17/11/2020
এই মাত্র শুনতে পারলাম পশ্চিম টাঙ্গাইলের
১০নং হুগড়া ইউনিয়নের সুনাম ধন্য ব্যক্তি
তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা চেয়ারম্যান এর কিছু কাহিনী,
একটি লোক রাস্তা দিয়ে হাটছিলো
তোফা ভাই নাকি ওই লোকটিকে ডাকদিয়েছিলো তারপর লোকটির সাথে তার কথা হয়,
এক পর্যায়ে নাকি লোকটিকে মারার হুমকি দেয় তোফা ভাই,
লোকটি বললো তুমি আমার কিছু করতে পারবে না,
তারপর লোকটিকে মারার জন্য কিছু লোক আনা হয়।
হায়রে বাংলাদেশ, নেতাদের জন্য আতঙ্কে থাকতে হয় জনগনকে।
তারপর লোকটিকে সবার সামনে একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে ইচ্ছে মতো মারধর করে,
এক এক করে প্রায় ৩০জন ঐই লোকটিকে মারধর করে,
সামান্য ব্যক্তিগত ব্যাপার নিয়ে ক্ষমতর দপট দেখিয়ে ইচ্ছে মতো মারধর করে হুগড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তোফা ভাই ও তার বাহিনীর লোকজন,
কিন্তু বলার মতো একটি লোক নেই,
এটাই বাংলাদেশ।
আজ যদি কোনো এক নেতার কিছু হতো তাহলে মানুষের দরদ আগলে পরতো। কতো মানুষ প্রতিবাত করতো,
কিন্তু এই অসহায় মানুষটির জন্য কেউ এগিয়ে যাই নি। প্রতিবাত করার কেউ রইলো না,
লোকটি মারছে যাক, কিন্তু মারছে আর বলছে ওরে অস্র মামলায় ডুকিয়ে দিমু, এটাই বুজি বাংলার নিয়ম?
কি লাভ লোকটির জিবন ধ্বংস করে?
ধিক্কার জানাই এই সমাজকে,
সে সমাজে একটি লোককে নির্মম ভাবে মারধর করে অথচ বলার মতো কেউ থাকেনা।
বলবে কিভাবে এই দেশে নেতাদের বিরুদ্ধে কথা বললে মারধর করে আবার উল্টা মামলার সাথে জরিত করে দেয়।
কিছু মানুষ মনে করে যে আমরা যদি এগিয়ে যাই তাহলে আমাদের ক্ষতি হবে,
সেই লোকদের উদ্দেশ্যে বলছি : আপনি কিন্তু একটি মানুষ। আপনার বিপদে যদি কেউ এগিয়ে না যায় তখন বুজতে পারবেন বিপদ কি জিনিস,
আসুন আমরা সর্তক হই,
আমরা জনগন আমাদের টাকায় চলে এই বাংলাদেশ, প্রতিটি মানুষের নিজের স্বাধীন কিছু বিষয় আছে,
আছে আমাদের কর্তব্য,
আছে আমাদের নিয়ম শৃঙ্খলা,
একজন নাগরিক হিসেবে এই বাংলায়
আমাদের অধিকার আছে।
আমাদের মারার কারো আধিকার নেই,
হ্যা, তবে অপরাধ করলে আইনের ব্যবস্থা আছে
তাই বলে যে একজন চেয়ারম্যান জনগনকে নির্মম ভাবে হত্যার চেষ্টা করবে সেটা মানুষ মেনে নিতে পারবে না, অন্তত আমি মেনে নিতে পারিনা,
আমরা জনগন চাইলে ওরকম চেয়ারম্যান বদল করতে পারি, কিন্তু আমরা তা করতে জানিনা,
আমরা সবসময় নিজের জন্য ভাবতে যানি,
অন্যের বিপদে এগিয়ে যেতে জানিনা,
এসবের কারনে আজ আমরা মাথানত। আজ আমাদের চোখের সামনে অন্যায় চলাচল করছে।
কিন্তু কোনো প্রতিবাত আমরা করতে পারছিনা।
আমরা আমাদের আধিকার, কর্তব্য কিছুই ব্যবহার করতে পারছিনা।
তাইতো আজ সমাজে এতো শান্তির মুখ দেখতে হয়।
আসুন আমরা সৎ পথে চলি,
সৎকে হ্যা বলি,
অসৎকে না বলি,
আমরা অন্যায় করবো না,
এবং কোনো অন্যয়কে প্রশ্রয় দিবো না,
হয়তো আমার এই লেখা গুলোর জন্য
আমাকেও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে,
কিন্তু এই বাংলার একজন নাগরিক হিসবে আমি এই অন্যায় মেনে নিতে পারলাম না
তাই এর জন্য যদি আমাকে মৃত্যুর পথ বেচে নিতে হয় তবু আমি রাজি,
তবু অন্যায়কে হ্যা বলবো না,
মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে বিনিত আবেদন
এর বিচার চাই,
ক্ষমতার দপট দেখিয়ে মানুষ পেটানোর জন্য তোফাজ্জল হোসেন তোফাকে আমরা নির্বাচনে নির্বাচিত করনি,
নির্বাচিত করেছি শান্তি সমাজের জন্য,
তাইতো আজ শান্তির বদলে মারধর দেখতে হচ্ছে,
আশা করি আপনি এর একটি পদক্ষেপ নিবেন