The Lanvin

The Lanvin The capsule market is a thriving market. From where you can buy women cosmetics, jewelry, sarees and men's t shirts. And you will get guaranteed service.

This is a market where we are emphasizing the quality of the product. We deliver our quality products

03/01/2026

Beauty is truth, truth is beauty that is all ye know on earth,
and all ye need to know.

— John Keats

🥰❤️
02/07/2025

🥰❤️

গাধা ও বাঙালি: একটি আত্মিক মিলের ব্যাখ্যা

আমার দৃঢ় বিশ্বাস, "বাঙালি" শব্দটি নয়, বরং "গাধা" শব্দটি দিয়েই আমাদের জাতিগত স্বভাব বোঝানো যেত অনেক বেশি সুচারুভাবে। কারণ যতবার গাধার কথা মনে হয়, আমি বিস্ময়ে কাঁপতে থাকি—এই প্রাণীটি তো আমাদের আত্মীয়! শুধু আত্মীয় নয়, আত্মীয়ের আদর্শ প্রতিমূর্তি!

গাধা, যেমন নীরব; আমরাও তেমন। যতই অন্যায় হোক, গাধার মতো ঘাড় নিচু করে নিঃশব্দে মেনে নিই। প্রতিবাদের চিৎকার কেবল ফেসবুকেই সীমাবদ্ধ, বাস্তবে আমরা ঠোঁট চেপে থাকি। কেউ যেন শুনে না ফেলে, আমাদের মধ্যে এখনও সামান্য আত্মসম্মান অবশিষ্ট আছে।

গাধা কাজ করে, আর আমরা করি কর্মনাট্য। গাধা টেনে টেনে মালবাহী গাড়ি চালায়, আর আমরা টেনে টেনে দেশের উন্নয়ন কাহিনী সাজাই। গাধার শরীরে ঘাম ঝরে শ্রমের ফসল ফলাতে, আর আমাদের শরীরে ঘাম ঝরে লাইনে দাঁড়িয়ে ভাতা নিতে কিংবা সরকারি প্রজেক্টের টেন্ডার ধরতে।

গাধা তার মালিকের লাঠির শব্দ শুনলেই সামনে ছুটে চলে, যেমন আমরাও রাজনীতিক নেতার মাইক্রোফোন শুনলেই নেচে উঠি। সে জানে না কোথায় যাচ্ছে, আমরা জানি না কেন যাচ্ছি—তবু চলছি, হাঁটছি, ছুটছি, স্লোগান দিচ্ছি। কারণ মালিক বলেছে—যাও।

গাধার কোনো ধর্ম নেই, যেমন আমাদের ধর্ম আছে—কিন্তু আচরণে নেই। গাধা কখনো হিন্দু বা মুসলমান হয় না, ওর মাথায় টুপি বা তিলক পড়ে না। অথচ আমরা টুপি, পাঞ্জাবি, তিলক আর শঙ্খে বিভক্ত হয়ে থাকি—কিন্তু কাজে সবাই গাধা। গাধার একমাত্র ধর্ম হলো—কাজ করে যাও, মাথা নিচু করো। আমাদের ধর্ম হলো—কাজ না করে মাথা উঁচু করে ঝগড়া করা।

গাধার কান বড়ো, কারণ সে সব শোনে, কিছুই বলে না। আমরা সেসব মানুষের উত্তরসূরি, যারা হাজার হাজার বছর ধরে রাজা, জমিদার, ব্রিটিশ, পাকিস্তানি, রাজনৈতিক নেতা—সবার গালি শুনেছে, কিন্তু চিৎকার করেনি। ইতিহাসের সবচেয়ে ধৈর্যশীল জাতি, আমাদেরই হওয়া উচিত ছিলো গাধা জাতীয় উৎসবের জনক।

গাধার মতোই আমাদের স্মৃতি দুর্বল। গাধাকে এক জায়গায় একবার মারলে সে আবার সেখানেই ফিরে যায়। আমরাও একবার যে রাজনীতিক আমাদের ঠকিয়েছে, পরের নির্বাচনে তাকেই ভোট দিয়ে আবার ঠকি। গাধার মস্তিষ্ক ছোটো, আমরা সেই ছোটো মস্তিষ্ককেই জাতীয় সম্পদ মনে করি।

গাধা জ্ঞানচর্চা করে না। বই পড়ে না। আমরা অনেকেই তাই করি। যে জাতি “পাস” করাকে শিক্ষা মনে করে, তাদের জন্য বইয়ের তুলনায় ফেসবুক বেশি গুরুত্বপূর্ণ, টিকটক বেশি শিক্ষনীয়। গাধা কাদায় পড়ে থাকলেও, নিজেকে রাজহাঁস ভাবে না। কিন্তু আমরা কাদায় গড়াগড়ি দিয়ে চিৎকার করি—“এই তো উন্নয়ন”।

গাধা পাহাড়ে ওঠে না, তার গন্তব্য ধানক্ষেত বা ইটভাটা। আমরাও উন্নয়নের পাহাড় দেখি না, দেখি হাওলাদারের বাড়ি, দেখি সরকারি চাকরির ঘুষের তালিকা। উচ্চাভিলাষে আমরা ধ্বংস হই না, কারণ উচ্চতা শব্দটাই আমাদের অভিধানে নেই।

গাধা মাঝে মাঝে ডাকে, কিন্তু তা নিয়মিত নয়। আমরাও মাঝে মাঝে গর্জে উঠি, বিশেষ করে স্ট্যাটাসে। বাস্তবে গলা তুলি না। কারণ আমরা জানি, গলার দাম নেই। যাদের গলা আছে, তাদের পেছনে র‌্যাব, পুলিশের লাঠি, আদালতের নোটিশ।

গাধা তার পিঠে অন্যের বোঝা বহন করে, আমরাও তাই করি। পুরো সমাজ, রাষ্ট্র, দুর্নীতি, পরিবারের চাপ, আত্মীয়ের অসুখ, বেকারত্বের যন্ত্রণা—সবই কাঁধে নিয়ে চলি। তবুও থামি না, বিদ্রোহ করি না। যেন আমরা জাতিগতভাবে গাধা হয়ে গেছি—ভালোবাসি বোঝা বইতে।

আমাদের শিল্পকলা, সাহিত্য, সংস্কৃতি—সব আজ এমন এক জায়গায় এসে পৌঁছেছে, যেখানে গাধার হেঁটে চলা নান্দনিক মনে হয়। কবিতা এখন শুধু প্রেমের নয়, তেল মারারও মাধ্যম। নাটক এখন জীবন নয়, রাজনৈতিক নাচ। সিনেমা এখন শিল্প নয়, কন্টেন্ট। গাধা যেমন গাড়ি টানে, তেমনি শিল্পও আজ দালালের গাড়ি টানছে।

গাধা কখনো বিক্ষোভ করে না। তাই আমাদের ইতিহাসেও কোনও সফল বিদ্রোহ নেই। যতটুকু আছে, সেটুকু ইতিহাসের বইয়ে শুধু নামমাত্র লিখে রাখা। বাস্তব জীবনে গাধাদের জন্য কোনও মেমোরিয়াল হয় না। শুধু নেতা, সেলেব আর বুদ্ধিজীবীদের কৃতিত্বে ভরে থাকে রাষ্ট্রের মঞ্চ।

গাধা জীবনে বড় কিছু হতে চায় না। আমরাও চাই না। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বিজ্ঞানী হতে চাই—তবে পড়াশোনা ছাড়াই। পদ্মা সেতু বানাতে চাই—তবে চাঁদা দিয়ে নয়, ফেসবুক পোস্টে। মহাকাশে যেতে চাই—তবে অঙ্ক না করে। উন্নয়নের স্বপ্ন দেখি, কাজের ঘোরে নয়, ঘুমের ঘোরে।

গাধার প্রেমজ জীবনও আমাদের মতোই জটিল। সে ঘাড় কাত করে একে অপরকে দেখে, তারপর প্রেমে পড়ে। আমরা মেসেঞ্জারে ১০০ মেসেজ পাঠিয়ে, ইনবক্সে “Seen” হয়ে প্রেমে পড়ি। গাধা প্রেমে ব্যর্থ হলে দুঃখ করে না, কিন্তু আমরা ব্যর্থ প্রেমের কষ্টে পোস্ট লিখি, কবিতা লিখি, মাঝে মাঝে গান গাই—“তুই না থাকলে জীবন থেমে যেতো।”

গাধার কোনো পাসপোর্ট নেই, তবুও সে সীমানা পেরোয় না। আমরাও পাসপোর্ট পেয়েও বিদেশ যেতে ভয় পাই। আবার যারা যায়, তারা আর ফেরে না। ফিরে এলেও গাধার মতো হাঁটা ভুলে যায়, তখন সে আর বাঙালি থাকে না, বিদেশফেরত ভদ্রলোক হয়ে যায়।

গাধা প্রযুক্তির প্রতি উদাসীন। আমরা প্রযুক্তি চাই, তবে সেটাও গাধার মতো ব্যবহার করি। ফোন হাতে পেলেই সেলফি, ভিডিও, রিলস; কেউ জানতে চায় না সেই প্রযুক্তি দিয়ে কীভাবে উন্নয়ন সম্ভব। আমাদের ছেলেমেয়েরা এখন ‘গুগল’ লেখে ভুল বানানে, কিন্তু ফিল্টার ঠিক ঠিক বেছে নেয়।

আমাদের গাধামি এখন এমন পর্যায়ে গেছে যে আমরা নিজের গাধামিকেই গৌরব মনে করি। একে বলে “ফিলোসফিক্যাল গাধামি”—অর্থাৎ, ভুল করেও ভুল মানি না। যারা আমাদের গাধামি ধরিয়ে দেয়, তাদের বলে ‘এন্টি-নেশনাল’, ‘গেলাম-গেলাম পার্টি’ অথবা ‘পদ্মাসেতু-বিরোধী’।

শেষ কথা হলো—গাধা তার গাধামি নিয়ে লজ্জিত নয়, আমরাও নই। বরং গর্ব করি। গাধা চুপচাপ থেকে কাজ করে, আর আমরা চুপচাপ থেকে গর্ব করি।

তবে একটা পার্থক্য থেকেই যায়। গাধা যতই কাজ করুক, সে কখনো মালিক হয় না। আর আমরা যতই গাধামি করি না কেন, সবশেষে একেকজন ছোটোখাটো মালিক হয়ে যাই—ভূমির, পদ-পদবির, বা দম্ভের মালিক।

তাই হয়তো গাধা এখন অবাক হয়ে ভাবে, “ওই যে বাঙালিরা, তারা কি আমার উন্নত সংস্করণ?”

না বন্ধু, আমরা গাধারও নিচে। কারণ গাধা জানে সে গাধা। আমরা জানি না।

___ শ্যামল নাথ
প্রবন্ধ, গাধার প্রতিভা।।

#ব্যঙ্গাত্মকরচনা #বাংলারগাধামি #সামাজিকব্যঙ্গ

বাবা।।
15/06/2025

বাবা।।

বাবা দিবসে আমার নায়ক: দিলিপ দেবনাথ — একজন গ্রামের চিকিৎসকের মহৎ জীবনগাথা

আমার বাবা, আমার অহংকার
আজ বাবা দিবস। এই দিনে কেউ বাবার সঙ্গে ঘোরা-ফেরা করে, কেউ ছবি দিয়ে ভালোবাসা জানায়। আর আমি লিখতে বসেছি আমার বাবাকে নিয়ে—দিলিপ দেবনাথ—যিনি শুধু আমার বাবা নন, শত শত মানুষের প্রাণ রক্ষা করা এক নিঃশব্দ সৈনিক। তিনি শুধু রোগ সারান না, মানুষের হৃদয়ও স্পর্শ করেন।

পেশায় তিনি একজন পল্লী চিকিৎসক, কিন্তু তাঁর অবদান ও মানবিকতা তাঁকে এনে দিয়েছে অসংখ্য মানুষের হৃদয়ের আসন।
লক্ষ্মীপুর জেলার হাসন্দী নামের ছোট্ট এক গ্রামে তাঁর জন্ম। এই গ্রামই তাঁর হৃদয়ের মূল কেন্দ্র, তাঁর আত্মার আবাস। কিন্তু তাঁর পরিচিতির পরিধি হাসন্দী পেরিয়ে ছড়িয়ে গেছে কালিকাপুর, রসুলপুর, বিজয়নগর, বদপুর, গাজীপুর-শ্রীপুর, সাহাপুর, রোকনপুর, বিরাহিমপুর, নদীগ্রাম, সোনাপুরসহ আশপাশের বহু গ্রামে। ওইসব গ্রামের মানুষ তাঁকে চিনেন শুধু চিকিৎসক হিসেবে নয়, একজন ভরসার প্রতীক, একজন “জীবনদাতা” হিসেবে।..

বাংলাদেশ থেকে ভারত, আবার ফিরে আসা—শুধু মানুষের জন্য
নব্বইয়ের দশকের কোনো এক সময় ধর্মীয়-সামাজিক বাস্তবতায় তিনি দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান। তাঁর বাবা-মা, ভাই-বোনেরা সেখানেই থেকে যান। কিন্তু তিনি? মাত্র তিন মাসের মাথায় ফিরে আসেন এই হাসন্দী গ্রামে। কেন?
কারণ, এই মাটি, এই মানুষ তাঁর হৃদয়ের সঙ্গে এমনভাবে জড়িয়ে গিয়েছিল যে, তাঁদের ডাকে সাড়া না দিয়ে তিনি থাকতে পারেননি। গ্রামের মানুষদের কান্না, অসুস্থ সন্তানের দিকে তাকিয়ে মায়ের আকুতি, বৃদ্ধ বাবার নিঃশব্দ আহ্বান—সব কিছু মিলিয়ে তাঁর ভেতরের সেই চিকিৎসক মানবতাবাদী মানুষটিকে ফের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনে।
তিনি একজন পল্লী চিকিৎসক। কিন্তু এই পরিচয় দিয়ে তাঁকে ছোট করা হয়। কারণ তাঁর হাতে অনেক অসাধ্য সাধিত হয়েছে। এমন বহু রোগী ছিলেন যাঁদের ঢাকার নামকরা অধ্যাপক চিকিৎসকরাও ‘হার মানা’ রোগী বলে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু দিলীপ দেবনাথ তাঁর অভিজ্ঞতা, মমত্ববোধ আর নিঃস্বার্থ সেবার মাধ্যমে তাঁদের নতুন জীবন দিয়েছিলেন।
নব্বইয়ের দশকে পারিবারিক ও ধর্মীয় কারণে তিনি দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান। তাঁর বাবা-মা, ভাই-বোনেরা সেখানেই থেকে যান। কিন্তু মাত্র তিন মাসের মাথায় হাসন্দী গ্রামের মানুষ যখন তাঁদের ডাক্তারকে ফিরে পাওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করে, তখন সব কিছু ছেড়ে তিনি ফিরে আসেন নিজের মাটিতে—জনগণের ডাকে সাড়া দিয়ে।
..
গ্রামের চিকিৎসক, হৃদয়ে মহৎ এক মানুষ
ডা. দিলিপ দেবনাথ কোনো বড় ডিগ্রিধারী এমবিবিএস নন। কিন্তু তাঁর হাতে ফিরে পেয়েছে অসংখ্য মানুষ প্রাণ, নতুন জীবন। এমন অনেক রোগী ছিলেন যাদের ঢাকার নামজাদা হাসপাতালের প্রফেসররাও “শেষ” বলে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। অথচ সেই “শেষ” শব্দের পরও, দিলিপ দেবনাথ তাঁদের দিয়েছেন “আশা”, “চেষ্টা” আর “সেবা”—যার ফলেই কেউ ফিরে পেয়েছে তার সন্তানকে, কেউ ফিরে পেয়েছে তার মা-বাবাকে।
লোকেরা এখনো বলেন—
“দিলিপ ডাক্তার? ওনার হাতে আলাদা কিছু আছে। ওষুধের চেয়ে বেশি কাজ করে ওনার মন।”..
একজন ডাক্তার নন, একজন বাবা—একজন মানবতার দৃষ্টান্ত
তিনি শুধু আমাদের পরিবারের কর্তা নন, আমাদের জীবনের গর্ব। কিন্তু তাঁর ছায়া ছড়িয়ে আছে আরও বহু পরিবারে—যারা তাকে চেনে না শুধু একজন ডাক্তার হিসেবে, চেনে একজন আশ্বাসদাতা হিসেবে। তাঁর সেবা জীবনের কোনো দাম নেই। তিনি কখনো রোগীর টাকার কথা ভাবেন না। কখনো মাঝরাতে ডাক এলে দ্বিধা করেন না। তাঁর চেম্বারে কোনো জাত-ধর্ম নেই—সবাই মানুষ, সবাই রোগী, সবাই তাঁর পরিবারের অংশ।..
বাবার একটা কথা আজও কানে বাজে—

“ডিগ্রি পেলে ডাক্তার হওয়া যায়, কিন্তু মানুষ না হলে সেই ডিগ্রির কোনো মূল্য নেই।”
এই কথাটা আজও আমাকে ভাবায়। আজ যখন আমরা সমাজে প্রতিষ্ঠা, চাকরি, বেতন আর বিদেশের পেছনে ছুটি—তখন বাবার এই একটি কথা যেন আমাদের ফিরিয়ে আনে শেকড়ে, আমাদের শেখায় মানুষ হয়ে উঠার অর্থ।..
কেন তিনি অনন্য?
• নিজ গ্রামের মানুষের আহ্বানে বিদেশ ছেড়ে ফিরে এসেছেন
• ধর্ম, জাত, ভাষা—সব ভুলে মানুষকে বেছে নিয়েছেন সেবার লক্ষ্য
• অসাধারণ রোগীসেবা, যেখান থেকে জীবনের শেষ আশাটুকু ফিরিয়ে এনেছেন
• নিরহঙ্কার, সৎ, সহানুভূতিশীল এক মানবিক জীবনের প্রতিচ্ছবি
• আজও প্রতিদিন গ্রামের অলিগলিতে তাঁর নাম ভালোবাসার সুরে উচ্চারিত হয়..

এই বাবা দিবসে আমার প্রার্থনা
আমি চিৎকার করে বলতে চাই:
“আমার বাবা একজন নায়ক। তাঁর নাম দিলিপ দেবনাথ। তিনি কোনো খ্যাতিমান চিকিৎসক নন, কিন্তু তিনি হাজারো মানুষের প্রাণের মানুষ।”
আমার একটাই চাওয়া—এই দেশ যেন আরও অনেক দিলিপ দেবনাথ পায়। যেন প্রতিটি গ্রাম পায় একজন নীরব চিকিৎসক যিনি শুধু রোগ সারান না, মানুষের হৃদয়ও স্পর্শ করেন।..
পরিশেষে একটুকু বলতে পারি,
আজও তিনি কাজ করে চলেছেন। কোনো ক্লিনিকের বিলবোর্ডে তাঁর নাম নেই, নেই টেলিভিশনের সাক্ষাৎকারে অংশ নেওয়ার সময়। অথচ প্রতিদিন সকালে ঘুম ভাঙে একটাই দায়িত্ববোধ নিয়ে— “কে যেন অপেক্ষা করছে, ওষুধ চাইছে, পরামর্শ চাইছে, বাঁচতে চাইছে”।
আপনার হাতে মানুষ শুধু ওষুধ পায় না, পায় ভরসা, আশ্বাস, আর ফিরে পাওয়ার আশ্চর্য এক সাহস।

বাবা, এই লেখা শুধু আপনার জন্য। আপনি হয়তো কখনো নিজের কাজ নিয়ে কিছু বলেন না, কোনো স্বীকৃতি চান না। কিন্তু আজ আমি চাই, সবাই জানুক—একজন ডাক্তার হতে এমবিবিএস লাগে, আর একজন মহান মানুষ হতে লাগে হৃদয়, মাটি, আর ভালোবাসা। আপনি সেই মানুষ।
বাবা দিবসে আমি কিচ্ছু চাই না। শুধু চাই, আপনার মতো মানুষদের গল্প হোক লেখা, শোনা, ছড়িয়ে দেওয়া। যেন আমাদের সন্তানরাও জানে, বীরত্ব সবসময় ব্যাজ বা সার্টিফিকেটে আসে না—অনেক সময় সেটা আসে একটি ব্যাগ, একটি স্টেথোস্কোপ, আর সীমাহীন ভালোবাসা নিয়ে।

শুভ বাবা দিবস। শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা জানাই আপনাকে—দিলীপ দেবনাথ, আমার বাবা।

#মানবতার_ডাক্তার #সম্প্রীতির #গল্প #বাবা #বাবারা #আমার #অহংকার #বাবদিবস #জীবনের #নায়ক #বাবাদিবস

03/06/2025

Follow your dream. Don't try to full fill others dream or Don't take others dream as your wish...

03/10/2024

বুদ্ধিমান লোক জরুরী কাজেই তার জীবন ব্যয় করে”

——প্লেটো

হাসতে না কি মানা!স্থান : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।।
17/07/2024

হাসতে না কি মানা!

স্থান : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।।

আমি ভীষণ ভুল করেছিপাথরগুলি না ভেঙে আজ ছড়িয়ে যদি দিতামবাজারের ওই জনপ্রিয় মাছের খেতাব পেতাম।© শ্যামল নাথ ।। আমি ভীষণ ভুল ক...
05/05/2024

আমি ভীষণ ভুল করেছি
পাথরগুলি না ভেঙে আজ ছড়িয়ে যদি দিতাম
বাজারের ওই জনপ্রিয় মাছের খেতাব পেতাম।

© শ্যামল নাথ ।। আমি ভীষণ ভুল করেছি ।। ঝরা পাতায় জল (কাব্যগ্রন্থ)

২০১৩ সালে অভিনেত্রী দিলারা জামানের উত্তরার বাসায় আমি।
22/02/2024

২০১৩ সালে অভিনেত্রী দিলারা জামানের উত্তরার বাসায় আমি।

16/01/2024

আমাদের দেশে বিয়ে নামক প্রহসন হয়
অর্থের সাথে অর্থের।
মনের সাথে মনের নয়।

26/12/2023

আপনি যখন অর্থের অভাবে অসহায় হবেন, তখনই আপনি বুঝবেন আপনজনের মানে।
আপনজন তখনই তার আসল চেহারা দেখিয়ে দিবে!
আদতে, পৃথিবীতে কেউ কারো আপন নয়।

20/12/2023

অধিকাংশ মানুষ এখন মনুষ্যত্ব, সততা ও মহৎ হৃদয় নয়, এমনকি মানুষ মানুষকেও নয়;

কেবল তার অবস্থানকে মূল্যায়ন করে।

17/12/2023

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা আমাদের জ্ঞানী মানুষ করে তুলে না।

ভালো প্রফেশনালও বানায় না, কেবল কেরানি বানায়।

Address

Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Lanvin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to The Lanvin:

Share