঠা বা পরিবর্তনের ২৮ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ৭৭]।
ফরম VIII পূরণ- নাম পরিবর্তন, পাবলিক কোম্পানিতে রূপান্তর, মেমোরেন্ডাম অব এসোসিয়েশন এর পরিবর্তন ও আর্টিকেল অব এসোসিয়েশন এর পরিবর্তনের লক্ষে বিশেষ (Special/Extraordinary) রেজুলিউশন সভার ১৫ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ৮৮(১)]।
ফরম IX পূরণ- পরিচালকের সম্মতিপত্র। নিয়োগের ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ৯২]।
ফরম XII পূরণ- পরিচালক, ম্যানেজার এবং ম্যানেজিং এজেন্টদের বিবরণ এবং যেকোন পরিবর্তন। নিয়োগ বা পরিবর্তনের ১৫ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ১১৫]।
ফরম XV পূরণ – বরাদ্দের ফাইলিং: বরাদ্দের ৬০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ১৫১]।
ফরম XVIII পূরণ - বন্ধক বা চার্জের বিবরণ। বন্ধক বা চার্জ সৃষ্টির ২১ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ১৫৯ ও ৩৯১]।
ফরম XIX পূরণ- বন্ধক বা চার্জের পরিবর্তন সংক্রান্ত বিবরণ। বন্ধক বা চার্জ সৃষ্টি ২১ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ১৬৭(৩) ও ৩১৯]।
ফরম XXVIII পূরণ- বন্ধক বা চার্জের মেমোরেন্ডাম অব স্যাটিসফেকশন। স্যাটিসফেকশনের ২১ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ১২ ও ১৯১]।
ফরম ১১৭ পূরণ- শেয়ার হস্তান্তরের দলিল।
মেমোরেন্ডাম অব এসোসিয়েশন ও আর্টিকেল অব এসোসিয়েশনের মূল কপির ডিজিটাল অনুলিপি জমা দিতে হবে।


পাবলিক কোম্পানি (কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ অনুযায়ী)

পাবলিক কোম্পানি গুলোকে প্রতি বছর নিন্মউক্ত রিটার্ন সমূহ ফাইলিং এর জন্য পাঠাতে হয়।



ক) বার্ষিক রিটার্ন

শিডিউল X- শেয়ার মূলধনের বার্ষিক সারসংক্ষেপ, শেয়ারহোল্ডার ও পরিচালকদের তালিকা। বার্ষিক সাধারণ সভার ২১ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ৩৬]।
ব্যালেন্স শীট- বার্ষিক সাধারণ সভার ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
লাভ ও ক্ষতি হিসাব- বার্ষিক সাধারণ সভার ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
ফরম ২৩বি (নিরীক্ষকের মাধ্যমে)- কোম্পানি থেকে নিয়োগের তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ২১০(২)]।
ফরম IX পূরণ- পরিচালকের সম্মতিপত্র। নিয়োগের ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ৯২]।
ফরম XII পূরণ- পরিচালক, ম্যানেজার এবং ম্যানেজিং এজেন্টদের বিবরণ এবং তাতে যেকোন ধরনের পরিবর্তন। নিয়োগ বা পরিবর্তনের ১৫ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ১১৫]।
খ) পরিবর্তনের জন্য রিটার্ন

ফরম III পূরণ- একত্রীকরণ, বিভাজন, উপবিভাজন বা শেয়ার স্টকে রুপান্তর করন নোটিশ। একত্রীকরণ বা বিভাজনের ১৫ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ৫৩ ও ৫৪]
ফরম IV পূরণ- শেয়ার মূলধন বৃদ্ধির নোটিশ। শেয়ার মূলধন/সদস্য বৃদ্ধির ১৫ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ৫৬]।
ফরম VI পূরণ- নিবন্ধিত অফিসের অবস্থান বা তার পরিবর্তন নোটিশ। প্রতিষ্ঠা বা পরিবর্তনের ২৮ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ৭৭]।
ফরম VII পূরণ- সঙ্ঘবিধি রিপোর্ট। সদস্যদেরকে সঙ্ঘবিধি রিপোর্ট পাঠানোর পর সভার সর্বোচ্চ ২১ দিন আগে জমা দিতে হবে[অনুচ্ছেদ ৮৩]।
ফরম VIII পূরণ- নাম পরিবর্তন, পাবলিক কোম্পানিতে রূপান্তর, মেমোরেন্ডাম অব এসোসিয়েশন এর পরিবর্তন ও আর্টিকেল অব এসোসিয়েশন এর পরিবর্তনের লক্ষে বিশেষ রেজুলিউশন সভার ১৫ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ৮৮(১)]।
ফরম IX পূরণ- পরিচালকের সম্মতিপত্র। নিয়োগের ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ৯২]।
ফরম XII পূরণ- পরিচালক, ব্যবস্থাপক ও ব্যবস্থাপনা প্রতিনিধিদের বিবরণ এবং কোন ধরনের পরিবর্তন। নিয়োগ বা পরিবর্তনের ১৫ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ১১৫]।
ফরম XV পূরণ – বরাদ্দের ফাইলিং: বরাদ্দের ৬০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ১৫১]।
ফরম XVIII পূরণ - বন্ধক বা চার্জের বিবরণ। বন্ধক বা চার্জ সৃষ্টির ২১ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ১৫৯ ও ৩৯১]।
ফরম XIX পূরণ- বন্ধক বা চার্জের পরিবর্তন সংক্রান্ত বিবরণ। বন্ধক বা চার্জ পরিবর্তনের ২১ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ১৬৭(৩) ও ৩১৯]।
ফরম XXVIII পূরণ- বন্ধক বা চার্জের মেমোরেন্ডাম অব স্যাটিসফেকশন। স্যাটিসফেকশনের ২১ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ১২ ও ১৯১]।
ফরম ১১৭ পূরণ- শেয়ার হস্তান্তরের দলিল।
শেয়ার ইস্যুর বিবরণপত্র (প্রসপেক্টাস)- প্রথম শেয়ার বরাদ্দের অন্তত ৩ দিন আগে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ১৪১]।
প্রাইভেট কোম্পানি থেকে পাবলিক কোম্পানিতে রুপান্তরের বিবরণপত্র (প্রসপেক্টাস) [অনুচ্ছেদ ২৩১]।
মেমোরেন্ডাম অব এসোসিয়েশন ও আর্টিকেল অব এসোসিয়েশনের মূল কপির ডিজিটাল অনুলিপি জমা দিতে হবে।


বিদেশি কোম্পানি (কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ অনুযায়ী)

পাবলিক কোম্পানি গুলোকে প্রতি বছর নিন্মউক্ত রিটার্ন সমূহ ফাইলিং এর জন্য পাঠাতে হয়।



ক) বার্ষিক রিটার্ন

ব্যালেন্স শীট।
লাভ-ক্ষতির হিসাব বা আয়-ব্যায়ের হিসাব (যদি লাভের জন্য কারবার করা না হয়)।
খ) পরিবর্তনের জন্য রিটার্ন

ফরম XL পূরণ- চার্টার পরিবর্তনের নোটিশ [অনুচ্ছেদ ২৭৭]।
ফর্ম XLI পূরণ- কোম্পানি নিবন্ধিত বা প্রধান কার্যালয়ের ঠিকানা পরিবর্তনের নোটিশ [অনুচ্ছেদ ২৭৭]।
ফর্ম XLII পূরণ- বাংলাদেশে প্রধান ব্যবসা স্থান বা তার কোনো পরিবর্তনের নোটিশ [অনুচ্ছেদ ৩৭৯(I)]।
ফর্ম ###VIII পূরণ- পরিচালক ও ব্যাবস্থাপকদের তালিকা [অনুচ্ছেদ ৩৭৯]।
ফর্ম ###IX পূরণ- সেবা গ্রহণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাক্তির রিটার্ন।
ফরম XVIII পূরণ - বন্ধক বা চার্জের বিবরণ। বন্ধক বা চার্জ সৃষ্টির ২১ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ১৫৯ ও ৩৯১]।
ফরম XIX পূরণ- বন্ধক বা চার্জের পরিবর্তনের বিবরণ। বন্ধক বা চার্জের পরিবর্তনের ২১ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ১৬৭(৩) ও ৩১৯]।
ফরম XXVIII পূরণ- বন্ধক ও চার্জের মেমোরেন্ডাম অব স্যাটিসফেকশন। স্যাটিসফেকশনের ২১ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ১২ ও ১৯১]।
মেমোরেন্ডাম অব এসোসিয়েশন ও আর্টিকেল অব এসোসিয়েশনের মূল কপির ডিজিটাল অনুলিপি জমা দিতে হবে।


ট্রেড অর্গানাইজেশন (কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ অনুযায়ী)

পেশাদার সংগঠন গুলোকে (ট্রেড অর্গানাইজেশন) প্রতি বছর নিন্মোউক্ত রিটার্ন সমূহ ফাইলিং এর জন্য পাঠাতে হয়।



ক) বার্ষিক রিটার্ন

ফরম IX পূরণ- পরিচালকের সম্মতিপত্র। নিয়োগের ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ৯২]।
ফরম XII পূরণ- পরিচালক, ব্যবস্থাপক ও ব্যবস্থাপনা প্রতিনিধিদের বিবরণ এবং তাতে কোন পরিবর্তন। নিয়োগ বা পরিবর্তনের ১৫ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ১১৫]।
ব্যালেন্স শীট- বার্ষিক সাধারণ সভার ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
আয় ও ব্যায় হিসাব- বার্ষিক সাধারণ সভার ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
খ) পরিবর্তনের জন্য রিটার্ন-

ফরম VI পূরণ- নিবন্ধিত অফিসের অবস্থান বা তার কোনো পরিবর্তনের নোটিশ। প্রতিষ্ঠা বা পরিবর্তনের ২৮ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ৭৭]
ফরম IX পূরণ- পরিচালকের সম্মতিপত্র। নিয়োগের ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ৯২]।
ফরম XII পূরণ- পরিচালক, ব্যবস্থাপক ও ব্যবস্থাপনা প্রতিনিধিদের বিবরণ এবং তাতে কোন পরিবর্তন। নিয়োগ বা পরিবর্তনের ১৫ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ১১৫]।
ফরম XVIII পূরণ - বন্ধক বা চার্জের বিবরণ। বন্ধক বা চার্জ সৃষ্টির ২১ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ১৫৯ ও ৩৯১]।
ফরম XIX পূরণ- বন্ধক বা চার্জের পরিবর্তনের বিবরণ। বন্ধক বা চার্জ পরিবর্তনের ২১ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ১৬৭(৩) ও ৩১৯]।
ফরম XXVIII পূরণ- বন্ধক ও চার্জের মেমোরেন্ডাম অব স্যাটিসফেকশন। স্যাটিসফেকশনের ২১ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ১২ ও ১৯১]।
মেমোরেন্ডাম অব এসোসিয়েশন ও আর্টিকেল অব এসোসিয়েশনের মূল কপির ডিজিটাল অনুলিপি জমা দিতে হবে।


সোসাইটি (সোসাইটি নিবন্ধন আইন, ১৮৬০ অনুযায়ী)

সোসাইটি গুলোকে প্রতি বছর নিন্মউক্ত রিটার্ন সমূহ ফাইলিং এর জন্য পাঠাতে হয়।



ক) বার্ষিক রিটার্ন

ব্যবস্থাপনা পর্ষদের বার্ষিক তালিকা। বার্ষিক সাধারণ সভার ১৪ দিনের মধ্যে অথবা জানুয়রী মাসের মধ্যে (যদি সাধারণ সভার নিয়ম না থাকে) জমা দিতে হবে।
খ) পরিবর্তনের জন্য রিটার্ন

ঠিকানা পরিবর্তনের ফাইলিং।
নাম পরিবর্তনের ফাইলিং।

মেমোরেন্ডাম অব এসোসিয়েশনের মূলকপির ডিজাটাল অনুলিপি।



পার্টনারশিপ ফার্ম(পার্টনারশিপ আইন, ১৯৩২ অনুযায়ী)

পার্টনারশিপ ফার্ম গুলোকে প্রতি বছর নিন্মউক্ত রিটার্ন সমূহ ফাইলিং এর জন্য পাঠাতে হয়।



ক) পরিবর্তনের জন্য রিটার্ন

ফরম II পূরণ- ফার্মের নামের পরিবর্তন বা প্রধান ব্যবসা স্থানের পরিবর্তনের নোটিশ।
ফরম V পূরণ- ফার্মের সংবিধানের কোনো পরিবর্তনের রেকর্ড করানো [অনুচ্ছেদ ৬৩ ও ধারা ৪(৬)]।
ফরম VI পূরণ- পার্টনারশিপ ফার্ম বন্ধ করে দেয়ার বিষয়ে অবহিত করন নোটিশ [অনুচ্ছেদ ৬৩(১) ও ধারা(৬)]।

উদ্যোক্তা কিউদ্যোক্তা এমন একজন মানুষ, যিনি যেকোনো উদ্দেশ্য সফল করার জন্য যথেষ্ট ঝুঁকি নিতে জানেন। একজন উদ্যোক্তার মূল বৈ...
04/01/2021

উদ্যোক্তা কি
উদ্যোক্তা এমন একজন মানুষ, যিনি যেকোনো উদ্দেশ্য সফল করার জন্য যথেষ্ট ঝুঁকি নিতে জানেন। একজন উদ্যোক্তার মূল বৈশিষ্ট্য হলো নতুনত্ব নিয়ে কাজ করেন এবং দেশের বেকারত্ব থেকে রক্ষা করা ।

� কীভাবে নতুন ব্যবসা শুরু করবেন�
একজন নতুন বিনিয়োগকারীকে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম অনুসরণ করে ব্যবসা শুরু করতে হয়। প্রথমে রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিস এন্ড ফার্মস- এ নতুন কোম্পানি নিবন্ধন করাতে হয়। নিবন্ধন অফিসটির ঠিকানা টিসিবি ভবন (৭ম তলা), ১, কাওরান বাজার, ঢাকা। কোম্পানি আইন ও অন্যান্য বিধি অনুসারে এটি কোম্পানি, সমিতি ও অংশীদারি প্রতিষ্ঠানের রেজিস্ট্রেশন দিয়ে থাকে। প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি ও পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির জন্য পৃথক নিয়ম রয়েছে। আবেদনকারীকে সিটি কর্পোরেশন/ পৌরসভার কাছ থেকে ট্রেড লাইসেন্সও সংগ্রহ করতে হয়। ব্যবসার ধরন বুঝে বি.এস.টি.আই. বা অন্যান্য সংস্থা থেকেও সনদের প্রয়োজন হতে পারে। কিছু কিছু কোম্পানির আই.পি.ও.র মাধ্যমে পুঁজি সংগ্রহ করারও প্রয়োজন হয়। সে ক্ষেত্রে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বা চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে অথবা উভয়ে তালিকাভুক্ত হয়ে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে পারে।

®নতুন উদ্যোক্তাগণ এখন খুব সহজেই
ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।®
বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন
�Md. Hasibul Hasan Sagot�
H. H. S. Counsultancy Firm হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার 01799048649, 01608567666

Office Address :- 28, Kawran Bazar, Taj Mension, (2nd floor) Dhaka-1215

আয়কর রিটার্ন না দিলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় পড়তে হতে পারে।বাংলাদেশে আয়কর দেন দেশের মোট জনসংখ্যার মাত্র এক শতাংশ মানুষ...
23/11/2020

আয়কর রিটার্ন না দিলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় পড়তে হতে পারে।
বাংলাদেশে আয়কর দেন দেশের মোট জনসংখ্যার মাত্র এক শতাংশ মানুষ। দেশে টিআইএন নম্বরধারী ব্যক্তির সংখ্যা ৪০ লাখের বেশি এবং তা দিনদিন আরও বাড়ছে। কিন্তু আয়কর জমার অর্থ সেই অনুপাতে বাড়ছে না। ফি বছর ২০ থেকে ২২ লাখ করদাতা আয়কর রিটার্ন জমা দেন - এসব তথ্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের।
অর্থাৎ দেশটির টিআইএন নম্বরধারীর অর্ধেক মানুষই বছর শেষে আয়কর রিটার্ন জমা দেন না সরকারের কাছে।
অথচ টিআইএন নম্বর থাকার অর্থ কর দেবার উপযুক্ত হোন অথবা না হোন, অর্থবছর শেষে তার বার্ষিক আয়-ব্যয়ের একটি খতিয়ান, অর্থাৎ আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে রাজস্ব বোর্ডে।
এবছর এখনো পর্যন্ত ৩০শে নভেম্বর আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার শেষ সময়। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে এবছর আয়কর মেলা অনুষ্ঠিত হয়নি। বেশ কয়েক বছর হল অনেকেই রিটার্ন দেবার জন্য আয়কর মেলার জন্য অপেক্ষা করেন।
অনেকে আছেন টিআইএন নম্বর থাকা সত্বেও আয়কর রিটার্ন জমা দেন না, কয়েক বছর ধরে দেননি কিংবা নানা কারণে দিতে পারেননি।
এর ফলে আপনি বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় পড়তে পারেন। জেনে নিন সেগুলো কী এবং তা সমাধানের উপায়।
রিটার্ন জমা না দেয়ার পরের অভিজ্ঞতা
আয়কর রিটার্ন জমা না দিলে যে কত রকমের ঝামেলা হতে পারে তা অনেকেই জানেন না।
এমনকি আগে করযোগ্য ছিলেন কিন্তু পরে সেরকম আয় আর নেই এমন ব্যক্তিকেও বিপাকে পড়তে হতে পারে।
নাম পরিচয় প্রকাশ না করে একজনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলছি। ঢাকার এই চাকুরিজীবী নিয়মিত কর দিতেন এবং সময়মত রিটার্নও জমা দিতেন।
এক পর্যায়ে বেশ কিছুদিন তার চাকরি ছিল না। বেশ কিছুদিন পর তিনি খুব অল্প বেতনে নতুন যে চাকরি পেলেন তখন আর তিনি করযোগ্য ছিলেন না।
প্রথমত আয় নেই, তারপর আর করযোগ্য নন চিন্তা করে পরপর তিন বছর রিটার্ন জমা দেননি তিনি।
কিন্তু সমস্যা শুরু হল যখন তিনি একটা ব্যবসা দাঁড় করানোর জন্য ট্রেড লাইসেন্স করাতে গেলেন।
"টিন (টিআইএন) নম্বর যেহেতু ছিল, সেটা হালনাগাদ হতে হবে, তা না হলে লাইসেন্স পাওয়া যাবে না। কিন্তু ব্যবসা চালু করতে অনেক সমস্যা দেখে সিদ্ধান্ত বদল করে বিদেশ যাওয়ার পরিকল্পনা করলাম। সেখানে আরেক ঝামেলা। ভিসার জন্য সর্বশেষ তিন বছরের ট্যাক্স ফাইল চাওয়া হল। তখন আয়কর বিষয়ক প্রফেশনাল কারো কাছে না গিয়ে উপায় ছিল না," বলেন তিনি।
একজন আইনজীবী নিয়োগ দিয়ে, শুনানি করে, একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ জমা দিয়ে তবেই তিনি রিটার্ন জমা দেয়ার ঝামেলা মেটাতে পরেছেন।
করোনাভাইরাস মহামারির কারণে এবছর আয়কর রিটার্ন মেলা অনুষ্ঠিত হয়নি।
কিন্তু তারপরও ঝামেলা শেষ হয়নি। সনদ নিতে গিয়ে তাকে দফায় দফায় রাজস্ব বোর্ডের আয়কর অফিসে যেতে হয়েছে।
এমন একজনকে পাওয়া গেল যিনি নির্ধারিত সময়ের মাস চারেক পর রিটার্ন দাখিল করতে গিয়ে জানলেন কেন তিনি সময়মত কাজটি করেননি তার জবাব দিতে শুনানি হবে।
শুনানির নোটিশ পেয়েছেন, কিন্তু এরপর আট মাস পার হয়ে নতুন বছরের রিটার্ন জমা দেয়ার সময় চলে এসেছে তবুও তিনি নোটিশেরই জবাব দেননি।
রিটার্ন জমা না দেয়ার আরো যেসব বিপদ
ঢাকার একজন আয়কর আইনজীবী মিজানুর রহমান বলছেন, একজন ব্যক্তি রিটার্ন জমা না দিয়ে বা সমস্যা সমাধান না করে তিনি নিজের জন্য বড় ধরনের ঝামেলার পথ তৈরি করছেন।
"যদি কোন ব্যক্তি সময়মত আয়কর রিটার্ন দিতে ব্যর্থ হন এক্ষেত্রে অধ্যাদেশ অনুযায়ী এক হাজার টাকা অথবা আগের বছরের ট্যাক্সের দশ শতাংশ জরিমানা করা যাবে। এ দুটির ভেতরে যেটি পরিমাণে বেশি সেই অংকটি পেনাল্টি হতে পারে।"
আরো পড়ুন:
আয়কর দিলে কি মুসলিমদের যাকাত দিতে হয়?
বাংলাদেশে আয়করদাতার সংখ্যা এতটা কম কেন?
আয়কর সম্পর্কে যেসব তথ্য না জানলেই নয়
তিনি আরও বলছেন, কয়েক বছর ধরে যদি কেউ রিটার্ন দাখিল না করেন তাহলে ওই জরিমানা ছাড়াও যতদিন ধরে তিনি রিটার্ন দেননি ওই পুরো সময়ের দিনপ্রতি ৫০ টাকা করে জরিমানা হতে পারে।
তবে তা যতদিনই হোক না কেন নতুন করদাতা হলে সবমিলিয়ে জরিমানার পরিমাণ পাঁচ হাজার টাকার উপরে নেয়া হবে না।
আর পুরনো করদাতা হলে আগের বছর যে পরিমাণ অর্থ আয়কর হয়েছে সেটিসহ ওই অর্থের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তি দিতে হতে পারে।
অনলাইনে রিটার্ন জমা দেয়ার পদ্ধতি এখনো চালু হয়নি।
সমাধান কী
আয়কর আইনজীবী মিজানুর রহমান বলছেন, "রিটার্ন জমা না দিলে যদি জরিমানা এবং অন্যান্য ঝামেলায় পড়তে হয়, তা থেকে মুক্তির অবশ্যই সবচেয়ে বড় উপায় হচ্ছে প্রতি বছর সময় মতো রিটার্ন জমা দেয়া।"
কিন্তু কোন কারণে যদি তা না দিতে পারেন তাহলে রিটার্ন জমা দেয়ার জন্য দুই মাস পর্যন্ত বাড়তি সময়ের আবেদন করতে পারেন।
এই আবেদন করতে হবে উপ-কমিশনার বরাবর। যদি বাড়তি সময় দেয়া হয় তাহলে রিটার্ন জমা দেবার সময় জরিমানার অর্থ পরিশোধ করতে হবে না।
মি. রহমান বলছেন, "যদি কেউ বাড়তি সময় না নেয় তাহলে তাকে পেনাল্টি দেবার আগে, কী কারণে রিটার্ন দেননি বা দিতে পারেননি সেটা ব্যাখ্যা করার জন্য অবশ্যই শুনানির সুযোগ দিতে হবে।"
তিনি বলছেন, শুনানির জন্য করদাতাকে নোটিশ পাঠানো হয়। অনেক ক্ষেত্রেই একের অধিক শুনানির দরকার হতে পারে।
"যদি করদাতা কোন গ্রহণযোগ্য কারণ, কাগজপত্র দেখাতে পারেন তাহলে খুব একটা ঝামেলায় তাকে পড়তে হয় না," বলেন তিনি।
কর্তৃপক্ষ কারণ শুনে সন্তুষ্ট হলে জরিমানা নাও করতে পারেন।
শুনানিতে করদাতা নিজে অংশ নিতে পারেন অথবা সনদপ্রাপ্ত আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট নিয়োগ দিতে পারেন। সেজন্য অবশ্য আরও বাড়তি অর্থ খরচ হবে।
জরিমানা হলে তার বিপক্ষে করদাতার আপিলের সুযোগ রয়েছে। কর কমিশনার ও ট্রাইব্যুনালে আপিল করার পরও যদি করদাতা হেরে যান তাহলে হাইকোর্টেও আপিল করতে পারেন।
জরিমানার অর্থ জমা দেয়ার জন্য কর অফিসের একটি নির্ধারিত ফর্ম রয়েছে। সেটি পূরণ করে সোনালী ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংকে ক্যাশ, অ্যাকাউন্ট পেয়ি চেক, পে অর্ডার করে এই অর্থ জমা দিতে হবে।
অথবা উপ-কমিশনারের কাছে সরাসরি অ্যাকাউন্ট পেয়ি চেক কিংবা পে অর্ডার দিতে পারেন।
যারা একদমই কর দেন না
আর যারা করযোগ্য হওয়ার পরও একেবারেই কর দেন না, তাদের ক্ষেত্রে, যে পরিমাণ কর তিনি দেননি সেটি ছাড়াও, তাকে আরও ২৫ শতাংশ বাড়তি জরিমানা করার বিধান রয়েছে।
ব্যক্তির ক্ষেত্রে সম্পদ জব্দ করার সুযোগও রয়েছে। তবে তা খুব একটা হয় না বলে আইননজীবী মিজানুর রহমান জানিয়েছেন।
যদি কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসায়ী কর জমা না দেয় তাহলে অনেক সময় তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করার উদাহরণও বেশ রয়েছে।

Address

28, Kawran Bazar, Taj Mension, (2th Floor)
Dhaka
1215

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when H.H.S Consulting Firms posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to H.H.S Consulting Firms:

Share