Swiss Cafe

Swiss Cafe Change Your Perception

Happy May day.. International Workers Day ........
01/05/2023

Happy May day.. International Workers Day ........

সবাইকে জি.এম ফুড এন্ড বেভারেজ পরিবারের পক্ষ থেকে পবিত্র মাহে রমজানের অগ্রিম শুভেচ্ছা।🤲
23/03/2023

সবাইকে জি.এম ফুড এন্ড বেভারেজ পরিবারের পক্ষ থেকে পবিত্র মাহে রমজানের অগ্রিম শুভেচ্ছা।🤲

( কফির জন্মস্থান ) #ইথিওপিয়া সারা বিশ্বে কফির জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত । ইথিওপিয়ান কফি সম্মন্ধে বলতে গেলে কোথা থেকে শুরু ...
19/03/2023

( কফির জন্মস্থান )
#ইথিওপিয়া সারা বিশ্বে কফির জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত । ইথিওপিয়ান কফি সম্মন্ধে বলতে গেলে কোথা থেকে শুরু করা হবে সেটা ঠিক করে বলা দায়। এই দেশে কফির প্রাপ্ত স্বাদের মত কফি উৎপাদনের প্রায় প্রতিটি দিকই বাতিক্রমি। আমরা জানি যে ইথিওপিয়া মানব সভ্যতার ইতিহাসে একটি বিশেষ স্থান। মানব জাতির প্রাচীন বসতি এবং বেশ কয়েকটি প্রাচীন আফ্রিকান সংস্কৃতির একটি উল্লেখ্য দেশ। প্রাচীন কাল থেকেই দেশটি অনেক অসুবিধার সম্মুখিন হয়ে আসছে যেমন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং খরা। বিগত বছর গুলিতে ইথিওপিইয়া দ্রুত
বিকাশ হয়েছে এবং কফি এই বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

#ইথিওপিয়াতে কফির প্রথম উল্লেখ্য ৯০০ সালের দিকে যা আরবি নথি গুলিতে পাওয়া যায়। নথিগুলি``বুনা’ নামে একটি অদ্ভত নতুন পানিয়র কথা উল্লেখ করে যা সারা দেশে সেই সময় খাওয়া হচ্ছিল। বর্তমান ইথিওপিয়াতে স্থানীও ভাষায় কফিকে বুন’’ বা ``বুনা’’ বলা হয়। কফির উৎপত্তিস্থলের নাম ছিল কাফা,তাই কফিকে কখনও কখনও ``কাফা বান’’ বা কাফা থেকে পাওয়া কফি হিসেবে উল্লেখ্য করা হত।এই কারনে কেউ কেউ বিশ্বাস করে যে কফি বিন শব্দটি ``কাফা বান’’এর একটি ইংরেজিকরণ। কফি গাছ গুলি প্রধানত ইথিওপিয়ার দক্ষিণ -পশ্চিমাঞ্চলে জন্মে এবং কফির জন্য বিখ্যাত অঞ্চলগুলি হল ইরগাচেফে,সিদামো,কাফা,বুনো,হারার,জিম্মাহ বা লিমু।

#ইথিওপিয়ায় যে কফির জাতটি বেশি উৎপাদিত হয় সেটির নাম হল এরাবিকা।কাফা এবং বুনো জেলার পাহাড়ে এরাবিকা কফি বন্যভাবে জন্মায় তাই সেসব এলাকায় ধীরে ধীরে অনেক কফি খামার গড়ে উঠে।বর্তমান ইথিওপিনাদের কফি চাষে ৯৮% ছোট আকারের খামার, কারণ কফি এখনও সেখানে অনেক এলাকায় বন্যভাবে প্রচুর জন্মায়। কৃষকরা ৪টি পদ্ধতি ব্যবহার করে চাষ ও সংগ্রহ করে। ১ফরেষ্ট কফি,২ সেমি ফরেষ্ট কফি,৩ বাগান কফি, প্লান্টেশন কফি। কফি উৎপাদনের পরিমাণের ক্ষেত্রে ইথিওপিয়া বিশ্বব্যাপী পঞ্চম স্থানে রয়েছে। নেতৃস্থানীয় দেশগুলি হল ব্রাজিল,ভিয়েতনাম,কলম্বিয়া এবং ইন্দোনেশিয়া।

#মজার ব্যাপার হল ইথিওপিয়ায় তাদের নিজেদের চাহিদা অনুযায়ী যে পরিমান কফি ব্যাবহার করে টা তাদের মোট উৎপাদনের প্রায় অর্ধেকের বেশী। ২০১৬ সালে এক জরিপে দেখা যায় তারা মাথা পিছু ২.২৬ কেজি করে কফি ব্যাবহার করে। সেখানে ১০৫ মিলিয়ন ইথিওপিয়ানদের মধ্যে ১৫ মিলিয়নের বেশি মানুষ কফি সেক্টরে নিযুক্ত রয়েছে। তাদের রপ্তানির প্রায় ৩৫% এবং বিদেশ থেকে আসা রাজস্বের প্রায় ৬০% অংশ আশে কফি খাত থেকে। দেশটি প্রতি বছর ২০০.০০০ টন কফির বেশি উৎপাদনে সক্ষম। কফি ইথিওপিয়ান সংস্কৃতি এবং দৈনন্দিন জীবনের একটি প্রধান উপাদান হয়ে উঠতে বেশি সময় নেয়নি, যা আজ অবধি রয়েছে।

আমদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

কফির ইতিহাস                       পর্ব- ১অন্যান্য অনেক গল্পের মতো কফির ইতিহাস অনেক আগে শুরু হয়। এই বিষয়ে ২টি কিংবদন্তী র...
13/03/2023

কফির ইতিহাস
পর্ব- ১

অন্যান্য অনেক গল্পের মতো কফির ইতিহাস অনেক আগে শুরু হয়। এই বিষয়ে ২টি কিংবদন্তী রয়েছে, একটি আফ্রিকার প্রাণকেন্দ্র ইথিওপিয়ায় এবং অন্যটি ইয়েমেনে। তবে ইথিওপিয়ান কিংবদন্তিটি জনপ্রিয় এবং গ্রহণযোগ্য বলে মনে করা হয়। এই জনপ্রিয় ইথিওপিয়ান কিংবদন্তি আমাদেরকে একটি অসাধারণ আবিষ্কারের কথা বলে যা বিশ্বকে বদলে দিয়েছে।

> নবম শতাব্দীর দিকে ইথিওপিয়ান উচ্চ ভূমিতে কালদি নামে একজন ছাগল পালনকারী তার ছাগলের দলকে চড়াতে গিয়ে লক্ষ্য করে তার কিছু ছাগল নিখোঁজ হয়েছে। সে ছাগলগুলোকে খুঁজতে খুঁজতে পাহাড়ের উপর দিকে গিয়ে দেখে তার ছাগলগুলি ঝোপের মতো দেখতে অপরিচিত গাছের লাল ফল (কফি বেরী) খাচ্ছে এবং এই ফল খেয়ে ছাগলগুলি ভীষণরকম চঞ্চল হয়ে লাফালাফি করছে এবং ডাকছে।

কালদি বুঝতে পারে ছাগলগুলি ওই লাল বেরী খেয়েই এমন উত্তেজিত হয়ে আছে। সে তখন বেশ কিছু সেই লাল বেরী তুলে নিয়ে আসে। এই লাল বেরী নিয়ে কালদি পরামর্শ নেয়ার জন্য তাদের মঠে যান। সন্ন্যাসীরা সব শুনে বেরীগুলো শয়তানের সৃষ্ট বলে আগুনে ফেলে দেন। গল্পটি এখানেই শেষ হতে পারতো কিন্তু ইতিহাস হবে বলে বোধহয় তা শেষ হয়নি।

বেরীগুলি আগুনে পুড়ে যখন ভিতরের বীজ পুড়ছে তখন কফির শক্তিশালী সুবাস সন্ন্যাসীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তারা ছাই থেকে বীজগুলি সংগ্রহ করে সেগুলোকে পিষে গরম জলে মিশিয়ে তার স্বাদ গ্রহণ করে এবং সন্ন্যাসীরা নিমিষেই চাঙ্গা হয়ে যায় এবং শরীরের ভেতর শক্তি অনুভব করে। তারা বুঝতে পারে এর ভিতর শক্তিবর্ধক উপাদান রয়েছে। এরপর সন্ন্যাসীরা প্রতিদিন নিয়মিত কফি পান করতে থাকে।

তারা লক্ষ্য করে এই কফি পান করার ফলে তাদের প্রার্থনা দীর্ঘ এবং ভালো হয়। এই কারণে খুব দ্রুত এই অঞ্চলে কফির প্রথম ব্যবহার শুরু হয় একটি খাবার হিসেবে।

কালদির গল্প তার ছাগল এবং সন্দেহপ্রবন সন্নাসী সম্ভবত একটি কিংবদন্তি। তবুও আমরা জানি যে 'ইথিওপিয়া' মানব সভ্যতার ইতিহাসে একটি বিশেষ স্থান। ইথিওপিয়া মানব জাতির প্রাচীন বসতি এবং বেশ কয়েকটি প্রাচীন আফ্রিকান সংস্কৃতির একটি উল্লেখ্য স্থান। এখানেই রয়েছে বিশ্বের প্রাচীনতম খ্রিস্টান গীর্জাগুলির একটি, এটি সম্ভবত কফি খাওয়ার প্রথম স্থানগুলোর মধ্যে একটি, চোলই হিসেবে নয় বরং খাদ্য হিসেবে। কালদির প্রিয় ছাগলের মতো ইথিওপিয়ানরা বেরী চিবিয়ে কফি আবিষ্কার করে।

যাইহোক, কফি ইথিওপিয়ান সংস্কৃতি এবং দৈনন্দিন জীবনের একটি প্রধান উপাদান হয়ে উঠতে বেশি সময় নেয়নি, যা আজ অবধি রয়েছে। দ্বিতীয় কিংবদন্তিটি ইয়েমেনের, সেটি আমরা জানবো পরবর্তী পর্বে।

আমাদের সাথে থাকবার জন্য ধন্যবাদ।

 #প্রতিদিন আপনি ঘুম থেকে উঠে আপনার নতুন দিনটি শুরু করেন। কেও বা আগে আবার কেও বা ফ্রেশ হয়ে এক কাপ কফি পান করেন। এই কফির ত...
11/03/2023

#প্রতিদিন আপনি ঘুম থেকে উঠে আপনার নতুন দিনটি শুরু করেন। কেও বা আগে আবার কেও বা ফ্রেশ হয়ে এক কাপ কফি পান করেন। এই কফির তিক্ত স্বাদ এবং পোড়া পোড়া বিশেষ গন্ধে কিছু একটা রয়েছে যা নিমিষেই আপনাকে ফ্রেশ করে দেয় এবং শুধু আপনই একমাত্র নন যিনি এই পুনরুজ্জীবিত পানীয়টির স্বাদে বিমহিত হন। এটা আনুমান করা হয় যে বর্তমান সারা বিশ্বে প্রায় ২.২৫ মিলিয়ন কাপ কফি খাওয়া হয়। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি কফি হাউজ গুলই সামাজিক কার্যকলাপ, বিনদোন এবং সবার সাথে যোগাযোগের একটি কেন্দ্র হয়ে আছে এবং সেটা কয়েক শতাব্দী ধরে ।এক কথায় বলতে গেলে কফি এখন আমাদের জিবনের একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে গেছে।

এই কফিকে খুঁজে পাওয়ার অদ্ভুত ঘটনাটি ঠিক কখন এবং কোথায় শুরু হয়ে ছিল এবং কিভাবে কফি বিশ্বকে জয় করেছিল, কিভাবে প্রাচিন ইথিয়পিয়াতে এর সূচনা হয় এবং সেখান থেকে শুরু করে ইসলাম ও খ্রিস্টধর্ম থেকে ধর্মীও চ্যালেঞ্জ এর মুখমুখি হয়ে প্রাচ্যের ইউরোপের প্রবেশ এবং কিভাবে কফি বদলে দেয়ার পৃথিবীর এনার্জি হোল এ এক বিশাল সফরের ইতিহাস । আমরা চেষ্টা করব পার্ট করে কফির সেই বিশ্ব ব্যাপী সফরের ইতিহাসটাকে কিছুটা ফিরে দেখা।

04/03/2023
Black Premium Coffee in new look🤩🤩😍
16/02/2023

Black Premium Coffee in new look🤩🤩😍

3in1 in new packaging🤩🤩
16/02/2023

3in1 in new packaging🤩🤩

Address

105/C(4th Floor) 5-B, West Agargaon, Sher/E/Bangla Nagar
Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801958522000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Swiss Cafe posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Swiss Cafe:

Share