Hoor Pori

Hoor Pori This is my page. Please like it.

09/07/2022
তোফাজ্জল হোসেন খাঁন তোফার উত্থান:- টাঙ্গাইল সদর থানা থেকে পশ্চিমে ১০/১২ কিলোমিটার দূরে ধলেশ্বরী নদী বেষ্টিত এলাকা হুগড়া...
15/12/2020

তোফাজ্জল হোসেন খাঁন তোফার উত্থান:- টাঙ্গাইল সদর থানা থেকে পশ্চিমে ১০/১২ কিলোমিটার দূরে ধলেশ্বরী নদী বেষ্টিত এলাকা হুগড়া।এই গ্রামের কৃতি সন্তান মৌলভী হবিবর রহমান ব্রিটিশ আমলে কলিকাতায় চাকুরী করতেন। পাকিস্তান সৃষ্টি হওয়ার পর তিনি কলকাতা থেকে ঢাকায় এসে চাকরি জীবন শুরু করেন। এর মধ্যে চরাঞ্চলসহ বিশাল এলাকা নিয়ে রাজত্ব করত কছিম উদ্দিন দেওয়ান ওরফে কইছা নামে এক দুর্ধর্ষ ডাকাত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে দমন বা গ্রেফতার করতে পারছিল না।মৌলভী হবিবর রহমান তার পিতা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পরামর্শ ও অনুরোধে সেই দুর্ধর্ষ ডাকাত কে গ্রেফতার করে আইনের হাতে সোপর্দ করেন।( এই কাহিনী বিস্তারিত ভাবে টাঙ্গাইলের বিখ্যাত চারন কবি আব্দুস সাত্তার উকিলের লেখা" ডাকু সম্রাট কছিমউদ্দীন" এ লেখা হয়েছে) এলাকাবাসীর অনুরোধে হাবিবুর রহমান চাকরি ছেড়ে এলাকায় বসবাস শুরু করেন।হুগড়া সহ আশেপাশের অনেকগুলি গ্রাম তখন কাকুয়া ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ইউনিয়নটি বিশাল হওয়ায় অনেক অসুবিধা হতো । একারণে মৌলভী হাবিবুর রহমান অনেক চেষ্টা তদবির করে কাকুয়া ইউনিয়ন ভাগ করে হুগড়া ইউনিয়নের সৃষ্টি করেন। তিনি হন এই ইউনিয়নের প্রথম প্রেসিডেন্ট (সে সময় ইউনিয়ন পরিষদের প্রধান কে প্রেসিডেন্ট বলা হত) ।
১৯৬৯ সালে দেশে শুরু হয় গন আন্দোলন। সমাজের নানা ধরনের দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধেও এই সময়ে বিভিন্ন স্থানে মানুষের মধ্যে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটতে থাকে( এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের বীর মুক্তিযোদ্ধা বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর কাদেরিয়া বাহিনীর প্রশাসক আবু মোঃ এনায়েত করিম এর লেখা "আমার মুক্তিযুদ্ধ" গ্রন্থে বিস্তারিত বর্ণনা আছে) । চরাঞ্চলে এ সময় গরু চোরের উৎপাত খুব বেশি বেড়ে যায়। কৃষকের হালের গরু রাতে পাহারা দিয়ে রাখলেও চোরেরা চুরি করে নিয়ে যেতো।মৌলভী হবিবর রহমান এবং তার কলেজ পড়ুয়া পুত্র আকরাম হোসাইনের নেতৃত্বে সেই চোরদের বিরুদ্ধে মানুষ ফুঁসে ওঠে। হাজার হাজার জনতা সমবেত হয়ে একদিন সমস্ত চোরদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়। যাদের সামনে পাওয়া গেছে তাদেরকে হত্যা করা হয়। এটি "চোর মারা আন্দোলন" হিসেবে খ্যাত। দেশের রাজনৈতিক অবস্থাও তখন উত্তাল। এ সময় আওয়ামী লীগের নেতা চরাঞ্চলের কৃতি সন্তান জনাব আব্দুল মান্নান হুগড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তিনি হবিবর মৌলভীকে আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ গ্রহণ করতে অনুরোধ করেন। মৌলভী হবিবর রহমান সাহেব সরাসরি কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত হতে ইচ্ছুক ছিলেন না।এ কারণে তিনি তাঁর উকিল জামাই আব্দুস সাত্তার খানের নাম প্রস্তাব করলে আব্দুল মান্নান সাহেব অনিচ্ছাসত্ত্বেও তাকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করেন।এভাবেই আব্দুস সাত্তার খান তেমন কোনো যোগ্যতা ছাড়াই মৌলভী সাহেবের বদান্যতায় হুগড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি পদ লাভ করেছিলেন। পদ প্রাপ্তির পর আব্দুস সাত্তার খান সাহেব ধীরে ধীরে মৌলভী হবিবর রহমান সাহেবেরই প্রতিদ্বন্দী এবং প্রতিপক্ষ হয়ে যান। পরবর্তী প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি মৌলভী হবিবর রহমান সাহেবের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা শুরু করেন। প্রথমবার নির্বাচনের আগে তিনি একটি অপ কৌশল অবলম্বন করেন। মৌলভী সাহেবের ভোট সংখ্যা যে ওয়ার্ডে বেশি- তিনি গোপনে সেই ওয়ার্ড বিভক্ত করে ফেলেন। এতে মৌলভী সাহেবের অনুরক্ত কিছু ব্যক্তি খুবই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। একদিন সাত্তার খান সাহেব নদীতে গোসল করতে গেলে সেই ক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা সাত্তার খান সাহেবকে জিজ্ঞেস করেন কেন তিনি ওয়ার্ড বিভক্ত করার মত এমন একটি অপকর্ম করলেন।জবাবে সাত্তার খান সাহেব উত্তেজিত হয়ে উঠেন এবং বলেন "আমার ক্ষমতা আছে তাই এ কাজ করেছি ।তোমাদের ক্ষমতা থাকলে তোমরা ঠ্যাকাও।" তার এমন তীর্যক মন্তব্য এবং মারমুখী মনোভাব দেখে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে কয়েকটা চড় চাপড় মারে।এই ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের অধিকাংশই আজ মৃত। আজগর মন্ডল, জয়নাল খাঁর মতো প্রবীণ ব্যক্তিরা সেই ঘটনার সাক্ষী। তাদের কাছে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানা যেতে পারে।ঐ ঘটনার পর সাত্তার খাঁন" হুগড়া সমাজ" ভাগ করে ফেলেন।
স্বাধীনতার পর আব্দুস সাত্তার খান তার পথের কাঁটা মোলভী হবিবর রহমান সাহেবকে নানাভাবে অপদস্ত করার হীন মানসিকতা নিয়ে বহু দেনদরবার করে মৌলভী সাহেবকে স্বাধীনতা বিরোধী হিসাবে তাকে" দালাল আইনে" গ্রেফতার করায়।কিন্তু অনেক তদন্ত করার পরেও মৌলভী হবিবর রহমান সাহেবের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে সসম্মানে মুক্তি দেওয়া হয়। কিছুদিন পর নির্বাচন হলে খাঁন সাহেব বিপুল ভোটে পরাজিত হন। এরপরও প্রতিবার নির্বাচনের সাত্তার খান মৌলভী সাহেবের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও বারবার বিপুল ভোটে পরাজিত হয়। মৌলভী সাহেবের মৃত্যুর পর তার পুত্র মোরশেদ আলম দুলাল পরপর তিনবার চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচন করেন। আবদুস সাত্তার খান একবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন ।এরপর তার বড় পুত্র আব্দুল মান্নান খানও দুলালের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়।
২০১০ সালে মোরশেদ আলম দুলাল যখন আবার নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন , একদিন সামাজিক বৈঠক চলার সময় বৃদ্ধ আবদুস সাত্তার খান তার কনিষ্ঠপুত্র তোফাজ্জল হোসেন খান তোফাকে নিয়ে সেই সভায় উপস্থিত হন। তিনি আকরাম হোসেনের হাত ধরেন এবং তোফা ধরেন দুলালের পা। সাত্তার খান সাহেব বলেন তিনি বৃদ্ধ হয়ে গেছেন ।তার জীবনের শেষ আকাঙ্ক্ষা তার এক পুত্রকে "একটি বারের "জন্য তিনি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান ।তার সেই "আবদারে" আকরাম সাহেবের মন গলে যায়। তিনি সমাজের শান্তি এবং খান পরিবারের সাথে ইতিপূর্বে সৃষ্ট মনোমালিন্য দূর করার এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইলেন না। বৈঠকে উপস্থিত সমাজের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মতামত উপেক্ষা করে দুলালকে নির্বাচন থেকে বিরত রেখে তোফাজ্জল হোসেন খানকে সমর্থন দেন। এবং রাত দিন পরিশ্রম করে নানান প্রতিকূলতার মধ্যেও নিতান্তই একজন অপরিচিত, অযোগ্য তোফাজ্জল হোসেন খানকে নির্বাচনে বিজয়ী করেন।
এরপর টাঙ্গাইল সদর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদের জন্য তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা প্রতিদ্

এরপর টাঙ্গাইল সদর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদের জন্য তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এক্ষেত্রেও আকরা...
15/12/2020

এরপর টাঙ্গাইল সদর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদের জন্য তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এক্ষেত্রেও আকরাম হোসাইন এবং মোরশেদ আলম দুলাল তাকে সাধারণ সম্পাদক পদ লাভের জন্য বিশেষ ভূমিকা রাখেন। এতসব ক্ষমতা প্রাপ্তির পর তোফাজ্জল হোসেন খান তোফার আচরণ পাল্টে যায়। যাদের বদ্যান্যতায় সে ক্ষমতাসীন -তাদের বিরুদ্ধেই সে নানা রকম কর্মকাণ্ড শুরু করে। দ্বিতীয় দফা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময়ে তাকে যখন স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয় যে সে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল একটিবারের জন্য হুগড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান থাকবে ।কিন্তু সরাসরি সে তার প্রতিশ্রুতির কথা অস্বীকার করে। সে পুনরায় নির্বাচন করার কথা জানায়। যেহেতু সে তার দলের সাধারণ সম্পাদক সে কারণে তাকে নাকি "নির্বাচন করতেই হবে" । নির্বাচনের সময় তোফা এলাকায় ব্যাপক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। ক্ষমতার প্রতিপত্তি এবং অর্থের দাপটে সে দ্বিতীয়বারের মতো হুগড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। চেয়ারম্যান নিযুক্ত হওয়ার পর তার আচরণে আরো আমূল পরিবর্তন ঘটে। সে এবার প্রকাশ্যে আকরাম হোসাইন, দুলালের চরম বিরোধিতার করতে থাকে এবং তাদের গৃহীত উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ব্যাহত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়।টাঙ্গাইল থেকে যে সড়কটি পশ্চিমের যমুনা নদী পর্যন্ত পাকা করার পরিকল্পনা ছিল সেটি সে অসমাপ্ত রেখে দেয়। মাত্র ৫০০/৬০০ মিটার রাস্তা পাকা করলেই হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদ এবং আকরাম হোসেনের বাড়ি যাওয়ার রাস্তাটি যাতায়াতের সুবিধা হয় ।কিন্তু চরম প্রতিহিংসামূলক মনোভাবের কারণে সে দীর্ঘদিনেও এই রাস্তাটুকু পাকা করার কার্যক্রম গ্রহণ করে নাই। এতে বর্ষার সময় এই রাস্তাটি দিয়ে যাতায়াত করতে এলাকাবাসীর চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে সে আরো দূর্বীনীত হয়ে উঠেছে।দলীয় একটি সভায় সে প্রকাশ্যে হুংকার দিয়ে বলেছে" দুলালের পক্ষের কেউ রাস্তায় বের হলে তার ঠ্যাং ভেঙ্গে দেয়া হবে" ।এই ঠ্যাং কাটায় সে সিদ্ধ হস্ত।১৯৯৯ সালে সে আইয়ুব আলী নামের এক জনের ( বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার) পা হাঁটুর নিচ থেকে কেটে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিলো।ইতিমধ্যেই সে আকরাম হোসাইন এবং দুলালের সমর্থকদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করতে শুরু করেছে। প্রশাসনের বিভিন্ন স্থানে সে মিথ্যা অভিযোগ করে দরখাস্ত করেছ।মামলা হামলা করে অনেকের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। কিছুদিন আগে বেগুনটাল বাজারে সাইফুল ইসলাম নামের একজনকে চরম অমানবিক নির্যাতন করে পা ভেঙে দেয় ।এ কারণে তার বিরুদ্ধে মামলা হলে সে দুলাল সহ ওই নির্যাতিত ব্যক্তির নামে পাল্টা মিথ্যা মামলা দায়ের করে।সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে তোফাজ্জল হোসেন খান আকরাম হোসসাইন, দুলাল এবং তাদের বংশ নিয়ে চরম অশালীন,মিথ্যাচার করে। (ভিডিওটি দেখুন )।
ইউনিয়ন তথা প্রশাসনের কাছে বিনীত অনুরোধ আপনারা তোফাজ্জল হোসেন খান ভিডিওতে যে মিথ্যাচার করেছে তা তদন্ত পূর্বক যাচাই করে দেখুন এবং এর সত্যাসত্য নির্ণয় করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।সম্মানিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এমন মানহানিকর কথা কোন বিবেকবান মানুষ বলতে পারে কিনা তা নির্ণয় করার দায়িত্ব ইউনিয়নের আপামর জনসাধারণের।
তোফাজ্জল হোসেন খাঁন তোফা কে তার এমন উচ্ছৃঙ্খল এবং দুর্বীনীত আচরণ থেকে বিরত না করা গেলে আশংকা করা হচ্ছে হুগড়া ইউনিয়নের সৃষ্টি হবে চরম অরাজকতা।তাই প্রশাসনের কাছে বিনীত অনুরোধ- আপনারা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা যাচাই পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

06/12/2020
বর্তমানে যারা হুগড়ায় খমতার চেয়ারে বসে চিরকাল খমতায় থাকবে ভেবে দেখুন কি ভাবে পোলটি দিলেন।।স্বার্থপর ও বেঈমান মানুষের ...
22/11/2020

বর্তমানে যারা হুগড়ায় খমতার চেয়ারে বসে চিরকাল খমতায় থাকবে ভেবে দেখুন কি ভাবে পোলটি দিলেন।।
স্বার্থপর ও বেঈমান মানুষের আচরণ এমনই হয়.!
আপনি এদের যত বড় উপকার করেন না কেনো,
স্বার্থে টান পড়লে এরা বেঈমানী করবেই,
ভুলে যাবে পিছনের সবকিছুই!!..(তো সাবধান)

এই মাত্র শুনতে পারলাম পশ্চিম টাঙ্গাইলের ১০নং হুগড়া ইউনিয়নের সুনাম ধন্য ব্যক্তিতোফাজ্জল হোসেন খান তোফা চেয়ারম্যান এর কিছু...
17/11/2020

এই মাত্র শুনতে পারলাম পশ্চিম টাঙ্গাইলের
১০নং হুগড়া ইউনিয়নের সুনাম ধন্য ব্যক্তি
তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা চেয়ারম্যান এর কিছু কাহিনী,

একটি লোক রাস্তা দিয়ে হাটছিলো
তোফা ভাই নাকি ওই লোকটিকে ডাকদিয়েছিলো তারপর লোকটির সাথে তার কথা হয়,
এক পর্যায়ে নাকি লোকটিকে মারার হুমকি দেয় তোফা ভাই,
লোকটি বললো তুমি আমার কিছু করতে পারবে না,
তারপর লোকটিকে মারার জন্য কিছু লোক আনা হয়।
হায়রে বাংলাদেশ, নেতাদের জন্য আতঙ্কে থাকতে হয় জনগনকে।

তারপর লোকটিকে সবার সামনে একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে ইচ্ছে মতো মারধর করে,
এক এক করে প্রায় ৩০জন ঐই লোকটিকে মারধর করে,

সামান্য ব্যক্তিগত ব্যাপার নিয়ে ক্ষমতর দপট দেখিয়ে ইচ্ছে মতো মারধর করে হুগড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তোফা ভাই ও তার বাহিনীর লোকজন,

কিন্তু বলার মতো একটি লোক নেই,
এটাই বাংলাদেশ।

আজ যদি কোনো এক নেতার কিছু হতো তাহলে মানুষের দরদ আগলে পরতো। কতো মানুষ প্রতিবাত করতো,
কিন্তু এই অসহায় মানুষটির জন্য কেউ এগিয়ে যাই নি। প্রতিবাত করার কেউ রইলো না,

লোকটি মারছে যাক, কিন্তু মারছে আর বলছে ওরে অস্র মামলায় ডুকিয়ে দিমু, এটাই বুজি বাংলার নিয়ম?
কি লাভ লোকটির জিবন ধ্বংস করে?

ধিক্কার জানাই এই সমাজকে,
সে সমাজে একটি লোককে নির্মম ভাবে মারধর করে অথচ বলার মতো কেউ থাকেনা।
বলবে কিভাবে এই দেশে নেতাদের বিরুদ্ধে কথা বললে মারধর করে আবার উল্টা মামলার সাথে জরিত করে দেয়।

কিছু মানুষ মনে করে যে আমরা যদি এগিয়ে যাই তাহলে আমাদের ক্ষতি হবে,
সেই লোকদের উদ্দেশ্যে বলছি : আপনি কিন্তু একটি মানুষ। আপনার বিপদে যদি কেউ এগিয়ে না যায় তখন বুজতে পারবেন বিপদ কি জিনিস,

আসুন আমরা সর্তক হই,
আমরা জনগন আমাদের টাকায় চলে এই বাংলাদেশ, প্রতিটি মানুষের নিজের স্বাধীন কিছু বিষয় আছে,
আছে আমাদের কর্তব্য,
আছে আমাদের নিয়ম শৃঙ্খলা,

একজন নাগরিক হিসেবে এই বাংলায়
আমাদের অধিকার আছে।
আমাদের মারার কারো আধিকার নেই,
হ্যা, তবে অপরাধ করলে আইনের ব্যবস্থা আছে
তাই বলে যে একজন চেয়ারম্যান জনগনকে নির্মম ভাবে হত্যার চেষ্টা করবে সেটা মানুষ মেনে নিতে পারবে না, অন্তত আমি মেনে নিতে পারিনা,

আমরা জনগন চাইলে ওরকম চেয়ারম্যান বদল করতে পারি, কিন্তু আমরা তা করতে জানিনা,
আমরা সবসময় নিজের জন্য ভাবতে যানি,
অন্যের বিপদে এগিয়ে যেতে জানিনা,
এসবের কারনে আজ আমরা মাথানত। আজ আমাদের চোখের সামনে অন্যায় চলাচল করছে।
কিন্তু কোনো প্রতিবাত আমরা করতে পারছিনা।

আমরা আমাদের আধিকার, কর্তব্য কিছুই ব্যবহার করতে পারছিনা।

তাইতো আজ সমাজে এতো শান্তির মুখ দেখতে হয়।

আসুন আমরা সৎ পথে চলি,
সৎকে হ্যা বলি,
অসৎকে না বলি,
আমরা অন্যায় করবো না,
এবং কোনো অন্যয়কে প্রশ্রয় দিবো না,

হয়তো আমার এই লেখা গুলোর জন্য
আমাকেও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে,
কিন্তু এই বাংলার একজন নাগরিক হিসবে আমি এই অন্যায় মেনে নিতে পারলাম না
তাই এর জন্য যদি আমাকে মৃত্যুর পথ বেচে নিতে হয় তবু আমি রাজি,

তবু অন্যায়কে হ্যা বলবো না,

মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে বিনিত আবেদন

এর বিচার চাই,

ক্ষমতার দপট দেখিয়ে মানুষ পেটানোর জন্য তোফাজ্জল হোসেন তোফাকে আমরা নির্বাচনে নির্বাচিত করনি,
নির্বাচিত করেছি শান্তি সমাজের জন্য,
তাইতো আজ শান্তির বদলে মারধর দেখতে হচ্ছে,

আশা করি আপনি এর একটি পদক্ষেপ নিবেন

মরহুম জননেতা আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান সাহেবের নামে ১১ নং কাতুলী ইউনিয়নের ০১নং ওয়ার্ডে হাসপাতাল করার জন্য জমি দিলেন ৩৫ শতাং...
16/11/2020

মরহুম জননেতা আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান সাহেবের নামে ১১ নং কাতুলী ইউনিয়নের ০১নং ওয়ার্ডে হাসপাতাল করার জন্য জমি দিলেন ৩৫ শতাংশ জমি দান করলেন দাতাঃ অবসর প্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মো মিনহাজ আলী, সকলের নিকট দোয়ার আবেদন রহিল আল্লাহ তায়ালা যেন সুন্দর ভাবে একটি পূর্নাঙ্গ হাসপাতাল করার তৌফিক দেন

তোফা যদি তার ছেলের মাথায় হাত দিয়া বলতে পারে ইয়াবা সেবন করে না, আমরা সবাই মিলে তাকেই ভোট দিবো,বেগুনটান আফজালের সাথে ইয়াবা...
16/11/2020

তোফা যদি তার ছেলের মাথায় হাত দিয়া বলতে পারে ইয়াবা সেবন করে না, আমরা সবাই মিলে তাকেই ভোট দিবো,বেগুনটান আফজালের সাথে ইয়াবা ব্যবসার টাকার ভাগ নিয়ে অনেক বার বিবাদ হয়েছে, অবশেষে ক্ষমতা অপব্যবহার করে মেরে ফেললো,করোনার সময় গরিব দুখীর টাকা মেরেছে, ১কোটি টাকার মামলা হয়েছে এর জন্য দরাও খাইছে একবার

সুস্থ রাজনীতির একটি অনুকরণ হুগড়া ইউনিয়নে হঠাৎ এই সুস্থ রাজনীতি কে নষ্ট করতে একদল আওয়ামীলীগ নামদারি সুযোগসন্ধানী চেতনাবাজ...
16/11/2020

সুস্থ রাজনীতির একটি অনুকরণ হুগড়া ইউনিয়নে হঠাৎ এই সুস্থ রাজনীতি কে নষ্ট করতে একদল আওয়ামীলীগ নামদারি সুযোগসন্ধানী চেতনাবাজ তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা এর নেতৃত্বে নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে, হুগড়া ইউনিয়নের রাজনীতি বিগত দিনের চেয়ে অনেক শক্তিশালী।।।

রাজনীতি মানুষের কল্যাণে, রাজনীতি মানে এই নয় যে টাকার জোরে নিজের নামের আগে দলের সাইনবোর্ড বিক্রি করা,রাজনীতি মানে এই নয় যে সিনিয়র নেতাদের নাম বিক্রি করে চাঁদাবাজি,চুরি,মাদক ব্যবসার দোকান খুলা, হুগড়া ইউনিয়নের নোংরা রাজনীতির জনক তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা।।।

তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা বর্তমানে ইয়াবা ব্যবসায়ী,চাঁদাবাজ, ১০নং হুগড়া ইউনিয়নের এর কুখ্যাত সন্ত্রাস, কিছু কিছু খুনের আসামী কে নিয়ে নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে।।।

এই তোফা কে যারা সহযোগিতা করছেন এরা সকলেই অবৈধ মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদকাসক্ত ব্যাক্তি তারা টাকার বিনিময়ে সব করতে পারেন।।

বেশ কয়েক মাস আগে বেগুনটালের মাদক ব্যবসায়ী গুন্ডা আবজাল নামে পরিচিত,
তার সাথে বেশ জমে উঠে ছিলো তোফার মাদক ব্যবসা, কিন্ত এক পর্যায়ে টাকা নিয়ে কিছু সমালোচনা হয়,
তার পর তোফা আবজালকে মারার সিদ্ধান্ত নেয়, কিন্তু মানুষ বুঝবে বলে তোফা আইনের আয়তায় আবজালকে ক্রসফায়ার করে মেরে ফেলে।।।
তোফা প্রতি বছর কক্সবাজার টেকনাফ হতে টাঙ্গাইলে নানা রকম মাদক দ্রব্য পাচার করে,
যার ফলে আজকে যুবকেরা নেশায় আসক্ত হয়ে সমাজে নানা রকম অশান্তিরর সৃষ্টি করে।

তোফা ক্ষমতার দপট দেখিয়ে জনগনের প্রচুর টাকা, অর্থ, জমি দখল করেছে।
জনগন তোফার নির্বাচন না করলে নানা রকম হুমকি,মারধর করে জনগনকে।
কিছু দিন আগে একটি লোক কান্না করতে করতে বলেছে তোফা নাকি চাকরি দিবে বলে ৭লক্ষ টাকা নিয়েছে ৫বছর হয়, অথচ এখনো পর্যান্ত টাকা বা চাকরি দেয়নি তোফা।

হুগড়া ইউনিয়নে রাজনীতিতে ইনশাআল্লাহ্ আর কখনো কোন সন্ত্রাসী কে প্রশ্রয় দেওয়া হবেনা।।

এই সেই তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা টাঙ্গাইল সদর আওয়ামীলীগ যুবলীগের সম্মানিত নেতৃত্ববৃন্দের সামনে হুগড়া ইউনিয়নের আওয়ামী-যুবলীগের সম্মেলনে দুলাল চেয়ারম্যান এর কর্মীদের পা ভাঙ্গা আদেশ দেন নিজের ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার জন্য।।।

এই তোফা টাকার জোরে
বঙ্গবন্ধুর আদর্শের আদর্শিক কর্মীদের বিলীন করতে চায়।।

আদর্শিক কর্মী দের দাবিয়ে রাখা যাবেনা ইনশাআল্লাহ্।।

সত্য ইতিহাস

ক্ষমতার দাপটে নিরীহ গরীব মানুষকে মেরে রক্তাক্ত করেছে বর্তমান চেয়ারম্যান তোফা নিজে ও তার দলবল, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ক...
16/11/2020

ক্ষমতার দাপটে নিরীহ গরীব মানুষকে মেরে রক্তাক্ত করেছে বর্তমান চেয়ারম্যান তোফা নিজে ও তার দলবল, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কথায় আজ??? কে করবে এর বিচার??? বিচারক নিজেই আসামি,

15/11/2020

আজ কাল দেখি ল্যাংড়া কুত্তাও সিংহ কে ধমকায়।😀 কিন্তু এই কুত্তা গুলা জানে না সিংহের থাবা কতটা ভয়ংকর হয়।

Address

Dhaka
1216

Telephone

+8801644345791

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hoor Pori posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hoor Pori:

Share