Trust Income Tax & Legal Consultancy

Trust Income Tax & Legal Consultancy Trust Income Tax & Legal Consultancy provides a comprehensive legal & taxation solution.

RJSC সংক্রান্ত আইনি সচেতনতা
20/08/2026

RJSC সংক্রান্ত আইনি সচেতনতা

১ জুলাই থেকে ৩০ জুন অর্থবছর নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতায় বড় সমস্যা হলো আমাদের দেশে বাজেটের প্রথম তিন মাসে থাকে বর্ষাকাল। জুলা...
17/08/2026

১ জুলাই থেকে ৩০ জুন অর্থবছর নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতায় বড় সমস্যা হলো আমাদের দেশে বাজেটের প্রথম তিন মাসে থাকে বর্ষাকাল। জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসে কোনো বড় অবকাঠামো কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে ডিসেম্বর পর্যন্ত কাজ হয় না। এরপর ডিসেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত কাজ হলেও জুন মাসে তাড়াহুড়া করে কাজ শেষ করে বিল তোলার সংস্কৃতি চালু হয়েছে। এতে কাজের মান ভালো হয় না।

এপ্রিল থেকে মার্চ পর্যন্ত অর্থবছর করা গেলে বর্ষার আগে কাজের প্রথম তিন মাস সময় পাওয়া যাবে। অক্টোবর-ডিসেম্বর এবং জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকগুলোতে বর্ষার প্রভাব থাকবে না। এতে বাজেট বাস্তবায়ন ও উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি বাড়বে। কাজ পরিকল্পনা মতো হবে এবং অর্থ লুটপাটের ঝুঁকি কমবে। ভারতেও এপ্রিল থেকে মার্চ অর্থবছর চালু আছে, যা তাদের উন্নয়ন কাজে সুবিধা দিচ্ছে। বাংলাদেশেও এই পরিবর্তন ইতিবাচক ফল দেবে।

১%টার্নওভর ট্যাক্স এর কারণে৫,০০০ টাকার ট্যাক্স ৫০,০০০টাকা।ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের গলার কাঁটা।কালো আইন বাতিল করা সম...
07/08/2026

১%টার্নওভর ট্যাক্স এর কারণে
৫,০০০ টাকার ট্যাক্স ৫০,০০০টাকা।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের গলার কাঁটা।
কালো আইন বাতিল করা সময়ের দাবী।
আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন

ইব্রাহীম গাজী
কর আইনজীবী
01971-334812

ব্যবসায় লস হলেও কি টার্ন ওভার ট্যাক্স ১% দিতে হবে ?উত্তর হচ্ছে : হ্যাঁ দিতে হবে Finance Act, 2026 অনুযায়ী Income Tax Ac...
26/07/2026

ব্যবসায় লস হলেও কি
টার্ন ওভার ট্যাক্স ১% দিতে হবে ?

উত্তর হচ্ছে : হ্যাঁ দিতে হবে

Finance Act, 2026 অনুযায়ী Income Tax Act, 2023-এর ধারা 163-এর উপধারা (6) অনুসারে, সকল ব্যবসা ও পেশা খাতে গ্রস প্রাপ্তির উপর ১%হারে টার্ন ওভার কর বাধ্যতামূলক।

উদাহরণ :
বার্ষিক বিক্রয় বা গ্রস প্রাপ্তি ৪০,০০,০০০ টাকা এবং ব্যবসা থেকে নিট আয় ৪,০০,০০০ টাকা।

📌 বর্তমান বিধান অনুযায়ী—2023-এর ধারা 163-এর উপধারা (6) অনুসারে

গ্রস প্রাপ্তির ওপর টার্নওভার ট্যাক্স—
৪০,০০,০০০ টাকা × ১% = ৪০,০০০ টাকা ট্যাক্স দিতে হবে।

নিট আয় উপর ট্যাক্স
প্রথম ৪,০০,০০০ টাকা × ০% = ০ টাকা হবে না।

অর্থ আইন ২০২৬: কর রেয়াত ও বিনিয়োগের নতুন নিয়মাবলি:একজন স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা তার মোট আয়ের ৩০% পর্যন্ত অনুমোদিত খাতে ব...
21/07/2026

অর্থ আইন ২০২৬: কর রেয়াত ও বিনিয়োগের নতুন নিয়মাবলি:
একজন স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা তার মোট আয়ের ৩০% পর্যন্ত অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগ বা দান করে সর্বোচ্চ কর রেয়াত সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন (যা পূর্বে করযোগ্য আয়ের ২০% পর্যন্ত ছিল)।

অর্থ আইন ২০২৬ অনুযায়ী এই কর রেয়াত হিসাবের পদ্ধতি ও শর্তাবলীতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

কর রেয়াত হিসাবের ৩টি শর্ত:
বর্তমানে একজন করদাতা নিবন্ধিত খাতসমূহে বিনিয়োগের বিপরীতে সর্বোচ্চ যে পরিমাণ কর রেয়াত পাবেন, তা নিচের ৩টি অংকের মধ্যে যেটি সবচেয়ে কম হবে:
· মোট করযোগ্য আয়ের ৩%: (কর অব্যাহতি প্রাপ্ত আয়, হ্রাসকৃত করহার প্রযোজ্য এইরূপ আয়, অংশীদারি ফার্ম বা ব্যক্তিসংঘ হইতে প্রাপ্ত শেয়ার আয় এবং চূড়ান্ত করদায়] প্রযোজ্য এইরূপ আয় বাদ দিয়ে অবশিষ্ট আয়ের উপর হিসাবযোগ্য)।
· প্রকৃত বিনিয়োগ বা অনুদানের ১০%: অনুমোদিত খাতে মোট প্রকৃত বিনিয়োগ বা অনুদানের ১০% (যা আগে ১৫% ছিল)।
· সর্বোচ্চ নির্ধারিত সীমা: ৭,৫০,০০০ (সাত লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা (যা আগে ছিল ১০,০০,০০০ টাকা)।


লক্ষ্যণীয় বিষয়: আগে রেয়াতের হার ১৫% থাকায় যে পরিমাণ কর সুবিধা পাওয়া যেত, নতুন নিয়ম অনুযায়ী ১০% রেয়াত হারের কারণে একই পরিমাণ কর সুবিধা পেতে করদাতাকে আগের চেয়ে ৫০% বেশি অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে।

মেয়াদপূর্তির আগে ক্যাশ/এনক্যাশমেন্টে নতুন কড়াকড়ি: অর্থ আইন ২০২৬-এ বিনিয়োগ নগদায়নের ক্ষেত্রে একটি নতুন বিশেষ শর্ত যুক্ত করা হয়েছে:

মেয়াদপূর্ব নগদায়ন (Early Encashment): ডিপিএস (DPS), সঞ্চয়পত্র, সরকারি বন্ড, মিউচুয়াল ফান্ড বা শেয়ারের ক্ষেত্রে কোনো করদাতা যদি নির্ধারিত মেয়াদের আগে বা নির্দিষ্ট ধারণকালের (Holding Period) পূর্বে বিনিয়োগ নগদায়ন করেন, তবে উক্ত নগদায়নের সংশ্লিষ্ট অর্থবৎসরে ইতিপূর্বে নেওয়া রেয়াতের অংশ অতিরিক্ত কর হিসেবে পরিশোধ করতে হবে।

ইব্রাহীম গাজী
কর আইনজীবী
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
01971-334812

 ্মকর্তাগন_যেসকল_পদক্ষেপ_গ্রহণ_করতে____করতে_পারবেন।
21/07/2026

্মকর্তাগন_যেসকল_পদক্ষেপ_গ্রহণ_করতে____করতে_পারবেন।

ধারা ১৬৩ : অতিরিক্ত কর, চূড়ান্ত কর এবং টার্নওভার ট্যাক্সএই ধারার উদ্দেশ্য : এই ধারায় মূলত ৩টি বিষয় আলোচনা করা হয়েছে—...
19/07/2026

ধারা ১৬৩ : অতিরিক্ত কর, চূড়ান্ত কর এবং টার্নওভার ট্যাক্স

এই ধারার উদ্দেশ্য : এই ধারায় মূলত ৩টি বিষয় আলোচনা করা হয়েছে—
1. অতিরিক্ত কর (Refund)
2. উৎসে কর্তিত কর কখন চূড়ান্ত কর (Final Tax) হবে
3. টার্নওভার ট্যাক্স (Turnover Tax)

উপধারা (১) অংশ ৭-এর বিধান অনুযায়ী কর নির্ধারণের পর, নির্ধারিত করের তুলনায় অতিরিক্ত কর প্রদান করা হলে অথবা অতিরিক্ত কর কর্তন/সংগ্রহ করা হলে, সেই অতিরিক্ত অর্থ করদাতার অনুকূলে প্রত্যর্পণযোগ্য (Refundable) হবে।

ব্যাখ্যা : কর নির্ধারণ (Assessment) সম্পন্ন হওয়ার পর যদি দেখা যায় সরকার প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কর নিয়েছে, তাহলে সেই অতিরিক্ত টাকা করদাতা ফেরত পাবেন।

উদাহরণ
• নির্ধারিত কর = ৳২,৫০,০০০
• মোট জমাকৃত কর = ৳২,৮০,০০০
অতিরিক্ত ৳৩০,০০০ করদাতা Refund হিসেবে পাবেন।

উপধারা (২) উপধারা (১)-এর অধীন প্রত্যর্পণযোগ্য অর্থ করদাতা চাইলে ফেরত নিতে পারবেন অথবা পরবর্তী করবর্ষে একই করদাতার করদায়ের সঙ্গে সমন্বয়ের (Carry Forward) জন্য আবেদন করতে পারবেন।

ব্যাখ্যা : অতিরিক্ত কর জমা হলে করদাতার দুটি বিকল্প রয়েছে—
• Refund গ্রহণ করা।
• অথবা পরবর্তী বছরের করের সঙ্গে সমন্বয় করা।

উদাহরণ : Refund = ৳৮০,০০০
করদাতা চাইলে
• এখনই ৳৮০,০০০ ফেরত নিতে পারেন; অথবা
• আগামী বছরের কর থেকে ৳৮০,০০০ সমন্বয় করতে পারেন।

উপধারা (৩) : ধারা ১৩৮ ও ১৩৯-এর অধীন কর্তিত বা সংগৃহীত কর, যেসব আয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, সেসব আয়ের ওপর চূড়ান্ত কর (Final Tax) হিসেবে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা : কিছু নির্দিষ্ট আয়ের ক্ষেত্রে উৎসে কর কেটে নেওয়ার পর সেই করই চূড়ান্ত কর হিসেবে বিবেচিত হবে। ঐ আয়ের জন্য পুনরায় কর নির্ধারণের প্রয়োজন হবে না।

উদাহরণ : যদি কোনো আয়ের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী উৎসে কর্তিত কর Final Tax হয়, তাহলে সেই আয়ের জন্য পরে আর অতিরিক্ত কর দিতে হবে না।

উপধারা (৪) : ধারা ১৬৬(২) অনুযায়ী রিটার্ন দাখিল হতে অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তির অংশ-৭-এর অন্তর্ভুক্ত সকল ধারার অধীন কর্তনকৃত বা সংগৃহীত উৎসে অগ্রিম আয়কর চূড়ান্ত করদায় (Final Tax Liability) হিসেবে গণ্য হবে।

ধারা ১৬৩(৫) উপধারা (৩)-এর অধীন চূড়ান্ত করদায় প্রযোজ্য কোনো উৎসের প্রদত্ত আয়ের উপর প্রযোজ্য হারে কর পরিগণনা করতে হবে। যদি উক্ত পরিগণনাকৃত কর উপধারা (৩)-এর অধীন চূড়ান্ত করদায় অপেক্ষা অধিক হয়, তাহলে উক্ত অতিরিক্ত কর পরিশোধ করতে হবে।

ব্যাখ্যা: যে আয়ের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত কর (Final Tax) প্রযোজ্য, সেই আয়ের উপর আইন অনুযায়ী কর হিসাব করতে হবে। যদি হিসাব করে দেখা যায় যে প্রকৃত করের পরিমাণ চূড়ান্ত করের চেয়ে বেশি, তাহলে শুধু অতিরিক্ত অংশের কর পরিশোধ করতে হবে।
Final Tax শেষ কথা নয়। যদি আইন অনুযায়ী হিসাব করা কর এর চেয়ে বেশি হয়, তাহলে পার্থক্যের অতিরিক্ত কর দিতে হবে।

উদাহরণ : ধরুন,
• উপধারা (৩) অনুযায়ী চূড়ান্ত কর = ৳৫০,০০০
• কিন্তু আইন অনুযায়ী কর হিসাব করে দেখা গেল = ৳৬৫,০০০
তাহলে অতিরিক্ত ৳১৫,০০০ (৳৬৫,০০০ − ৳৫০,০০০) কর পরিশোধ করতে হবে।

উপধারা (৬): টার্নওভার ট্যাক্স (Turnover Tax)
যদি কোনো ব্যক্তি ব্যবসা বা পেশা হতে অর্জিত আয়ের উপর প্রদেয় কর নির্ধারিত টার্নওভার ট্যাক্সের চেয়ে কম হয়, তাহলে লাভ বা লোকসান যাই হোক না কেন, গ্রস প্রাপ্তির (Turnover) উপর টার্নওভার ট্যাক্স প্রদান করতে হবে।

ব্যাখ্যা
এটি মূলত ন্যূনতম কর (Minimum Tax)।
অর্থাৎ—
• ব্যবসায় লাভ কম হতে পারে।
• এমনকি লোকসানও হতে পারে।
• তবুও যদি হিসাব অনুযায়ী আয়কর টার্নওভার ট্যাক্সের চেয়ে কম হয়, তাহলে টার্নওভার ট্যাক্সই দিতে হবে।

Important Point: টার্নওভার ট্যাক্স আয়ের উপর নয়, গ্রস প্রাপ্তির (Turnover) উপর গণনা করা হয়।

সহজে মনে রাখার কৌশল
হার ব্যবসা
৩% তামাকজাত পণ্য
২.৫% কার্বনেটেড ও মিষ্টি পানীয়
১.৫% মোবাইল অপারেটর
১% অন্যান্য ব্যবসা

কোন কোন ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স প্রযোজ্য হবে না?
নিম্নোক্ত ব্যবসার ক্ষেত্রে এই উপধারা প্রযোজ্য হবে না—
(ক) সরকারি সংস্থা/রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান/কর্পোরেশন
• সার,
• বীজ,
• নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের আমদানি, বিতরণ বা খোলা বাজারে বিক্রয়।

ব্যাখ্যা: সরকার জনস্বার্থে যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করে, সেগুলোকে টার্নওভার ট্যাক্সের বাইরে রাখা হয়েছে।

(খ) কমিশন ব্যবসা।
ব্যাখ্যা: যারা কমিশনের ভিত্তিতে কাজ করেন, তাদের ক্ষেত্রে এই টার্নওভার ট্যাক্স প্রযোজ্য নয়।

(গ) ডেলিভারি অর্ডার (Delivery Order) ব্যবসা।
ব্যাখ্যা: ডিও-ভিত্তিক ব্যবসাকে এই বিধানের বাইরে রাখা হয়েছে।

(ঘ) মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসা।
ব্যাখ্যা: বিদেশি মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স প্রযোজ্য হবে না।

(ঙ) স্বর্ণ, রৌপ্য, স্বর্ণালংকার, রৌপ্যালংকার, রত্ন-জহরত বা মূল্যবান পাথরের ক্রয়-বিক্রয় ব্যবসা।
ব্যাখ্যা: জুয়েলারি ও মূল্যবান ধাতু/রত্নের ব্যবসাকে এই বিধান থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিশেষ সুবিধা
যদি "অন্যান্য" (১% হার প্রযোজ্য) শ্রেণির কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান হয়, তাহলে বাণিজ্যিক উৎপাদনের প্রথম তিন বছর টার্নওভার ট্যাক্স হবে ০.২%।

ব্যাখ্যা : নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠানকে শুরুতে করের চাপ কমানোর জন্য প্রথম তিন বছর কম হারে টার্নওভার ট্যাক্স দিতে হবে।

Important Point:
সাধারণ হার ১%, কিন্তু নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রথম ৩ বছর = ০.২%।

অতিরিক্ত কর সমন্বয় : যদি করদাতা টার্নওভার ট্যাক্সের চেয়ে বেশি কর প্রদান করেন, তাহলে অতিরিক্ত অংশ পরবর্তী করবর্ষে সমন্বয় করা যাবে।

ব্যাখ্যা : প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কর দিলে সেই অর্থ নষ্ট হবে না; পরবর্তী বছরের করের সঙ্গে সমন্বয় করা যাবে।

উপধারা (৭) : যদি এই আইনের অধীনে কোনো সারচার্জ, অতিরিক্ত কর বা অন্য কোনো অর্থ প্রযোজ্য হয়, তাহলে তা টার্নওভার ট্যাক্সের অতিরিক্ত হিসেবে পরিশোধ করতে হবে।

ব্যাখ্যা : টার্নওভার ট্যাক্স পরিশোধ করলেই সব দায় শেষ হয়ে যায় না। আইন অনুযায়ী যদি সারচার্জ বা অন্য কোনো অতিরিক্ত অর্থ প্রযোজ্য হয়, সেটিও আলাদাভাবে দিতে হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation): "গ্রস প্রাপ্তি (Turnover)"
এই ধারায় গ্রস প্রাপ্তি (Turnover) বলতে বোঝায়—
(ক) পণ্য বিক্রয় বা সেবা প্রদানের মাধ্যমে প্রাপ্ত মোট অর্থ (মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক ব্যতীত)।
(খ) কমিশন, ডিসকাউন্ট, ফি, চার্জ বা সেবা প্রদানের বিনিময়ে প্রাপ্ত অর্থ।

ব্যাখ্যা : টার্নওভার বলতে শুধু পণ্য বিক্রির অর্থ নয়; কমিশন, ফি, চার্জ বা সেবা থেকে প্রাপ্ত অর্থও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, তবে VAT ও সম্পূরক শুল্ক বাদ দিয়ে হিসাব করতে হবে।

ইব্রাহীম গাজী
কর আইনজীবী
#জাতীয়_রাজস্ব_বোর্ড

📋 আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসম্মানিত করদাতা,২০২৬–২০২৭ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন সঠিকভাবে প্রস্তুত ও দাখিল ...
15/07/2026

📋 আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
সম্মানিত করদাতা,
২০২৬–২০২৭ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন সঠিকভাবে প্রস্তুত ও দাখিল করার জন্য অনুগ্রহ করে নিম্নোক্ত তথ্য ও কাগজপত্র প্রস্তুত রাখুন।
💼 ব্যবসা বা পেশা হতে আয় থাকলে
✅ ট্রেড লাইসেন্সের কপি
✅ আয়-ব্যয়ের বিবরণী (০১/০৭/২০২৫ – ৩০/০৬/২০২৬)
✅ স্থিতিপত্র (Balance Sheet) (৩০/০৬/২০২৬ তারিখে)
✅ ব্যাংক স্টেটমেন্ট (০১/০৭/২০২৫ – ৩০/০৬/২০২৬)
👨‍💼 চাকরিজীবীদের জন্য
✅ বেতন বিবরণী / Salary Certificate (০১/০৭/২০২৫ – ৩০/০৬/২০২৬)
✅ ব্যাংক স্টেটমেন্ট (০১/০৭/২০২৫ – ৩০/০৬/২০২৬)
✅ উৎসে কর কর্তনের সনদ (TDS Certificate)
✅ প্রভিডেন্ট ফান্ড (PF) সংক্রান্ত তথ্য (যদি থাকে)
🏠 গৃহসম্পত্তি হতে আয় থাকলে
✅ বাড়ি ভাড়া প্রাপ্তির রশিদ বা ভাড়ার হিসাব
✅ ভাড়ার চুক্তিপত্র (যদি থাকে)
✅ ভাড়া ব্যাংকের মাধ্যমে গ্রহণ করলে ব্যাংক স্টেটমেন্ট
✅ হোল্ডিং ট্যাক্স ও ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধের রশিদ
💰 বিনিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য
✅ DPS-এর তথ্য (০১/০৭/২০২৫ – ৩০/০৬/২০২৬)
✅ জীবন বীমা (Insurance) সনদ
✅ শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের তথ্য
✅ সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য বিনিয়োগের তথ্য
🏦 সম্পদ ও দায়ের বিবরণ
✅ বাড়ি/ফ্ল্যাট/অ্যাপার্টমেন্টের তথ্য
✅ জমি, মোটরযান ও অন্যান্য সম্পদের তথ্য
✅ ব্যাংক ঋণের তথ্য ও প্রমাণপত্র
✅ অন্যান্য ঋণ বা দায়ের তথ্য (যদি থাকে)
📌 প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত কাগজপত্রও লাগতে পারে। তাই আপনার আয় ও সম্পদের ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সকল তথ্য আগে থেকেই প্রস্তুত রাখুন।

💼 Trust Income Tax & Legal Consultancy
✅ Income Tax Return Preparation & e-Return Submission
✅ Tax Planning & Consultancy
✅ e-TIN ও Tax Related Services
📞 যোগাযোগ: 01971-334812
📩 ইনবক্স করুন – নির্ভুল ও ঝামেলামুক্ত আয়কর রিটার্ন সেবার জন্য।

আক্কাস আলীর ৪ তলা বাড়িতে ৮টা ইউনিট, সবকটা ভাড়া দেয়া 🔥প্রতিটি ফ্ল্যাট থেকে মাসে ১৫,০০০ টাকা ভাড়া পাওয়া যায়। সে হিসেবে বাড়...
02/07/2026

আক্কাস আলীর ৪ তলা বাড়িতে ৮টা ইউনিট, সবকটা ভাড়া দেয়া 🔥

প্রতিটি ফ্ল্যাট থেকে মাসে ১৫,০০০ টাকা ভাড়া পাওয়া যায়।

সে হিসেবে বাড়ি ভাড়া বাবদ মাসে ১৫,০০০x৮ বা ১,২০,০০০ টাকা ভাড়া পাওয়া যায়। বছরে পাওয়া যায় ১,২০,০০০x১২ বা ১৪,৪০,০০০ টাকা।

যেহেতু বাড়ির রিপেয়ার ও মেইনট্যানেন্স বাবদ বাড়িওয়ালার খরচ হয়, সেহেতু এই ১৪ লাখ ৪০ হাজার টাকার উপর আক্কাস আলীকে ট্যাক্স দিতে হবে না।

আবাসিক বাড়ি হলে ২৫% এবং বাণিজ্যিক বাড়ি হলে ভাড়া আয়ের ৩০% টাকা ছাড় পাবেন আক্কাস আলী।

ধরে নিলাম, আক্কাস আলীর বাড়িটা আবাসিক। তাহলে ২৫% বাদ দিয়ে তার আয় হয় ১৪,৪০,০০০-১৪,৪০,০০০x২৫% বা ১০,৮০,০০০ টাকা।

সিটি করপোরেশনকে আক্কাস আলী এই বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স দেয় ২৫,০০০ টাকা এবং ইন্সুইরেন্স করার কারণে বীমা প্রিমিয়াম দেয় ১৫,০০০ টাকা।

তাহলে এই দুই খরচ (২৫,০০০+১৫,০০০) বাবদ আরও ৪০,০০০ টাকা বাদ যাবে তার সেই ১০,৮০,০০০ টাকা থেকে।

এসব বাদ দিয়ে ভাড়া বাবদ তার করযোগ্য আয় দাড়ায় ১০,৮০,০০০-৪০,০০০ বা ১০,৪০,০০০ টাকা।

আসেন এইবার তার ট্যাক্স হিসাব করি:
করযোগ্য আয়ের ১ম ৪,০০,০০০*০% বা ০ টাকা
পরবর্তী ৩,০০,০০০*১০% বা ৩০,০০০ টাকা
পরবর্তী ৩,৪০,০০০*১৫% বা ৫১,০০০ টাকা

এভাবে তার গ্রস ট্যাক্স দাঁড়ায় ৮১,০০০ টাকা 🔥

এইবার মনে করেন বাড়ি করার জন্য আক্কাস আলী নিজের পুরো টাকা ব্যবহার করবে না, কিছু টাকা ব্যাংক থেকে লোন নিবে।

সে ব্যাংক থেকে ১ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে বাড়ি তৈরি করলো, ঋণের সুদ ১০% এবং মাসে ঋণের কিস্তি ১ লাখ টাকা 🔥

১ কোটি ঋণ, ১০% সুদ, মাসিক কিস্তি ১ লাখ; এই তথ্যের ভিত্তিতে যদি পেমেন্ট শিডিউল তৈরি করি, তাহলে…

১ম মাসে তার সুদ দিতে হবে ৮৩,৩৩৩ টাকা, আসল পরিশোধ হবে ১৬,৬৬৭ টাকা, অবশিষ্ট ঋণ থাকবে ৯৯,৮৩,৩৩৩ টাকা।

২য় মাসে সুদ ৮৩,১৯৪ টাকা, আসল ১৬,৮০৬ টাকা এবং অবশিষ্ট ঋণ থাকবে ৯৯,৬৬,৫২৮ টাকা।

খেয়াল করেন ১ম মাস থেকে ২য় মাসে তার সুদের পরিমাণ কমে এসেছে, এর কারণ হলো ১ম মাসে সুদ চার্য হয়েছে ১ কোটি টাকার উপর আর ২য় মাসে সুদ চার্য হয়েছে ৯৯,৮৩,৩৩৩ টাকার উপর।

এভাবে দিন যত যাবে মূল ঋণের পরিমাণ কমবে এবং সুদের পরিমাণও কমবে। মানে আসল টাকা পরিশোধের পরিমাণ বাড়বে।

এভাবে ১৫ থেকে ১৬ বছর লাগবে তার ঋণ শোধ করতে।

যাক, আজকের আলোচনা ট্যাক্স নিয়ে, লোনের পেমেন্ট শিডিউল নিয়ে অন্যদিন আলোচনা করবো।

তো যা বলছিলাম, এ বছর আক্কাস আলী ঋণের কিস্তি পরিশোধ করলো ১২ লাখ টাকা, তার মধ্যে সুদ ৯,৮৮,০০০ টাকা 🔥

এ অবস্থায় আক্কাস আলীর করযোগ্য আয় হবে:
বাড়ি ভাড়া প্রাপ্তি ১৪,৪০,০০০
(-) রিপেয়ার ২৫% ৩,৬০,০০০
(-) হোল্ডিং ট্যাক্স ২৫,০০০
(-) বীমা প্রিমিয়াম ১৫,০০০
(-) ঋণের সুদ ৯,৮৮,০০০

সুতরাং আক্কাস আলীর করযোগ্য আয় মাত্র ৫২,০০০ টাকা 🔥

আর আপনারা তো জানেনই ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত করযোগ্য আয়ের উপর ট্যাক্স শূন্য।

সুতরাং বাড়ি ভাড়া আয়ের উপর জনাব আক্কাস আলীর ট্যাক্স দিতে হচ্ছে না 😊

এটা বৈধ পদ্ধতি, আয়কর আইনে এ সুযোগ রাখা হয়েছে ✅

এখন নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন ধনীরা কেনো ব্যাংক লোন নিয়ে বাড়ি বানায় 🤷‍♂️

প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন:

ইব্রাহীম গাজী
কর আইনজীবী
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
01971-334812


💰 বছর শেষ হওয়ার আগেই Tax Planning করুন, Legal উপায়ে Tax কমান!আপনি যদি একজন নিয়মিত করদাতা হন, তাহলে এখনই Tax Planning করা...
27/06/2026

💰 বছর শেষ হওয়ার আগেই Tax Planning করুন, Legal উপায়ে Tax কমান!

আপনি যদি একজন নিয়মিত করদাতা হন, তাহলে এখনই Tax Planning করার উপযুক্ত সময়।

সঠিক Tax Planning-এর মাধ্যমে সম্পূর্ণ আইনসম্মতভাবে আপনার Tax Liability উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

📌 একটি উদাহরণ দেখুন:

🔹 মাসিক বেতন: BDT 86,500
🔹 বার্ষিক বেতন ও বোনাস: প্রায় BDT 11,25,000

প্রযোজ্য Allowance ও Exemption বাদ দেওয়ার পর Taxable Income দাঁড়ায় প্রায় BDT 7,50,000।

➡️ এ ক্ষেত্রে আপনার Income Tax হতে পারে প্রায়
BDT 41,250।

কিন্তু সঠিক Tax Planning ও Tax Rebate-এর সুবিধা গ্রহণ করলে আপনাকে মাত্র BDT 18,750 Tax দিয়েই Return সম্পন্ন করা সম্ভব (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

📊 Tax Rebate কীভাবে নির্ধারণ হয়?

Rebate Limit হবে নিচের ৩টির মধ্যে যেটি সর্বনিম্ন—

✅ Taxable Income-এর 3%
✅ Eligible Investment-এর 10%
✅ আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমা 7.5 lac

উদাহরণস্বরূপ, BDT 2,25,000 Eligible Investment করলে আপনি BDT 22,500 পর্যন্ত Tax Rebate পেতে পারেন।

⏳ Tax Rebate সুবিধা পেতে ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যে প্রয়োজনীয় Investment সম্পন্ন করুন।

আপনার ব্যক্তিগত Tax Planning, Tax Return Filing অথবা Tax Consultancy প্রয়োজন হলে ইনবক্স করুন।

WhatsApp 01741791991

Regards,
ইব্রাহীম গাজী
Income Tax Consultant

Address

35 Milestone Bijoy Tower, Bijoynagor
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Trust Income Tax & Legal Consultancy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share