IEC Tender Consultants

IEC Tender Consultants Unlock success in every tender. We specialize in strategic consulting to win together!

সরকারি ক্রয় চুক্তিতে বীমার (Insurance) প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এটি চুক্তির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন, ঝুঁকি ব্যবস...
07/01/2025

সরকারি ক্রয় চুক্তিতে বীমার (Insurance) প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এটি চুক্তির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং চুক্তি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।

বীমা নিয়ে বিস্তারিত জানতে দেখুনঃ বীমা (Insurance) কি ?

চুক্তি স্বাক্ষরের সময় চুক্তি দলিলের PCC (Particular Conditions of Contract) অংশ ঠিকঠাক পূরণ করতে হয়।

চুক্তিতে বীমা (Insurance) অংশের এক উল্লেকযোগ্য শব্দ হচ্ছে Deductible।

এই Deductible কি এবং তা কীভাবে কাজ করে এটা বোঝা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারন, তা ভোক্তাদের বীমা পলিসি ক্রয়ে এবং বীমার শর্ত অনুযায়ি বীমা দাবি দাখিল করার সময় সিদ্ধান্ত গ্রহনে কাজে লাগে।

Deductible কে বাংলা করলে হয় কর্তনযোগ্য।

বীমা (Insurance) এর ক্ষেত্রে Deductible হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ যা বীমা পলিসির শর্ত মোতাবেক সকল দাবির প্রেক্ষিতে সম্পুর্ন অর্থ পরিশোধ করার আগে গ্রাহককে অবশ্যই ব্যয় করতে হবে।

বিমাকৃত কাজের ক্ষতির ক্ষেত্রে Deductible হলো সেই পরিমান অর্থ যে পরিমান আর্থিক ঝুঁকি গ্রাহক (policyholder) নিজেই বহন করবে এবং তা প্রদানের জন্য দায়ী থাকবে (A deductible is the amount of money that you are responsible for paying toward an insured loss)।

বীমা কোম্পানিগুলি আসলে এই ডিডাক্টিবল (Deductible) ব্যবহার করে ইন্সুরেন্সের ঝুঁকি ভাগাভাগি করে। এতে বীমা গ্রাহকদেরও সুবিধা হয়। কারণ, এতে বীমার প্রিমিয়াম কম আসে। Deductible এর পরিমান যতো বেশি প্রিমিয়াম ততো কম। কিন্তু বীমার কভারেজের পরিমান উভয় ক্ষেত্রেই সমান থাকে।

উদাহরণঃ

ধরা যাক, Personal Injury এর ক্ষেত্রে ১ লক্ষ টাকার একটা মেডিক্যাল ইনস্যুরেন্স খোলা হলো যেখানে Deductible amount হল ১০,০০০ টাকা। তার মানে, Injury সংক্রান্ত আপনার মোট খরচ ১০,০০০ টাকা অতিক্রম না করা পর্যন্ত আপনাকে নিজের পকেট থেকেই ডাক্তারের ভিজিট, প্রেসক্রিপশন, ঔষধ, ইত্যাদির মতো প্রাথমিক খরচগুলি চালিয়ে যেতে হবে। একবার আপনার প্রাথমিক খরচ ১০,০০০ টাকা অতিক্রম করলে তখন আপনার বীমার দাবী শুরু হবে। অর্থাৎ বীমা কোম্পানি বাকি (৯০,০০০ টাকা পর্যন্ত) খরচের জন্য দায় বহন করবে।

এক্ষেত্রে মোট বীমা কাভারেজ হলো ১ লক্ষ টাকা। Deductible amount হল ১০,০০০ টাকা। প্রিমিয়াম হিসেব হবে ৯০,০০০ টাকার উপর।

এই বীমা পলিসিতে Deductible না থাকলে প্রিমিয়াম হিসেব হতো ১ লক্ষ টাকার উপর। অর্থাৎ মাসিক প্রিমিয়াম বেশি আসতো। কিন্তু গ্রাহক প্রাথমিক খরচ পুরোটাই বীমার কাভারেজ থেকে পেতো।

বিষয় টা এক ধরনের Win-Win সিচুয়েশন। তবে বীমা পলিসিতে Deductible অন্তর্ভুক্তির বেলায় কৌশলী হতে উভয় পক্ষকেই।

টেন্ডারে অংশ নিতে গেলে আগের কাজের অভিজ্ঞতার সনদ বা কমপ্লিশন সার্টিফিকেট (Completion Certificate) প্রয়োজন হয়। এই সার্টিফি...
07/12/2024

টেন্ডারে অংশ নিতে গেলে আগের কাজের অভিজ্ঞতার সনদ বা কমপ্লিশন সার্টিফিকেট (Completion Certificate) প্রয়োজন হয়। এই সার্টিফিকেট ছাড়া টেন্ডারে বাদ দেয়া হয়।

এই কমপ্লিশন সার্টিফিকেট বলতে কি বোঝায় ? বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন।

এখন, প্রশ্ন হলো, এই সার্টিফিকেট কে দিবেন ? কেন দিবেন ? কোথায় লিখা আছে কমপ্লিশন সার্টিফিকেট দিতে হবে ?

সাধারনত দরপত্রের শর্তে অভিজ্ঞতার সনদ (Experience Certificate) চাওয়া হয়। যেমন PW3 দরপত্র দলিলে অভিজ্ঞতা প্রমাণের জন্য Specific experience হিসেবে কমপ্লিশন সার্টিফিকেট (Completion Certificate) বা কার্য সমাপ্তির সনদ চাওয়ার সংস্থান আছে।

এই অভিজ্ঞতার সনদ দিবেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক (Project Manager)। পিপিআর-০৮ এর বিধি ৩৯(৩২) অনুযায়ি প্রকল্প ব্যবস্থাপক বিধি ৩৯(২৯) অনুসারে কার্য সমাপ্ত হয়েছে মর্মে সিদ্ধান্তে উপনীত হলে তা জারী করিবেন।

তবে আমাদের দেশে সাধারনত দেখা যায় প্রকল্প ব্যবস্থাপক (Project Manager) না থাকলে অথবা থাকলেও ক্রয়কারি (Procuring Entity) নিজেই তা জারী করে থাকেন।

সে হিসেবে চুক্তি সমাপ্ত হবার পর ঠিকাদারি বা সরবরাহকারি প্রতিষ্ঠানের এই Completion Certificate পাওয়া আইনগত অধিকার।

তবে এই Completion Certificate পাওয়ার জন্য প্রকল্প ব্যবস্থাপক (Project Manager) বা ক্রয়কারি বরাবর অফিসিয়ালি আবেদন করতে হবে।

টেন্ডারে অংশ নিতে গেলে আগের কাজের অভিজ্ঞতার সনদ বা কমপ্লিশন সার্টিফিকেট (Completion Certificate) প্রয়োজন হয়। এই সার্টিফি...
07/12/2024

টেন্ডারে অংশ নিতে গেলে আগের কাজের অভিজ্ঞতার সনদ বা কমপ্লিশন সার্টিফিকেট (Completion Certificate) প্রয়োজন হয়। এই সার্টিফিকেট ছাড়া টেন্ডারে বাদ দেয়া হয়।

কমপ্লিশন সার্টিফিকেট বলতে কি বোঝায় ? বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন।

আবার, কমপ্লিশন সার্টিফিকেট থাকলেও অসম্পুর্ন থাকার কারনেও তা অনেক সময় গ্রহনযোগ্য হয় না।

তাহলে প্রশ্ন হলো, এই কমপ্লিশন সার্টিফিকেট এ কি কি থাকতে হবে ?

সাধারনত দরপত্র দলিলের পেছনে Completion Certificate এর নমুনা দেয়া থাকে।

এই সার্টিফিকেট চুক্তির ধরন অর্থাৎ Works, Goods বা Service এর চুক্তি অনুযায়ি ভিন্ন ভিন্ন হবে। নিচে নমুনা দেয়া হলঃ

বিদেশি অংশীদারি যৌথ মালিকানার কোম্পানির ব্যবসা (JVCA) পরিচালনার জন্য নতুন নীতিমালা করেছে সরকার।আন্তর্জাতিক (Internationa...
07/12/2024

বিদেশি অংশীদারি যৌথ মালিকানার কোম্পানির ব্যবসা (JVCA) পরিচালনার জন্য নতুন নীতিমালা করেছে সরকার।

আন্তর্জাতিক (International) অথবা অভ্যন্তরিন (National) দরপত্রে জয়েন্ট ভেঞ্চার গঠনের ক্ষেত্রে যদি কোন বিদেশি প্রতিষ্ঠান অংশীদার (Foreign Partner) হিসেবে অংশগ্রহন করে তখন এই নীতিমালা অনুযায়ি অনেক কিছু দেখতে হবে। বিশেষ করে দরপত্র দলিল (Tender Document) প্রস্তুতিতে এবং দরপত্র মূল্যায়নে তা অনেক কাজে লাগবে।

বিদেশি অংশীদারি যৌথ মালিকানার কোম্পানির ব্যবসা পরিচালনার জন্য নতুন নীতিমালা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই নীতিমালায় ব্যবসা শুরু, ব্যাংকিং লেনদেন, আর্থিক বিবরণী, ব্যাংকঋণ, মুনাফা স্থানান্তর ও বিদেশি কর্মী নিয়োগসংক্রান্ত বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, বিদেশি নাগরিক বা যেসব কোম্পানি বাংলাদেশে নিবন্ধিত নয়, তাদের এ দেশে যৌথভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা কার্যালয় স্থাপন করতে চাইলে নীতিমালাটি মেনে চলতে হবে। বিদেশি অংশীদারের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বা সাবকন্ট্রাক্টিং (Sub-contracting) করার ক্ষেত্রেও এই নীতিমালা মানার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

নীতিমালায় যা যা আছে তা সংক্ষেপে তুলে ধরা হলোঃ

বিদেশি অংশদারি যৌথ মালিকানাধীন কোম্পানিকে প্রথমেই বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) থেকে ব্যবসার অনুমতিপত্র নিতে হবে।
সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কার্যালয়ের অধীন অংশীদারদের মধ্যে একটি বৈধ চুক্তি থাকতে হবে। বিডার অনুমতি পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগ বিভাগকে (এফইআইডি) তা জানতে হবে।
সংশ্লিষ্ট কোম্পানি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নিয়ম অনুযায়ী টিআইএন, বিআইএন, ভ্যাট ইত্যাদি সনদ নেবে। এ ছাড়া জমা দিতে হবে নিয়মিত আয়কর রিটার্ন।
বিদেশি অংশীদারি যৌথ মালিকানাধীন কোম্পানি নামে বাংলাদেশের যেকোনো তফসিল ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের জন্য অনুমোদিত ডিলার (এডি) শাখায় ব্যাংক হিসাব খোলা যাবে। অবশ্য এডি শাখার বাইরেও দেশি মুদ্রায় লেনদেনের জন্য এক বা একাধিক ব্যাংকে এক বা একাধিক ব্যাংক হিসাব খুলতে পারবে বিদেশি অংশদারি যৌথ মালিকানাধীন কোম্পানি। সে ক্ষেত্রে মনোনীত এডির অনাপত্তিপত্র দিতে হবে।
কার্যাদেশের বিপরীতে পাওয়া সব অর্থ সংশ্লিষ্ট কোম্পানির মূল ব্যাংক হিসাবে জমা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
বিদেশি কর্মী নিয়োগের অনুমতি দেবে বিডা বা অন্য কোনো দপ্তর। তবে এডি ব্যাংক সেগুলো যাচাই–বাছাই করবে। বিদেশি কর্মীদের বেতন-ভাতা বাবদ পরিশোধ করা অর্থ আর্থিক বিবরণীতে প্রকাশ করতে হবে।

Alhamdulillah, I have recently completed the Three Week Public Procurement Management program at the esteemed Engineerin...
10/03/2024

Alhamdulillah, I have recently completed the Three Week Public Procurement Management program at the esteemed Engineering Staff College, Bangladesh - ESCB. I am grateful for the invaluable lessons that I have learned during the program and am eager to apply my newfound knowledge to make a difference in the field of public procurement management. The program has provided me with an in-depth understanding of the principles and practices of procurement, including procurement planning, contract management, and supplier performance evaluation. I am confident that the skills I have acquired during the program will enable me to effectively manage procurement activities and contribute towards achieving organizational goals.

সরকারি ভাবে কার্য, পণ্য, সেবা, ইত্যাদি ক্রয়ে সহায়তা করার জন্য বিভিন্ন ধাপে নিযুক্ত ব্যক্তিদের বিভিন্ন গ্রুপ থাকে। এগুলো...
01/02/2024

সরকারি ভাবে কার্য, পণ্য, সেবা, ইত্যাদি ক্রয়ে সহায়তা করার জন্য বিভিন্ন ধাপে নিযুক্ত ব্যক্তিদের বিভিন্ন গ্রুপ থাকে। এগুলোকেই সরকারি ক্রয়ের কমিটি বলা হয়।

এই কমিটিগুলোর মাধ্যমে ক্রয় কার্যক্রমে Best Value for Money, স্বচ্ছ্বতা, জবাবদিহিতা, ইত্যাদি নিশ্চিত করে সর্বোত্তম সরবরাহকারি বা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নির্ধারণ এবং তার মাধ্যমে চুক্তি অনুযায়ি কার্য, পণ্য বা সেবা গ্রহনে সহযোগিতা করা হয়।

এই প্রকিউরমেন্ট কমিটিগুলো ক্রয় প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে; দরপত্র উন্মুক্তকরণ ও মূল্যায়ন করে, চুক্তি তদারকিতে সহায়তা করে, প্রাসঙ্গিক আইন ও বিধি-বিধানের আলোকে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রস্তুত ও পেশ করতে পারে।

এখন প্রশ্ন হলো, সরকারি ক্রয়ে মোট কত ধরনের কমিটি আছে ?

বিস্তারিত জানতে লগইন করুনঃ

পিপিআর-০৮ অনুযায়ি সরকারি ক্রয়ে মোট ৫ ধরনের কমিটি আছেঃ

১। উন্মুক্তকরণ কমিটি [বিধি – ৭]
Tender/Proposal Opening Committee (TOC/POC)

২। আবেদনপত্র, দরপত্র বা প্রস্তাব মূল্যায়ন কমিটি [বিধি – ৮]
Tender/Proposal Evaluation Committee (TEC/PEC),

৩। কারিগরী সাব-কমিটি [বিধি – ৮ (১৪)]
Technical Sub-Committee (TSC)

৪। তালিকাভুক্তিকরণ কমিটি [বিধি – ৫২ (৩)]
Enlistment Committee

৫। দাপ্তরিক প্রাক্কলিত ব্যয় প্রস্তুত কমিটি [বিধি ১৬ (৫ক, ৫খ)]
Official Cost Estimate Committee (OCEC)



এছাড়াও, দরপত্র দলিলে ২টি কমিটির উল্লেখ আছেঃ

১। কারিগরি পরিদর্শন এবং গ্রহণ কমিটি [GCC 22.2, PG3]
Technical Inspection and Acceptance Committee (TIAC)

২। Contract Termination Review Committee (CTRC)

প্রয়োজনের তাগিদে, বিভিন্ন ছোটখাটো ভূলভ্রান্তির সংশোধনে এবং সরকারি ক্রয় বিধিকে আরও ক্রয় বান্ধব করার জন্য ক্রয় আইন ও বিধিত...
12/01/2024

প্রয়োজনের তাগিদে, বিভিন্ন ছোটখাটো ভূলভ্রান্তির সংশোধনে এবং সরকারি ক্রয় বিধিকে আরও ক্রয় বান্ধব করার জন্য ক্রয় আইন ও বিধিতে বিভিন্ন সময় সংশোধনী আনা হয়েছিল। সে হিসেবে গত ১০ জুন, ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ তারিখে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন-০৬ (৫ম বারের মতো) এবং গত ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০০৮ এ (৬ষ্ঠ বারের মতো) সর্বশেষ সংশোধনী জারি হয়েছিল।

এখন, অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৫ তে-ই সরকারি ক্রয় আইন ২০০৮ এবং বিধি ২০০৬ তে পরবর্তী সংশোধনী আসন্ন। এই আশংকার প্রেক্ষাপট কি ?

১০ ডিসেম্বর ২০২৩ ইং তারিখে ‘টেকসই সরকারি ক্রয় নীতি (SPP) ২০২৩’ জারি করা হয়েছে। এতে সরকারি ক্রয়ে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত দিক বিবেচনাসহ আরো কিছু মৌলিক বিষয় যুক্ত করা হয়েছে।

এখন, অন্তত এই Sustainable Public Procurement (SPP) Policy প্রয়োগ করার জন্য হলেও ক্রয় আইন ও বিধিতে সংশোধনী করতে হবে।

‘টেকসই সরকারি ক্রয় নীতি (SPP) ২০২৩’ এর কিছু ধারায় যা আছে তা হলোঃ

একটি বাধ্যতামূলক নির্দেশিকা জারির মাধ্যমে আদর্শ দরপত্র দলিলে ন্যুনতম টেকসই সরকারি ক্রয় নীতির বিধান অন্তর্ভূক্ত করা এবং ২০২৪ সালে এর পরীক্ষামূলক বাস্তবায়ন।
আইনি পরিধিতে অন্তর্ভূক্তির জন্য ২০২৫ সালে টেকসই সরকারি ক্রয় নির্দেশিকা এবং আদর্শ দরপত্র দলিলের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ থেকে প্রাপ্ত শিখনের ওপর ভিত্তি করে প্রাসঙ্গিক টেকসই সরকারি ক্রয় বিধানগুলোকে অন্তর্ভূক্ত করে সরকারি ক্রয় আইন, ২০০৬ (পিপিএ ২০০৬) এবং সরকারি ক্রয় বিধি ২০০৮ (পিপিআর ২০০৮) সংশোধন করা।
সম্ভাব্যতা যাচাই এবং ২০২৬ সালের পরে এর প্রভাবসহ অগ্রগতি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সারাদেশে টেকসই সরকারি ক্রয় নীতি চালু করা।


কাজেই, ২০২৫ সালেই যে সরকারি ক্রয় আইন এবং বিধিতে সংশোধনী আসন্ন তা হলপ করে বলাই যায়।

29/12/2023
Get a 50% Discount on e-GP Registration Service Charge.
27/12/2023

Get a 50% Discount on e-GP Registration Service Charge.





Open Tender Methord
26/12/2023

Open Tender Methord



Works and Goods Procurement Methods
26/12/2023

Works and Goods Procurement Methods




Address

House-12, Road-8/1, Block-A, East Vatara, Baridhara
Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IEC Tender Consultants posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share